মালিবুতে কিশোর চালকের গাড়ির ধাক্কায় নোবুর দীর্ঘদিনের শেফ নি হ ত
ক্র্যাটম সেবনে দুই শিক্ষার্থীর মৃ ত্যু, যুক্তরাষ্ট্রে বাবা-ছেলে গ্রে প্তা র
ছবিঃ ফাইল ফুটেজ
মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে ক্র্যাটমের ডেরিভেটিভস সেবনের সঙ্গে সম্ভাব্যভাবে জড়িত দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃ ত্যুর ঘটনায় এক বাবা ও তাঁর ছেলেকে গ্রে প্তার করেছে কর্তৃপক্ষ। তাদের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রিত মাদক বিতরণের উদ্দেশ্যে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রে প্তার হওয়া দুজন হলেন ৫১ বছর বয়সী ইয়াহইয়া মোহাম্মদ মোসলেহ ও তাঁর ১৮ বছর বয়সী ছেলে ইসলাম ইয়াহইয়া মোসলেহ। তারা মিসিসিপির অক্সফোর্ড শহরের একটি ভে প, তামাক ও বি য়া রের দোকানে কাজ করতেন।
গত ২১ সেপ্টেম্বর মিসিসিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ওলে মিস) এক শিক্ষার্থীকে তাঁর ডরমিটরিতে মৃ ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তদন্তকারীরা তাঁর কক্ষে ক্র্যাটমের ডেরিভেটিভস হিসেবে সন্দেহ করা কিছু প্যাকেট পান, যার কয়েকটির ট্যাবলেট খোয়া গিয়েছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে তাঁর মৃ ত্যুর কারণ মাদক ওভারডোজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয়েছে।
এর প্রায় এক ঘণ্টা পর আরেক শিক্ষার্থীকে অন্য একটি স্থানে মৃ ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁর কাছ থেকেও একই ধরনের ক্র্যাটম ডেরিভেটিভসের প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি যে এসব পদার্থই দুই শিক্ষার্থীর মৃ ত্যুর কারণ ছিল। তাদের টক্সিকোলজি পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষা করছে কর্তৃপক্ষ।
তদন্তে দেখা যায়, প্রথম শিক্ষার্থী আইডান হ্যামিল্টন ওই দোকান থেকে একাধিকবার পণ্য কিনেছিলেন। পরে তদন্তকারীরা একজন গোপন তথ্যদাতার মাধ্যমে দোকান থেকে ক্র্যাটমভিত্তিক ট্যাবলেট কেনেন। এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর দোকানটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৫০০টির বেশি ক্র্যাটমজাত পণ্য জব্দ করা হয়।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, ইয়াহইয়া মোসলেহ গোপন তথ্যদাতাকে এসব ট্যাবলেট খাওয়ার বিষয়ে সতর্কও করেছিলেন। এরপর বাবা ও ছেলেকে গ্রে প্তার করা হয় এবং নিয়ন্ত্রিত পদার্থ বিতরণের উদ্দেশ্যে রাখার অভিযোগ আনা হয়।
ক্র্যাটম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি উদ্ভিদ থেকে তৈরি পদার্থ। কম মাত্রায় এটি উদ্দীপক প্রভাব তৈরি করতে পারে, আর বেশি মাত্রায় এর প্রভাব অনেকটা ওপিওয়েডের মতো হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ক্র্যাটমের কিছু শক্তিশালী ডেরিভেটিভ যেমন এমজিপিআই, এমজিএম-১৫ ও এমজিএম-১৬ সম্প্রতি শিডিউল-১ নিয়ন্ত্রিত পদার্থ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত হয়েছে।
তদন্ত এখনো চলছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টক্সিকোলজি পরীক্ষার ফল পাওয়ার পর এ ঘটনায় আরও অ ভি যোগ আনা হতে পারে। আদালতে দো ষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত গ্রে প্তার হওয়া বাবা-ছেলেকে আইনের চোখে নির্দো ষ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন