যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 10:42am

|   লন্ডন - 04:42am

|   নিউইয়র্ক - 11:42pm

  সর্বশেষ :

  বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকা’র কমিটি ঘোষণা   রোহিঙ্গা সংকট দ্রুতগতিতে বাড়ছে, জরুরি সহায়তা প্রয়োজন : বিশ্বব্যাংক   ভেরিফিকেশনে গিয়ে ফুল-মিষ্টি দিয়ে পুলিশ সুপারের শুভেচ্ছা!   দেশের রেডিওতে শুদ্ধ বাংলা ব্যবহারের নির্দেশ   দ্বিতীয় মেয়াদেও প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হবেন সিসি   ভুয়া খবরের প্রচার ঠেকাতে ‘বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যম’র র‍্যাংকিং করবে ফেসবুক   কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের হামলায় ২২ সেনা নিহত   যুক্তরাষ্ট্রে সরকার ব্যবস্থায় অচলাবস্থা, নেপথ্য কারণ   টাওয়ার হ্যামলেটসকে ‘ট্রাম্পমুক্ত এলাকা’ ঘোষণা : নেতৃত্বে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর   সিলেটে অর্থমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় ১০ জন আহত   নাইজেরিয়ায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ১২   জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ   রাজশাহীতে প্রথম ফ্লাইওভার নির্মাণের সিদ্ধান্ত   তহবিল সংকটের কারণে ফের শাটডাউনের শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র   ফিলিস্তিনকে সাড়ে ৪ কোটি ডলার খাদ্য সহায়তা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র

মূল পাতা   >>   কলাম

গ্রামেও এখন মোবাইলে গেম খেলা নেশায় আসক্ত

নজরুল ইসলাম তোফা, নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-১৩ ১১:১৬:৩৮

নজরুল ইসলাম তোফা: গ্রামাঞ্চলে তরুণ প্রজন্মের ছেলেরা এখন খুব মজা করছে। তবে এ মজা শুধু যে গ্রামেই হচ্ছে তা কিন্তু নয়, শহরেও হচ্ছে। বলা যায় এই মজার আনন্দ গ্রামের চেয়ে শহরেই অনেক বেশী। তবে গ্রামের ছেলেরা অন্ধকার পরিবেশেই জটলা হয়ে পাশাপাশি বসে তাদের নিজস্ব মোবাইলে গেম খেলে আনন্দ করছে।

গ্রামীণ জনপাদে এমন পরিবেশ কি করে শুরু হয়েছে তা জানতে চাইলে সোহাগ আহম্মেদ বলেন, এই তো বেশ কিছু দিন আগের কথা, রাখাল যুবকরা বট গাছের ছায়ায় বা প্রিয় অন্য কোন ছায়া শিতল গাছের তলে ভর দুপুরে কচি কাঁচা সবুজ ঘাসে গরুর পাল ছেড়ে দিয়ে ইঁটের খোয়া বা অন্য কোন শক্ত বস্তু নিয়ে,অথবা মাটির ছোট ঢেলা দিয়ে চমৎকার কয়েকটি গুটি বানিয়ে মশ্রীণ মাটিতে কয়েকটি রেখা টেনে খোপ খোপ ঘর বানিয়ে বাগ বরকি'র মহা লড়াইয়ে জয়-পরাজয়ের আনন্দে মসগুল ছিল। তা তো বিলুপ্তির পথে, এই খেলা গুলো আর গ্রামের ছেলেরা খেলে না। তারা মোবাইল আসায় এই খেলাগুলো দলগত ভাবে মোবাইলেই খেলছে। অসচ্ছ এ বিষয় তিনি আরও সচ্ছ করেই বলেন, মোবাইলে এ গেম খেলার আনন্দ আসলে জয়-পরাজয়ের আনন্দ। তাশ খেলার মত টাকা পয়সা দিয়েও খেলছে। আধুনিক যুগে মোবাইলে এই গেম খেলা আসলেই যুব সমাজকে অনেকাংশ ধ্বংস করছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এই গেম শহরের ছেলে মেয়েরা খুব বেশী খেললেও গ্রামের ছেলেরাই শুধু খেলছে। গ্রামাঞ্চলের তরুণ প্রজন্ম নাকি আধুনিক এই প্রযুক্তি থেকে পিছিয়ে থাকতে কখনো চান না।

গ্রামাঞ্চলে এখন দেখা যায় প্রত্যেকটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে, সেহেতু মোবাইলে চার্জের কোনই সমস্যা তাদের হয় না। মোবাইল বা ট্যাবের কারণে তরুণ প্রজন্মের ছেলেরা অকারণেই গেম নেশায় আসক্ত হচ্ছে। আধুনিক যুগের এই ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রের বদৌলতে রাত ভর তারা মজার ধরনের গেম বেছে নিয়ে পড়া শুনা না করে গেম খেলে জীবনকে ধ্বংস করছে। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া স্বপ্ন গুলোকে বাদ দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা তারা যে গেম খেলছে। এদের এমন ভাবে চলা উচিৎ নয়, আবার তারা এই গেম খেলার পাশাপাশি অতিরিক্ত আনন্দ জন্যই মরন নেশা গাঁজাও সেবন করছে।

তরুণ প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা তাদের মোবাইলে গেমের পাশাপাশি ইন্টারনেটেও অনেক বেশি সময় কাটাচ্ছে সেহেতু তাদের মস্তিষ্কে নাকি রাসায়নিক পরিবর্তনও ঘটছে। এমন আসক্তিতে তাদের মধ্যে হতাশা এবং উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে। এই বিষয়ের প্রতি অবজ্ঞা না করে তাদের প্রতি কঠিন দৃষ্ট দিতে হবে।সুতরাং গ্রাম হোক আর শহরই হোক না কেন, বাবা মা এবং তাদের বড়দের উচিৎ ঘরে-বাহিরে তারা কি করছে দেখা। রাত্রি বেলা না ঘুমিয়ে গেম খেলছে কিনা। গবেষকদের গবেষণায় জানা যায় যে, ঘুমের আগে মোবাইলের ডিসপ্লের আলোক রশ্মি ঘুমের হরমোনকে নাকি অনেক বাধা সৃষ্টি করে৷ তাই বাবা মাদের প্রতি গবেষকদের পরামর্শ, ঘুমের আগে যদি সন্তানকে প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসতে দেওয়া হয় তা হলে অনেক ক্ষতি হবে। তাদেরকে অবশ্য অকারণে অহেতুক এসব ইলেকট্রোনিক্স যন্ত্র ব্যবহারে বাধা সৃষ্টির প্রয়োজন রয়েছে। ঘুম না হলে অসুস্থ ভাবেই বেড়ে ওঠা এইসব কমলমতি তরুণ তরুণীদের খুব ক্ষতি হবে। পরিপূর্ণ ঘুম না হলে যে তাদের অমূল্য সম্পদ স্মৃতিশক্তির স্বাভাবিকতা বিনষ্ট হবে। তাই সময়ের যথাযত ব্যবহারের ক্ষেত্রে এসব মুঠোফোন বা ইলেকট্রোনিক্স যন্ত্রের মতো এমন বদঅভ্যাসকে পরিহার করতে হবে।


এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১৮২ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত