আপডেট :

        ল্যাঙ্কাস্টারের প্রত্যন্ত সম্পত্তিতে মাটির নিচে পাওয়া দুই মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

        জনপ্রিয় বিষয়ে পড়েও বেশি বেতনের চাকরি মিলছে যেসব ক্যালিফোর্নিয়ার কলেজে

        মালিবুতে স্পিড ক্যামেরার পরীক্ষাতেই ধরা পড়ল ১ লাখের বেশি গতিসীমা লঙ্ঘন

        ক্যাটালিনা দ্বীপের কাছে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নিহতদের বিষয়ে নতুন তথ্য

        ব্যাংকগুলোতে এআইয়ের সুবিধার পাশাপাশি বাড়ছে বড় ঝুঁকি

        নিজেদের জ্বালানি সংকট সামলাতে ইউরোপের ডিজেল মজুত চায় ট্রাম্প প্রশাসন

        বুলিং ও অর্থ ব্যবহারের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে বাধা চাইলেন ইউসিএলএ কর্মকর্তা

        সংকটে থাকা সংবাদমাধ্যমকে সহায়তায় ক্যালিফোর্নিয়ায় ঐতিহাসিক আইন

        শুক্রবার থেকে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় শুরু হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী তীব্র তাপপ্রবাহ

        দুই মরদেহ উদ্ধারের পর ল্যানকাস্টারে আরও মরদেহের সন্ধানে তল্লাশি

        মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এক ঘণ্টা আগে আদালতে থামল ক্রিস্টা পাইকের শাস্তি

        যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বে বড় কাটছাঁট আনছেন হেগসেথ

        আমেরিকায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের কাছে যাচ্ছে ৫০০ ডলারের চেক

        ককপিটে পাইলটদের সংঘর্ষের পর সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ ইসরায়েলগামী বিমানের

        ‘গণহত্যা’ শব্দ ব্যবহার নিয়ে বাস-রামানের মতপার্থক্য, গাজা ইস্যুতে উত্তাপ

        আদালতের আদেশ অমান্য করে ৪ সন্তানকে নিয়ে মা নিখোঁজ, অ্যাম্বার অ্যালার্ট

        ওকল্যান্ডে ট্রাম্পের কয়লা টার্মিনাল নিয়ে নতুন তথ্য, বাড়ছে দূষণের আশঙ্কা

        এলএপিডিতে শ্বেতাঙ্গরা আর সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, তবু বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ

        দুই বছর পর কর্নেলের ভ্রাতৃসংঘে ওঠা যৌ ন নি পী ড়নের অভিযোগের তদন্ত শুরু

        গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব, বাতিল হতে পারে ডাইভারসিটি ভিসা লটারি

‘এক চীন’ নীতির প্রতি মার্কিন সমর্থন নিয়ে ট্রাম্পের প্রশ্ন

‘এক চীন’ নীতির প্রতি মার্কিন সমর্থন নিয়ে ট্রাম্পের প্রশ্ন

এক চীন’ নীতির প্রতি মার্কিন সমর্থন বহাল রাখা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১৯৭৯ সাল থেকে তাইওয়ানের ব্যাপারে চীনের অবস্থানকে সম্মান জানিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বাণিজ্য এবং অন্যান্য ইস্যুতে চীনের কাছ থেকে ছাড় না পেলে তাইওয়ান ইস্যুতে দেশটিকে সমর্থন দেওয়া অব্যাহত রাখার তিনি কোনো কারণ দেখেন না। রোববার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন রিপাবলিকান দলের হবু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর মার্কিন রীতি ভেঙে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। মূলত এর মধ্য দিয়ে তিনি এশিয়ার দীর্ঘ বিরোধ ও স্পর্শকাতর এ ইস্যুতে নতুন করে রসদ সরবরাহ করেন। ওই টেলিফোন আলাপের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কে অস্বস্তি দেখা দেয়। এ ইস্যুতে চীনা সমালোচনার জবাবে উল্টো বেইজিংকে এক হাত নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চাই না; চীন আমাকে আদেশ করুক। এই কলটা আমাকে করা হয়েছিল। এটা ছিল বেশ চমৎকার একটা সংক্ষিপ্ত কল। অন্য কিছু দেশ এটা কীভাবে বলতে পারে যে, আমি একটি কল রিসিভ করতে পারি না? আমার কাছে মনে হয়েছে যে, এটা খুবই অসম্মানজনক।’

ফক্স নিউজকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমি জানি না আমাদের কেন ‘এক চীন’ নীতি বজায় রাখতে হবে; যদি না বাণিজ্যসহ অন্যান্য বিষয়ে তাদের সঙ্গে আমরা কোনো চুক্তি না করি।”

ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেন, মুদ্রা সংক্রান্ত বিষয়ে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করছে না। উত্তর কোরিয়া কিংবা দক্ষিণ চীন সাগর নিয়েও একই কথা প্রযোজ্য।

১৯৭৯ সালের পর থেকে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেননি। তবে নির্বাচিত হয়েই দীর্ঘদিনের রীতি ভাঙেন ট্রাম্প। এ বিষয়ে ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, তাইওয়ানের নেতার সঙ্গে তার আলাপের বিষয়ে বেইজিং সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত