উত্তরের পর এবার দক্ষিণ গাজাও খালি করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। এরই মধ্যে সেখানে উত্তরের মতোই বিমান থেকে লিফলেট ছুঁড়ে সেখানকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ঠিক একইভাবে উত্তর গাজায় লিফলেট ছুঁড়ে সেখানকার বাসিন্দাদের দক্ষিণে যাওয়ার জন্য বলেছিল ইহুদি দখলদার বাহিনী।
জানা গেছে, বুধবার রাতে ইসরায়েল গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান নগরী খান ইউনিস এলাকার কিছু শহরের বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এসবের শহরের মধ্যে রয়েছে- বনি শুহাইলা, খুজা, আবাসান এবং কারারা। এই শহরগুলোতে এক লাখেরও বেশি লোক বাস করতো। তবে ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর উত্তর থেকে আসা আররো হাজার হাজার মানুষ সেখানে আশ্রয় নিয়েছে।
লিফলেটে বলা হয়েছে, “হামাস সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আপনার বাসস্থানের এলাকায় তাদের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। আপনার নিরাপত্তার জন্য, আপনাকে অবিলম্বে আপনার বসবাসের স্থানগুলো খালি করতে হবে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হবে।”
বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকায় রাতভর প্রচণ্ড বোমাবর্ষণ হয়েছে। অক্টোবরের শেষে স্থল বাহিনী পাঠানোর আগে ইসরায়েল গাজার উত্তর অর্ধেক খালি করার নির্দেশ দিয়েছিল। বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য ছয় ঘণ্টার ‘কৌশলগত বিরতি’ দিয়েছিল ইসরায়েল। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজার ২৩ লাখ মানুষের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তাদের বেশিরভাগই দক্ষিণের শহরে আশ্রয় নিয়েছে। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকায় রাতভর প্রচণ্ড বোমাবর্ষণ হয়েছে। অক্টোবরের শেষে স্থল বাহিনী পাঠানোর আগে ইসরায়েল গাজার উত্তর অর্ধেক খালি করার নির্দেশ দিয়েছিল। বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য ছয় ঘণ্টার ‘কৌশলগত বিরতি’ দিয়েছিল ইসরায়েল। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজার ২৩ লাখ মানুষের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তাদের বেশিরভাগই দক্ষিণের শহরে আশ্রয় নিয়েছে। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস