যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ৩০ মে, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 10:53am

|   লন্ডন - 05:53am

|   নিউইয়র্ক - 12:53am

  সর্বশেষ :

  জেনে নিন, রিয়েল আইডি ও ক্যালিফোর্নিয়া ডিএমভি কী?   ক্যালিফোর্নিয়ায় করোনায় মৃত ছাড়িয়েছে ৪ হাজার   বড় পরিসরে ব্যবসা চালুর আশা করছে লস এঞ্জেলেস কাউন্টি   ক্যালিফোর্নিয়ার আইনপ্রণেতাদের বেতন এবছর বাড়ছে না   করোনায় একদিনে গেল আরও ৪৮ প্রাণ, আক্রান্ত ৪৯ হাজার ৭৭৪   বেকার বীমা জালিয়াতি কী? শাস্তি হবে কেমন?   নিজের গড়া দল থেকে বহিষ্কার হলেন মাহাথির মোহাম্মদ   দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ২০২৯ জন শনাক্ত, মৃত্যু ১৫   ভারতে করোনা সন্দেহে বাংলাদেশি যুবককে পিটিয়ে হত্যা   নিউজিল্যান্ডকে করোনামুক্ত ঘোষণা   দেশে ১ জুন থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল শুরু   সৌদিআরবে গোলাগুলিতে ৬ জন নিহত   লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশীকে গুলি করে হত্যা করল মানবপাচারকারীরা   আন্তর্জাতিক গানে কণ্ঠ দিলেন বাংলাদেশি ৩ তরুণ   লস এঞ্জেলেস কাউন্টির কিছু জেলে করোনা আক্রান্ত ৪০ শতাংশ

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারে নিরাপদ পরিবেশ দরকার : যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-১১-০৭ ১১:৪৫:৩৯

নিউজ ডেস্ক:
মার্কিন সরকারের সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী এলিস ওয়েলস বৃহস্পতিবার বলেছেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারে নিরাপদ পরিবেশ দরকার। প্রত্যাবাসন অবশ্যই স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং মর্যাদাপূর্ণ হতে হবে।

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির এবং স্থানীয় বাসিন্দারের জন্য পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বেশ কয়েকটি প্রকল্প পরিদর্শন ও কক্সবাজারের টেকনাফের শামলাপুর শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন এলিস ওয়েলস। এছাড়া ইউএসএআইডি’র উপ প্রশাসক বনি গ্লিক কক্সবাজার সদর ও রামুর বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনে যান।

সকালে টেকনাফের শামলাপুর শরণার্থী শিবির পরিদর্শন শেষে দুপুরে কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মাহাবুব আলম তালুকদারের সঙ্গে বৈঠক করেন এলিস।

বৈঠক শেষে কমিশনারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রত্যাবাসনের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ওপর যে জাতিগত নিধনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এসব বিষয় নিয়েও চিন্তা করা দরকার।

‘আমরা আরও চিন্তা করছি রোহিঙ্গা সমস্যার যাতে দ্রুত এবং টেকসই সমাধান হয়। সে জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করতে হবে,’ বলেন তিনি।

বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে ইউএসএআইডি’র উপ প্রশাসক বনি গ্লিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট বর্তমানে একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। সারাবিশ্ব এই সমস্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন। এটি মূলত মিয়ানমারের কারণেই হয়েছে। বাংলাদেশ ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে সারাবিশ্বে প্রশংসা কুড়িয়েছে।’
 
এসময় তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টি করেছে মিয়ানমার সরকার। সংকট সমাধানের জন্য মার্কিন সরকার মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছে। ট্রাম্প সরকার ইতিমধ্যে মিয়ানমার সরকারের ওপর অর্থনৈতিক নানা বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে, চার সামরিক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছে।’

তিনি বলেন, মার্কিন সরকার চায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ, স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন। এ  ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নিয়ে মার্কিন সরকার রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১৪৮ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত