যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 02:48pm

|   লন্ডন - 09:48am

|   নিউইয়র্ক - 04:48am

  সর্বশেষ :

  ১১ সপ্তাহ লকডাউনের পর উন্মুক্ত উহান   যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৯৭০ জনের প্রাণহানি   ‘ওয়াইএমসিএ’র ছাঁটাইকৃত কর্মীদের চাকরির ঘোষণা দিলেন লস এঞ্জেলেস মেয়র   করোনা ঠেকাতে বাধ্যতামূলক মাস্ক পড়ার নিয়ম করল সান বার্নার্ডিনো কাউন্টি   করোনায় কমেছে লস এঞ্জেলেসের সকল প্রকার অপরাধঃ এলএ পুলিশ চীফ   কভিড-১৯; লস এঞ্জেলেসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৯; আক্রান্ত ৬ হাজার ৯১০   গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা লকডাউন   বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি   পুলিশের মহাপরিদর্শক হচ্ছেন বেনজীর, র‌্যাব মহাপরিচালক মামুন   করোনাভাইরাস: বিশ্বব্যাপী সুস্থ হয়ে উঠেছে ৩ লাখ মানুষ   ফ্রান্সে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো   নিউইয়র্কে মর্গে জায়গা নেই, ফ্রিজে লাশ রাখার সিদ্ধান্ত   সিঙ্গাপুরে একদিনে ৪৭ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত   বিশ্বনবীর মিম্বর থেকে করোনা নিয়ে যা বললেন শাইখ সুদাইস   এখন থেকে লস এঞ্জেলেসের যে কোন বাসিন্দা করোনা টেস্ট করাতে পারবে

>>  প্রবাসী কমিউনিটি এর সকল সংবাদ

সিঙ্গাপুরে একদিনে ৪৭ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত

সিঙ্গাপুরে আরও ৪৭ বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

এ নিয়ে সিঙ্গাপুরে ১১৫ বাংলাদেশির করোনায় আক্রান্তের তথ্য জানা গেল।

গত কয়েক দিন ধরে সিঙ্গাপুরে করোনায় বাংলাদেশিদের আক্রান্তের হার বেড়েছে। এদের অধিকাংশই এস১১ ডরমেটরি ও তোহ গুয়ান এলাকার ওয়েস্টলাইট ডরমেটরিতে থাকতেন। আক্রান্তের হার বাড়তে থাকায় রোববার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই দুই ডরমেটরিতে থাকা ২০ হাজার শ্রমিককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে ১০৬ জনের করোনায় আক্রান্তের

বিস্তারিত খবর

করোনা: যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা বাকের আজাদের মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৭ ০২:৪৩:২৯

কমিউনিটির প্রিয়মুখ, বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি কমিটির সদস্য, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আজাদ বাকের আর নেই। তিনি সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর রাত ৩ টা ৪০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহে.....রাজিউন)।

জানা যায়, তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৮দিন যাবৎ এলমহাস্ট হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তাঁর ছেলে রোহান হোসেন এবং বন্ধু আনোয়ার ইসলাম আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য যে, গত বেশ কয়েক বছর তিনি কিডনির জটিল সমস্যায়ও ভুগছিলেন।


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এএল

বিস্তারিত খবর

কানাডায় করোনায় মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৬ ০৭:০২:৪০

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫ এপ্রিল কানাডায় টরন্টোতে দ্বিতীয় বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। ৭২ বছর বয়স্ক মুক্তিযোদ্ধা হাজী তুতিউর রহমান ওরফে তুতি ভাই স্থানীয় মাইকেল গেরন হাসপাতালে চির বিদায় নিলেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তিনি গত দুই সপ্তাহ ধরে আইসিইউতে ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই মেয়ে, এক ছেলে এবং স্ত্রী রেখে গেছেন। তুতিউর রহমানের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায়। তিনি মৌলভীবাজার জেলা এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ছিলেন।

গতকাল ৪ এপ্রিল অটোয়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান প্রথম বাংলাদেশি হাজী শরিতুল্লাহ। আজ তাকে স্থানীয় মেনোটিস্থ অটোয়া মুসলিম সেমিট্রতে দাফন করা হয়। জালালাবাদ পত্রিকার সম্পাদক রুহুল চৌধুরী জানান, মরহুমের লাশ ডল ল্যান্ডের মদিনা মসজিদ জানাজা-দাফনে অস্বীকার করেছে। কারণ, এই পরিস্থিতিতে সেখানে করোনায় মৃত ব্যক্তিদের জানাজ-দাফন করা স্থগিত রেখেছে। ফলে পরিবার নাগেট মসজিদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছেন। কিন্তু এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে নাগেট মসজিদে জানাজা হলে পিকারিং কবরস্থানে দাফন করা হবে।

অপর এক খবরে প্রকাশ, এ পর্যন্ত কানাডায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,৫১২ আর মৃত্যুবরণ করেছেন ২৮০ জন। বর্তমানে টরন্টো এবং মন্ট্রিয়লে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি আইসিইউতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এএল

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাজ্যে করোনায় মা-ছেলেসহ ৩০ বাংলাদেশীর মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৬ ০৬:৫৭:৫০

কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত তিন দিনে আরো ৮ ব্রিটিশ বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করেছেন। শনি ও রোববার বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তাদের স্বজনরা মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে। সরকারি হিসেবে আলাদাভাবে বাংলাদেশীদের মৃত্যুর খবর প্রকাশ না করলেও স্যোশাল মিডিয়া ও বাংলাদেশী কমিউনিটি মিডিয়ার পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ব্রিটেনে এ পর্যন্ত ৩০ জন বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করেছেন।

সর্বশেষ যে ৮ জন ইন্তেকাল করেছেন তারা হচ্ছেন : লুটন শহরে চার দিনের ব্যবধানে একই পরিবারে মা ও ছেলে মৃত্যুবরণ করেছেন মহামারি করোনায়। গত ১ এপ্রিল ছেলে দীবুল আহমদ ( ৫৪) ইন্তেকাল করেন। ছেলের মৃত্যুর ৪ দিন পর ৫ এপ্রিল মারা যান দীবুল আহমদের মা। শুধু মা-ছেলের মৃত্যুই শেষ নয়, আক্রান্ত হয়েছেন দীবুল আহমদের পিতা হাসান আহমদ এবং অন্য তিন ছেলে।

ব্যবসায়ী দীবুল আহমদের দেশের বাড়ী সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের ভাংগী গ্রামে। তিনি ব্রিটেনে ও বাংলাদেশে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। তার মৃত্যুতে লুটনে বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও শোকের ছায়া নেমে আসে।

এদিকে গ্রেটার ম্যানচেষ্টারস্থ হাইডের বাসিন্দা হাইড জামে মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারের বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী মনসুর খান ৩ এপ্রিল শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তার দেশের বাড়ী সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার আসার কান্দি ইউনিয়নের তিলক গ্রামে। হাজী মনসুর খান হার্টে সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হলে তিনি মারা যান । মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে।

শনিবার রাতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের হাইডের বাসিন্দা মোঃ আকিকুর রহমান। তিনি টেইমসাইড জেনারেল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে শুধু হাইডে ৫ জন বাংলাদেশি করোনায় মারা গেছেন। মরহুম আকিকুর রহমানের দেশের বাড়ী সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার কুবাজপুর গ্রামে।

এদিকে রাজধানী লন্ডনে শনিবার সকালে ইন্তেকাল করেছেন ইসলামিক স্কলার আবু সাঈদ আনসারীর শাশুড়ী। তিনি প্রবীন মুরব্বি সানোয়ার আলীর স্ত্রী রূপজান বিবি। তিনি মিডলসেক্স হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগলেও সম্প্রতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। কিছু দিন তাকে হাসপাতালেও রাখা হয়। ওয়েস্ট লন্ডনের বাসিন্দা রুপজান বিবি ৪ মেয়ে ২ পুত্র সন্তান রেখে গেছেন। তার দেশের বাড়ী সিলেট দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজারের বনগাঁও গ্রামে।

রোববার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এনামুল ওয়াহিদ (৩২) নামে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউকে বাংলা প্রেসক্লাব সভাপতি কে এম আবু তাহের চৌধুরী। বাংলাদেশে এনামুল ওয়াহিদের বাড়ি নবীগঞ্জের মোস্তফাপুর। তিনি লন্ডনের চেডওয়েলহিথের বাসিন্দা। এর আগে গত সপ্তাহে এনামুলের বড় ভাইও করোনায় মারা গেছেন।

এদিকে লন্ডনের ইলফোর্ডের একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন ব্যবসায়ী দিলাল আহমদ। ৩ এপ্রিল শুক্রবার দুপুরে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। তার দেশের বাড়ী সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার পূর্ববাঘা ইউনিয়নের তুড়–গাও গ্রামে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে রেখে গেছেন।

শুক্রবার সকালে লন্ডনের ইজলিংটনের বাসিন্দা এরশাদ মিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হোমারটন হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তার দেশেরবাড়ী মৌলভীবাজারের পাগুলিয়ায় বলে জানিয়েছেন কমিউনিটি নেতা কে এম আবু তাহের চৌধুরী। মরহুম এরশাদ মিয়া সম্পর্কে এর চেয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি।


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এএল

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে করোনা আক্রান্ত সাংবাদিক স্বপন আর নেই

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-৩০ ১৯:৫১:৩২

বাংলাদেশ ও নিউইয়র্কের জনপ্রিয় ফটো সাংবাদিক এ হাই স্বপন আর নেই। ইন্না… রাজেউন। তিনি সোমাবার দুপুর ১২ টা ৫০ মিনিটে নিউইয়র্কের কুইন্স হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভূগছিলেন। ভারতে তার কিডনি প্রতিস্থাপনের উদ্যোগও নেয়া হয়েছিল। নিউইয়র্কের সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে স্বপন হাইয়ের জন্য একটি ফান্ডরেজিং কনসার্ট করা হয় গত ৬ মার্চ। যেখানে সাংবাদিক ও কমিউনিটির অনেক বন্ধুরা সাহার্য্যে এগিয়ে এসেছিলেন। গত ২৮ মার্চ তাঁর দেশে চলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি অনকূলে না থাকায় তা হয়ে উঠেনি এবং এর মধ্যে তিনি কিডনি ডায়ালাসিসের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে তার করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়। আজ সোমাবার দুপুর ১২ টা ৫০ মিনিটে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
স্বপন হাই বাংলাদেশের বাংলা বাজার, মানবজমিনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৪ সাল থেকে তিনি নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। এর মধ্যে তার ওপেন হার্ট সার্জারি হয় এবং গত বছর তার কিডনি সমস্যা দেখা দেয়। তিনি নিয়মিত ডায়ালাসিসে ছিলেন। আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি দর্পণ কবীর তার দেশে ফেরাসহ সার্বিক বিষয়ে তত্বাবধান করছিলেন।
স্বপন নিউইয়র্কের প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা, সাপ্তাহিক আজকাল ও টিবিএন২৪ টেলিভিশনে কাজ করেছেন।। তার এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে। স্ত্রী ঢাকার একটি স্কুলে চাকুরি করেন।
নিউইয়র্কে স্বপন তার বড় ভাই মতিনের জ্যামাইকার বাসায় থাকতেন।

বাংলাদেশ সোসাইটির তত্বাবধানে হাসপাতালের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে স্বপনকে নিউজার্সির বাংলাদেশ সোসাইটির কবস্থানে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন সোসাইটির সহ সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার। স্বপনের মৃত্যুতে আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লারে পক্ষ থেকে দর্পণ কবীর ও সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাগর, সকাল কার্যকরী সদস্য ও সাধারণ সদস্যদের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করেছেন।

এলএবাংলাটামইস/এলআরটি/এনওয়াই

বিস্তারিত খবর

সিঙ্গাপুরে আরও ২ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৮ ১৯:৫০:০৩


সিঙ্গাপুরে আরও দুই বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শুক্রবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এ নিয়ে সিঙ্গাপুরে সাত বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। এদের মধ্যে চার জন সুস্থ হওয়ায় তাদেরকে চলতি মাসের প্রথম দিকে  হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আক্রান্ত দুই বাংলাদেশি সিঙ্গাপুরে ব্যবসা করেন। তারা দুজনই লং টার্ম পাসধারী। ২৬ মার্চ এদের এক জনের আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ২৮ বছরের ওই ব্যক্তি স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন। আক্রান্তের তালিকায় তার ক্রমিক ৭১০। আক্রান্ত অপর বাংলাদেশির বয়স ৩৩। ২৭ মার্চ তার আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনিও স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন। তালিকায় তার ক্রমিক ৭১৮।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এএল

বিস্তারিত খবর

জার্মানিতে পাঁচ বাংলাদেশি করোনা আক্রান্ত

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৮ ১৯:৪৪:৩৮

জার্মানিতে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে অন্তত পাঁচজন বাংলাদেশি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বার্লিনে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ। শনিবার তিনি ডয়চে ভেলেকে বলেন, আক্রান্ত পাঁচজনের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুইজন নারী। এদের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের সদস্য, যারা বার্লিনের বাসিন্দা। বাকি দু'জনের একজন মিউনিখ এবং অন্যজন ম্যুন্সটার শহরের বাসিন্দা।

করোনা আক্রান্ত বাংলাদেশিদের মধ্যে একজন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বার্লিনে করোনা আক্রান্ত পরিবারের এক পুরুষ সদস্য নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তবে, সেই পরিবারের অন্য সদস্যদের অবস্থা উন্নতির দিকে। মিউনিখে যিনি আক্রান্ত হয়েছেন তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন, তবে এখন তার অবস্থা উন্নতির দিকে আর মুন্সটারে আক্রান্ত ব্যক্তি ‘হোম কোয়ারান্টিনে' রয়েছেন।

আক্রান্তদের মধ্যে দু'জনের বয়স চল্লিশের কোঠায় আর বাকি তিনজনের বয়স ত্রিশের নীচে উল্লেখ করে তথ্য সুরক্ষা আইনের কারণে তাদের সম্পর্কে আর কোন তথ্য দেননি রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ।

উল্লেখ্য, জার্মানিতে করোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা এই সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত, তারা যেখানে অবস্থান করছেন সেখানকার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছেন বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এএল

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে করোনায় মৃতদের জানাজা পড়াচ্ছেন বাংলাদেশি আলেম

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৮ ০৯:২০:৩৪

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীদের জানাজার নামাজ পড়িয়ে প্রশংসায় ভাসছেন বাংলাদেশি এক ইমাম। বাংলাদেশি আলেমের এমন সাহসী উদ্যোগের প্রশংসা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জানা যায়, নিউইয়র্কে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তিদের জানাজা নিয়ে তাদের পরিবারের সদস্যরা বেশ চিন্তিত ছিলেন। দারুল উলুম নিউইয়র্কসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করেও তারা কোনো সাড়া পাচ্ছিলেন না।

এসময় এগিয়ে আসেন আন-নূর কালচারাল সেন্টার নিউইয়র্কের প্রিন্সিপাল মুফতি ইসমাইল। তিনি একে একে করোনা ভাইরাসে মৃত্যুবরণকারী ৪ বাংলাদেশীর জানাযা পড়ান।

শুক্রবারই নিউইয়র্কে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪ বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেন। এদের মধ্যে জ্যাকসন হাইটস (খাবার বাড়ি) দারুল হিদায়া মসজিদের একজন মুয়াজ্জিনও ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশি আলেম মুফতি ইসমাইল বলেন, একজন আলেম হিসেবে মৃত মুসলমানের জানাজা পড়ানো আমার নৈতিক কর্তব্য। নিজের কর্তব্যবোধ থেকেই আমি জানাজা পড়িয়েছি। ভবিষ্যতেও আমি এই কর্তব্য পালন করে যাব। ইনশাআল্লাহ। রোববার আরও এক করোনায় মৃত্যুবরণকারীর জানাজা পড়াবেন বলেও জানান তিনি।

এ দিকে আন-নূর কালচারাল সেন্টার বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মুফতি সালমান জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীদের অনেকেই জানাজার নামাজ পড়াতে সাহস করেন না। বাংলাদেশেও ইতিমধ্যে কয়েকজনের জানাজা ছাড়া দাফন হয়েছে। বিষয়টি দুঃখজনক।

তিনি বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হলে আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম মেনে তার জানাজার নামাজ আদায় করার ঘোষণা দিয়েছি।


এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

মালয়েশিয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা, দেশে ফিরতে চায় তারা

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৮ ০৫:১৪:৫৭

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গোটা মালয়েশিয়াজুড়ে চলছে লকডাউন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হচ্ছেন না ঘর থেকে। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো মালয়েশিয়া। এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন দেশটির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত প্রায় ৬ হাজারের অধিক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী।

এ পরিস্থিতিতে দেশে ফিরে আসতে চাইছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত এ সব শিক্ষার্থী। তারা মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ক্যাম্পাসের আশপাশের সুপারশপগুলো বন্ধ হওয়াতে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনতে বেগ পেতে হতে হচ্ছে তাদের। এমনকি ক্যাম্পাসে বাইরের লোকজন ভেতরে প্রবেশের অনুমতিও মিলছে না। আগামী জুলাই পর্যন্ত দেশটির সকল ইউনিভার্সিটি কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশজুড়ে ভাইরাসে দুই হাজার ১২১ জন আক্রান্ত হয়েছে। মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কেউ এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল বাশার বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও পরিবারের মধ্যে গভীর উদ্বেগ বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস জুন পর্যন্ত বন্ধ করেছে সরকার। ছাত্রদের অনেকেই বাংলাদেশে ফিরতে চান। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনকে অনাবাসী বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়ানো এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে তাদের সহায়তার জন্য বিশেষ বিমান এবং উদ্দীপনা প্যাকেজের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলামে আশ্বস্ত করেছেন, যারা ফিরে যেতে চায় তাদের বিষয়েও কথা হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে। যেহেতু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধ রয়েছে চলমান পরিস্থিতি ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে।

ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়ার প্রফেসর এস এম আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, নিঃসন্দেহে আমরা করোনাভাইরাসের জন্য খুবই খারাপ সময় পার করছি। এর তুলনা করার সাধ্য নাই আমার। যার যার সাধ্যমতো সেইফ অ্যান্ড সিকিউরড থাকতে হবে। আপনারা দয়া করে ফেসবুকে করোনাভাইরাস নিয়ে প্যানিক (আতঙ্ক) না করে করোনাভাইরাসের জন্য সতর্ক থেকে মাস্ক ব্যবহার করুন। সাবধানে থাকুন।

তিনি বলেন, আমরা এখনো ভালো আছি, বেঁচে আছি। আমরাও দেশে যেতে চাই, তবে ভাইরাস নিয়ে নয়। আমরা নিয়ম মানছি, সতর্ক আছি।
ইউনিভার্সিটি মালয়ার বাংলাদেশি গবেষক খালেদ শুকরান জানান, চিকিৎসাকর্মীরা তাদের বাড়িতে না গিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। হাতে গোনা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের এই পরিস্থিতি প্রতিরোধ ও মোকাবিলা করতে নির্দেশিকা নিয়মিতভাবে জানানো হচ্ছে এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে খোঁজ নেয়া হলেও ইউনিভার্সিটি মালয়ার বিদেশি শিক্ষার্থীদের কোনো খোঁজ নেয়া হচ্ছে না। বিদেশি শিক্ষার্থীরা তাদের পরিবার নিয়ে রয়েছেন উৎকণ্ঠায়।

ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত মো. আব্দুল রউফ বলেন, সন্দেহ নেই, বর্তমানে আমরা কঠিন সময় অতিবাহিত করছি। এরপরও বলব, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা যারা মালয়েশিয়ায় আছি, এটি মোকাবিলা করার জন্য যে পরিমাণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে অন্য কোথাও এত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তবে এ পরিস্থিতিতে অনেকে দেশে ফিরতে চাইছেন বলে জানান তিনি।

সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত বৃষ্টি খাতুন বলেন, এখানের অবস্থা খুব একটা ভালো না। আমি আতঙ্কের মধ্যে আছি। রাস্তাঘাটে কোনো মানুষ নেই। সরকারের প্রতি আমার অনুরোধ, এখানে আমরা যারা বাংলাদেশিরা আছি, তারা আক্রান্ত হওয়ার আগেই ব্যবস্থা নিলে ভালো হয়।

এদিকে, করোনার প্রভাবে গোটা মালয়েশিয়া ভূতুড়ে নগরীতে পরিণত হয়েছে। শহরের রাস্তা জনমানবশূন্য। ১৮ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বেধে দেয়া এ আদেশ বাড়ানো হয়েছে চলবে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রাণঘাতী করোনার কারণে সর্বসাধারণের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে আনতে নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা।
সরকার করোনাভাইরাসের আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা এবং ডাক্তারদের জন্য আলাদা ফান্ড গঠন করেছে। দেশটির ব্যবসায়ীরা এ কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এছাড়া মালয়েশিয়ার মন্ত্রীদের দুই মাসের বেতনও দান করেছেন এ ফান্ডে।

বিনা কারণে ঘর থেকে বের হলেই করা হচ্ছে জেল জরিমানা। সরকারের দেয়া নিয়ন্ত্রণ অমান্য করায় আটক করা হয়েছে প্রায় জনকে। এ অবস্থায় বাংলাদেশিসহ সকল প্রবাসী চরম দুশ্চিন্তা-আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় দিনাতিপাত করছেন। সাময়িক অসুবিধা হলেও অবস্থানরত দেশের নিয়ম-কানুন মেনে চলছেন প্রবাসীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর (দ্বিতীয়) মো. হেদায়েতুল ইসলাম জানান, মালয়েশিয়া সরকারের আদেশে লকডাউন চলছে। সেখানে বা মালয়েশিয়ার অন্যকোনো স্থানে বাংলাদেশি কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর নেই। ইতিমধ্যে ঢাকায় জানানো হয়েছে এখানকার পরিস্থিতি।

বাংলাদেশ দূতাবাস কোনো খোঁজ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করছে দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি অনেক ছাত্র। এ বিষয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, দূতাবাস থকে ২৪ ঘণ্টা হটলাইন সেবা দেয়া হচ্ছে। দূতাবাস কর্মকর্তারা পালাক্রমে ডিউটি দিচ্ছেন। আমরা রাজধানীসহ অন্যান্য শহরে অবস্থানরত সবার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি। যে সমস্যা নিয়ে ফোন করছেন তাদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

ক্রেন দিয়ে সমাধিস্থ হলেন নিউইয়র্কে করোনায় মৃত্যু বরণকারী তৃষা

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৮ ০১:৪৫:৩৮

করোনা ভাইরাসে নিউইয়র্কে জীবন দিলেন বাংলাদেশি তৃষা। মৃত্যুর তিনদিন পর সমাধিস্থ হলেন লং আইল্যান্ডে। সম্পূর্ণ যান্ত্রিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হলো দাফন-কাফন। ক্রেন দিয়ে কবরে নামানো হলো তরুণীর পবিত্র মরদেহ।

কোবিড ১৯-এ আক্রান্ত তৃষা মারা যান ২৩ মার্চ। নিউইয়র্কে জ্যামাইকার হাইল্যান্ড অ্যাভিনিউয়ে ছিলো বসবাস। স্বামী বোরহান চাকলাদার পেশায় 'উবার' চালক। তিনটি প্রাণবন্ত সন্তানের দুটি মেয়ে একটি ছেলে। কনিষ্ঠ ছেলে সন্তানটির বয়েস মাত্র ৪২ মাস। নিউইয়র্কে তৃষার প্রবাসজীবন মাত্র চার বছরের।

বাবা মনির হোসেন হাওলাদার একাত্তরের বীর-মুক্তিযোদ্ধা। পৈতৃকবাস মুন্সিগন্জের সিরাজদিখান উপজেলার মধ্যপাড়া-তেলিপাড়ায়। তৃষার পুরো নাম আমিনা ইন্দালিব। জন্ম ১৯৮২-এর ১৬ জানুয়ারি মুন্সিগন্জে। গুণবতী ও রূপবতী হিসেবে ছিলেন সবার প্রিয়ভাজনেষু। আকস্মিক প্রয়াণে স্বদেশে-প্রবাসে শোকের ঢল নেমেছে।
৪২ মাসের শিশু-সন্তানটির প্রতিপালন নিয়েও সিদ্ধান্তহীনতা চলছে। তবে সিটির পুলিশবিভাগ সরকারিভাবে লালন-পালনে আগ্রহী।

উল্লেখ্য, করোনা'য়  নিহতদের লাশ দাফন নিয়েও সমস্যা বিস্তর। স্বাস্থ্যবিধিতে হাত দিয়ে লাশ ধরার বিধান নেই। করোনা' 'ছোঁয়াছুঁয়ি' রোগ হওয়ায় সেবাকর্মীরা সমাধিকর্মে অনাগ্রহী। তবুও বাংলাদেশ সোসাইটির হস্তক্ষেপে জটিলতার নিরসন হয়। লং-আইল্যান্ডের কবরস্থানে দ্রুত 'সমাধি' বরাদ্দ দেয় সোসাইটি। সভাপতি-সম্পাদক কামাল আহমেদ ও রুহুল-আমিন সিদ্দিকী তৎপর হন। অবশেষে ২৬ মার্চ ধর্মীয় মর্যাদায় দাফনকর্ম সম্পন্ন হয়। ক্রেনের মাধ্যমে কবরে নামানো হয় মরহুমার কফিন।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এএল

বিস্তারিত খবর

ইরা‌নে ক‌রোনা জীবাণু নাশক স্প্রে নি‌য়ে রাস্তায় প্রবাসী বাংলা‌দেশীরা

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২১ ০৯:২০:৪৪

ইরানের রাজধানী তেহরান থে‌কে ১২০ কি‌লো‌মিটার দূ‌রে কোম শহর অব‌স্থিত। বি‌ভিন্ন শিক্ষা ও গ‌বেষণা প্র‌তিষ্ঠানসহ ধর্মীয় কার‌ণে শহর‌টি অ‌নেক গুরুত্বপূর্ণ। গত ১৯ ফেব্রুয়া‌রি সর্বপ্রথম এ শহ‌রেই দু'জ‌নের শরী‌রে ক‌রোনা ভাইরা‌সের অ‌স্তিত্ব পাওয়া যায়।

ক‌রোনা ভাইরা‌সে ভয়াবহ অাকার ধারণ কর‌লে ইরা‌নের কোম শহ‌রে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা‌সিজ, যুব প্র‌তি‌রোধসহ বি‌ভিন্ন সংগঠন বিনামূ‌ল্যে জীবাণু নাশক দ্রবণ বিতরণ ক‌রে। যুব প্র‌তি‌রোধ সংগঠ‌নের পক্ষ থে‌কে শহ‌রের যুবক‌দের সেচ্ছায় ক‌রোনা ভাইরাস নির্মূ‌লে জীবাণু নাশক স্প্রে নি‌য়ে রাস্তায় নে‌মে অাসার অাহ্বান জানা‌নো হয়। জীব‌নের মায়া ত্যাগ ক‌রে তা‌দের অাহ্বানে সাড়া দি‌য়ে স্থানীয় ইরানী‌দের পাশাপা‌শি কোম শহ‌রে অধ্যয়নরত ক‌য়েকজন বাংলা‌দেশী তরু‌ণের একটা গ্রুপ রাস্তায় নে‌মে অা‌সে এবং তারা মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস প‌ড়ে ক‌রোনা ভাইরাস নির্মূ‌লের জন্য শহ‌রের বি‌ভিন্ন জায়গায় জীবাণু নাশক স্প্রে ক‌রে।

এসময় তা‌দের হা‌তে বাংলা‌দেশের জাতীয় পতাকা দেখ‌তে পাওয়া যায়। ক‌রোনা ভাইরাস নির্মূ‌লে এ‌গি‌য়ে অাসায় স্থানীয় ইরা‌নী‌দের প্রশংসায় ভাস‌ছেন বাংলা‌দেশী তরুণরা। উ‌ল্লেখ্য, ইরা‌নে প্র‌তি ঘন্টায় করোনা ভাইরা‌সে নতুন অাক্রান্ত হ‌চ্ছেন ৪০ জন এবং মারা যা‌চ্ছেন ৬ জন। এ পর্যন্ত ইরা‌নে ক‌রোনা ভাইরা‌সে অাক্রান্ত ব্য‌ক্তির সংখ্যা প্রায় ১৮ হাজার ৪০৭ জন। মৃত্যু হ‌য়ে‌ছে ১২৮৪ জনের অার ক‌রোনা ভাইরা‌স অাক্রান্ত রোগী সুস্থ হ‌য়ে‌ছেন ৫৭১০ জন।


বিস্তারিত খবর

করোনা সংকটে নিউইয়র্কে বাংলাদেশি ডাক্তারের ফ্রি সামগ্রী বিতরণ

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-১৭ ০২:১৭:১২

বাংলাদেশি ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার তার ব্যক্তি উদ্যোগে বৃদ্ধ ও শিশুদের জন্য বিনামূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার সামগ্রী বিতরণ করবেন। নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় এই কার্যক্রম শুরু হবে তার কার্যালয়ের সামনে।

বৃদ্ধ কেউ যদি আয়োজনস্থলে উপস্থিত না হতে পারেন তবে পরিবারে যে কেউ যোগাযোগ করলে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হবে সব সামগ্রী। বৃদ্ধ মানুষকে দেয়া হবে ১০ পাউন্ড বাসমতি চাল, ৩ পাউন্ড মসুর ডাল এবং দুই প্যাকেট বিস্কুট। শিশুদের জন্য থাকবে নুডলস, ব্রেড, জ্যাম নসিলা এবং বিস্কুট।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার বলেন, করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ায় অনেক সংকট তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে খাদ্য সংকট একটি বড় সমস্যা। এ বাংলাদেশি জনসমাজ আমাকে আজকের ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার বানিয়েছে। এই সংকটে যদি তাদের পাশে না দাঁডাতে পারি তাহলে নিজের কাছে নিজেই ছোট হবে যাবো।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার নিজে অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে প্যাকেট করছেন খাবার সামগ্রী। এ সময় তিনি বলেন, বাঙালী জাতির জনকের জন্মদিন আমাদের সবার জন্য গৌরবময় একটি দিন।

আমরা কাজটি শুরু করেছি এই মহান দিনে। তবে যে কারো যে কোনো দিন খাদ্য সংকট দেখা দিলে আমরা দিতে প্রস্তুত আছি। জ্যাকসন হাইটসের ৭২ ব্রডওয়ে আমার অফিসে যে কেউ আসতে পারেন। তবে বৃদ্ধ কেউ না আসতে পারলে আমার নাম্বারে ( ১৭১৮ ৮৪৪ ৩৩৬০) এসএসএস করলে আমরা পৌঁছে দেব।

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাজ্যে করোনা আক্রান্ত আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-১৪ ০১:৫০:১৬


লন্ডনের বাঙালি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটসে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরেক ব্রিটিশ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে পূর্ব লন্ডনের রয়েল লন্ডন হাসপাতালে মারা যান ৬৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। তিনি সিলেটের অধিবাসী।

ওই ব্যক্তির মরদেহ রয়েল লন্ডন হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মরদেহ স্বজনদের কাছে কিভাবে কখন হস্তান্তর করা হবে এবিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

নিহত ওই ব্যাক্তির নাম আফরোজ মিয়া। তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। বাংলাদেশে তার বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জের বাগিরঘাট গ্রামে। এদিকে রয়েল লন্ডন হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক বাংলাদেশির মৃত্যুর খবরে পূর্ব লন্ডনের বাঙালি পাড়ায় আতঙ্ক নেমে এসেছে।

এর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন ম্যানচেষ্টারে বসবাসরত এক বাংলাদেশি(৬০), যিনি ৫/৬ বছর আগে ইতালি থেকে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন ব্রিটেনে।

শুক্রবার পর্যন্ত ব্রিটেনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন মোট ১২জন। এর মধ্যে দুজন বাংলাদেশি। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯৮ জন।

বিস্তারিত খবর

ফ্লোরিডায় তৃতীয় বই মেলা অনুষ্ঠিত

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-১১ ০২:২১:৩৯

গত ৮ মার্চ শনিবার সাউথ ফ্লোরিডার লেক ওয়ার্থের কালচারাল সেন্ট্রারে দিনব্যাপি তৃতীয় ফ্লোরিডা বই মেলা অনুষ্টিত হয় । দুপুর দু টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত ব্ই মেলার মুল অনুষ্টান থাকলেও তা বিকাল চারটা থেকে জমে উঠে । কালচারাল সেন্টার উন্মুক্ত মঞ্চে অসাধারন একটা ষ্টেজে মুল অনুষ্টান চলে ।  বইয়ের নানান ষ্টলের পাশাপাশি ছিল নানান ধরনের ষ্টল । তবে এবার মোট চারটি বইয়েল ষ্টল ছিল । ঢাকার কোন প্রকাশনি ফ্লোরিডা বই মেলায় আসার সুযোগ না থাকলে বই মেলার অন্যতম উদ্ব্যেক্তা বিশিষ্ট গজল শিল্পী সামিরা আব্বাসী জানান, আগামীতে ব্ই মেলায় তাদের অংশ গ্রহন থাকবে ।

বই মেলার আরেকজন সংগঠক আনোয়ারুল খান দিপু জানান, সাউথ ফ্লোরিডায় প্রায় ১৬ থেকে ১৮ হাজার প্রবাসী আছেন । তাদের কথা চিন্তা করেই তিন বছর আগে বই মেলা শুরু করেছি । সময় লাগছে আমাদের , বই মেলা হল লেখক সাহিত্যিক কবি শিল্পীদের মিলন মেলা , তাদের নতুন বই নিয়ে তারা উপস্থিত হন ।

এবারর সর্বোচছ সংখ্যক কবি সাহিত্যি সাংবাদিক ও লেখকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছি । তারা সবাই তাদের নতুন বই নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন । আসলে নিউ ইয়র্কের বই মেলার সাথে সমন্বয় করে বই্ মেলা করতে পারলে ঢাকার প্রকাশকরা আসবেন । এবার প্রবাসী লেখকদের বই আলাদা করে  উপস্থাপন করা হয়েছে ।

বিকাল সাড়ে পাচটার পর থেকে জাতায় সংগীতের মাধ্যমে মুল অনুষ্টা্ন শুরু হয় । ছিল বাচচাদের গান, নাচ , আলোচনা, ও এওয়ার্ড সিরিমনি । ঢাকা ক্লাবের মহিলা সদস্যরা এক রংয়ের আকাশি কালারের শাড়ী পড়ে ছিলেন পুরো বই মেলা জুড়ে । ছিল প্রবাসী কবিদের স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর । সময় বাড়তে থাকে সারা ফ্লোরিডার জনপ্রিয় লেখকরা তাদের পরিজন নিয়ে উপস্থিত হন ।

ফ্লোরিডা বই মেলায় প্রবাসী লেখকদের সম্মেলনে রুপ লাভ করে। লেখক নির্মাতা,গবেষক, শিল্পী ডা সেজান মাহমুদ, যার লেখা বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তকে পড়ানো হয়। অপারেশন জ্যাকপট,লাশ কাটা ঘর তার অসামান্য সৃস্টি। তিনি বই লিখেছেন ১৭ টি, গত কাল তার ১১  টি বই  প্রদর্শিত হয় । এ বছর তার" প্রেম+অনুকাব্য =প্রেমানুকাব্য" "হাভার্ডের স্মৃতি ও অন্য এক আমেরিকা" বেরিয়েছে সেগুলো ও ছিল । সেজান মাহমুদ হুমায়ুন আহমদের সমসাময়িক লেখক।

তৃতীয় বই মেলায় প্রবাসী ষ্টার লেখকদের মধ্যে ছিলেন,- সেজান মাহমুদ,সামিরা আব্বাসী,জুয়েল সাদত, সরকার হারুন, ডা সুলতান সালাউদ্দিন, আফরেজা রহমান,জাহানারা খান বিনা,সোহেল সুলতান,আরমান সোবহান,রুকশানা শরিফা,নাজমুন নাহার ইউনা,স্বপন মাঝি, জনাব জুনায়েদ আক্তার ,সালমা রহমান মিনু, নাজমুস আকিব, জাহান রীমা প্রমুখ। নিউইয়র্ক থেকে উপস্থিত ছিলেন সময় টিভির হাসানুজ্জামান সাকি ও এ প্রজন্মের জনপ্রিয়্ শিল্পী ও ফ্যামিলি ক্রাইসেসের শোভন আনোয়ার। ডা সুলতান সালাউদ্দিন এর সাথে পরিচয় আটলান্টা ফোবানায়, সবাইকে বলে বেড়াচ্ছেন আমি নাকি ভাল কবিতা লিখি, ভাল বক্তা- সেজান মাহমুদকে  বলছেন.। সেজান  মাহমুদ বলেন তার লেখার সাথে আমি পরিচিত ।   বাংলাদেশীদেন মধ্যে জনপ্রিয়  ডেমোক্র্যাট লিডার জুনায়েদ আক্তার আমার কবিতার বই, সিডি নেবার জন্য তাড়া দিলেন।

প্রধান অতিথি লেক ওযার্থ বীচের মেয়র পাম রিওলিও  চম্যকার বক্তব্য রাখেন, ও প্রক্লেমেশন প্রদান করেন। প্রক্লেমেশন গ্রহন করেন ঢাকা ক্লাবের সভাপতি মিম খান । তিনি সে সময় মিম খান  ঢাকা ক্লাবের সকলকে  ,মঞ্চে ডাকেন । পাম এর সাথে এসেছিলেন তার স্বামী ও ।  ডাকেন।পাম এর সাথে আগেও দেখা হয়েছে এবার সে এসেছিল স্বামী নিয়ে, সে বেচারা সবার ক্যামেরা ম্যান হয়ে গেল।

বিশেষ অতিথি নির্মাতা, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন ছিলেন বই মেলার মধ্যমনি। লেখকদের আড্ডায় জীবনের নানান গল্প শোনান। তার আর্কিটেক্ট হবার গল্প সহ নারী দিবসের কথা। সহজ সরল সাবলিল, কিছুটা চুপচাপ তার আচরন। তবে মিশেছেন সবার সাথেই। তিনি ১২ তম বই মেলায় আবার আসবেন জানালেন। প্রবাসী সব লেখকদেরই বই ছিল মেলায়। প্রবাসীদের অনেক বই। সাউথ ফ্লোরিডার বিভিন্ন শহরের প্রবাসীরা বই মেলায় পরিবার পরিজন নিয়ে উপস্থিত হন । অনেকেই নানান বইয়ের ষ্টলে ঘুরে বই কালেকশন করেন। খাবারের দোকানে ও দেশীয় নানান মুখরোচক খাবার । নানান দেশীয় লোকজ আসবাব পত্রের ষ্ঠল । বিকাল ৪ টা থেকে রাত ৯ পর্যন্ত ছিল লেক ওয়ার্থের কালচারাল সেন্টারটি মুখরিত ।

আড্ডা গল্পে,ও নারী দিবসের নানান আলোচনায় মুখরিত ছিল বই মেলা। আয়োজক ঢাকা ক্লাবের সদস্য দের মধ্য মহিলারাই বেশী, তারা এক রংয়ের শাড়ি পড়ে ছিলেন। বাচচাদের ছিল নানান একটিভিটি।। সামগ্রিক আয়োজন টা অসাধারণ।

লেখক,গবেষক, শিল্পী,সুরকার নানান গুনের মানুষ ডা: সেজান মাহমুদ বলেন, আমাদের ফ্লোরিডাতে বই মেলা , এটা আমাদের জন্য বাড়তি পাওয়া । বই আমাদের জীবনের সঙ্গি । আমরা বই ছাড়া টিকে থাকতে পারব না ।  শিল্প সাহিত্যের বিকাশের মাধ্যমেই  বাংলাদেশীদের অবদান বিশ্বের কাছে পৌছাবে । বিচার করলে আমাদের সাহিত্যের কদর বিশ্বের কাছ প্রশংনিয় ।

মুক্তিযোদ্বা ও বিশিষ্ট লেখক ডা: সুলতান সালাউদ্দিন বলেন, বই হল অক্সিজেনের মত । যে যত বেশী পড়বে সে তত বেশী বিকশিত হবে ।

লেখক ও ডেমোক্রাট লিডার জুনায়েদ আক্তার বলেন, আমাদের জীবনের সাথে সাহিত্যকে মিশিয়ে দিতে পারলেই সব অশান্তি , হতাশা , না পাবার বেদনা ভুলে থাকা যায় ।

উত্তর আমেরিকার সব লেখকরাই আমাকে নানান মাধ্যমে চেনেন, এটা একটা বিরাট পাওয়া।

৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস ছিল ,বই মেলায় সাউথ ফ্লোরিডার সকল সংগঠনের নারী সংগঠকরা উপস্থিত ছিলেন । নারীরা সাবাই মঞ্চে গিয়ে নারীদের অধিকার, তাদের নানা অবদান তুলে ধরেন ।  মেহের আফরোজ শাওন বাংলাদেশের নারীদের এগিয়ে যাবার কথা বলেন । তিনি এ্ই বিশেষ দিনটিতে বই মেলা বাড়তি আকর্ষন হিসাবে আখ্যায়িত করেন ।

ঢাকা ক্লাবের দিপু খান  ছিলেন পুরো বই মেলার নৈপথ্যর বিরাট ভুমিকায় । দেশ থেকে অনেক বই দিপু খান সংগ্রহ করে প্রদর্শন করেন।  দিপু খান গত কয়েক মাসে অনেক প্রবাসীদের দিয়ে অনুরেোধ করে বাংলাদেশ থেকে বই আনিয়েছি । দিপু খান জানান  সরকার যদি সুলভে বই আনতে সহযোগীতার করত, তাহলে আমাদের অনেক উপকার হত ।

প্রবাসী লেখকরা বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট গ্রুপে বসে অড্ডা দেন । নতুন ব্ই , প্রকাশনার নানান মাধ্যম, প্রবাসে বই আনার নানা্ন বিড়ম্বনা নিয়ে চলে জম্পেশ আড্ডা ।  প্রকাশনার নানান বিষয় নিয়ে লেখকরা নিজেদের মধ্য আলোচনা ও সম্ভবনা নিয়ে আলোচনা করেন । কেউ কেউ তাদের নতুন নতুন বই নিয়ে লাইভে ছিলেন । এক কথায় বই মেলার পুর্নতায় পুর্ন ছিল লেক ওয়ার্থের বীচের পাশের কালচারাল সেন্টারের প্রাঙ্গন ।

বই মেলার আয়োজক ঢাকা ক্লাবের সভাপতি মিম খান, একজন দক্ষ সংগঠক হিসাবে তিনি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বেশ কয়েকটি অনুষ্টানের সাথে সাথে ব্ই মেলাকেও প্রানবন্ত করে তুলতে সক্ষম হয়েছেন ।
ঢাকা ক্লাবের দিপু খান আমাকেও অনেক বই গিফট করেন, যা আমার জন্য ছিল বাড়তি পাওয়া । চমৎকার আয়োজনে ৩ য় বই মেলাটা জমজমাট ছিল। মিডিয়াতে ছিল,আর টিভি,সময় টিভি,ফ্লোরিডা বাংলা টিভি,টিভি ৫২ বাংলা,প্রথম আলো,প্রবাসের নিউজ, এর আর বি কানেক্ট টিভি।

বিস্তারিত খবর

করোনাভাইরাসে যুক্তরাজ্যে এক বাংলাদেশির মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-১০ ০১:৪৪:০১

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক ব্রিটিশ-বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমণ ধরা পড়ার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ম্যানচেস্টারের এক হাসপাতালে রোববার মারা যান তিনি।

মো: মোহসিন ইসলাম নামে ওই ব্যক্তি সম্প্রতি ইতালি গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পর করোনায় আক্রান্ত হন তিনি।

কুষ্টিয়ার শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. রকিউর রহমান যুগান্তরকে বলেন, আমার খালু মো: মোহসিন ইসলাম (৬০) আমার খালা ও ২ বাচ্চাকে নিয়ে লন্ডনে বসবাস করতেন। সম্প্রতি একটি কাজে তিনি ইতালি ভ্রমণ করেন। লন্ডনে ফিরে তিনি অসুস্থ হন এবং হাসপাতালে ভর্তি হলে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান। পরিবারের সবাইকে হাসপতাল কর্তৃপক্ষ কোয়ারেন্টাইন করে রেখেছে।

মোহসিন ইসলামের ছেলে বিবিসিকে বলেছেন, মাত্র দু’মাস আগেও আমরা জানতাম না করোনাভাইরাস জিনিসটা কী, এই ভাইরাসটাই ছিল না। এখন এই ভাইরাস আমার বাবাকে কেড়ে নিল।

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ৭ মার্চ পালন

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-০৯ ০৫:০২:৩৭

গত রবিরার ৮ই মার্চ  বিকাল ৬:০০টায় নিউইয়কের  জ্যাকসন  হাইটসের মামুন টিউটরিয়ালে এক আলোচনা সভা অনুষটিত হয় ।সভায়  সভাপতিত করেন শরীফ কামরুল আলম হিরা এবং পরিচালনা করেন এ্যডভোক্চ শাহ মো: বখতিয়ার আলী । এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপসতিথ ছিলেন গাইবান্দ জেলা  আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সৈয়দ সামসুল আলম  হিরু।  ।বক্তারা ৭ই মাচে'র ঐতিহাসিক তাৎপর্য  আলোচনা করেন।
উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বকতব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,মোহম্মদ আলী সিদ্দকীসহ,ফারুক হোসেন, ড: সুলতান,হাসান।, জালাল উদ্দিন দলিল।
অন্যানযদের মাঝে বকতব্য রাখেন হাসান দিলানি,মনজুর চেীধুরী,আক্তার হোসেন,খন্দকার জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, দেলওয়ার হোসেন, আতাউর রহমান, নুরননবী সবুজ, আমিনুল ইসলাম, আ: হাদী,জামাল মিয়া, ইবজাল চৌধুরী, এবং মনজুর চৌধুরীসহ আরও অনেকে । সভার প্রারম্ভে ৭৫  সালের ১৫ আগষ্ট সপরিবারে নিহত বংগ বন্ধু ,জাতীয় চার জাতীয় নেতা,৫২ ভাষা আন্দোলন ,৭১ মুক্তি যুদ্ধ সহ সকল গনতন্ত্রাতিক আন্দোলনে নিহতদের সরনে সভায় এক মিনিটকাল নিরবতা পালন করা হয় ।       

বিস্তারিত খবর

সিডনিতে রংধনুর বার্ষিক ট্যালেন্ট আওয়ার্ড ২০১৯ অনুষ্ঠিত

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-০৭ ০৫:১৪:৪০

প্রতিবছরের মতো এবছরও রংধনু অজ-বাংলা কালচারাল সোসাইটি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার বিতরণ করেছে। রংধনুর উদ্যোগে গত ২৯ শে ফেব্রুয়ারি রোজ শনিবার সন্ধ্যায় এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয় সিডনির বাংলা টাউনখ্যাত লাকেম্বার সিনিয়র সিটিজেন সেন্টারে। বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন রংধনুর বর্তমান প্রেসিডেন্ট জনাব ওহাব মিয়া। ঈশিকা এবং অপ্সরা অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলা গানের তালে তালে মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল এমপি টনি বার্ক।

এছাড়াও অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিউ সাউথ ওয়েলসের এমপি মার্ক কুরে এবং কাউন্সিলর নাদিয়া সালেহ , কাউন্সিলর নাজমুল হুদা এবং প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র জনাব কার্ল সালেহ। ২০১৯ সালের বিভিন্ন পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে সাতটি ক্যাটাগরিতে সর্বমোট ৪৫ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন রংধনু পরিবারের সদস্য পলি আহমেদ এবং রানা শরীফ, তাদের সহযোগিতায় ছিলেন ছোট্ট বন্ধু আয়ান হক, সানিয়া বিন্তে আসাদ, আরফি হক, ফারহান শফিক এবং রাফসান খন্দকার। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে NAPLAN Year 3 এর ক্রেস্ট প্রদান করেন ফেডারাল এমপি টনি বার্ক। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মনোরম কবিতা আবৃত্তি করেন নুসরাত জাহান স্মৃতি। তারপর, OC ক্যাটাগরির অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন মার্ক কূরে এমপি, সিলেক্টিভ স্কুল স্টুডেন্টদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন কাউন্সিলর নাদিয়া সালেহ এবং কাউন্সিলর মোহাম্মদ নাজমুল হুদা, NAPLAN Year 5 & 7 ক্যাটাগরিতে পুরস্কার বিতরণ করেন জনাব কার্ল সালেহ প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র। এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন অস্ট্রালবিলট এর কর্ণধার জনাব নজরুল ইসলাম।

এবারের অনুষ্ঠানটি সাফল্যমন্ডিত করার পেছনে অসাধারণ পরিশ্রম করেন রংধনু পরিবারের অন্যতম সদস্য আব্দুল মোতালেব শামসুজ্জামান শামীম, নাফিস খন্দকার, খন্দকার আহসান প্রিন্স, সাইদুল হক মিটুল, ফারিয়া আহমেদ এবং জোবায়ের রশীদ জামী। রংধনুর এবছরের টাইটেল স্পন্সর ছিল অস্ট্রালবিলট এবং অন্যতম প্রধান স্পন্সর ছিল সিটি অফ ক্যান্টারবারি ব্যাংকসটাউন।
অন্যান্য স্পন্সরদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ডেল্টা ল্যান্ডস্কেপিং, লিংকার্স রিয়েলষ্টেট, এক্সপ্রেস টেক্স সলিউশন, হাট-বাজার লাক্যাম্বা, কিডস আর আস ফ্যামিলি ডে কেয়ার, টপ্ আপ প্লাজা, বার্গারস অন ব্রডওয়ে লাকেম্বা, রয়াল সিটি সলিসিটরস, ল্যান্ড এন্ড লিজ রিয়েল এস্টেট, গোল্ডেন ফাইবার অস্ট্রেলিয়া এবং স্টার কিডস। অনুষ্ঠানটির ভিডিওগ্রাফিতে ছিলেন জনাব আনিসুর রহমান, ফটোগ্রাফিতে ছিলেন সিদ্দিক এবং সিফাত, ম্যাগাজিন প্রিন্টিংয়ে সহযোগিতা করেন শাহিন এবং খাদ্য সরবরাহে ছিল মাকসুদা ফুড ক্যাটারিং।
ফেডারাল এমপি টনি তার বক্তব্যে সিডনিস্থ বাংলাদেশি কমিউনিটির অবদানের কথা উল্লেখ করেন এবং পুরস্কার বিজয়ী সকলকে এবং তাদের অভিভাবকদের অভিনন্দন জানান। জনাব মার্ক কুরে তার বক্তব্যে শিক্ষার গুরুত্বের কথা আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানের শেষভাগে মন মাতানো গান পরিবেশন করেন আশিকুজ্জামান সুজন, ফারিয়া আহমেদ এবং রংধনু পরিবারের সদস্যরা। সবশেষে রংধনুর সাধারণ সম্পাদক লিংকন শফিকউল্লাহ ধন্যবাদ বক্তব্য প্রদান করেন এবং অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

রংধনুর এবছরের পুরস্কার বিজয়ীদের নাম মেধা তালিকা এবং ক্যাটাগরি অনুযায়ী নিম্নে দেওয়া হলঃ
NAPLAN 2019 YEAR 3 ক্যাটাগরিতে পারিসা জেবিন, মাহির মিজান, নাজা খান, ফারদিন ইউসুফ, সেহরাজ ইসলাম, সিমরা ইসলাম, তাসফিয়া শফিক এবং আয়াস আহসান। OC ক্যাটাগরিতে আরিব শাহরিয়ার, ফারিজা হোসেন, আনিলা রহমান, আরিশা আজহার এবং রোদেলা হোসেন। NAPLAN 2019 YEAR 5 ক্যাটাগরিতে শেখ আব্দুল্লাহ আল দাইয়ান, উনাইসা হোসেন, মালিহা তাস্নিম। Selective school test 2019 ক্যাটাগরিতে আবরার রুদ্র ইকবাল, আয়ান আজহার, আলীফ হোসেন সিদ্দিকী, সারহান রাসিন, জারিফ উদ্দিন, নাবিহা নাকিব, নামিরা তাওহিদ, পারিসা আজাদ, রুমাইসা ফারুকী, সাহিবা বিনতে উদ্দিন, শ্রেয়শী সমাদ্দার, সাহিব আলম, আয়ান হারুন, মাহির দাইয়ান, পৃথিবী তাজওয়ার, রেমান তাহসিন কবির এবং মুসাররাত বিনতে হাসান। এছাড়াও ক্রিকেটে রাজ খান, ম্যাথমেটিক অলিম্পিয়াডে নাফিউ হাসান এবং কুরআনে সাদমান রহমান। NAPLAN 2019 YEAR 7 ক্যাটাগরিতে সালিহা তাসনিম এবং সামিয়া ইসলাম। 2019 এইচএসসি মেধা তালিকায় রয়েছেন নিমাত চৌধুরী, মোহাম্মদ জাওয়াদ, ফায়াদ নোমানী, ওয়ানিসা জামান, সাদমান হায়দার, রাফসান খন্দকার এবং নুসরাত সামিয়া।

বিস্তারিত খবর

ক‌্যালিফোর্নিয়ায় করোনাভাইরাসে একজনের মৃত্যু: রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-০৫ ০১:২৫:০২


করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ক‌্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ‌্যে এক ব‌্যক্তির মৃত‌্যু হয়েছে।  ফলে সতর্কতামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে রাজ‌্যটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।  এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ রোগে ১০ জনের মৃত‌্যু হয়। নতুন একজনের মৃত‌্যুর মাধ‌্যমে সে সংখ‌্যা ১১ জনে দাঁড়ালো।

সবশেষ মারা যাওয়া ব‌্যক্তির বয়স ৭১ বছর। তিনি রাজ‌্যের স্ক‌‌্যারামেন্তো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। একইসঙ্গে ওই ব‌্যক্তির সম্প্রতি যাত্রীবাহী জাহাজ প্রিন্সেস ডায়মন্ডে করে মেক্সিকো ভ্রমণের তথ‌্য রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার উদ‌্যোগ নিয়েছে হোয়াইট হাউজ।  যদিও এরইমধ‌্যে ১৬টি অঙ্গরাজ‌্যে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাসটি। তাতে আক্রান্ত হয়েছেন দেড়শতাধিক।  আর  মারা যাওয়া ১১ জনের মধ‌্যে ১০ জনই ওয়াশিংটনের বাসিন্দা।

এর আগে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্কে এবং তা প্রতিরোধে পদক্ষেপের অংশ হিসেবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে ফ্লোরিডা।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে শনাক্ত হওয়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে শেষ খবর পর্যন্ত তিন হাজার দুইশ ৮৫ জনের মৃত‌্যু হয়েছে। দেশটিতে সবশেষ ৩১ জনের মৃত‌্যু হয়েছে।  বিশ্বের ৮০টির বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫ হাজারের বেশি মানুষ। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩ হাজারের বেশি মানুষ।


বিস্তারিত খবর

সোনিয়া গান্ধী বাংলাদেশে আসছেন ২৬ মার্চ

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-০৫ ০১:১৭:৫৫

মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ২৬ মার্চ ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী বাংলাদেশ সফরে আসছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বুধবার এ কথা নিশ্চিত করেছেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করতে বাংলাদেশ সরকার বছরব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ১৭ মার্চ ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচি শুরু হবে।

এখন তার ক্ষণগণনা চলছে। মুজিব শতবর্ষের অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথিরাও যোগ দেবেন।

জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সারা বছরই বিদেশি অতিথিরা ঢাকায় আসবেন। উৎসবের সূচনায় ১৭ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ অল্পসংখ্যক বিদেশি অতিথি ঢাকায় আসবেন। পর্যায়ক্রমে গণ্যমান্য অতিথিরাও ঢাকায় পৌঁছবেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যথোপযুক্ত সম্মান জানানো হবে। পাশাপাশি, বাংলাদেশের আশপাশে ভারতের যেসব রাজ্য রয়েছে; ওই সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরও ১৭ মার্চের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তবে তারা মূল অনুষ্ঠানের মঞ্চে থাকবেন না। মঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি ভারতের অতিথিদের মধ্যে শুধু নরেন্দ্র মোদিই উপবিষ্ট থাকবেন।

মুজিববর্ষের কর্মসূচিতে যোগ দেয়ার লক্ষ্যে ২২ মার্চ ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ঢাকায় আসবেন বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ওই দিন জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন হওয়ার কথা রয়েছে। অধিবেশনে প্রণব মুখার্জির ভাষণ দেয়ার কর্মসূচি রয়েছে।

যদিও প্রণব মুখার্জি শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থ থাকায় তার সফর নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তাও রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে আসতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। অনেক দেশে আন্তর্জাতিক ইভেন্ট বাতিল হচ্ছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আগামী ২ বছর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খুব ব্যস্ততা চলছে। প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিস্তারিত খবর

ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের !!

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-০৫ ০১:১০:৫৯

সারা বিশ্বে একের পর এক বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার আরেকটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করেন এমন বিজ্ঞানীরা বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ে আশংকা প্রকাশ করেছেন। অবিলম্বে পদক্ষেপ না নিলে ভয়াবহ পরিণতির ব্যাপারেও সতর্ক করে দিয়েছেন তারা।মহাসাগরগুলি গরম হবার ফলে আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর সংলগ্ন অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় বাড়বে বলে জানাচ্ছে নাসা।

বর্তমানে যে হারে গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ হচ্ছে, তাতে ২০৩০ সালের মধ্যে গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়ে যাবে। এমনটাই জানিয়েছে, ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ বা আইপিসিসি। ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রার ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি সমুদ্রে পানির উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট এবং তার ফলে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ ঝড়, বন্যা এবং খরা দেখা দিতে পারে।
 
অ্যান্টার্কটিকার তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে অ্যামেরিকার গ্রীষ্মপ্রধান শহর লস এঞ্জেলেসের কাছাকাছি হয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে। উত্তর অ্যান্টার্কটিকার আর্জেন্টিনিয়ান গবেষণা স্থল এসপেরেনজা বেসের তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অ্যান্টার্কটিকায় গবেষকরা তাপমাত্রা মাপা শুরু করার পর থেকে আজ পর্যন্ত এটিই সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা। নাসা বলছে, তাপমাত্রা বাড়ার ফলে বরফ গলে পুকুর সৃষ্টি হয়েছে।

উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরুতে বরফ গলার কারণে বাড়ছে সমুদ্র স্তরের উচ্চতা। সমুদ্রতটবর্তী অঞ্চলে যেসব মানুষের বসবাস, বিপদগ্রস্ত হচ্ছে তাদের জীবন। শুধু তাই নয়, পৃথিবীর সার্বিক তাপমাত্রা বাড়ার ফলে এমন সব জায়গায় ঝড়ের প্রবণতা বাড়ছে, যা আগে হয়তো সেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতো না।

চরম আবহাওয়ার ফলে শুধু সমুদ্রস্তরই বাড়ছে না, কিছু কিছু অঞ্চলে বাড়ছে শুষ্কতাও। নাসা জানাচ্ছে, খরা বাড়ার ফলে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় ধরে চলবে দাবানল।এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।

বিস্তারিত খবর

লন্ডনে বাংলাদেশি কিশোর খুন

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-০৫ ০১:০৯:২২

যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের ডকল্যান্ডস লাইট রেলওয়ে স্টেশনের কাছ থেকে শানুর আহমেদ দাইয়ান (১৬) নামে এক বাংলাদেশি কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

দাইয়ানের বাড়ি মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামে। শরীফ আহমেদ এবং ফাতেমা আক্তার দম্পতির বড় ছেলে দাইয়ান। সহপাঠীদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।
 
বিষয়টি নিশ্চিত করে দাইয়ানের দাদা গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাজি শফিক উদ্দিন আহমেদ বলেন, কিছুদিন আগে দাইয়ানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুপক্ষের মারামারি হয়। এতে দাইয়ানসহ কয়েকজন আহত হয়। সোমবার রাতে প্রতিপক্ষের আহতদের দেখতে হাসপাতালে যায় দাইয়ান। হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার বিকেলে লন্ডন শহরের ডকল্যান্ডস লাইট রেলওয়ে স্টেশনের কাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে সেদেশের পুলিশ। এখন পর্যন্ত দাইয়ানের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়নি।

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাষ্ট্রে আসার ১০ মাসের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল তাহমিনার

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-০৪ ০৯:৪৬:০০

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াতে রাজ্যের ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টিতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি এক মধ্যবয়সী নারী। নিহতের নাম তাহমিনা আকতার। দু'টি কন্যা সন্তানের  জননীর সবে মাত্র ৩৯ বছর। বড় মেয়ের বয়স ১৫ আর ছোট্ট খুকির মাত্র ৪ বছর।
২ সন্তানের মা তাহমিনা মাত্র ১০ মাস আগেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। ২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি  যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পান তারা। এরপর ওই বছরের এপ্রিেলর ১৪ তারিখে আমেরিকায় আসেন। আর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটলো ২০২০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। দেশে গ্রামের বাড়ি ফুলগাজি ফেনি, বাংলাদেশ।
 
স্বপ্নের সোনার হরিণের দেশে এসেই জীবন-যুদ্ধে নেমে পড়েন তারা। স্বামী-স্ত্রী মিলে কাজ শুরু করেন। স্থানীয় কয়েকজন জানান, আমেরিকার আসার পর একটি বাড়ির বেইজমেন্ট ভাড়া নেন তারা। জীবনযাত্রা ব্যয় বহুল হওয়া ম্যাকডোনাল্ডসে কাজ নেন তিনি। স্বামীকে সহায়তা দিতেই তার এ চ্যালেঞ্জ। একটু উন্নত জীবনের আশায় আমেরিকার বুকে পাড়ি জমিয়ে না ফেরার দেশে তাহমিনা। এমন অনাকাঙ্খিত মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে তার স্বজনদের মাঝে। অসহায় দুটি সন্তান নিয়ে এখন নির্বিকার তাহমিনার স্বামী।
 
জানা গেছে, গেল শুক্রবার ১৮ ফেব্রুয়ারী বিকেল ৩ টা ৪৫ মিনিটে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন বাংলাদেশী তাহমিনা আকতার। যিনি কর্মস্থলে ফিরছিলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টি পুলিশ। পুলিশ বলছে, স্প্রিংফিল্ডের একটি ক্রসওয়াকের বাইরে স্থানীয় ভিলা পার্ক এবং ব্যাকলিক রোড পার হচ্ছিলেন তাহমিনা। রাস্তা পারাপারের সময় একটি কার এসে ধাক্কা মারে তাকে। ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তাহমিনা আকতার। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি। কিন্তু দু’দিন পর রোববার তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
 
জানা গেছে, ২০১৯ সালের এস-৫ মডেলের ওডি গাড়িটিকে শনাক্ত করে পুলিশ। তবে, চালক মদ্যপ ছিলো না বলে নিশ্চিত করেছে তদন্তকারি কর্মকর্তা। চলতি বছর ফেয়ারফ্যাক্স কউন্টিতে সড়ক দুর্ঘটনা ৮জন পথচারির প্রাণহানি ঘটেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। যে কোন দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সেখানকার প্রশাসন এমন দাবিও করেন সংশ্লিষ্টরা।

বিস্তারিত খবর

লেখক-সাংবাদিক মাওলানা রশীদ আহমদ এর লেখা দু'টি বই এখন বাজারে।

 প্রকাশিত: ২০২০-০২-২৭ ১১:২০:০১

নিউইয়র্ক প্রবাসী,তরুণ আলেম,লেখক-সাংবাদিক ও সংগঠক মাওলানা রশীদ আহমদ এর লেখা বই যথাক্রমে 'কুরআন সুন্নাহর আলোকে ইসলামের বুনিয়াদি শিক্ষা' ও 'মসজিদ ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা' গ্রন্থ দু'টি এখন বাজারে। বই দু'টি প্রকাশ করেছে সিলেটের স্বনামধন্য প্রকাশনী পান্ডুলিপি প্রকাশন। ঢাকায় একুশের বইমেলায় ও সিলেটের কেমুসাস বইমেলায় বই দু'টি পাওয়া যাচ্ছে।আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কের মুক্তধারায় বইগুলো পাওয়া যাবে।
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই লেখক ইয়র্ক বাংলা ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক। দ্বীনের একজন সক্রিয় দা'ঈ এবং মসজিদভিত্তিক সমাজবিনির্মাণে নিবেদিতপ্রাণ এই সমাজকর্মী ১৯৭৭ ঈসায়ি সিলেট জেলার  গোয়াইনঘাট উপজেলার মানাউরা গ্রামে। তাঁর পিতা উপমহাদেশের প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী (রাহ:) এর সুযোগ্য ছাত্র, উত্তর সিলেটের বরেণ্য আলেমে দ্বীন, মাওলানা মোঃ আব্দুল মতীন।যিনি বড় হুজুর নামে সর্বমহলে পরিচিত এবং মাতা মোছাম্মৎ হালিমা খাতুন।নিজ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণী কৃতিত্বের সাথে শেষ করে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের জামেয়া মুশাহিদিয়া খাগাইল মাদরাসায় তার দ্বীনি শিক্ষার হাতেখড়ি। এ ধারাবাহিকতায় কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ ক্লাস  দাওরায়ে হাদীস সমাপন করেন। পাশাপাশি আঙ্গারজুর দাখিল মাদরাসা থেকে দাখিল এবং সিলেট সরকারী আলিয়া মাদরাসা থেকে আলিম,ফাযিল ও কামিল ফিল হাদীসও কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন। নিউইয়র্কে আসার প্রথম দিকে তিনি সিটি কলেজ অফ টেকনোলজিতে কিছুদিন পড়াশোনা করেন। বর্তমানে শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি একটি কলেজে "আমেরিকান জার্নাল অফ হিউম্যানিটিস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ" নিয়ে অধ্যয়ন করছেন। 
নব্বইয়ের দশক থেকে তিনি যুক্ত হন সিলেটে সাহিত্য ও সাংবাদিকতার সাথে ।
সিলেট শহরে অবস্থানকালে তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতাও করেন।
২০০৭ সালে প্রবাসে পাড়ি জমানোর পর নিউইয়র্কে গত এক যুগেরও বেশি সময় লেখালেখির পাশাপাশি বিভিন্ন সাহিত্য সাময়িকীর সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি নিউইয়র্কে বিএমএমসিসি ইসলামিক স্কুল,ব্রুকলিন -এর প্রিন্সিপাল।
‘কুরআন সুন্নাহর আলোকে ইসলামের বুনিয়াদি শিক্ষা’ মাওলানা রশীদ আহমদ-এর প্রথম গ্রন্থ।মসজিদ ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা তাঁর দ্বিতীয় গ্রন্থ। প্রথম গ্রন্থটিতে লেখক ইসলামের মৌলিক   বিষয়সমূহ কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সহজ-বোধগম্য ভাষায় বুনিয়াদি শিক্ষার পাঁচটি বিষয়
উপস্থাপন করেছেন।যা প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য খুবই। এই গ্রন্থটিকে লেখক পাঁচটি অধ্যায়ে উপস্থাপন করেছেন। মুসলিমদের দৈনন্দিন জীবনের সব কাজে ইসলামের বিধি-বিধান মেনে চলা অবশ্য কর্তব্য।একজন ঈমানদারের জন্য দ্বীনি শিক্ষার বিকল্প নেই।এই গ্রন্থ অধ্যয়নের মাধ্যমে মুসলিম নর-নারীদের মধ্যে দ্বীনী জ্ঞানচর্চা ও আল্লাহ তাআলার ভীতি সৃষ্টিতে লেখক আশাবাদী।
দ্বিতীয় বই 'মসজিদ ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা' গ্রন্থটিতে মসজিদ কেন্দ্রিক সমাজব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ রূপদানের চেষ্টা করেছেন।সেখানে ইসলামের প্রাথমিক যুগে জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা,দাওয়াতি কার্যক্রম, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক,বিচারসালিশসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যাবতীয় কর্ম সম্পাদন করা হতো মসজিদ থেকে।সেই মসজিদে নববীর আলোকে বর্তমান মসজিদগুলোকে ঢেলে সাজানোর রূপরেখা গ্রন্থটিতে তুলে ধরেছেন।মসজিদের ইমামদের পরিচিতি, যোগ্যতা, দক্ষতা পাশাপাশি তাদের সামাজিক অবস্থান,করণীয় ও বর্জনীয় কাজসমূহ সম্পূর্ণ রূপে তুলে ধরেছেন।

 গ্রন্থ দু'টিতে লেখক অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে  তথ্য ও তত্ত্বের সন্নিবেশ ঘটিয়েছেন। লেখকের বিষয়বস্ত নির্বাচন এবং লেখনীর ধারা খুবই সময়োপযোগি। বাংলাভাষি পাঠকদের জন্য বই দুইটি বিরাট ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়। গ্রন্থগুলোতে সমকালীন বাস্তবতায় পাঠকদের জন্য ইসলামের মৌলিকজ্ঞান অর্জনে সহায়ক হবে এবং জ্ঞানের জগতের মৌখিক চিন্তাধারাকে জাগ্রত করবে ইনশা আল্লাহ।

বিস্তারিত খবর

ফ্রেন্ডস সোসাইটির অমর একুশে পালন, ক্যাপ্টেন টিলি পার্কে স্থায়ী শহীদ মিনারের দাবী

 প্রকাশিত: ২০২০-০২-২৬ ০২:০৪:১৫

নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স বরোর জ্যামাইকায় স্থায়ী শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠার দাবীতে এই প্রথমবারের মতো স্থানীয় ক্যাপ্টেন টিলি পার্কে অমর একুশে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি স্মরণে গত ২৩ ফেব্রুয়ারী রোববার দুপুরে ক্যাপ্টেন টিলি পার্কে খোলা আকাশের নীচে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করে সেখানে পুষ্প স্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোর-কিশোরী সহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশীরা এতে অংশ নেয়। অনুষ্ঠানটি ভিনদেশীদেরও আকর্ষণ করে। খবর ইউএনএ’র।
বাংলাদেশ আর আমেরিকার জাতীয় পতাকায় সজ্জিত শহীদ মিনারের সামনে নতুন প্রজন্মের হাতে ছিলো বাংলাদেশের পাতাকা আর ফুল। প্রবাসীদের পোষাক-পরিচ্ছেদেও ছিলো একুশের ছাপ। হিমেল হাওয়া আর ঠান্ডা উপেক্ষা করে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী ক্যাপ্টেন টিলি পার্কে অংশ নেন।
ফ্রেন্ডস সোসাইটির সভাপতি ও কুইন্স কমিউনিটি বোর্ড-৮ এর সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, কমিউনিটি বোর্ডের দীর্ঘদিনের সদস্য ড. পিটারসন, সাপ্তাহিক বাঙালী সম্পাদক কৌশিক আহমেদ, ডেমোক্র্যাট পার্টির কুইন্স ডিষ্ট্রিক্ট এট লার্জ এটর্নী মঈন চৌধুরী, বিশিষ্ট রিয়েল এষ্টেট ইনভেষ্টর ও সমাজসেবী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা এবিএম ওসমান গণি, উদেষ্টা সালেহ আহমেদ ও মনির হোসেন, সাবেক সভাপতি শেখ হায়দার আলী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে শ্রী চিন্ময় সেন্টারের শিল্পীরা জাতীয় সঙ্গীত এবং বিশেষ প্রর্থনা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। 
ফ্রেন্ডস সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোস্তফা রাসেলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সংগঠনের উপদেষ্টা নাসির আলী খান পল, ছদরুন নূর, আওয়াল সিদ্দিকী, অধ্যাপিকা হুসনে আরা ও ডা. মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা সহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ফ্রেন্ডস সোসাইটির সভাপতি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার জানান, ২০ বছর আগে এই ক্যাপ্টেন টিলি পার্ক থেকেই জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির যাত্র শুরু হয়। এই পার্কে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে স্থায়ী শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠা প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রাণের দাবী। এই দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই নতুন প্রজন্মকে সাথে নিয়ে প্রথমবারের মতো অমর একুশে পালন করা হলো। ছবি: নিহার সিদ্দিকী

বিস্তারিত খবর

নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

 প্রকাশিত: ২০২০-০২-২৪ ১০:০৯:২০

যুক্তরাষ্ট্রে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগ ।  দিবসটি উপলক্ষে ২১শের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১মিনিটে নিউজার্সির প্যাটারসন সিটির জন এফ কেনেডী হাইস্কুল প্রাঙ্গনে নয়নাবিরাম সুদৃশ্য স্থানে অবস্থিত আমেরিকার একমাত্র স্থায়ী শহীদ মিনারে নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমল আলী ও সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দে বাবলু সংগঠনটির কার্যকরী কমিটি ও উপদেষ্টা মন্ডলীর নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে দলের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের অন্যতম নীতিনির্ধারক আবুল কাসেম মোহাম্মদ আনোয়ার শাহদাত, মোহাম্মদ আব্দুল হক, নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইছহাক মিয়া, রেজাউল করিম চৌধুরী, মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, মিনা আবেদিন মোক্তা, দেলোয়ার হোসেন হেলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান সোহেল, প্রভাষক তাজ উদ্দীন সাংগঠনিক সম্পাদক জায়েদুল ইসলাম চৌধুরী, সাদিক রহমান, আসকার আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক রাসেল মিয়া, উপ দপ্তর সম্পাদক মিল্টন দাস, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল বাহার চৌধুরী, উপ প্রচার সম্পাদক মশিউর রহমান তানিম, ইমিগ্রেশন সম্পাদক শাহীন আহমেদ, জনসংযোগ সম্পাদক অরুন চক্রবর্তী, নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যতম সদস্য এহিয়া খান, মোহাম্মদ আব্দুল মুমিন, এনায়েত করিম খোকা, শাহজান হান্নান সাজু, শামীম আহমেদ, শাহীন মিয়া, শাহেক হোসাইন, জাহিদ হোসেন, দ্বিপ্ত রায়, সুলতান আহমেদ, শাহজান সিরাজ, নবদ্বীপ রায়সহ আরও অনেক।

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত