আপডেট :

        বুলিং ও অর্থ ব্যবহারের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে বাধা চাইলেন ইউসিএলএ কর্মকর্তা

        সংকটে থাকা সংবাদমাধ্যমকে সহায়তায় ক্যালিফোর্নিয়ায় ঐতিহাসিক আইন

        শুক্রবার থেকে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় শুরু হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী তীব্র তাপপ্রবাহ

        দুই মরদেহ উদ্ধারের পর ল্যানকাস্টারে আরও মরদেহের সন্ধানে তল্লাশি

        মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এক ঘণ্টা আগে আদালতে থামল ক্রিস্টা পাইকের শাস্তি

        যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বে বড় কাটছাঁট আনছেন হেগসেথ

        আমেরিকায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের কাছে যাচ্ছে ৫০০ ডলারের চেক

        ককপিটে পাইলটদের সংঘর্ষের পর সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ ইসরায়েলগামী বিমানের

        ‘গণহত্যা’ শব্দ ব্যবহার নিয়ে বাস-রামানের মতপার্থক্য, গাজা ইস্যুতে উত্তাপ

        আদালতের আদেশ অমান্য করে ৪ সন্তানকে নিয়ে মা নিখোঁজ, অ্যাম্বার অ্যালার্ট

        ওকল্যান্ডে ট্রাম্পের কয়লা টার্মিনাল নিয়ে নতুন তথ্য, বাড়ছে দূষণের আশঙ্কা

        এলএপিডিতে শ্বেতাঙ্গরা আর সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, তবু বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ

        দুই বছর পর কর্নেলের ভ্রাতৃসংঘে ওঠা যৌ ন নি পী ড়নের অভিযোগের তদন্ত শুরু

        গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব, বাতিল হতে পারে ডাইভারসিটি ভিসা লটারি

        গাড়ি তৈরির খরচ কমাতে মাইলেজের মান কমাল যুক্তরাষ্ট্র, ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রভাব কতটা

        হারিকেন মেরির ধাক্কার পর এবার পোলো, ক্ষতির শঙ্কায় ক্যাপিস্ট্রানো বিচ

        লস এঞ্জেলেসের স্কুলের কাছে ডাস্টবিনে নবজাতক, পরে মৃ ত্যু

        আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘটনায় বিদেশি পক্ষের হাত রয়েছে, বললেন রুবিও

        হাসপাতালে নেওয়ার আগেই রক্ত সঞ্চালন, প্যাসাডেনায় নতুন জরুরি চিকিৎসায় ইতিহাস

        ভোটারদের নাগরিকত্ব যাচাইয়ে পাসপোর্ট রেকর্ড ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্বে বন্যপ্রাণী ৫৮ শতাংশ কমেছে

বিশ্বে বন্যপ্রাণী ৫৮ শতাংশ কমেছে

১৯৭০ সালের পর থেকে পৃথিবীর বন্যপ্রাণীর সংখ্যা ৫৮ শতাংশ কমেছে। পরিবেশবাদী গ্রুপ ডব্লিউডব্লিউএফ এবং জুয়োলজিক্যাল সোসাইটি অব লন্ডন এক যৌথ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বৈশ্বিক বন্যপ্রাণীর সংখ্যা নিয়ে ‘দ্য লিভিং প্লানেট রিপোর্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রতি দুই বছর অন্তর প্রকাশিত হয়। এতে বিশ্বের বন্যপ্রাণীর হালনাগাদ সংখ্যা জানানো হয়। ২০১৪ সালে সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গত ৪০ বছরে বন্যপ্রাণী অর্ধেকে নেমে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ধারা চলতে থাকলে, ২০২০ সাল নাগাদ পৃথিবীর দুই তৃতীয়াংশ বন্যপ্রাণী হারিয়ে যাবে। যেসব প্রাণী লেক, নদী ও জলাভূমিতে বাস করে গত ৪০ বছরে তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে। বন ধ্বংস, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দূষণ, বন্যপ্রাণীর অবাধ বাণিজ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাণীদের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।

প্রতিবেদনে, বিদ্যমান ৩ হাজার ৭০০ প্রজাতির মাছ, পাখি, স্তন্যপায়ী, উভচর ও সরীসৃপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ সংখ্যা পৃথিবীর মেরুদন্ডী প্রাণীর মাত্র ৬ শতাংশ।

ডব্লিউডব্লিউএফের বিজ্ঞান ও নীতি নির্ধারনী বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা মাইক ব্যারেট বলেন, ‘এটা বেশ পরিষ্কার, যেভাবে ব্যবসা চলছে তাতে আমরা বৈশ্বিক বন্যপ্রাণীর সংখ্যা ক্রমশ কমতে দেখছি।  তবে আমরা এখন একটি অবস্থানে পৌঁছেছি যেখানে এটি চলতে দেওয়ার মতো আর কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়।’


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত