নির্বাচনের আগে উদ্বেগ বাড়াল রহস্যময় চিঠি, ক্যালিফোর্নিয়ার অন্তত ৯ আইনপ্রণেতা লক্ষ্যবস্তু
শর্তসাপেক্ষে ৯/১১ হামলার দায় নিতে রাজি তিন অভিযুক্ত: পেন্টাগন
ছবি: এলএবাংলাটাইমস
অভিযুক্তদের কিউবার মার্কিন নৌঘাঁটি গুয়ান্তানামো বেতে বছরের পর বছর ধরে বিচারের মুখোমুখি না করে আটকে রাখা হয়েছে।
২০০১ সালের সেপ্টেম্বরের ১১ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালায় জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদা। ওই হামলায় অভিযুক্ত তিনজন মৃত্যুদণ্ড না দেয়ার শর্তে তাদের দোষ স্বীকার করতে রাজি হয়েছেন। আদালতে বিচার শুরুর আগে মার্কিন প্রসিকিউশনের সাথে এমন একটি চুক্তিতে পৌঁছেছেন তারা। খবর বিবিসি'র।
খালিদ শেখ মোহাম্মদ, ওয়ালিদ মুহাম্মদ সালিহ মুবারক বিন আতাশ এবং মুস্তাফা আহমেদ আদম আল-হাওসায়িকে কিউবার মার্কিন নৌঘাঁটি গুয়ান্তানামো বেতে বছরের পর বছর ধরে বিচারের মুখোমুখি না করে আটকে রাখা হয়েছে।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় আমেরিকান এয়ারলাইন্সের বোয়িং৭৬৭ বিমানটি প্রায় ২০ হাজার গ্যালন জেট ফুয়েল নিয়ে বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র বা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নর্থ টাওয়ারে আঘাত হানে।
১১০তলা ভবনের ৮০তম তলায় বিমানটি আঘাত হানে। মুহূর্তের মধ্যেই কয়েক'শ মানুষ নিহত হন। বহু মানুষ আটকা পড়েন ভবনের বিভিন্ন স্থানে।
৪টি বিমান ওই হামলায় অংশ নিয়েছিল। দুটি বিমানের লক্ষ্য ছিল নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উত্তর ও দক্ষিণ টাওয়ার। অন্য একটি বিমান আঘাত হেনেছিল পেন্টাগনে, যেটির অবস্থান ওয়াশিংটনের ঠিক বাইরেই। আর চতুর্থ বিমানটি আছড়ে পড়েছিল পেনসিলভানিয়ার একটি মাঠে।
ঐ হামলায় তিন হাজারের মতো মানুষ নিহত হয়েছিলেন। আহত হন আরও ১০ হাজারের মতো মানুষ। ১৯৪১ সালে হাওয়াইয়ের পার্ল হারবারে জাপানি হামলায় দুই হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছিল। এরপর ৯/১১ এর হামলা ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা।
প্রধান প্রসিকিউটর রিয়ার অ্যাডমিরাল অ্যারন রুয়ের স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ড না দেয়ার শর্তে এই তিন আসামি ২ হাজার ৯৭৬ হত্যাসহ সমস্ত অপরাধের জন্য দোষ স্বীকার করতে রাজি হয়েছেন।
এই ব্যক্তিদের বেসামরিক ব্যক্তিদের ওপর হামলা, যুদ্ধের আইন লঙ্ঘন করে হত্যা, ছিনতাই এবং সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের সঙ্গে চুক্তি করার জন্য বাইডেন প্রশাসনের সমালোচনা করেছে রিপাবলিকানরা।
সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা মিচ ম্যাককনেল বলেন, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সমঝোতার চেয়েও খারাপ বিষয় হচ্ছে তারা হেফাজতে থাকার পর তাদের সঙ্গে সমঝোতা করা।
এলএবাংলাটাইমস/এজেড
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন