বাংলাদেশ

আন্দোলনে-নির্বাচনে ব্যর্থ বিএনপি : ওবায়দুর কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে বিএনপি, আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু নির্বাচনেও তারা চরমভাবে ব্যর্থ। নির্বাচনেও ব্যর্থ।

শনিবার (০৫ জানুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয় আওয়ামী লীগ সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে সহযোগী সংগঠনের যৌথসভার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, মাহাবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বি এম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া।

ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিদেশিদের কাছে নালিশ করা ছাড়া এখন তাদের আর অবলম্বন কী? ১০ বছর ধরে একটা আন্দোলন করতে পারেনি। জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু নির্বাচনেও তারা চরমভাবে ব্যর্থ। আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচনেও ব্যর্থ, এখন তাদের আর অবলম্বন কী আছে?

“দেশের লোকের কাছে তো অনেক বলেছে, এখন বিদেশিদের কাছে তারা নালিশ করে যাচ্ছে। সেটা তাদের পুরানো অভ্যাস, পুরোনো অভ্যাসের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। এখানে আমাদের কী বলার আছে।”

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল যেসব কথা বলছেন, এটা আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ একজন রাজনীতিকের অসংলগ্ন সংলাপ। একটি উদাহরণ দিয়ে বলি। শুধু হাতিয়ার দিকে দেখুন। সেখানে সাংগাঠনিকভাবে সমস্যা সংকুল। যেখানে বার বার আমরা চেষ্টা করেও নেতাদের এক করতে পারি নাই। অনেক চেষ্টা হয়েছে সেখানে সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করতে, বারবার চেষ্টা করেছি। এবার কঠিন ঐক্য ছিল, হাতিয়া সবার আগে ঐক্যবদ্ধ ছিল, এক মঞ্চে সবাই। এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরেও তারা ঐক্যবদ্ধ আছে। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল ১৭ জন। শেষ পর্যন্ত কিন্তু থাকেনি, আমাদের নেতাদের প্রয়াসে আমরা বিদ্রোহকে প্রশমিত করতে পেরেছি। দৃশ্যমান তেমন কোনও বিদ্রোহ আমাদের পরিলক্ষিত হয়নি। এটাই আওয়ামী লীগের বিজয়ের প্রথম সোপান।

অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এবার আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ দাবি করে সাধারণ সম্পাদক বলেন, “একটি উদাহরণ দিয়ে বলি। শুধু হাতিয়ার দিকে দেখুন। সেখানে সাংগাঠনিকভাবে সমস্যা সংকুল। যেখানে বারবার আমরা চেষ্টা করেও নেতাদের এক করতে পারি নাই। এবার কঠিন ঐক্য ছিল, এক মঞ্চে সবাই। নির্বাচনের পরেও তারা ঐক্যবদ্ধ আছে। “এবার আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল ১৭ জন। শেষ পর্যন্ত কিন্তু থাকেনি, আমাদের নেতৃবৃন্দের প্রয়াসে আমরা বিদ্রোহকে প্রশমিত করতে পেরেছি। দৃশ্যমান তেমন কোনো বিদ্রোহ পরিলক্ষিত হয়নি। এটাই আওয়ামী লীগের বিজয়ের প্রথম সোপান।"

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দেখুন সৈয়দ আশরাফের ব্যাপারটা আমাদের ওপর ছেড়ে দিন। নিশ্চয়ই আমাদের যে বেশি দরদ আপনাদের নেই। আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আমাদের নেতাকর্মীদেরও এখানে অনুভূতি আছে। কিন্তু চিন্তা করতে হবে তিনি কতদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। এ ধরনের কঠিন ব্যাধির পর তাকে এতদিকে টানা হেঁচড়া করা উচিত হবে না।