যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ০৬ Jul, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 02:46pm

|   লন্ডন - 09:46am

|   নিউইয়র্ক - 04:46am

  সর্বশেষ :

  রয়া চৌধুরীর কবিতা   বিশ্বখ্যাতদের এক ডজন বিচিত্র ঘটনা   দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় জুন মাসে ৩৬১ জনের মৃত্যু   আগামী উপনির্বাচনে যাচ্ছে না বিএনপি   দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ লাখ মানুষ   করোনার মধ্যেও শত শত মানুষের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন   রক্ত দান ও ফ্লাইওভারে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিক্সন লাইব্রেরি   সাউথ লস এঞ্জেলেসে এ্যাম্বুলেন্স চুরির ঘটনায় আটক ১   করোনায় মারা গেলেন লস এঞ্জেলেস পুলিশ কর্মকর্তা   ভিন্নরকম আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস   বর্ষসেরা চিকিৎসক হয়ে যুক্তরাজ্যের বিলবোর্ডে বাংলাদেশি ফারজানা   দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৯, শনাক্ত ৩২৮৮   অরেঞ্জ সিটির আন্তর্জাতিক স্ট্রিট ফেয়ার হচ্ছে না   ক্যালিফোর্নিয়া পালন করবে ব্যতিক্রমী স্বাধীনতা দিবস   ক্যালিফোর্নিয়ার নাগরিকদের করোনা ভীতি কমছে

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

মমতাজউদ্দীন আহমেদ আর নেই

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৬-০২ ১২:৪৭:০৩

নিউজ ডেস্ক: না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রখ্যাত নাট্যকার, নির্দেশক ও অভিনেতা অধ্যাপক মমতাজউদ্দীন আহমেদ।

রোববার পৌনে চারটার দিকে নগরীর অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা তাকে আইসিইউতে রাখার পরামর্শ দেন। দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের সংক্রমণ ও অ্যাজমার সমস্যায় ভুগছিলেন মমতাজউদ্দীন আহমেদ। এর আগে একাধিকবার লাইফসাপোর্ট থেকে সুস্থ হয়ে ফিরেছিলেন তিনি। তবে এবার আর ফেরা হয়নি।

১৯৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন মমতাজউদ্দীন। রাজশাহী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী থাকাকালে ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। তৎকালীন রাজশাহীর ছাত্রনেতা ভাষাসৈনিক গোলাম আরিফ টিপুর সান্নিধ্যে ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলে ভাষার দাবিতে আন্দোলনে ভূমিকা পালন করেন তিনি। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজশাহী সরকারি কলেজের মুসলিম হোস্টেলের ইট কাদামাটি দিয়ে যে শহীদ মিনার গড়ে উঠেছিল, তাতে মমতাজউদ্দীনও ভূমিকা রেখেছিলেন। তখন একাধিকবার জেল খেটেছেন তিনি।

কর্মজীবনে মমতাজউদ্দীন চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগে অধ্যাপনা করেন। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি প্রণয়ন কমিটিতে একজন উচ্চতর বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ছিলেন।

মমতাজউদ্দীনের লেখা নাটক ‘কী চাহ শঙ্খচিল’ এবং ‘রাজার অনুস্বারের পালা’ কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য তালিকাভুক্ত হয়েছিল। নাট্যচর্চায় অবদানের জন্য ১৯৯৭ সালে একুশে পদক লাভ করেন তিনি। তা ছাড়াও বাংলা একাডেমি পুরস্কার, শিশু একাডেমি পুরস্কার, আলাউল সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন এই বরেণ্য নাট্যকার।

তার রচিত নাটকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-‘হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার’, ‘নাট্যত্রয়ী’, ‘জমিদার দর্পণ’, ‘সাত ঘাটের কানাকড়ি’, ‘স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা’, ‘প্রেম বিবাহ সুটকেশ’, ‘ক্ষত বিক্ষত’, ‘রঙ্গপঞ্চাদশ’, ‘বকুল পুরের স্বাধীনতা’ প্রভৃতি।

এ ছাড়াও তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘চার্লি চ্যাপেলিন-ভাঁড় নয় ভব ঘুরে নয়’, ‘আমার ভিতরে আমি’, ‘জগতের যত মহাকাব্য’, ‘বাংলাদেশের নাটকের ইতিবৃত্ত’, ‘বাংলাদেশের থিয়েটারের ইতিবৃত্ত’, ‘নীলদর্পণ’ (সম্পাদনা), ‘সিরাজউদ্দৌলা’ (সম্পাদনা), ‘লাল সালু ও সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ’, ‘মহানামা কাব্যের গদ্যরূপ’ ‘সাহসী অথচ সাহস্য’ ‘নেকাবী এবং অন্যগণ’ প্রভৃতি।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১৫৬ বার

আপনার মন্তব্য