মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগের মুখে বিষয় ঘোরাতে চাইছে ক্যালিফোর্নিয়া
বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বছরে নিহত ৪২৮৪
বিদায়ী বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা ২০১৬ সালের তুলনায় বেড়েছে। তবে তা ২০১৫ সালের তুলনায় কম। গত বছর সারা দেশে ৩ হাজার ৪৭২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ হাজার ২৮৪ জন নিহত ও ৯ হাজার ১১২ জন আহত হন। নিহতের তালিকায় নারী ও শিশুর সংখ্যা যথাক্রমে ৫১৬ জন ও ৫৩৯ জন।
জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির (এনসিপিএসআরআর) বার্ষিক জরিপ ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন ২০১৭-তে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
২২টি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং আটটি অনলাইন নিউজপোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে এই বেসরকারি সংগঠনটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
এনসিপিএসআরআরের তথ্যমতে, ২০১৬ সালে ২ হাজার ৯৯৮টি দুর্ঘটনায় ৪৭০ নারী ও ৪৫৩ শিশুসহ ৩ হাজার ৪১২ জন নিহত এবং ৮ হাজার ৫৭২ জন আহত হন। তবে এর পূর্ববর্তী বছর অর্থাৎ ২০১৫ সালে ৪ হাজার ৫৯২টি দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৬ হাজার ৮২৩ ও ১৪ হাজার ২৬ জন। নিহতের মধ্যে ৭৮১ জন নারী ও ৭৬২ জন শিশু ছিল। এই হিসেবে, ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির হার যথাক্রমে ১৫ দশমিক ৮২ ও ২৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেড়েছে।
পর্যবেক্ষণে দুর্ঘটনা বৃদ্ধির জন্য ৯টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছে কমিটি। সেগুলো হচ্ছে- বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেলসহ তিন চাকার যানবাহন চলাচল বৃদ্ধি, স্থানীয়ভাবে তৈরি দেশীয় ইঞ্জিনচালিত ক্ষুদ্রযানে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন, বিধি লঙ্ঘন করে ওভারলোডিং ও ওভারটেকিং, জনবহুল এলাকাসহ দূরপাল্লার সড়কে ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে অনুসরণ না করা, দীর্ঘক্ষণ বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানো, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও বেহাল সড়ক, ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চলাচল বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব এবং অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক নিয়োগ।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
News Desk
শেয়ার করুন