সুপার এল নিনোর প্রভাবে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা
লস এঞ্জেলেস মেয়র নির্বাচনে বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এলএএক্স পিপল মুভারের বারবার বিলম্ব
ছবিঃ এলএবাংলাটাইমস
লস এঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভয়াবহ যানজট কমাতে নির্মিত পিপল মুভার প্রকল্পের উদ্বোধন আবারও পিছিয়ে গেছে। ২০২৩ সালে এটি চালু হওয়ার কথা ছিল। এরপর একাধিকবার সময়সীমা পরিবর্তন করা হয়। সর্বশেষ আগামী মাসে চালুর কথা থাকলেও এবার সেটিও পিছিয়ে ২০২৭ সালের জানুয়ারি করা হয়েছে।
স্কাইলিংক নামে পরিচিত এই পিপল মুভার প্রকল্পটি নির্ধারিত বাজেটের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। প্রকল্পটির মাধ্যমে বিমানবন্দরের টার্মিনালগুলোর সঙ্গে নতুন ভাড়ার গাড়ি কেন্দ্র, পার্কিং সুবিধা এবং লস এঞ্জেলেস মেট্রোকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বারবার বিলম্বের কারণে এটি এখন লস এঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
মেয়র প্রার্থী নিথিয়া রামান প্রকল্পের বিলম্বের জন্য মেয়র কারেন বাসের নেতৃত্বকে দায়ী করেছেন। তবে পিপল মুভারের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে, কারেন বাস মেয়র হওয়ারও আগে। অবশ্য বাসের মেয়াদে প্রকল্পটির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা পার হয়েছে। এর মধ্যে লস এঞ্জেলেসে বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের আগেই পিপল মুভার চালু করতে না পারার বিষয়টিও রয়েছে।
কারেন বাস এক বিবৃতিতে বলেছেন, নতুন বছরে পিপল মুভার চালু হয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের বিমানবন্দরে নিরাপদ ও কার্যকরভাবে যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশা করছেন। তিনি কনট্রাক্টরদের দ্রুত কাজ শেষ করে প্রকল্পটি সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন।
একটি প্রচারণামূলক ভিডিওতে নিথিয়া রামান বলেন, তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে প্রকল্পটির কনট্রাক্টরের কর্মকাণ্ড নিয়ে সিটি অ্যাটর্নি এবং স্টেট অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে তদন্তের উদ্যোগ নেবেন। প্রকল্পের পরিচালনা ও বিলম্বের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার কথাও জানান তিনি।
লস এঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পিপল মুভার প্রকল্পের বিলম্বের জন্য কনট্রাক্টরকে দায়ী করা হয়েছে। তবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, সিস্টেমটি চালুর আগে কঠোর টেস্টিং সম্পন্ন করা প্রয়োজন।
এলএএক্স কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। লস এঞ্জেলেস এবং ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক বড় আয়োজনগুলোতে যাত্রীদের জন্য নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
দুই মাইলের বেশি দীর্ঘ এই পিপল মুভার চালু হলে বিমানবন্দরের টার্মিনালগুলো নতুন ভাড়ার গাড়ি কেন্দ্র, পার্কিং এলাকা এবং লস এঞ্জেলেস মেট্রোর সঙ্গে যুক্ত হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন