যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২০ Jul, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 09:20am

|   লন্ডন - 04:20am

|   নিউইয়র্ক - 11:20pm

  সর্বশেষ :

  আগুন থেকে বাঁচতে ১৯ তলা বেয়ে নামলেন 'স্পাইডারম্যানে'র মতো!   দুবাইয়ে দোকান থেকে মদ কিনতে পারবে পর্যটকরা   বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   প্রিয়া সাহাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি ১৪ দলের   মার্কিন সেনাদের থাকার অনুমতি দিলেন সৌদি বাদশাহ   আমেরিকা আমাদের সবার : মিশেল ওবামা   ২৭ ও ২৮ জুলাই লস এঞ্জেলেসে বর্ণাঢ্য আনন্দমেলা   দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জন্য প্রিয়া সাহাকে আইনের আওতায় আনা হোক   প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী প্রতারণার শিকার   ফিলিস্তিন যেতে নেতানিয়াহুর অনুমতি লাগবে মার্কিন মুসলিম এমপিদের!   নেত্রকোনার পর এবার রাজশাহীতে শিশুকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা   হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন মিন্নি, রিমান্ডে রিশান   কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বোমা বিস্ফোরণ, নিহত ৬   ইরানের ড্রোন ধ্বংস করেছে যুক্তরাষ্ট্র   উদ্ভট দাবি নিয়ে ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশি নারীর নালিশ, সমালোচনার ঝড়

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৫-১৩ ১৭:৩১:৪৪

নিউজ ডেস্ক: দেশে এখন দারিদ্র্যের হার দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৮ শতাংশ। এছাড়া, অতিদারিদ্র্যের হার দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩ শতাংশে। ২০১৮ সালের প্রক্ষেপন অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

সোমবার (১৩ মে) হাইজহোল্ড ইনকাম এন্ড এক্সপেনডিচার সার্ভে (হায়েস) প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য প্রকাশ করে বিবিএস। প্রতিবেদন প্রকাশ করেন, বিবিএসের মহাপরিচালক কৃষ্ণা গায়েন। এ সময় প্রকল্প পরিচালক ড. দিপংকর রায়, পরিচালক জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং যুগ্ম পরিচালক এ কেএম আশরাফুল হক উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৫ সালে যেখানে দারিদ্র্যের হার ছিল ৪০ দশমিক শুন্য শতাংশ, ২০১৬ সালে তা কমে দাঁড়ায় ২৪ দশমিক ৩ শতাংশে। ২০০৫ সালে যেখানে অতিদারিদ্র্যের হার ছিল ২৫ দশমিক ১ শতাংশ সেখানে ২০১৬ সালে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৯ শতাংশ।

কৃষ্ণা গায়েন জানান, ২০০৫ সালে মোট ১০ হাজার ৮০টি পরিবার, ২০১০ সালে ১২ হাজার ২৪০টি পরিবার নিয়ে জরিপ করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে নমুনা খানার সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৬ হাজার ৮০টি করা হয়। এই প্রকল্পের প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয় ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে বিশ্ব দারিদ্র্য নিরসন দিবসে।

খানার আয় ব্যয়
জরিপ অনুযায়ী দেশের খানা প্রতি মাসিক আয় দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৯৮৮ টাকা। ২০১০ সালে ছিল ১১ হাজার ৪৭৯ টাকা। মাথাপিছু আয় ২০১৬ সালে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৪০ টাকা, যা ২০১০ সালে ছিল ২ হাজার ৫৫৩ টাকা। সর্বশেষ হিসেবে পরিবার ভিত্তিক ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭১৫ টাকা। ২০১০ সালে যা ছিল ১১ হাজার ২০০ টাকা।

মাথাপিছু আয় ও ব্যয় বাড়লেও খাদ্যগ্রহণের প্রবণতা কমে এসেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে মাথাপিছু ৪১৬ গ্রাম ভাত গ্রহণ করা হলেও এর পরিমাণ নেমেছে ৩৬৭ গ্রামে। ২০১৬ সালে মাথাপিছু গম গ্রহণের প্রবণতা ১৯ দশমিক ৮৩ গ্রামে। ২০১৬ সালে এর পরিমাণ ২৬ দশমিক ০৯ গ্রাম। মাথাপিছু ক্যালরি গ্রহণের ২০১৬ সালে ২ হাজার ২১০ কিলোক্যালরিতে নেমে এসেছে। ২০১০ সালে মাথাপিছু গড়ে ২ হাজার ৩১৮ কিলো ক্যালরি খাদ্য গ্রহণ করা হতো।

স্বাধীনতার পর থেকে অর্থের বড় অংশ খাদ্যে ব্যয় করা হলেও এবার খাদ্য বহির্ভূত খাতে বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশে পরিবারগুলোর গড় অর্থ ব্যয়ের ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে খাদ্যে। এ সময়ে খাদ্যবহির্ভূত খাতে ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ৩০ শতাংশে। ২০১৬ সালে খাদ্য খাতে ৫৪ দশমিক ৮ শতাংশ ও অন্য খাতে ৪৫ দশমিক ২০ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়েছিল।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৭৯ বার

আপনার মন্তব্য

সাম্প্রতিক খবর