যুক্তরাষ্ট্রে আজ বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 09:50pm

|   লন্ডন - 03:50pm

|   নিউইয়র্ক - 10:50am

  সর্বশেষ :

  পাকিস্তানে চীনের পরমাণু সাবমেরিন ঘাঁটি, চিন্তায় ভারত   উড়তে থাকা বার্সার অপরাজেয় যাত্রা থামলো   রাশিয়ায় তাপমাত্রা মাইনাস ৬৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস!   অলিম্পিকে দুই কোরিয়ার ‘অভিন্ন পতাকা’   মৌলভীবাজার ডিষ্ট্রিক্ট এসোসিয়েশনের মতবিনিময়   রাখাইনে বিক্ষোভে পুলিশের গুলি, নিহত ৭   বিশ্বের প্রথম ‘পানিহীন’ শহর!   মুসলিম শিশুদের মসজিদে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা চীনের   ইউএনএইচসিআর ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন উদ্বেগের : জাতিসঙ্ঘ   মুক্তিযোদ্ধা বিবেচনার ন্যূনতম বয়স সাড়ে ১২ বছর পুনঃনির্ধারণ   ডিএনসিসি’র মেয়র পদে উপনির্বাচন স্থগিত   এবার টরন্টোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে 'বিশ্ব সিলেট সম্মেলন'   জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কালচারাল সেক্রেটারি লায়েক আহমেদের বোনের মৃত্যুতে শোক   বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৭টি নদীর বেশির ভাগই নাব্যতাহীন   ভোলার ভেদুরিয়ায় নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান

>>  প্রবাসী কমিউনিটি এর সকল সংবাদ

মৌলভীবাজার ডিষ্ট্রিক্ট এসোসিয়েশনের মতবিনিময়

মৌলভীবাজার ডিষ্ট্রিক্ট এসোসিয়েশন ইউএসএ’র সদস্য মুজিবুর রহমান (রেনু) ও শ্রীমঙ্গল এসোসিয়েশনের সদস্য সচিব আলাউদ্দিন চৌধুরী লিটনের মাতার ইন্তেকালে মতবিনিময় সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি উভয়ের মাতা বাংলাদেশে ইন্তেকাল করেন (ইন্নাল্লিাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। গত ১৬ জানুয়ারী মঙ্গলবার বাদ মাগরিব এস্টোরিয়ার হালাল কিচেন রেষ্টুরেন্টে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রবাসী মৌলভীবাজারবাসীদের পক্ষ থেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মৌলভীবাজার ডিষ্ট্রিক্ট এসোসিয়েশন ইউএসএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সাঈদ হামজা। অনুষ্ঠানে মরহুমাদ্বয়ের বিদেহী

বিস্তারিত খবর

এবার টরন্টোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে 'বিশ্ব সিলেট সম্মেলন'

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৬ ১৪:২৬:১৮

সিলেটের ঐতিহ্য, গৌরব ও অহংকারকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে এবার টরন্টোতে আয়োজন হতে চলেছে বিশ্ব সিলেট সম্মেলন। এ উপলক্ষে গত ১৩ জানুয়ারি স্থানীয় মিজান অডিটোরিয়ামে এক মতবিনিময় ও প্রস্তুতি সভার আয়োজন করে স্বাগতিক সংগঠন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টো। হলভর্তি অতিথিদের উপস্থিতিতে কানাডা ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি দেবব্রত দে তমালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত বিশ্ব সিলেট সম্মেলন এর আহ্বায়ক, সিলেটের কৃতি সন্তান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: জিয়াউদ্দিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশে বিদেশে'র প্রধান সম্পাদক নজরুল মিন্টো।

সভায় বক্তব্য রাখেন, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি রেশাদ চৌধুরি, ভোরের আলো সম্পাদক খন্দকার আহাদ, সংগঠনের উপদেষ্টা মুজিবুল হক মুজিব, রোটারি ক্লাব অব ড্যানফোর্থের সভাপতি মঈন চৌধুরি, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরি, সাবেক সভাপতি সাদ চৌধুরি, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর সভাপতি রেজাউর রহমান, কানাডার জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপ বিসিসিবির কর্ণধার রিমন মাহমুদ, গ্রেটার সিলেট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি শামসুর রহমান খালেদ, হবিগঞ্জ এসোসিয়েশনে সাধারণ সম্পাদক এবাদ চৌধুরি, বিয়ানিবাজার সমিতির সভাপতি টুনু মিয়া, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক জুমেল চৌধুরি প্রমুখ।

সভায় বক্তারা আসন্ন বিশ্ব সিলেট সম্মেলনকে সাফল্যমন্ডিত করতে সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

প্রধান অতিথি ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত বিশ্ব সিলেট সম্মেলন ছিল একটি মাইল ফলক। জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার উদ্যোগে সমস্ত পৃথিবীতে ছিটিয়ে থাকা একটি অঞ্চলের মানুষের সমন্বয় ঘটেছিল ঐ সম্মেলনে। প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমা দেশগুলোতে বসবাসরত সিলেটি পরিবারের ভিতরে শত বছরের ঐতিহ্যের বন্ধনে নুতন করে উদ্বুদ্ধ  করা। সিলেটের সংস্কৃতি, অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য, জীবনের মান এবং পরিবেশের উন্নতির প্রচেষ্টার একটি স্বপ্নের পথযাত্রা শুরু হয় এই সমন্বয়ের মাধ্যমে। বিশিষ্ট বরেণ্য ব্যক্তিত্বসহ সাধারণ মানুষের পদচারণায় দুইদিন ব্যাপী ঐ সম্মেলনে পাঁচ থেকে সাত হাজার মানুষের সমাগম হয়েছিল। সম্মেলনে নিজ খরচে বাংলাদেশের একটি বিরাট দল, ভারতের সিলেটি সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দসহ সকলের উপস্থিতি প্রমান করেছিল বিনা সুতায় বাধা রয়েছে সিলেটের জন্য ভালোবাসা। নিজেদের এবং প্রজন্মকে সংযুক্ত করা ছাড়াও আরেকটি প্রধান উদ্দেশ্যে ছিল নিজের অঞ্চলের জন্য দায়িত্ববোধ জাগিয়ে যে কোন আর্থিক সামাজিক, বা মানবিক সহায়তায় সিলেট অঞ্চলের উন্নতির জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা এবং সাম্প্রদায়িক মনোভাবকে সম্পুর্নভাবে পরিহার করে এগিয়ে চলা। আমরা মনে করি পরবর্তী সম্মেলনের কাছে এই উদ্যোগ প্রতিফলিত না হলে বিশ্ব সিলেট সম্মেলন তার অঙ্গীকারে অপূর্ণ থেকে যাবে।

ডা. জিয়াউদ্দিন বলেন, টরন্টোর জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সদস্যগণ সংগঠনের সভাপতি তমালের নেতৃত্বে নিউইয়র্কের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে যখন টরন্টোতে পরবর্তী সম্মেলন আয়োজন করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তখন ঢাকাস্থ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি সিএম তোফায়েল সামিসহ আমরা সম্মতি প্রকাশ করে মঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিই। এরপর 'বিশ্ব সিলেট সম্মেলন' এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদেরকে জানিয়ে দেয়া হয়। তিনি বলেন, আমি এসেছি আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে। আমরা যে কাজগুলো নিউইয়র্কের সম্মেলনে করতে পারিনি তা যেন টরন্টোর আয়োজকরা করতে পারেন। তিনি হলভর্তি উপস্থিতিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সিলেট অঞ্চলের লোকজন আজ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছেন। সিলেটিরা শিকড়ের টান থেকে মুক্ত হতে পারেন না। আর এই মুক্ত হতে না পারাটা ‘সিলেটি’ পরিচয়ের অহংকার। এ চেতনাকে ধারণ করে বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা সিলেটিদের নিয়েই বিশ্ব সিলেট সম্মেলন।

গর্বিত শহীদ সন্তান জিয়াউদ্দিন বলেন, 'আমাদের পূর্বসূরিরা মহামিলন আর মানবতার জয়গান গেয়েছেন। সিলেটিরা বরাবরই অসাম্প্রদায়িক। এ ঐতিহ্যকে ধারণ করেই সিলেটিদের এগিয়ে যেতে হবে।’ তিনি বলেন, নিউইয়র্ক সম্মেলনে ভারত, বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য কানাডা, জাপান, ফ্রান্স ও জার্মানি থেকে অতিথিরা এসেছিলেন; টরন্টো সম্মেলনে আরও বেশি দেশ এবং আরও বেশি অতিথিরা অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।

বিশেষ অতিথি দেশে বিদেশে'র সম্পাদক নজরুল মিন্টো বলেন, সম্মেলনের নামে কেবল একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যেন না হয়। সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে হবে একটি 'থিম' নিয়ে। তিনি বলেন, সিলেটকে ব্র্যান্ডিং করতে হবে বিভিন্ন ভাবে। সিলেটের পর্যটন শিল্পকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী সিলেটিসহ বৃহত্তর সিলেটের অবদান এবং সিলেটের পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচিতি তুলে ধরতে হবে। শিল্প-সংস্কৃতিতে সিলেটের অবদান তুলে ধরা আজ সময়ে দাবী। সিলেটের একশত কৃতি সন্তানের পরিচতি তুলে ধরে একটি ম্যাগাজিন বের করার ইচ্ছে তিনি প্রকাশ করেন।
ভোরের আলো সম্পাদক খন্দকার আহাদ বলেন, আমাদের কমিউনিটি এখন অনেক স্বয়ং সম্পূর্ণ। আমরা ইতিমধ্যে বড় বড় অনুষ্ঠান করে প্রমাণ করেছি আমরা এ ধরনের একটি সম্মেলন সফল করতে পারবো। তিনি বলেন, এখনই আমাদের কাজ শুরু করে দিতে হবে।

সবশেষে ছিল প্রশ্নত্তোর পর্ব। এ পর্বে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ প্রধান অতিথি ডা. জিয়াউদ্দিনকে আসন্ন সম্মেলন বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্ন করলে তিনি সবিনয়ে সকল প্রশ্নের যথাযথ উত্তর প্রদান করেন।

নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। সমগ্র অনুষ্ঠানের প্রাণবন্ত সঞ্চালনা করেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর সাধারণ সম্পাদক ও সাপ্তাহিক আজকাল এর সম্পাদক মাহবুব চৌধুরি রণি।

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন-  জালালাবাদ এসোসিয়শন অব টরন্টোর নির্বাহী সহ সভাপতি ফয়জুল চৌধুরী, সহ সভাপতি ইন্তিখাব চৌধুরী তুহিন,  সহ সভাপতি আহমেদ হোসেন লনি, সহ সভাপতি আব্দুল হামিদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইলিয়াছ খান,  সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ জয়, ক্রীড়া সম্পাদক এজাজ চৌধুরী, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মেহেদী শরীফ মারুফ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মানিক চন্দ, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাসেল আহমেদ,  অর্থ সম্পাদক ফারুক আহমেদ,  দপ্তর সম্পাদক মকবুল হোসেন মঞ্জু, ধর্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান চৌধিরী, সহ ক্রীড়া সম্পাদক শাহজাহান রুমেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল রয়, নির্বাহী সদস্য হাসান তারেক ইমাম প্রমুখ।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কালচারাল সেক্রেটারি লায়েক আহমেদের বোনের মৃত্যুতে শোক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৬ ১৩:৩৭:০৫

জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়া’র কালচারাল সেক্রেটারি লায়েক আহমেদের বড় বোন মিসেস সুফিয়া বেগম-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও প্রকাশ করেছেন এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।

এক শোকবার্তায় এসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার হোসেন রানা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাসির উদ্দিন জেবুল শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। সেই সাথে মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনাও করেছেন।

উল্লেখ্য, সুফিয়া বেগম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত শনিবার লস এঞ্জেলেসের ভ্যালী হলিক্রস হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। তাঁর স্বামী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন লস এঞ্জেলেসে বাংলাদেশি কমিউনিটির একজন সজ্জন ব্যক্তি। সুফিয়া বেগমের আরেক ছোট ভাই মো. আব্দুল মতিনও দীর্ঘদিন  থেকে লস এঞ্জেলেস প্রবাসী।
 

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

প্যারিসে বাংলাদেশি মালিকানার মিনহা হাট বাজারের শুভ উদ্বোধন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৬ ১৩:১০:৪৪

বাংলাদেশি প্রবাসী হাসান শাহ ও ইসপাক আহমেদ রাজুর মালিকানায় প্যারিসের অভিজাত শহর সেন্দেনিসে মিনহা হাট বাজারের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। গত ১৪ জানুয়ারি রোজ রবিবার সন্ধ্য ৬ টায় এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্তিত ছিলেন : কাজী ফিরোজ (কমার্শিয়াল কাউন্সিলার ,বাংলাদেশ দূতাবাস, ফ্রান্স ।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন : সুনাম উদ্দিন খালিক (প্রধান উপদেষ্টা ,বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি,ফ্রান্স)
ফয়জুল হক (প্রধান আহ্বায়ক ,বিয়ানীবাজার ঐক্য পরিষদ,ফ্রান্স), আলী আহমদ( যুগ্ম আহ্বায়ক ,বিয়ানীবাজার ঐক্যপরিষদফ্রান্স ), মাছুম আহমদ (আহ্বায়ক ,বিয়ানীবাজার ঐক্য পরিষদ ,ফ্রান্স, সুমন আহমদ(সাধারণ সম্পাদক ,বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি,ফ্রান্স), সাদিকুর রহমান( আহ্বায়ক ,বিয়ানীবাজার ঐক্য পরিষদ ,ফ্রান্স), জাকির হোসেন (বিশিষ্ট সামাজীক ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব), দেলোয়ার হোসেন( সাবেক সাধারণ সম্পাদক ,বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি,ফ্রান্স), এমাদ উদ্দিন (আহ্বায়ক,বিয়ানীবাজার ঐক্যপরিষদফ্রান্স ), রুবেল আহমদ (আহ্বায়ক ,বিয়ানীবাজার ঐক্য পরিষদ ,ফ্রান্স), সোহেল আহমদ (সহ সভাপতি ,বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি,ফ্রান্স), মনসুর আহমদ( যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ,বিয়ানীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি,ফ্রান্স), জাবুল হোসেন,আহ্বায়ক ,বিয়ানীবাজার ঐক্য পরিষদ ,ফ্রান্স
এছাড়াও ছিলেন , ,আলতাফ হোসেন,শাহ আলী,শাহ ইমরান,আলিম আহমদ,শাহ সিদ্দিক প্রমুখ ।

বিস্তারিত খবর

বাপার নতুন কমিটি গঠন : সভাপতি সুজাত এবং সম্পাদক হুমায়ুন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৪ ১১:৫৩:৩৯

বাংলাদেশ আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশেনের (বাপা) নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন লুটানেন্ট সুজাত খান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন পুলিশ অফিসার হুমায়ুন কবির।
গত ৭ জানুয়ারী রোববার সন্ধ্যা ৬টায় কুইন্সের গুলশান টেরেস পার্টি হলে নতুন কমিটির অভিষেক ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে শতাধিক পুলিশ অফিসার ও তাদের পরিবারবর্গের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানের প্রথমে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সার্জেন্ট সুমন সাঈদ, প্রাত্তন সভাপতি লুটানেন্ট শামসুল হক ও নবনির্বাচিত সভাপতি লুটানেন্ট সুজাত খান একই মঞ্চে বসে তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন। তারা ‘বাপা’কে শাক্তিশালী করার জন্য সর্বপ্রকার সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।দ্বিতীয় পর্বে নবনির্বাচিত কমিটিদের পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি লুটানেন্ট সুজাত খান, প্রথম সহ সভাপতি সার্জেন্ট তারিক চৌধুরী, দ্বিতীয় সহ সভাপতি ট্রাফিক এজেন্ট আবদুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির (পুলিশ অফিসার), কোষাধ্যক্ষ সার্জেন্ট এম ডি রহমান, সহকারী কোষাধ্যক্ষ পুলিশ অফিসার শওকত হাফিজ, ইভেন্ট কর্ডিনেটর লুটনেন্ট কারাম চৌধুরী, সার্জেন্ট এট আর্মস্ পুলিশ অফিসার ফুয়াদ হোসেন, মিডিয়া সমন্বয়কারী ডিটেটিভ জামিল সরোয়ার, কমিউনিটি সমন্বয়কারী পুলিশ অফিসার শেখ আহম্মদ, সহ সাধারণ সম্পাদক ম্যানেজার মো: রহমান।
সভাপতি সুজাত খান তার বক্তব্যে তাকে নির্বাচিত করে এই মহান আসনে অধিষ্ঠিত করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন বাংলাদেশ আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশন কোন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান নয়। এটা আপনার আমার এবং আমাদের সংগঠন। এক এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য আমাদের সবার একযোগে কাজ করে যেতে হবে। আমি সভাপতি হিসাবে নয় আমি আপনাদের একজন সেবক হিসাবে কাজ করবো।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছিল নৈশভোজ, সঙ্গীতানুষ্ঠান, সঙ্গীতনুষ্ঠানে প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা ও বাংলাদেশের পুরস্কার প্রাপ্ত শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন। সঙ্গীতানুষ্ঠানে বাপার নবনির্বাচিত ও প্রাত্তন সদস্যবৃন্দ এবং অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দরা নেচে গেয়ে অনুষ্ঠানটি প্রান্তবন্ত করে তোলে।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

লস এঞ্জেলেসে লায়েক আহমেদের বড় বোনের ইন্তেকাল

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৪ ১১:১৮:৪৯

জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়া’র কালচারাল সেক্রেটারি ও আনারবাগের স্বত্বাধিকারী লায়েক আহমেদের বড় বোন সুফিয়া বেগম (৬৪) গত শুক্রবার ১২ই জানুয়ারী লস এঞ্জেলেসের ভ্যালী হলিক্রস হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি গত ১০ই জানুয়ারী বিকাল ৫টার দিকে বাসার সামনে হাঁটার সময় হটাত স্ট্রোক করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন থেকেই সুফিয়া বেগম লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। অবশেষে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাকে মৃত ঘোষনা করে হাসপাতাল কৃর্তপক্ষ।

সিলেট নিবাসী মরহুম সুফিয়া বেগম ২০১৬ সালের ২৪শে ডিসেম্বর লস এঞ্জেলেসে আসেন। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী , ৪ ছেলে, এক মেয়ে সহ অগনিত আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। মরহুমার পরিবারের পক্ষ থেকে কমিউনিটি ও দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

দোহার সমিতি ইঊএস-এর কার্যকরী পরিষদ গঠিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৯ ১১:৪৯:৫৬

দোহার উপজেলা ইউএসএ-এর ২০১৮-২০১৯ মেয়াদের কার্যকরী পরিষদ গঠন কল্পে গত ২ ডিসেম্বর জ্যাকসন হাইটস্থ রুমালী বাজার পার্টি হলে এক জরুরী সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার  গিয়াস আহমদের সভাপতিত্বে এবং নির্বাচন কমিশনার হাফিজুর রহমান হাফিজের পরিচালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যান্যদের মধ্যে কমিশনার রফিকুল ইসলাম মুরাদ, আজাদ রহমান এবং মীর মোজাফফর আলী উপস্থিত ছিলেন। চলতি কমিটির সভাপতি আলম হোসেন  এবং সাধারণ সম্পাদক দুলাল বেহেদু সহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও সাধারন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ইতিপূর্বে নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী গৃহীত মনোনয়ন পত্র এবং জরুরী সাধারন সভায় সর্ব সাধারন কর্তৃক অনুমোদিত সমিতির কার্যকরী কমিটির ২৫ সদস্য বিশিষ্ট পরিষদের শুধু মাত্র সভাপতি ব্যাতিরেক ২৪টি পদই বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় গৃহত হয়। সভাপতির পদে  আব্দুর রাজ্জাক  এম আনোয়ার এবং  দুলাল বেহেদু নির্বাচনে প্রতিদন্দিতার জন্য অভিপ্রায় ব্যক্ত করনে। এখানে উল্লেখ্য যে, সভাপতির পদে আরো দুই জন প্রার্থী  শেখ সালাউদ্দিন আহমেদ খোকন এবং মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ  সমিতির স্বার্থে  নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন।

এই জরুরী সাধারন সভায় আরো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে ২৭শে ডিসেম্বর পর্যন্ত সভাপতির পদে মনোনয়ন পত্র দাখিলের সর্বশেষ সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয় এবং ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র বাছাই বা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়।

যেহেতু ২৭শে ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের হাতে শুধুমাত্র  আব্দুর রাজ্জাক (এম আনোয়ার) ব্যতিরেকে অন্য কোন প্রার্থীতা বা মনোনয়ন পত্র দাখিল হয় নাই, সেহেতু জরুরী সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী  আব্দুর রাজ্জাক (এম আনোয়ার) বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হন।     œ দোহার উপজেলা সমিতি ইউএসএ-এর কার্যকরী পরিষদের (২০১৮-২০১৯) পূর্ণাঙ্গ কর্মকর্তাগন  হলেন সভাপতি-আব্দুর রাজ্জাক (এম আনোয়ার), সহ সভাপতি- আব্দুর রউফ, সহ সভাপতি-আব্দুর রাজ্জাক নান্নু, সহ সভাপতি- রীনা মাসুদ, সহ সভাপতি মোস্তফা কামাল মুকুল, সহ সভাপতি- হুমায়ূন কবির, সাধারন সম্পাদক- আব্দুল আজিজ, সহ সাধারন সম্পাদক- মাহবুবুর রহমান মাহবুব, সাংগঠনিক সম্পাদক- রবিউল আলম, কোষাধ্যক্ষ- বিমল চন্দ্র বর্মণ, প্রচার সম্পাদক- আকতার হোসেন বিপ্লব, সাংস্কৃতিক সম্পাদক- নূরুন্নাহার আক্তার হ্যাপী, ক্রীড়া সম্পাদক  - সোয়েব, আপ্যায়ন সম্পাদক- সফি উদ্দিন সফা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক-মজিবুর রহমান  মজিবুর, দপ্তর সম্পাদক- নাসরীন জাহান লিপি, মহিলা বি: সম্পাদক- তাহমিানা আক্তার মায়া, কার্যনির্বাহী সদস্য- আলম হোসেন আলমগীর, শাহীনুর রহমান বিপ্লব,  আজাদুর রহমান লিপন,  মহিউদ্দিন সিকদার,  এস সফিকুর রহমান তপন,  দেওয়ান এ ময়েজ  সোহেল, সোহেল রানা, মুরাদ হোসেন।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

হবিগঞ্জ সদর সমিতি যুক্তরাষ্ট্র’র সভা অনুষ্ঠিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৯ ১১:৪৮:৪৭

গত ৭ই জানুয়ারি  রবিবার যুক্তরাষ্ট্র হবিগঞ্জ সদর সমিতি এর কার্যকারী কমিটি ও উপদেষ্টা মন্ডলীর যৌথ সভা জেকসন হাইটসের পার্টি হলে অনুষ্টিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি-আজদু মিয়া তালুকদার ও সভা পরিচালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত দাশ হরে।

উক্ত সভায়  উপস্থিত ছিলেন অন্যতম উপদেষ্টা এটর্নী মঈন চৌধুরী,  মোজাহিদ আনসারী, সহ-সভাপতি অধ্যাপক  আব্দুর রহমান, মিয়া মো: আসকির,  শিমুল হাসান, সহ-সাধারন সম্পাদক -আকবর হোসেন স্বপন, ফয়ছল আহমেদ খান পারভেজ, সাংগঠনিক সম্পাদক -মাহমুদুল হাসান, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক-শুভ, আইন সম্পাদক-এডভোকেট রহিম শেখ, অন্যতম সদস্য-সুবাস দেব রায়,  সেলিম আজাদ, আবু সায়িদ চৌধুরী কুঠি,  আব্দুল ওয়াহেদ ও আবুল কালাম প্রমুখ ।খবর বাপসনিঊজ ।

সভায় ২০১৭ইং কার্যক্রমের উপর আলোচনা শেষে ২০১৮ইং কার্যক্রম গ্রহন করা হয় যা নি¤েœ সংক্ষিপ্ত আকারে দেয়া হল :
 (১)    বার্ষিক বনভোজন। ১লা জুলাই ২০১৮ইং (আহ্বায়ক, সাংবাদিক সেলিম আজাদ।
    সদস্য সচিব, মাহমুদুল হাসান প্রধান সমন্বয়কারী সুবাস দেব রায়)।
(২)    শিক্ষাবৃত্তি ২০১৮ (২০-২৫ জন)।
(৩)     হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা ক্রিকেট টুর্নামেন্টে স্পন্সর।
(৪)    ছাতার নিচে মাথা (গৃহ নির্মান প্রকল্প)।
(৫)    উপদেষ্টা মঈন চৌধুরীর পরামর্শক্রমে ফ্যামেলি গেট টুগেদার (পিঠা উৎসব)।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

লিটল বাংলাদেশে ২০ জানুয়ারী সরস্বতী পূজা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৯ ০৬:১৩:৩৪

গত ৬ই জানুয়ারী ২০১৮ ইং শনিবার হলিউডের লিটল বাংলাদেশের আলাদিন রেষ্টুরেন্টে বেঙ্গলী আমেরিকান হিন্দু সোসাইটি ২০১৮ সালের স্বরস্বতী পূজা, দোল পূর্নিমার মহা কীর্তন ও বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন নিয়ে এক সভার আয়োজন করে। অমর হালদারের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি বিপুল চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় ঘোষ এর পরিচালনায় উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন আসন্ন সরস্বতী পূজাকমিটির কনভেনর টিটো সাহা ও কো-কনভেনর রাজীব নন্দী। এছাড়াও উ্ক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি অসীম দামসহ আরও অনেকে।
আগামী ২০শে জানুয়ারী শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা, ৩রা মার্চ দোল পূর্নিমার মহাকীর্তন এবং ১৪ই এপ্রিল ২০১৮ বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে করনীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রতিবারের ন্যায় এবারও বেঙ্গলী আমেরিকান হিন্দু সোসাইটির আয়োজকবৃন্দ সকলকে ধর্ম-বর্ন নির্বিশেষে যোগদান ও সহযোগিতা করার জন্য জোর অনুরোধ জানিয়েছে।

আসন্ন সরস্বতী পূজার অুনষ্ঠানকে সুন্দর ও আনন্দময় করার জন্য সভায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সবশেষে কনভেনরদ্বয় সবাইকে ধন্যবাদ ও একসাথে কাজ করার অঙ্গিকারের মাধ্যমে সভার শুভ সমাপ্তি হয়।

শিশুদের হাতে খড়ি, সাংস্কৃতিক পর্বে অংশগ্রহন ও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ : ৮১৮-৪২৪-১৯৬৬, ৬০৯-৫৫৩-০৪৫৩, ২১৩-৮৬৪-১১৯৯, ২০৯-২০৪-১৮৪১, ২১৩-৩৭৯-২২৯৭

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ বাংলাদেশি নিহত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৭ ১১:১৩:৪৬

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নয় বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৭ বাংলাদেশি।

স্থানীয় সময় শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকালে সৌদি আরবে জিজান শহরে এ মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। হতাহতেরা সবাই জিজান প্রদেশের আল ফাহাদ কোম্পানির পরিচ্ছন্নতাকর্মী।সূত্র: গুড অনলাইন।

জানা যায়, তারা গাড়িতে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। এ সময় উল্টো দিক থেকে আসা একটি গাড়ি তাদের গাড়িটিকে ধাক্কা দিলে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে ছয় জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- নরসিংদীর আলমগীর হোসেন ও ইদন, সিরাজগঞ্জের দুলাল, টাঙ্গাইলে সাইদুর রহমান, নারায়ণগঞ্জের মতিউর রহমান ও কিশোরগঞ্জের জসিম। বাকি তিনজনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই কর্মীদের বহনকারী একটি গাড়িকে -সৌদি সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছন থেকে তীব্র গতিতে ধাক্কা দেয়। এতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের গাড়িটি উল্টে যায়।

দুর্ঘটনায় নিহতরা সবাই একটি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। শনিবার কাজের যাবার পথে ওই কর্মীদের বহনকারী গাড়িকে -সৌদি সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছন থেকে তীব্র গতিতে ধাক্কা দেয়। এতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের গাড়িটি উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আটজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরো একজন মারা গেছেন। নিহতদের সবাই বাংলাদেশি।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়া এব্যাপারে বাংলাদেশি দূতাবাসের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


বিস্তারিত খবর

বর্ষবরনে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের মেলা আয়োজন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৬ ০৭:২২:৩৩

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীরা এবার ইংরেজি নববর্ষকে স্বাগত জানাতে আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘কালারস অব বাংলাদেশ’ নামে মেলার। এ মেলায় বাংলাদেশী কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে ভিনদেশীদেরসাথে পরিচিত করিয়ে দিতে চলছে বর্ণিল আয়োজন।বাঙ্গালী মানেই উৎসব, আয়োজন আর রঙ। এই রঙের মেলারই আয়োজন চলছে সিডনিতে।

আগামী ২০শে জানুয়ারী ব্যাঙ্কসটাউনের প্রখ্যাত পল কিটিং পার্কে জমছে মেলা। এরই মধ্যে প্রায় শেষ হয়েছে স্টল বুকিং, মেলা জুড়ে আয়োজন চলছে গান, নাচ, কবিতা, ফ্যাশন ও ফিউশন, কনসার্ট ও বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পীদের মনমাতানো সব আইটেমের। বেলা ২টায় শুরু হয়ে রাত ১১টা অবধি চলবে এই মেলা।

‘কালারস অব বাংলাদেশ’ নামের এই মেলা আয়োজক কমিটি ব্যান্ডিং বাংলাদেশ ইনক। এটাই তাদের এতো বৃহৎ পরিসরে প্রথম আয়োজন। এই মেলায় অংশ নিতে বাংলাদেশ থেকে আসছে তরুন প্রজন্মের জনপ্রিয় ক্লোজ আপ তারকা ঝিলিক ও পাওয়ার ভয়েজের আরিফ। সারা জাগিয়েছে হৃদয়ে দোলা দেয়া বাংলাদেশের রঙের এই উৎসব।
এরই মধ্যে ফেডারেল, স্টেট লেভেলের এম, পি, কাউন্সিলরা নিশ্চিত করেছেন তাদের অংশগ্রহন। সিডনির প্রখ্যাত রেস্টুরেন্ট ও চটপটি-পেয়াজু-ঝালমুড়িতে স্টলে স্টলে মেতে উঠবে সিডনির সবাই, বাহারী সব রঙের পোশাকে আসবে তারুন্য, বাজবে ঢোল, সানাই সবাই হৃদয়ে। ডিজিটাল ডিসপ্লে, লেজার আর শাড়ী-চুড়িতে আবার জমবে মেলা পল কিটিং পার্ক, ব্যাঙ্কসটাউন। উল্লেখ্য, ব্যাঙ্কসটাউন ট্রেন স্টেশন থেকে পাত্র ২ মিনিট দুরত্বে মেলায় বিশাল পার্কিং সম্পুর্ন ফ্রি, অনুষ্ঠান শুরু হবে ঠিক ২টায়, চলবে শনিবারের গভীর রাত অবধি। মেলা কমিটির পক্ষ্ থেকে সবাইকে ফেসবুক, পোষ্টার ও ব্যানারে লক্ষ্য রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে।

মেলা উপলক্ষ্যে একটি ওয়েবসাইট ও ফেসবুক একাউন্ট খোলা হয়েছে, এসম্পর্কিত যাবতীয় তথ্যের জন্য: www.brandingbangladesh.com.au,fb:The Colors of Bangladesh সাইটে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশি আবুল হোসেন সুরমান প্রসপেক্টপার্ক সিটির বোর্ড অব এডুকেশনের ভিপি নির্বাচিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৪ ১২:৫৮:১৭

যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সী অঙ্গরাজ্যের প্রসপেক্ট পার্ক সিটিতে মুলধারার রাজনীতিতে ইতিহাস সৃষ্টিকারী প্রসপেক্ট পার্ক  সিটির বোর্ড অব এডুকেশনে ৩য় বারের মত কমিশনার নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশী মোহাম্মদ আবুল হোসেন সুরমান  আনুষ্ঠানিক ভাবে শপথ নিয়েছেন গত মঙ্গলবার।

 বিপুল সংখক বাংলাদেশী অভিবাসীদের উপস্থিতে সিটি অডটরিয়ামে সিটি প্রসাষনের পক্ষ্য থেকে আয়োজিত ওই শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্তিথ ছিলেন  সিটি মেয়র খাইরুল উল্লাহ। পবিত্র কুরান শরীফ হাতে নিয়ে সুরমান যখন শপথ নেন তখন তার সাথে ছিলেন তার পরিবারের অনান্য সদস্যদের পাশাপাশি তাঁর শুভাকাঙ্কীরা ।

এসময় সেখানে উপস্থিত সিটির বোর্ড অব এডুকেশনের অন্যান্য সদস্যরা মোহাম্মদ আবুল হোসেন সুরমানকে সর্বসম্মতিক্রমে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেন।

বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার কাঠাজুড়ি গ্রামের মরহুম আলাউদ্দীনের পূত্র সুরমান ১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় তিনি ছিলেন ছাত্রদল রাজনগর কলেজ শাখার সভাপতি ও ছাত্রদল থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক।

যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর থেকে মোহাম্মদ আবুল হোসেন সুরমান নিউজার্সী বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্বে দীর্ঘদিন ছিলেন । বর্তমানে তিনি বিএনপি নিউজার্সি স্টেইটের সভাপতি দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়াও মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৪ ১২:৫০:০৯

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, নানা কারণেই জাতিসংঘে বিদায় ২০১৭ সাল ছিলো চ্যালেঞ্জের বিষয়। নতুন ২০১৮ সালও চ্যালেঞ্জের বছর হবে। তবে বাংলাদেশ সরকার সহ সংশ্লিস্ট সবার সার্বিক সহযোগিতায় ২০১৭ সালের মতো ২০১৮ সালের সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ মিশন সফল হবে বলে আমি আশাবাদী। তিনি বলেন গত বছর জাতিসংঘে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশকে নানা বেগ পেতে হয়েছে। তবে রোহিঙ্গা সমস্যা ইস্যু এখন আর শুধু বাংলাদেশের বিষয় না হয়ে আন্তর্জাতিক মহলের নজরদারীতে থাকায় সবার সহযোগিতায় এই সমস্যার সমাধান হবে এবং রোহিঙ্গারা নিজ বাসভুমে ফিরে যেতে পারবেন বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত তিনি বলেন, বিশেষ করে দ্যা নিউইয়র্ক টাইমস’র মতো পত্রিকায় রোহিঙ্গা সমস্যা বিষয়ক একাধিক রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় বাংলাদেশ সহজেই আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি কাটতে সক্ষম হয়েছে। যা আমাদের কাজে অনেক সাহায্য করেছে। রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, বাংলাদেশ মায়ানমারের সাথে ‘বাই লেটারালী’ রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান চায়। ইংরেজী নতুন বছর ২০১৮ সালকে স্বাগত জানিয়ে নিউইয়র্কের বাংলা মিডিয়ার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এসব কথা বলেন।

ম্যানহাটানস্থ জাতিসংঘ ভবনের অদূরে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ‘বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে’ ২ জানুয়ারী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই মতনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ মিন মোমেন। এরপর বিদায়ী বছরে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের কর্মকান্ড তুলে ধরেন বাংলাদেশ মিশনে নিযুক্ত উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। পরবর্তীতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সভায় উপস্থিত নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে নিযুক্ত কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ শামীম আহসান। এরপর রাষ্ট্রদূত মোমেন উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং নতুন বছর উপলক্ষ্যে সবাইকে সাথে নিয়ে কেক কাটেন। সভা পরিচালনা করেন মিশনের মিনিস্টার (প্রেস) নূর-ই এলাহী মিনা। এসময় মিশনের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেন, দেশ-বিদেশে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রবাসে সাংবাদিকদের সৃজনশীল যেকোন উদ্যোগে বাংলাদেশ মিশন পাশে থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত আগষ্ট মাসের পর থেকে নিউইয়র্ক টাইমস রোহিঙ্গা বিষয়ে একাধিক রিপোর্ট প্রকাশ করায় রোহিঙ্গা সমস্যার ব্যাপারে জাতিসংঘে বাংলাদেশের কথা বলা সহজ হয়। এর আগে এবিষয়ে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। এজন্য তিনি নিউইয়র্ক টাইমস-এর লেখক ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান এবং প্রয়োজনে তাদের সাথে মতবিনিময় করতে বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকরা উদ্যোগ নিয়ে মিশন সহযোগিতা করবে। তিনি বলেন, জাতিসংঘের ১৯৩টি দেশের সকলেই ইংরেজী ভালো না বুঝলেও নিউইয়র্ক টাইমস’র খবর অনেকের দৃষ্টি কেড়েছে। ১৯৭১ সালে বিবিসি সহ বিশ্ব গণমাধ্যম যেমন বিশ্ববাসীর দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছিলো, তেমনী আমেরিকার মিডিয়াগুলোয় রোহিঙ্গাদের খবর আমাদের সাহায্য করেছে। জাতিসংঘ আর আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতায় রোহিঙ্গারা তাদের নিজ বাসভূমিতে ফিরে যাবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।  
কনসাল জেনারেল শামীম আহসান সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, নিউইয়র্ক ও লস এঞ্জেলেস কনস্যুলেট দ্বি-পক্ষিকভাবে বাংলাদেশ মিশন ও দূতাবাসের সাথে কাজ করছে। আগামী দিনেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম তার লিখিত বক্তব্যে ইরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের ২০১৭ সালের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও অর্জনের বিষয়গুলো বিশেষ করে জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগদান, রোহিঙ্গা সমস্যা, জাতিসংঘের এসডিজি প্রসঙ্গ, নিরস্ত্রীকরণ কার্যক্রম, শান্তি রক্ষা কার্যক্রম, পিসবিল্ডিং কনফ্লিক্ট ও নিরাপত্তা, ইউএন রিফর্ম, কাউন্টারিং টেরোরিজম এন্ড প্রিভেন্টিং ভায়োলেন্ট এক্সিট্রিমিজম, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, বিভিন্ন থিমেটিক বিষয়ক আইনগত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ, ১৯৭১-এর গণহত্যা, নিরাপত্তা পরিষদের কার্যক্রম, কালচার অব পিস রেজুলেশন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, সিএমডব্লিউ নির্বাচন, পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি প্রভৃতি তুলে ধরেন।

এছাড়াও তিনি ২০১৮ সালের জাতিসংঘের সম্ভাব্য তিনটি চ্যালেঞ্জ যথাক্রমে কিছু কিছু রাণ্ট্রের বহুপাক্ষিক কূটনীতি হতে সরে আসা এবং আসার ইঙ্গিত, জাতিসংঘে বাজেট হ্রাস এবং এসডিজি বাস্তবায়নে অর্থায়নের অপ্রতুলতার কথাও তুলে ধরেন উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা বছরব্যাপি চেষ্টা করেছি জাতিসংঘে আমাদের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম, অবদান বা অর্জনকে মিডিয়ার মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য। গত বছর মিশনের এই প্রচেষ্টা বিগত অনেকগুলো বছরের তুলনায় বেশী ছিল। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আমাদের এ ইতিবাচক ভূমিকা জাতিসংঘসহ সর্বমহলে সমাদৃত হয়েছে। রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ উন্নয়নশীল দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উদার দেশ হিসেবে পরিচিত করেছে। বিশ্ব সম্প্রদায় বার বার বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। যা বাংলাদেশকে আরেকটি নতুন পরিচয়ে অভিষিক্ত করেছে। কূটনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে অধিকতর মর্যাদার আসনে আসীন করেছে।

অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেন, রোহিঙ্গাদের সরানো বা ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে মায়ানমার ছাড়া তৃতীয় কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের কোন যোগাযোগ হয়নি।

অপর এক প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে বহু মাত্রিক সম্পর্ক বিরাজমান। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাংলাদেশে সুষ্ঠু, অবাদ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যাপারে জাতিসংঘ টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিতে রাজী আছে।

অপর এক প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেয়ার সময় সন্ধ্যায় বিষয়টি আমাদেরও দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন দেশের প্রায়োরিটি থাকায় বাংলাদেশের সময় সন্ধ্যায় পড়ে যাচ্ছে। তবে আমরা চেষ্টা করছি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেয়ার সময় এগিয়ে আনা যায় কিনা। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন চলাকালীন সময় মূল অধিবেশনে সকল দেশের জন্য ৬টি আসন বরাদ্দ থাকে এবং অন্তত একজন প্রতিনিধি অধিবেশন কক্ষে থাকার কথা। আমরা চেষ্টা করছি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় যাতে অধিবেশনের আসন কম খালি থাকে।

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ফ্রান্সে বিয়ানীবাজার ঐক্য পরিষদ গঠিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০২ ১৩:৪৭:১৭

গত  ১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় প্যারিসের অন্যতম শহর সেন্টদেনিসে অভিজাত‍্য রেস্টুরেন্টে ফয়জুল হক এর সভাপতিত্বে ত্রবং মাছুম আহমদ ও এমাদ উদ্দিনের যৌথ পরিচালনায় বিয়ানীবাজারবাসীর এক
সভা অনূষ্টিত হয়।

সভায়  সকলের ঐক্যবদ্ধ কার্য্যক্রমের  ভিত্তিতে বিয়ানীবাজার অঞ্চলের সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিয়ানীবাজার ঐক্য পরিষদ, ফ্রান্স নামে একটি সামাজিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

ফয়জুল আহমদকে
আহ্বায়ক, আলী আহমদকে যুগ্ম আহ্বায়ক ও হাসান আহমদকে সদস‍্য সচিব ও সাদিকুর রহমানকে যুগ্ম সদস্য সচিব করে ২৩ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।  সদস্যবৃন্দ হচ্ছেন- এমাদ উদ্দিন, মাছুম আহমদ, রুবেল আহমদ, নূর আহমদ, শাহজাহান কবির লিটন, আলতাফ হোসেন, জাবুল আহমদ, আলী আহমদ, সাইদুল ইসলাম, আবুল আজাদ, শিহাব উদ্দিন, হাসান আহমেদ, রুহেল আহমেদ, সাব্বির আহমেদ, কামরুল হাসান দিপু, শিব্বির বড়দেশ), আবুল বাশার,
আহমদ আব্দুল হাই,(সাংবাদিক), হাসান আহমেদ, কামরূল ইসলাম প্রমূখ।

আগামী ৩ মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ।

সভায় বক্তৃতা করেন রূবেল আহমদ ,আবুল আজাদ ,আলী আহমদ,আলতাফ হোসেন,হাসান আহমেদ,জুবের আহমেদ ,আবুল বাশার,জাহেদ আহমদ ,রূহেল আহমদ, শাহজাহান কবির লিটন, আহমদ আব্দুল হাই ,কামরুল হাসান দিপু,কাওসার আহমেদ, শিব্বির আহমেদ, সাইদুল ইসলাম প্রমুখ।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিয়ানীবাজার সমিতি ইউএসএ ইনক’র নতুন কমিটি ঘোষণা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০২ ১৩:৪০:৫২

বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতির ইউএসএ ইনক’র দ্বি-বার্ষিক (২০১৮-২০১৯) নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মোস্তফা কামাল সভাপতি ও মুহিবুর রহমান রুহুল সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে রুহুল পুন: নির্বাচিত হলেন। সমিতির নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন ১৯ সদস্যের কার্যকরী পরিষদের সকল পদে একটি করে মনোনয়নপত্র জমা পড়ে এবং মনোনয়নপত্রগুলো যাচাই-বাছাই করে ইসি তাদেরকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারীভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। 

গত ১ জানুয়ারী সোমবার ওজনপার্কের মতিন স্পাইসি এন্ড সুইটস রেষ্টুরেন্টে আযোজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান নিবাচন কমিশনার আব্দুস শহীদ নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন। এসময় নিবাচন কমিশনার শামসুল হক বেবুল, মিসবাহ আহমদ ও কমর উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। খবর ইউএনএ’র।

সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির কর্মকর্তারা হলেন: সভাপতি- মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, সহ সভাপতি- আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক- মুহিবুর রহমান রহুল, সহ সাধারণ সম্পাদক- শহিদ আহমদ, কোষাধ্যক্ষ- কাউসার হক, সাংগঠনিক সম্পাদক- মোহাম্মদ আমিনুল হোসেন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মোহাম্মদ এ আলিম, দপ্তর সম্পাদক- রেজাউল হক,  প্রচার সম্পাদক- মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক- নজরুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক- মোহাম্মদ জয়নুল হক, মহিলা সম্পাদক- ফাহমিদা আক্তার, সদস্য-শামীম আহমদ, আহমেদ মস্তোফা (বাবুল), আব্দুল বাছিত, মোহাম্মদ আই জহিরুল, নরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আতিকুল রহমান (হেলাল) ও মোহাম্মদ এন জামান।

এসময় অনান্যদের মধ্যে বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক’র সভাপতি কামাল আহমেদ, বিয়ানীবাজার সমিতির সভাপতি মাসুদ হক ছানু, উপদেষ্টা আজিজুর রহমান সাবু, সমির উদ্দিন ও গৌস খান, সাবেক সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, আজিমুর রহমান বুরহান, মাসুকুল ইসলাম খান, সাবেক উপদেষ্টা মকবুল রহিম চুনই, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল, কোষাধ্যক্ষ হেলিম উদ্দিন সহ সাহব উদ্দিন, আলিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচিত ঘোষণার পর নয়া সভাপতি মোস্তফা কামাল সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সবার সহযোগিতায় নতুন দায়িত্ব পেলাম। এই দায়িত্ব পালনে সাধ্যমত চেষ্টা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, আমার প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্য ও কাজ থাকবে বিয়ানীবাজার সমিতির ভবন ঋণমুক্ত করার পাশাপাশি প্রবাসী বিয়ানীবাজারবাসীর জন্য কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা।

এছাড়াও সমিতির অন্যান্য কর্মকর্তা তাদের দায়িত্ব পালনে সবার সহগযোগিতা কামনা করেন এবং সাবেক কর্মকর্তাগণ তাদেরকে সকল প্রকাশ সহগযোগিতা দানের আশ্বাস দিয়ে বলেন, বিয়ানীবাজার সমিতি প্রবাসের সনামধন্য সংগঠন। দেশ ও প্রবাসে এই সমিতির সুনাম ও ঐতিহ্য রয়েছে। কাউকে সেই সুনাম নষ্ট করতে দেয়া হবে না। বক্তারা সমিতিকে শক্তিশালী করতে সবাইকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
 
উল্লেখ্য, সমিতির নির্বাচন ঘিরে ইতিপূর্বে মামলা হওয়ায় মাননীয় আদালতের নির্দেশে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে মামলায় বিবাদীরা জয়ী হলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। মামলা খারিজের পর ইসি পূর্বের নির্বাচনী তফসীল সংশোধন করে পুনরায় তফসীল ঘোষণা করে এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন ১ জানুয়ারী একটি প্যানেল থেকে মনোনয়নপত্র জমা পড়লে তাদেরকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। ২১ জানুয়ারী ভোট গ্রহণের কথা ছিলো।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বছর শুরুর সন্ধিক্ষণে ওয়াশিংটনে বাকা'র বড়দিন পুনর্মিলনী উৎসব

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০২ ১৩:৩৪:৪৩

একদিকে বিদায়ী বছরের শেষাংশ অন্যদিকে নতুন বছরের আহ্বান। সারা ও শুরুর সন্ধিক্ষণে বাঙালি-আমেরিকান খ্রিষ্টান এসোসিয়েশন(বাকা) বড়দিন উৎসবকে ঘিরে আয়োজন করে বড়দিন পুনর্মিলনী উৎসব। গ্রেটার ওয়াশিংটন এলাকায় বসবাসরত প্রবাসী বাঙালিদের নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়েসের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

বাকা'র প্রেসিডেন্ট স্ট্যানলি খোকন গোমেজ তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে সবাইকে বড়দিনের ও নব-বর্ষের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
সাংস্কৃতিক সম্পাদক কাঁকন রোজারিও এর আহ্বানে মঞ্চে আসেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উপস্থাপক মারিয়া ও ঈশান পালমা। বাংলা-ইংরেজি ভাষায় উপস্থাপিত প্রাণচঞ্চল অনুষ্ঠানে নাচে-গানে ছিল ভরপুর।

আশা গোমেজ, এলভিস গোমেজ ও শুভ্রা ডি'কস্তার পরিচালনা ও কোরিওগ্রাফিতে একঝাঁক শিশু পরিবেশ সচেতনতামূলক নৃত্যনাট্য ছিল অসাধারণ।

অনুষ্ঠানের এক ফাঁকে মঞ্চে আসেন প্রেসিডেন্ট স্ট্যানলি খোকন, শিক্ষা সম্পাদক এলভিস গোমেজ ও সেন্ট ক্যামিলাস চার্চের পাল-পুরোহিত ব্রাদার ক্রিস। এই সময় শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হয় বিশেষ সম্মাননা।

অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন রুপালি তেরেসা গোমেজ।  বিশেষ নৃত্য পরিবেশন করেন সিনথিয়া গোমেজ ও তার দল।

তবলার তালে বিশেষ পরিবেশ সৃষ্টি করে সুকুমার, ডমিনিক,মুক্ত ও পল। পরিচালনায় ড পল ফেবিয়ান গোমেজ। অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে চলছিল স্থিরচিত্র ধারণ কর্মসূচি। মিলনায়তনের এক পাশে ছিল ছবি তোলার ষ্টুডিও। রাতের খাবার পরিবেশন শেষ লটারি পর্ব ও ২০১৮ সালকে বরণ করে নেয় আগত সকলে।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জেবিবিএ’র উপদেষ্টা পরিষদের সাংবাদিক সম্মেলন

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-৩০ ১৪:৩৯:১৫

জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন (জেবিবিএ) নিউইয়র্ক-এর ‘জিকো-তারেক’ নেতৃত্বাধীন কার্যকরী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ বৃহস্পতিবার থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। গত ২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে উপদেষ্টা পরিষদ জেবিবিএ’র ‘এডহক কমিটি’ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং আাগামী নির্বাচনের পর নতুন কমিটি দায়িত্ব নেয়া পর্যন্ত এডহক কমিটি গঠনতন্ত্রের আলোকে দায়িত্ব পালন করবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জ্যাকসন হাইটসে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে জেবিবিএ’র উপদেষ্টা পরিষদ উপরোক্ত তথ্য জানানোর পাশাপাশি ‘জিকো-তারেক’ নেতৃত্বাধীন কার্যকরী পরিষদের কর্মকান্ডকে অবৈধ, অগঠনতান্ত্রিক ও অসাংগঠনিক হিসেবে দাবী করে বলেন, কার্যকরী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদকে বহিষ্কার বা বিলুপ্ত করতে পারে না। জেবিবিএ’র গঠনতন্ত্রে কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক উপদেষ্টা পরিষদকে বহিষ্কার বা বিলুপ্ত করার কোন নিয়ম নেই। উপদেষ্টারা বলেন, বড় ধরনের কোন সমস্যা না হলে বিদায়ী কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক গঠিত নির্বাচন কমিশনই এডহক কমিটির নেতৃত্বে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারে এবং সবার সংশ্লিস্ট সবার সাথে আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তাছাড়া প্রয়োজনে আইনী ব্যাখ্যার জন্য আদালত পর্যন্ত যেতে হবে পারে এমন আভাস দিয়ে উপদেষ্টারা বলেন, তবে সবার আগে আমরা জেবিবিএ’র সকল সদস্যের ঐক্য চাই, এক জেবিবিএ চাই। খবর ইউএনএ’র।

সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেবিবিএ’র উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও গঠনতন্ত্র প্রনয়ণ কমিটির অন্যতম সদস্য কাজী মন্টু। এরপর মূল বক্তব্য তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা মহসিন ননি। পরবর্তীতে জেবিবিএ’র বিদায়ী কমিটি কর্তৃক উপদেষ্টা পরিষদ বাতিল করা সহ সংগঠনের বিভিন্ন অনিয়মের ব্যাখ্যা দেন কাজী মন্টু।

সাংবাদিক সম্মেলনে কাজী মন্টু তার লিখিত বক্তব্যে জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন তথা জেবিবিএ’র পক্ষ আসন্ন নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, জেবিবিএ’র প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে আপনাদের সাথে জেবিবিএ’র সম্পর্ক নিবিড় ও পারস্পরিক সহযোগিতা ভিত্তিক। জেবিবিএ’র প্রথম নির্বাচিত নির্বাহী কমিটিতে আমিও একজন সদস্য ছিলাম। জ্যাকসন হাইটস-এর বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সমৃদ্ধি ও সাফল্যে রয়েছে বাংলা মিডিয়াগুলোর অমূল্য অবদান ও প্রেরনা। বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের প্রাণকেন্দ্র জ্যাকসন হাইটস-এর ৭৩ ষ্ট্রীট সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও অভ্যাগতদের মিলনমেলা।
তিনি বলেন, আজ জেবিবিএ’র আরেকটি ক্রান্তিলগ্নে। ইতিপূর্বে সবার সাহায্য ও সহযোগিতায় আমরা অনেক সঙ্কটের মোকাবেলা করেছি। এবারও জেবিবিএ’র সাংবাদিক ধারা অব্যাহত রাখতে আপনাদের সহযোগিতা আমাদের জন্য অপরিহার্য।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয: ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত একটা নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত দু’বছর মেয়াদী নির্বাহী কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ২৭ ডিসেম্বর। ২০১৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর শপথ নিয়েছিল সদ্য বিদায়ী নির্বাহী কমিটি। সংবিধান নির্ধারিত দু’বছরের মেয়াদ াতিক্রান্ত হয়েছে ২০১৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর। আমরা আপনাদের হাতে তুলে দেবো সাপ্তাহিক পরিচয়ের প্রকাশিত ২০১৫ সালের ২৮ ডিসেম্বরে বিদায়ী নির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণের সংবাদ।
জেবিবিএ’র সংবিধান অনুসারে নির্বাচন করে একটি নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে বিদায়ী নির্বাহী কমিটি। তাই জেবিবিএ’র সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩-র ১০ ধারা অনুসারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে (অটোমেটিক্যালি) ২৭ ডিসেম্বর রাত বারোটায় পর উপদেষ্টা পরিষদ আ্যড হক কমিটিতে রূপান্তরিত হয়েছে এবং জেবিবিএ’র সকল নির্বাহী দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে অ্যাড কমিটির উপর। জেবিবিএ’র উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যাকসন হাইটস-এর বিশিষ্ট বাংলাদেশী ব্যবসায়ী জনাব মহসিন ননী অ্যাডহক কমিটির চেয়ারম্যান থাকবেন। অ্যাডহক কমিটির অন্যান্য চার সদস্য পিয়ার মোহাম্মদ, মোহাম্মদ রহমান, মোহাম্মদ মিয়া ও কাজী মন্টু। অ্যাড কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।

কাজী মন্টু বলেন, জেবিবিএ’র এই ক্রান্তিলগ্নে আমরা সশ্রদ্ধভাবে স্মরণ করছি আমাদের প্রিয় সাইদ রহমান মান্নান ভাইবে। তিনি শুধু জেবিবিএ’র একজন অকৃত্রিম শুভার্থীই নন, তিনি জেবিবিএ’র দূর্যোগ সময়ের কান্ডারী। তার বলিষ্ট ও অবিসাংবাদিত নেতৃত্বে এবং অমায়িক ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিংবদন্তী হয়ে থাকবে। অসুস্থ মান্নান ভাই’র রোগমুক্তির জন্য আমরা অন্তরের অন্তস্থল থেকে দোয়া করি। এই মূহুর্তে আমরা তাঁকে দারুণ ভাবে মিস করছি। তিনি শীত তীব্র হওয়ায় আমাদের আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হতে পারেননি। তাবে আমাদের দোয়া করেছেন ও সাফল্য কামনা করেছেন।

কাজী মন্টু বলেন, বিদায়ী নির্বাহী কমিটির শীর্ষস্থানীয় কিছু ব্যক্তির ভূমিকা আপনাদের অজানা নয়। তাঁরা জেবিবিএ কে গত দু’বছর একটা নির্জীব-নিস্ক্রিয় সংগঠনে পরিনত করেছিল, পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিল সাধারণ সদস্যদের থেকে। তার আগে ওরা জেবিবিএকে বিভক্ত করে কায়েদা লুটেছিল। আমরা উদ্যোগ নিয়ে জেবিবিএকে ঐক্যবদ্ধ করে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সমর্থ হই। আমাদের উদ্যোগের ফলেই ওরা দু’বছরের জন্য ঐক্যবদ্ধ জেবিবিএ’র নেতৃত্বে অধিষ্ঠিত হতে পেরেছিল। সংবিধান অনুসারে নির্বাহী কমিটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ  ভোটে গঠিত হয়েছিল উপদেষ্টা পরিষদ। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা মিলত হয়ে সর্বসম্মতিক্রমে মহসিন ননীকে চেয়ারম্যান নিযুক্ত করে এবং লিখিত ভাবে নির্বাহী কমিটিতে জানানো হয়।
বিদায়ী নির্বাহী কমিটির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই  বেপরোয়াভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করতে থাকে এবং স্বেচ্ছাচারের আশ্রয় নেয়। নির্বাহী কমিটির অধিকাংশ সদস্য ওদের স্বেচ্ছাচারের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে অভিযোগ করেছে। কিন্তু বরাবর আমরা নিরব ছিলাম। আমরা ওদের সংবিধান লঙ্ঘন ও ব্যর্থতা সম্পর্কে আমাদের প্রতিক্রিয়া কখনো ব্যক্ত করিনি। ওরা শুধু সংবিধান লঙ্ঘন করেনি, ওরা উপদেষ্টা পরিষদকে জেবিবিএ’র একটা সংবিধানিক অঙ্গ হিসাবে কখনো আমলে নেয়নি। যাদের ভোটে ওরা নির্বাচিত হয়েছিল, তাদের ওরা জঘন্য ভাবে উপেক্ষা করে। তাইতো ওরা সংবিধান অনুসারে অবশ্য করনীয় সমূহ এগিয়ে যায়। এই ব্যাপারে কিছু বরতে গেলে ওদের দৃষ্টিতে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত হতে হয়েছে। সংবিধান অনুসারে প্রতিবছর সাধারণ সভা করার কথা। সাধারণ সভা করতে ওদের অনীহা আপনার সবাই জানেন। সদস্যদের চাপে অবশেষে যেনতেন প্রকারে একটা সাধারণ সভা ডাকলেও শেষ পর্যন্ত ভন্ডুল করে দেয় সাধারণ সভা। ওরা চরম ব্যর্থতা পরিচয় দেয় নির্বাচনের আয়োজন করতে। সংবিধান অনুসারে ওদের মেয়াদকালে নির্বাচন করে নতুন নির্বাহী কমিটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা। তা না করে বরং চক্রান্তের আশ্রয় যায় ওরা। নির্বাচনে পরিবর্তে মেম্বারশীপ কর্ম বিতরণ ও সংগ্রহে বেশী মনোযোগী হয়। কারণ মেম্বারশিপ কর্মের সাথে প্রদত্ত ১০০ ডলার ফি’র ব্যাপারে ওদের বেশী আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। ওদের নেতৃত্বে গ্রহণকালে আমরা অর্থাৎ তৎকালীন অ্যাডহক ওদের হাতে ২২,৭০০ ডলার তুলে দিয়ে এসেছিল এবং জেবিবিএ’র  ফান্ডে ছিল ৯০০ ডলার। এখন শুনি জেবিবিএ’র অপরিশোধিত ঋণ রয়েছে অনেক।

কাজী মন্টু বলেন, বিদায়ী নির্বাহী কমিটির সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার ফলশ্রুতিতে সংবিধান নির্দিষ্ট পন্থায় উপদেষ্টা পরিষদ অ্যাডহক কমিটিতে রূপান্তরিত হয়েছে। এটা কারো ইচ্ছা-অনিচ্ছা বা দয়ার ফসল নয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপদেষ্টা বলেন, জেবিবিএ’র বিদায়ী কমিটি গঠনতন্ত্র না পড়ে, না বুঝেই এমনকি গঠনতন্ত্রের অনেক ইংরেজীর অর্থ না বুঝেই এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা হাস্যকরও বটে। তারা বলেন, বিদায়ী কার্যকরী পরিষদের আর্থিক বিষয়ে অনিয়ম থাকায় তারা উপদেষ্টা পরিষদের কোন পরামর্শ ছাড়াই নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা সঠিক হয়নি।

সাংবাদিক সম্মেলনে মহসিন ননি, কাজী মন্টু ও মোহাম্মদ রহমান উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং উপদেষ্টা পিয়ার মোহাম্মদ ও মোহাম্মদ মহসিন উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপদেষ্টারা জেবিবিএ’র কার্যকরী পরিষদের বিলুপ্ত, বিদায়ী কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক উপদেষ্টা পরিষদকে বাতিল বা বাহিষ্কার, নির্বাচন কমিশন গঠন, সদস্য নবায়ন, গঠণতন্ত্রের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষন ও তাদের ক্ষমতা এবং করণীয় বিষয়েও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। 

এক প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টারা বলেন, জেবিবিএ’র আর্থিক হিসাব-নিকাশ বিদায়ী কোষাধ্যক্ষের সহযোগিতায় উপদেষ্টা পরিষদ তথা এডহক কমিটিই দেখভাল করবে এবং প্রয়োজনে সদস্য নবায়নের সময় বৃদ্ধি এবং আবেনগুলো যাছাই-বাছাই করা হবে। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তারা বলেন, ‘জিকো-তারেক’ নেতৃত্বাধীন কমিটি কর্র্তৃক এই উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের অভিষেক ১২ জানুয়ারী

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-৩০ ১৪:৩৬:২৬

নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সফল করতে ক্লাবের উপদেষ্টা ও কার্যকরী পরিষদ এবং সাধারণ সদস্যস্যের বিশেষ মতবিনিময় সভা হয়েছে। সভায় অভিষেক অনুষ্ঠানটির ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনায় হয়। উল্লেখ্য, আগামী ১২ জানুয়ারী শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় জ্যাকসন হাইটসের বেলোজিনো পার্টি হলে প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হবে।

সিটির জ্যামাইকাস্থ সাপ্তাহিক বাংলাদেশ কার্যালয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত  নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি ডা. ওয়াজেদ এ খান। সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস। খবর ইউএনএ’র।

সভার শুরুতে সভাপতি ডা. ওয়াজেদ এ খান অভিষেক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সহ সংশ্লিস্ট বিষয় তুলে ধরেন এবং পরবর্তীতে উপস্থিত উপদেষ্টা, কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ আলোচনায় অংশ নেন এবং মতামত তুলে ধরেন।

সভায় ক্লাবের উপদেষ্টা আনোয়ার হোসাইন মঞ্জু ও মাহবুবুর রহমান, সাবেক সভাপতি আবু তাহের, কার্যকরী পরিষদের সহ সভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মমিনুল ইসলাম মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ কাজল, কার্যকরী সদস্য শেখ সিরাজুল ইসলাম, এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, রশিদ আহমদ, মোহাম্মদ সোলায়মান প্রমুখ অংশ নেন।

ক্লাবের সাবেক সভাপতি ডা. চৌধুরী সারোয়ারুল হাসান এবং সদস্য হাবিবুর রহমান, এবিএম সালেউদ্দীন, হাসানুজ্জান সাকী ও মোহাম্মদ আরীফ হোসাইন সভায় যোগ দেন। এছাড়াও টাইম টেলিভিশন-এর নিউজ প্রেজেন্টার মিজান খন্দকার ও সাপ্তাহিক বাংলাদেশ-এর গোলাম মর্তুজা সভায় উপস্থিত ছিলেন।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

টরন্টোতে সার্বজনীন বিজয় উৎসব উদযাপিত

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৭ ১৩:৪৪:০৯

টরন্টো, ২৬ ডিসেম্বর- বাংলাদেশের ৪৬তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গত ২৪ ডিসেম্বর টরন্টো মহানগরীর বাংলাদেশি সামাজিক-সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী ও আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগে সার্বজনীন বিজয় দিবস উদযাপিত হয়।

স্কারবোরোর কেনেডি কনভেনশন হলে আয়োজিত এ উৎসবে স্থানীয় শিল্পীরা ছাড়াও বাংলাদেশ থেকে অংশ গ্রহণ করেন বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কামাল আহমেদ, আবৃত্তিকার আসলাম শিশির ও প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী সামিনা চৌধুরি।

দুই দেশের জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। সাংস্কৃতিক পর্ব শুরু হয় দেশের গানের সাথে নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে। এ পর্বে অংশগ্রহণ করে বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী বিপ্লব করের স্কুলের শিক্ষার্থীরা। এরপর মঞ্চে উঠেন স্থানীয় শিল্পীরা। একে একে মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপহার দিয়ে হলভর্তি দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন তারা।

অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করে- রুবিন ইউসুফ, বৃষ্টি, সুমি বর্মণ, সঙ্গীতা মুখার্জী, সুনীতি সর্দার, আইরিন আলম, রফিক রশিদ, সুমিত বড়ুয়া, আর্ক ভট্টাচার্য, অরুণ ভট, মারজি আমিন তুরিন, নবিউল হক বাবলু, ফারহানা শান্তা, শাহজাহান কামাল। কবিতা আবৃত্তি করেন সুমন মালিক, সুব্রত পুরু, শেখর গোমেজ ও আসলাম শিশির। নৃত্য পরিবেশন করেন সাদিয়া রফিক ও তার স্কুলের শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন= আসমা আহমেদ, অজন্তা চৌধুরি, দিলারা নাহার বাবু, ফারহানা আহমেদ, আসমা হক ও ঢাকা থেকে আগত এটিএন বাংলার উপস্থাপিকা সাবিহা হক।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অটোয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমান ও প্রথম সচিব (বানিজ্যিক) দেওয়ান মাহমুদ এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষা সৈনিক শামসুল হুদা।

কোন প্রবেশমূল্য ছাড়াই বিজয় উৎসবের সার্বজনীন এ অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রশংসায় ছিলেন কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ।  ।বিজয় উৎসবের অনুষ্ঠানকে সাফল্য মন্ডিত করতে যেসব সংগঠন এগিয়ে আসা তারা হলো: বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব টরন্টো, বাংলাদেশ সোসাইটি, বিসিসিবি, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টো, খুলনা এসোসিয়েশন. বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন, নারায়ণগঞ্জ এসোসিয়েশন, গ্রেটার ঢাকা এসোসিয়েশন, টাঙ্গাইল সমিতি, হবিগঞ্জ সমিতি, কুমিল্লা সমিতি, সুনামগঞ্জ সমিতি, বিয়ানিবাজার সমিতি, বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল এসোসিয়েশন, , চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলুমনাই এসোসিয়েশন, বুয়েট, টরন্টো দুর্গাবাড়ি, বালাদেশ বুড্ডিষ্ট এসোসিয়েশন অব কানাডা, চট্টগ্রাম, ইঞ্জিনিয়ার্স এলুমনাই এসোসিয়েশন, বিক্রমপুর এসোসিয়েশন, উদীচী কানাডা, ইউনাইটেড ফোরাম, কানাডা-বাংলাদেশ কালচারাল অর্গেনাইজেশন,  বাংলাদেশ একাউন্টিং এসোসিয়েশন. ময়মনসিংহ এসোসিয়েশন, কিশোরগঞ্জ এসোসিয়েশন, গ্রেটার বরিশাল ক্লাব ও নোয়াখালী এসোসিয়েশন।

একটি সফল অনুষ্ঠান উপহার দিতে পেরে আয়োজবৃন্দের পক্ষে অনুষ্ঠানের কনভেনর দারা আবু জুবায়ের, কো কনভেনর মাজিদুল ইসলাম  ও মেম্বার সেক্রেটারি মাহবুব চৌধুরি (রণি) অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপণ করেন।

সার্বজনীন বিজয় উৎসবের এ উদ্যোগকে সাফল্যমন্ডিত করে তুলতে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল দেশে বিদেশে, দেশের আলো, ভোরের আলো, বাংলা মেইল, আজকাল, সিবিএন ও নবদ্বীপ।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

`খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে'

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৭ ১৩:২৬:১৩

নিউইয়র্কে ভয়েস অব গ্লোবাল সিটিজেন আয়োজিত ‘স্বাধীনতার চেতনা ও বিপর্যস্ত গণতন্ত্র’ শীর্ষক এক সভায় কেন্দ্রীয় বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ, দেশের মানুষ ভালো নেই। সত্যিকারই দেশ বিপর্যস্ত। শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের শোষণ, জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন, গুম, খুন ৯০ দশকের স্বৈরাচারী এরশাদের শাসনকেও হার মানিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করে শেখ মুজিবের মতো একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার যোগ্য উত্তরসূরী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই আবার বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে।

একই সভায় বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি ও চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া বলেন, জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন, গুম, খুন করে গণতন্ত্র হত্যা করেও শেখ হাসিনা সরকার পাড় পাবে না। দেশে সুষ্ঠ নির্বাচন হলে বিএনপিকে ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। নানা অপরাধের কারণে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা পালানোর সুযোগ পাবে না। তিনি বলেন, বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা ভয় পায় না। সময় আসছে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব সবাই জেগে উঠবে। তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের মতো ক্ষমতায় যাওয়ার শর্ত হিসেবে নির্বাচন চাই না। দেশের মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই, মানুষের অধিকার চাই।
সিটির জ্যাকসন হাইটসের নিউ মেজবান রেষ্টুরেষ্টে গত ২২ ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজিত ব্যতিক্রমী এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ভয়েস অব গ্লোবাল সিটিজেন-এর প্রধান উপদেষ্টা ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা হারুনুর রশীদ এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন এডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া। সেমিনারের শুরুতে অতিথিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। খবর ইউএনএ’র।

সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কামাল সাঈদ মোহন এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি গিয়াস আহমেদ, ভয়েস অব গ্লোবাল সিটিজেন-এর আহবায়ক ও নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির সিনিয়র সাইন্টিষ্ট ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সহ সভাপতি ও ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শামসুল ইসলাম মজনু।

সেমিনারে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশীদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বেগম খালেদা জিয়া আর বিএনপি-কে নিয়ে চিন্তা করছে। কারণ খালেদা জিয়া আর বিএনপি মানুষের কথা বলে, মানুষের অধিকারের কথা বলে, গণতন্ত্রের কথা বলে, বাক স্বাধীনতার কথা বলে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা বলে। কেননা, শহীদ জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীততে বিশ্বাসী নয় বলেই খালেদা জিয়া সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আওয়ামী লীগ সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন ভুলে যাওয়ার কথা বলেছেন।

হারুনুর রশীদ বলেন, বাংলাদেশ বাঁচাতে হলে আইনের শাসন দরকার। সরকারের কর্মকান্ডে দেশের মানুষ আতংকিত। সদ্য অনুষ্ঠিত রংপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনই প্রমাণ করে জনগণ আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখান করেছে। তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া বলেন, বাংলাদেশের অবস্থা কি তা দেশের প্রধান বিচারপতির অবস্থার দিকে তাকালেই বুঝা যায়। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, দেশের প্রধান বিচারপতি আজ কানাডায় কেনো? কেনো তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না? ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না। দিন আসছে, শেখ হাসিনাকে নৌকায় চড়ে ভারতে পাড়ি জমাতে হবে।

কামাল সাঈদ মোহন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহ্বানে জাগদল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছি। জিয়া ছিলেন সাচ্চা দেশ প্রেমিক। তিনি বলেন, ভারতীয় পরামর্শে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করা হচ্ছে, সত্যিকারের ইতিহাস মুছে ফেলা হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে আগে দলের মধ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে এই রাজনীতিই আমরা শিখেছি। প্রসঙ্গত তিনি বলেন, কাউন্সিল করে সবার মতামত নিয়ে নিজেরাই যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটি গঠন করা যেতে পারে।

সেমিনারে মুক্তিযোদ্ধা মীর মশিউর রহমান, গিয়াস মজুমদার ও মোহাম্মদ সুরুজ্জামান, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি এডভোকেট জামাল আহম্মদ জনি, বিএনপি নেতা আবুল কাশেম, আব্বাস উদ্দিন দুলাল, মার্শাল মুরাদ, সাখাওয়াত হোসেন আজম, সায়েদুল হক, আক্তারুজ্জামান খান মিশু, আব্দুল বাসিত, পারভেজ সাজ্জাদ, কেন্দ্রীয় জাসাস-এর আন্তর্জাতিক সম্পাদক গোলাম ফারুক শাহিন, নিউইয়র্ক ষ্টেট বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্র জিসাস সভাপতি আবুল বসার, ডা. সফিক, ডা. লিপন, ডা. ফরহাদ, ডা. মামুন, ডা. কবীর, ডা. রাহুল, ডা. জাকির, চট্টগ্রাম জাতীয়তাবাদী ফোরাম ইউএসএ’র সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম  প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৮০/৯০ দশকের সাবেক নেতৃবৃন্দের সংগঠন বাংলাদেশী-আমেরিকান জতীয়তাবাদী ফোরাম ইউএসএ ইনক’র তথা যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়াররুল ইসলাম, বর্তমান সভাপতি নিয়াজ আহমেদ জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক বাকির আজাদ, ফোরামের সিনিয়র সদস্য ছৈয়দুল হক, মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম খান, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, ড. তারেক জামান ইমন, ডা. শামীম দেওয়ান, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন মজুমদার ও শাহাদৎ হোসেন রাজু, জাতীয়তাবাদী ফোরামের সিনিয়ার সদস্য, বদরুল হক আজাদ, শাহাদৎ হোসেন রাজু এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম যুক্তরাষ্ট্র সাবেক সভাপতি রাফায়েল তালুকদার, রফিকুল ইসলাম ডালিম নাসির উদ্দিন ও সিনিয়র যুগম সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রমুখ সহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন। তাদেরকে অতিথিদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, সেমিনার আয়োজকদের পূর্ব সিদ্ধান্ত মোতাবেক শুধুমাত্র আতিথীদ্বয় মূল বক্তব্য রাখেন এবং মাত্র তিনজন বক্তা শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। যা সচরাচর কমিউনিটির সভা-সভাবেশ বা সেমিনারে দেখা যায় না। সেমিনারে বক্তার সংখ্যা কম থাকায় উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। অতিথিবৃন্দও এমন সুন্দর সেমিনারের প্রশংসা করেন।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

পারিবারিক শান্তি-ই হলো আসল শান্তি : ফাদার শীতল

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৬ ১১:৪১:১০

যথাযত ধর্মীয় মর্যাদায় গ্রেটার ওয়াশিংটন বড়দিন উদযাপিত হয়েছে। পারিবারিক শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে সকালে বড়দিনের খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করেন ফাদার শীতল হিউবার্ট রোজারিও, সিএসসি এবং তাকে সহায়তা করেন দুইজন সেমিনারিয়ান। মেরিক্যান্ডের সিলভার স্প্রিং শহরের সেন্ট ক্যামিলাস ক্যাথলিক চার্চের ক্যামিলা হলে বিশেষ খ্রীষ্টযাগের আয়োজন করা হয়।

খ্রীষ্টযাগে  সহস্রাধিক খ্রিস্টান অংশগ্রহণ করেন। ধূপারিতো নৃত্যের তালে শোভাযাত্রা করে হলে যাজকসহ অন্যান্যরা বেদিতে প্রবেশ করেন।

খ্রীষ্টযাগের উপদেশে ফাদার শীতল হিউবার্ট রোজারিও, সিএসসি বলেন, পারিবারিক শান্তি হলো আসল শান্তি। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি হলো পরিবারে শান্তি। তিনি বলেন, শান্তির জন্য স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকা অনেক।

গ্রেটার ওয়াশিংটন এলাকায় প্রায় তিন হাজার প্রবাসী বাংলাদেশী খ্রিষ্টান সম্প্রদায় বসবাস করে। প্রতি বছর বড়দিন ও ইস্টারে সেন্ট ক্যামিলাস ক্যাথলিক চার্চে স্থানীয় চার্চ কমিটির ব্যাবস্থাপনায় বাংলা খ্রীষ্টযাগের আয়োজন করা হয়।
খ্রীষ্টযাগে স্থনীয় প্রবাসীদের সাথে বড়দিন উদযাপন করতে ভিবিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকেও অনেকে চলে আসেন। খ্রীষ্টযাগ শেষে বেদির পাশে অস্থায়ী গোশালায় শিশু যীশুর মূর্তি সামনে প্রার্থনা করেন। কীর্তন বড়দিনের বিশেষ একটি অংশ স্থানীয় দুটি সংগঠনের সদস্যরা কীর্তন প্ৰদৰ্শন করেন।
এই সময় একে ওপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, ছোটরা বড়দের কাছে আশীর্বাদ নেয়।

খ্রীষ্টযাগ শেষে ফাদার শীতল বলেন, গ্রেটার ওয়াশিংটন এলাকায় সবাই এক সাথে বড়দিন উদযাপন করেন কারণ ঈশ্বরের বিশেষ আশীর্বাদ রয়েছে এই ষ্টেটে।

চার্চ কমিটির পক্ষে ক্লারা মলি রোজারিও ও প্রভাতী সিসিলিয়া রোজারিও সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

বিকেল থেকে বাড়ি বাড়ি কীর্তন পরিবেশন করে দুটি সামাজিক সংগঠন।

বড়দিন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ খ্রিষ্টান এসোসিয়েশন, বাঙালি-আমেরিকান খ্রিষ্টান এসোসিয়েশন ও ইছামতির পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা ভাবে বড়দিন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে আগামী ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর।

বিস্তারিত খবর

সিডনীতে বড়দিন উদযাপন

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৬ ১১:১৫:১৪

সিডনীর ওয়েন্ট ওর্থভীল রেডগাম অডিটরিয়ামে ২৫শে ডিসেম্বর সোমবার পালন হলো খৃস্টান ধর্মালম্বীদের সবচে বড়ো ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। বাংলাদেশ খ্রীষ্টান ফেলোশীপ অব অস্ট্রেলিয়া প্রতি বছরের মতো এবারেও তার ধারাবাহিকতায় আয়োজন করে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক এই উৎসব।
বাংলাদেশ খ্রীষ্টান ফেলোশীপ অব অস্ট্রেলিয়া’র সভাপতি রোনাল্ড পাত্র তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, আমাদের হৃদয় ও মন একটি ভাণ্ডার। এটাকে আমরা প্রতিহিংসা, রাগ, আত্নগরিমা, লোভ দ্বারা পরিপূর্ণ করে একটি আবর্জনার ভাণ্ডার করতে পারি। আবার আমাদের হৃদয় ও মন- প্রেম, ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব, সহনশীলতা ও সেবা দিয়ে পূর্ণ করে একটি রত্ন ভাণ্ডারেপরিণতকরতেপারি।তিনি বলেন, যীশু খৃষ্ট আজ তার জন্ম তিথিতে আমাদের কাছ থেকে এমনি একটি রত্নভাণ্ডারেপূর্ণ হৃদয় ও মন চান। এটাই হবে এবারের বড়োদিনে খৃষ্টের জন্য আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান উপহার।
অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছিল প্রথমে অতিথি আগমন ও শুভেচ্ছা বিনিময়। এরপর বড়দিনের বিশেষ প্র্রার্থনা, প্রীতিভোজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সান্তার উপহার বিনিময়, রাফেল ড্র, বিকেলের আপ্যায়ন ও সমাপনী শুভেচ্ছায় শেষ হয় এই আনন্দঘন উৎসব।
বড়দিনের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন ডঃ রোনাল্ড পাত্র ও ডেইজী বিঠু বিশ্বাস। প্রতিবারের মতো এবারেও সংকলন প্রকাশিত হয়েছে জল’ এর সম্পাদনায় ছিলেন এডওয়ার্ড আশোক অধিকারী।
বাংলাদেশ খ্রীষ্টান ফেলোশীপ অব অস্ট্রেলিয়া’র কার্যকারী পরিষদে রয়েছেন- সভাপতি ডঃ রোনাল্ড পাত্র, সহ সভাপতি এ্যলেক্স তুহিন গাহিন, সাধারন সম্পাদক ডেইজী বিঠু বিশ্বাস ও প্রকাশনা ও প্রচার সম্পাদক এডওয়ার্ড আশোক অধিকারী সহ আরো অনেকে।অনুষ্ঠানের মঞ্চসজ্জায় ছিলেন, লরেন্স ব্যরেল, কবিতা রোজারিও ও জুলিয়েট রয়। হল ব্যবস্থাপনা ও পরিসজ্জায় ছিলেন, জন তাপস কর্মকার চার্লস ইলিয়াস সরেন, লরেন্স সরকার সহ অন্যান্য অনেকে। উল্লেখ্য বাংলাদেশ খ্রীষ্টান ফেলোশীপ অব অস্ট্রেলিয়া’ গত ২০ বছর যাবৎ নিয়মিতভাবে প্রতিবছর সিডনীতে বড়দিন পালন করে আসছে আনন্দমুখর ও প্রানবন্ত আমেজে।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সিডনিতে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৫ ১১:১১:০৬

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে সিডনিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। গত ২ ডিসেম্বর ২০১৭ শনিবার সন্ধ্যায় প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা সিডনিতে এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সিডনির রকডেল শহরতলীর রেডরোজ ফাংশন হলের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

নির্ধারিত সময়ের আগেই পরিবার-পরিজনসহ প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানস্থলে সমবেত হতে থাকেন। তাদের সমাগমে মুখরিত হতে শুরু করে অনুষ্ঠানস্থল।
সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যাপীঠে যাপিত শিক্ষাকালীন সময়ের স্মৃতিচারণ করেন প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা। এসময় 'চলো ফিরে যাই ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের ক্যাম্পাসে' শীর্ষক তথ্যচিত্র দেখানো হয় বড় পর্দায়।

দূরদেশে এসেও মেডিক্যালের শিক্ষা জীবনের সেই সোনালি দিনের কথায় স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন উপস্থিত সকলে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যের পরেই শুরু হয় মূল পর্ব। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ময়মনসিংহ মেডিক্যালের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বয়োজেষ্ঠ ডাঃ কামাল ও সর্বকনিষ্ঠ ডাঃ রাশেদসহ অন্যান্য সকলে কেক কেটে অনুষ্ঠানটিকে স্মরনীয় করে তুলেন। এরপর শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ পর্বে ছিল একক ও দলীয় সংগীত। সবশেষে ছিল আকর্ষনীয় রাফেল ড্র।

অনুষ্ঠানের সমন্বয়ে ছিলেন ডাঃ জামান,ডাঃ তিথী,ডাঃ নুরীন,ডাঃ রুবাইয়াত, ডাঃ লীনা, ডাঃ শোয়েব,ডাঃ সিন,ডাঃ নিতু,ডাঃ দিপু,ডাঃ নোমান,ডাঃ জলি,ডাঃ রাসেল এবং সমাপনী ব্ক্তব্য ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডাঃ মিহির।

আগামী দিনগুলোতে সকলের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে ও প্রীতি নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

রজত জয়ন্তী পেরিয়ে সুবর্ণ জয়ন্তীর পথে সিডনি বৈশাখী মেলা

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৪ ১৪:৫৮:৪৭

বারুদ থেকে সিডনি অলিম্পিক পার্ক_ মাঝে কেটে গেছে ২৫বৎসর।দীর্ঘ এ যাত্রা পথে আলোর মশাল জ্বালিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বঙ্গবন্ধু কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া।সংগঠনটি বাংলা সংস্কৃতিকে ঠিকিয়ে রাখার জন্য প্রতি বছর নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।তবে, মিশ্র সংস্কৃতি ও নানান ভাষা-ভাষীদের মাঝে বৈশাখী মেলা’র আয়োজন করে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। এরই ধারাবাহিকতায় অলিম্পিক পার্কের এএনজেড স্টেডিয়ামে গত বছর পালিত হয়েছিল দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার বর্ণাঢ্য রজত জয়ন্তী উৎসব।

যথারীতি, এবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিডনির অলিম্পিক পার্কে বৈশাখী মেলা।গত ১৭ ডিসেম্বর রবিবার মেলার আয়োজক সংগঠন বঙ্গবন্ধু কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া সিডনির কনকর্ডে তাদের নিজস্ব কার্যালয়ে স্থানীয় লেখক, সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে মত বিনিময় সভার আয়োজন করে।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু কাউন্সিলের অন্যান্য সাংগঠনিক কর্মকর্তা সুরজিৎ রায়,মেহেদী রব,ফয়সল হোসেন প্রমুখ। 
 
সভায় সংগঠনের সভাপতি শেখ শামীমুল হক আগামী ১৪ এপ্রিল শনিবার বৈশাখী মেলার তারিখ ঘোষণা করেন। এটি হবে বঙ্গবন্ধু কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত ২৬তম বৈশাখী মেলা। রজত জয়ন্তী পেরিয়ে সুবর্ণ জয়ন্তীর পথে সিডনি অলিম্পিক পার্কের বৈশাখী মেলা। এটি শুধু বাঙালির মিলনমেলা বা এক টুকরো বাংলাদেশে পরিণত হওয়া নয়। এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে নানান সংস্কৃতির আবহে স্বদেশিয় সংস্কৃতির মেলবন্ধনও বটে! দল-মত-বর্ণ নির্বিশেষে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে সার্বজনীন উৎসবের যে রূপ আমরা দেখতে পাই, বৈশাখী মেলা সেই রূপকে ব্যপ্ত ও পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করে। হাজার মাইল দূরত্ব ছাপিয়ে বহুমাত্রিক দেশে বাংলার আদি এ সংস্কৃতিকে বর্ণিল উৎসবে পরিণত করা মোটেও সহজ নয়। নানান প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতা পাশ কাটিয়ে বৈশাখী মেলা বাংলাদেশকেই প্রতিনিধিত্ব করে। বাঙালীর কয়েক’শ বছরের জীবনের নানা অনুষঙ্গকে ধারণ করেছে এ দিনটি_ কথাগুলো বলছিলেন শেখ শামীমুল হক। তিনি জানান সমগ্র অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড প্রবাসী বাঙালী কমিউনিটি ও মিডিয়ার সহযোগিতা অনস্বীকার্য। সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় অলিম্পিক পার্কের বৈশাখী মেলা আজ তিন দশক অতিবাহিত করতে যাচ্ছে।
 
সভায় উদ্যোক্তারা জানান, বর্ষবরণের এ উৎসবে সিডনি ছাড়াও মেলবোর্ন, ব্রিসবেন, পার্থ, অ্যাডিলেডসহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন স্থানে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিরা সমবেত হবেন। অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার রাজনীতিবিদ, সরকার প্রধানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন প্রতিনিধিরাও মেলার মূল অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। লোক সমাগম ও আয়োজনের ব্যাপকতায় সিডনির বৈশাখী মেলাকেই বাংলাদেশের বাইরে বর্ষবরণের সবচেয়ে বড় মেলা মনে করেন তারা। প্রতি বছরই তাঁরা চেষ্টা করেন মেলার আয়োজনে নতুনত্ব আনতে। গত বছর মেলার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দু’টি নতুন সংযোজন ছিল - একটি রাজপথে বিলবোর্ড এবং মঙ্গল শোভাযাত্রা। এবার আরও বৃহৎ ও বৈচিত্র্যভাবে সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে আয়োজকবৃন্দের। তাঁরা এব্যাপারে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন।
    
সিডনীর বাঙালীপাড়া খ্যাত ল্যাকেম্বা সংলগ্ন কিং জর্জেস রোডে পথচারী পারাপার সেতুটিতে আগামী মেলার বিলবোর্ড স্থাপন করা হবে বলেও জানান তাঁরা। মেলার স্টল বুকিং এর জন্য- হায়াত ভুঁইয়া (0430 372 244), সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য- ফয়সল হোসেন (0402 617 538), বিজ্ঞাপন বা স্পন্সর আগ্রহীদের জন্য- সুরজিৎ রায় (0433 351 622) এবং মেলা উপলক্ষে প্রকাশিত স্মারকে লেখা দিতে আগ্রহীদের তুষার রায় (0413 045 133) এর সাথে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়াতে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখার জন্য বিভিন্ন বিষয়ে কৃতি ও গুণীজনকে তাঁরা ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড’ দিয়ে আসছেন গত ১৫ বছর ধরে। এছাড়াও নিয়মিত অনুদান দিয়ে আসছে বিভিন্ন সংগঠনকে। আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চিলড্রেন ফার্স্ট ফাউন্ডেশনসহ বাংলাদেশের বেশ কিছু দাতব্য প্রতিষ্ঠানকে সাহায্য-সহযোগিতার পাশাপাশি বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করা মাথা জোড়া লাগানো শিশু কৃষ্ণা ও তৃষ্ণার চিকিৎসার ব্যয় বহন করেছিল এ সংগঠনটি। এ ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু কাউন্সিল উক্ত সভায় বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ডিজাস্টার রিলিফ কমিটিকে অনুদান স্বরূপ ২ হাজার ডলারের চেক প্রদান করে।

মত বিনিময় সভায় অংশগ্রহণ ও মেলা সংক্রান্ত সার্বিক সহযোগিতার জন্য উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে পরিসমাপ্তি ঘোষণা করেন সংগঠনের সভাপতি জনাব শেখ শামীমুল হক।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির আত্মহত্যা

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৪ ১২:২০:২৩

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির আত্মহত্যাআ খবর পাওয়া গেছে। আল খোবারে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা খ্যাত ছোবেকা ও জেদ্দার বালাদ শহরে গলায় দড়ি লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন তারা।
 
দাম্মাম আল খোবার থেকে মো. আজিম জানায়, স্খানীয় সময় শনিবার একটি পরিত্যক্ত বাড়ির ফ্যানের হুকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ইকবাল হোসেন (৪৩) আত্মহত্যা করেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাংনগুনিয়া। মাত্র ৮ মাস পূর্বে সৌদি আরব আসেন। অস্বাভাবিক মানসিক চাপ এবং কাজকর্ম বিহীন দিন পার করতে গিয়ে আত্মহত্যা করেন।
 
জেদ্দা থেকে  মো. আব্দুল মান্নান জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার জেদ্দার বালাদ শহরে প্রবাসী ব্যবসায়ী মো. হেলাল উদ্দীন (৩৫) গলায় দড়ি লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। পারিবারিক কলহের জের ধরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
 
মো. হেলাল উদ্দীনের গ্রামের বাড়ি চট্রগ্রামের সাতকানিয়ার লোহাগড়ার হাতিয়ারপুলের কেরানি পাড়ায়। ১০ বছর ধরে প্রবাস জীবনযাপন করে আসছিলেন তিনি।

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত