ল্যাঙ্কাস্টারের প্রত্যন্ত সম্পত্তিতে মাটির নিচে পাওয়া দুই মরদেহের পরিচয় শনাক্ত
মালিবুতে স্পিড ক্যামেরার পরীক্ষাতেই ধরা পড়ল ১ লাখের বেশি গতিসীমা লঙ্ঘন
ছবিঃ ফাইল ফুটেজ
সমুদ্রে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ছয়জনের প্রাণহানির ঘটনায় নিহতদের পরিচয় ও দুর্ঘটনার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে
ক্যালিফোর্নিয়ার মালিবুতে নতুন স্পিড ক্যামেরা চালুর আগেই পরীক্ষামূলক পর্যায়ে প্রায় ১ লাখ গতিসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়েছে। মাত্র কয়েক দিনের পরীক্ষায় এত বিপুলসংখ্যক লঙ্ঘন শনাক্ত হওয়ায় নতুন এই ট্রাফিক-নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
মালিবু শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৬ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চারটি স্পিড ক্যামেরা লোকেশনে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ১ লাখ গতিসীমা লঙ্ঘন রেকর্ড করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৮৬ শতাংশ ঘটনা পূর্ব মালিবু এলাকায় ঘটেছে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই পরীক্ষামূলক পর্যায়ে চালকদের কোনো সতর্কবার্তা বা জরিমানা পাঠানো হচ্ছে না। ক্যামেরায় ফ্ল্যাশ দেখা গেলেও সেটি কোনো টিকিট বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অর্থ নয়। ক্যামেরাগুলো বর্তমানে শুধু অতিরিক্ত গতিতে চলাচলের তথ্য সংগ্রহ করছে।
মালিবু শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্পিড ক্যামেরা ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক সতর্কতা পর্যায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ক্যামেরা স্থাপনের কিছু কাজ শেষ করা এবং পূর্ব মালিবুতে বিদ্যমান গতিসীমা নিয়ে চলমান ট্রাফিক সমীক্ষার জন্য এই সময় নেওয়া হচ্ছে। সমীক্ষাটি নভেম্বরেই শেষ হওয়ার কথা।
নতুন ব্যবস্থায় নির্ধারিত গতিসীমার অন্তত ১১ মাইল প্রতি ঘণ্টা বেশি গতিতে চলা গাড়ি শনাক্ত করা হবে। তখন ক্যামেরা গাড়িটির পেছনের লাইসেন্স প্লেটের ছবি ধারণ করবে এবং সংশ্লিষ্ট লঙ্ঘন পর্যালোচনার জন্য সংরক্ষণ করা হবে।
নভেম্বরে শুরু হতে যাওয়া সতর্কতা পর্যায়টি ৬০ দিন চলবে। এই সময়ে গতিসীমা অতিক্রমকারীদের জরিমানার বদলে সতর্কবার্তা দেওয়া হবে। এরপর নিয়ম কার্যকর হলে লঙ্ঘনের মাত্রা অনুযায়ী জরিমানা হতে পারে। ১১ থেকে ১৫ মাইল বেশি গতির জন্য ৫০ ডলার, ১৬ থেকে ২৫ মাইলের জন্য ১০০ ডলার, ২৬ মাইল বা তার বেশি গতির জন্য ২০০ ডলার এবং ঘণ্টায় ১০০ মাইল বা তার বেশি গতির ক্ষেত্রে ৫০০ ডলার পর্যন্ত জরিমানা নির্ধারিত রয়েছে।
শহর কর্তৃপক্ষ বলছে, এই ক্যামেরার উদ্দেশ্য রাজস্ব আদায় নয়; বরং অতিরিক্ত গতি কমানো এবং প্যাসিফিক কোস্ট হাইওয়েতে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমাতে চালকদের আচরণে পরিবর্তন আনা। মালিবুর ২১ মাইল দীর্ঘ প্যাসিফিক কোস্ট হাইওয়ে অংশে গত কয়েক বছরে একাধিক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ক্যামেরাগুলো সাধারণ যান চলাচল নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হবে না। কোনো গাড়ি নির্ধারিত সীমার বেশি গতিতে চললে তবেই ক্যামেরা সক্রিয় হবে। সিস্টেমে মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হচ্ছে না।
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন