ক্যালিফোর্নিয়ায় আবাসন সংকট ও গৃহহীনতার সমস্যা মোকাবিলায় ১১ বিলিয়ন ডলারের একটি বন্ড প্রস্তাবের ওপর আগামী নভেম্বরে ভোট দেবেন রাজ্যের ভোটাররা।
প্রপোজিশন ১ নামে পরিচিত ‘ভেটেরানস অ্যান্ড অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং বন্ড অ্যাক্ট অব ২০২৬’ পাস হলে সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন নির্মাণে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি বাড়ির মালিকানা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি এবং গৃহহীনতা মোকাবিলায় নানা উদ্যোগে অর্থ দেওয়া হবে।
বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার স্টেট ক্যাপিটলের সামনে জড়ো হয়ে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যের বড় শহরগুলোর মেয়রদের জোটসহ স্থানীয় বিভিন্ন নেতা।
ফ্রেসনোর মেয়র জেরি ডায়ার বলেন, ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার আবাসন প্রকল্প প্রস্তুত রয়েছে। কিন্তু এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ঘাটতি রয়েছে।
তিনি বলেন, নির্মাণে প্রস্তুত থাকা শহরগুলোর মূল সমস্যা হলো প্রয়োজনীয় সরকারি ভর্তুকির অভাব।
মেয়রদের জোটের মতে, বন্ডের মাধ্যমে ঋণ নেওয়া নিয়ে আপত্তি থাকলেও রাজ্যের আবাসন সংকট এতটাই গুরুতর যে এটি মোকাবিলা করা জরুরি।
ডায়ার বলেন, গৃহহীন মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে স্থায়ী আবাসনে নিয়ে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সাশ্রয়ী বাসস্থানের প্রয়োজন। তা না হলে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর তারা আবারও রাস্তায় ফিরে যেতে পারেন।
ঋণের বোঝা নিয়ে সমালোচনা
প্রস্তাবটির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত বড় কোনো সংগঠিত প্রচারাভিযান নেই। তবে কয়েকজন রাজ্য আইনপ্রণেতা অতিরিক্ত সরকারি ব্যয় ও ঋণ নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
রিপাবলিকান অ্যাসেম্বলিম্যান ডেভিড টাঙ্গিপা বলেন, ক্যালিফোর্নিয়া আবাসন ও গৃহহীনতা মোকাবিলায় ইতোমধ্যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। কিন্তু এর পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।
তার অভিযোগ, রাজ্য সরকার কত টাকা খরচ করেছে, সেটিকেই সাফল্যের মাপকাঠি হিসেবে দেখছে; কিন্তু সেই অর্থে বাস্তবে কী ফল পাওয়া গেছে, তা যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না।
টাঙ্গিপার মতে, ক্যালিফোর্নিয়ার সমস্যা শুধু আবাসনের সামর্থ্যের নয়, বরং পর্যাপ্ত আবাসন সরবরাহেরও। তার দাবি, রাজ্যে বাড়ি নির্মাণের খরচ এত বেশি যে শুধু নতুন অর্থ বরাদ্দ করলেই সংকটের সমাধান হবে না।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, নতুন করে এত বড় ঋণের বোঝা নেওয়া আদৌ সঠিক সিদ্ধান্ত কি না।
টাঙ্গিপা বলেন, এখন ঋণ নিলে এর দায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর পড়বে। অথচ তরুণদের একটি বড় অংশ এরই মধ্যে বাড়ি কেনার অক্ষমতা ও ঋণের চাপ নিয়ে উদ্বিগ্ন।
আগের বন্ডের ধারাবাহিকতায় নতুন প্রস্তাব
প্রস্তাবিত ১১ বিলিয়ন ডলারের বন্ডটি ২০১৮ সালে ভোটারদের অনুমোদিত একটি আবাসন বন্ডের পরবর্তী পদক্ষেপ। ওই বন্ডের মাধ্যমে সাশ্রয়ী আবাসন কর্মসূচির জন্য ৪ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
নতুন প্রস্তাবটি পাস হলে ক্যালিফোর্নিয়ায় সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণ, বাড়ির মালিকানা বাড়ানো এবং গৃহহীনতা মোকাবিলায় আরও বড় পরিসরে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে। তবে এর বড় অংশ ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে এবং প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের সাধারণ বন্ডের অর্থ শেষ পর্যন্ত রাজ্যের করদাতাদের অর্থেই পরিশোধ করতে হবে।
এলএবাংলাটাইমস/ওএম
প্রপোজিশন ১ নামে পরিচিত ‘ভেটেরানস অ্যান্ড অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং বন্ড অ্যাক্ট অব ২০২৬’ পাস হলে সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন নির্মাণে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি বাড়ির মালিকানা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি এবং গৃহহীনতা মোকাবিলায় নানা উদ্যোগে অর্থ দেওয়া হবে।
বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার স্টেট ক্যাপিটলের সামনে জড়ো হয়ে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যের বড় শহরগুলোর মেয়রদের জোটসহ স্থানীয় বিভিন্ন নেতা।
ফ্রেসনোর মেয়র জেরি ডায়ার বলেন, ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার আবাসন প্রকল্প প্রস্তুত রয়েছে। কিন্তু এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ঘাটতি রয়েছে।
তিনি বলেন, নির্মাণে প্রস্তুত থাকা শহরগুলোর মূল সমস্যা হলো প্রয়োজনীয় সরকারি ভর্তুকির অভাব।
মেয়রদের জোটের মতে, বন্ডের মাধ্যমে ঋণ নেওয়া নিয়ে আপত্তি থাকলেও রাজ্যের আবাসন সংকট এতটাই গুরুতর যে এটি মোকাবিলা করা জরুরি।
ডায়ার বলেন, গৃহহীন মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে স্থায়ী আবাসনে নিয়ে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সাশ্রয়ী বাসস্থানের প্রয়োজন। তা না হলে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর তারা আবারও রাস্তায় ফিরে যেতে পারেন।
ঋণের বোঝা নিয়ে সমালোচনা
প্রস্তাবটির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত বড় কোনো সংগঠিত প্রচারাভিযান নেই। তবে কয়েকজন রাজ্য আইনপ্রণেতা অতিরিক্ত সরকারি ব্যয় ও ঋণ নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
রিপাবলিকান অ্যাসেম্বলিম্যান ডেভিড টাঙ্গিপা বলেন, ক্যালিফোর্নিয়া আবাসন ও গৃহহীনতা মোকাবিলায় ইতোমধ্যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। কিন্তু এর পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।
তার অভিযোগ, রাজ্য সরকার কত টাকা খরচ করেছে, সেটিকেই সাফল্যের মাপকাঠি হিসেবে দেখছে; কিন্তু সেই অর্থে বাস্তবে কী ফল পাওয়া গেছে, তা যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না।
টাঙ্গিপার মতে, ক্যালিফোর্নিয়ার সমস্যা শুধু আবাসনের সামর্থ্যের নয়, বরং পর্যাপ্ত আবাসন সরবরাহেরও। তার দাবি, রাজ্যে বাড়ি নির্মাণের খরচ এত বেশি যে শুধু নতুন অর্থ বরাদ্দ করলেই সংকটের সমাধান হবে না।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, নতুন করে এত বড় ঋণের বোঝা নেওয়া আদৌ সঠিক সিদ্ধান্ত কি না।
টাঙ্গিপা বলেন, এখন ঋণ নিলে এর দায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর পড়বে। অথচ তরুণদের একটি বড় অংশ এরই মধ্যে বাড়ি কেনার অক্ষমতা ও ঋণের চাপ নিয়ে উদ্বিগ্ন।
আগের বন্ডের ধারাবাহিকতায় নতুন প্রস্তাব
প্রস্তাবিত ১১ বিলিয়ন ডলারের বন্ডটি ২০১৮ সালে ভোটারদের অনুমোদিত একটি আবাসন বন্ডের পরবর্তী পদক্ষেপ। ওই বন্ডের মাধ্যমে সাশ্রয়ী আবাসন কর্মসূচির জন্য ৪ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
নতুন প্রস্তাবটি পাস হলে ক্যালিফোর্নিয়ায় সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণ, বাড়ির মালিকানা বাড়ানো এবং গৃহহীনতা মোকাবিলায় আরও বড় পরিসরে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে। তবে এর বড় অংশ ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে এবং প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের সাধারণ বন্ডের অর্থ শেষ পর্যন্ত রাজ্যের করদাতাদের অর্থেই পরিশোধ করতে হবে।
এলএবাংলাটাইমস/ওএম