আপডেট :

        অবসরে রোমান সানা

        বিদায় নিচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

        বিমান থেকে গাজায় মানবিক সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের

        বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস

        আবদুল কাদের জিলানী (র:) এর মাজার জিয়ারতের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

        মিসরে পৌঁছেছে হামাস

        কারাগারে ওসমানীর সাদেক

        দ্রুত বিচার আইন স্থায়ী করতে সংসদে বিল পাস

        বিজেপির প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

        শাবি প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির অভিষেক

        অনির্বাচিত কেউ সংসদে আসতে পারে না: সংসদ স্পিকার

        পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ

        সময়ের আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

        এবারের নির্বাচন সবচেয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

        এই বাংলাদেশির জন্য ২০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার

        কৃষি বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা

        বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমবেদনা

        মন্ত্রীর সংবর্ধনায় দু’পক্ষের উত্তেজনা, চেয়ার ভাঙচুর

        যুক্তরাজ্যে গেলেন রাষ্ট্রপতি

        বাসচাপায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

এন্ড্রু কিশোরের আজ জন্মদিন

এন্ড্রু কিশোরের আজ জন্মদিন

বাংলা গানের প্রয়াত সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। গত ৬ জুলাই না ফেরার দেশে চলে যান কিংবদন্তি এই শিল্পী। বুধবার (৪ নভেম্বর) বরেণ্য এই শিল্পীর জন্মদিন। ১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বর রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। সেখানেই কেটেছে তার দুরন্ত শৈশব ও কৈশোর।

এন্ড্রু কিশোরের বাবা ক্ষীতিশ চন্দ্র বাড়ৈ এবং মাতা মিনু বাড়ৈ রাজশাহীর বুলনপুর মিশন গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। মায়ের কাছেই তার পড়াশোনার হাতেখড়ি। তার মা ছিলেন সংগীত অনুরাগী, তার প্রিয় শিল্পী ছিলেন কিশোর কুমার। প্রিয় শিল্পীর নামানুসারে সন্তানের নাম রাখেন কিশোর। মায়ের স্বপ্নপূরণ করতেই সংগীতাঙ্গনে পা রাখেন এন্ড্রু কিশোর।

আব্দুল আজিজ বাচ্চুর অধীনে প্রাথমিকভাবে সংগীতে পাঠ গ্রহণ শুরু করেন এন্ড্রু কিশোর। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর নজরুল সংগীত, রবীন্দ্র সংগীত, আধুনিক, লোকসংগীত ও দেশাত্মবোধক গানের শিল্পী হিসেবে রাজশাহী বেতারে তালিকাভুক্ত হন।

এন্ড্রু কিশোর চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক শুরু করেন ১৯৭৭ সালে আলম খান সুরারোপিত ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রের ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ’ গানের মধ্য দিয়ে। তার রেকর্ডকৃত দ্বিতীয় গান বাদল রহমান পরিচালিত ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’ চলচ্চিত্রের ‘ধুম ধাড়াক্কা’। তবে এ জে মিন্টু পরিচালিত ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রতিজ্ঞা’ চলচ্চিত্রের ‘এক চোর যায় চলে’ গানটি গেয়ে শ্রোতাপ্রিয়তা লাভ করেন।

‘বড় ভালো লোক ছিল’ (১৯৮২) চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন এন্ড্রু কিশোর। মহিউদ্দিন পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে সৈয়দ শামসুল হকের লেখা ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’ গানটিতে কণ্ঠ দেন তিনি। এ গানের জন্য শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। ১৯৮৪ সালে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের কথা ও সুরে ‘নয়নের আলো’ চলচ্চিত্রের তিনটি গানে কণ্ঠ দেন। গানগুলো হলো—‘আমার সারা দেহ খেওগো মাটি’, ‘আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন’ ও ‘আমার বুকের মধ্যে খানে’। এমন অসংখ্য চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন এই শিল্পী, যা এখনো মানুষের মুখে মুখে ফেরে।

এন্ড্রু কিশোরের গাওয়া অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—‘আমার বুকের মধ্যখানে’, ‘তুমি আমার জীবন আমি তোমার জীবন’, ‘ভালো আছি ভালো থেকো’, ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’, ‘বেদের মেয়ে জোছনা আমায় কথা দিয়েছে’, ‘ডাক দিয়েছেন দয়াল আমারে’, ‘আমার সারা দেহ খেওগো মাটি’, ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’ প্রভৃতি।

১৯৮৭ সালে আহমাদ ইউসুফ, আনোয়ার হোসেন বুলু, ডলি জহুর, দিদারুল আলম বাদল, শামসুল ইসলাম নান্টুর সঙ্গে টিভি নাটক, বাণিজ্যিক এবং অন্যান্য প্রযোজনার জন্য ‘প্রবাহ’ নামে একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন এন্ড্রু কিশোর। ব্যক্তিগত জীবনে লিপিকা এন্ড্রু ইতির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এন্ড্রু কিশোর। এ দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে। প্রথম সন্তানের নাম সংজ্ঞা আর দ্বিতীয়জনের নাম সপ্তক। দুজনেই এখন বিদেশে পড়াশোনা করছেন।

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত