যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 07:27pm

|   লন্ডন - 01:27pm

|   নিউইয়র্ক - 08:27am

  সর্বশেষ :

  ট্রাম্পকে শান্তিতে নোবেলের জন্য অনুরোধ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র   ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাককে ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের অভিনন্দন!   অনুমোদন পেল আরও তিন ব্যাংক   সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে শাজাহান খানের নেতৃত্বে কমিটি   ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত   পাকিস্তান সীমান্তে ১৪০ যুদ্ধবিমান নিয়ে ভারতের মহড়া   কাশ্মীরে বোমা বিস্ফোরণে ভারতীয় মেজর নিহত   পুলওয়ামা হামলার পর ভারতজুড়ে আতঙ্কে কাশ্মীরিরা   মা-বাবার পাশে শায়িত হলেন আল মাহমুদ   শিক্ষিত হয়েও অনেকে স্বেচ্ছায় বেকার : পরিকল্পনামন্ত্রী   মিউনিখে প্রধানমন্ত্রীকে নাগরিক সংবর্ধনা   আল মাহমুদের জানাজা সম্পন্ন, কাল নিজ গ্রামে দাফন   জামায়াত থেকে শিবিরের সাবেক সভাপতি মঞ্জু বহিষ্কার   বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হলেন ৪৯ নারী   জামায়াত বিলুপ্তির প্রস্তাব, যা বললেন ওবায়দুল কাদের

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

আপিলেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ বিএনপির

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০৪ ০৮:১২:৫৮

নিউজ ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাছাইয়ে দলগত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বিএনপির প্রার্থীরাই বেশি বাদ পড়েছেন। দলটির মোট ১৪১জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বালিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এই প্রার্থীদের আপিল করার সুযোগ দিয়েছিল তিনদিন। এই ক্ষেত্রেও সরকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ বিএনপির।

দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাজশাহীতে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও নাদিম মোস্তফার মনোনয়নপত্র বাতিলের সার্টিফায়েড কপি এখনো দেওয়া হয়নি। অথচ আপিলের জন্য বুধবারই শেষ দিন।

‘তার অর্থ হচ্ছে, সরকারের নির্দেশনায় একেবারে পরিকল্পিতভাবে রিটার্নিং অফিসাররা বিএনপির হেভিওয়েট নেতাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য এই পাঁয়তারা করছে। রিটার্নিং অফিসাররা সরকারের নির্দেশেই বিএনপি নেতাদের মনোনয়নপত্র তুচ্ছ কারণে বাতিল করছে।’

বিভিন্ন জেলায় রিটর্নিং অফিসাররা মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের কথা বলারও সুযোগ দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব।

আইনের দুই রকমের প্রয়োগ হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের স্বার্থে আইন এক ধরনের, আর বিএনপির ক্ষেত্রে আরেক ধরনের। বিএনপির পাঁচ নেতার আবেদন হাই কোর্টে নাকচ হওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, কারো দণ্ড হলে আপিল বিচারাধীন থাকলে তো চলবেই না, এমনকি আপিলে মুক্তি পেলেও নিস্তার নেই। কারণ দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুক্তিলাভের পর ৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে।’

‘এখন আমাদের প্রশ্ন, অ্যাটর্নি জেনারেলের এই ব্যাখ্যা যদি বিবেচনায় নেওয়া হয়, তাহলে মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং কক্সবাজারের সাংসদ আব্দুর রহমান বদির সংসদ সদস্য পদ কী অবৈধ নয়?’

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সরকারপ্রধানকে খুশি করার জন্য ‘নিজের মনের মাধুরি মিশিয়ে’ সংবিধান ও আইনের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন রিজভী।

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আদালত প্রাঙ্গণে রাসপুতিনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। বিরোধী দলকে শূন্য করতে সরকারের এজেন্ডা এখন অ্যাটর্নি জেনারেল বাস্তবায়ন করছেন আদালতকে ভয় দেখিয়ে।’

মহীউদ্দিন খান আলমগীর, হাজী সেলিম দণ্ডিত হওয়ার পরও তাদের মনোনয়নপত্র কীভাবে বৈধ হয়- সে প্রশ্নও তোলেন রিজভী।

নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে সোমবার দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রেপ্তার হওয়া নেতা-কর্মীদের তালিকা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘নির্বাচনী মাঠ সমতল হওয়ার থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে। তফসিল ঘোষণার পরে পুলিশ প্রতিনিয়ত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বন্যর স্রোতের মতো মামলা দিচ্ছে, নির্বিচারে গ্রেপ্তার করছে। এটা তফসিল ঘোষণার পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পারে না।’

তিনি বলেন, ‘এখন যা কিছু হচ্ছে তার জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ সরকারের যে মনোভাব, সেই মনোভাব কমিশন আন্তরিকতার সাথে পালন করছেন। শুধমাত্র বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করতে হবে, এলাকা জনশূন্য করতে হবে… এটা করলে পরেই সরকারের স্বার্থ রক্ষা করা হবে। নির্বাচন কমিশন সেই স্বার্থ রক্ষায় ব্যতিব্যস্ত হয়ে আছেন।’

অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী, মামুন আহমেদ, কেন্দ্রীয় নেতা মুনির হোসেন ও মাশুকুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৪৯২ বার

আপনার মন্তব্য