যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 02:38pm

|   লন্ডন - 08:38am

|   নিউইয়র্ক - 04:38am

  সর্বশেষ :

  রাঙামাটিতে নির্বাচনকর্মীদের উপর গুলিবর্ষণ: নিহত ৭   প্যাটারসন সিটির ইউ‌নিয়ন এ‌ভি‌নিউ-এর নাম এখন ‘বাংলা‌দেশ বুলেভার্ড’   নিজের জন্য সংগৃহীত ৪২ হাজার ডলার নিহতদের পরিবারে দান করছেন ‘এগ বয়’   অসুস্থতার কারণে আদালতে খালেদা জিয়াকে হাজির করেনি কারা কর্তৃপক্ষ   এই বিশ্বে ইসলামবিদ্বেষের কোনো স্থান নেই: কানাডার প্রধানমন্ত্রী   ‘মুজিব কোট’ পরে এসেছিল শিশুরা   ক্রাইস্টচার্চে সন্তানকে বাঁচাতে বন্দুকের সামনে বুক পাতেন বাবা!   সিনেটরের মাথায় ডিম ভেঙে রাতারাতি হিরো কনোলি   লাশ আনতে প্রতি পরিবারের একজন নিউজিল্যান্ডে যেতে পারবেন   আবারও ডাকসুর পুনর্নির্বাচন চাইলেন ভিপি নুর   ক্রাইস্টচার্চে হামলাকারীর মৃত্যুদণ্ড চাইলেন তার বোন   ইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু   ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশি নিহতের সংখ্যা ৮ হতে পারে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী   এবার অস্ট্রেলিয়ায় মসজিদে গাড়ি নিয়ে ঢুকে পড়লো উগ্রবাদী   বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিন আজ

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

ডিবি পরিচয়ে কোটা আন্দোলনের আরেক নেতাকে ধরে নেওয়ার অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-১২ ০৫:২১:০৮

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এ বি এম সুহেলকে ডিবি পরিচয়ে কিছু লোক ধরে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লাকি আক্তার এ বিষয়ে তার ফেসবুক পাতায় একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

লাকি আক্তার বলেন, ‘আমার বাসা শান্তিনগর। ভোরে বাসা থেকে ডিবি পরিচয়ে আট-১০ জনের একটি দল নিয়ে গেছে। কিন্তু ডিবির কোন বিভাগ, সেটা জানায়নি। বলে গেছে সকালে ডিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করবেন। কিন্তু আমরা যোগাযোগের চেষ্টা করে সফল হইনি।’ সুহেল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। গত এপ্রিলে কোটা সংস্কারের আন্দোলনে নামার পর তিনি হামলার শিকার হয়েছিলেন।

লাকি ফেসবুকে লেখেন, ‘ক্যাম্পাসে আমার ডিপার্টমেন্টের ছোটভাই এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের সংগঠক সুহেল আমার বাসায় ছিল। তারা তাকে তুলে নিয়ে গেছে।’
ভোর সোয়া চারটা নাগাদ তার বাসায় ডিবি অভিযান চালায়। শুরুতে তারা বেশ উত্তেজিত ছিলেন বলেও জানান ছাত্র ইউনিয়ন নেত্রী। এত রাতে কোন অভিযোগে আমার বাসায় তল্লাশি করবেন-এমন প্রশ্নও করেন লাকি। আর তর্কা-তর্কির এক পর্যায়ে তারা দরজা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়। ‘আমি বললাম আপনারা সকালে আসেন। অনেকক্ষণ বাক-বিতণ্ডার পর অবশেষে তারা বাড়িওয়ালা আংকেলকে নিয়ে আসলে সাড়ে চারটার দিকে আমি দরজা খুলি’-লেখেন লাকি।

‘যাওয়ার আগে বাসার কম্পিউটারের হিস্ট্রি চেক করেন। এছাড়া সুহেল যে রুমে ছিল সেখানে তন্ন তন্ন করে তল্লাশি চালান। সুহেলের ব্যবহৃত একটি ফোন ছাড়া আর কিছুই তারা পাননি।’ ‘প্রায় দেড় ঘণ্টা তারা আমার বাসায় অবস্থানকালে সুহেলকে আলাদারুমে হাতকড়া পরিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এসময় আমাদের সব ফোনগুলো তারা জব্দ করে রাখেন। আমার ফোনও তারা চেক করেন। যদিও ঘরে প্রবেশ করার পর আমাদের কারও সাথে উত্তেজিত আচরণ করেননি তারা।’

‘সুহেলকে নিয়ে যাওয়ার আগে আমি জানতে চাইলাম ওর বিরুদ্ধে অভিযোগ কী। তারা বললেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। আমার বাসায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের লিফলেট-পোস্টার আছে কি না জানতে চান। বাসায় সেরকম কোনো কিছু না থাকায় আমি তাদের দেখাতে পারিনি। তবে সেজন্য তারা বাড়তি কোনো তল্লাশিও করেননি।’

লাকি জানান, যাওয়ার আগে সুহেল তার মাকে কিছু না জানাতে অনুরোধ করেছেন। কিছুদিন আগে তার বাবা মারা গেছেন। তাই এই ঘটনা জানতে পারলে তারা মা আরও ভেঙে পড়তে পারেন।

লাকি গোয়েন্দাদের এই অভিযানের তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ‘যখন তখন সাদা পোশাকে নাগরিকদের ঘরে হানা দেওয়ার এই সংস্কৃতি একজন নাগরিক হিসেবে আমাকে শঙ্কিত করে। তবে কি গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে যুক্ত থাকলে মানুষকে এভাবে আতঙ্ক নিয়ে রাত কাটাতে হবে?’

গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য জানান, ‘আটকের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি বলতে পারছি না। আমি খোঁজ নিছি এই রকম কেউ বলতে পারছে না। আমাদের পক্ষ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।’

এ নিয়ে কোটা আন্দোলনের অন্তত ‍তিন জন নেতা এখন নিরাপত্তা হেফাজতে। এদের মধ্যে রাশেদ খাঁন দুই দফায় ১৫ দিনের রিমান্ড পার করছেন। আর ফারুক হাসান আছেন কারাগারে। তবে সুহেলের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ সেটা স্পষ্ট নয়।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৯০৮ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত