আপডেট :

        ক্যালিফোর্নিয়ায় সম্ভাব্য সিরিয়াল কিলার, চার হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত

        ধর্মীয় নেতার ছদ্মবেশে ধর্ষণ-নির্যাতন, ২২৫ বছরের কারাদণ্ড

        ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর হলে ‘কমন সেন্স’ সংস্কারের প্রতিশ্রুতি স্টিভ হিলটনের

        নাইট্রোজেন গ্যাসে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আলাবামার আবেদন খারিজ

        যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে হামলা-সংশ্লিষ্ট অভিযানে টরন্টো পুলিশের কর্মকর্তা নিহত

        কংগ্রেসের আপত্তির মুখে নতুন গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে জে ক্লেটনকে মনোনয়ন দিলেন ট্রাম্প

        দাবানলে বাড়ি হারিয়ে সিটির বিরুদ্ধে মামলায় মেয়র ব্যাসের ভাই

        ফেটিশ সাক্ষাতে মৃত্যুর ঘটনায় ক্যালিফোর্নিয়ার ওনলি ফ্যানস নির্মাতার ৪ বছরের কারাদণ্ড

        বাবাকে নির্যাতন করে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা, ক্যালিফোর্নিয়ায় ১ ব্যক্তির যাবজ্জীবন

        ক্যালিফোর্নিয়ায় সাগরের স্রোতে ভেসে নিখোঁজ কিশোরী, উদ্ধার মা ও ভাইবোন

        এপস্টেইনের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল না, কংগ্রেসে দাবি বিল গেটসের

        মধ্যপ্রাচ্যে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পাল্টাপাল্টি হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০ ফুটেরও বেশি উঁচু ঢেউ, সার্ফারদের ভিড় নিউপোর্ট বিচে

        ৪ বছর বয়সী শিশুহত্যা মামলায় পুরস্কার বেড়ে ৮৫ হাজার ডলার

        ক্যালিফোর্নিয়ায় নার্সের বিরুদ্ধে ৭৭ ফৌজদারি অভিযোগ

        ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সহপাঠীকে হত্যার দায়ে কিশোরের ৩৫ বছরের কারাদণ্ড

        ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর নির্বাচনে এগিয়ে ট্রাম্প-সমর্থিত স্টিভ হিলটন

        হরমুজ প্রণালিতে হেলিকপ্টার ভূপাতিতের পর যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

        হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিরাপদে আছেন পাইলটরা: ট্রাম্প

        মেয়েকে বাঁচাতে অনুপ্রবেশকারীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ, নিহত সন্দেহভাজন

৩৫ হাজার বিদেশফেরত পায়নি পুলিশ

৩৫ হাজার বিদেশফেরত পায়নি পুলিশ

ছবি : সংগৃহীত

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিদেশফেরত ব্যক্তিদের পাসপোর্টের ঠিকানার বাইরে অবস্থান করলে স্থানীয় থানায় অবহিত করার নির্দেশনা দেওয়া হলেও সবাই তা মানেননি। আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত পাসপোর্টের ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েও পুলিশ অন্তত ৩৫ হাজার বিদেশফেরত ব্যক্তির খোঁজ পায়নি। এদের একটি অংশ ইউরোপে অবৈধভাবে প্রবাসী ছিলেন। এখন পর্যন্ত সেচ্ছায় তথ্য দেওয়া এবং পুলিশের তদন্তে শনাক্ত হওয়া বিদেশফেরতদেরও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তদন্তে শনাক্ত ব্যক্তিদেরই বিশেষভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। নির্দেশ অমান্য করায় তাদের মাধ্যমে কেউ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে মামলা দায়ের করা হবে। বিদেশফেরতদের মধ্যে যারা আত্মগোপনে থেকে যাবেন তাদের ক্ষেত্রেও একই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখনো যদি কোনো ব্যক্তি সেচ্ছায় রযাগাযোগ করেন তবে তাকে সহায়তা করা হবে বলে জানান পুলিশের একাধিক সূত্র।
 
গত ২৪ মার্চ পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি প্রেসনোট দিয়ে গত ১ মার্চ থেকে যারা বিদেশ থেকে ফিরেছেন এবং পাসপোর্টের ঠিকানায় থাকছেন না- তাদের স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশনা না মানলে মামলা করার হুশিয়ারিও উচ্চারণ করা হয়। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) তথ্য অনুযায়ী, ১ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত দুই লাখ ৭৮ হাজার ২৭৩জন বিদেশ থেকে ফেরেন। তবে মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশের অনেক থানায় যোগাযোগ করে বিদেশফেরতরা সেচ্ছায় কমই যোগাযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।
 
পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক সূত্র জানায়, ২৫ মার্চ থেকে দেশে ফেরা ব্যক্তিদের সরাসরি নজরদারিতে নেওয়া হয়েছে। ১ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত যারা এসেছেন তারা হোম কোয়ারেন্টিন মেনেছেন কিনা, কোথায় কিভাবে আছেন- তা নিরাপত্তার মধ্যে নিতেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। কারণ বিদেশফেরত ব্যক্তিরা নিজেরা আক্রান্ত না হলেও তাদের মাধ্যমে, এমনকী দ্বিতীয় ব্যক্তির মাধ্যমেও কয়েকদিন পর করোনাভাইরাস ছড়ানোর ঝুকি থাকে। এ কারণে বিদেশ ফেরত ব্যক্তি এবং তাদের স্বজনদের নিয়ে ঝুঁকি হোম কোয়ারেন্টিনের (১৪দিন) পরও অনেকদিন থেকে যায়।
 
জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, বিমানবন্দর বা স্থলবন্দর দিয়ে যারা এসেছেন তাদের পাসপোর্টে ঠিকানা দেওয়া হয়েছিল। ওই ঠিকানা অনুযায়ী পুলিশ-র‍্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থার লোকজন খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৫ হাজার লোককে (ঠিকানা অনুযায়ী) খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তারা কোথায় আছেন, তাও কেউ বলতে পারছেন না। এমনকি অনেকের পাসপোর্টের ঠিকানাও ভুল। প্রবাসীদের বেশিরভাগই ইউরোপের। অনেকে ইতালিসহ অন্যান্য দেশে অবৈধভাবে থেকে আসছিলেন। রবিবার পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে বিদেশফেরত এক হাজার ২৪০ জন প্রবাসী এসেছেন। ৫৯২ জনের ঠিকানা সঠিক পাওয়া গেছে। বাকিদের ঠিকানা এখনো পাওয়া যায়নি। একই অবস্থা দেশের প্রায় সব স্থানে।
সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮ আইন অনুযায়ী, কোনো অস্থায়ী বাসস্থান বা আবাসিক হোটেল ও বোর্ডিংয়ে অবস্থানকারীদের কেউ সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসককে জানাতে হবে। কেউ না জানালে এবং তার মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।
 
পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) সোহেল রানা একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘সম্মানীত প্রবাসীসহ বিদেশফেরত ব্যক্তিরা নিকটস্ত থানায় নিজে বা তার পক্ষে কেউ ফোন করেও অবস্থান জানাতে পারেন। কেউ এ নির্দেশনা না মানলে তার পাসপোর্টও জব্দ করা হতে পারে।’
 
পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, পাসাপোর্টের ঠিকানায় যাচাই করে যাদের পাওয়া যায়নি, তাদের খুজে বের করতে তদন্ত শুরু হয়ে গেছে। এরই মধ্যে অনেক ব্যক্তিকে দ্বিতীয় ঠিকানায় পাওয়া গেছে। এমন ব্যক্তিদের কঠোর নজরদারিতে রাখা হচ্ছে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।তবে এখনো যারা সেচ্ছায় যোগাযোগ করছেন তাদের সহায়তা করবে পুলিশ।

এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত