আপডেট :

        সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু

        সেন্টমার্টিনের কাছে মিয়ানমার যুদ্ধজাহাজ নিয়ে এসে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানার চেষ্টা করছে

        ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দুইজন কর্মকর্তাকে বদলি

        সাভারে মাদক ব্যবসা, বাধা দিলে হত্যার শিকার হচ্ছে নিরীহ মানুষ

        দেশের তিনটি বিভাগে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে

        লিফটে পরিচালককে মারধর, অভিযুক্ত কর্মকর্তার পদায়ন বাতিল

        বাধা ছাড়াই ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠিত

        ঈদ উল আযহা উপলক্ষে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ১৪ নির্দেশনা

        যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এবার পাল্টা ব্যবস্থা নিল রাশিয়া

        তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝাঁজ তুলে শুরু হচ্ছে ইউরো

        ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমে ভারী বৃষ্টির প্রভাবে বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি

        স্ট্রোকে আক্রান্ত নোয়াম চমস্কি

        ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমে ভারী বৃষ্টির প্রভাবে বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি

        রাজধানীতে জাতীয় ঈদগাহ তে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

        রাজধানীতে জাতীয় ঈদগাহ তে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

        ২১ জুন দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

        ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার পর প্রথমবার প্রকাশ্যে দেখা গেলো যুক্তরাজ্যের প্রিন্সেস

        ২১ জুন দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

        জমে উঠেছে রাজধানীর গরুর হাট

        লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েকটি স্থাপনায় হামলা

উপজেলা নির্বাচনঃ গত ১০ বছরের হিসাবে অনির্বাচিতদের তুলনায় নির্বাচিতদের আয় বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ

উপজেলা নির্বাচনঃ গত ১০ বছরের হিসাবে অনির্বাচিতদের তুলনায় নির্বাচিতদের আয় বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ

উপজেলা পরিষদে গত ১০ বছরের হিসাবে অনির্বাচিতদের তুলনায় নির্বাচিতদের আয় বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ। আর সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৩৭ গুণ। তৃতীয় ধাপে ১১১ উপজেলার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন মন্ত্রী-এমপিদের ১৮ জন স্বজন। আর এ ধাপে কোটিপতি রয়েছেন ১০৬ জন। ১০ বছরে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় চার গুণ।


সোমবার (২৭ মে) ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ ধাপের ভোটে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।


টিআইবি জানায়, প্রায় ২২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রার্থী ঋণ বা দায় রয়েছে। এই ধাপে ভোটে অংশ নেওয়া ১ হাজার ৪১৯ প্রার্থীর মধ্যে ২২৭ জনই বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত। সেই সঙ্গে অতীতে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন ৩০৭ জন। তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ৪৮১ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে নারী মাত্র ২০ জন। ভাইস চেয়ারম্যান ৫৬১ এবং ৩৭৭ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৬৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ; ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯ এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩১ দশমিক ৬৬ শতাংশ প্রার্থী পেশা হিসেবে ব্যবসায়ী দেখিয়েছেন।

টিআইবি আরও জানায়, প্রথম ধাপে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের ১৩ জন, দ্বিতীয় ধাপে ১৭ জন এবং তৃতীয় ধাপেও ১৭ জন স্বজন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া এই ধাপে মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনের মধ্যে একজন ভাইস চেয়ারম্যানও রয়েছেন।


প্রতিবেদনে জানানো হয়, তৃতীয় ধাপে জমির মালিকানার দিক দিয়ে আইনি সীমা অতিক্রম করেছেন ছয়জন প্রার্থী। আইন অনুযায়ী, একজন নাগরিক সর্বোচ্চ ১০০ বিঘা বা ৩৩ একর জমির মালিক হতে পারেন। এই তালিকার শীর্ষে আছেন দোয়ারাবাজার উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী দেওয়ান আশিদ রাজা চৌধুরী। তার মোট জমির পরিমাণ ২৮০ একর। সীমার বাইরে জমির মালিক বাকিরা হলেন সাদুল্লাপুরের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রেজাউল করিম, রাণীনগরের মো. রাহিদ সরদার, সোনাগাজীর জহির উদ্দিন মাহমুদ, পটিয়ার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজেদা বেগম ও ইটনার ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সিব্বির মাহমুদ।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ২০১৯ সালের তুলনায় অন্তত ১০০ শতাংশ বা তার বেশি আয় বেড়েছে এমন প্রার্থীর সংখ্যা ৭৪। একই সময়ে ১০০ শতাংশের বেশি স্ত্রী বা স্বামী ও নির্ভরশীলদের অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ২২ জনের। ২০১৪ সাল থেকে ১০০ শতাংশ বা তার বেশি আয় বেড়েছে ৪৫ জনের। একই সময়ে ১০০ শতাংশ বা তার বেশি অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৫৩ জনের।

টিআইবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৫ বছরে অস্থাবর সম্পদ বৃদ্ধিতে উপজেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা পেছনে ফেলেছেন সংসদ সদস্যদের। একজন সংসদ সদস্যের অস্থাবর সম্পদ বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৬৫ শতাংশ। যেখানে একজন চেয়ারম্যানের বেড়েছে ৯ হাজার ৮৫০ দশমিক ৬২ শতাংশ।

জাতীয় পর্যায়ে যে এক দলের আধিপত্য স্থানীয় নির্বাচনেও তা বিকেন্দ্রীকরণ হয়েছে জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বড় দুটি দলের দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে অনেকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। এটি ইঙ্গিত দেয়, দলীয় আদর্শ বা নৈতিক আদর্শের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। যেহেতু ক্ষমতায় থাকতে পারলে নির্বাচিত হতে পারলে সম্পদ এবং আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। অর্থাৎ, রাজনীতি, জনপ্রতিনিধিত্ব এর মধ্যে জনস্বার্থের উপস্থিতি এই ক্ষেত্রে নেই। যেটি আছে সেটি হচ্ছে নিজস্ব ব্যক্তিগত স্বার্থ।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হচ্ছে এটি দেখানো একটি বিষয়। এটি একধরনের পাতানো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের খেলা।

অস্বাভাবিক আয়ের বিষয়টি নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দেখে ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও জানান তিনি।

আরেকটি কথা হচ্ছে কর বাড়ার বিবেচনায় এটি করা হয়। ১৮-১৯ বছর যাবৎ এই কাজটি করা হচ্ছে। রাজস্ব বোর্ডের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য হারে এ জন্য কোনো বছরই কর আদায় হয়নি অবৈধতাকে বৈধতা দেওয়ার মাধ্যমে যোগ করেন তিনি।

 

 

এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত