আপডেট :

        ৮০ পেরোলেই জুরি ডিউটি থেকে স্থায়ী অব্যাহতি, নতুন আইন ক্যালিফোর্নিয়ায়

        সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় আঘাত হানতে পারে শক্তিশালী এল নিনো, প্রস্তুতি নিচ্ছে লস এঞ্জেলেস

        ট্রাম্পের মন্তব্যে লস এঞ্জেলেস নিয়ে ক্ষোভ, কড়া জবাব নিউজম ও বাসের

        ফ্রিওয়েতে ভয়াবহ সংঘ র্ষের ভিডিও, সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রা ণ গেল একজনের

        ‘লস এঞ্জেলেস ও সান ডিয়েগোতে হামলা হতে দিন’ ট্রাম্পের মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া

        পর্যটন কমছে, ব্যবসা হারাচ্ছে গতি: সান্তা মনিকার সংকট কোথায়

        সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় অক্টোবরে তীব্র গরম, ভাঙছে একের পর এক রেকর্ড

        যৌ ন কেলেঙ্কারি ও প্রতারণায় বিতর্কিত মার্কিন টেলিভিশন প্রচারক জিম বেকার মৃ ত্যু বরণ করেছেন

        প্লেগ ল্যাবকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় রাশিয়ার কাছে বিস্তারিত তথ্য চাইল যুক্তরাষ্ট্র

        ১১০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে এক হলো প্যারামাউন্ট ও ওয়ার্নার ব্রাদার্স

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহ, স্বস্তি ফিরবে সপ্তাহান্তে

        ক্যালিফোর্নিয়ায় বিলাসবহুল পোশাক ব্র্যান্ডের মালিক দম্পতি নিহত, সম্ভাব্য হত্যাকাণ্ড-আত্মহত্যা নিয়ে তদন্ত

        লস এঞ্জেলেস বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার ক্যালিফোর্নিয়ার রিয়েল এস্টেট এজেন্ট, চীনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ

        নতুন এআই টাস্কফোর্সের নেতৃত্বে শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা

        জর্জিয়ায় গুলি: নিহত ২, আহত ৩৫—অভিযুক্তের সন্ধানে অভিযান

        মার্কিন বোমারু বিমান সরিয়ে নিলেও আরএএফ ফেয়ারফোর্ড নিরাপদ: ব্রিটিশ সরকারের দাবি

        মালিবুতে কিশোর চালকের গাড়ির ধাক্কায় নোবুর দীর্ঘদিনের শেফ নি হ ত

        চীনে ৩০ কোটি ডলারের এআই প্রযুক্তি পাচারের অভিযোগে লস এঞ্জেলেসে প্রযুক্তি কোম্পানির সিইও গ্রে প্তার

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহ কাটছে না, সপ্তাহান্তেও থাকবে ভয়ংকর গরম

        উত্তর লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে বুকে ফায়ারে নিয়ন্ত্রণ বেড়ে ৪০ শতাংশ

'ব্রিটেনের ওপর এতো রাগ থাকলে এদেশে আছেন কেনো?':শাকের আমের

'ব্রিটেনের ওপর এতো রাগ থাকলে এদেশে আছেন কেনো?':শাকের আমের

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে গুয়ান্তানামো
বে কারাগারে আটক ছিলেন এরকম একজন
ব্রিটিশ মুসলিম, শাকের আমের, উগ্র-
চরমপন্থিদেরকে যুক্তরাজ্য থেকে চলে
যাওয়ার আহবান জানিয়েছেন।
চৌদ্দ বছর বন্দী থাকার পর গত অক্টোবর
মাসে তিনি লন্ডনে তার পরিবারের কাছে
ফিরে এসেছেন।
ব্রিটিশ সংবাদপত্র মেইলকে দেওয়া
সাক্ষাৎকারে তিনি ব্রিটিশ সৈন্য লী
রিগবির ওপর হামলার মতো ঘটনাকে নিন্দা
জানিয়ে বলেছেন, “আপনি কাউকে হত্যা
করতে পারেন না।”
সাক্ষাৎকারে নিজের পরিবারের কাছে
ফিরে আসার আবেগঘন বর্ণনাও দিয়েছেন
তিনি।
আটচল্লিশ বছর বয়সী মি. আমের বলেছেন,
স্ত্রীর মুখ দেখার সাথে সাথে তার বহুদিনের
দুঃখ কষ্ট সব দূর হয়ে গেছে।
চার সন্তানের পিতা শাকের আমের। সবচে
ছোট সন্তানের মুখ তিনি দেশে ফেরার পরই
প্রথম দেখতে পেলেন।
তিনি বলেন, “স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরার পর
ক্লান্তি দুঃখ এসব কিছুই ছিলো না। আমি
তাকে বুকে টেনে নেই। সেও আমাকে
জাড়িয়ে ধরলো। তারপর আমরা শুধু কাঁদতে
থাকলাম।”
আফগানিস্তানে তালেবানের একটি
ইউনিটের নেতৃত্ব দেওয়া এবং আল কায়দা
নেতা ওসামা বিন লাদেনের সাথে দেখা
করার অভিযোগে তাকে আটক করে রাখা
হয়েছিলো।
কিন্তু তার বিরুদ্ধে কখনো চার্জ গঠন করা
হয়নি।
মি. আমের বলেছেন, গুয়ান্তানামো
কারাগারে মার্কিন সামরিক বাহিনী
জিজ্ঞাসাবাদের সময় বারবারই তার কাছে
জানতে চেয়েছে লন্ডনে কোনো জিহাদি
গ্রুপের সাথে তার সংশ্লিষ্টতা আছে কীনা।
মি. আমের শুরু থেকেই এধরনের অভিযোগ
অস্বীকার করে আসছেন।
তিনি অভিযোগ করেছেন, তাকে প্রায়
দুশোবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
এছাড়াও তার ওপর নির্যাতন চালানোরও
অভিযোগ করেছেন তিনি। বলেছেন, তাকে
ঠিকমতো ঘুমাতে দেওয়া হয়নি এবং প্রায়
বরফের মতো ঠাণ্ডা জায়গায় শেকল দিয়ে
বেঁধে রাখা হয়েছিলো।
যুক্তরাজ্যে চরমপন্থিদের হামলার ব্যাপারে
তিনি বলেন, “তাহলে আপনি এদেশে
বসবাসের অধিকার চান কিভাবে?
লোকজনের সাথে আপনি অভিনয় করছেন যে
আপনি একজন সাধারণ মানুষ। তারপর রাস্তায়
বের হয়ে তাকে হত্যা করছেন!”
তিনি বলেন, ইসলাম এধরনের হত্যাকাণ্ডকে
কখনো সমর্থন করে না।
“যুদ্ধের মধ্যেও আপনি যে কাউকে হত্যা
করতে পারেন না। শিশু হত্যা করতে পারেন
না। রাস্তায় গিয়ে লোকজনকে ছুরি মারতে
শুরু করতে পারেন না।”
তিনি বলেন, “এই দেশের ওপর যদি আপনার
এতো রাগ থাকে তাহলে আর এদেশে আছেন
কেনো? এখান থেকে অন্য কোথাও চলে
যান।”
ব্রিটেনে মুসলমানদের সাথে অমুসলিমদের
সম্পর্ক নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ
করেছেন।
তবে তিনি বলেছেন, “কিছু করার আগেই যদি
কাউকে সন্ত্রাসী বলে মনে করা হয় তাহলে
কিন্তু তাকে সেদিকেই ঠেলে দেওয়া হয়।”
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার
পর আফগানিস্তান থেকে তাকে আটক করা
হয় এবং ২০০২ সালে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের
হাতে তুলে দেওয়া হলে তাকে
গুয়ান্তানামো বে কারাগারে নিয়ে যাওয়া
হয়।
তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ২০০৭ সালেই
প্রত্যাহার করা হয়েছিলো কিন্তু তারপরেও
তার মুক্তি পেতে আরো আট বছর অপেক্ষা
করতে হয়েছে।
তিনি জানান, সে সময় তিনি সপরিবারে
তালেবান নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তানে
বসবাস করতেন।
তিনি যে ছাড়া পেয়ে কখনো দেশে ফিরে
আসবেন সেটাও তিনি কখনো বিশ্বাস করতে
পারেন নি।
মি. আমের বলেছেন, বিমান বন্দরে জানালা
দিয়ে যখন তিনি যুক্তরাজ্যের মাটি দেখতে
পান তখনই তার বিশ্বাস হয় যে তিনি দেশে
ফিরে আসছেন।

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত