যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 01:58am

|   লন্ডন - 07:58pm

|   নিউইয়র্ক - 02:58pm

  সর্বশেষ :

  আইএস বন্দীদের ইউরোপে পাঠানোর হুমকি তুরস্কের   অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানল: নিরাপদ আছেন বাংলাদেশিরা   চট্টগ্রামে যুবলীগের সম্মেলনে মারামারি   সৌদিতে নারী শ্রমিক না পাঠানোর অনুরোধ সংসদে, মন্ত্রীর সমালোচনা   ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর আমীর নির্বাচিত   লস এঞ্জেলেসে সাদেক হোসেন খোকার জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত   লস এঞ্জেলেসে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত   কংগ্রেসম্যান ব্র্যাড শেরম্যানের সাথে ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপি নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ   ইতালীতে যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন   শেখ হাসিনাকে কটাক্ষ করলে জনগণ ক্ষমা করবে না: কাদের   নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে: রেলমন্ত্রী   ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ১৬   ‘বুলবুলে’র তাণ্ডব: ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ৯ জেলের লাশ উদ্ধার   নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন   ‘এলএ বাংলা টাইমস'-এর বর্ষপূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রীর শুভেচ্ছা

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারে নিরাপদ পরিবেশ দরকার : যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-১১-০৭ ১১:৪৫:৩৯

নিউজ ডেস্ক:
মার্কিন সরকারের সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী এলিস ওয়েলস বৃহস্পতিবার বলেছেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারে নিরাপদ পরিবেশ দরকার। প্রত্যাবাসন অবশ্যই স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং মর্যাদাপূর্ণ হতে হবে।

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির এবং স্থানীয় বাসিন্দারের জন্য পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বেশ কয়েকটি প্রকল্প পরিদর্শন ও কক্সবাজারের টেকনাফের শামলাপুর শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন এলিস ওয়েলস। এছাড়া ইউএসএআইডি’র উপ প্রশাসক বনি গ্লিক কক্সবাজার সদর ও রামুর বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনে যান।

সকালে টেকনাফের শামলাপুর শরণার্থী শিবির পরিদর্শন শেষে দুপুরে কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মাহাবুব আলম তালুকদারের সঙ্গে বৈঠক করেন এলিস।

বৈঠক শেষে কমিশনারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রত্যাবাসনের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ওপর যে জাতিগত নিধনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এসব বিষয় নিয়েও চিন্তা করা দরকার।

‘আমরা আরও চিন্তা করছি রোহিঙ্গা সমস্যার যাতে দ্রুত এবং টেকসই সমাধান হয়। সে জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করতে হবে,’ বলেন তিনি।

বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে ইউএসএআইডি’র উপ প্রশাসক বনি গ্লিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট বর্তমানে একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। সারাবিশ্ব এই সমস্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন। এটি মূলত মিয়ানমারের কারণেই হয়েছে। বাংলাদেশ ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে সারাবিশ্বে প্রশংসা কুড়িয়েছে।’
 
এসময় তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টি করেছে মিয়ানমার সরকার। সংকট সমাধানের জন্য মার্কিন সরকার মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছে। ট্রাম্প সরকার ইতিমধ্যে মিয়ানমার সরকারের ওপর অর্থনৈতিক নানা বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে, চার সামরিক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছে।’

তিনি বলেন, মার্কিন সরকার চায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ, স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন। এ  ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নিয়ে মার্কিন সরকার রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৬৭ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত