Updates :

        সামলে উঠছে বিপর্যস্ত অর্থনীতি, তবে কাটেনি শঙ্কা

        নির্বাচনে বাগড়া দিলে দেশব্যাপী আন্দোলনের হুমকি

        শীঘ্রই দৈনিক ১ লাখ বাসিন্দা আক্রান্ত হবে করোনায়

        দেশজুড়ে জরিপে এগিয়ে বাইডেন, তবে স্বস্তি নেই শিবিরে

        প্যাটারসনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দুই বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান প্রার্থী

        মাস্ক পড়তে বলায় গার্ডকে ছুরিকাঘাত করলো দুই বোন!

        মহানবী ( সা.) এর কার্টুন প্রকাশে জাতিসংঘের উদ্বেগ

        নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়ে যা বললেন সাকিব

        মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ লিখতে হবে

        দেশে করোনায় ২৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৮১

        ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্যে ম্যাক্রোঁকে পূর্ণ সমর্থন জানালো ভারত

        রায়হান হত্যাকাণ্ড: আরেক পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

        কুর্দিদের না সরালে সিরিয়ায় সামরিক হামলার হুমকি তুরস্কের

        মাল্টিব্রান্ড ইনফোটেক-এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

        ৮ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠান পেল স্বাধীনতা পুরস্কার

        ফ্রান্সে ফের লকডাউন জারি

        সৌদিআরবে বিলুপ্ত হচ্ছে কফিল পদ্ধতি

        এন্টিবডি ড্রাগ উৎপাদনের চুক্তি করলো যুক্তরাষ্ট্র

        ট্রাম্পের ২৭০ মিলিয়ন ডলার দেনা মওকুফ করলেন পাওনাদার!

        ধেয়ে আসছে হারিকেন জেটা, সতর্কতা সংকেত জারি

যুক্তরাজ্যে ইইউ বহির্ভূত অভিবাসীদের তালিকায় শীর্ষ দশে বাংলাদেশিরা

যুক্তরাজ্যে ইইউ বহির্ভূত অভিবাসীদের তালিকায় শীর্ষ দশে বাংলাদেশিরা

যুক্তরাজ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বহির্ভূত অভিবাসীদের সর্বোচ্চ সংখ্যার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অষ্টম স্থানে অবস্থান করছে। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত হিসেবে তালিকায় বাংলাদেশের এই অবস্থান। এ সময়ে বাংলাদেশ থেকে ৬৯ হাজার মানুষ যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়েছেন। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান কার্যালয় (ওএনএস) এই তথ্য জানিয়েছে।

ওএনএস-এর তথ্য অনুসারে, ইইউ বহির্ভূত অভিবাসীদের তালিকায় শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা (৭৫ হাজার) সপ্তম ও অস্ট্রেলিয়া (৭১ হাজার) ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। এই সময়ে যুক্তরাজ্যে সর্বোচ্চ অভিবাসী আসা পাঁচটি দেশের মধ্যে রয়েছে ভারত (৩ লাখ ৫ হাজার), পাকিস্তান (১ লাখ ৭১ হাজার), চীন (১ লাখ ৯ হাজার), নাইজেরিয়া (৯০ হাজার) ও যুক্তরাষ্ট্র (৮৪ হাজার)।

সামগ্রিকভাবে ২০১৬ সালের জুনে ব্রেক্সিটের পক্ষে গণভোটের এই প্রথম অভিবাসীদের সংখ্যা কমেছে। এর আগের বছরের তুলনায় এই সময়ে অভিবাসীর সংখ্যা কমেছে ১ লাখ ৬ হাজার।

ওএনএস-এর অভিবাসন পরিসংখ্যানের প্রধান নিকোলা হোয়াইট জানান, সংখ্যা কমে এসেছে কারণ এর আগের বছর সর্বোচ্চ সংখ্যক অভিবাসী এসেছিল। এখনই বলা যাচ্ছে না বিষয়টি দীর্ঘ মেয়াদি প্রবণতা হবে। এই পরিবর্তনের ফলে মনে হচ্ছে মানুষের স্থানান্তরিত হওয়ার ক্ষেত্রে ব্রেক্সিটের প্রভাব থাকতে পারে। তবে অভিবাসন অনেক জটিল ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকে।

গত বছরে ইইউ বহির্ভূত অভিবাসীদের যুক্তরাজ্য ছেড়ে চলে যাওয়ার সংখ্যা স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ইইউ নাগরিকদের দেশটি ছেড়ে যাওয়া উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যমের একাংশ এই প্রবণতাকে ‘ব্রেক্সোডাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করছে।

পরিসংখ্যান অনুসারে, ইইউ নাগরিকদের যুক্তরাজ্য থেকে চলে যাওয়ার পরিমাণ ২৯ শতাংশ (১ লাখ ২৩ হাজার)। ৪৩ জানিয়েছেন তারা নিজ দেশে ফিরে যাবেন। ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার পর যুক্তরাজ্য ছেড়ে চলে যাওয়ার এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা।

গত ১২ মাসে যুক্তরাজ্যে এসেছেন ৫ লাখ ৭২ হাজার মানুষ। আর অভিবাসিত হয়েছেন ৩ লাখ ৪২ হাজার। এই সময়ে অভিবাসীর সংখ্যা কমেছে ৮০ হাজার।

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির সরকার বার্ষিক অভিবাসীদের সংখ্যা কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সর্বশেষ এই পরিসংখ্যানকে স্বাগত জানিয়েছেন মন্ত্রীরা। বিরোধী দল লেবার পার্টি জানিয়েছে, সরকারের অভিবাসীদের সংখ্যা ১ লাখের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা অর্থহীন।

এলএবাংলাটাইমস/এ/এলআরটি

শেয়ার করুন