শিগগিরই সচল হচ্ছে না ক্যালিফোর্নিয়া, করোনায় সতর্কতার তাগিদ
সংগৃহীত ছবি
করোনাভাইরাস মহামারির কারণে থমকে আছে গোটা বিশ্ব। এমন পরিস্থিতিতে, ক্যালিফোর্নিয়া জুড়ে বাসিন্দাদের ঘরে থাকার নির্দেশনা আরও কিছুদিন বহাল থাকবে। এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন রাজ্যটির কর্মকর্তারা। চলতি সপ্তাহে গভর্নর গেভিন নিউসাম জানান, ভাইরাসের প্রকোপ কমিয়ে আনতে উন্নতি করছে ক্যালিফোর্নিয়া।
তবে ঘরে থাকার নিয়ম শিথিল করতে যে ৬টি লক্ষ্যের কথা তিনি বলেছিলেন সেগুলো পূরণ হয়নি। এ ছয়টি লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে, সম্ভাব্য রোগীদের শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ করা। উচ্চ-ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের সংক্রমণ কমানো। চিকিৎসায় হাসপাতালগুলোর সর্বোচ্চ সক্ষমতা ব্যবহার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাকেন্দ্র ও শিশু-সেবায় নিয়োজিতরা যাতে সামাজিক দূরত্বে সহযোগিতা করতে পারেন তা নিশ্চিত করা। এতে প্রয়োজনে আবারও ঘরে থাকার নির্দেশনা দেওয়া যাবে।
কিছু কিছু অঞ্চলে ভাইরাসের প্রকোপ কম থাকলেও সেসব এলাকায় বিধি-নিষেধ শিথিল করা হবে কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়। শুক্রবার নিউসাম এ ব্যাপারে বলেন, স্থানীয় অঞ্চলগুলোর বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব।
সামাজিক বিধি-নিষেধের বিষয়গুলো ভাইরাস ছড়ানো বা মৃত্যুর সংখ্যা দিয়ে বিচার না করে বরং মোটা দাগে সক্ষমতার নিরিখে দেখার আহ্বান জানান এই গভর্নর।
এদিকে সান ফ্রান্সিসকোর মেয়র লন্ডন ব্রিড জানিয়েছেন বে এররিয়ার ঘরে নিরাপদে থাকার নির্দেশনা বাড়ানো হয়েছে। যা বজায় থাকবে আগামী ৩ মে পর্যন্ত। প্রয়োজন হলে আগামী কয়েক সপ্তাহ কিংবা মাস-খানেক ঘরে থেকে সবাইকে সামাজিক দূরত বজায়ে সহযোগিতার কথা বলেন ব্রিড। তার মতে, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার আগে সিদ্ধান্তের ব্যাপারে দায়িত্ব নিয়ে ভাবতে হবে। যাতে পুনরায় পিছনে ফিরে তাকাতে না হয়।
এছাড়া, সান্তা ক্লেরা কাউন্টি, নাপা কাউন্টি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন বাসিন্দাদের ঘরে থাকার নির্দেশনা বাড়বে। সলানো কাউন্টিতে ১৭ মে পর্যন্ত ঘরে থাকার নিয়ম বর্ধিত করা হয়েছে। লস এঞ্জেলেস কাউন্টি বিধিনিষেধ ধীরে ধীরে তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করলেও তাতে অনেকটা সময় লেগে যাবে।
ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে করোনাভাইরাসে ৪১ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন অন্তত ১৬৫০ জন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে। সেখানে ১৯ হাজারের বেশি আক্রান্তের বিপরীতে প্রাণ হারিয়েছেন ৮৯৫ জন।
/এলএ বাংলা টাইমস/এন/এইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন