আপডেট :

        হত্যার কয়েক মিনিট আগে টুপাক শাকুরের শেষ ছবি, আদালতে সাক্ষ্য দেবেন আলোকচিত্রী

        নাটালি হার্প কে, ট্রাম্পের এত ঘনিষ্ঠ সহকারী কেন?

        বাণিজ্য চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র

        ইরানকে সহায়তা করলে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

        ক্যালিফোর্নিয়ায় কিছু টায়ার বিক্রিতে নতুন নিয়ম, বাড়তে পারে দাম

        খেলনা পিস্তল হাতে দাঁড়ানো ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে পুলিশের গুলি, অল্পের জন্য বাঁচলেন

        ভয়ংকর পুতুলের মুখোশ পরে ফিলাডেলফিয়ায় বাসিন্দাদের ধাওয়া, আতঙ্ক

        মর্গের ব্যবস্থাপক দেহের অঙ্গ বিক্রি করায় ৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার দেবে হার্ভার্ড

        কানাডার ওপর নতুন শুল্ক তিন দিন পিছিয়ে দিলেন ট্রাম্প, চুক্তির কাছাকাছি দুই দেশ

        যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া ছয় দিন কমল

        বাজেট সংকটে রিভারসাইড কাউন্টিতে ৬২২ শেরিফের পদ কমানোর আশঙ্কা

        লস এঞ্জেলেস মেয়র নির্বাচনে বাসকে এগিয়ে দেখানো জরিপটি ভুয়া

        ই জিন ক্যারল মামলায় ট্রাম্পের আবেদন ফের খারিজ

        ওমানকে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের, ইরান চুক্তি নিয়ে বাড়ছে উত্তেজনা

        ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গুলিতে ৫ জন আহত, আলমারি থেকে তরুণ আটক

        ইউএসএস লিংকনে মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে: মার্কিন কমান্ডার

        হারিকেন লালার তাণ্ডবে হাওয়াইয়ে শতাধিক বাড়ি ভেসে গেছে

        দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া কমানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

        আদিবাসী সংরক্ষিত এলাকায় সীমান্ত দেয়াল: ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে আদালতের রায়

        ৫ ফ্রিওয়েতে ৮ লাখ ডলারের কোকেন জব্দ, গ্রেপ্তার চালক

ইউরোপ-কানাডার মাস্ক ‘ছিনতাই’ করছে যুক্তরাষ্ট্র!

ইউরোপ-কানাডার মাস্ক ‘ছিনতাই’ করছে যুক্তরাষ্ট্র!

ছবি : সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমণে বিশ্বের প্রায় সব দেশের চিকিৎসা সুরক্ষা পণ্যেই টান পড়েছে৷ কিন্তু স্বাস্থ্যসেবায় প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে যুক্তরাষ্ট্র ‘দস্যুতা’ করছে বলে অভিযোগ করেছে জার্মানি৷

এসব মাস্কের দাম আগেই পরিশোধ করে দেয়া হয়েছে কিন্তু তারপরও মার্কিন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সেগুলো জব্দ করার অভিযোগ এনেছে বার্লিন৷ এমন কর্মকাণ্ডকে ‘আধুনিক যুগের দস্যুতা’ বলেও প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন জার্মান কর্মকর্তারা৷

বার্লিনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেয়াস গাইসেল বলেছেন, বার্লিনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া দুই লাখ মাস্কের একটি চালান ব্যাংককে আটকে দিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। করোনা সংকটের মধ্যেও কাজ চালিয়ে যাওয়া বার্লিন রাজ্য পুলিশ সদস্যদের জন্য এফএফপি-টু ক্লাসের এইসব মাস্ক অর্ডার দেয়া হয়েছিল।

রাজনৈতিক দল এসপিডির সংসদীয় গ্রুপের চেয়ারম্যান রোল্ফ ম্যুৎসেনিশ মাস্ক ‘জব্দের’ ঘটনাকে ‘বেআইনী’ আখ্যা দিয়ে এর ব্যাখ্যা দাবি করেছেন৷ ডয়চে ম্যুৎসেনিশ ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘সুরক্ষা মাস্ক সংগ্রহ করার সময় অবৈধ পন্থা অবলম্বন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়৷ অংশীদারদের ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে এ কথা সত্যি, এমনকি তাদের নিজেদের সরবরাহে সংকট থাকলেও৷ যদি যা শোনা যাচ্ছে তা সত্যি হয়, ফেডারেল সরকারের অবশ্যই উচিত হবে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া৷’

গাইসেল জানিয়েছেন বার্লিন এই মাস্কগুলো একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কিনেছে৷ তবে জার্মানির টাগেসশ্পিগেল পত্রিকা জানিয়েছে এগুলো উৎপাদন করা হয়েছে চীনে৷ গাইসেলও ফেডারেল সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ প্রয়োগের৷

আমেরিকান মাস্ক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান থ্রিএম অবশ্য জার্মানির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷ জার্মান বার্তা সংস্থা ডিপিএকে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের জানা নেই৷

ফ্রান্স এবং কানাডা তীব্র সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের এমন কর্মকাণ্ডের৷ ফ্রান্সের সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত অঞ্চল ইল দ্য ফঁস এর প্রেসিডেন্ট ভালেরি পেক্রোঁস বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, শেষ মুহূর্তে বেশি দাম দিয়ে ফ্রান্সের জন্য প্রস্তুত করা মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র কিনে নিয়েছে৷ তিনি বলেন, ‘আমেরিকানরা অনেক বেশি দাম দিচ্ছে, ফলে পৃথিবীর এই দুর্দশার সময়েও কেউ কেউ বেশি টাকা কামানোর লোভ সামলাতে পারছে না।’

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও একই ধরনের ঘটনায় ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন৷ কানাডার অর্ডার করা মাস্ক এসে পৌঁছেছে, তবে তা অর্ডার দেয়া সংখ্যার তুলনায় অনেক কম৷ তিনি অভিযোগ করেন, ‘বেশি দাম’ দিয়ে ‘কেউ একজন’ বাকি মাস্ক কিনে নিয়ে গেছে৷ তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন অনেক বেশি, কিন্তু কানাডারও একই অবস্থা৷ ফলে আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে৷’

করোনা সংক্রমণের ফলে বেশিরভাগ দেশই লাখ লাখ মাস্কের প্রয়োজন নিজেদের উৎপাদন দিয়ে মেটাতে পারছে না৷ ফলে মাস্ক ও অন্যান্য মেডিক্যাল সুরক্ষা সরঞ্জামের জন্য বেশিরভাগ দেশকেই চীন ও এশিয়ার অন্যান্য দেশের শরণাপন্ন হতে হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত