যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 08:33pm

|   লন্ডন - 03:33pm

|   নিউইয়র্ক - 10:33am

  সর্বশেষ :

  মিয়ানমার কারও কথা শোনে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী   পরীক্ষা ছাড়া ভর্তিকে কেন্দ্র করে ঢাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের হাতাহাতি   ১৮টি অমুসলিম উপাসনালয়ের অনুমোদন দিচ্ছে আরব আমিরাত   দেশে দুর্নীতি মহামারী আকার ধারণ করেছে : মওদুদ   লাইবেরিয়ায় ধর্মীয় স্কুলে আগুন, নিহত ৩০   ১৮ দিনেও খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পাননি স্বজনরা, উদ্বেগ   নিউইয়র্কে ইন্টারন্যাশনাল সীরাত কনভেনশন শনিবার   নিউইয়র্কে বিয়ানীবাজার এডুকেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের ক্রিকেট টুনার্মেন্ট সম্পন্ন   ওয়াশিংটন ডিসিতে শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তি সংগঠন ‘সমস্বর’-এর আত্মপ্রকাশ   বাফলা চ্যারিটির ফান্ড রাইজিং ডিনার রবিবার   দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিবিদরা মাথা ন্যাড়া করছেন   বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আরো ভাগাভাগি হচ্ছে, গণমাধ্যমে আসছে না: আরেফিন সিদ্দিক   ‘জাবির অর্থ কেলেঙ্কারি ফাঁসকারী ছাত্রলীগ নেতারা হুমকির সম্মুখীন’   খালেদা কিছুই দেননি, হাসিনা আমাদের সম্মানিত করেছেন: আল্লামা শফী   রাখাইনে আরও ৬ লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার চরম ঝুঁকিতে : জাতিসংঘ

>>  মধ্যপ্রাচ্য এর সকল সংবাদ

মার্কিন কংগ্রেসের মুসলিম ২ নারী সদস্যকে নিষিদ্ধ করেছে ইসরাইল

মার্কিন কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাট দলের মুসলিম দুই নারী সদস্য ইলহান ওমর এবং রাশিদা তালিবের সফরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসরাইল। এ দু’জন আগামী সপ্তাহে অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুসালেম সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথায় ইসরাইল তাদেরকে বাধা দেয়ার এ পদক্ষেপ নিয়েছে- এমনটাই বলছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।

ইলহান ওমর এবং রাশিদা তালিবকে ইসরাইলে প্রবেশ করতে দিলে দেশটির ‘বড় ধরনের দুর্বলতা’ প্রকাশ পাবে বলে ট্রাম্প এক টুইটে মন্তব্য করেছিলেন।

এরপরই বৃহস্পতিবার ইসরাইলের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন

বিস্তারিত খবর

দুবাইয়ে বাংলাদেশি পুরুষ ও নারীর ৭ বছরের কারাদণ্ড

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৬-২৯ ১১:৫৫:০৯

মানবপাচার ও যৌনব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগে দুবাইয়ে এক বাংলাদেশি পুরুষ ও এক নারীর সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির একটি আদালত এই রায় দিয়েছে বলে শনিবার গালফ নিউজ জানিয়েছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে আল মুতাইনা এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে ১৫ বছরের এক বাংলাদেশি কিশোরীকে দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জানা যায়, ওই কিশোরীকে পেটানো হতো এবং তাকে যৌনব্যবসায় বাধ্য করা হতো।

ওই ঘটনায় ভবনের বাইরে থেকে ৩০ বছরের এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হর আল আঞ্জ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ৩৩ বছরের আরেক বাংলাদেশি নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দুজনের বিরুদ্ধে মানবপাচারের অভিযোগ আনা হয়। আদালত সাজা শেষে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

এছাড়া যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পুরুষকে এক  বছর অতিরিক্ত কারাদণ্ড এবং যৌন ব্যবসার অভিযোগে ওই নারীকে অতিরিক্ত ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পাসপোর্টে বয়স পরিবর্তন করে কাজ দেওয়ার কথা বলে ওই কিশোরীকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিয়ে এসেছিল বাংলাদেশি ওই নারী ও পুরুষ। পরে তাকে একটি ফ্ল্যাটে আটকে রেখে যৌন ব্যবসায় বাধ্য করা হয়। পরে এক পাকিস্তানির মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ফ্ল্যাটটিতে অভিযান চালায়। সেখানে থেকে আরেক বাংলাদেশি নারী ও এক ইন্দোনেশীয় নারীকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরো জানিয়েছে, উদ্ধার করা কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে কিশোরীটি মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছে।

বিস্তারিত খবর

গৃহশিক্ষকের চোখে প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের শৈশব

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০৯ ১৫:১২:৩৮

সৌদি আরবের বিতর্কিত যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে কিছুদিন আগে পর্যন্তও খুব কম লোকই চিনতেন। কিন্তু ভবিষ্যৎ সৌদি রাজা হিসেবে তার অভিষেক - রক্ষণশীল সৌদি সমাজ সংস্কারের নানা উদ্যোগ, ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ এবং সবশেষ জামাল খাসোগজি হত্যাকান্ড - এগুলোর সাথে তার নাম জড়িয়ে যাওয়ার কারণে সারা বিশ্বের নজর এখন তার দিকে।

কিন্তু কীভাবে বেড়ে উঠেছিলেন এই প্রিন্স সালমান? তার শৈশব সম্পর্কে লোকে কতটুকু জানে?

এর ওপরই খানিকটা আলোকপাত করেছেন বিবিসি আরবি বিভাগের রাশিদ সেক্কাই - যিনি শিশু প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের গৃহশিক্ষক ছিলেন, তাকে ইংরেজি শেখাতেন। সম্প্রতি তিনি বর্ণনা করেছেন তার সেই সময়কার স্মৃতি।

তিনি বলছেন, " সেটা ১৯৯৬ সাল। আমি তখন জেদ্দার নামকরা স্কুল আল-আনজালে পড়াই। তখন রিয়াদের গভর্নর ছিলেন প্রিন্স সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ - যিনি এখন সৌদি আরবের বাদশাহ, এবং যুবারাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পিতা।"

"প্রিন্স সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ তখন সাময়িকভাবে তার পরিবার নিয়ে জেদ্দায় এসেছেন, এবং তার দরকার হয়েছিল তার সন্তানদের জন্য একজন ইংরেজির শিক্ষক।"

"তিনি যোগাযোগ করলেন আমি যে স্কুলে পড়াতাম সেই স্কুলের সাথে। তখন আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো রাজকীয় প্রাসাদে। আমার ছাত্র হলেন তার প্রথম বিয়ে থেকে জন্মানো কয়েকজন রাজপুত্র। প্রিন্স তুরকি, প্রিন্স নায়েফ, প্রিন্স খালিদ, এবং প্রিন্স মোহাম্মদ।"

"আমি তখন জেদ্দার একটা উঠতি এলাকায় একটা ফ্ল্যাটে থাকি। প্রতিদিন সকাল বেলা সাতটার সময় একজন শোফার (ড্রাইভার) এসে আমাকে আল-আনজাল স্কুলে নিয়ে যেতো। বিকেলের দিকে স্কুল শেষ হলে এই ড্রাইভারই আমাকে নিয়ে যেতো রাজপ্রাসাদে।"

"প্রাসাদের গেটের কড়া পাহারা পার হয়ে যাবার পর গাড়িটি অনেকগুলো চোখ-ধাঁধানো বাগানওয়ালা ভিলা পার হয়ে রাজকীয় প্রাসাদের সামনে পৌঁছাতো। সামনের নিখুঁতভাবে সাজানো বাগানের পরিচর্যা করছে সাদা পোশাক পরা মালীরা।

"সেখানে একটি কার পার্ক দেখলাম - তাতে দাঁড়িয়ে আছে বহু বিলাসবহুল গাড়ি। একটা গাড়ি দেখলাম গোলাপি রঙের - মনে হলো ওটা একটা ক্যাডিলাক। এই প্রথম আমি নিজের চোখে ক্যাডিলাক দেখলাম।"

"রাজকীয় দুর্গে ঢোকার পর আমাকে স্বাগত জানালেন প্রাসাদের পরিচালক মানসুর আল-শাহরি। মধ্যবয়স্ক এই ব্যক্তি প্রিন্স মোহাম্মদের খুবই প্রিয় ছিলেন।"

"প্রিন্স মোহাম্মদকে মনে হলো আমার কাছে পড়ার চাইতে প্রাসাদের রক্ষীদের সাথে সময় কাটানোর ব্যাপারেই তার বেশি আগ্রহ। ভাইদের মধ্যে সে-ই বয়েসে সবচেয়ে বড় হওয়ায় সে যা খুশি তাই করতে পারে - এমনই মনে হতো।"

"বয়েসে ছোট যে প্রিন্সরা, আমি তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারতাম। কিন্তু মোহাম্মদ সেখানে হাজির হলেই পরিস্থিতি হয়ে যেতো অন্য রকম।"

"আমার মনে আছে, আমার পাঠদানের সময় মোহাম্মদ একটা ওয়াকি-টকি ব্যবহার করতো - যা সে রক্ষীদের কোন একজনের কাছ থেকে ধার করেছিল। সে এটাকে ব্যবহার করতো আমাকে নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করার জন্য, তার ভাই এবং প্রাসাদরক্ষীদেরকে জোক শোনানোর জন্য।"

"একদিন মোহাম্মদ বললো, তার মা তাকে বলেছেন যে আমাকে দেখে নাকি 'একজন সত্যিকারের ভদ্রলোক' বলে মনে হয়। আমি এটা শুনে একটু থতমত খেয়ে গেলাম। কারণ আমার মনে পড়ে না যে কখনো আমি তাকে দেখেছি, যেহেতু সৌদি রাজপরিবারের মেয়েরা অপরিচিতদের সামনে আসে না। প্রাসাদে একমাত্র নারী যাকে আমি দেখেছিলাম, সে একজন ফিলিপিনো আয়া।"

"আমাকে যে কেউ দেখছে এ ব্যাপারটা আমি আগে বুঝতে পারি নি। কিন্তু সৌদি সিংহাসনের ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারী তখন আমাকে দেয়ালে লাগানো কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরা দেখালেন। তার পর থেকে পড়ানোর সময় আমি আত্মসচেতন হয়ে গিয়েছিলাম।"

"কিছুদিনের মধ্যেই মোহাম্মদ এবং তার ভাইদের আমার বেশ পছন্দ হয়ে গেল। তারা ছিল রাজপুত্র, এবং তাদের জগত ছিল অর্থ-বিত্ত-বিলাসে ভরা। কিন্তু তাদের সাথে আমার স্কুলের ছাত্রদের বিশেষ কোন তফাৎ ছিল না। তাদের জানার আগ্রহ ছিল কিন্তু খেলাধূলা করতেই বেশি ভালোবাসতো।"

"একদিন প্রাসাদের পরিচালক মানসুর আল-শাহরি আমাকে বললেন ভবিষ্যৎ রাজার সাথে দেখা করতে। কারণ তিনি তার সন্তানদের শিক্ষায় কতটা অগ্রগতি হলো তা জানতে চান।"

"আমি ভাবলাম, প্রিন্স মোহাম্মদের দুষ্টামির ব্যাপারে কিছু করার এটা একটা সুযোগ হলো।"

"আমি প্রিন্স সালমানের অফিসের সামনে অপেক্ষা করছিলাম। আমার পাশে দাঁড়ানো ছিলেন যুবরাজদের অন্যান্য শিক্ষকরা। মনে হলো, প্রাসাদের আদবকায়দা সম্পর্কে আমার চাইতে তারা বেশি ওয়াকিবহাল।"

"প্রিন্স সালমান আসার সাথে সাথে তারা উঠে দাঁড়ালেন, এবং আমি দেখতে লাগলাম কিভাবে তারা রিয়াদের গভর্নরের সামনে মাথা নত করলেন, তার হাতে চুমু খেলেন, দ্রুতগতিতে প্রিন্সদের নিয়ে কিছু কথা বললেন এবং সামনে এগিয়ে গেলেন।"

"যখন আমার পালা এলো - আমি তাদের মতো মাথা নত করতে পারলাম না। আমি কখনো এটা করি নি। আমি আমার হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং ভবিষ্যৎ রাজার সাথে করমর্দন করলাম।"

"আমার মনে আছে প্রিন্স সালমানের মুখে ফুটে ওঠা বিস্ময়সূচক মৃদু হাসির কথা। কিন্তু তিনি ব্যাপারটা উপেক্ষা করেছিলেন।"

"আমি তার সাথে কথা বলার সময় প্রিন্স মোহাম্মদের কথা তুলিনি। কারণ ততক্ষণে আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যে আমি এ কাজ ছেড়ে দেবো এবং যুক্তরাজ্যে ফিরে যাবো।"

"পরে মি. আল-শাহরি আমাকে রাজকীয় আদবকায়দা পালন করতে ব্যর্থ হবার জন্য আমাকে অনেক বকাঝকা করেছিলেন।"

"আমার ছাত্রদের মধ্যে প্রিন্স মোহাম্মদ ছাড়া প্রিন্স খালিদ - যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি রাষ্ট্রদূত হয়েছেন। তবে অন্য প্রিন্সরা জনসমক্ষে ততটা পরিচিত নন।"

"সৌদি রাজপুত্রদের শিক্ষাদানের এই সময়টা ছিল আমার জীবনের একটা অনন্য পর্ব।"

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জামাল খাশোগির ছেলেকে দেশ ত্যাগ করতে দিল সৌদি

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৬ ১১:১৩:২৯

তুরস্কের সৌদি কনসুলেটের ভেতর খুন হওয়া সাংবাদিক জামাল খাশোগির জ্যেষ্ঠ ছেলে সালাহ দেশ ছেড়ে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন। সৌদি-মার্কিন দ্বৈত নাগরিক সালাহর ওপর রিয়াদের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ছিল। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করার পর বুধবার তাকে স্বপরিবারে দেশত্যাগের সুযোগ দেয় সৌদি।

বৃহস্পতিবার সালাহ ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন বলে তার পরিবার সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। তার মা ও তিন ভাইবোন আগেই সেখানে অবস্থান করছিলেন।

সালাহ যুক্তরাষ্ট্রে এসে পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা পর মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী মুখপাত্র রবার্ট পালাদিনো জানান, সালাহর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পম্পেও রিয়াদকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। পম্পেও সৌদি নেতাদের বলেছিলেন,‘তিনি চান সালাহ খাশোগি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসুক।’

মুখপাত্র রবার্ট পালাদিনো জানান, ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলের কনসুলেটের ভেতর কী ঘটেছিল, তা জানতে সৌদি আরবের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।

তিনি বলেন, ‘জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে আমরা মার্কিন কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গে কাজ করতে  ইচ্ছুক।’

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ইয়েমেনে সৌদি জোটের বিমান হামলা, নিহত ১৭

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-১৪ ০২:৫৫:১৩

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জোটের বিমান হামলায় ইয়েমেনের হুদাইদা শহরে অন্তত ১৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। হুতি যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে চালানো এ হামলায় নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের আট সদস্য রয়েছে বলে জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা।

শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ হুতি গোষ্ঠী পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইউসুফ আল-হাদারি জানান, শনিবার হুদাইদা শহরের জাবাল রাস নামক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এ হামলায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে অ্যাসোসিয়েট প্রেসকে জানান তিনি।

২০১৫ সালে ইয়েমেন যুদ্ধে জড়ায় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জোট। ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতি শিয়া গোষ্ঠী ক্ষমতায় এলে তাদের দমনে এ পর্যন্ত জোটের পক্ষ থেকে কয়েক হাজার হামলা চালনো হয়।

সৌদি জোটের হামলায় এ পর্যন্ত ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক বলে জানা যায়।

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ফিলিস্তিনের আগুনওয়ালা ঘুড়ি নিয়ে মহাআতঙ্কে ইসরাইল

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-২৩ ১৩:২৩:৪১

ফিলিস্তিনের নিতান্তই সাধারণ একটি অস্ত্রের কাছে মোটামুটি পরাজয় স্বীকার করেছে ইসরাইল। ফিলিস্তিনের গাজা থেকে উড়ানো ঘুড়ির সামনে ইসরাইলের বিধ্বংসী কামান, ট্যাংক, জঙ্গি বিমান, ড্রোন সবই হার মেনেছে। কী এমন কৌশল যার কাছে বিশ্বের সর্বাধুনিক একটি সেনাবাহিনী নাকানি চুবানি খেতে বাধ্য হচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই ফিলিস্তিনের শিশু-কিশোররাও ঘুড়ি উড়ায়। হিলিয়ামের বেলুন আকাশে উড়ায়।

কিন্তু সমগ্র বিশ্বের শিশু-কিশোরদের ঘুড়ি আর বেলুন উড়ানোর সাথে ফিলিস্তিনের শিশু-কিশোরদের ঘুড়ি উড়ানোর মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ রয়েছে। অন্যান্যরা যেখানে শুধু আনন্দ লাভের জন্য ঘুড়ি উড়ায় সেখানে ফিলিস্তিনিরা ঘুড়ি উড়ায় তাদের অধিকারের জন্য, অবৈধ দখলদারীদের হটানোর জন্য।

ঘুড়ির লেজের মাথায় আগুন বা বিশেষ ধরণের ককটেল লাগিয়ে তা উড়িয়ে সুতা কেটে দিলে তা ইসরাইলের দিকে উড়ে যেতে থাকে। হিলিয়াম বেলুনের সাহায্যে ককটেলসহ উড়িয়ে দেয়া হয়। এগুলো ইসরাইলের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে গিয়ে তাদের ফসলি জমি বনাঞ্চল ও অন্যান্য স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। এসব ঘটনায় ইসরাইলের সামরিক ও বেসামরিক মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এই অভিনব কৌশলের কাছে ইসরাইলি বাহিনী পুরোপুরি বোকা বনে গেছে।

ফিলিস্তিনি ঘুড়ির কাছে পরাজিত হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন ইসরাইলের লেবার পার্টির প্রধান এভি গ্যাবি। তিনি বলেছেন, উন্নত সমরাস্ত্রের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও ঘুড়ি মোকাবেলা করতে পারছে না সরকার ও সামরিক বাহিনী। এটা ইসরাইলের জন্য বড় পরাজয়।

এর আগেও ইসরাইলি গণমাধ্যমের খবরে স্বীকার করা হয়েছে, গাজা থেকে উড়ে যাওয়া ঘুড়ির সামনে অসহায় হয়ে পড়েছে ইসরাইলিরা। ঘুড়ি মোকাবেলায় বিশেষ ড্রোন তৈরি করেও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না তারা।

ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা থেকে উড়ে আসা শত শত ঘুড়ি ধ্বংস করা যাচ্ছে না। ইসরাইলি ড্রোনগুলো আকাশেই ঘুড়িগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু সব ঘুড়ি ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ উড়ে আসা ঘুড়ির সংখ্যা অনেক।

প্রতিরোধের এমন নতুন কৌশলে উচ্ছ্বসিত ফিলিস্তিনের তরুণ-তরুণীরা। ইসরাইলের অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের মোকাবেলায় সাধারণ কিছু উপকরণ ব্যবহার করে  মোকাবেলার এমন দারুণ উপায় উদ্ভাবন করতে পেরে তারা খুবই আনন্দিত। স্রষ্টার শুকরিয়া তাদের মুখে মুখে।

এদিকে ফিলিস্তিনিদের অগ্নিসংযোগকারী ঘুড়ি ও বেলুনে পর্যুদস্ত হয়ে গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালিয়েছে রাষ্ট্র ইসরাইল। এর আগে গাজা উপত্যকা থেকে পাঠানো জ্বলন্ত ঘুড়ি ও বেলুনে ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফিলিস্তিনি ঘুড়ি গিয়ে পড়ায় সেখানকার তিন হেক্টরের বেশি জমির ফসল পুড়ে গেছে। এর ফলে ইসরাইলিদের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

দেশটির দমকলকর্মীরা ওই অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও কিসুফিম বনাঞ্চলের আরও কয়েকটি স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। চ্যানেল ১০ নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

হামাসের মুখপাত্র সামি আবু যুহরি বলেছেন, গাজায় ইসরাইলি অবরোধের প্রতিবাদ জানাতেই গাজার বাসিন্দারা ঘুড়ি উড়াচ্ছে। গাজার ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করা হলেই কেবল ঘুড়ি থামবে।

এদিকে গাজা থেকে ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিবাদে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।

গাজার নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিরা নিজ ভূমিতে প্রত্যাবর্তনের অধিকারের দাবিতে গত ৩০ মার্চ থেকে বিক্ষোভ করে আসছেন।


এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মক্কায় আরও এক হজযাত্রীর মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-১৯ ০১:৪৮:৪৮

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাওয়া মোহাম্মদ আবুদস সাত্তার নামে আরও এক বাংলাদেশি হজযাত্রী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বুধবার (১৮ জুলাই) পবিত্র মক্কা আল-মুকাররমায় তার মৃত্যু হয়।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। তার পাসপোর্ট নম্বর বিএন ০৫৪০০০৮। পিলগ্রিম আইডি নম্বর ০৯৮৩০৮১।

তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায়। এ নিয়ে চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে দ্বিতীয় হজযাত্রীর মৃত্যু হলো। এর আগে ১৬ জুলাই নারায়ণগঞ্জের আমির হোসেন নামে আরও এক হজযাত্রী মারা যান।

মোহাম্মদ আবদুস সাত্তার মদিনার জামাত এয়ার ট্রাভেলসের (হজ লাইসেন্স নম্বর ০৯৮৩) মাধ্যমে গত ১৮ মার্চ নিবন্ধন করেছিলেন। সৌদি থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রকাশিত হজ বুলেটিন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এর আগে গত সোমবার অসুস্থতাজনিত কারণে মক্কায় মোহাম্মদ আমীর হোসেন (৫৩) নামে এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-১৭ ০৬:০৪:৫৫

সৌদি আরবে পবিত্র মক্কা আল-মুকাররমায় মোহাম্মদ আমীর হোসেন (৫৩) নামে এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

১৬ জুলাই, সোমবার অসুস্থতাজনিত কারণে আমীর হোসেনের মৃত্যু হয়। তিনি বেসরকারি হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ১৫ জুলাই ভোর সোয়া ৪টায় সৌদিতে যান।

মোহাম্মদ আমীর হোসেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ রূপসী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ১৫ জুলাই সৌদি এয়ারলাইন্স (এসবি ৮০৩) -এ সৌদি আরব যান। আল কুতুব হজ ট্রাভেলসের (হজ লাইসেন্স নম্বর ০৬৭১) মাধ্যমে গত ১৮ মার্চ নিবন্ধন করেছিলেন তিনি। তার পিলগ্রিম আইডি নম্বর ০৬৭১০৯৯।

বাংলাদেশ হজ মিশনের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ১৪,০০৪ হজযাত্রী। তাদের বহন করেছে বিমান বাংলাদেশ ও সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৩৯টি ফ্লাইট। আর এসব হজযাত্রীর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনার তিন হাজার ২২৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী ১০ হাজার ৭৭৮ জন।


এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

চালকের আসনে সৌদি নারীরা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-২৪ ১২:১৪:২৪

আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি আরবের নারীরা চালকের আসনে বসেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে বহাল থাকা গাড়ি চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে।

রবিবার (২৪ জুন) থেকে নতুন আইন কার্যকর হয়েছে, যাতে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। খবর- বিবিসির।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। আর চলতি মাসের শুরু থেকেই নারীদের লাইসেন্স দেওয়া আরম্ভ হয়।

সৌদি আরবই একমাত্র দেশ ছিল, যেখানে নারীরা গাড়ি চালাতে পারতেন না।

সম্প্রতি গাড়ি চালানোর অধিকারের পক্ষে যাঁরা সক্রিয় ছিলেন, তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে সৌদি রাজতান্ত্রিক সরকার। অন্তত আট নারীকে কারাবন্দি করা হয়েছে, যাঁদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচারের মুখোমুখি বিচার করা হবে।

মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সৌদি আরবে বিস্তৃত পরিসরে সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে, বিশেষ করে পুরুষ অভিভাবকের কাছে নারীদের অধীন করে রাখার ক্ষেত্রে।

ধারণা করা হচ্ছে, হাজার হাজার নারী রাস্তায় গাড়ি চালাতে নামবেন।

সৌদি টিভি উপস্থাপক সাবিকা আল-দোসারি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘প্রত্যেক সৌদি নারীর জন্য এটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’ মধ্যরাতে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর তিনি কয়েক মিনিট গাড়ি চালান বলে জানান।

এখন সৌদি নারীরা গাড়ি চালাতে পারবেন। তবে এখনো তাঁরা ভ্রমণ, বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ ইত্যাদি পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া করতে পারেন না।

সৌদি আরবের মানবাধিকারকর্মী বলেন, গাড়ি চালানোয় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরও নারীদের আটকে রাখার বিষয়টি লজ্জাজনক ও হৃদয়বিদারক।

এদিকে, এরই মধ্যে কিছু পুরুষ নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আরবি ভাষায় তাঁরা ‘তুমি গাড়ি চালাবে না’ হ্যাশট্যাগ লিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

সৌদি সমাজকে আধুনিকতার দিকে নিয়ে যেতে এটা যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উদ্যোগ বলে জানা গেছে। তাঁর মস্তিষ্ক থেকেই ‘ভিশন-২০৩০’ কর্মসূচি এসেছে, যাতে তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আমিরাতে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৭ শিশুর মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-২২ ১১:১৯:০৯

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পূর্বাঞ্চলের শহর ফুজাইরাহর কাছে একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে টুইটারে এক বিবৃতিতে এ খবর দেওয়া হয়েছে।

প্রাণ হারানো একই পরিবারের শিশুদের মধ্যে কিন্টারগার্টেন থেকে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া শিক্ষার্থী ছিল বলে টুইটে জানানো হয়।

পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে স্থানীয় দৈনিক গল্ফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিশুদের মা ফোনে আগুন লাগার খবর জানান।

কি কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে শর্ট-সার্কিট থেকে আগুন লাগে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

২৩ ধনী ও প্রভাবশালীকে মুক্তি দিলো সৌদি

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৬ ১১:০৬:৪৬

দুর্নীতির অভিযোগে আটক দুই শতাধিক ধনী ও প্রভাবশালীর মধ্যে ২৩ জনকে মুক্তি দিয়েছে সৌদি আরব। মঙ্গলবার সৌদি সংবাদমাধ্যম ওকাজের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

গত নভেম্বরে রাজপরিবারের সদস্যসহ সরকারের প্রভাবশালী দুই শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়। এসব ব্যক্তিকে রিয়াদের বিলাসবহুল রিৎজ কার্লটন হোটেলে আটক রাখা হয়। চলতি মাসের প্রথম দিকে খবর বের হয় অর্থের বিনিময়ে এদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি ভাবছে সৌদি প্রশাসন। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

মঙ্গলবার ওকাজ ২৩ জনের মুক্তির কথা জানিয়েছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আরো অনেককে মুক্তি দেওয়া হবে। যারা অভিযোগ অস্বীকার করে অর্থ প্রদান না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হবে বলেও জানিয়েছে ওকাজ।

সদ্য মুক্তি পাওয়াদের একজন হচ্ছেন সৌদি টেলিকমের প্রাক্তন প্রধান নির্বাহী সৌদ আল দাউইশ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যতে তার হাস্যোজ্জল ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। এতে তিনি বলেছেন, ‘প্রাইভেট অ্যাফেয়ার্স (রাজকীয় আদালতের একটি শাখা) আমাদেরকে রাত-দিন রান্না করা ভেড়ার মাংস সরবরাহ করেছে। তারা আমাদের সঙ্গে ভাল আচরণ করেছে এবং ভাল সেবা প্রদান করেছে।’

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সৌদি আরবে ৫ সপ্তাহে আড়াই লক্ষাধিক প্রবাসী গ্রেপ্তার

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৩ ১১:০৭:০১

সৌদি আরবে অভিবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে পাঁচ সপ্তাহে আড়াই লক্ষাধিক প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৪ হাজার প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সৌদি গেজেট জানিয়েছে, গত ১৫ নভেম্বর থেকে সমন্বিত ওই অভিযান শুরু হয়। ফেরত পাঠানোর অপেক্ষায় রাখা হয়েছে আরো ৪১ হাজার প্রবাসীকে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি শুক্রবার জানিয়েছে, অভিযানে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বাসিন্দাসংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে। এ ছাড়া ৮৩ হাজার ১৫১ জনকে শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে এবং সীমান্তসংক্রান্ত আইন অমান্য করার অভিযোগে আরো ৩২ হাজার ৯৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সৌদি প্রেস আরো জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ৫৪ হাজার ৯২ জনকে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ৪১ হাজার ৩২৬ জনকে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। বর্তমানে বিমানের টিকিটের জন্য অপেক্ষা করছেন তারা।

এ ছাড়া ৩ হাজার ১৫৬ জন সীমান্ত অতিক্রম করে সৌদিতে প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন। এদের মধ্যে ৭৬ শতাংশ ইয়েমেনের নাগরিক।

৫৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আইন লঙ্ঘনকারীদের যানবাহন সুবিধা ও আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে। আইন লঙ্ঘনকারী ৩৬ হাজার ৯৪২ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ৩৭ হাজার ২৩০ জনের বিষয়টি নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ইস্যুর জন্য।


এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জিসিসির বাইরে নয়া সৌদি-আমিরাতি জোট

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০৫ ১০:০৮:৩৮

তেলসমৃদ্ধ উপসাগারীয় ছয় দেশের জোট গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই প্রভাবশালী দুই দেশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নতুন জোট গঠনের খবর এল।

মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জিসিসির বাইরে একটি নতুন সৌদি-আমিরাতি জোট গঠন করা হয়েছে। সামরিক, অর্থনৈতিক, বাণিজ্যক ও সহযোগিতামূলক ক্ষেত্রসহ সর্বত্র দুই দেশের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে নতুন এই জোট।

জোটের কাজ পরিচালনার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আমিরাতি কর্তৃপক্ষ। তবে এ বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ নিয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট জিসিসির ছয় সদস্য সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ওমান, কাতার ও কুয়েতের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে।

সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও ইরানকে সাহায্য করার অভিযোগে ছয় মাস আগে কাতারের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নেতৃত্বে অবরোধ আরোপ করে বাহরাইন, মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। জিসিসির সদস্য না হয়েও আরব দেশ মিশর কাতারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে।

জিসিসির শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে মঙ্গলবার সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা কুয়েতে বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। তবে এই সম্মেলনের আগে সৌদি-আমিরাতি জোট গঠনের খবর জিসিসির অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটিতে মঙ্গলবার শুরু হয়েছে ৩৮তম জিসিসি শীর্ষ সম্মেলন। এবার সম্মেলনে গুরুত্ব পাচ্ছে কাতারের বিরুদ্ধে চার দেশের অবরোধ ও এই অচলাবস্থা থেকে উত্তরণ। জুন মাসে কাতারের সঙ্গে স্থল, আকাশ ও নৌপথে যোগাযোগ ছিন্ন করে তারা। এ নিয়ে বিবদমান সংকটের মধ্যে এই প্রথম জিসিসি সম্মেলন হচ্ছে।

গত মাসে বাহরাইনের বাদশা হুমকি দেন, কাতার যোগ দিলে জিসিসি সম্মেলন প্রত্যাখ্যান করবে তার দেশ। কিন্তু সম্প্রতি কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, বুধবার কুয়েতে জিসিসি সম্মেলনে যোগ দেবেন কাতারি আমির। এ অবস্থায় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে নতুন অংশীদারত্বমূলক জোট গঠনের খবর জিসিসি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাকে আরো ত্বরাণ্বিত করছে।

কাতার ও উপসাগরীয় চার দেশের মধ্যে বিদ্যমান সংকট সমাধানে মধ্যস্থতার ভূমিকায় রয়েছে কুয়েত। এবারের জিসিসি সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট সব দেশকে এক মঞ্চে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে দেশটি। তবে আগামীকাল বুধবার জিসিসির সব সদস্য দেশের শীর্ষ নেতারা সম্মেলনে অংশ নেবেন কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আমিরাতে ‘অবরুদ্ধ’ মিশরের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

 প্রকাশিত: ২০১৭-১১-৩০ ১৪:২৩:০৯

মিশরের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আহমেদ শফিক জানিয়েছেন, তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

২০১২ সালে মিশরের ইতিহাসে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে মোহাম্মদ মুরসির কাছে পরাজিত হওয়ার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করছেন আহমেদ শফিক। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন স্বৈরশাসক আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির বিরুদ্ধে বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেওয়ার পর তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ‘অবরুদ্ধ’ করার তথ্য প্রকাশিত হলো।

আলজাজিরাকে দেওয়া বিশেষ ভিডিও সাক্ষাৎকারে আহমেদ শফিক বলেছেন, তিনি জানেন না কেন তার বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আমাকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগে মানা করা হয়েছে শুনে আমি বিস্মিত। তবে কী কারণে তা করা হয়েছে, আমি জানি না এবং জানতেও চাই না।’

বুধবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণায় আহমেদ শফিক বলেন, ‘আমি আবার মিশরের নেতৃত্ব দিতে চাই।’ তিনি আরো বলেন, আমি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছি এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মিশরে ফেরার আগে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছি।’

ভিডিও সাক্ষাৎকারে তাকে থাকতে দেওয়ার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি, তবে তার বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কথা শুনে অসন্তোষও প্রকাশ করেছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আমাকে বাধা দিয়ে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার মাধ্যমে মিশরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যেকোনো হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করি আমি।’

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

এবার সৌদি প্রিন্সকে ‘নাবালক’ বলল ইরান

 প্রকাশিত: ২০১৭-১১-২৫ ১০:২৭:৫৫

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে ‘নাবালক’ বলেছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের হিটলার’ অ্যাখ্যা দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ মন্তব্য করেছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে খামেনিকে ‘নতুন হিটলার’ বলেছিলেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স।খামেনিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেছিলেন, ‘ইউরোপের ঘটনা থেকে আমরা শিখেছি, মীমাংসার নীতি কাজ করে না। ইউরোপে যা ঘটে গেছে, আমরা চাই না ইরানের নতুন হিটলার মধ্যপ্রাচ্যে তার পুনরাবৃত্তি ঘটাক ।’

ক্রাউন প্রিন্সের এই বক্তব্যকে ‘হটকারী’ অ্যাখ্যা দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি বলেছেন, ‘তার আচরণ শিশুসুলভ, অবিবেচকের মতো; মন্তব্য ভিত্তিহীন। গত কয়েক বছরে এই অঞ্চলের একনায়কদের কি পরিণতি হয়েছে তাকে সে বিষয়ে চিন্তা করতে জোর পরামর্শ দিচ্ছি।’

দুই বছর আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরবের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন মোহাম্মদ বিন সালমান। ক্রাউন প্রিন্স হওয়ার পর তিনি ইরানকে কোণঠাসা করতে নিচ্ছেন একের পর এক পদক্ষেপ। চলতি মাসের প্রথম দিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছিলেন প্রিন্স।

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সৌদি নারীরা স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে পারবে

 প্রকাশিত: ২০১৭-১০-৩০ ১১:৪৮:৩৫

সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশটির নারীরা যাতে স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখতে পারে সে অনুমতি দেওয়া হবে। খবর- বিবিসির।

দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, দেশটির তিনটি বড় শহর - রিয়াদ, জেদ্দা এবং দাম্মামে ২০১৮ সালের প্রথম দিক থেকে পরিবারগুলোকে স্টেডিয়ামে বসে খেলো দেখার অনুমতি দেওয়া হবে।

সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ দেশটির নারীদের যে কিছু স্বাধীনতা দেবার উদ্যোগ নিয়েছে, স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখা সেটির একটি ধারাবাহিকতা।

এর আগে গতমাসে সৌদি নারীদের উপর থেকে ড্রাইভিং-এর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ঘোষণা করেছিলেন, দেশটির নাগরিকরা যাতে দেশের ভেতরেই বিনোদন উপভোগ করতে পারে সেজন্য সেজন্য দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করা হবে। এসব পদক্ষেপ তারই ধারাবাহিকতা।

অতি রক্ষণশীল সৌদি আরবের সমাজে নারীদের উপর নানা ধরনের কড়া বিধি-নিষেধ আছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, সেসব স্টেডিয়ামে নারীদের যাবার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, সেখানে রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে এবং বড় পর্দা বসানো হবে।

গত মাসে সৌদি আরবের জাতীয় দিবস উপলক্ষে রিয়াদের একটি স্টেডিয়ামে নারীদের যাবার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

সৌদি আরবে অভিভাবকত্বের নিয়ম অনুযায়ী নারীরা যদি পড়াশুনা, ভ্রমণ কিংবা অন্যান্য কাজে যেতে চায় তাহলে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের অনুমতি নিয়ে যেতে হয়।

এসব পুরুষ সদস্যদের মধ্যে রয়েছে বাবা, স্বামী কিংবা ভাই।

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান গত সপ্তাহে বলেছিলেন, সৌদি আরব আগে যে রকম ছিল ঠিক সে অবস্থায় ফিরে যাবে।

সালমান বলেন, সৌদি আরব একটি মধ্যপন্থী ইসলামিক দেশ হবে যেখানে সব ধর্মের প্রতি সহিষ্ণুতা থাকবে।

অতি রক্ষণশীল সৌদি আরবে সালমান যেসব সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন, সেটি খুব একটা সহজ কাজ হবে না।

গতমাসে জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে নারীদের স্টেডিয়ামে ঢোকার যে অনুমতি দেয়া হয়েছিল সেটি নিয়ে কট্টরপন্থীদের অনেকে সমালোচনা করেছেন।

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মালয়েশিয়ায় ৪৬ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৯-১৭ ১৪:২৮:০৫

মালয়েশিয়ায় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ১১১জন বিদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৬জন বাংলাদেশি। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য স্টার অনলাইন রোববার এ তথ্য জানিয়েছে।

দ্য স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনাই শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের হোস্টেলে ইমিগ্রেশন বিভাগ অভিযান চালিয়ে মোট ১১১জনকে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে ৪৬ জন বাংলাদেশি, ২২জন মিয়ানমারের, ১৭জন নেপালের এবং ১১জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। এছাড়া ভিয়েতনামের চারজন এবং ফিলিপাইনের তিন নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যরা ভারত, শ্রীলঙ্কা, চীন ও পাকিস্তানের নাগরিক।

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক সিরি মুস্তাফার আলি রোববার এক বিবৃতিতে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৪৮ বছরের এক বাংলাদেশি রয়েছেন, যাকে বিদেশি শ্রমিকদের দালাল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘যখন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল, তখন ওই ব্যক্তি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। ওই সময় সে যাদেরকে নিজের শ্রমিক বলে দাবি করেছে, তাদের মধ্যে পাসপোর্ট বিতরণ করছিল।’

সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তির গাড়িসহ কয়েকটি পাসপোর্ট, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের ভুয়া কার্ড ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইনে মামলা করা হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ইরাকের বিখ্যাত ‘আল-নুরি’ মসজিদ

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-২৬ ০৯:৪৩:২৭

জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মসুলে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘আল-নুরি’ মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকারি বাহিনী। তবে এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে নিজস্ব সংবাদমাধ্যম ‘আমাক’-এ এক বিবৃতিতে আইএস বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় মসজিদটি ধ্বংস হয়েছে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি এক বিবৃতিতে বলেছেন, পরাজয় নিশ্চিত দেখে সবকিছু ধ্বংস করছে আইএস। মসুলে নিকটবর্তী সেনাবাহিনী দেখে তারা আল-নুরি মসজিদ উড়িয়ে দিয়েছে। তিনি এই মসজিদ ধ্বংসকে এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেও বর্ণনা করেন।
এদিকে, মসুল অভিযানে অংশ নেওয়া এক ইরাকি সেনা কর্মকর্তা দাবি করেন, মসুল শহরে সেনাবাহিনী ঢোকার পরপরই আইএস ওই মসজিদ ধ্বংস করে। ধ্বংসের পর মসজিদটির বর্তমান অবস্থা। ছবি: উপগ্রহ থেকে নেওয়া

আইএসের বার্তা সংস্থা ‘আমাক’ এক বিবৃতিতে জানায়, গতকাল ২১ জুন বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের বিমান থেকে ফেলা এক বোমার আঘাতে ওই মসজিদ উড়ে যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা আইএসের এই দাবিকে এক হাজার শতাংশ মিথ্যা বলে আখ্যা দিয়েছেন।
মসুল ও ইরাকের বিখ্যাত স্থাপনাটি আইএস গুঁড়িয়ে দিয়েছে দাবি করে ইরাকে অবস্থনরত জ্যেষ্ঠ মার্কিন কমান্ডর মেজর জেনারেল জোসেফ মার্টিন বলেছেন, বিষয়টি শুধু মসুলের জনগণই নয়, পুরো ইরাকবাসীর বিরুদ্ধে চালানো অপরাধ।
বিমান থেকে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, লম্বা মিনারওয়ালা মসজিদটির একটি ছোট্ট ধ্বংসাবশেষ কেবল অবশিষ্ট রয়েছে। মসজিদটি প্রার্থনাকেন্দ্র ছাড়াও প্রাচীন গ্রন্থ সংগ্রহশালা ও গবেষণাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। মসজিদটি ঐতিহ্যবাহী মসুল শহরের একেবারে কেন্দ্রে অবস্থিত ছিল। ২০১৪ সালে এই মসজিদ থেকেই আইএসপ্রধান আবু বকর আল বাগদাদি ‘খিলাফত’ ঘোষণা করেছিলেন।

বিস্তারিত খবর

‘আমাকে ৬ মাস ধরে প্রত্যেক দিন ধর্ষণ করা হতো’

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-২৬ ০৯:৪১:১২

জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট উত্তর ইরাক থেকে ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের বহু লোককে ধরে নিয়ে গিয়েছিল ২০১৪ সালে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই অল্প বয়সী নারী ও শিশু। আইএস যোদ্ধারা এই নারীদের আটকে রেখে তাদেরকে ব্যবহার করে আসছিল যৌনদাসী হিসেবে।

এই যৌনদাসীদেরই একজন ১৭ বছর বয়সী এখলাস। যখন তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় তখন তার বয়স ছিল ১৪। তাকে রাখা হয়েছিল মাউন্ট সিঞ্জারে। কিশোরী এখলাস ছিল এক যোদ্ধার তত্ত্বাবধানে। তার সাথেই থাকতে হতো তাকে। আইএসের এই যোদ্ধা যেখানে যেখানে যেত এখলাসকেও সেখানে যেতে বাধ্য করা হতো।
সম্প্রতি আইএসের যোদ্ধাদের হাত থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন এখলাস। পালিয়ে আসার পর এখলাস বিবিসি-কে জানান, ছয় মাস ধরে জিহাদি যোদ্ধারা এই সিঞ্জার পর্বতে তাকে ব্যবহার করেছে যৌন কাজে। এই ছয় মাসের প্রতিদিন ধর্ষণ করা হয়েছে।

এখলাস বলেন, ‘প্রতিদিন, প্রত্যেকটি দিন আমাকে সে ধর্ষণ করত। টানা ছয় মাস ধরে। এই দুঃসহ যন্ত্রণা থেকে বাঁচার জন্যে আমি আত্মহত্যাও করতে চেয়েছিলাম।’
উত্তর ইরাকে ইয়াজিদি জাতিগোষ্ঠীর উপর হামলা চালিয়ে আইএস যোদ্ধারা যখন নারীদের অপহরণ করে নিয়ে যায় তখন তারা তাদের পুরুষদের হত্যা করে মৃতদেহ পেছনে ফেলে রেখে যায়। পিতা, স্বামী, ভাই ও সন্তানকে হারিয়ে তারা যখন শোকে ভেঙে পড়েছে তখন তাদেরকে ধর্ষণ করা হয় পালাক্রমে। উত্তর ইরাকের আইএস জঙ্গি। ছবি: সংগৃহীত  ধর্ষণকারী ওই জিহাদির বর্ণনা দিতে গিয়ে এখলাস জানান, ‘আমরা দেড়শো জনের মতো ছিলাম। আমাদের মধ্য থেকে সে আমাকেই বাছাই করে নিল। লোকটার মাথা ভর্তি ছিল লম্বা লম্বা চুল। জানোয়ারের মতো দেখতে। খুবই কুৎসিত। তার শরীর থেকে সবসময় বোটকা দুর্গন্ধ আসত।’
তিনি বলেন, ‘আমি ভয়ে কুঁকড়ে থাকতাম। লোকটার দিকে তাকাতেও পারতাম না। প্রতিদিনই সেখান থেকে পালিয়ে আসার চেষ্টা করতাম। সবসময় অপেক্ষা করতাম এমন একটা সুযোগের।’
এখলাসের ভাষ্য, একদিন যখন ধর্ষণকারী জিহাদি যুদ্ধ করতে একটু দূরে গেল, সেদিনই তিনি সেই সুযোগটা কাজে লাগালেন। পালিয়ে এলেন আইএসের হাত থেকে। পরে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় একটি শরণার্থী শিবিরে।
আইএসএর হাতে থেকে পালিয়ে আসা এই ইয়াজিদি নারী বলেন, ‘আপনারা হয়তো অবাক হচ্ছেন যে চোখের পানি না ফেলে আমি কীভাবে আপনাদেরকে এরকম একটি জীবনের বর্ণনা দিচ্ছি! বিশ্বাস করুন আমার চোখের পানি শুকিয়ে গেছে।’
সাংবাদিকদেরকে তিনি যখন তার বন্দী জীবনের বর্ণনা দিচ্ছিলেন তখন এখলাস হাসছিলেন, পরিহাসের হাসি। এখলাসকে এখন নিয়ে আসা হয়েছে জার্মানিতে। সেখানকার একটি মানসিক হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন, পড়াশোনাও করছেন। এখলাস এখন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন, বড় হয়ে আইনজীবী হবেন।
সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিস্তারিত খবর

কাতারের উপর অবরোধ অব্যাহত রাখবে মিসর

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-২৫ ০৮:৩৫:২৪

কাতারের উপর অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে মিসর। সোমবার দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি বলেন, তার সরকার সৌদি জোটের সঙ্গে একত্রিত থেকে কাতারের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখবে। মঙ্গলবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

৫ জুন সন্ত্রাসবাদে সমর্থনে অভিযোগ এনে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিসরসহ কয়েকটি দেশ। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে কাতার।
আলেক্সান্দ্রায় এক তরুণ সম্মেলনে সিসি বলেন, মিসর তার অবস্থানে অটল থাকবে। আমরা তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা অটল রাখবো।
শুক্রবার কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি ঘোষণা দিয়েছিলেন তার সংলাপের জন্য প্রস্তুত। কুয়েত এই সংকটের সমাধানে মধ্যস্থতা করছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানিও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানও এই সংকট নিরসনে মধ্যপ্রাচ্য সফরে রয়েছেন।

বিস্তারিত খবর

তুরস্কে ইসরায়েলি দূতাবাস বন্ধ ঘোষণা

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-২৫ ০৮:২৯:৪৭

তুরস্কে ইসরায়েলি দূতাবাসের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা মা’ন এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জেরুজালেমের ঘটনায় ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কায়  এই পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

রবিবার রাতে জর্ডানে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলায় দুইজন নিহত ও একজন আহত হন। এরপর থেকেই নিরাপত্তার স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত নিলো ইসরায়েল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপর্দস্থ কর্মকর্তা বলেন, আমানের ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা সাময়িকভাবে দূতাবাস বন্ধ রাখছি।
এদিকে আল-আকসা থেকে মেটাল ডিটেক্টর সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েলি। এই মেটাল ডিটেক্টরসহ কড়া নজরদারির কারণেই ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। মসজিদ দখলের পায়তারা অভিযোগ করে প্রতিবাদে রাস্তায় নামে অনেক ফিলিস্তিনি।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

বিস্তারিত খবর

ইয়েমেনে কলেরার আক্রান্ত ৩ লাখ ৮৪ হাজার, নিহত ১ হাজার ৮৫৮

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-২৪ ১১:১২:০২

এপ্রিল থেকে ইয়েমেনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া কলেরায় প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৭১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি বছরেই মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮৫৮ জনের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যানকে উদ্ধৃত করে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনদুলু এজেন্সিতে প্রকাশিত এক থেকে এসব কথা জানা গেছে।

এ বছর এপ্রিল থেকে কলেরার মহামারী শুরু হয় দেশটিতে। ২৪ জুন (শনিবার) এক বিবৃতিতে এ পর্যন্ত দেশটিতে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে অন্তত এক হাজার ৩১০ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১ জুলাই আরও ১৯০ জনের প্রাণহানির খবর দিয়ে ১৫০০ জনের প্রাণহানির খবর দেওয়া হয়। এবার জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে আক্রান্ত ৩৩৮ জনের প্রাণহানির মধ্য দিয়ে কলেরায় মৃতের সংখ্যা ১৮৩৮ জনে দাঁড়ালো।
মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত ঘটনায় এই তালিকা তৈরি করে ডব্লিউএইচও। দেশটির ৩৩৩টি জেলার মধ্যে এখন ২৯৫টি জেলাতেই কলেরার প্রকোপ দেখা গিয়েছে। জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মানবিক সহায়তার প্রয়োজন প্রায় ২ কোটি ইয়েমেনির।

জাতিসংঘের এই সংস্থাটি জানায়, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে তীব্র খাবার সংকটও দেখা গেছে। ইয়েমেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সেখানকার হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত ও কয়েক মিলিয়ন মানুষ শরণার্থীতে পরিণত হয়েছে। ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন অভিযানে গত দুই বছরে নিহত হয়েছেন প্রায় ১২ হাজার বেসামরিক নাগরিক এবং আহত হয়েছেন প্রায় ৪৪ হাজার ৫০০ জন।

ইয়েমেনের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে ২০১৫ সালে দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি জোট। গত দুই বছরে সৌদি জোটের উপর্যুপরি বিমান হামলা তথা সামরিক অভিযানে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৪৫ হাজার মানুষ, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ইয়েমেনের মোট জনসংখ্যার ১১ শতাংশ মানুষ।চলতি বছরের জানুয়ারিতে জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইয়েমেনের বিদ্যমান খাদ্য সংকট চলতি বছরই দুর্ভিক্ষে রূপ নিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতেই মরার ওপর খড়ার ঘা-এর মতো দেশটিতে নেমে এসেছে কলেরার তাণ্ডব।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

বিস্তারিত খবর

আল আকসা ইস্যুতে ফিলিস্তিনিদের পাশে পশ্চিমতীরের খ্রিস্টান সম্প্রদায়

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-২৪ ১১:০৮:৫৩

জেরুজালেমে আল আকসা মসজিদ খুলে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভরত ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন পশ্চিমতীরের খ্রিস্টান ধর্মালম্বীরা। রবিবার পশ্চিমতীরের দক্ষিণে অবস্থিত বেথেলহেমের স্থানীয় গির্জায় মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মালম্বীরা বিক্ষোভ করেন।

বিক্ষোভের অংশগ্রহণকারীরা আল আকসা মসজিদে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রত্যাহারের দাবি সম্বলিত ব্যানার নিয়ে হাজির হন।
আরব অর্থোডক্স ইয়ুথ ককাসের মুখপাত্র জালাল বারহাম জানান, স্থানীয় গির্জায় মোমবাতি হাতে আমরা দাঁড়িয়েছি। আমরা বলতে চাই, আল আকসা মসজিদ ও পবিত্র সেপালচার গির্জার মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। আল আকসার প্রবেশ পথ ও সেপালচার গির্জার প্রবেশ পথে কোনও পার্থক্য নেই।
মুখপাত্র আরও বলেন, বলতে চাই যে আমরা একই মানুষ, আমাদের ইতিহাসও এক। মুসলিম ও খ্রিস্টান; আমাদের মানুষেরা এটা মেনে নেবে না। আমরা ইসলাম ও খ্রিস্টান ধর্মের পবিত্র স্থাপনার স্বাধীনতা ও মর্যাদার জন্য লড়াই চালিয়ে যাব।
উল্লেখ্য, ইসরায়েল আল আকসা মসজিদের প্রবেশ পথে মেটাল ডিটেক্টর বসালে শুক্রবার থেকেই বিক্ষোভ করেন ফিলিস্তিনিরা। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে বেশ কয়েক দফা হামলা চালায় ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনী। টানা কয়েকদিনের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। রবিবার ইসরায়েল ঘোষণা দিয়েছে, মেটাল ডিটেক্টরের পাশাপাশি আল আকসার প্রবেশ পথে ক্যামেরা বসিয়েছে। এছাড়া গত কয়েক বছরের মধ্যে শুক্রবার জুমার নামাজে ফিলিস্তিনি তরুণদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইসরায়েল।
এদিকে, আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংকট নিরসনের উপায় খুঁজতে বৈঠকে বসছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। সোমবার এই বৈঠকের জন্য সুইডেন, মিসর ও ফ্রান্সকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের সুইডেনের উপ-রাষ্ট্রদূত কার্ল সাকু। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।

বিস্তারিত খবর

ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রস্তাবে আগ্রহী নয় কাতার

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১০ ০৯:৫২:৪১

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রাজনৈতিক সংকটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনও ভূমিকা দেখতে চায় না কাতার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস-এর সঙ্গে আলাপকালে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রাহমান আল থানি। তিনি বলেন, ছয় আরব দেশকে কেউ কাতারের ওপর অবরোধ আরোপের অধিকার দেয়নি। আর বিদ্যমান অবরোধের মধ্যে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি দেশত্যাগ করবেন না।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, কাতারি আমিরের দেশত্যাগ না করার ঘোষণার মধ্য দিয়ে মূলত কাতার ইস্যুতে ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে দোহা। কারণ এ ঘোষণার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুযায়ী হোয়াইট হাউসে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করছেন না কাতারের আমির।
এর আগে সৌদি আরবের নেতৃত্বে কাতারের সঙ্গে ছয় আরব দেশের সম্পর্ক ছিন্নের ঘটনায় নিজের ‘কৃতিত্ব’ দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৬ জুন ২০১৭ তারিখে টুইটারে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, আমার সাম্প্রতিক সৌদি সফরের ফল আসতে শুরু করেছে। এ সফরে অন্য মুসলিম দেশগুলো আমাকে জানিয়েছে,  কাতার ‘মৌলবাদী দর্শনে’ অর্থায়ন করছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সফরে আমি মৌলবাদী দর্শনে অর্থায়নের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। নেতারা কাতারের দিকে আঙ্গুল তুলে বলেছেন, দেখুন!’আরেক টুইটে তিনি বলেন, এটা খুবই চমৎকার যে, সৌদি সফরে দেশটির রাজা ও অর্ধশত দেশের নেতাদের সঙ্গে তার সাক্ষাতের ফল এরইমধ্যে আসতে শুরু করেছে। তারা বলেছে, উগ্রবাদী অর্থায়নের বিরুদ্ধে তারা কঠোর পদক্ষেপ নেবে। এক্ষেত্রে সবকটি সূত্র কাতারকেই নির্দেশ করে। সম্ভবত, এটা হবে সন্ত্রাসের বিদায়ের সূচনালগ্ন।
টুইটারে এমন পোস্ট দেওয়ার পর কাতারের আমিরকে ফোন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ সময় তিনি সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে কাতারের মতপার্থক্য নিরসনে সহায়তার প্রস্তাব দেন। ট্রাম্প বলেন, প্রয়োজনে হোয়াইট হাউসে এ বিষয়ে বৈঠকের আয়োজন করা যেতে পারে।
কাতারের রাজধানী দোহা-য় এক অনুষ্ঠানে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বলেন, কাতারকে একঘরে করা হয়েছে। এর কারণ হচ্ছে আমরা সফল এবং প্রগতিশীল। আমরা শান্তির পক্ষে একটি প্লাটফর্ম, সন্ত্রাসের পক্ষে নয়। চলমান এই সংকট পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। আমরা বশ্যতা স্বীকার করতে প্রস্তুত নই। আমরা কখনোই আমাদের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ধুলায় মিশিয়ে দিতে প্রস্তুত নই। সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

বিস্তারিত খবর

কাতারবিরোধী অবরোধে উদ্বেগ রাশিয়ার

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১০ ০৯:৫০:৩০

কাতারের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নেতৃত্বে ছয় আরব দেশের স্থল, নৌ ও বিমান অবরোধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। চলমান সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। শনিবার রাশিয়ার রাজধানী মস্কো-তে কাতারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রাহমান আল থানি-র সঙ্গে বৈঠকের পর এ আহ্বান জানান রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
বৈঠকে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারি মন্ত্রীকে বলেন, রাশিয়ার নীতি হচ্ছে আমরা অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ কিংবা অন্য কোনও দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করি না। কিন্তু আমাদের অংশীদারদের মধ্যে যখন সম্পর্কের ব্যাঘাত ঘটে সেটা আমাদের জন্য সুখকর নয়। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আগ্রহী হলে তাদের সম্মতিতে সংকট নিরসনে মধ্যস্থতা করতে রাশিয়া প্রস্তুত। সের্গেই ল্যাভরভ বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিরোধী মীমাংসার আহ্বান জানাচ্ছি।
কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রাহমান আল থানি বলেন, তার দেশ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংকট উত্তরণে বিশ্বাসী। এর একদিন আগেই কাতারের ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে জার্মানি। শুক্রবার কাতারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রাহমান আল থানি-র সঙ্গে বৈঠকের পর এ আহ্বান জানান জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গ্যাব্রিয়েল।

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত