মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগের মুখে বিষয় ঘোরাতে চাইছে ক্যালিফোর্নিয়া
যুক্তরাষ্ট্রে আন্দোলনকালে কৃষ্ণাঙ্গসহ ১১ জনকে হত্যা
ছবিঃ এলএ বাংলা টাইমস
পুলিশের হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রে দু সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলছে আন্দোলন। এ সময়ে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বিভিন্ন রাজ্যে। ধারণা করা হচ্ছে বর্ণবাদ সংশ্লিষ্ট সহিংসতার জেরে এসব হত্যাকাণ্ড হতে পারে। কারণ নিহতরা বেশিরভাগই আফ্রিকান আমেরিকান।
লুইভেইল
সোমবার পুলিশ ও ন্যাশনাল গার্ড সেনারা লুইভেইলে জনসমাবেশ খালি করতে তাগিদ দেয়। তখনই গুলিতে প্রাণ হারায় স্থানীয় বারবিকিউ রেস্টুরেন্টের মালিক ডেভিড ম্যাকটি। এই নিহতের ঘটনায় তদন্ত হচ্ছে।
ওকল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া
আন্দোলন চলাকালে কোর্টহাউজে নিরাপত্তায় ছিলেন একজন ফেডারেল ল অফিসার। একটি গাড়ি থেকে ছোঁড়া গুলিতে প্রাণ হারান প্যাট্রিক আন্ডারউড (৫৩)। আরো একজন অফিসার এই ঘটনায় আহত হন।
ইন্ডিয়ানাপোলিস
আন্দোলনের মাঝেই দুজন নিহত হন সেখানে। তাদের একজন ক্রিস বেটি। তিনি শহরের একজন উল্লেখযোগ্য ব্যবসায়ী। বেশ কয়েকটি নাইটক্লাব আছে তার।
ডেভেনপোর্ট, আইওয়া
ওয়ালমার্টের বাইরে আন্দোলন চলাকালে সোমবার গুলিতে প্রাণ হারান ২২ বছর বয়স্ক ইতালিয়া কেলি। এর আশেপাশেই পুলিশের সাথে সন্দেহভাজনদের গুলি বিনিময় হয়।
মিনিয়াপোলিস
একটি দোকানের বাইরে আন্দোলন চলাকালে গুলিতে প্রাণ হারান কেলভিন এল হরটন জুনিয়র। সে দোকানের মালিক শ্বেতাঙ্গ। সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ওমাহা নেব্রাস্কা
শহরে একটি বারে সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন ২২ বছর বয়স্ক কৃষ্ণাঙ্গ জেমস স্কারলক। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করছে।
ডেট্রয়েট
আন্দোলন উত্তাল ডেট্রয়েটে গাড়ির ভেতর ছোঁড়া গুলিতে ২১ বছর বয়ষ্ক এক ব্যক্তি মারা যান। নিহত ব্যক্তি অন্য দুজনের সাথে বসে ছিলেন। সন্দেহভাজন বন্দুক হামলাকারী পালিয়ে গেছে।
সাবআর্বান শিকাগো
শিকাগোর সিসিরোতে সোমবার আন্দোলন চলাকালীন সময়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি। তবে ঘটনার তদন্ত চলছে।
এলএ/বাংলা টাইমস/এন/এইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন