আপডেট :

        ফের গুলি-মর্টার শেলের শব্দ

        স্পেনে ১৪ তলা ভবনে আগুন

        বাংলাদেশ পুলিশ পদক পাচ্ছেন পুলিশ সুপার ছাইদুল হাসান

        বিএনপির দোসর অবৈধ মজুতকারীরা: খাদ্যমন্ত্রী

        রাশিয়ার ৫০০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুকে নিষেধাজ্ঞা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

        ৩ ঘন্টায় মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত

        স্পিকার-গ্লোবাল পার্টনার্স গভর্ন্যান্স পরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

        ইমরান খানের দাবি প্রত্যাখ্যান

        একসঙ্গে চার শিশুর জন্ম

        গণধোলাই দেওয়া উচিত অবৈধ মজুতদারীদের: প্রধানমন্ত্রী

        বেপরোয়া মিয়ানমারের জান্তা: জাতিসংঘ

        এমটিবি সাইকেল রেস

        মুক্তির সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

        হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত

        মিউনিখ সম্মেলনে গাজা ও বিশ্বের সব প্রকার যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

        কৃষি ব্যাংকের প্রনোদনাগুলো প্রচারণার মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

        বিপিএম-পিপিএম পদক পেলেন যারা

        সাকিব-তামিমের সেই উদযাপনকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য বিসিবির

        মেহজাবীনের ‘সাবা’

        ঐশ্বরিয়াকে ‘বারংবার অপমান’

সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মাকে স্বীকৃতি দিলেন হাইকোর্ট

সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মাকে স্বীকৃতি দিলেন হাইকোর্ট

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষাসহ সব ফরম পূরণে সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মাকেও স্বীকৃতি দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আইনুননাহার সিদ্দিকা, এস এম রেজাউল করিম ও আয়েশা আক্তার। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগে শিক্ষার্থী তথ্য ফরমে অত্যাবশ্যকীয়ভাবে বাবার নাম পূরণ করতে না পারায় ঠাকুরগাঁওয়ের এক তরুণীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রবেশপত্র দিতে অস্বীকৃতি জানায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড। উল্লেখ্য যে, মা ও সন্তানকে কোনোরূপ স্বীকৃতি না দিয়ে বাবার চলে যাওয়ার পর ওই তরুণী তার মায়ের একার আদর-স্নেহে বড় হচ্ছিলেন।

পরে এ ঘটনার যথাযথ অনুসন্ধানের ওপর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এবং সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মায়ের স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠার দাবিতে ২০০৯ সালের ২ আগস্ট তিনটি মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন- বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও নারীপক্ষ যৌথভাবে জনস্বার্থে রিট দায়ের করে। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০০৯ সালের ৩ আগস্ট বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহম্মেদ ও বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত তৎকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ মানবাধিকার, সমতার পরিপন্থি ও বিশেষভাবে শিক্ষার অধিকারে প্রবেশগম্যতার বাধাস্বরূপ বিদ্যমান বৈষম্যমূলক এ বিধানকে কেন আইনের পরিপন্থি এবং অসাংবিধানিক হিসেবে ঘোষণা করা হবে না-এই মর্মে রুল জারি করেন।

একইসঙ্গে বর্তমানে কোন কোন শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বাবা ও মা উভয়ের নাম সম্পর্কিত তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হয়, তার একটি তালিকা এবং যেসব যোগ্য শিক্ষার্থী তাদের বাবার পরিচয় উল্লেখ করতে অপারগ তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সে সম্পর্কে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ২০২১ সালের ৬ জুন ব্লাস্ট আবেদনকারীদের পক্ষে একটি সম্পূরক হলফনামা আদালতে দাখিল করে।




এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত