ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তরপ্রদেশে প্রবল বজ্রপাত ও ঝড়ে অন্তত ৪৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বুধবার থেকে প্রবল বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকার নির্দেশ দিয়েছে, নিহতদের পরিবারের কাছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষতিপূরণ পৌঁছে দিতে হবে। পাশাপাশি ফসলের ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে জরুরি জরিপ চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়।
উত্তরপ্রদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সোমবার পর্যন্ত রাজ্যে বজ্রঝড়ের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে মধ্য উত্তরপ্রদেশ ও তেরাই অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া চলতে পারে। এদিকে ঝড়ের কারণে রাজ্যের ঝাঁসি জেলার সিংঘার গ্রামে বিপুল সংখ্যক টিয়াপাখি মারা গেছে। স্থানীয়রা জানান, গ্রামের এক মন্দির সংলগ্ন বৃহৎ পিপল গাছটিকে বহু টিয়াপাখির বাসস্থান হিসেবে দেখা যেত। হঠাৎ ঝড়ে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে অনেক টিয়াপাখি হতাহত হয়।
ঝাঁসি জেলার বন কর্মকর্তা জে বি শেন্দে জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৭০টি টিয়াপাখির মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে এবং প্রায় ৩০টি পাখি আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকার নির্দেশ দিয়েছে, নিহতদের পরিবারের কাছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষতিপূরণ পৌঁছে দিতে হবে। পাশাপাশি ফসলের ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে জরুরি জরিপ চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়।
উত্তরপ্রদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সোমবার পর্যন্ত রাজ্যে বজ্রঝড়ের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে মধ্য উত্তরপ্রদেশ ও তেরাই অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া চলতে পারে। এদিকে ঝড়ের কারণে রাজ্যের ঝাঁসি জেলার সিংঘার গ্রামে বিপুল সংখ্যক টিয়াপাখি মারা গেছে। স্থানীয়রা জানান, গ্রামের এক মন্দির সংলগ্ন বৃহৎ পিপল গাছটিকে বহু টিয়াপাখির বাসস্থান হিসেবে দেখা যেত। হঠাৎ ঝড়ে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে অনেক টিয়াপাখি হতাহত হয়।
ঝাঁসি জেলার বন কর্মকর্তা জে বি শেন্দে জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৭০টি টিয়াপাখির মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে এবং প্রায় ৩০টি পাখি আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস