ক্যালিফোর্নিয়ায় লকডাউনে গরুর মাংস কেনায় গ্রাহকদের নমনীয় হওয়ার তাগিদ
ক্যালিফোর্নিয়ার প্রাণিসম্পদ বিভাগের প্রধান জনসাধারণকে গরুর সিনার মাংস ছাড়া গরুর অন্যান্য অংশের মাংস খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন মাংসের টুকরার চেয়ে সিনার মাংস কিনুন। সম্ভব হলে সরাসরি কোনও স্থানীয় কসাইয়ের কাছ থেকে কিনে নিতে পারেন।
সিনার মাংস ফ্রীজে রাখলেও এর স্বাদ সহজে নষ্ট হয়না তাই অনন্য অংশের মাসং খেলেও সিনার মাংস ফ্রীজ করে রাখলে লক ডাউন পরবর্তী মাংসের বাজার ও দাম স্থিতিশীল থাকবে। এবং বর্তমানে ছোট বাজার কসাইদেরও আর্থিক ক্ষতি হবেনা। এখন গরুর মাংস খাওয়াতে ক্রেতারা নমনীয় হলে বাজারের সামঞ্জস্যতা টিকে থাকবে। কেননা ক্রেতার চাহিদা অনুপাতে লকডাউনে গরুর মাংসের সরবারহ কম ।
ক্যালিফোর্নিয়ার গবাদি পশু পালক এবং সরবরাহকারীদের ভাষ্যমতে, করোনার কারণে দেশজুড়ে বড় বড় মাংস প্রক্রিয়াকরণ সেন্টারগুলো বন্ধ রয়েছে। তােই প্রক্রিয়াজাত গরুর মাংস কম মিলছে। এই সময়টাতেও তারা তাদের গবাদিপশু বাজারে আনার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে ক্রেতারা শাখা ছাড়িয়ে সরবরাহ যথাযথ প্রক্রিয়াকে স্থির রাখতে সহায়তা করতে পারে।
এই সময়টাতে করোনাভাইরাস সংকট যেমন সাধারণ খাদ্য সরবরাহের প্রক্রিয়াগুলোকে বাধাগ্রস্ত করে চলেছে, গরুর মাংস শিল্পেও তার প্রভাব পড়েছে। তাই তারা গবাদি প্রাণী বিক্রির নতুন কোনো উপায় খুঁজছে এবং বাজারকে আরো প্রসারিত করতে চাচ্ছে।
এই শিল্পের কর্মচারীদের মধ্যে করোনভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশব্যাপী কয়েক ডজন প্রসেসিং প্ল্যান্ট বন্ধ হয়ে গেছে। ইউনিয়নগুলি শ্রমিকদের আরও সুরক্ষার জন্য আহ্বান জানিয়েছে, এমনকি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মানুষের খাদ্য ঘাটতি পূরণে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানিয়েছেন।
ভাগ্যক্রমে, গবাদি পশুকে মুরগির মাংস এবং শুয়োরের মাংসের চেয়ে বেশি সময় ফ্রীজ করে রাখা যায়। আর এর ভেতর গরুর মাংসের টুকরার চেয়ে সিনার মাংস দীর্ঘক্ষন ফ্রীজে রাখলেও এর স্বাদে কমতি আসেনা।
এতকিছুর পরেও গ্রাহকদের এখন মাংস সংগ্রহ করা উচিত নয়, কারণ সরবরাহ এবং চাহিদার মধ্যে যাতে ভারসাম্য থাকে এবং মূল্য নির্ধারণের মধ্যে অস্থিরতাবাজারে না আসে। এই শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলেছে, ক্রেতাদের ভয় করা উচিত নয় যে হঠাৎ কোনও মাংস থাকবে না, কারণ ক্যালিফোর্নিয়ায় গবাদিপশু প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। তবে এই লকডাউনের সময় তাদের ধৈর্য ধরতে হবে।
এলএবাংলাটাইমস/এসএস/এলএ
News Desk
শেয়ার করুন