আপডেট :

        হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিরাপদে আছেন পাইলটরা: ট্রাম্প

        মেয়েকে বাঁচাতে অনুপ্রবেশকারীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ, নিহত সন্দেহভাজন

        এনবিএ ফাইনালে ট্রাম্প, নিউইয়র্কে দুয়োধ্বনির মুখে প্রেসিডেন্ট

        লস এঞ্জেলেস মেয়র দৌড়ে এগিয়ে নিত্যা রামান

        শেয়ারবাজারে আসছে ওপেনএআই, বাড়ছে এআই প্রতিযোগিতা

        কারাগার থেকে ট্রাম্পের ক্ষমা চাইলেন ব্যাংকম্যান-ফ্রাইড

        লস এঞ্জেলেস মেয়র নির্বাচনে স্পেন্সার প্র্যাটকে ছাড়িয়ে গেলেন নিত্যা রমন

        জাপানে নিখোঁজ মার্কিন শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

        নিউইয়র্কের পেন স্টেশনে ছুরিকাঘাতে আহত ৬

        ফিলিপাইনে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহতের খবর

        নির্বাচনী কারচুপির দাবি নিয়ে চাপে পড়ে সাক্ষাৎকার ত্যাগ ট্রাম্পের

        ডি-ডে ভাষণে ইউরোপের অভিবাসন নীতির সমালোচনা হেগসেথের

        নকল বোর্ডিং পাসে বিমানে উঠে পড়লেন যাত্রী

        সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয় কুকুর চুরি, ২৭ ডলারে বিক্রির পর খেয়ে ফেলার অভিযোগ

        লস এঞ্জেলেস মেয়র নির্বাচনে স্পেনসার প্র্যাটকে প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছেন নিথ্যা রমন

        যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও উপসাগরে পাল্টাপাল্টি হামলা, উত্তেজনা বাড়ল যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

        মাংসখেকো স্ক্রুওয়ার্মের আতঙ্কে টেক্সাসের গবাদিপশু আমদানি বন্ধ করল কানাডা

        উৎসবে আতঙ্ক: ওহাইওতে গুলিতে আহত ১২

        লস এঞ্জেলেসের দাবানল ছড়াল কার্ন কাউন্টিতে

        জাপানে নিখোঁজ মার্কিন শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছায় পরিবার ছেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা পুলিশের

শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কী করবেন?

শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কী করবেন?

বাসায় শিশু অনেক কথা বলে, কিন্তু স্কুলের মঞ্চে উঠে কবিতা বলতে গেলেই বাধে বিপত্তি। একরাশ জড়তা যেন গ্রাস করে বসে তাকে। কেন এমন হয়? এসব ক্ষেত্রে ছোটদের মধ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা কাজ করে। অন্যেরা আমাকে দেখলো, কে কী ভাবলো- এগুলো মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে। সাত-আট বছর বয়সী থেকে শুরু করে টিনএজারদের মধ্যে এই সংশয় বা দ্বিধা বেশি দেখা যায়। কারও ক্ষেত্রে হয়তো একটু প্রশংসা বা উৎসাহ তার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাজে দেয়। কারও ক্ষেত্রে হয়তো কাউন্সেলিং প্রয়োজন হয়। তবে সমাধান না খুঁজে তাকে বকাঝকা করাটা একেবারেই অনুচিত। এতে শিশুর আত্মবিশ্বাস একেবারে ভেঙে যাবে।

আত্নবিশ্বাসের অভাব কিংবা সবার সামনে জড়তা কাজ করা এক ধরনের ভীতি, যা ধীরে ধীরে কাটাতে হবে। আমরা অনেক সময় শিশুদের সঙ্গে তার বন্ধুদের তুলনা করে ফেলি। বা ছোটদের বলি ‘এই রকম করলে লোকে কী বলবে!’ এতে ওরা নিজেদের অজান্তেই মনের মধ্যে একটা নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে নেয়। অনেক সময় দেখা যায় বাড়িতে শিশু সব পড়াশোনা পারছে, কিন্তু স্কুলে গিয়ে আর পারছে না। পরীক্ষার খাতায় হয়তো লিখে আসছে, কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার সময়ে সব যেন তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে স্কুলের শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলুন। অন্য সময়ে ক্লাসে সন্তানের আচরণ কেমন থাকে, সেটা জানার চেষ্টা করুন। বাড়িতে নিজেই মৌখিক পরীক্ষা নিন। তবে বকাঝকা কিংবা মারধর করবেন না কোনোভাবেই। এতে শিশু আরও গুটিয়ে নেবে নিজেকে।

ভুলে যাওয়া কিংবা না পারা কোনও দোষ নয়। এগুলো সাময়িক ব্যাপার, যা অধ্যবসায় এবং ধৈর্য্যের মাধ্যমে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। বাড়িতে যখন আপনার সামনে সে গাইবে-নাচবে রেকর্ড করে রাখুন। ওকে দেখান সে আসলে কতটা ভালো করেছে বা কোন জায়গাগুলো আরও ভালো করা যায়। সন্তানক উৎসাহ দিতে হবে সবসময়। সন্তানের কিছু আচরণে লক্ষ রাখতে বলছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা। সামাজিকভাবে মেলামেশা করতে তার সমস্যা হচ্ছে কি না, স্কুলে পড়া বুঝতে পারছে কি না, বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে সমস্যা হচ্ছে কিনা- এগুলো লক্ষ রাখুন। যদি প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক উত্তর পান, তা হলে অতিরিক্ত চিন্তার কিছু নেই। সেটা না হলে কাউন্সেলিংয়ের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

তথ্য: আনন্দবাজার পত্রিকা


এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত