যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 05:08pm

|   লন্ডন - 12:08pm

|   নিউইয়র্ক - 07:08am

  সর্বশেষ :

  আবারও বিশ্বের শীর্ষ ধনী বেজোস   আবদুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি   দেশে করোনায় নতুন আক্রান্ত ৫৪, মৃত্যু বেড়ে ২০   ১১ সপ্তাহ লকডাউনের পর উন্মুক্ত উহান   যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৯৭০ জনের প্রাণহানি   ‘ওয়াইএমসিএ’র ছাঁটাইকৃত কর্মীদের চাকরির ঘোষণা দিলেন লস এঞ্জেলেস মেয়র   করোনা ঠেকাতে বাধ্যতামূলক মাস্ক পড়ার নিয়ম করল সান বার্নার্ডিনো কাউন্টি   করোনায় কমেছে লস এঞ্জেলেসের সকল প্রকার অপরাধঃ এলএ পুলিশ চীফ   কভিড-১৯; লস এঞ্জেলেসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৯; আক্রান্ত ৬ হাজার ৯১০   গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা লকডাউন   বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি   পুলিশের মহাপরিদর্শক হচ্ছেন বেনজীর, র‌্যাব মহাপরিচালক মামুন   করোনাভাইরাস: বিশ্বব্যাপী সুস্থ হয়ে উঠেছে ৩ লাখ মানুষ   ফ্রান্সে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো   নিউইয়র্কে মর্গে জায়গা নেই, ফ্রিজে লাশ রাখার সিদ্ধান্ত

মূল পাতা   >>   স্বাস্থ্য

শিশুর শ্বাসনালিতে কিছু আটকে গেলে তাৎক্ষণিক কী করবেন

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০২০-০২-১৮ ০৩:১৯:৪৫

নিউজ ডেস্ক:
ছোট শিশুদের সবকিছু মুখে দেওয়ার অভ্যাস। একটু অসাবধান হলেই মুখে দেওয়া এই বস্তু শ্বাসনালিতে আটকে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। এ ধরনের দুর্ঘটনা যত দ্রুত শনাক্ত করা যায় ততই মঙ্গল।

হঠাৎ যদি কোনও বাচ্চার কাশি শুরু হয় বা বিষম খেতে শুরু করে এবং যদি এমন হয় যে ঠিক তার আগেই বাচ্চা ছোট কোনও বস্তু নিয়ে খেলছিল তবে বুঝতে হবে গলায় কিছু আটকে গেছে। এ ক্ষেত্রে বাচ্চার মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা বের হতে পারে। কাশি থাকলেও জ্বর, সর্দি থাকবে না। সন্দেহ হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে হবে।

তৎক্ষণাৎ করণীয়: শ্বাসনালিতে কিছু ঢুকে গেলে শিশুর মুখ খুলে যদি জিনিসটি দেখতে পান, সাবধানতার সঙ্গে বের করে ফেলুন। তবে দেখা না গেলে খোঁচাখুঁচি করবেন না, এতে আটকে যাওয়া জিনিসটি আরও ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। বাচ্চা যদি কাশতে থাকে তবে তাকে কাশতে দিন। এতে কাশির সঙ্গে আটকে যাওয়া জিনিসটি বের হয়ে আসতে পারে। যদি শ্বাসকষ্ট হয় তবে শিশুর পিঠ চাপড়ে দিন। বাচ্চার বয়স এক বছরের কম হলে আপনি টুল বা চেয়ারের ওপর বসে শিশুকে আপনার কোলের ওপর আড়াআড়িভাবে উপুড় করে শুইয়ে, মাথা ঝুলিয়ে দিন।
এরপর শিশুর পিঠের মাঝখানে, একটু ওপরের দিকে আপনার হাতের তালুর নিচের অংশ দিয়ে জোরে জোরে পাঁচবার চাপড় দিন। কাজ না হলে আবার করতে পারেন। বয়স বেশি হলে শিশুর পেছনে হাঁটু মুড়ে বা সোজা হয়ে দাঁড়ান, শিশুর বগলের নিচ দিয়ে দুই হাত ঢুকিয়ে, জাপটে ধরার ভঙ্গিতে শিশুর পেটের ওপরের অংশ বরাবর আপনার হাত রাখুন।

এরপর এক হাত মুষ্টিবদ্ধ করে, শিশুর বুকের সামনে চওড়া হাড়ের নিচে, যেখানে দুই পাশের পাঁজরের শেষের হাড়টি মিলিত হয়েছে সে জায়গায় রাখুন। এবার অন্য হাত দিয়ে এই হাতটির কবজি চেপে ধরুন, দুই হাত দিয়ে ওপর এবং ভেতর দিক বরাবর শিশুর পেটে জোরে চাপ দিন। পরপর পাঁচবার চাপ দিন। এতে যদি কাজ না হয় কিংবা শিশুর যদি জ্ঞান না থাকে সে ক্ষেত্রে কাউকে সাহায্যের জন্য ডাকুন।

মুখ থেকে মুখে বা নাকে শ্বাস দিন এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ছোট পুঁতি, মার্বেল, বোতাম, ফলের বিচি, ছোট পার্টসযুক্ত খেলনা শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা উচিত। শিশুদের খেলনা বা জামা কেনার সময়ও পুঁতি, ঘন্টিওলা না কেনাই ভালো।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১৯২ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত