যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ১৯ Jun, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 10:32pm

|   লন্ডন - 05:32pm

|   নিউইয়র্ক - 12:32pm

  সর্বশেষ :

  ট্রাম্পের সাথে বৈঠকের পর আবারো চীনে কিম   এবারের বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ড পেলেন সানচেজ   রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখতে আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট   ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনা   ফেরি ডুবে ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ ১২৮   খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে সরকার সময়ক্ষেপন করছে : মির্জা ফখরুল   রেমিট্যান্সে ভ্যাট আরোপ হয়নি : এনবিআর   নিউজিল্যান্ডে সুন্দরী প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো হিজাবি তরুণী   নাম পরিবর্তন করল মেসিডোনিয়া   ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা   ফ্লোরিডায় ৪ সন্তানকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা   তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি   পাকিস্তানিদের গোলায় জম্মু ও কাশ্মীরে ৪ বিএসএফ নিহত   নাপলি আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত   ইমরানের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শতবর্ষী নারী!

>>  নিউইয়র্ক এর সকল সংবাদ

স্প্যানিশ দুর্বৃত্তের গুলিতে নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি যুবক নিহত

স্প্যানিশ যুবকের গুলিতে নিউ ইয়র্কে আরিফুল ইয়াকুব রনি নামক ২৪ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।  রনির পৈতৃক বাড়ি ফেনীর সোনাগাজি উপজেলায়।  তিনি মা-বাবা-বোনদের সাথে বাংলাদেশি অধ্যুষিত চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড এলাকায় বসবাস করছিলেন।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় নিউ ইয়র্ক সিটির ব্রুকলীনে ফ্লাটবুশ এলাকায় রনি নিহত হন।  এসময় ছুরিকাঘাতে ২৩ বছর বয়সী আরেক বাংলাদেশি আহত হন।  তাকে নেয়া হয়েছে মায়মনিডেস হাসপাতালে।  সেই যুবকের নাম এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

নিউইয়র্কের পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ৫৫০ ওসেন এভিনিউতে অবস্থিত এপার্টমেন্ট ভবনের

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি ইমাম হত্যার দায়ে মোরেলের যাবজ্জীবন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-০৮ ১৪:৫১:৩৫

যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্ক রাজ্যের কুইন্সে এক মসজিদের ইমামসহ দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত অস্কার মোরেলকে (৩৭) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

স্থানীয় সময় বুধবার বিকেলে রাজ্যের কুইন্স আদালতের বিচারক এ রায় দেন। এর আগে গত ২৩ এপ্রিলে আসামী অস্কার মোরেলকে দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত। দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় পর এ হত্যা মামলার রায় হলো।

নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, আদালতের বিচারক গ্রেগরি লাসাক রায় প্রদানকালে এ হত্যাকাণ্ডকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গত ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট ওজোন পার্কের আল ফুরকান মসজিদের ইমাম মাওলানা আকঞ্জি (৫৫) ও তার সহকারী তারা উদ্দিন (৬৪) জোহর নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হাতে গুলিবিদ্ধ হন । নিকটবর্তী হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষনা করেন।

হত্যাকাণ্ডের একদিন পর অর্থাৎ ১৪ আগস্ট রাতে অস্কার মোরেলকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ব্রুকলিনের বাসিন্দা ৩৭ বছরের মোরেল খুনের কথা অস্বীকার করে বলেছেন, তার কাছে কোনো বন্দুক ছিল না।

তবে সিসিটিভি ফুটেজ, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে শুনানি শেষে আদালত মোরেলকে দোষী সাব্যস্ত করে উক্ত রায় প্রদান করেন।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্ক প্রবাসী কবি রাশিদুল হক চিশতির ইন্তেকাল

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-০৩ ১৬:৩৯:৩১

প্রবীণ প্রবাসী, কমিউনিটির পরিচিত মুখ কবি রাশিদুল হক চিশতী আর নেই। আজ শনিবার (২ জুন) বেলা ২টা ১৫মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নাল্লিাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজেউন)। তার বয়স হয়েছিলো ৮৭ বছর। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ৩ পুত্র ও ৪ কন্যা সহ বহু আতœীয়-স্বজন রেখে যান।

নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় বসবাসকারী মরহুম চিশতীর পুত্র মনসুর কবীর ইউএনএ প্রতিনিধিকে জানান, বাবা রাশিদুল কবীর চিশতী নিউইয়র্কের জ্যামাইকার হাইল্যান্ড এভিনিউর বাসায় বসবাস এবং বাধ্যক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। গত ১ জুন শুক্রবার বিকেলে তিনি হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়লে সাথে সাথে ৯১১ কল করে তাকে নিকটবর্তী কুইন্স জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নেয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগ থেকে আইসিইউ-তে পর্যবেক্ষণে রেখে সেবা দেয়া হয়। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি হয় এবং আজ শনিবার বেলা ২টা ১৫ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন।

মরহুম কবি চিশতীর নামাজে জানাজা জ্যামাইকা মসলিম সেন্টারে আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। রোববার তার মরদেহ নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডস্থ ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল কবর স্থানে দাফন করা হবে বলে মনসুর কবীর জানান।

কবি রাশিদুল হক চিশতী ব্যক্তিগত জীবনে একজন হাসি-খুশী মানুষ ছিলেন। তিনি সনেট কবিতা লিখতে ভালোবাসতেন। তার লেখা নিয়ে একাধিক বই প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি নিউইয়র্কের বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন।

উল্লেখ্য, মরহুম চিশতী প্রবাসের পরিচিত মুখ আনিসুল কবীর জাসিরের পিতা। জাসির বর্তমানে ঢাকায় বসবাস এবং ঢাকা আহসানিয়া মিশনের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কবি চিশতীর ইন্তেকালের খবরে কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে শহীদ জিয়ার ৩৭তম শাহাদৎ বার্ষিকী পালন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-৩১ ১৫:৫৪:৪৭

শহীদ রাষ্ট্রপতি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদৎ বার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন নিউইয়র্কে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল করেছে। এছাড়াও জ্যাকসন এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই প্রথ দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ইফতারী পানি ও বক্স বিতরণ করেছে। গত ৩০ মে বুধবার ছিলো শহীদ জিয়ার শাহাদৎ বার্ষিকী। উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের এই দিনে তিনি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অবস্থানকালে সেনাবাহিনীর বিদ্রোহী কর্মকর্তাদের গুলিতে নিহত হন। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি সহ বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে বিস্তারিত কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়।
শহীদ জিয়ার শাহাদৎ বার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল ও ছাত্রদল সহ দলের অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যৌথ উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। গত ২৯ মে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জ্যাকসন হাইটসের পালকী পার্টি সেন্টারে এক মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক ডেপুটি মেয়র আব্দুস সালাম প্রধান অতিথি ছিলেন। খবর ইউএনএ’র।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মজিবুর রহমান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মাঝে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু। মাহফিলে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ফায়েক উদ্দিন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আহমেদ।
এই অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন হবে না। শেখ হাসিনার সরকার ভেবেছিলো খালেদা জিয়াকে আটক করে বিএনপি ভেঙে ফেলা হবে, বিএনপিকে দূর্বল করা যাবে। কিন্তু সরকারের এই ধারণা ভুল। বিএনপি আগের চেয়ে আরো অনেক শক্তিশালী। বিএনপি’র সমস্যা সরকার আমাদের কথা বলার অধিকার দিচ্ছে না। জুলুম-নির্যাতন, হামলা-মামলা করে বিএনপিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে।
সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মুক্তিযোদ্ধা কামাল সাঈদ মোহন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, সামসুল ইসলাম মজনু, হেলাল উদ্দিন, নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, শরীফ আহমেদ লস্কর, পারভেজ সাজ্জাদ, যুবদল সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, যুবদল নেতা আহবাব হোসেন খোকন, কেন্দ্রীয় জাসাস-এর আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গোলাম ফারুক শাহীন, মহিলাদল নেত্রী মাহমুদা শিরিন সহ বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতা-কর্মী এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে হোপ বাংলাদেশ এল এল সি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (যুক্তরাষ্ট্র শাখা) ৩০ মে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জ্যাকসন হাইটসের কাবাব কিং রেষ্টেুরেন্টে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. জিলানী ওয়ার্সী ও  হোপ বাংলাদেশ-এর কর্ণধার জ্যাকব মিল্টন। এর আগে আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানান বিএনপি নেত্রী নীরা রব্বানী ও আবু সুফিয়ান এবং শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইমরান কাজী।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন ‘ডিক্টেটর’। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বৈর শাসক আর  ডিক্টেটরদের মতো করে দেশ পরিচালনা করছেন। নিজের স্বার্থ রক্ষা আর ক্ষমতার জোরে গুম, খুন, হত্যার মতো ঘটনা ঘটাচ্ছেন। শেখ হাসিনা সরকারের অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে প্রবাস থেকেও প্রবাসী বাংলাদেশীদের ‘ভয়েজ রেইজ’ করতে হবে।
জ্যাকব মিল্টন তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের কড়া সমালোচনা করে বলেন, সত্য কথা বলার জায়গা কম। শেখ হাসিনা বাংলাদেশ নামের স্বাধীন দেশ ভারতের কাছে তুলে দিচ্ছে। সরকার ভারতের সহযোগিতায় বাংলাদেশের মুসলমানদের টেরোরিষ্ট বানাচ্ছে। শেখ হাসিনার ভিষণ নেই, ক্ষমতায় থাকতে হলে যা করা দরকার, তিনি তাই করছেন বলে অভিযোগ করেন।
অপরদিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই প্রথমবারের মতো দোয়া ও ইফতারী বক্স বিতরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ইফতারী বক্স বিতরণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক ডেপুটি মেয়র আব্দুস সালাম।
জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর সভাপতি মীর নিজামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া ও ইফতারী বক্স বিতরণ অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ জিয়ার বিদেহী আতœার শান্তি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি সহ দেশ ও দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মমিনুল ইসলাম। দলমতের উর্ধ্বে এই অনুষ্ঠান আয়োজনে ছিলেন গিয়াস উদ্দিন, আবুল কাশেম, দেওয়ান মনির, আমানত হোসেন আমান, মনিরুল ইসলাম মনির, শাহাদৎ হোসেন রাজু, শফিকুল ইসলাম, আব্দুর রহমান বিশ্বাস, এএসএম মইনুল করীম টিপু, সেলিম রেজা, মফিজুল ইসলাম, মফিজুর রহমান প্রমুখ।
এসময় উল্লেখ্যযোগ্য ব্যক্তির মধ্যে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম নমি সহ মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা গিয়াস আহমেদ, শরাফত হোসেন বাবু, জসিম ভূইয়া, রফিকুল ইসলাম ডলার, মাকসুদুল হক চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম লিটন, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা এম এ বাতেন, যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরী, আবু সাঈদ আহমেদ, রেজাউল আজাদ ভূইয়া, যুক্তরাষ্ট্র জাসাস-এর সভাপতি আবু তাহের, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশরাফ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ বারী টুটুল, শাকিল মিয়া, মোস্তাক আহমেদ, রাহিদ মান্নান তালুকদার লেলিন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া (মিল্টন ভূঁইয়া) পরে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে রোজাদার ছাড়াও দলমত নির্বিশেষে দেশী-বিদেশী সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ১০০০ প্যাকেট ইফতারী বক্স পানির বোতল সহ বিতরণ করা হয়।
ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানের শুরুতেই আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীদের পক্ষ থেকে বিগত কয়েক বছর ধরে ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেষ মুজিবুর রহমান মৃত্যুবার্ষিকী ১৫ আগষ্টে যেমন তবারক বিতরণ করার কর্মসূচী নেয়া হয়, তেমনী দেশের জাতীয় নেতাদের প্রতি সম্মান রেখেই দলমতের উর্ধ্বে এবার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ইফতারী বক্স বিতরণ করার কর্মসূচী নেয়া হয়। আর এই কর্মসূচী সফল করতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সার্বিক সাহায্য ও সহযোগিতা করার জন্য ব্যবসায়ী সহ পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে আব্দুস সালাম বলেন, এটা একটা ভালো ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। দলমতের উর্দ্ধে জাতীয় নেতাদের সম্মান জানানো উচিৎ। আর প্রবাসের এই শ্রদ্ধাবোধের সংস্কৃতি বাংলাদেশে চালু করতে পারলে জাতিই উপকৃত হবে, দেশের গণতন্ত্র শক্তিশালী হলে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে পারষ্পারিক শ্রদ্ধাবোধের রাজনীতির বড় প্রয়োজন। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র চাই। সুষ্ঠু, অবাধ আর নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই।
এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম ইউএসএ ইনক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদৎ বার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে ৩০মে সন্ধ্যায় ব্রুকলীনের গ্রীন হাউজ রেষ্টুরেন্টে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল-এর কর্মসূচী গ্রহণ করে। সংগঠনের সভাপতি মৌলভী মোহাম্মদ ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-২৭ ১২:৪৫:৪০

সাংবাদিকদের মধ্যকার ঐক্য আর সম্প্রীতির বন্ধন আরো জোরদার করার অঙ্গীকারে ধর্মীয় ভাবগম্ভীর এবং সৌহর্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইনক’র বার্ষিক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।  পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে সিটির ফ্রেসমেডোস্থ আলীবাবা রেষ্টুরেন্টে গত ২৫ মে শুক্রবার সন্ধ্যায় এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিল পরিচালনা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর বার্তা সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন ক্লাবের কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও ইয়র্ক বাংলা সম্পাদক রশিদ আহমেদ। এছাড়াও সভাপতি বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সাধারণ সম্পাদক ক্লাবের নতুন সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন।

ইফতার মাহফিলে নিউইর্কের বিভিন্ন বাংলা প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার প্রায় সকল সম্পাদক/পরিচালক এবং সাংবাদিকগণ সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন। ফলে প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল সাংবাদিকদের মিলন মেলায় পরিণত হয়। খবর ইউএনএ’র।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মিডিয়ার সম্পাদকদের মধ্যে সাবেক এমপি ও সাপ্তাহিক ঠিকানা’র সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি/ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এম এম শাহীন, সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমদ, সাবেক সভাপতি ও সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক এবং টাইম টিভি’র সিইও আবু তাহের, সাবেক সভাপতি ও সাপ্তাহিক দেশবাংলা/বাংলা টাইমস সম্পাদক ডা. চৌধুরী সারোয়ারুল হাসান, সাবেক সভাপতি ও বর্ণমালা সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক দেশকন্ঠ সম্পাদক দর্পণ কবীর, সাপ্তাহিক আজকাল-এর প্রধান সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ জিকো, সাপ্তাহিক জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার। 

এছাড়া প্রেসক্লাবের কর্মকর্তা ও সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের উপদেষ্টা ও সাপ্তাহিক বাংলাদেশ-এর উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু, উপদেষ্টা নিনি ওয়াহেদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন, ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও হককথা/ইউএনএ সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাপ্তাহিক জনতার কন্ঠ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ মমিনুল ইসলাম মজুমদার, সাপ্তাহিক দেশবাংলা’র নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, টাইম টেলিভিশন-এর অন্যতম পরিচালক সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, আজকাল-এর নির্বাহী সম্পাদক ও যমুনা টিভির প্রতিনিধি যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি হাসানুজ্জামান সাকী, সাংবাদিক, লেখক ও কলামিষ্ট ডা. সজল আশফাক, সাংবাদিক আজাদ শিশির, সাংবাদিক আবিদুর রহীম, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ-এর চীফ রিপোর্টার মোহাম্মদ সোলায়মান, সাংবাদিক মোহাম্মদ আরিফ, টাইম টেলিভিশনের দিদার চৌধুরী, মেহেরুন্নেসা জোবায়দা, সামিউল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেন বাবু, নিউজ প্রেজেন্টার সাদিয়া খন্দকার, বাংলা মেইল-এর প্রতিনিধি মোহাম্মদ সোলায়মান এবং সাপ্তাহিক আওয়াজ সম্পাদক শাহ আহমেদ সাজু।  

অপরদিকে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান রচি, অপরাংশের সাধারণ সম্পাদক এবং দৈনিক ইত্তেফাক ও সাপ্তাহিক বাঙালীর বিশেষ প্রতিনিধি শহীদুল ইসলাম, ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী ও এ হাই স্বপন, ভোয়া’র নিউইয়র্ক প্রতিনিধি আকবর হায়দার কিরণ, সাংবাদিক ইমরান আনসারী, টাইম টেলিভিশনের ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ার নাজিম উদ্দিন, ভিডিও এডিটর (এনসিএ) এন্থনী গঞ্জালেস, বাংলা পত্রিকা’র আব্দুর রহমান, সাংবাদিক আলমগীর হোসেন বেপারী, টাইম টেলিভিশনের নুসরাত তিসাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে বিশিষ্ট নাট্যাভিনেত্রী রেখা আহমদ, প্রখ্যাত ফটো সাংবাদিক লুৎফর রহমান বেনু, ডা. এনামুল হক, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি নার্গিস আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম, সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুর রহীম হাওলাদার, খানস টিউটোরিয়াল-এর চেয়ারপার্সন নাঈমা খান, সোনালী এক্সচেঞ্জ-এর ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট/সিইও জহিরুল ইসলাম, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা এবিএম ওসমান গণি,  ফার্মাসিস্ট মোস্তাক আহমেদ, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী জন ফাহিম, উৎসব ডট কম-এর সিইও রায়হান জামান ও মার্কেটিং ডিরেক্টর সৈয়দ মোস্তফা আল আমীন রাসেল, বিশিষ্ট রাজনীতিক গিয়াস আহমেদ, জেবিবিএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পরিচালক আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম, বাংলাদেশ সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক আহসান হাবীব, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনিকা রায়, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী সালেহ উদ্দিল সাল, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট মোহাম্মদ টি রহমান, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, আহসান হাবিব, জেবিবিএ’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ফাহাদ সোলায়মান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সালাম ভূইয়া, ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, লেখিকা বিদিতা রহমান, রাইটার্স ফোরাম অব নর্থ আমেরিকার সভাপতি হাফেজ আব্দুল্লাহ আল আরীফ, হিউমিনিটি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আলম ও সদস্য তাসেক চৌধুরী প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তি ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষ্যে পথমেলার আয়োজন করেছে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটর্স ডেবেলপমেন্ট

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-১৯ ১২:২২:৩৯

মা, মাটি ও মাতৃভুমির  প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, বাংলাদেশের কৃষ্টি ও ঐতিহ্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতি, প্রবাসী ও নতুন প্রজন্মের সংগে পরিচয় করিয়ে দেয়ার মহান লক্ষ্যে,বিশেষ করে মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটর্স ডেবেলপমেন্ট কর্তৃক আয়োজিত, এনটিভি ইউএসএ পরিচালিত, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইর্য়ক শহরের জ্যাকসন হাইটস্থ ৭৭ এবং ৭৬ ষ্ট্রীটের মধ্যে ৩৭ রোড এর পাদদেশে ১২ই মে বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষ্যে পথমেলার আয়োজন করা হয়।

উক্ত পথ মেলার প্রথমেই দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয় । এরপরে ক্রমান্বয়ে স্থানীয় এবং বাংলাদেশ থেকে আগত ফকির আলমগীরসহ অন্যান্য শিল্পীদের সুরের মোর্ছনায় প্রবাসের ছেলে- মেয়ে এবং মায়েরা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।
র্এই মধ্যে জাতীয় সংগীতের পর পরই ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটর্স ডেবেলপমেন্ট এর সভাপতি জনাব শাহ সহিদুল হক সবাইকে মঞ্চে আহবান করেন। পাশাপাশি এনটিভি-যুক্তরাষ্ট্র এর পরিচালক খন্দকার এইচ জামান ডঐজউ এর সাধারণ সম্পাদক জনাব সৈয়দ আতিকুর রহমান ফারুক, কমিউনিটি নেতা আলাউদ্দিন ভুলু, আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব জনাব বাকের আজাদ, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির সভাপতি জনাব শাহাদাত হোসাইন, ডঐজউ এর অন্যতম পরিচালক জনাব মুহাম্মদ এ কাদের এবং সংগঠক মতিউর রহমান মতি। 

সারা বিশ্বে আজ শ্রদ্ধার সাথে মা দিবস পালিত হচ্ছে। আবার কোথাও দুর্ভাগ্যবশত মায়েরা অবহেলিত নির্যাতিত হচ্ছেন। ভবিষ্যতে যাতে যাতে মায়েদের প্রতি আর কোন অবহেলা না হয়,  সেইদিকে সুদৃষ্টি দানের জন্য ডঐজউ এর সাথে সমস্ত বক্তাগন একমত প্রকাশ করেন। সভাপতি তার বক্তব্যে আরো বলেন, তিনি অত্যন্ত  দুঃখের সাথে জানাচ্ছেন যে, আজো মায়েরা তচ্ছে তাচ্ছিল্যের শিকার হচ্ছেন। ছেলে মেয়েরা অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও বাবা, মায়েরা, বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নিচ্ছেন। যেটি ডঐজউ মোটেই বরদাশত করবে না।
ডঐজউ এর সম্মানিত সভাপতি, তার বক্তৃতার মধ্যে অভিমত প্রকাশ করেন যে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মায়েদের প্রতি যেন কোন প্রকার অবহেলা না করা হয়, সেজন্য বিশেষ আইন পাশ করেছেন। সেজন্য তাকে বিশেষ অভিবাদন জানায়।
আজকের এই মা দিবস, আমরা দৃঢ় চিত্তে বলতে চাই। বিশ্বের সমস্ত দেশে যেন বাংলাদেশের  প্রধানমন্ত্রীর মতো আইন পাশ করা হয়।একই সংগে জানাতে চাই যে, প্রবাসে আজো অনেক মা গৃহপরিচালক হিসেবে নিজ সংসারে কাজ করে যাচ্ছেন। তার বাবা মাকে ভিন্ন চোখে দেখে থাকেন। আমা এহেন ও পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি তার নাতিদীর্ঘ বক্তব্যে ঘঞঠ – এর পরিচালক এবং পথমেলার আহবায়ক জনাব এইচ জামান কে সুষ্ঠুভাবে এই মেলা পরিচালনা, পর্যবেক্ষন করার জন্য তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আরোও ধন্যবাদ জানান কামরুজ্জামান বকুল কে একটি মার্জিত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডঐজউ এর সকল পরিচালকবৃন্দকে এবং যে সমন্ত ব্যবসায়ী, সুহৃদয়মান ব্যক্তি এই পথমেলাকে সাহায্য সহযোগীতা করেছেন। তাদের সবাইকে কৃতজ্ঞ  প্রকাশ করেছেন এবং সমস্ত প্রিন্ট এবং ইলেকট্রোনিক্স মিডিয়ার কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
একই সাথে মেয়র অফিস, কমিউনিটি বোর্ড-২ এর এর চৎবপবহঃ-১১৫ এর কমান্ডার ইন চিফকে ধন্যবাদ জানান।  এই মা দিবসের মেলাকে অনুমোদন দিয়েছেন।

বৈরী আবহাওয়া মধ্যেও দুর দুরান্ত থেকে শত শত উৎসবপ্রিয় দর্শক ও শ্রোতা মন্ডলী মা দিবস পথ মেলায় অংশ গ্রহন করেন। বাংলাদেশ থেকে আমদানীকৃত শাড়ী, বিভিন্ন রকমের পোশাক আশাক, গহনা,পাকিস্থানী সেলোয়ার কামিজ, কুর্তা দিয়ে সাজানো ছিল বিভিন্ন স্টল। সর্বোপরি তিনি সকল উপস্থিত দর্শক কলা কৌশলী এবং শিল্পীবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
বিশ্ব মা দিবস  উপলক্ষ্যে , নিউ ইর্য়কের ১০জন মাকে সিনেটর হোজে প্যারাল্টার পক্ষে ডঐজউ সৌজন্যে বিশেষ সম্মামনা দেয়া হয়।

তাদের মধ্যে  উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন- মনি হোম কেয়ার এর  ডিরেক্টর মিস নাহার, এ্যাটর্নী মেরি পনিষ্ট, মানবধিকার কর্মী শিফা আামিন, প্যারালিগ্যাল নাসরিন কে আহমেদ, এডভোকেট মোর্শেদা জামান, সালমা বেগম, আসমা বেগম, সাবিতা দাস সুতার, ডিটেক্টিভ এডরিন জনসন।  এছাড়াও উক্ত প্রোগ্রামে সংগীত পরিবেশন করেন কামরুজ্জামান বকুল, রুকসানা মির্জা, শাহ মাহবুব, বিউটি দাস,সনিয়া সুইটি এবং পুরো প্রোগ্রাম উপস্থাপনা ছিলেন- রিচি সোলায়মান। 

সর্বোপরি শেষ পর্বে সংগঠনের সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদক, মেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব সবাই মিলে আবারো সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সন্ধ্যা ৭টায় পথ মেলার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি
                       



বিস্তারিত খবর

ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-১৭ ১৩:৩৮:৫৯

আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি (আইএফসি) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার  সভাপতি ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. জসিম উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন-মরণ সমস্যা ‘পানি সমস্যা’। এই সমস্যার সমাধানে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ফারাক্কা লং মার্চের মাধ্যমে যে জাতীয় সংহতি গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন, সেই চেতনা বুকে ধারণ করে পানি সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে দেশে ইতিমধ্যেই একটি ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা দেশের জনগণকে সকল রাজনৈতিক বিভাজনের উর্ধ্বে উঠে পানির ন্যায্য অববাহিকা ভিক্তিক সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আদায়ের জন্য ইস্পাত-দৃঢ় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি (আইএফসি) নিউইয়র্ক আয়োজিত এক মতবিনিময় সভার কী নোট স্পীকার হিসেবে ড. জসিম উদ্দিন আহমেদ উপরোক্ত কথা বলেন। গত ১২ মে শনিবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের একটি রেষ্টুরেষ্টে এই সভার আয়োজন করা হয়।

‘সীমান্তে পানি বন্টন নয়, চাই যৌথ নদীর অববাহিকা ভিত্তিক সামগ্রিক চুক্তি’ শীর্ষক সভায় সভাপতিত্ব করেন আইএফসি’র চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালুর সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় আইএফসি’র সেক্রেটারী জেনারেল সৈয়দ টিপু সূলতান সহ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে আলহাজ সোলায়মান ভূঁইয়া, আলী ইমাম শিকদার, আওয়াল সিদ্দিকী, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, খন্দকার ফরহাদ, কাজী আজম, ফারুক হোসেন  মজুমদার, মাকসুদুল হক চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত থেকে মতবিনিময় করেন।

সভায় ড. জসিম উদ্দিন আহমেদ তার লিখিত বক্তব্যে ফারাক্কা তথা পানি সমস্যার সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং সভায় উপস্থিত সাংবাদিক ও সুধীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য ২০০৫ সালের চিলমারীর সমাবেশে ৫ লক্ষাধীক লোকের সমাবেশ হয়েছে। দেশের মানুষ স্বর্তফূর্তভাবে এই সমাবেশে যোগ দিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘পানি সমস্যার সমাধানের এজেন্ডা’ রাখার দাবী জানিয়ে বলেন, পানি সমস্যার ব্যাপারে সরকারকেই অগ্রনী ভূমিকা রাখতে হবে।
ড. জসিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী তিস্তা। ব্রক্ষপুত্র নদের অন্যতম প্রধান এই উপনদীর উৎপত্তি পাহাংগিরি থেকে ভারত-চীন সীমান্তে হিমালয় পর্বতের ৭ হাজার ১২৮ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। সুষম পানি ব্যবহারের লক্ষ্যে ২০১১ সালে এই নদীর যৌথ ব্যবস্থাপনার জন্য ভারতের তখনকার প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর বাংলাদেশ সফরের সময় একটা চুক্তি হওয়ার কথা ছিলো। তার উত্তরসূরী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম মেয়াদ পূর্ণ হতে চলেছে। এখনো বলা হচ্ছে তিস্তা চুক্তি চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশ থেকে একই রকমন কথা শোনা যাচ্ছে। কোন লক্ষ্যে এবং কিসের ভিত্তিতে এই চুক্তি হবে তার কোন বিস্তারিত তথ্য তারা দিচ্ছেন না। কিন্তু এখনকার বিশ্বে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী উল্লেখিত চুক্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন এমন সংশ্লিষ্ট এই দুই দেশের জনগোষ্ঠির মতামত নেয়া উচিৎ।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ফারক্কা কমিটি (আইএফসি) গোড়া থেকেই যৌথ নদীগুলোর সুষম ব্যবস্থাপনার পক্ষে বক্তব্য রেখে আসছে। ২০১১ সালে মনমোহন সিং-এর এবং  ২০১৫ সালে নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের সময় এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০১৭ সালে ভারত সফরের সময় এব্যাপারে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য রেখেছে, দুই বন্ধু দেশের মধ্য সুসম্পর্কের আরো উন্নয়নের লক্ষ্যে। আইএফসি পূর্বের মতো এখনো দুই দেশের সরকারকে সঠিক পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে তিস্তা সমস্যার টেকসই সমাধানে সহায়তা করতে চায়। কারণ কোন নদীর উৎপত্তি থেকে সাগর পতনের পূর্ব পর্যন্ত পুরো বিষয় চুক্তির আওতায় না আসলে, শুধু সীমান্তে পানি বন্দনের ফর্মূলা দিয়ে টেকসই বা দীর্ঘ মেয়াদী সমাধান হবে না। দু’দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি বন্টন চুক্তির দূর্বলতাগুলো এখন পরিস্কারভাবে ফুটে উঠেছে, তার পুনরাবৃত্তি যেন চিস্তাচুক্তির মাধ্যমে না হয় তা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

ড. জসিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ভারতের অভ্যন্তরেও বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে পানি নিয়ে বিরোধ আছে। এবং তা নিয়ে ভারতের হাইকোর্ট, সুপ্রীম কোর্টে বিচার হচ্ছে। মাস খানেক আগে ভারতের সুপ্রীম কোট কাবেরী নদী বিরোধ নিষ্পত্তির রায় দিয়েছেন। আর তাই আমাদের কথা আমাদেরই বলতে হবে। তিনি বলেন, আইএফসি মনে করে, ভারত-বাংলাদেশের বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে যৌথ নদীর পানি ব্যবস্থাপনা সংকটের ব্যাপারে বাংলাদেশে ব্যাপক গণ সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। এখন বিএনপি, জাতীয় পার্টি, বাসদ, সিপিবি, ইসলামী ঐক্যজোটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলো পানির দাবীতে লং মার্চ, সেমিনার সহ অন্যান্য কর্মসূচীতে সোচ্চার হচ্ছে।
মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ফারাক্কা লং মার্চের মাধ্যমে যে জাতীয় সংহতি গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন, সেই চেতনা বুকে ধারণ করে পানি সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে দেশে ইতিমধ্যেই একটি ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা দেশের জনগণকে সকল রাজনৈতিক বিভাজনের উর্ধ্বে উঠে পানির ন্যায্য অববাহিকা ভিক্তিক সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আদায়ের জন্য ইস্পাত-দৃঢ় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। 

সভায় এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, জাতিসংঘ চাইলের পানি সমস্যার সমাধান হবে না। এজন্য বাংলাদেশ-ভারত সহ দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সংশ্লিস্ট দেশগুলোর সরকারকেই উদোগ নিতে হবে। চীন, ভুটান, নেপালকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদের অস্তিত্ব রক্ষায় জনগণকে সাথে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।


অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পানি সমস্যা শুধু বাংলাদেশ বা ভারতের সমস্যা নয়। এই সমস্যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ তথা আন্তজাতিক সমস্যা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারতের রাজনৈতিক মনোভাব সবসময় যে এক আর অভিন্ন থাকবে তা বিশ্বাস করার কারণ নেই। যেকোন সময় যে কোন কিছুই পরিবর্তন হতে পারে। সময়ই সবকিছু বলে দেবে। ভারতই সবকিছুর নিয়ামক নয়।

অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে দূর্বৃত্তায়ন চললে বলেই আদর্শের রাজনীতি দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, স্বপ্নের বাংলাদেশ আর পানির ন্যায্য হিস্যা পেতে মলোনা ভাসানীর আদর্শের রাজনীতি দরকার। আর মওলানা ভাসানীর অনুসারীদের ঐক্যবদ্ধ করেতে ‘ভাসানী অনুসারী পরিষদ’ গঠন করা হয়েছে। এটি কোন রাজনৈতিক দল নয়, সামাজিক সংগঠন।

সভায় আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু বলেন, আমরা বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা চাই। আন্তর্জাতিক নদী-পানি ব্যবহার সংক্রান্ত আইন ভারত মেনে নিয়ে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে এটাই আমাদের কামনা। তিনি আরো বলেন, আজ মওলানা ভাসানীর মতো মানুষ আর তার আদর্শের রাজনীতির বড় প্রয়োজন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের নতুন কমিটি

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-১৫ ১৪:০৪:৫১

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলাবাসীদের সামাজিক সংগঠন নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ইনক’র নতুন কমিটি ঘোষিত হয়েছে। এতে রাফেল তালুকদার সভাপতি ও আশরাফুজ্জামান আশরাফ সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন। সিটির জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি হলে ১৩ মে রোববার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনের অন্যতম উপদেষ্টা, সদ্য প্রয়াত বিশিষ্ট রাজনীতিক মাহবুব আলী বুলুর বিদেহী আতœার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মুনাজাত এবং পরবর্তীতে ‘আন্তর্জাতিক মা দিবস’ পালন করা হয়।
ফাউন্ডেশনের বিদায়ী সভাপতি আতোয়ারুল আলমের সভাপতিত্বে এবং প্রতিষ্ঠাতা ও বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার আসেফ বারী টুটুল। এসময় কমিশনের অন্যান্য সদস্য যথাক্রমে নুরুল ইসলাম সাজু, কামরুজ্জামান কামরুল ও শাহীন আলম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মাহবুব আলী বুলুর বিদেহী আতœার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন মওলানা মমিনুল ইসলাম। এর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী ও কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, নির্বাচন কমিশনার রুহুল আমীন সরকার, ফাউন্ডেশনের অন্যতম উপদেষ্টা নুর ইসলাম বর্ষণ, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির সভাপতি হাজী আব্দুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, গিয়াস মজুমদার, ফাহাদ সোলায়মান, রাফেল তালুকদার, আশরাফুজ্জামান আশরাফ প্রমুখ। এছাড়া মরহুম বুলু-কে নিয়ে স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন বিশিষ্ট কবি সালেম সুলেরী।

সবশেষে কেক কেটে আন্তর্জাতিক মা দিবস পালন করা হয়। এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন ফারহানা আফরোজ লিজা, নাসরিন মতিন, তহুরা পারভীন, আলীফ লায়লা, রোকসানা ইসলাম, পারভীন আফরোজ নীলা প্রমুখ।

ফাউন্ডেশনের ২০১৮-২০১৯ সালের জন্য মনোনীত পূর্নাঙ্গ কার্যকরী পরিষদের কর্মকর্তারা হলেন: সভাপতি- রাফেল তালুকদার, সিনিয়র সহ সভাপতি-  আবু কামাল পাশা, সহ সভাপতি- ফাহাদ সোলায়মান, সহ সভাপতি- ফতেনূর আলম বাবু, সহ সভাপতি- হেলাল উদ্দিন সহ সভাপতি- আজিবুর রহমান পাতা, সহ সভাপতি- মোহাম্মদ সাইফুল বারী শফি, সহ সভাপতি- রোকনুজ্জামান নয়ন, সাধারণ সম্পাদক- আশরাফুজ্জামান আশরাফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- মোহাব্বত আলী আকন্দ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- সৌরভ প্রামানিক,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ মুসা মানিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- আফতাব উদ্দিন জনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- তানজিল আহমেদ আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক- মনিরুল ইসলাম মনির, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক- রুবেল হাসান মুন্সী, কোষাধ্যক্ষ- মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মোস্তফা কামাল মামুন, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- সাইফুল ইসলাম, ত্রুীড়া ও বিনোদন সম্পাদক- মোহাম্মদ বকুল মিয়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক- আরিফা রহমান লাইজু, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- আব্দুল আলিম, আপ্যায়ন সম্পাদক- তালুকদার শামীম সবুজ, মহিলা সম্পাদক- অধ্যক্ষ রোকসানা খানম, দপ্তর সম্পাদক- মোহাম্মদ রুহুল আমিন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- আবু জহির আতিক, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক- মাহবুব জামিল দুলু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম, যোগযোগ বিষয়ক সম্পাদক- মোহাম্মদ আলী।

কার্যকরী সদস্য- মোহাম্মদ আতোয়ারুল আলম, হোসেন সোহেল রানা, শাহ আফজাল হোসেন, প্রফেসর রেজাউল করিম, ফারুক হোসেন মিঠু, মনোয়ারুল ইসলাম, আব্দুল মোতালেব, মোহাম্মদ আব্দুল জলিল, জহুরুল ইসলাম তালুকদার লিটন, এস এম ফরমান হোসেন, রোকসানা ইসলাম, নাসরিন মতিন ও মোহাম্মদ কাশেম।
জেলা প্রতিনিধি: পঞ্জগড়- তাসকিন এইচ বিলাল, দিনাজপুর- মোহাম্মদ শফি উল্লাহ  ঠাকুরগাঁও- রেজোয়ানুল ইসলাম, নীলফামারী- মোস্তাফিজুর রহমান, রংপুর- বাকী বিল্লাহ ফরিদী শিপন, লালমনির হাট- আব্দুস সালাম, কুড়িগ্রাম- মমিনুর রহমান, জয়পুরহাট- কামরুল ইসলাম জুয়েল, গাইবান্ধা- মঞ্জুরুল ইসলাম, বগুড়া- মোফাজ্জল আলী হায়দার, নাটোর- মোহাম্মদ ইয়াকুব মিঠু, নওগাঁ- মোহাম্মদ মুজিবুল খান তপু, রাজশাহী- মোহাম্মদ কাওছার আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ- ফজলুর রহমান, পাবনা- মোয়াজ্জেম হোসেন, সিরাজগঞ্জ- ফারুক হোসেন রনি।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নারী নির্যাতনের অভিযোগে পদত্যাগ করলেন নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-০৮ ০৮:২৫:৪৬

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল এরিক শ্নেইডারম্যান পদত্যাগ করেছেন। চার নারীর নির্যাতনের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি সোমবার পদত্যাগ করেন।

ম্যাগাজিন দ্য নিউ ইয়র্কার সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে চার নারীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়ে, শ্নেইডারম্যান তাদেরকে নির্যাতন করেছেন। এই চারজনের মধ্যে দুইজন তার প্রাক্তন গার্লফ্রেন্ড। এর পরই তার পদত্যাগের এই ঘোষণা এলো।

শ্নেইডারম্যান অবশ্য তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি যৌন নিপীড়নবিরোধী সাড়া জাগানো হ্যাশট্যাগ ‘মি টু’ এর পক্ষে সরব সমর্থক ছিলেন।

সোমবার রাতে এক বিবৃতিতে শ্নেইডারম্যান বলেন, ‘গত কয়েক ঘণ্টায় আমার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, যেগুলোর আমি শক্তভাবে প্রতিবাদ জানাই, করা হয়েছে। যদিও এসব অভিযোগ আমার পেশাগত আচরণ কিংবা অফিস পরিচালনার সাথে সম্পর্কিত নয়, তবে তা এই ক্রান্তিকালে আমাকে অফিস পরিচালনা থেকে কার্যত প্রতিহত করবে। তাই আমি পদত্যাগ করলাম।’


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াআই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-২৫ ১৪:২২:৩৪

নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল বাংলা নববর্ষ - ১৪২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে ২০ এপ্রিল ২০১৮ একটি আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। পিঠা উৎসব, সুমধুর গান, দৃষ্টিনন্দন নাচ, আবৃত্তি এবং ঐতিহ্যবাহী দেশীয় খাবারের মাধ্যমে আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়।খবর বাপসনিঊজ  ।

কনস্যুলেট এর মিলনায়তনে আয়োজিত বাংলার ঐতিহ্যবাহী ”মঙ্গল শোভাযাত্রা”য় কনস্যুলেট পরিবার এর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। কনসাল জেনারেল জনাব  শামীম আহসান,এনডিসি আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বাঙালি সংস্কৃতির অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা তুলে ধরতে গিয়ে সম্প্রতি ইউনেস্কো কর্তৃক ”মঙ্গল শোভাযাত্রা”কে ”মানবজাতির বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য” (Intangible Cultural Heritage) হিসেবে স্বীকৃতি দানের কথা উল্লেখ করে বলেন যে এটি বাংলাদেশের নববর্ষ উদযাপনে একটি নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য নববর্ষ আরো সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্য বয়ে আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উৎসবের দুটো অংশের প্রথম পর্বে ছিল কনস্যুলেট পরিবারের তৈরীকৃত ঐতিহ্যবাহী দেশীয় পিঠার রকমারী সমন্বয়ে ”পিঠা উৎসব” যা বিদেশীসহ অন্যান্য অতিথিদের বিশেষভাবে আকর্ষিত করে। পিঠা উৎসবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশী অতিথি উপস্থিত ছিলেন যারা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপভোগ করেন। পিঠা উৎসব উপলক্ষ্যে একটি রঙ্গিন ক্যাটালগও প্রকাশ করা হয়।

আলোচনা সভার পরপরই ছিল একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কনস্যুলেট জেনারেল, স্থায়ী মিশন এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং নিউইয়র্কতে বসবাসরত প্রবাসী শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।

বৈশাখের ঐতিহ্য এবং দেশের আবহমান সংস্কৃতির পরিচায়ক হস্তশিল্প সামগ্রীসহ অন্যান্য উপাদান দিয়ে সুসজ্জিত মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বর্নাঢ্য আয়োজনে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী প্রতিনিধি ও মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মাসুদ বিন মোমেন এর পতœী মিসেস ফাহমিদা জাবিন এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। 

আমন্ত্রিত অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারে আপ্যায়িত করা হয়।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আর্থিক সঙ্কটে নিউ ইয়র্কের ট্যাক্সি চালকরা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-১৫ ১২:০৫:১৬

আর্থিক সঙ্কটের কারণে চরম হতাশার মধ্য দিন কাটাচ্ছেন নিউ ইয়র্কের ট্যাক্সি চালকরা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আত্মহত্যা করেছেন চার ট্যাক্সিচালক। আর এর প্রধান কারণ উবার ও লিফটের মতো মোবাইলের অ্যাপস ভিত্তিক ট্যাক্সি সেবা। খবর ভয়েস অফ আমেরিকার।

নিউ ইয়র্কে ট্যাক্সি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন রোমানিয়া থেকে আসা এক অভিবাসী। আর্থিক কষ্টে ৬৫ বছর বয়সে আত্মহত্যা করেন তিনি।

নিউ ইয়র্কে ৩০ বছরের পুরনো এই হলুদ রঙয়ের ট্যাক্সিতে যারা জড়িত বর্তমানে তাদের অনেকে আর্থিক সংকটে রয়েছেন।

রোমানিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হয়ে আসা আরেকজন ট্যাক্সি চালকের নাম নিকোলাই হেন্ট। আত্মহত্যা করা ওই ট্যাক্সি চালক সম্পর্কে নিকোলাই হেন্ট বলেন, তিনি এটা (আয় কমে যাওয়া) মেনে নিতে পারেননি। আমি নিতে পারবো। আমি আমৃত্যু লড়াই করবো। আমি এটাকে এভাবে ছেড়ে যাচ্ছি না। এটা আমার অধিকার, কারণ এই শহরে আমি বিনিয়োগ করেছি।

নিউ ইয়র্ক শহরে হলুদ ট্যাক্সির সংখ্যা ১৩ হাজারের বেশি।

কিন্তু উবারের মতো ভাড়াটে গাড়ির সংখ্যার কোন সীমাবদ্ধতা নেই। ২০১২ সালে এ উবার সেবা শুরু হবার পর এ পর্যন্ত এর সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি।

নিউ ইয়র্ক ট্যাক্সি ওয়ার্কারস অ্যালায়েন্সের নির্বাহী পরিচালক ভৈরাভি দেছাই বলেন, আমরা আমাদের ভাইদের কবর দিতে দিতে অসুস্থ এবং ক্লান্ত। এটা একটি দুঃস্বপ্ন। হলুদ ট্যাক্সি চালকরা সম্পূর্ণরূপে পরিত্যক্ত অবস্থায় আছেন। লিমোজিন চালকরা পেশা ছেড়ে দেবার চেষ্টায় আছেন।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নিউ ইয়র্কের সিটি হলের সামনে ডুউগ শিফটার নামের এক লিমোজিন চালক ‍নিজেই নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন। ওই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে সপ্তাহে ১০০ ঘণ্টার বেশি কাজ করার পরও তিনি যে আর্থিক কষ্টে আছেন তা নিয়ে ফেসবুকে লেখেন।

ভারত থেকে আসা নরেন্দ্র বেহেল বলেন, এই মাসের বাসা ভাড়া দেবার টাকা আমার কাছে নেই। আগে ১০ ঘণ্টায় যা আয় হতো বর্তমানে সে পরিমাণ অর্থ আয়ের জন্য আমাদের ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা কাজ করতে হয়।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ও অ্যাসেম্বলি হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৩-২৮ ১৩:৫৪:২৫

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ও এ্যাসেম্বলী হাউসে আন্তর্জাতিক আবহে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপিত হয়েছে। স্থানীয় সময় ২৭ মার্চ মঙ্গলবার সপ্তমবারের মতো নিউইয়র্ক স্টেটের রাজধানী আলবেনীতে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল “বাংলাদেশ ডে” হিসেবে। আলবেনীর ক্যাপিটাল হিলে এদিন আবারো উড়লো বাংলাদেশের পতাকা। নিউইয়র্ক অ্যাসেম্বলি ও স্টেট সিনেটে বাংলাদেশের ৪৭ তম স্বাধীনতা দিবসের ওপর পৃথকভাবে রেজুলেশন গ্রহণ করা হয়। স্টেট অ্যাসেম্বলিম্যান লুইস সেপুলভেদা ও স্টেট সিনেটর জামাল টি. বেইলী স্টেট অ্যাসেম্বলি ও সিনেট হাউজে এসংক্রান্ত প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন। স্টেট সিনেট ও এসেম্বলী অধিবেশনের রেজুলেশন দু’টিতে তুলে ধরা হয় বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। সিনেট এবং এসেম্বলি গ্যালারি এদিন পুরোটাই সংরক্ষিত ছিল শুধু বাংলাদেশীদের জন্য। উভয় হাউজে শোভা পেল বাংলাদেশের পতাকা। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন ১২০ জন বাংলাদেশী।
          
এ্যাসেম্বলী হাউজের অধিবেশন চলাকালে ‘বাংলাদেশ ডে’র প্রস্তাবনাটি প্রথমে গৃহীত হয়। এদিন স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় পবিত্র বাইবেল থেকে পাঠের পর পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ্যাসেম্বলী অধিবেশন শুরু হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা মাসহুদ ইকবাল। এর পর এ্যাসেম্বলী হাউজে প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে ‘লুইস ভাই’ হিসেবে খ্যাত এ্যাসেম্বলীম্যান লুইস সিপুলভেদা উত্থাপিত বাংলাদেশ ডে প্রস্তাবনাটি পাঠ করে শুনানো হয়। এতে বলা হয়, তৎকালীন পাকিস্তান সামরিক সরকার বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে গণহত্যা চালিয়েছিল। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয় ৩০ লাখ মানুষ। সম্ভ্রমহানি হয় ২ লাখ মা-বোনের। রেজুলেশনে স্বাধীন
 
বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রহমানের নাম উল্লেখ করে তাঁকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়। এর সমর্থনে বেশ ক’জন এ্যাসেম্বলীম্যান সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ ডে রেজুলেশন গ্রহণকালে এ্যাসেম্বলী ফ্লোরে উপস্থিত থাকেন ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বাদশা, লেখক-বিজ্ঞানী ও সিটি কাউন্সিল মেম্বার মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরান নবী, কমিউনিটি লীডার এডভোকেট নাসির উদ্দিন, নজরুল হক, আবদুল মুসাব্বির,  শামীম মিয়া, এ ইসলাম মামুন, আহবাব হোসেন চৌধুরী, জামাল হোসেন ও কামাল উদ্দিন। এসময় অন্যান্য প্রবাসী বাংলাদেশীরা হাউজ কক্ষের গ্যালারীতে উপবিষ্ট ছিলেন।
         
এদিন দুপুর ৪টায় স্টেট সিনেটের অধিবেশনে ‘বাংলাদেশ ডে’র রেজুলেশন গ্রহণ অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা মাসহুদ ইকবাল। এরপর সিনেটর জামাল টি বেইলি উত্থাপিত বাংলাদেশ ডে প্রস্তাবনাটি পাঠ করে শুনানোর পর ৫ জন সিনেটর এর সমর্থনে জোরালে বক্তব্য রাখেন। এখানেও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস স্থান পায়। পরে সিনেট হাইজে রেজুলেশনটি
 
সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। বাংলাদেশ ডে রেজুলেশন উপস্থাপনকালে সিনেট ফ্লোরে উপস্থিত ছিলেন ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিটির মুখপাত্র আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার, লেখক-বিজ্ঞানী ও সিটি কাউন্সিল মেম্বার মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরান নবী, কমিউনিটি লীডার সোলেমান আলী ও মাহবুব আলম। হাউজ কক্ষের গ্যালারীতে উপবিষ্ট ছিলেন অন্যান্য প্রবাসী বাংলাদেশীরা।
          
স্টেট এ্যাসেম্বলী হাউজ ও সিনেট হাউজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্টেট সিনেটর জামাল টি বেইলি ও এ্যাসেম্বলীম্যান লুইস সিপুলভেদা আলবেনী হলে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্মানে এক অভ্যর্থনা পার্টির আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ডে কমিটির কাছে এ্যাসেম্বলীম্যান লুইস সিপুলভেদা ও সিনেটর জামাল টি বেইলি হাউজ দু’টিতে পাসকৃত রেজুলেশনের কপি হস্তান্তর করেন। এছাড়া এসময় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ ডে কমিটিকে প্রক্লেমেশন প্রদান করা হয়।
 
‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিউনিটি চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বাদশার সভাপতিত্বে এবং কমিটির মুখপাত্র আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্টেট সিনেটর জামাল টি বেইলি ও এসেম্বেলীম্যান লুইস সিপুলভেদা ছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অন্যান্য স্টেট সিনেটর ও এসেম্বেলীম্যানগণ। তারা ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশী কমিউনিটির ভূয়শী প্রশংসা করেন। তুলে ধরেন নানা ক্ষেত্রে তাদের অবদানের কথাও।
 
এসময় এ ঐতিহাসিক আয়োজনের জন্য বাংলাদেশীদের পক্ষ থেকে অ্যাসেম্বলিমেন লুইস সেপুলভেদা ও স্টেট সিনেটর জামাল টি বেইলিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
এদিকে, আলবেনী হলে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্মানে এ অভ্যর্থনা পার্টির ব্যানারে ‘বাংলাদেশ ডে’র স্থলে ‘বেঙ্গলী ডে’ হওয়ায় এসেম্বেলীম্যান লুইস সিপুলভেদা দু:খ প্রকাশ করেন।
 
প্রক্লেমেশন প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন : ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিউনিটি চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বাদশা, বাফা প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমিন, কমিউনিটি লীডার আবদুস সহীদ, ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিউনিটি মেম্বার সেক্রেটারী শাহেদ আহমদ, মামুন’স টিউটরিয়ালের প্রিন্সিপাল শেখ আল মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন, কমিউনিটি লীডার মোহাম্মদ দলা মিয়া, আল আকসা গ্রুপের কর্ণধার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হক শাহীন (আল আকসা গ্রুপের পক্ষে প্রক্লেমেশন গ্রহণ করেন ম্যানেজার মো. আলী, খলিল বিরিয়ানী হাউজের স্বত্ত্বাধিকারী রন্ধন শিল্পী,খলিলুর রহমান এবং কমিউনিটি লীডার রেক্সোনা মজুমদার।
 
এছাড়া আয়োজক সংগঠন গুলোকেও প্রক্লেমেশন প্রদান করা হয়। সংগঠন গুলোকে হচ্ছে : বাংলাদেশ-আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিল, বাংলাদেশ সোসাইটি অব বঙ্কস, বঙ্কস বাংলাদেশ সোসাইটি, বাংলাদেশী আমেরিকান কালচারাল এসোসিয়েশন, বাংলাদেশী-আমেরিকান ডেমোক্রেটিক সোসাইটি, আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন, বঙ্কস বাংলাদেশ এসোসিয়েশন, নর্থ বঙ্কস বাংলাদেশ
              
এসোসিয়েশন, বাঙালী চেতনা মঞ্চ, বঙ্কস বাংলাদেশ উইম্যান’স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ আমেরিকান উইম্যান’স এসোসিয়েশন, ফেঞ্চুগঞ্জ অর্গেনাইজেশন অব আমেরিকা , গ্রেটার লাকসাম ফাউন্ডেশন অব ইউএসএ , বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব নর্থ আমেরিকা,
 
কংগ্রেস অব বাংলাদেশ আমেরিকান , বাংলাদেশ স্পোর্টস ফাউন্ডেশন অব নর্থ আমেরিকা, নজাবত আলী ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব নিউজার্সী।
 
এর আগে ২৭ মার্চ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় ব্রঙ্কস থেকে দু’টি বাসযোগে প্রায় ১২০ জন বাংলাদেশী বাংলাদেশ ডে অনুষ্ঠানমালায় যোগ দিতে আলবেনিতে সমবেত হন। বিকেল সাড়ে ৫টায় বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠান শেষ হয়। । অংশগ্রহণকারীদের জন্য দুপুরের খাবার পরিবেশন করে ব্রঙ্কসের স্বনামখ্যাত খলিল বিরিয়ানী হাউজ।
 
এদিকে, ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগদানকারী প্রবাসী বাঙালীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, নিউইয়র্ক অ্যাসেম্বলি ও স্টেট সেনেট হাউজে বাংলাদেশকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে, তা অসাধারণ। অনন্য। ভাষায় ব্যক্ত করার মত
 
নয়। যা অংশগ্রহনকারী সকলে গর্বের সাথে উপভোগ করেন। তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট সিনেট ও এ্যাসেম্বলীতে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযানের এ আনন্দ, এ গর্ব শুধু প্রবাসীদের নয়, এ আনন্দ গোটা বাংলাদেশের।
 
এর আগে দিবসটি যথাযথভাবে উদযাপনের জন্য গত ১২ মার্চ গঠন করা হয় ১৫ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি। কমিটির সদস্যরা হলেন : চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বাদশা, মেম্বার সেক্রেটারী শাহেদ আহমদ, কোষাধ্যক্ষ মনজুর চৌধুরী জগলুল, সহ কোষাধ্যক্ষ শামীম আহমেদ, সদস্য
 
মোহাম্মদ এন মজুমদার, আবদুস শহীদ, মাহবুবুল আলম, শামীম মিয়া, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী, আহবাব চৌধুরী, তৌফিকুর রহমান ফারুক, এ ইসলাম মামুন, ফরিদা ইয়াসমিন, রেক্সোনা মজুমদার এবং বুরহান উদ্দিন। অন্যতম সদস্য আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার এ কমিটির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
 
উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক বাংলাদেশ ডে বিলটি পাশ হয় ২০১২ সালের ২৪ মার্চ। এই ঐতিহাসিক উদ্যোগটির প্রধান রূপকার ছিলেন ব্রঙ্কস থেকে নির্বাচিত সাবেক সিনেটর বর্তমান কাউন্সিলম্যান রুবিন ডিয়াজ। তাকে রেজুলেশন তৈরিতে সহযোগীতা করেন প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে
 
‘লুইস ভাই’ হিসেবে পরিচিত এটর্নী লুইস সিপুলভেদা (বর্তমান এসেম্বলিম্যান)। তাদের সহযোগীতা করেন ব্রঙ্কস প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির নের্তৃবৃন্দ।
 
ওই সময় বিলটি সিনেটে উত্থাপিত হলে সিনেটর রুবিন ডিয়াজ সিনেটে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি ১৯৭১ সালের মার্চে অপারেশন সার্চ লাইটের নামে গণহত্যা, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে বাংলাদেশীদের আত্মত্যাগ এবং পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে বাংলাদেশী মা-বোনদের সম্ভ্রমহানির কথা সবিস্তারে তুলে ধরেন। সেদিন মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে এই ঐতিহাসিক বিলটি সর্বসম্মতভাবে সিনেটে পাশ হয়।
 
‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপনের প্রথম আহ্বায়ক কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন মোহাম্মদ এন মজুমদার এবং মেম্বার সেক্রেটারী ছিলেন মরহুম জাকির খান। ।

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মান্নান আর নেই : কমিউনিটিতে শোক, জানাজায় মানুষের ঢল

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৩-১৫ ১৪:৪৬:০৩

নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী সাঈদ রহমান মান্নান আর নেই। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৩ মার্চ) দিবাগত ভোররাত সোয়া ২টার দিকে তিনি নিউইয়র্কের নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দূরারোগ্য ক্যান্সারে ভুগছিলেন। নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের অন্যতম পথিকৃত ও সুপ্রতিষ্ঠিত মান্নান সুপার মার্কেট ও গ্রোসারীর স্বত্ত্বাধীকারী সাইদ রহমান মান্নানের মৃত্যু সংবাদ দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে নিউইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে। এদিকে বুধবার (১৪ মার্চ) বাদ জোহর জ্যাকসন হাইটস মসজিদ ও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে (৭৩ স্ট্রিট) তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়ে। জানাজায় নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে নিযুক্ত কনসাল জেনারেল শামীম আহসান সহ সর্বস্তরের শত-সহ¯্র প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন। জানা শেষে তার মরদেহ নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডস্থ ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নিউইয়র্কে ‘মিনি বাংলাদেশ’ হিসেবে পরিচিত জ্যাকসন হাইটসের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী শরিয়তপুর জেলা তথা বৃহত্তর ফরিদপুরের কৃতি সন্তান সাঈদ রহমান মান্নান মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যা সহ বহু আতœীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন (জেবিবিএ)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সৎ, কর্মঠ, হাসিখুশি, স্বল্পভাসী আর বন্ধুবৎসল মানুষ ছিলেন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তিনি গুরুতর অসুস্থ অনুভব করলে মধ্য রাতে তাকে এলমহার্স্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর পরই তার মৃত্যুর খবর ফেকবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। এতে পুরো কমিউনিটি শোকাহত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পার্ক ফিউনেরাল হোম-কে তার মরদেহ টেককেয়ার করার দায়িত্ব দেয়া হয়। বুধবার দুপুরে তার মরদেহ মরহুম সাঈদ রহমান মান্নানের প্রিয় ব্যবসাস্থল জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ স্ট্রীটে নিয়ে আসা হলে সেখানে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মরহুম মান্নানের মরদেহ ফিউনোরালের গাড়ী থেকে খাবার বাড়ীর সামনে রাখা হয়। এসময় তার স্ত্রী, কন্যা ও পুত্রদ্বয় শেষবারের মতো মুখ দেখার পর সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশ তাকে শেষবারের মতো দেখতে ভীড় জমান। এসময় প্রবাসীদের ভীড় সমালাতে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশকে বেগ পেতে হয়। এর আগে ৩৭ এভিনিউ থেকে ব্রডওয়ে পর্যন্ত অর্থাৎ ৭৩ স্টীট লোক ও যানবাহন চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়।
পরবর্তীতে জোহরের নামাজ শেষে ৭৩ স্টীটেই নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন হাজী ক্যাম্প মসজিদের ইমাম হাফেজ রফিকুল ইসলাম। জানাজায় নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে নিযুক্ত কনসাল জেনারেল শামীম আহসান সহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্তরের শত-সহ¯্র প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন। এর আগে মরহুম মান্নানের দুই পুত্র ও কনসাল জেনারেল সহ কয়েকজন শুকাংখী উপস্থিত প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। এসময় বাবাকে স্মরণ করতে গিয়ে মরহুমের দুই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
জানাজা শেষের মরহুম মান্নানের মরদেহ সরাসরি নিউইয়র্কের ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।

৯০ দশকে স্বপ্নের সোনার হরিণের দেশে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়ে নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে ছোট্ট একটি বেকারী দিয়ে ব্যবসা শুরু করা সাঈদ রহমান মান্নান মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ছিলেন নিউইয়র্কের অন্যতম সফল ব্যবসায়ী। ১৯৯৬ সালে জ্যাকসন হাইটসের সেভেনটি থার্ড স্ট্রীট ও থার্টি সেভেন এভিনিতে গড়ে তুলেছিলেন ছোট্ট সেই বেকারী। সেই বেকারী দিয়ে যাত্রা শুরু করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি, তাঁকে। স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে গেছেন শীর্ষ পর্যায়ে। ঘটা করে পালনও করেছিলেন মান্নান সুপার মার্কেট ও মান্নান গ্রোসার ২০ বছর পূর্তি। তার এই সফলতার নেপথ্য কারিগর ছিলেন নিজের সহধর্মীনি। মীট কার্টার থেকে শুরু করে সব-প্রতিকূলতাই মোকাবেলা করেছেন স্বামী-স্ত্রী মিলে।

একটি বেকারী আর গ্রোসারী দিয়ে পথচলা শুরু হওয়া মান্নান গ্রোসারী এখন নিউইয়র্কে বাংলাদেশী মালিকানাধীন শীর্ষ চেইন সুপার শপে রূপ নিয়েছে। প্রায় ২২ বছরে মান্নানের ৭টি সুপার মার্কেটে কাজ করছেন অসংখ্য বাংলাদেশী। সোনার হরিণের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো স্বদেশীদের কর্মসংস্থানেও সবার প্রিয় এ ‘মান্নান ভাই’ ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক।

কিন্তু কি ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। মৃত্যুকে হাসি মুখে বরণ করা এই মানুষটি কমিউনিটির কাছে বেঁচে থাকবেন তাঁর কর্ম ও গুনে। মরণব্যাধি ক্যান্সারের সাথে লড়াই করেছেন অতি নীরবে। কিন্তু সে লড়াই ছিল মনের লড়াই। ভেবে নিয়েছেন, পৃথিবীর মায়া ছাড়তেই হবে একদিন। সেটা বুঝতে পেরেই কেমোথেরাপি পর্যন্ত নেননি তিনি। অবশেষে হাসিমুখে আলিঙ্গন করলেন মৃত্যুর মতো কঠিন এক বাস্তবতাকে। পরিণতিতে সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

জানাজায় উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে সাবেক এমপি ও সাপ্তাহিক ঠিকানা’র সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি এম এম শাহীন, সাপ্তাহিক বাঙালী সম্পাদক কৌশিক আহমেদ, সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশনের সিইও আবু তাহের, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর মাহমুদ, এটর্নী মঈন চৌধুরী, বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুর রহীম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী, সাবেক সহ সভাপতি মনিরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাম এসোসিয়েশন ইউএসএ’র সাবেক সভাপতি তাজুল ইসলাম, জেবিবিএ’র এডহক কমিটির প্রধান মহসীন ননী ও সদস্য পিয়ার মোহাম্মদ, জেবিবিএ’র সভাপতি শাহ নেওয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুকু, জেবিবিএ নেতা হারুন ভূঁইয়া, এডভোকেট শামসুদ্দোহা, মোহাম্মদ সেলিম হারুন, ফাহাদ সোলায়মান, জেবিবিএ’র সাবেক সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী জিকু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম ও তারেক হাসান খান, সিলেট গণদাবী পরিষদের সভাপতি আজিমুর রহমান বুরহান, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, কমিউনিটি নেতা আইনজীবী এন মজুমদার, আব্দুল কাদের চৌধুরী শাহীন, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, খানস টিউটোরিয়াল-এর সিইও ড. ইভান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

শোক প্রকাশ: এদিকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাঈদ রহমান মান্নানের ইন্তেকালে কমিউনিটির সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। শোক প্রকাশকারী উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন: বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক’র সভাপতি কামাল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি ডা. ওয়াজেদ এ খান ও সাধারণ সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস, আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি (আইএফসি)-এর চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু ও সেক্রেটারী জেনারেল সৈয়দ টিপু সুলতান, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আহমদ, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সভাপতি শেখ হায়দার আলী ও সাধারণ সম্পাদক ইফজাল আহমেদ চৌধুরী  প্রমুখ।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগ ও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ সহ দলের সকল সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম ইউএনএ প্রতিনিধিেিক জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাঈদ রহমান মান্নানের ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন।

ফরিদপুর জেলা কল্যাণ সমিতি ইউএসএ ইনক সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত বিশ্বাস এক শোক বার্তায় বলেন, মরহুম সাঈদ রহমান মান্নাকে প্রবাসের একজন আলোকিত মানুষ হিসেবেই আমরা তাকে জানি। মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি, সেই সাথে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমাবেদনা জানাচ্ছি। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত নসিব করেন এই দোয়া করি।
এছাড়াও নারায়নগঞ্জ জেলা সমিতি ইউএসএ ইন্ক, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর এসাসিয়েশন ইউএসএ সহ প্রবাসের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সুহৃদদের মতবিনিময়, শিবলী-ইভার চিকিৎসায় এগিয়ে আসার আহ্বান

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৩-১৫ ১৪:৩৮:২৩

বাংলা টিভি নিউইয়র্ক’র মহাপরিচালক, কম্যুনিটির পরিচিত মুখ মীর ই ওয়াজিদ শিবলী ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানের এক সময়ের প্রিয় মুখ, বিশিষ্ট উপস্থাপিকা শারমীন রেজা ইভা গুরুত্ব অসুস্থ। শিবলী-ইভা’র অসুস্থতার খবরে কমিউনিটির প্রিয় মানুষগুলো ব্যথিত, মর্মাহত। সম্প্রতি আকস্মিভাবেই তাকের অসুস্থতার খবর কমিউনটিতে ছড়িয়ে পড়ে। একমাত্র কন্যা নিয়ে এই সুখী দম্পতি গত বছর নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের জ্যামাইকায় বাড়ী কিনে বসবাস করছিলেন। কিন্তু শারমীর রেজা ইভার দূরাগ্যে ক্যান্সারে আক্রান্তের খবরের পরপরই খবর আসে যে মীর ই ওয়াজিদ শিবলী কিডরী জণিত রোগে চরমভাবে আক্রান্ত।

জানা গেছে, শারমীন রেজা ইভা-কে নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিতে হচ্ছে। অপরদিকে মীর ই ওয়াজিদ শিবলী কিডনী অতি সত্তর প্রতিস্থাপন জরুরী হয়ে পড়েছে। ফলে হাসি-খুশী পরিবারটিতে ‘বেদনা-বিধুঁর’ পরিবেশন বিরাজ করছে। তাদের প্রিয় মানুষ আর বন্ধুমহলও বেদনাহত। সংশ্লিষ্ট সবার প্রার্থণা সৃষ্টিকর্তা তাদের সুস্থ্য করে দিন।  

এদিকে মীর ই ওয়াজিদ শিবলীর চিকিৎসার বিষয়ে তার বন্ধু এবং সুহৃদের উদ্যোগে জ্যামাইকায় মতবিনিময় সভা হয়েছে। গত ৪ মার্চ দুপুরে স্থানীয় হিলসাইড এভিনিউস্থ স্টার কাবাব পার্টি সেন্টারে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা পরিচালনা করেন বিশিষ্ট উপস্থাপক আবীর আলমগীর। সভায় উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে মূলধারার রাজনীতিক মোর্শেদ আলম ও তৈয়বুর রহমান হারুন, বিশিষ্ট অভিনেতা মোহাম্মদ কবির ও জহির মাহমুদ, সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম, সাংবাদিক মিজানুর রহমান, ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রদীপ সাহা, লুৎফর রহমান, সাজ্জাদ হোসাইন, মাসুদ হাসান, সঙ্গীত শিল্পী শাহ মাহবুব, কমিউনিটি নেতা হাসান জিলানী, সাদী মিন্টু, জে মোল্লা সানি, আমজাদ হোসেন, হাজী আব্দুর রহমান, মোহাম্মদ বশির, ডা. সাকি, মোহাম্মদ উজ্জ্বল, নিসার জামিল সুড্ডু, রুনি, আদিবা জহির, আবৃত্তিকার গোপন সাহা, কবি মিশুক সেলিম, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বিশেষভাবে শিবলির চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় উপস্থিত সকলের মতামতের ভিত্তিতে তার চিকিৎকসার জন্য অচিরেই একটি ফান্ড রেইজিংয়ের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত, ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য একটি কমিটি গঠন এবং চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়ার জন্যও একটি কমিটি করা হয়। সভায় উপস্থিত অনেকেই আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র চলছে : নিউইয়র্কে প্রবাসী নাগরিক সমাজের মুক্ত আলোচনা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০২-২১ ১৩:৩১:৩৫

নিউইয়র্কে প্রবাসী নাগরিক সমাজের মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি আলোচনাকালে বলেছেন, বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র চলছে। দেশে আইনের শাসন নেই, বাংলাদেশ ব্যাংক সহ বিভিন্ন ব্যাংক লুটপাট করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। তার কোন বিচার নেই। অথচ ‘তথা কথিত’ দূর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে। তাঁর মামলা ও রায় ক্ষমতাসীন সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছু নয়। দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায় বিচার আর সংবাদপত্র ও বাক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা এবং সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে বক্তারা খালেদা জিয়ার মুক্তিও দাবী করেন।

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসস্থ বাংলাদেশ প্লাজায় সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় প্রবাসী নাগরিক সমাজ-এর ব্যানারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। খবর ইউএনএ’র।

মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার ফরহাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক  মনজুর আহমদ, লং আইল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শওকত আলী, প্রবীণ সাংবাদিক কাজী শামসুল হক, সাংবাদিক মঈনুদ্দীন নাসের, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, সাপ্তাহিক জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, লেখিকা ও মানবাধিকার কর্মী ডা. মিনা ফারাহ, বিশিষ্ট গবেষক ও সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন, মাওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক-এর সেক্রেটারী মুক্তিযোদ্ধা আলী ইমাম, বিশিষ্ট লেখক মাহমুদ রেজা চৌধুরী, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী ইমরান আনসারী, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আজহারুল হক মিলন, হাসানুজ্জামান, এডভোকেট মুজিবুর রহমান, জামান তপন প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ চরম সঙ্কটে পতিত। স্বাধীনতার পর থেকেই নানা সঙ্কটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। দেশের এই সঙ্কটে দেশপ্রেমিক কারো চুপ করে থাকার সময় নেই। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দেশে বাকশালী কায়দায় একনায়কতন্ত্র চলছে। বাংলাদেশকে অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের প্রত্যক্ষ মদদে শেখ হাসিনার সরকার নানা ষড়যন্ত্র করছে। কোন কোন বক্তা এই ষড়যন্ত্রের জন্য ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির ভূমিকাকেও দায়ী করেন। ভারতের এই আগ্রাসী তৎপরতা  রুখে দাঁড়ানোর জন্য বক্তারা প্রবাসী সহ দেশবাসী বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের প্রতি অহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, ভোটার বিহীন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার ক্ষমতা ধরে রেখে বাংলাদেশে একনায়কত্ত কায়েম করে চলেছে। জবাবদিহীতা না থাকায় দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় লুটপাট সহ অনিয়মনের মহামারি আকার ধারণ করেছে, পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে, অব্যাহত গুম ও খুনে বাংলাদেশ আতংকের রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

বক্তারা বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে প্রেরণ বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র বলে অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে বাংলাদেশ একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। বিরোধী দল ও মতকে নির্মূল করতেই সরকারের প্রধান কৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা রাষ্ট্র ব্যবস্থার সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। এজন্য দলমত নির্বিশেষে সরকারের এই ফ্যাসিবাদী মনোভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবার আহ্বান জানান বক্তারা। দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে এমন মন্তব্য করে বক্তারা বলেন, একজন সংখ্যালঘু বিচারপতিকে জোর করে পদত্যাগ করানো জাতির ইতিহাসে কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে।

সভায় কোন কোন বক্তা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও দেশের শীর্ষ স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেত্রীকে ‘ভিত্তিহীন’ মামলায় অভিযুক্ত করে কারাগারের প্রেরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন গণতন্ত্রের স্বার্থে খালেদা জিয়ার অবিলম্বে মুক্তি দাবী জানান।

সভায় বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’-এর উপর অব্যাহত চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রবাসী বাংলাদেশের নিয়ে সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন সহ অন্যান্য কর্মসূচী গ্রহণ এবং ইউএস কংগ্রেসম্যান ও সিনেটরদের সাথে মতবিনিময় ছাড়াও ষ্টেট ডিপার্টমেন্টে প্রতিনিধি প্রেরণের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাষ্ট্র নেত্রকোনা জেলা সমিতির নতুন কমিটি গঠিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০২-১০ ১২:৩৫:৩৪

গত ২৮শে জানুয়ারী ২০১৮,রোজ রবিবার জ্যাকসন হাইটস ‘টক অব দ্যা টাউন রেষ্টুরেন্টে- যুক্তরাষ্ট্র নেত্রকোনা জেলা সমিতির নতুন কার্য্যকরী ও আয়োজক কমিটি গঠন প্রসঙ্গে এক সাধারণ সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আহবায়ক পরিমল সাহা ও পরিচালনা করেন উপদেষ্টা প্রমোদ রঞ্জন সরকার । উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নাট্যকার, সাহিত্যিক, সুরকার,লেখক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জীবন চৌধুরী এবং সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বদর উদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ সরকার(প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ) এবং অন্যান্য উপদেষ্টা সহ সম্মানিত সদস্য বৃন্দ ।

উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে যুক্তরাষ্ট্র নেত্রকোনা জেলা সমিতির ২০১৮ সালের ৫৩ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি ও আয়োজক কমিটি ঘুষনা করা হয়। নতুন এ কমিটির সদস্যরা হলেন —

সভাপতি - পরিমল সাহা। সিনিয়র সহ সভাপতি - প্রমোদ রঞ্জন সরকার ,  সহ সভাপতি -ইন্দ্রজিৎ সিংহ গোপাল, সহ সভাপতি -বিপ্লব রায়, সহ সভাপতি- হাসানুজ্জামান সাকী,সহ সভাপতি -আতিকুর রহমান খান মামুন।সহ সভাপতি -মুসফিকুর রহমান পাপ্পু ।

সাধারণ সম্পাদক -আমিরুল ইসলাম কামাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-জহিরুল আলম রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক -আশীষ সরকার।

সাংগঠনিক সম্পাদক - মোঃ আজিজুল হাকিম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক - আজিজুল হক (জুয়েল), সহ সাংগঠনিক সম্পাদক - জাকির হোসেন রিয়াদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক - সারোয়ার কামাল, প্রচার,উন্নয়ন,আন্তর্জাতিক সম্পাদক- সারোয়ার জাহান খান(পাবেল), দপ্তর সম্পাদক - কায়সার হামিদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক - অধ্যাপক মোঃ সহিদুল্লাহ্, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক - এ,কে,এম মফিদুল ইসলাম খান(রিপন), মহিলা সম্পাদিকা - শামসুন্নাহার শম্পা,কোষাধ্যক্ষ - রনি সরকার, সহ-কোষাধক্ষ - রনি আলম ,ক্রীড়া সম্পাদক - আল আমীন,সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা- প্রীমা সিংহ , সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা- বৃষ্টি দত্ত।


কার্যনির্বাহী সদস্য- নূর আহম্মদ সারোয়ার, সাইফুদ্দিন আহমদ,লিটন চৌধুরী, আতাউর রহমান মানিক, তাহরিনা পারভীন প্রীতি, সাদিয়া খন্দকার, নীলুফার রহমান, শান্তনা রায়, শান্তা রহমান, জয় গোপাল বর্মন,অজয় দাস, আতাউর সরকার জয়েল।


উপদেষ্টা পরিষদ- প্রধান উপদেষ্টা- বদর উদ্দিন আহমদ, উপদেষ্টা বৃন্দ- বিদ্যুৎ সরকার, ডাঃ প্রনয় রায় খোকন, বিজন তালুকদার, বিজয় দত্ত, আবু ইসলাম খান (বিটু), বাহার সরকার , বিধান বিশ্বাস , মোস্তাফিজুর রহমান (মিঠু), সুভাষ তালুকদার, পার্থ প্রতীম তালুকদার, রত্না চৌধুরী, অধ্যাপক তপন সরকার, অধ্যাপক শান্তপদ রায়, রফিকুল ইসলাম, ডঃ প্রনব চৌধুরী।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে প্রবাসী ক্রীড়াবীদদের সাথে প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদারের মতবিনিময়

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-৩০ ০১:৫৭:৪০

নিউইয়র্কে প্রবাসী ক্রীড়াবীদদের সাথে মতবিনিময়কালে গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার বলেন, দেশের ক্রীড়াঙ্গনের মান আরো বৃদ্ধি এবং দেশ-বিদেশে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবীদ তৈরী করতে সরকার ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়নে সরকার ব্যাপক উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের শিক্ষা, বিদ্যুৎ আর যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তন হয়েছে।

নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ২৮ জানুয়ারী রোববার অপরাহ্নে প্রতিমন্ত্রী ড. বীরের শিকদার প্রবাসী ক্রীড়াবীদদের সাথে মতবিনিময় করেন। কনসাল জেনারেল শামীম আহসান এসময় উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকার সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান ও সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ এবং বাংলাদেশ স্পোর্টস ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুর রহিম বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক এস এম ফেরদৌস-এর নেতৃত্বে প্রবাসের ক্রীড়াবীদরা প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং স্পোর্টস কাউন্সিলের স্যুভেনির উপহার দেন। পরে তারা প্রতিমন্ত্রীর সাথে খোলামেলা মতবিনিময় করেন। খবর ইউএনএ’র।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, এখন শহর আর গ্রামের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। যা শহরে পাওয়া যায় তাই গ্রামেও পাওয়া যায়। তিনি বলেন, দেশে বিদ্যুতের কোন সমস্যা নেই। ফলে উন্নয়ন কর্মকান্ড বেড়ে চলেছে। তিনি বলেন, গ্রামে গ্রামে শুধু বিদ্যুৎই চলে যায়নি গ্রামও এখন ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় চলে এসেছে। তিনি বলেন, দেশে এতো উন্নয়ন কর্মকান্ড হচ্ছে যে প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকায় বসেই ডিজিটাল ব্যবস্থায় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো উদ্বোধন করতে হচ্ছে।  

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ প্রেমিক আর ক্রীড়ামোদী মানুষ হওয়ায় ক্রীড়াঙ্গন সহ দেশে সার্বিক উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় ষ্টেডিয়াম নির্মাণ করা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই ১৩০টি ষ্টেডিয়াম নির্মাণ শেষ হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী সরকারের অব্যাহত উন্নয়ন কর্মকান্ড ধরে রাখতে প্রবাসীদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকার নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ প্রবাস থেকে বাংলাদেশী আমেরিকান ফুটবল ও ক্রীকেট দলের খেলোয়ারদের টিম নিয়ে বাংলাদেশে প্রদর্শণী ম্যাচ সহ প্রতিযোগিতানুষ্ঠান আয়োজনের দাবী জানানো হয়।
মতবিনিময় সভায় উল্লেখযোগ্য ক্রীড়াবীদদের মধ্যে সাবেক অলিম্পিয়াড শাহান উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক বক্সার সৈয়দ এনায়েত আলী, সাংবাদিক মনিজা রহমান সহ বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল ও ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের মধ্যে ওয়াহিদ কাজী এলিন, মফিজুল ইসলাম রুমী, আব্দুল কাদের লিপু, কাজী তোফায়েল ইসলাম, শাহাদৎ হোসেন, নওশাদ হোসেন সিদ্দিকী, ইয়াকুত রহমান, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট রোকেয়া আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সবাইকে প্রতিমন্ত্রীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেন মহিউদ্দিন দেওয়ান। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জ্যাকসন হাইটসে 'বাংলা মোবাইল ও ট্রাভেলস'-এর উদ্বোধন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৮ ১২:৩৭:২২

নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত জ্যাকসন হাইটসে চালু হলো বাংলাদেশী মালিকানাধীন আরো একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘বাংলা মোবাইল ও ট্রাভেলস’। জ্যাকসন হাইটসের ডিজিটাল ওয়ান গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ‘বাংলা মোবাইল ও ট্রাভেলস’ স্টোরের যাত্রা উপলক্ষ্যে গত ১৫ জানুয়ারী সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠানটিতে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান ফিতা কেটে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন প্রবীণ সাংবাদিক, সাপ্তাহিক আজকাল-এর সম্পাদক মনজুর আহমদ। এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ও আজকাল-এর প্রধান সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ জিকো এবং বাংলা মোবাইল ও ট্রাভেলস-এর সিইও বেলাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে জাকারিয়া মাসুদ জিকো বলেন, ডিজিটাল ওয়ান প্রায় ২০ বছর ধরে কমিটিতে ব্যবসা করে আসছে। আমরা মোবাইল ফোন সহ এয়ার টিকেট ব্যবসায় জড়িত। বিশেষ করে বাংলাদেশী কমিউনিটির সাথে আমরা বিশ্বস্ততার সাথে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছে এবং আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারিত হওয়ায় বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকায় নতুন প্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তা-ভাবনা করছিলাম। আশা করছি সর্বোচ্চ সেবার মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের মন জয় করতে পারবো। তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানে সুলভমূল্যে মোবাইল সহ সংশ্লিষ্ট জিনসপত্র কেনাকাটা ছাড়াও বাংলাদেশ অর্থ প্রেরণেরও ব্যবস্থা থাকবে। আরো থাকবে এয়ার টিকেট কেনা-কাটার সুযোগ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা আর মমত্ববোধ থেকেই নতুন প্রতিষ্ঠানটির নাম রাখা হয়েছে ‘বাংলা মোবাইল আর বাংলা ট্রাভেলস’। 

বেলাল হোসেন বলেন, বাংলাদেশকে প্রমোট করার পাশপাশি প্রবাসী বাংলাদেশী সুবিধার কথা বিবেচনা করেই প্রতিষ্ঠানটির নাম রাখা হয়েছে ‘বাংলা মোবাইল এন্ড ট্রাভেলস’। আমাদের বেশীরভাগ ক্রেতা-গ্রাহক বাংলাদেশী।
উল্লেখ্য, জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ ষ্ট্রীট সংলগ্ন সাবওয়য়ের সাথে ‘বাংলা মোবাইল’ স্টোরটি প্রতিষ্ঠিত।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউ আমেরিকান ইয়্যূথ ফোরামের বার্ষিক ডিনার পার্টি অনুষ্ঠিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১১ ১১:৫১:৫৪

বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো নিউ আমেরিকান ইয়্যূথ ফোরাম, সপ্তম বার্ষিক ডিনার পার্টি। গত শনিবার (৬ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় জ্যামাইকার তাজমহল পার্টি হলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সহযোগিতায় ছিলো নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাব ও নিউ আমেরিকান ওমেন্স ফোরাম। অনুষ্ঠানে মূলধারার রাজনীতিকদের মুখে বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটির প্রশংসার পাশাপাশি সম্ভানার কথাও উঠে আসে। বক্তারা বলেন, আজ থেকে ৩০/৩৫ বছর আগে বাংলাদেশী-আমেরিকান ডেমোক্র্যাট মোর্শেদ আলম যে বীজ বপন করে পথ দেখিয়েছেন, সেই পথেই বাংলাদেশী কমিউনিটি অনেক দূর এগিয়ে গেছে। সময় আসছে সিটি প্রশাসনে বাংলাদেশী মুখ নির্বাচিত হওয়ার। এই লক্ষ্যে এখন থেকেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সকল বাংলাদেশী-আমেরিকানকে ভোটার হতে হবে।

এই ডিনার অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিলো সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বিনিময়, প্ল্যাক প্রদান, সঙ্গীত, নৃত্য ও ডিনার। ইউএস কংগ্রেসওম্যান ইভেন্ট ক্লার্ক, নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে নিযুক্ত কনসাল জেনারেল মো: শামীম আহসান, নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক এডভোকেট লেটিসা জেমস, নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলীওম্যান আলিসিয়া হ্যান্ডম্যান, সিটির সাবেক কম্পট্রোলার জন ল্যু, গভর্নর এন্ড্রু কমোর প্রতিনিধি হরেস প্রকাশ, কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং-এর প্রতিনিধি স্যানড্রা ওয়ং, মূলধারার রাজনীতিক মোর্শেদ আলম, বিশিষ্ট রাজনীতিক ডা. মাসুদুল হাসান, অ্যাসাল প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ উদ্দিন ও ডিষ্ট্রিক্ট লীডার এন্থনী অ্যান্ড্রোস ও রোসলেন স্পীগনার সহ মূলধারার জনপ্রতিনিধিদের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠান আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন।

বাংলাদেশী কমিউনিটিতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ইউএস কংগ্রেসওম্যান ইউভেটি ডি ক্লার্ক সহ অনুষ্ঠানে মূলধারার রাজীতিক ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে প্ল্যাক প্রদান করা হয়। প্ল্যাকপ্রাপ্তরা হলেন: এটর্নী সোমা সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার ও ড. আব্দুল বাতেন, ড. এন্থনী এন্ড্রোজ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট এবিএম ওসমান গণি, এডভোকেট মুজিবুর রহমান, দীলিপ দেবনাথ, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, সৈয়দ বাহলুল উজ্জল, মিজানুর চৌধুরী, আব্দুল কাদের মিয়া, ওরনী এলিজাবেথ বার্না, মোহামেদ হ্যাক, বরিস ডেভিডোফ ও সিদ্দিক উই। 
অনুষ্ঠানে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক সিটির গত নির্বাচনে কাউন্সিম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ টি রহমান ও হেলাল শেখ, এবিএম ওসমান গণি, মিলন রহমান, এটর্নী সোমা সাঈদ, দীলিপ নাথ, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন রোকেয়া আক্তার, আনাফ আলম ও রুবাইয়া রহমান। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শেখ আল আমীন, আমিনুল ইসলাম, সালেহা আলম, হুসনে আরা বেগম, আব্দুস সেলিম, শিরীন কামাল, রোমানা জেসমীন, সালমা ফেরদৌস ও সেলিনা হোসেন।
 
অনুষ্ঠানের সংস্কৃতিক পর্বে স্থানীয় শিল্পীরা সঙ্গীত ও নৃত্য স্বললিপি শিল্পী গোষ্ঠীর শিল্পী প্রিটু সাহা, পূজা পাল, ইউভিকা তালুকদার, মীম দত্তা, শুভ্রা বিশ্বাস, শ্রেয়া চক্রবর্তী, নিমা রহমান, শিহা দেবনাথ ও মৃত্তিকা সঙ্গীত এবং নৃত্য পরিবেশন করেন। তাদের পরিবেশনা উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।   
অনুষ্ঠানে আগামী দুই বছরের জন্যে নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাবের নতুন পরিচালনা পরিষদ ঘোষণা করা হয়। নতুন কর্মকর্তারা হলেন: প্রেসিডেন্ট- মোর্শেদ আলম, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট- মাফ মিসবাহ উদ্দিন, পরিচালনা পরিষদের চেয়ার- রুবাইয়া রহমান, কো চেয়ার- মুক্তিযোদ্ধা মনির হোসেন এবং মনিকা রায়, রাজনীতি বিষয়ক পরিচালক- মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, শ্রম বিষয়ক পরিচালক- কাজী মনির, জনসংযোগ পরিচালক- করিম চৌধুরী, নারী বিষয়ক পরিচালক- রোকেয়া আকতার। এছাড়াও আরো কয়েজন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পরিচালক রয়েছেন। উল্লেখ্য, ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মোর্শেদ আলমের নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নতুন কমিটির অভিষেক ১২ জানুয়ারী

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১১ ১১:৪৭:০২

নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির অভিষেক আগামী ১২ জানুয়ারী শুক্রবার। ঐদিন সন্ধ্যা ৭টায় জ্যাকসন হাইটসের বেলোজিনো পার্টি হলে এই অভিষেক অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। প্রেসক্লাবের অভিষেক উপলক্ষ্যে ‘মূলধারা’ শীর্ষক  আকর্ষণীয় স্যুভেনীর প্রকাশিত হচ্ছে।

ক্লাবের সভাপতি ডা. ওয়াজেদ এ খান ও সাধারণ সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য সকল কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রতি বিষেশ অনুরোধ জানিয়েছেন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাহিত্য একাডেমি নিউইয়র্ক-এর উদ্যোগে বিজয় দিবস উদযাপন

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০৪ ১২:৫৫:৪১

ঝড়, বৃষ্টি,  তুষারপাত সে যাই হোক না কেন মাসের শেষ শুক্রবারটি যেন নিউইয়র্ক শহরে বসবাসরত সাহিত্যমোদীদের জন্য সাহিত্য একাডেমিকে ঘিরে একটি আনন্দের দিন। বছরের নিয়মিত শেষ আসরটিতে এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি।  হাঁড় কাঁপানো শীতেও বিপুল সংখ্যক সাহিত্যপ্রেমীরা  প্রাণের টানে ছুটে এসেছেন সাহিত্য একাডেমিতে। বাহিরে প্রবাহিত শৈত্য প্রবাহের আধিপত্য, ভেতরের  চা- কফির উষ্ণ আতিথেয়তায় যেন দূর হয়ে গেছে!
বিজয় দিবসের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানিয়ে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন 'সাহিত্য একাডেমি, নিউইয়র্ক ' এর পরিচালক মোশাররফ হোসেন। আলোচনার মাঝে মাঝে এবারও প্রায় ৩০ জনের  মত  লেখক, কবি তাদের লেখা পাঠ করেন।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন হাসান ফেরদৌস, ফজলুর রহমান, তমিজ উদদীন লোদী, আহমাদ মাযহার, ফকির ইলিয়াস, এবিএম সালেহ উদ্দীন।

নিজেদের লেখা কবিতা, গল্প,  প্রবন্ধ এবং আবৃত্তি  করেন সুরীত বড়ুয়া, নাসিরুল্লাহ মোহাম্মদ, ইশতিয়াক রুপু, আবুল বাশার, কাজী আতিক, রানু ফেরদৌস, শামীম আরা আফিয়া, স্বফন দেওয়ান, ফারহানা ইলিয়াস তুলি, বেগম সোনিয়া কাদির, ফকির ইলিয়াস,  আহম্মদ হোসেন বাবু, মমতাজ বেগম (আলো),  শাহীন ইবনে দিলওয়ার, নাসিমা আকতার, কামরুন নাহার রীতা, পলি শাহীনা, তাহমিনা সাইদ, আবু সাঈদ রতন, নীরা কাদরী, মোশাররফ হোসেন,  সালেহীন সাজু, আনোয়ার সেলিম, পারভীন পিয়া,  উইলি মুক্তি প্রমুখ।

শুরুতেই লেখক আহমাদ মাযহার তার আলোচনায় বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনকে তুলে ধরেন।

সময়ের পরিক্রমায় লেখকের সৃষ্টিকর্ম তাঁকে অধিষ্ঠিত করেন মহামানবের আসনে। ৯-ই ডিসেম্বর 'বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন'এর জন্মদিন উপলক্ষে  আহমাদ মাযহার তাঁর ' সুলতানার স্বপ্ন' উপন্যাসটির উপরে আলোকপাত করে বলেন,  ' বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন শুধুমাত্র একজন সমাজ সংস্কারক নয় সাহিত্যের দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করলে তিনি ছিলেন একজন সৃজনশীল মানুষ। ' তিনি আরো বলেন,  ' সুলতানার স্বপ্ন উপন্যাসটির গঠন অসাধারণ হওয়া সত্বেও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের দিকে তাকালে  দেখা যায় সে সময়টায় তার কথা কোথায়ও তেমন উল্লেখযোগ্য ভাবে আসেনি। হিন্দু সমাজ খেয়াল-ই করেনি যে মুসলমানরা সাহিত্য চর্চা শুরু করেছেন। '

এরপর কবি তমিজ উদদীন লোদী তার নির্ধারিত বক্তব্যে গণমানুষের কবি দিলওয়ারকে তুলে ধরেন।  মহকালের ইতিহাসে লেখকের রচিত সাহিত্যই কথা বলবে। বাংলা একাডেমি ও একুশে পদকপ্রাপ্ত গণমানুষের কবি' দিলওয়ার' সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে কবি তমিজ উদদীন লোদী বলেন, ' কবি দিলওয়ার একজন অসাধারণ মানুষ ছিলেন। কবিতা লেখার জন্য যারাই যেতেন তাঁর কাছে সবাইকে পরম মমতায় কাছে টেনে নিতেন। ছন্দের প্রতি তার প্রবল নিষ্ঠা ছিল।  মাত্রাবৃত্ত, অক্ষরবৃত্ত, স্বরবিত্তে লিখতেন তিনি। সাধারণ মানুষদের সাথে মিশে যেতেন অনায়াসেই। সবসময় পড়ার মধ্যেই থাকতেন। কবি দিলওয়ার একজন প্রথম সারির গীতিকার ছিলেন। গীতিকবিতা যারা লিখেছেন কবি দিলওয়ার ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম।তাঁর আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং কবি দিলওয়ারের অপ্রকাশিত রচনাবলী যেন প্রকাশিত হয় সে আশা পোষণ করে তমিজ উদ্দিন লোদী তার আলোচনার ইতি টানেন।

কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কবিপুত্র শাহীন ইবনে দিলওয়ার এবং মোশাররফ হোসেন একটি করে কবিতা পড়েন। এরপরেই শুরু হয় লেখকদের লেখা পাঠ।

এই পর্যায়ে পঠিত লেখার উপরে আলোকপাত করেন কবি ফকির ইলিয়াস। তিনি বলেন, ' অগ্রজ কবিরা কি বলেছেন তা জানা দরকার, তাঁদের বই পড়া আবশ্যক। কবির কবিতা একজন মানুষের সাথে কিভাবে শক্তিশালী সংযোগ তৈরি করেন তা বর্ণনা করতে গিয়ে ফকির ইলিয়াস উল্লেখ করেন কবি দিলওয়ারের কথা। তাঁর কবিতা পড়ে কিভাবে ঢেউ আঁচড়ে পড়ে পিলারের গায়ে তা দেখার জন্য নৌকা করে তিনি সে জায়গাটি পরিদর্শনে যান। '
পাঠকদের ভালোবাসা, আদরে লেখকরা থাকেন তাদের হৃদয়ে। প্রতিটি মানুষের জীবন যেন অলিখিত গল্পের একেকটি মহাসমুদ্র। সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান বলেন, ' ভালোবাসা দিয়ে খুব সহজে মানুষকে তুষ্ট করা যায়। এখানে ভালোবাসা পাই তাই ফিরে ফিরে আসি। গণমানুষের কবি দিলওয়ার, বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের মত আলোকিত মানুষেরা ছিলেন বলেই আমরা বাঙালীরা গর্ব করতে পারি।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, বেশী বেশী  পড়বেন, লিখবেন এবং ভালো মানুষ হবার চেষ্টা করবেন। '

লেখক এবিএম সালেহ উদ্দিন বলেন, ' আনন্দ এবং বেদনা দুটোই রয়েছে এই বছর জুড়ে। সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে সামনের দিনগুলো যেন সবার জন্য মঙ্গলময় হয় সে  প্রত্যাশা করেন।

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি' শহীদ কাদরী'র ' সদ্য প্রকাশিত কবিতার বই ' গোধূলির গান' থেকে কবিতা পাঠ করেন কবি পত্নী নীরা কাদরী।

ভেদ-ক্লেদ ভুলে প্রতিটি প্রাণ জেগে উঠুক নতুন বছরে প্রাণের আনন্দে। কবি কাজী আতিক সবাইকে আগাম নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে তার নিজের দুটো কবিতা পাঠ করেন।

কবি তার লেখায় মহাকালের ছবি এঁকে যান। কবি সোনিয়া কাদির বলেন, ' কবি দিলওয়ারের লেখা থেকে তিনি উপকৃত, অনুপ্রাণিত হয়েছেন। তাঁর অফুরন্ত স্নেহের ঢালি থেকে তিনি নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন।

লেখক হাসান ফেরদৌস নিজ বই থেকে পাঠকৃত প্রবন্ধে  উঠে এসেছে ইতিহাসে দূষ্ট লোকেরাও কবিতা লিখেছেন যেমন, হিটলার, মুসোলিনী প্রমুখ। 'কবিতা লেখকের ভাবনা দৃষ্টির আয়না হলেও লেখকরা অন্যরকম বিশেষ শ্রেণীর মানুষ। তারা চিন্তা, চেতনায় সবাই নিজের জায়গায় আলাদা স্বত্বা। ' তাঁর প্রবন্ধটি পাঠ শেষে বিষয়বস্তুর সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন।

অনুষ্ঠানের প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে কবি তমিজ উদদীন লোদী ও ফকির ইলিয়াসকে সাহিত্য একাডেমির পক্ষ হতে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হয়।সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে এবং জানুয়ারি মাসের শেষ শুক্রবার আবারো সাহিত্য একাডেমি'র মাসিক আসরে মিলিত হবার প্রত্যাশা রেখে একাডেমি'র পরিচালক মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানেন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা হারুন ও পাপিয়ার সাথে নিউইয়র্কে জাতীয়তাবাদী ফোরামের মতবিনিময়

 প্রকাশিত: ২০১৮-০১-০২ ১৩:৩৭:৩৯

যুক্তরাষ্ট্র সফররত সাবেক এমপি ও বিএনপি’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশীদ এবং সাবেক এমপি ও চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার সাথে মতবিমিয় করেছেন বাংলাদেশী-আমেরিকান জাতীয়তাবাদী ফোরাম ইউএসএ’র নেতৃবৃন্দ। মতবিনিময় সভায় প্রবাসী নেতৃবৃন্দ যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন সময়ের দাবী উল্লেখ করে এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় নেতা হারুনুর রশীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বিষয়টি যথাস্থানে জানাবেন বলে জানান।

নিউইয়র্কের উডসাইড এলাকার কুইন্স বুলেভার্ডস্থ একটি রেষ্টুরেন্টে গত ২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় বক্তারা যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে বলে দুই নেতাকে অবহিত করেন। সভায় বিএনপির সাবেক এমপিদ্বয় বলেন, আমরা সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। আর সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বাংলাদেশের জনগন ভোটার বিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে রাখা শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসাবে। খবর ইউএনএ’র। 
আশির দশকের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সংগঠন বাংলাদেশী-আমেরিকান জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি নিয়াজ আহমেদ জুয়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী ও কেন্দ্রীয় জাসাস নেত্রী রিজিয়া পারভীন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু, সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি গিয়াস আহমেদ এবং সাবেক সহ সভাপতি ও ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সামসুল ইসলাম মজনু এবং বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম। সভায় ফোরামের পক্ষ থেকে অতিথিদ্বয়কে ফুলে তোড়া এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির অন্যতম শীর্ষ তিন নেতা যথাক্রমে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার, জিল্লুর রহমান জিল্লু ও গিয়াস আহমেদকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আজাদ বাকিরের সঞ্চালনায় সভায় অতিথিবৃন্ধ ছাড়াও আরো শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি, এমদাদুল হক কামাল, ছৈয়দুল হক, ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম, ফারুক হোসেন মজুমদার, জহিরুল ইসলাম মোল্লা, ভিপি আলমগীর, রাসেদুল ইসলাম প্রিন্স প্রমুখ। 

সভায় কেন্দ্রীয় নেতা হারুনুর রশীদ বলেন, বাংলাদেশ আজ সামগ্রীকভাবে চরম সঙ্কটের মধ্য দিয়ে চলছে। বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানাতে আওয়ামী লীগ একক মুদ্রা চালুকরতে চাচ্ছে। কিন্ত্র বিএনপি আর বাংলাদেশের জনগণ একদলীয় আওয়ামী শাসন মেনে নেবে না। তিনি বলেন, আওয়ামী দু:শাসনের ফলে আমরা রাজপথে মিছিল-সমাবেশ করতে পারি না। জেলায় জেলায় বিএনপি অফিস খুলতে দেয়া হচ্ছে না।

তিনি যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটির দাবী প্রসঙ্গে বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মামালা-মোকদ্দমা সহ নানা সমস্যা নিয়ে প্রতিদিন চাপের মধ্যে থাকেন। তার অন্য কিছু ভাবার সময় খুব কম। তবে ঢাকায় ফিরে বিএনপির কমিটির ব্যাপারে জায়গামত কথা বলবো। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি হওয়া দরকার বলে তিনি জোড়ালো অভিমত ব্যক্ত করেন। 

সাবেক এমপি সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর আবেগ তারিত হয়ে আশির দশকে ছাত্রদলের রাজনীতর মধ্যদিয়ে আমি বিএনপি’র রাজনীতি করছি। সেই থেকে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজনীতিতে এগিয়ে চলছি। দলের মধ্যে আমরা হাইব্রীড নই। আমরা দলেল নেতা নই কর্মী, আর রাজনীতিতে কর্মীর কখনো মৃত্যু হয় না। তিনি ফোরামের নেতৃবৃন্দর উদ্দেশ্যে বলেন, আশির দশকের ছাত্র রাজনীতির চেতনা, দেশপ্রেম আর শহীদ জিয়ার আদর্শ নিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশের দূর্দিনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করতে হবে। আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে চোখে চশমা দিয়ে রাজনীতি করলে চলবে না। ভোটার বিহীন অনির্বাচিত সরকার পতনের আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই চালাতে হবে। 

নিয়াজ আহমেদ জুয়েল বলেন, আমরা জিয়াউর রহমানকে তার আদর্শকে ভালোবেসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি’র রাজনীতি করি। আমরা কাউকে ট্যাক্স দিয়ে রাজনীতি করতে চাই না বা নেতা হতে চাই না। আমরা যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র পূর্নাঙ্গ কমিটি চাই, কমিটিতে দলের জন্য ত্যাগী ও যোগ্য নেতা-কর্মীদৈর স্থান চাই।

সভায় যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী সহ যুক্তরাষ্ট্র, ফোরাম ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম খান, নওশাদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিডিআর হত্যাকান্ডের উপর প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের লেখা একটি গ্রন্থ বিএনপি নেতা হারুনুর রশীদ ও সৈয়দা আসিফা আশরাফ পাপিয়াকে উপহার দেন লেখক।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জমজমাট আয়োজনে নিউইয়র্কে ‘এনআরবি তারকা অ্যাওয়ার্ড-২০১৭’ অনুষ্ঠিত

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৭ ১৩:৪৭:০১

বিগত বছরগুলোর মতো এবারো নিউইয়র্কে জমজমাট আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘এনআরবি তারকা অ্যাওয়ার্ড-২০১৭’। সিটির উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে গত ২৩ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় শো-টাইম মিউজিক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে দেশ ও প্রবাসের জনপ্রিয় তারকাদের পরিবেশনায় ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নীর সঙ্গীত আর নতুন প্রজন্মের চিত্র নায়িকা জলি ও প্রিয়া বিপাসা এবং রোকসানা মির্জার পরিবেশনা উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ছিলো মনোজ্ঞ ফ্যাশন শো সহ দেশী-প্রবাসী শিল্পীদের নাচ-গান। সন্ধ্যা ৮টা থেকে মধ্যরাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি চলে।

এদিকে প্রবাসের বুকে বেড়ে উঠা প্রতিভাকে আরো সমৃদ্ধ করতে বিনোদন জগতের অন্যতম ‘এনআরবি তারকা অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে টাইম টেলিভিশন। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনটি ছিল শো-টাইম মিউজিকের নবম তারকা অ্যাওয়ার্ড আসর। যাতে দেশের খ্যাতিম্যান তারকা ও সংস্কৃতি জগতের শিল্পীদের পাশাপাশি ছিল প্রবাসী শিল্পীদের এক মিলন মেলা। খবর ইউএনএ’র।

শো-টাইম মিউজিকের কর্ণধার আলমগীর খান আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেট’র কনসাল জেনারেল শামীম আহসান। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার এস আই টুটল। অনুষ্ঠানের গ্র্যান্ড স্পন্সর ছিলেন বাংলাদেশী মালিকানাধীন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ স্কুল ‘শিফট’। পাওয়ার্ড বাই উৎসব কুরিয়ারের এই অনুষ্ঠানের গ্র্যান্ড স্পন্সর ছিলো পিপল এন টেক।

অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ছাড়াও টাইম টেলিভিশন-এর পক্ষে জেসিকা তারতিলা শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। এসময় টাইম টেলিভিশনের বিজনেস কনসালটেন্ট নুসরাত শারমীন তিসাম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে টাইম টেলিভিশনের কাছে নিজেদের অনুভূতির কথা তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারী শিল্পী ও কলাকূশলীরা। 

অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রিজিয়া পারভীন সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে প্রবাসের ৩৫জন শিল্পী, ব্যবসায়ী, সংগঠককে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন:  শিফট’র কর্ণধার ড. ইফতেখার ইভান, বাংলাদেশ সোসাইটির স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব, সংগঠক খন্দকার এ এইচ জগলু, ডিজিটাল ওয়ান-এর বেলাল আহমেদ, প্রিমিয়াম সুইটসের সত্ত্বাধিকারী সোহাগ আজম, প্রবাসী শিল্পী রানো নেওয়াজ, চন্দ্রিকা দে, স্বম্পা জামান, বীনা বর্মণ, লাল্টু, মনিকা দাস, মল্লিকা, ফেরদৌসী, নিশা, চন্দ্রিকা দে প্রমুখ এবার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। এবার পড়ালেখা বিষয়ে অংক পরিবেশনার জন্য স্পেশাল ট্যালেন্ট হিসেবে ফাতিহা আয়াতকে ‘এনআরবি তারকা অ্যাওয়ার্ড- ২০১৭’ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল শামীম আহসান বলেন, প্রবাসে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনে শিল্পী-সংস্কৃতিসেবী সহ প্রবাসীরা আরো ভালো কাজে উৎসাহীত হবে। পাশাপাশি বাংলা ভাষা, বাংলা সংস্কৃতি আরো বিকশিত হবে।

শিল্পী এস আই টুটুল বলেন, নিউইয়র্কে এসে মনে হচ্ছে আমরা বাংলাদেশীই আছি। তিনি অনুষ্ঠানটি আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন, শিল্পী সহ প্রবাসের জ্ঞানী-গুণীজনরা সম্মানিত হবে আমরা আরো ভালো কিছু উপহার দিতে পারবো। প্রসঙ্গত তিনি আরো বলেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই আজকের অনুষ্ঠানে কোন গান গাইবো। আমি কোন আইন ভাঙতে চাই না। আমি আমেরিকায় অনেকবার এসেছি, গানও করেছি। কিন্তু এবার আমেরিকায় আসার ভিসার শর্ত মোতাবেক আমি গান গাইতে পারবো না। তবে আগামীতে আবার আসবো এবং গান করবো।

গানের ফাঁকে ফাঁকে শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী নিউইয়র্ক তথা উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশী অডিএন্সের প্রশংসা করে বলেন, এখানকার দর্শক-শ্রোতা খুব ভালো। মনে হচ্ছে বাংলাদেশেই গান করছি। প্রবাসী শ্রোতাদের মুখে মুখে তার নিজের গাওয়া গান শুনে তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য আয়োজক আলমগীর খান আলম উপস্থিত সকল দর্শক-শ্রোতাকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশেষ কারণে শিল্পী এস আই টুটুল গান পরিবেশন করতে না পারায় আগামী বছরের এপ্রিল মাসে তাকে (এস আই টুটুল) ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন-কে নিয়ে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষনা দেন।

সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও আবু তাহের, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্যানেল চেয়ারম্যান ডেইজী সারোয়ার এবং অনুষ্ঠানের গোল্ড স্পন্সর এবং এনওয়াই ইন্সুরেন্স ইনক’র প্রেসিডেন্ট শাহ নেওয়াজ ছাড়াও কমিউনিটির উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে ড. এনামুল হক, নাদিম আহমেদ, হাজী আব্দুর রহমান, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, ফকু চৌধুরী, শিফট’র ডাইরেক্টর অব এডুকেশন শায়লা ইফতেখার প্রমুখ সহ বিপুল সংখ্যক দর্শক-শ্রোতা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন আবীর আলমগীর ও মোহাম্মদ সেলিম ইব্রাহীম।

অনুষ্ঠানটি সদস্য প্রয়াত বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী বারী সিদ্দিকীর স্মরণে উৎসর্গ করা হয়। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি



বিস্তারিত খবর

বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংবাদিক মনজুর আহমদের হীরক জন্ম জয়ন্তী পালন

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৭ ১৩:৩৫:১৫

বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো প্রবীণ সাংবাদিক মনজুর আহমদের হীরক জন্ম জয়ন্তী। এ উপলক্ষ্যে গত ২২ ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের একটি রেষ্টুরেন্টে তাঁর জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মনজুর আহমদ স্ত্রী ও দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রেখা আহমদ এবং নাতি দ্রুবকে সাথে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটে। এর আগে তারা শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কের বিভিন্ন মিডিয়া, মিডিয়ার সম্পাদক, সাংবাদিক ও কলা-কুশলী, কবি-লেখক, সংস্কৃতিসেবী সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক মনজুর আহমদের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং শতায়ু কামনা করেন। এছাড়াও নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ও আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকেও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। উল্লেখ্য, গত ২১ ডিসেম্বর ছিলো মনজুর আহমদ-এর জন্মদিন।

‘হীরক ছোঁয়া’ শীর্ষক জন্মদিনের এই অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রবীণ সাংবাদিক, এখন সময় সম্পাদক কাজী শামসুল হক ও প্রবীণ সাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ, বিশিষ্ট লেখক ও কলামিস্ট হাসান ফেরদৌস, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও আবু তাহের, সাপ্তাহিক ঠিকানা’র প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফজলুর রহমান, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, সাপ্তাহিক জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, সাপ্তাহিক আজকাল-এর প্রধান সম্পাদক ও জেবিবিএ’র সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ জিকো, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুজিব বিন হক ও শহীদ উদ্দিন, অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট রানু ফেরদৌস, সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরণ ও মনিজা রহমান, ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী, টাইম টিভি’র নিউজ প্রেজেন্টার সাদিয়া খন্দকার, সাবেক প্রেজেন্টার শামসুন্নাহার নিম্মি প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন সাপ্তাহিক আজকাল-এর সহযোগী সম্পাদক হাসানুজ্জামান সাকী।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিক মনজুর আহমদ বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে ঘটা করে জন্মদিন পালন করাটা পছন্দ করি। আজ আমার ভালো লাগছে। জীবনের অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। আমার স্ত্রী রেখা আহমদ আমাকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য আমাকে না জানিয়ে জন্মদিনের অনুষ্ঠান আয়োজন করাতে আমি ‘সারপ্রাইজড’ হয়নি, তবে অবাক হয়েছি এতো সুন্দর আয়োজন দেখে। বিশেষ করে আমার প্রিয়জনদের, কাছের মানুষদের পেয়ে আমি অনন্দিত। তার দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে মনজুর আহমেদ প্রসঙ্গত বলেন, অমি আগে সামনে বেশী দেখতাম, এখন পেছনের দিকটাই বেশী দেখছি। মনে হচ্ছে বয়স বাড়ার সাথে সাথে জীবনের সময় কমে আসছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা তাদের শুভেচ্ছা বক্তব্যে মনজুর আহমদকে একজন ভালো মনের মানুষ হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করে বলেন, তিনি অনেকের আদর্শও বটে। বক্তারা তার সুস্থ ও সুন্দর এবং শতায়ু জীবন কামনা করে বলেন, আমরা ভবিষ্যতে মনজুর আহমদের জন্মদিনের শতবর্ষপূর্তী পালন করতে চাই। 

এদিকে মনজুর আহমদের জন্মদিন ঘিরে অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি মিলন মেলায় রূপ নেয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত উল্লেখযোগ্য সাংবাদিকদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি দর্পণ কবীর ও সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান রচি, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ, সাপ্তাহিক আজকাল-এর নির্বাহী সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাগর, ফটো সাংবাদিক এ হাই স্বপন, নিউজ প্রেজেন্টার মিজান খন্দকার ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক-লেখক আহমেদ মাযহার, কবি এবিএম সালেউদ্দিন, কবি নাসরিন চৌধুরী প্রমুখ।


এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি বিকাশে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে : এটর্নী মঈন চৌধুরী

 প্রকাশিত: ২০১৭-১২-২৭ ১৩:২৯:২২

প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশে বাংলাদেশ সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এটর্নী মঈন চৌধুরী। গত ২৩ শে ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় জ্যামাইকাস্থ স্টার পার্টি হলে বাংলাদেশ-আমেরিকা কালচারাল একাডেমী আয়োজিত শীতের পিঠা উৎসব এর উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ডেমোক্রেটিক পার্টির  ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট-লার্জ এর্টনী এট ল’  মঈন চৌধুরী এই মন্তব্য করেন।

সংগঠনের সভাপতি পারভীন বানুর সভাপতিত্বে ও শেখ সিরাজ এর সঞ্চালনায় পিঠা উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ রোমানা সবুর, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ডাঃ ওয়াজেদ এ খান, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি  মাহফুজুর রহমান, এবিএম সালাহ্উদ্দিন সহ আরো অনেকে।

প্রধান অতিথি এর্টনী মঈন চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, যে দেশের সংস্কৃতি যত বেশি সমৃদ্ধ সেই দেশ তত বেশি উন্নত, আমরা বাংলাদেশী হিসেবে বাংলাদেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে গর্ববোধ করতে পারি। এই সংস্কৃতি সংরক্ষণ করার দায়িত্ব আমাদের সকলের। আমরা যদি সংরক্ষণ করতে না পারলে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে তা হারিয়ে যাবে। প্রবাসে শত ব্যস্ততার মাঝেও যারা এই সংস্কৃতিকে কাজে কর্মে বাচিয়ে রেখেছেন তাদের প্রতি আমরা সবাই কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী প্রবাসে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে বিধায় বাংলাদেশ সরকারের উচিত প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি বিকাশে, সংরক্ষণে এবং প্রচারে বিভিন্ন সংগঠনকে প্রবাসী মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা প্রদান করা। অন্যথায় হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি অদূর ভবিষ্যতে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌছানো কষ্টসাধ্য হবে পড়বে।

পিঠা উৎসবে আগত সকল অতিথিকে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদ্যু পিঠা পরিবেশন করা হয় এবং স্থানীয় শিল্পীবৃন্দের প্রাণবন্ত মনোঞ্জ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পিঠা উৎসবকে উপভোগ্য করে তুলা হয়।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর