যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 03:20pm

|   লন্ডন - 09:20am

|   নিউইয়র্ক - 04:20am

  সর্বশেষ :

  টাওয়ার হ্যামলেটসকে ‘ট্রাম্পমুক্ত এলাকা’ ঘোষণা : নেতৃত্বে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর   সিলেটে অর্থমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় ১০ জন আহত   নাইজেরিয়ায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ১২   জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ   রাজশাহীতে প্রথম ফ্লাইওভার নির্মাণের সিদ্ধান্ত   তহবিল সংকটের কারণে ফের শাটডাউনের শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র   ফিলিস্তিনকে সাড়ে ৪ কোটি ডলার খাদ্য সহায়তা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র   নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় জড়িতদের বিচার হবেই : ওবায়দুল কাদের   শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ   হিজাব পরে শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনে   ক্যান্সার চিকিৎসা গবেষণায় যুগান্তকারী আবিষ্কার   লস এঞ্জেলেসে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত   বাংলাদেশ ডে প্যারেড উপলক্ষে বাফলার ফান্ড রাইজিং অনুষ্ঠিত   ইউরোপে অবৈধ বাংলাদেশিদের ফেরাতে প্রণোদনা দেবে ইইউ   ঢাকায় সাক্ষরতার হার ৭০.৫৪

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

২০১৭ সালে বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ১৫৪ জন

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১২ ১৩:১৯:৩৭

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে ২০১৭ সালে নিহত হয়েছেন ১৫৪ জন। এদের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৩৯ জন, নির্যাতনে ১২ জন, পুলিশের গুলিতে একজন ও দুইজন পুলিশের পিটুনিতে মারা গেছেন। শুক্রবার বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’র বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদন ২০১৭ তে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিকটিম পরিবারগুলোর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে ব্যাপক অভিযোগ থাকার পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ বা ‘ক্রসফায়ার’ হিসেবে প্রকাশ করেছে এবং দায়মুক্তি ভোগ করেছে।  কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কোন নির্দিষ্ট জায়গায় ‘ক্রসফায়ার’ বা ‘বন্দুকযুদ্ধের’ কথা বললেও স্থানীয়দের মতে তারা এমন কোনও ঘটনার কথা জানতে পারেননি। জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘনের নিকৃষ্টতম উদাহরণ হচ্ছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২৭৭ এবং নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সনদের অনুচ্ছেদ ৬৭৮ এর স্পষ্ট লঙ্ঘন।

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কারণে নিহত ১৫৪ জনের মধ্যে ১৩৯ জন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। অধিকার এর বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এদের মধ্যে পুলিশের হাতে ১০৪ জন, র‌্যাবের হাতে ৩২ জন, ডিবি পুলিশের হাতে ২ জন এবং সেনাবাহিনীর হাতে ১ জন নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৭ সালের ১২ জন নির্যাতনের কারণে মারা গেছেন। এদের মধ্যে পুলিশের হাতে ৯ জন, র‌্যাবের হাতে ১ জন, বিজিবির হাতে ১ জন এবং সেনাবাহিনীর হাতে ১ জন নিহত হয়েছেন। এসময়ের মধ্যে পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন একজন ও পুলিশের পিটুনিতে ২ জন মারা গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত ১৫৪ জনের মধ্যে ২ জন বিএনপি নেতা, ১ জন শিবিরকর্মী, ১ জন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নানিয়ারচর শাখার সাধারণ সম্পাদক, ১ জন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সদস্য, ১ জন নিউ বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির (মৃণাল বাহিনী) সদস্য, ১ জন পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য, ২ জন পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (লাল পতাকা) সদস্য, ১ জন পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল জনযুদ্ধ) সদস্য, ১ জন সর্বহারা পার্টির সদস্য, ৫ জন জেএমবির সদস্য, ১ জন হরকাতুল জিহাদ-আল-ইসলামীর সদস্য, ১ জন গরু ব্যবসায়ী, ১ জন গ্রামবাসী, ২ জন ব্যবসায়ী, ১ জন কাঠমিস্ত্রী, ১ জন কৃষক, ১ জন ড্রাইভার, ১ জন চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারী, ২ জন বিভিন্ন মামলার আসামি, ১ জন সাজাপ্রাপ্ত আসামি, ১১৯ জন কথিত অপরাধী এবং ৭ জনের পরিচয় জানা যায়নি।

বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮৬ জনকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাদের গুম হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৯ জনের লাশ পাওয়া গেছে এবং ৪৫ জনকে গুম করার পর পরবর্তীতে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং ১৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত বাকি ১৬ জনের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।

অধিকার এর সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে ১ জন সাংবাদিক নিহত, ২৪ জন সাংবাদিক আহত, ৯ জন লাঞ্ছিত, ১১ জন হুমকির সম্মুখীন এবং ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৭৩০ বার

আপনার মন্তব্য