আপডেট :

        লস এঞ্জেলেসের হাজারো নিম্নআয়ের রোগী হারাচ্ছেন ইউসিএলএ হেলথের চিকিৎসা

        ২৬ হাজার ডলারের কম দামে ইলেকট্রিক পিকআপ আনছে নতুন মার্কিন কোম্পানি

        লস এঞ্জেলেসে অবৈধ গাড়ি প্রদর্শনীবিরোধী অভিযানে ৬৯ গ্রেপ্তার, ৫৭০টি টিকিট

        অ্যানাহেইমে মহাসড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নিহত ৩ কিশোর

        লস এঞ্জেলেস বিমানবন্দরে লেবার ডে ছুটিতে বাড়ছে যাত্রীদের ভিড়

        লেবার ডে উইকেন্ডে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪ ঝুঁকির সতর্কতা

        ধূসর নেকড়ের সুরক্ষা বাতিলের উদ্যোগ ট্রাম্পের, উদ্বেগ সংরক্ষণবাদীদের

        জাহাজে পাল্টাপাল্টি হামলা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত আরও উত্তপ্ত

        হলিউডের ৭-ইলেভেনে ১৮ বছরের তরুণীকে মারধর, অচেতন করে লুট

        সিমি ভ্যালিতে পুলিশের গুলিতে সন্দেহভাজন নিহত, প্রকাশ হলো বডি ক্যামেরার ভিডিও

        আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন দেখাতে নতুন বিশ্ব মানচিত্র অনুমোদন জাতিসংঘে

        ট্রাম্পের শান্তি দূতেরা সপ্তাহান্তে মস্কো ও কিয়েভ সফরে যাচ্ছেন

        ইউরোপের দেশগুলো কেন উত্তর আমেরিকা থেকে সোনা সরিয়ে নিচ্ছে?

        তিন সন্তান হত্যায় লিন্ডসে ক্ল্যান্সি: ভিকটিম নাকি অপরাধী?

        গুলিতে ব্রেইন ডেড গর্ভবতী নারী, আহত বোনও

        ইন-এন-আউটে কর্মীদের বাঁচাতে স্প্যাটুলা হাতে নারীর মুখোমুখি তরুণ

        নারীবাদী আন্দোলনের অগ্রণী মুখ গ্লোরিয়া স্টেইনেম আর নেই

        এপস্টিন তদন্তে হাজির না হয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মামলা লিওন ব্ল্যাকের

        বিয়ের অনুষ্ঠানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা? তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র

        ভেনেজুয়েলীয়কে গুলি, মিথ্যা বলায় আইসিই এজেন্ট অভিযুক্ত

মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে মুখ খুললো দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়

মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে মুখ খুললো দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে বিতর্ক বেশ পুরোনো। এমনকি মোদির বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি নিয়ে তথ্য জানতে চাওয়ার কারণে ২০২৩ সালে দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জরিমানাও করা হয়েছিল।


এবার এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি বলছে, শুধুমাত্র কারও কৌতুহল মেটানো তথ্য জানার অধিকার বিষয়ক আইন- আরটিআই আইনের লক্ষ্য হতে পারে না। নরেন্দ্র মোদির ডিগ্রি বিতর্কে সোমবার (১৩ জানুয়ারি) এ কথা জানায় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা দিল্লি হাইকোর্টে জানান, আরটিআই আইনের ধারা অনুসারে, তথ্য জানানোই এই আইনের উদ্দেশ্য। কিন্তু, কারও ব্যক্তিগত কৌতুহল নিবৃত্তি এই আইনের উদ্দেশ্য নয় বলে জানান সলিসিটর জেনারেল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, মোদির ডিগ্রি বিতর্কে আরটিআইয়ের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয় ডিগ্রি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনার জন্য। আরটিআই কর্মীর আবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবর্ষে পাস করা সব শিক্ষার্থীর তথ্য প্রকাশ করতে বলে কমিশন। ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 


হাইকোর্টের বিচারপতি সচিন দত্তের এজলাসে মেহতা জানান, একটি বিশ্বাসের জায়গা থেকে শিক্ষার্থীদের তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে রাখা থাকে। আইনের মারপ্যাঁচে কোনও অপরিচিত ব্যক্তির কাছে তা প্রকাশ করা যায় না।

সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্য, যে তথ্য চাওয়া হয়েছে তার সঙ্গে স্বচ্ছতা বা জবাবদিহির কোনও সম্পর্ক নেই। তথ্য প্রকাশ্যে আনার নির্দেশ দেওয়ার ফলে আরটিআই আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে বলেও মনে করছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, মোদির ডিগ্রি বিতর্কে এই মামলা দীর্ঘদিন ধরেই চলছে দিল্লি হাইকোর্টে। আইনি খবর পরিবেশনকারী ওয়েবসাইট ‘লাইভ ল’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, আরটিআই কর্মী নীরজ কুমার প্রথমে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে ১৯৭৮ সালের স্নাতক স্তরের সব শিক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর, প্রাপ্ত নম্বর জানতে চেয়েছিলেন। কে পাস করেছেন, কে ফেল করেছেন, তা-ও জানতে চান তিনি। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তৃতীয় পক্ষের তথ্য এ ভাবে দেওয়া যাবে না। তখন কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের কাছে আবেদন জানান আরটিআই কর্মী। তার ভিত্তিতে ২০১৬ সালে কমিশন ওই তথ্য প্রকাশ্যে আনার নির্দেশ দেয়।

কমিশনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে আদালতের দ্বারস্থ হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে ১৯৭৮ সালের কলা বিভাগের স্নাতক স্তরে পাস করা শিক্ষার্থীদের নথিপত্র খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। ঘটনাচক্রে ওই বছরেই স্নাতক পাস করেন মোদিও। ২০১৭ সালের ২৪ জানুয়ারি মামলার প্রথম শুনানিতেই কমিশনের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে আদালত।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে মেহতা আদালতে জানান, আইন অনুসারে অনুমতি পেলে, কেউ নিজের ডিগ্রি বা মার্কশিট সংক্রান্ত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে চাইতেই পারেন। কিন্তু কোনও তৃতীয় পক্ষের কাছে এ জাতীয় তথ্য প্রকাশ্যের অনুমোদন দেয় না আরটিআই আইন। সে ক্ষেত্রে কমিশনের নির্দেশটি আইনের পরিপন্থি বলেই মত সলিসিটর জেনারেলের।

তিনি বলেন, “ওই আরটিআই কর্মী ১৯৭৮ সালের (পাস করা) সকলের তথ্য চেয়েছেন। এরপর কেউ এসে ১৯৭৯ সালের তথ্য চাইতে পারেন। তারপরে কেউ এসে ১৯৬৪ সালের তথ্যও চাইতে পারেন।”

 

এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত