করোনায় লস এঞ্জেলেসের সুবিধাবঞ্চিতরা কেমন আছে?
সংগৃহীত ছবি
করোনা মহামারিতে প্রকট হয়ে উঠেছে সামাজিক বৈষম্যের রূপ। লস এঞ্জেলেসও সুবিধাবঞ্চিতরা ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ভুগছেন। অনেকেরই ইনস্যুরেন্স নেই, নেই সঞ্চয়। চিকিৎসাসেবা কিংবা সামাজিক নিরাপত্তার অভাবে নিদারূণভাবে লড়ছেন করোনার সঙ্গে। ভেষজ চিকিৎসার মাধ্যমে রোগ থেকে মুক্তির চেষ্টা করছেন।
৫৭ বছর বয়স্ক লস এঞ্জেলেসের স্বাস্থ্য-সেবিকা লিলি। তিনি গত মাসে করোনা সংক্রমিত হয়েছিলেন। সেদ্ধ মশলা পানি খেয়ে ও সনাতন পদ্ধতিতে তিনি করোনার চিকিৎসা চালিয়ে গেছেন। লিলি বেঁচে গেলেও এমনটা সৌভাগ্য হয়নি আরও অন্তত দুইজন ফিলিপিনো স্বাস্থ্য-সেবিকার। যারা করোনায় সংক্রমিত হয়েছিলেন।
লস এঞ্জেলেসে করোনা ধনী-গরিব সব শ্রেণির মানুষকে আঘাত করেছে। তবে ক্ষতিটা সবার সমান হয়নি। যারা স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে আছে এবং অসমতায় ভুগছে তাদের ভোগান্তি অন্যদের চেয়ে বেশি। ফিলিপিনো টাউনের অভিবাসীরা কিংবা ল্যাটনিক্স ফ্যাক্টরিতে যারা মাস্ক সেলাই করছে অথবা সাউথ লস এঞ্জেলেসের জরুরি সেবাকর্মীরা করোনায় বেশি বিপর্যস্ত হয়েছে।
লিলি অভিযোগ করে বলেন, আমি সরকারের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সাহায্য পায়নি। কারণ আমি বৈধ নই।
ঘরে বসে থেকে লিলি কোয়ারাইন্টাইনে সময় কাটিয়ে কীভাবে জীবন ব্যয় নির্বাহ করবেন তা জানেন না । লিলির সন্তানেরা থাকে ফিলিপাইনে। তাদের সাহায্য করা ও অর্থ পাঠানোও তার জন্য এখন মুশকিলের ব্যাপার।
‘আমি সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করছি। সময়টা সত্যি কঠিন’ বলেন তিনি।
সম্প্রতি এক গবেষণায় সামাজিক বৈষম্যের বিষয়টিও উঠে এসেছে। ইউসি বার্কলি ইন্সটিটিউট অব গভর্নমেন্ট স্টাডিজ এর জরিপে দেখা যায় করোনায় অসাম্য বেড়েছে । জরিপে অংশগ্রহণকারী জানিয়েছেন, করোনার এই সময়ে জাতিগত বৈষম্যের শিকার হয়েছেন অনেকে। আমেরিকায় কালোদের ওপর এর প্রভাব পড়েছে বলেও মত দিয়েছেন অনেকে।
/এলএ বাংলা টাইমস/এন/এইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন