যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 06:10pm

|   লন্ডন - 12:10pm

|   নিউইয়র্ক - 07:10am

  সর্বশেষ :

  প্রতীক বরাদ্দ, একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩শ আসনে ১৮৪১ প্রার্থী   সিডনিতে বিজয় দিবস উদযাপন শুরু   ধানের শীষকে জয়যুক্ত করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে : রোমে বিএনপির সভা   নিউইয়র্কে তিন দিনব্যাপী ফোবানা কনভেনশন ৩০-৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বসবেন ম্যাক্রো, না থামলে কড়া পদক্ষেপ   ইইউর অনুমতি ছাড়াই ব্রেক্সিট বাতিল করতে পারবে যুক্তরাজ্য : ইসিজি   বন্ধ ৫৮টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল খুলে দিয়েছে বিটিআরসি   নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন সাকিব   ধানের শীষের প্রচারের নেতৃত্বে ড. কামাল   ট্রাম্পকন্যা দাবি এক পাকিস্তানি তরুণীর!   নির্বাচন সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য করতে ইইউ'র আহ্বান   গৃহশিক্ষকের চোখে প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের শৈশব   সোমবার প্রতীক বরাদ্দ   প্রার্থিতা ফিরে পেতে খালেদা জিয়ার রিট   ভারতে ইভিএম নিয়ে বাড়ছে সন্দেহ ও অবিশ্বাস

মূল পাতা   >>   কলাম

অপসংস্কৃতরি ধারক যখন সুশীল সমাজ

মঈনুল আহসান, নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০২-১২ ১৫:০৯:০০

মঈনুল আহসান: শোকে অথবা দুঃখ, বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এবং প্রতবিাদরে সমাবশেে ইদানীং ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ‘প্রদীপ প্রজ্বলন’ আর ‘আলোর মছিলি’। প্রদীপ জ্বালানো হচ্ছে অনুষ্ঠান-উৎসবরে উদ্বোধনওে। একে বলা হচ্ছে ‘মঙ্গল প্রদীপ’। এই প্রদীপ ঘাড়ে করে হচ্ছে শোভা যাত্রাও। রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে দনি মান নচে-েগয়ে,ে মছিলি করে আলোয় আলোয় ভুবন ভরয়িে ফলোর আশাও করা হচ্ছ।ে শোভা সখোনে  অবশ্যই দখো যায় কন্তিু তাতে কারো কোন মঙ্গল কখনো হয়ছেে এমন শোনা যায় ন।ি বরং সখোনে নয়িমতি লাঞ্ছতি হচ্ছে শত শত নারী যা কনিা একবোরে ‘ওপনে সক্রিটে’। তারপরও সটোই নাম ‘মঙ্গল শোভা যাত্রা’। ওদকিে প্রজ্বলতি অগ্নি শখিার সামনে দাঁড়য়িে নয়ো হচ্ছে ‘বজ্র কঠনি শপথ’। সইে শখিাকে আবার প্রায়শই মহমিান্বতিও করা হয় পুষ্পস্তবক র্অপণরে মাধ্যম।ে এসবরে বশেীর ভাগই হচ্ছে দশেরে র্সবোচ্চ শক্ষিা প্রতষ্ঠিানগুলোত।ে এতে অংশ নচ্ছিনে ভসি,ি প্রভোস্ট, অধ্যাপক, সমর নায়কসহ দশেরে সব বশিষ্টিজনরো তথা সমাজরে র্সবোচ্চ শক্ষিতি সুশীল শ্রণেী। আমাদরে মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীও আছনে ঐ দল,ে তাদরেকওে প্রদীপ জ্বালাতে দখো গছেে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান।ে

বাত,ি মোমবাতি আর অগ্নশিখিা কন্দ্রেকি এসব আয়োজন আমাদরে দশে ও সমাজে অনকেটা নতুন মনে হলওে বশ্বিব্যাপী এর প্রসার এবং প্রয়োগরে ইতহিাস সুর্দীঘ। এক্ষত্রেে সবচয়েে উল্লখেযোগ্য বোধকরি ‘অলম্পিকি মশাল’। এই মশাল এতটাই সম্মানতি যে এটা রীতমিত প্রদক্ষণি করে সারা বশ্বি। ঘুরে ফরেে দশেে দশে।ে প্রতটিি দশে একে দয়িে থাকে রাষ্ট্রীয় র্মযাদা এবং অর্ভ্যথনা। রাষ্ট্র প্রধান, সরকার প্রধান, মন্ত্রী, শাস্ত্রী সবাইকে সব কাজ ফলেে ছুটতে হয় এই একখণ্ড আগুনরে পছেন।ে
অগ্নশিখিার এই অভ্রভদেী মাহাত্ম্যরে কারণ বোধকরি আঁধাররে উপরে এর সুস্পষ্ট আধপিত্য। আলোর ধাওয়াতইে তো পালায় আঁধার। শক্তি হসিবেওে এর গুরুত্ব র্সব স্বীকৃত। তাই আমাদরে র্শৌয-র্বীয তথা ‘স্পরিটি’-এর তুল্য হতে পারে যনে একমাত্র এই আগুনই। বোধকরি সজেন্যইে অলম্পিকিসহ সব গমেসে এর র্সবোচ্চ  অবস্থান ও র্মযাদা নশ্চিতি করা হয়ছেে শক্ত আইন- কানুনরে মাধ্যম।ে অথচ মজার ব্যাপার হচ্ছে মশালরে ক্ষমতা নইে নজিে থকেে জ্বলবার। মানুষ জ্বালালে তবইে জ্বল।ে যে প্রদীপ বা মোমরে আলোতে আঁধার হয় দূর তার সাধ্য নইে সামান্যতম বাতাসরে মুখে টকিে থাকার যদি না মানুষ দয়া করে সটোকে রক্ষা করে নজি হাতরে তালুর আড়াল।ে যে জ্যোতি ও শখিার জন্ম এবং স্থায়ত্বি মানুষরে হাতরে মুঠোয়, মানুষরে করুণা নর্ভির, সটো কভিাবে পতেে পারে মানুষরে ভক্ত,ি সম্মান আর শ্রদ্ধা তা বুঝে আসে না কছিুতইে। বুদ্ধতিে ধরে না। ববিকেওে মানে না।
   
কোন জ্যোতি বা আলোকে যদি সক্ষমতার প্রতীক ধরতইে হয় তবে তার অনবর্িায দাবীদার হলো ‘র্সূয’। বাতি বা প্রদীপরে মত র্সূযরে দরকার হয় না মানুষরে কোন দয়া, করুণা বা সহায়তা। বরং মানুষকইে তার নত্যিদনিরে জীবনরে র্স্বাথে নর্ভির করতে হয় র্সূযরে উপর। এই র্সূযরে দাপট এতটাই র্সবব্যাপী যে পৃথবিীর নভিৃততম গুহা-কোণও বাধ্য তার আলোকে প্রবশোধকিার দতি।ে এহনে ক্ষমতাধর র্সূযও নয়িত দশিা হারায় ভাসমান মঘেমালার কাছ।ে রাহুর গ্রাসরে কাছ।ে অসহায় আত্মসর্মপণে বাধ্য হয় রাতরে কালো আঁধাররে কাছ।ে চাঁদরে গায়ে আলো ফলেে যদওি সে চষ্টো করে রাতরে সাথে লড়তে কন্তিু তাতওে নয়িমতি বাঁধ সাধে পৃথবিী, অমাবস্যার রাতে ঘটে তার চূড়ান্ত পরাজয়। তাই আঁধারকে জয় করা আর হয়ে ওঠে না র্সূযরে। এসব তথ্য বজ্ঞৈানকি সত্য। বশ্বিরে তাবৎ শক্ষিতি জনগোষ্ঠী এই সত্যরে ব্যাপারে বজ্ঞি। তারপরও তারা প্রদীপ আর মোমবাতরি ঠুনকো আলোর ধারার মধ্যে দখেতে পায় মানুষরে ‘মঙ্গল’। নজি হাতে জ্বালায় আর নভিায় যে শখিাকে তাকইে কনিা বলে ‘অনর্বিাণ’ আর ‘চরিন্তন’। কি ভয়ানক বভ্রিম, কি ভীষণ র্মূখতা। এহনে আগুনরে শখিাতইে যখন পশে করা হয় ‘পুর্ষ্পাঘ্য’, তাকে সাক্ষী রখেে যখন নয়ো হয় ‘বজ্রকঠনি’ শপথ। তখন তাকে কি বলা যায়? বহুমাত্রকি র্মূখতা নাকি জ্ঞানরে র্দুভক্ষি?
   
অনকে শ্রদ্ধার যে পুর্ষ্পাঘ্য, সটো আগুনরে বদেি ছাড়াও র্অপণ করা হয় শহীদরে কবরে এবং স্মৃতরি মনিার সমূহ।ে কন্তিু আমরা কউে জানি না যে এই র্অঘ্য বদিহেী আত্মারা দখেে কনিা, গ্রহণ করে ক।ি কম্বিা এগুলো আদৌ তাদরে কোন কাজে আসে কনিা। নর্দিষ্টি কোন প্রমাণপঞ্জি ছাড়াই আমরা জীবতিরা এটাকে বানয়িে নয়িছেি মৃতকে সম্মান জানানোর উপায়। জীবদ্দশায় আমরা অন্যরে কাছ থকেে ফুল পতেে ভালবাস,ি ফুল পলেে খুশী হই। ফুলরে প্রতি র্সাবজনীন এই ভাল লাগাই সম্ভবত: মৃতকে পুর্ষ্পাঘ্য র্অপণরে পছেনে প্রধান যুক্ত।ি কন্তিু সইে ফুল কচ্ছিুক্ষণ পর ডাস্টবনিে ছুড়ে ফলেতে হলে কি মূল্য থাকলো সইে র্অঘ্যরে? এটা বস্তুত সম্মানরে নামে মৃতরে সাথে অসম্মানজনক প্রতারণা বশিষে। এমন কাজ শুধুমাত্র জাত প্রতারকদরে পক্ষইে করা সম্ভব।

অথচ দহেত্যাগী অবনিশ্বর মানবাত্মাকে লাভবান করতে পারে এমন সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর প্রমাণতি পদ্ধতইি রয়ে গছেে আমাদরে হাত।ে নশ্বর এবং অবনিশ্বর জগতরে মাঝে র্কাযকর যোগ সূত্ররে তমেন পথ দখেয়িে গছেনে চরি সত্যবাদী হসিবেে বশ্বি স্বীকৃত হযরত মুহম্মদ সা:। মহা জগতরে মহান স্রষ্টার কাছে একান্ত র্প্রাথনাই সইে একমাত্র উপায়। তবে সইে র্প্রাথনাও হতে হবে স্রষ্টাই ভাষায়, স্রষ্টারই দয়ো ফরমটে অনুযায়ী। অন্য কোন ভাবে নয় অথবা ভাষাহীন কোন নীরবতার মাধ্যমওে নয়। বষিয়টা যে অফসিে কাজ করি সইে অফসিরে ফরমটে মনেে বসরে কাছে দরখাস্ত করার মত। নজিরে মন মত ফরমটে ব্যবহার করে বসরে কাছ র্পযন্ত পৌঁছানোর আশা করা নতিান্তই বোকামি মাত্র। তাই মানবাত্মাকে সম্মানতি করার সইে প্রমাণতি পথ ছড়েে আমাদরে অতি প্রয়ি র্সবজন শ্রদ্ধয়ে আত্ম ত্যাগীদরে জন্য সাক্ষ্য-প্রমাণ বহিীন মনগড়া পদ্ধতরি প্রয়োগ কি কখনো যুক্তগ্রিাহ্য হতে পার?ে
   
বস্তুত কোন যুক্তি দয়িইে ‘মঙ্গল প্রদীপ’, ‘শোভা যাত্রা’ আর ‘পুর্ষ্পাঘ্য’কে মানব সমাজে প্রতষ্ঠিা করা সম্ভব নয়। প্রমাণ করা সম্ভব নয় যে বশৈাখ মাস আদৌ কারো আবাহনরে পরোয়া করে কনিা। সৃষ্টরি আদতিওে বশৈাখ যভোবে এসছেে প্রতি বছর সে ভাবইে আসে এবং আসতে থাকবে আগামীতওে। কোন মানুষরে অনুমতি নয়িে বশৈাখ আসে না, কারো গানা-বাজনার অপক্ষোয় সে বসওে থাকে না। ঐ দনিরে ‘রৌদ্র-স্নান’ কোন বশিষে ক্ষমতা নয়িে আসে না, তাই তার সাধ্য নইে ‘ধরাকে শুচ’ি করার। রোদ যদি এ দনি না-ই ওঠে তাহলে দুনয়িার অশুচি দূর হবে না এটা মনে করারও কোন কারণ নইে। বস্তুত মানুষরে সৃষ্ট অশুচি দূর করার দায়-দায়ত্বিও মানুষরেই, চন্দ্র-র্সূয এসে সগেুলো দূর করে দবেে তমেন আশা করা নতিান্তই গণ্ড র্মূখতা ছাড়া আর কছিু না।

এসব সবই জানে আমাদরে র্ধূত শক্ষিতি জনরো, সম্ভবত এ কারণইে এর দায় চাপয়িে থাকনে আমাদরে র্পূব পুরুষদরে উপর। বলে থাকনে এগুলোই নাকি আমাদরে ভূখণ্ডরে সহস্র বছররে পুরানো আচার। এগুলোই আমাদরে মূল সংস্কৃতি ও কালচার। কন্তিু এমন অযথা কাজ আমাদরে র্পূব পুরুষরা কখনো করছেনে বলে জানা যায় না। তারা ছলিনে বাস্তববাদী, সস্তা আবগেরে গা ভাসয়িে দয়োর মানুষ তারা ছলিনে না। তাই বশৈাখরে সময়টাকে তারা বুদ্ধমিত্তার সাথে ব্যবহার করছেনে বাৎসরকি পণ্য বপিণন এবং ব্যবসায়কি হসিাব-নকিাশ ঠকি রাখার কাজ।ে বশৈাখরে তমেন ব্যবহার এখনো যর্থাথ।
তারপরও গায়রে জোড়ে বলা হচ্ছে এসবে পুণঃ প্রত্যার্বতন এবং এগুলোর পুনরুজ্জীবনই নাকি চপেে বসা সব অপসংস্কৃতকিে দূর করে নজিস্ব সংস্কৃততিে ফরিে যাওয়ার একমাত্র উপায়। তাহলে কি এখন আমরা আবার পাঠ্য পুস্তকে লখিবো যে ‘পৃথবিী স্থরি, র্সূয ঘুরছে তার চারদিকি’ে? জ্বর হলে এখন রোগীর গায়ে পানি ঢালা হয় অথচ কছিুদনি আগওে এসব রোগীকে কাঁথা-কাপড় দয়িে মুড়ে রাখা হতো। র্পূব পুরুষদরে অনুসরণরে আবদার অনুযায়ী আমরা কি এখন থকেে আবার জ্বররে রোগীকে কাঁথা-কাপড় দয়িে মুড়ে রাখা শুরু করবো? শক্ষিা-দীক্ষার র্বতমান বই-পত্র, কম্পউিটার-ইন্টারনটে ছড়েে আমরা কি আবার ফরিে যাবো গাছরে বাকলরে উপর লখিন আর পুঁথি পাঠ?ে র্পূব পুরুষদরে আচার-কালচার রক্ষাই যদি হয় মানব জন্মরে উদ্দশ্যে তা হলে আমাদরে তাই করা উচতি নয় কি?

একটা সময় ছলি যখন সমাজরে মাতব্বর এবং মোড়লরো নতুন যে কোন তত্ত্ব-তথ্যরে কথা শুনলইে ভয় পতেনে। ক্ষপেে যতেনে। মানুষকে ছল-েবল-েকৌশলে হলওে বরিূপ করে রাখতনে ঐসব নতুনত্বরে ব্যাপার।ে সত্যরে উদ্ভাবন ও আগমনে সমাজরে উপর তাদরে একচ্ছত্র আধপিত্য হারানোর ভয়ই ছলি সইে পছিুটানরে মূল কারণ। র্বতমান সমাজরে কথতি শক্ষিতি অধপিতরিাও কি সইে একই শঙ্কায় আতংকতি? তা না হলে কনে তারা সমাজ ও সভ্যতাকে পছেনে নতিে চাইছনে বজ্ঞৈানকি সত্যসমূহ প্রমাণসহ প্রকাশতি হওয়ার পরও? বশিুদ্ধ জ্ঞানরে অনুসন্ধানে রত বশ্বি পণ্ডতিরো যখন কোরআনকি সত্যকইে মনেে নতিে বাধ্য হচ্ছনে জগতরে প্রতটিা বষিয়ে তখন সমাজকে মোমবাতরি আলো আর প্রদীপরে পছেনে দাঁড় করানোর চষ্টো র্অবাচীনরে মূঢ়তা ছাড়া আর কি হতে পার।ে
   
মানুষরে সার্মথ্য, র্মযাদা ও সম্মান যে কত ব্যাপক বস্তিৃত তা উপলব্ধি করার জন্য এইসব ‘মূঢ় শক্ষিতি’দরে বশেী করে কোরআন শরফি পড়া উচতি। কারণ একমাত্র এই কোরআনইে ঐতহিাসকি সব প্রমাণপঞ্জি আর নর্দিশনসহ পরম মমতায় তুলে ধরা হয়ছেে মানুষরে সার্মথ্য ও সম্মানরে ব্যাপ্ত।ি এই কোরআন থকেইে আমরা জানতে পারি য,ে মানুষরে আঙ্গুলরে ইশারায় দ্বখিণ্ডতি হতে পারে চাঁদ (সূরা ক্বামার: আয়াত ১ এবং সংশ্লষ্টি হাদসি সমূহ দ্রষ্টব্য)। উন্মাতাল সাগরও বাধ্য হয় নজিরে বুক চরিে মানুষকে চলার পথ করে দতিে (মুসা আ:-এর ঘটনাবলী দ্রষ্টব্য)। মানুষরে পক্ষইে সম্ভব পরম স্রষ্টার সংরক্ষতি এলাকায় প্রবশে করা যখোনে যতেে পারনে না স্বয়ং জবিরাইল ফরেশেতাও (সূরা নজম: আয়াত ৭ূ১১ এবং ম’েরাজরে হাদসি সমূহ দ্রষ্টব্য)। মানুষরে এইসব অনন্য গুণাবলীর কারণইে সৃষ্টর্কিতা আল্লাহ পাক স্বয়ং তাঁর এই বশিষে সৃষ্টরি সাথে প্রভুত্ব নয়, করছেনে বন্ধুত্ব। তনিি রসুলুল্লাহ সা:-কে করছেনে তাঁর ‘হাববি’, ইব্রাহীম আ:-কে করছেনে ‘খললি’।  আর মানুষকে করতে চয়েছেনে তাঁর ‘খলফিা’ তথা ‘প্রতনিধি’ি।
   
এসব কোন মধ্যযুগীয় কথা-র্বাতা নয়। এগুলো পাক-সৌদি বা জামাতদিরে আবষ্কিৃত কোন দাওয়াইও নয়। এগুলো মহা এই জগতরে র্সব যুগরে র্সবকালীন কথামালা। অতি সরল সত্য ও পরম র্দশন। পরপর্িূণ এই র্দশনই এ জগতরে মূল সংস্কৃত,ি এর উপরইে আর্বততি হয়ে চলছেে এই মহাবশ্বি। পরম এই র্দশনরে বাহরিে কোন সংস্কৃতি থাকতে পারে না, হতওে পারে না। দুনয়িার সব জাত,ি র্ধম, র্বণ, সমাজ নর্বিশিষেে সমগ্র মানব গোষ্ঠীর জন্যই র্সবাবস্থায় প্রয়োজন এবং প্রযোজ্য এই একক সাংস্কৃতকি র্দশন। অঞ্চল ভত্তিকি সামাজকি ও সাংস্কৃতকি আচারগুলোও হতে হবে মূল এই সংস্কৃতরি আলোকইে। কারণ একমাত্র এই সংস্কৃততিইে রয়ছেে বশ্বি মানবরে সমস্ত মঙ্গলামঙ্গলরে নশ্চিয়তা, অন্য কোথাও নয়। এখন র্পযন্ত কউে পারনেি পরম এই সত্যকে চ্যালঞ্জে করত,ে পারবে না ভবষ্যিতওে। যারা সত্যকে ভয় পায় এবং সত্যরে সাথে যাদরে রয়ছেে নয়িত র্স্বাথরে সংঘাত তারাই বস্তুত একে ঠকোতে চায় সন্ত্রাসীদরে নামে কালার করে অথবা কাল্পনকি সব ক্রয়িা-প্রতক্রিয়িার দোহাই দয়ি।

অথচ এটাই সইে সংস্কৃতি যখোনে স্পষ্ট করা হয়ছেে য,ে এই মহাবশ্বিে র্সব স্রষ্টা আল্লাহ পাকরে পরই মানুষরে স্থান। আল্লাহ আর মানুষরে মাঝামাঝি আর কছিু নইে। কোন মাধ্যম নইে। কোন  অবলম্বনও নইে। আর সইে মানুষই কনিা প্রদীপ জ্বালায় মঙ্গলরে আশায়। অগ্নপিণ্ডি মাথায় তুলে দৌড়ায় রাস্তা-ঘাট।ে ফুল দয়ে আগুনরে শখিায়। আর বশৈাখকে বলে ‘আয় আয় আয়’। কি ভয়ানক অবচিার। কি নদিারুণ আত্ম প্রতারণা।

লখেকরে বই পতে: Search ‘Mainul Ahsan’ at ‘amazon.com’


               

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১২৫১ বার

আপনার মন্তব্য