Updates :

        টিকা নিন, সুস্থ থাকুন: ফাউসি

        আজ বিশ্ব এইডস দিবস: বিশ্বে প্রতিদিন সাড়ে ৫ হাজার মানুষ এইডসে আক্রান্ত হয়

        এলো রক্তঝরা বিজয়ের মাস

        'ঐতিহাসিক' মন্ত্রিসভা গড়ছেন বাইডেন

        যুক্তরাষ্ট্র পেতে পারে প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী

        অবৈধ অভিবাসীদের গণনা জটিলতা, সুপ্রিম কোর্টে শুনানি

        টিকা অনুমোদনের জন্য আবেদন করছে মডার্না

        পা ভাঙ্গলেন বাইডেন!

        করোনা সংক্রমণের আতঙ্কে শ্রীলঙ্কায় কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ৬

        মাস্ক না পরলে জেলেও যেতে হতে পারে বাংলাদেশে

        এমসি কলেজে ধর্ষণ: ডিএনএ টেস্টে ৮ আসামিরই জড়িত থাকার প্রমাণ

        জিয়াউর রহমানের নামে থাকা বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করায় বিএনপির নিন্দা

        সৃষ্টিকে ভালোবাসুন, ভালো লাগার মতো নিজেকে যোগ্য করে তুলুন

        দেশে মাশরুমের মতো বেসরকারি মেডিকেল কলেজ গড়ে উঠেছে

        ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা

        চাঁদপুর প্রতিদিনের লেখক ও গুনীজন সম্মাননা পেলেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ প্রধান আনোয়ার হাবিব কাজল

        এবার কলোরাডোর গভর্নর করোনায় আক্রান্ত

        নির্বাচনে কারচুপির মামলা নিয়ে সংশয়ে ট্রাম্প

        ট্রাম্পকে দেওয়া অনুদান ফেরত চান সমর্থক!

        পেনসিলভেনিয়ায় আবারো হতাশ ট্রাম্প শিবির

আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর কর্মদক্ষতা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর কর্মদক্ষতা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ক্ষুদ্র পরিসরে যে সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম হয়েছিল, তা আজ মহীরূহ হয়ে বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী লগ্নে জাতির পিতা প্রণীত জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতির শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতা দেশের গন্ডি পেরিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। করোনাকালে সশস্ত্র বাহিনীর সেবা ও কর্মতৎপরতার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২০ উপলক্ষে দেয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি। সন্ধ্যে ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশন এবং রেডিও চ্যানেলে একযোগে প্রচার করা হয়।

তিন বাহিনীর সব সদস্য এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় অন্যান্য বছরের মতো এ বছর সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। তবে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাহিনীগুলো নিজেদের মতো করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে আজকের এই দিনটি এক বিশেষ গৌরবময় স্থান দখল করে আছে। ১৯৭১ সালের এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অকুতোভয় সদস্যরা যৌথভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণের সূচনা করেন। সম্মিলিত আক্রমণের মুখে শত্রুবাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মহান আত্মত্যাগ ও বীরত্বগাথা জাতি চিরদিন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ক্ষুদ্র পরিসরে যে সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম হয়েছিল, তা আজ মহীরূহ হয়ে বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর পরই জাতির পিতা একটি উন্নত ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছিলেন। সে লক্ষ্যে তিনি ১৯৭৪ সালে প্রণয়ন করেছিলেন প্রতিরক্ষা নীতি। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে সীমিত সম্পদ নিয়ে বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালেই গড়ে তোলেন বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি, কম্বাইন্ড আর্মস স্কুল এবং সেনাবাহিনীর প্রতিটি কোরের জন্য স্বতন্ত্র ট্রেনিং সেন্টার। বঙ্গবন্ধু একইসঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তিনটি ঘাঁটি উদ্বোধন করেন। ভারত ও যুগোশ্লভিয়া থেকে নৌবাহিনীর জন্য যুদ্ধ জাহাজ সংগ্রহ করেন। ১৯৭৩ সালে সে সময়ের সুপারসনিক মিগ-২১ যুদ্ধবিমানসহ হেলিকপ্টার ও পরিবহন বিমান এবং এয়ার ডিফেন্স রাডারের মত অত্যাধুনিক সরঞ্জাম বিমান বাহিনীতে সংযোজন করেন। আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী লগ্নে জাতির পিতা প্রণীত জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতির শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং কর্মদক্ষতা দেশের গন্ডি পেরিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এন

শেয়ার করুন