আপডেট :

        ক্যালিফোর্নিয়ায় বিশ্বের বৃহত্তম বন্যপ্রাণী সেতুতে বসছে নজরদারি ক্যামেরা, দেখা যাবে প্রাণীদের চলাচল

        ধনীদের সম্পদের ওপর কর বসানোর উদ্যোগে বিভক্ত ক্যালিফোর্নিয়ার ভোটার, সামনে এল নানা কারণ

        ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ে চাপে ইলন মাস্ক, ঝুঁকিতে স্পেসএক্স ও টেসলার ভবিষ্যৎ

        ল্যাঙ্কাস্টারে আতশবাজির দুর্ঘটনায় আ হ ত কিশোরী, হেলিকপ্টারে নেওয়া হলো হাসপাতালে

        নিউ জার্সিতে ৮৪৭ মিলিয়ন ডলারের পাওয়ারবল জ্যাকপট জিতল এক টিকিট

        লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে নিখোঁজ ২৩ বছর বয়সী যুবক, সন্ধানে স্বজনদের উদ্বেগ

        অরেঞ্জ কাউন্টিতে ব্যাংক হিসাবের তথ্য চুরি করে ৯০ হাজার ডলারের বেশি জালিয়াতি

        হ্যালোউইনে পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই সন্তানের মায়ের, জবাব চাইছে পরিবার

        লস এঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনে কারেন বাসকে পেছনে ফেলে এগিয়ে নিথিয়া রমন

        পোপ লিওর হাতে বব ডিলানের আত্মজীবনী, ডিলান পেলেন জপমালা

        কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে চার তদন্তের প্রস্তুতি ডেমোক্র্যাটদের

        পাঁচ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের

        প্রথম মুসলিম সিনেটর থেকে কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর, নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন যারা

        নিউইয়র্কে নির্মাণকাজে আশ্রয়চ্যুত সাত পেঁচা মিলল কাছের আরেক জলাধারে

        তিন বিমান সংস্থার ৬ লাখ ডলার জা লি য়া তি, সাবেক কর্মীর ১৬ মাস কা রা দ ণ্ড

        ক্যালিফোর্নিয়ার ১৪তম কংগ্রেসনাল আসনে শক্ত অবস্থানে আফগান-আমেরিকান আয়েশা ওয়াহাব

        আবাসন সংকট মোকাবিলায় ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রস্তাব ৩৭ পাস, ১-এর ভোট গণনা চলছে

        ভোটের সময় পরিচয়পত্র দেখানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ক্যালিফোর্নিয়ার ভোটারদের, পাস হয়নি প্রস্তাব ৩৯

        কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, নির্বাচনে গড়ল একাধিক নতুন ইতিহাস

        লস এঞ্জেলেসে মেয়র নির্বাচন ঘিরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, স্থানীয় বিভিন্ন পদেও ভোটের ফল

ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ে চাপে ইলন মাস্ক, ঝুঁকিতে স্পেসএক্স ও টেসলার ভবিষ্যৎ

ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ে চাপে ইলন মাস্ক, ঝুঁকিতে স্পেসএক্স ও টেসলার ভবিষ্যৎ

ছবিঃ এলএবাংলাটাইমস

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয় রিপাবলিকান পার্টি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে। তবে এই নির্বাচনের প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের ওপরও। রিপাবলিকান প্রার্থীদের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করেও প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় রাজনৈতিকভাবে চাপে পড়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন করে কংগ্রেস ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে পারে।

নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থনে প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিলেন মাস্ক। বিশেষ করে টেক্সাসে তাঁর বিনিয়োগ ছিল উল্লেখযোগ্য। এই অঙ্গরাজ্যেই তাঁর দুই বড় প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স ও টেসলার প্রধান কার্যক্রম রয়েছে। কিন্তু তাঁর বিপুল অর্থায়ন রিপাবলিকানদের নির্বাচনী পরাজয় ঠেকাতে পারেনি। বরং কিছু ক্ষেত্রে মাস্কের প্রকাশ্য রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা উল্টো প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় মাস্কের ব্যবসা নিয়ে কংগ্রেসে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই শিল্পের দ্রুত সম্প্রসারণ নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়টি ডেমোক্র্যাটদের অগ্রাধিকারে থাকতে পারে। অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ইয়াসামিন আনসারি বলেছেন, উন্নত এআই প্রযুক্তির বিকাশ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা, শিল্পটির নিয়ন্ত্রণ এবং কৃত্রিম সুপারইন্টেলিজেন্স নিষিদ্ধ করার বিষয়টি নতুন কংগ্রেসের শুরুতেই বিবেচনা করা উচিত।

এ ছাড়া সরকারি ব্যয় কমানোর উদ্যোগ ডিওজির নেতৃত্বে মাস্কের বিতর্কিত ভূমিকা নিয়েও তাঁকে কংগ্রেসে জবাবদিহির মুখে পড়তে হতে পারে। ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি বা ডিওজির কার্যক্রম, সরকারি কর্মী ছাঁটাই এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর এর প্রভাব নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের দীর্ঘদিনের প্রশ্ন রয়েছে।

নির্বাচনের ফল নিয়ে মাস্ক নিজেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, তাঁর নির্বাচনে হস্তক্ষেপকারী মহাকাশ লেজার এবার কাজ করেনি। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও মাস্কের কোনো প্রতিনিধি সাড়া দেননি।

পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্থা এনভায়রনমেন্টাল হেলথ ট্রাস্টের প্রযুক্তি নির্বাহী ও আইনবিষয়ক কর্মকর্তা জো স্যান্ড্রি মনে করেন, ডেমোক্র্যাটদের অবস্থানকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত। তাঁর মতে, বহু বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে উত্তর পাওয়া যায়নি এবং মাস্ক তাঁদের প্রশ্নের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি।

নির্বাচনের পরদিন বুধবার শেয়ারবাজারেও মাস্কের দুই প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমেছে। স্পেসএক্সের শেয়ার ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ১৩৫ ডলার ৯২ সেন্টে দাঁড়ায়। টেসলার শেয়ার কমে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ, নেমে আসে ৩৮৫ ডলার ১৯ সেন্টে। তবে দুই প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্যই এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি।

মাস্কের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য এখন মহাকাশযান, বৈদ্যুতিক গাড়ি, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট, সামরিক যোগাযোগ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ নানা খাতে বিস্তৃত। এর মধ্যে স্পেসএক্স ও টেসলা সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান। স্পেসএক্স ২০০২ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার এল সেগুন্ডোতে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় হথর্ন থেকে টেক্সাসে সরিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে মহাকাশে স্যাটেলাইট ও অন্যান্য যান পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।

টেসলার মূল কারখানা এখনো ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রিমন্টে চালু রয়েছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জার্মানিতে প্রতিষ্ঠানটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার গাড়ি ও ট্রাক তৈরি করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে এক লাখের বেশি কর্মী কাজ করেন।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাস্কের বিনিয়োগের বড় অংশ যাচ্ছে এআই খাতে। চলতি বছরের শুরুতে ১ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তিতে স্পেসএক্স তাঁর এআই প্রতিষ্ঠান এক্সএআই অধিগ্রহণ করে। এক্সএআইয়ের টেনেসি ও মিসিসিপিতে দুটি বড় ডেটা সেন্টার রয়েছে। এগুলোর সক্ষমতা আরও বাড়াতে চান মাস্ক।

স্পেসএক্সের তৃতীয় প্রান্তিকের আয় ও মুনাফার সবচেয়ে বড় উৎস ছিল ডেটা সেন্টার ব্যবসা। প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যানথ্রোপিক ও গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানকে কম্পিউটিং সক্ষমতা ভাড়া দেওয়ার মাধ্যমে এই বিভাগ থেকে আয় হয়েছে ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার।

টেক্সাসে ডেটা সেন্টারের পাশাপাশি কলেজ স্টেশনের কাছে টেরাফ্যাব নামে বড় একটি এআই চিপ কারখানা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে মাস্কের। টেসলার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা। এ ছাড়া স্বয়ংক্রিয় গাড়ি ও রাইড-হেইলিং সেবা চালুর মাধ্যমে টেসলার ভবিষ্যৎ ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এসব উদ্যোগের বেশির ভাগই এআই প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল।

তবে ডেটা সেন্টার নির্মাণের ক্ষেত্রে নতুন বাধা আসতে পারে। টেক্সাসে বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহারের চাপ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের আপত্তির কারণে এ ধরনের প্রকল্প নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক বাড়ছে। রিপাবলিকান গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটও আগে ডেটা সেন্টার নির্মাণের গতি কমানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এবার ডেমোক্র্যাট জিনা হিনোজোসার কাছে তাঁর পরাজয়ের পর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনী বক্তব্যে হিনোজোসা রাজ্যের ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের সমালোচনা করে বলেছেন, তাঁরা রাজ্য পরিচালনায় অতিরিক্ত স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে উন্নত সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন বাড়ানোর কৌশলগত প্রয়োজনীয়তার কারণে টেরাফ্যাব প্রকল্পটি বড় বাধার মুখে নাও পড়তে পারে। তবে এর আশপাশে পরিকল্পিত ডেটা সেন্টারগুলোর অনুমোদন ও নির্মাণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

স্পেসএক্সের আরেকটি বড় ব্যবসা হলো যোগাযোগ সেবা। এর মধ্যে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠানটির অত্যন্ত লাভজনক বিভাগ। পাশাপাশি সামরিক যোগাযোগের জন্য স্টারশিল্ড স্যাটেলাইটও তৈরি করে তারা। গত মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর দেশের জন্য স্টারশিল্ড ব্যবহারের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। পরে সেই সেবা আবার স্বাভাবিক করা হয়। এ ঘটনা নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের একাংশ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। স্পেসএক্সের বিভিন্ন বেসামরিক ও সামরিক সরকারি চুক্তিও কংগ্রেসের আলোচনায় আসতে পারে।

মহাকাশে রকেট পাঠানোর ব্যবসায়ও স্পেসএক্সের আধিপত্য রয়েছে। তৃতীয় প্রান্তিকে এ বিভাগ থেকে প্রতিষ্ঠানটির আয় হয়েছে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে ফ্যালকন ৯ রকেটের মাধ্যমে অধিকাংশ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়। ভবিষ্যতে এই রকেটের পরিবর্তে স্টারশিপ চালু করতে চান মাস্ক। দক্ষিণ টেক্সাসে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই রকেট। নাসাও চাঁদে নভোচারী পাঠানো ও অবতরণের মিশনে স্টারশিপ ব্যবহারের জন্য স্পেসএক্সের সঙ্গে চুক্তি করেছে।

অন্যদিকে টেসলাও নির্বাচনের আগেই নানা সমস্যার মুখে ছিল। গাড়ি বিক্রির গতি কমেছে, চীনা নির্মাতাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বেড়েছে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির কারণে ফেডারেল বৈদ্যুতিক গাড়ি কর-সুবিধাও বন্ধ হয়েছে। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বাড়লেও তৃতীয় প্রান্তিকে টেসলার গাড়ি সরবরাহ ছিল ৪ লাখ ৮৬ হাজারের কিছু বেশি। আগের বছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৯৭ হাজার।

মাস্ক গাড়ি বিক্রির এই ধীরগতিকে গুরুত্ব না দিয়ে স্বয়ংক্রিয় গাড়ি ও ট্যাক্সি সেবার ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি আশাবাদী। তবে কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ থাকায় এসব প্রযুক্তির নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চাপ বাড়তে পারে। বিনিয়োগ বিশ্লেষকদের ধারণা, ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর টেসলাকে বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে—এমন আশঙ্কা শেয়ারবাজারেও তৈরি হয়েছে।

এরই মধ্যে টেসলা ও স্পেসএক্স একীভূত করার সম্ভাবনা বিবেচনা করছে দুই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ। মাস্কের মতে, এআই প্রযুক্তি নিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের অভিন্ন পরিকল্পনার কারণে একীভূত হওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে। তবে এমন চুক্তি বাস্তবায়িত হলে তা ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ করপোরেট একীভূতকরণ হবে। ফলে প্রতিযোগিতা আইন বা অ্যান্টিট্রাস্ট নীতির আওতায় কঠোর পর্যালোচনার মুখে পড়তে পারে।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ইরভাইনের রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আইন বিভাগের অধ্যাপক চার্লস অ্যান্থনি স্মিথের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান বিচার বিভাগ এমন একীভূতকরণে বাধা নাও দিতে পারে। কিন্তু ভবিষ্যতে নতুন অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিচার বিভাগ বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তুলতে পারে।

সব মিলিয়ে ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনী জয়ের পর মাস্কের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের সামনে নতুন রাজনৈতিক ও নিয়ন্ত্রক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে এআই, ডেটা সেন্টার, সরকারি চুক্তি, সামরিক যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য একীভূতকরণ নিয়ে আগামী দিনগুলোতে কংগ্রেসের নজরদারি বাড়তে পারে। তবে এসব উদ্যোগের বাস্তব প্রভাব কতটা পড়বে, তা নির্ভর করবে নতুন কংগ্রেসের নীতি ও পরবর্তী সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর।

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত