যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 03:47pm

|   লন্ডন - 10:47am

|   নিউইয়র্ক - 05:47am

  সর্বশেষ :

  ১১ সপ্তাহ লকডাউনের পর উন্মুক্ত উহান   যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৯৭০ জনের প্রাণহানি   ‘ওয়াইএমসিএ’র ছাঁটাইকৃত কর্মীদের চাকরির ঘোষণা দিলেন লস এঞ্জেলেস মেয়র   করোনা ঠেকাতে বাধ্যতামূলক মাস্ক পড়ার নিয়ম করল সান বার্নার্ডিনো কাউন্টি   করোনায় কমেছে লস এঞ্জেলেসের সকল প্রকার অপরাধঃ এলএ পুলিশ চীফ   কভিড-১৯; লস এঞ্জেলেসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৯; আক্রান্ত ৬ হাজার ৯১০   গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা লকডাউন   বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি   পুলিশের মহাপরিদর্শক হচ্ছেন বেনজীর, র‌্যাব মহাপরিচালক মামুন   করোনাভাইরাস: বিশ্বব্যাপী সুস্থ হয়ে উঠেছে ৩ লাখ মানুষ   ফ্রান্সে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো   নিউইয়র্কে মর্গে জায়গা নেই, ফ্রিজে লাশ রাখার সিদ্ধান্ত   সিঙ্গাপুরে একদিনে ৪৭ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত   বিশ্বনবীর মিম্বর থেকে করোনা নিয়ে যা বললেন শাইখ সুদাইস   এখন থেকে লস এঞ্জেলেসের যে কোন বাসিন্দা করোনা টেস্ট করাতে পারবে

>>  নিউইয়র্ক এর সকল সংবাদ

করোনা: নিউইয়র্কে বাংলাদেশি চিকিৎসকের মৃত্যু

নিউইয়র্কে চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি।করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের বাঁচাতে নিজের জীবন বাজি রেখে কাজ করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীরা।
 
প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চিকিৎসক মোঃ ইফতেখার নিউইয়র্কের ব্রঙ্কস নর্থ হাসপাতালে মারা গেছেন। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে নিউইয়র্ক সাস্থ্য বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ইফতেখারের দেশের বাড়ি মানিকগঞ্জে।
এদিকে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নার্স। তিনি নিউইয়র্কের আইনস্টাইন ও মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে কর্মরত। হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত এক

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে করোনায় বাংলাদেশি দুই ভাইয়ের মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৫ ০৪:১২:০৫

নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক প্রবাসী পরিবারের দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। ৪ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হয়ে এস্টোরিয়ার বাসিন্দা ইকবাল হক ভূঁইয়া প্রিন্সের নিউজার্সি রাজ্যের আটলান্টিক শহরের একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয়। এর এক সপ্তাহ আগে প্রিন্সের বড় ভাই শিপন আহমদেরও নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়।

এই দুই ভাইয়ের বাড়ি ঢাকার গোপীবাগে। এ নিয়ে আমেরিকায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হলো। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন অনেক বাংলাদেশি। আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক শতাধিক।

এদিকে নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তাহের আহামদ পাটোয়ারী নামের আরেকজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। ৩ এপ্রিল স্থানীয় সময় পাঁচটায় নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মরহুমের শ্যালক ব্যবসায়ী আজম সোহাগ এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। মরহুম তাহেরের সহধর্মিণী করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্কের আরেকটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

করোনাভাইরাস নিউইয়র্ক রাজ্যকে লন্ডভন্ড করে দিচ্ছে। পার্শ্ববর্তী অঙ্গরাজ্য নিউজার্সির অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে। মিশিগান রাজ্যের অবস্থাও ভালো নয়। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। দেশটির নিউইয়র্ক রাজ্যে হাসপাতালে রোগী ধারণ করার জায়গা নেই। তাই অস্থায়ীভাবে ম্যানহাটনের সেন্ট্রাল পার্কের পর কুইন্সের ইউএস ওপেন ভেন্যুতেও করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল খোলা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সামনের দিনে আরও অনেক মানুষের মৃত্যু হবে। নিউইয়র্কের জন্য জরুরি ভিত্তিতে এক হাজার সামরিক চিকিৎসাকর্মী পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।

নিউইয়র্কের রাজ্য গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো ৪ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, গত একদিনে সেখানে করোনায় আক্রান্ত ৬৩০ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে শুধু নিউইয়র্কেই মৃতের সংখ্যা এখন ৩ হাজার ৫৬৫ জন।

শুধু মৃত্যু নয় আক্রান্তের দিক দিয়েও নিউইয়র্কের অবস্থান সবার ওপরে। কোভিড-১৯ রোগী হিসেবে শনাক্ত মানুষের সংখ্যা এখন ১ লাখ ১৩ হাজার ৭০৪ জন। এর মধ্যে শুধু নিউইয়র্ক নগরীতেই আক্রান্ত ৬৩ হাজার ৩০৬; মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৬২৪ জনের।

করোনাভাইরাস নিয়ে প্রতিদিন ব্রিফিং করছেন গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো। কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্য চাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। গভর্নর ব্রিফিংয়ে বলেছেন, আগামী ৪ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে বিশ্বের যেকোনো স্থানের চেয়ে নিউইয়র্কে আক্রান্তের সংখ্যা সর্বোচ্চ হতে পারে। যদিও নিউইয়র্ক শহরে কিছুটা উন্নতি হয়েছে তবে রাজ্যের লং আইল্যান্ড কাউন্টিতে দিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

৩ এপ্রিল নিউইয়র্ক রাজ্যের হাসপাতাল থেকে ১ হাজার ৫৯২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার হার আগের দিনের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি। কুমো জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মানুষের পুরো দুই-তৃতীয়াংশ বাড়িতে ফিরেছেন সুস্থ হয়ে। যদিও নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

বাংলাদেশি একজন চিকিৎসক পরামর্শ দিয়েছেন, করোনাভাইরাসে ভালো হয়ে হাসপাতাল থেকে ফিরলেও যেন সবাই নিজেকে অন্তত এক সপ্তাহ বিচ্ছিন্ন রাখেন। হাসপাতালে স্থান সংকুলান সামাল দেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ নিরাময় হওয়ার আগেই অনেককে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে নিউইয়র্কে হাসপাতালের বিভিন্ন সরঞ্জামের সংকটে পড়া নগরীতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে চীন। চীন থেকে জন কেনেডি এয়ারপোর্টে এক হাজার ভেন্টিলেটর এসে পৌঁছানোর কথা জানিয়েছেন রাজ্য গভর্নর।

আমেরিকায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বিশ্বে তৃতীয় সর্বোচ্চ। শেষ খবর অনুযায়ী, দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৮ হাজার ৪৯৯ জন মারা গেছেন। সুস্থ হয়েছেন প্রায় ১৫ হাজার।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪ এপ্রিল বলেছেন, সামনের সপ্তাহে আরও খারাপ সময় আসছে। দুঃখজনক হলেও সত্যি অনেক মানুষ মারা যাবে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েই দেশের এ বিষয়ে শীর্ষ চিকিৎসক ডেবোরাহ ব্রিকস বলেছেন, পরের দুই সপ্তাহ হবে ভয়াবহ। তিনি বলেন, এখন গ্রোসারি বাজার বা ফার্মেসিতে কেনাকাটায় যাওয়ার সময় নয়। জীবন রক্ষা করার জন্য নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখতেই হবে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের সদস্য অ্যান্থনি ফাউসি বলেছেন, নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখা কাজ করছে এবং তিনি বিশ্বাস করেন পরিস্থিতির উন্নতি হবে। একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, কোনো কোনো সময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। দেশকে আবার তিনি সহসাই উন্মুক্ত করে দিতে চান।

নিউইয়র্কের বাংলাদেশি চিকিৎসক মোহাম্মদ আলম নগরীর তিনটি নার্সিং হোমে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন নামের ওষুধ দিয়ে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় সফল হয়েছেন। তাঁর এ সাফল্য নিয়ে নিউইয়র্ক পোস্ট ৪ এপ্রিল একটি প্রতিবেদনে বলেছে ৮১ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে ওষুধটি কাজ করছে।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কুইন্স, ব্রঙ্কস ও ব্রুকলিনের হাসপাতালে ঠাঁই নেই অবস্থা। একাধিক বাংলাদেশি চিকিৎসক বলেছেন অসুস্থতা নিয়ে ঘরে বসার অবকাশ নেই। অবস্থা খারাপ হলে ৯১১ কল করা, পরামর্শের জন্য যেকোনো বাংলাদেশি চিকিৎসকের সঙ্গে বাংলায় কথা বলার জন্য তাঁরা পরামর্শ দিয়েছেন। অ্যাম্বুলেন্স আসলে, ম্যানহাটনের হাসপাতালের মধ্যে কলম্বিয়া হাসপাতাল বা অন্য কোনো বড় হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেই চিকিৎসকেরা আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য বলছেন। এ রোগে মৃত্যুর হার এখনো চার পাঁচ শতাংশের নিচে। আমেরিকায় এখন এর চিকিৎসার জন্য কোনো স্বাস্থ্যবিমার দরকার হচ্ছে না। বাংলাদেশিদের মধ্যে কেউ মানসিক দুশ্চিন্তায় থাকলে bengalimentalhealth.org বা অন্য এ রকম কোনো সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

নিউইয়র্ক নগরীর শিক্ষা বিভাগ থেকে তৈরি খাবার দেওয়া হচ্ছে। যে কেউ স্কুল থেকে এসব খাবার সংগ্রহ করতে পারবেন। ঘরে খাবার সংকট থাকলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা নানা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।-প্রথম আলো

বিস্তারিত খবর

প্রতি আড়াই মিনিটে এক জনের মৃত্যু নিউ ইয়র্কে, এক দিনে মৃত ৫৬২

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৪ ০৬:৪১:০১

প্রতি মুহূর্তেই মৃত্যুর গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে নিউ ইয়র্কে। ইতিমধ্যেই সেখানে মৃত্যু হয়েছে ২৯৩৫ জনের। গত ২ থেকে ৩ এপ্রিলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫৬২ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে সেখানে। যা এক দিনে সর্বোচ্চ।  নিউ ইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো জানিয়েছেন, ওই সময়ের মধ্যে প্রতি আড়াই মিনিটে মৃত্যু হয়েছে  এক জন করোনা-আক্রান্তের।

গোটা আমেরিকার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নিউ ইয়র্কের। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত গোটা আমেরিকায় মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজারের বেশি মানুষের। তার মধ্যে ২৯৩৫ জনই নিউ ইয়র্কের। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। গোটা আমেরিকায় আক্রান্তের প্রায় অর্ধেক সংখ্যা উঠে এসেছে এই নিউ ইয়র্ক থেকেই। আমেরিকায় এই মুহূর্তে আক্রান্ত ২ লক্ষ ৭৮ হাজার। সেখানে নিউ ইয়র্কের আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ২ হাজার ৮৬৩।

এক দিকে আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে, মৃত্যুও ঠেকানো যাচ্ছে না, এমন পরিস্থিতিতে চিকিত্সা সরঞ্জামের আকাল নিউ ইয়র্কের পরিস্থিতিতে আরও সঙ্কটময় করে তুলেছে। এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুয়োমো। তিনি বলেন, অত্যন্ত সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা। এই পরিস্থিতিকে দ্রুত স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যে ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে শহরে, তাতে ভেন্টিলেশন সিস্টেমের জোগান দিয়েও কুলনো যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে দেওয়া যাবে না বলেও মন্তব্য করেন কুয়োমো।


এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে মৃত্যুর মিছিল: লাশ দাফনের জায়গা নেই!

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৪ ০৩:০৮:৪২

নিউইয়র্কে ক্রমেই বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। করোনাভাইরাস মহামারির কবলে পড়ে হাসপাতালগুলোতে এখন সারি সারি লাশ। তবে এসব লাফ দাফনের জন্য ফিউনারেল হাউসের চরম সংকট দেখা দিয়েছে।

এ ছাড়া লাশ বহনের জন্য গাড়ির সংকট দেখা দেওয়ায় হাসপাতাল থেকে লাশ দিতেও বেশ দেরি হচ্ছে। ফিউনারেল এবং গাড়ির ব্যবস্থা হলে হাসপাতাল থেকে সিরিয়াল অনুযায়ী লাশ দাফনের জন্য বা শেষকৃত্যের জন্য ছাড়া হচ্ছে।

জানা গেছ, ১ এপ্রিল সন্ধ্যা ছয়টায় জ্যামাইকার বাসিন্দা এন আনোয়ারের বার্ধক্যজনিত কারণে লং আইল্যান্ডের জুইস হাসপাতালে মৃত্যু হয়।

মরহুমের ছেলে মো. হাসান বলেন, হাসপাতালে লাশ আর লাশ। ফিউনারেল হাউস ও গাড়ির সংকটের কারণে তাঁরা লাশ দাফন করতে পারছেন না। ৬ এপ্রিল বা তার পরদিন লাশ দাফনের জন্য দিতে পারবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিরিয়াল অনুযায়ী লাশ দিচ্ছে।

মো. হাসান আরও বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হওয়া বেশ কয়েকজন বাংলাদেশির লাশ দাফনের অপেক্ষায় হাসপাতালেই আছে। ফিউনারেল হোম ও গাড়ির ব্যবস্থা হলেই হাসপাতাল থেকে লাশ আনতে যাবেন স্বজনেরা।-প্রথম আলো

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে মুখ ঢেকে ঘর থেকে বেরোনোর নির্দেশ মেয়রের

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৩ ০৩:৫৪:৪৯

নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাজিও নগরবাসীকে বাইরে যাওয়ার সময় তাদের মুখ ঢেকে যেতে বলেছেন। এমনকি এটি ঘরে তৈরি করা হলেও তা পরে বের হতে বলেছেন।

মেয়র গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘যখন আপনি বাইরে এবং অন্য লোকের কাছাকাছি যাবেন, তখন মুখ কাপড়ে ঢেকে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এটি একটি স্কার্ফ হতে পারে বা এটি আপনি বাড়িতে তৈরি যেকোনো কিছু হতে পারে, যা দিয়ে আপনার মুখ পুরো ঢেকে দেওয়া যাবে।’ ডি ব্লাজিও সার্জিক্যাল মাস্ক বা অন্যান্য মেডিকেল-গ্রেডের মাস্ক পরার বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের সতর্ক করে এ কথা বলেছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এমনিতেই এখন হাসপাতালগুলোয় এসব সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে। সেখানে যারা সুস্থ, তারা যদি সুরক্ষার জন্য এসব সার্জিক্যাল বা ক্লিনিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করে, তাহলে এসব অতি দরকারি জিনিসের সংকট আরও বাড়বে।

মেয়র ব্লাজিও বলেন, ‘আমাদের স্বাস্থ্যসেবাকর্মী ও প্রথম সারিতে থেকে যাঁরা সরাসরি হাসপাতালগুলোয় আছেন, এগুলো তাঁদের প্রয়োজন। এ সব খুবই মূল্যবান, যা এই সময়ে আমরা অনেক কষ্ট করে জোগাড় করছি।’

ডি ব্লাজিও আরও বলেন, সোমবারের মধ্যে নিউইয়র্ক নগরীর হাসপাতালগুলো করোনভাইরাস রোগীদের স্রোত সামলাতে প্রস্তুত হওয়ার জন্য রবিবারের মধ্যে নগরীর হাসপাতাল গুলিতে ৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন এন–৯৫, মুখোশ, ২ দশমিক ১ মিলিয়ন সার্জিক্যাল মাস্ক, ১ লাখ গাউন এবং ৪০০ ভেন্টিলেটর পাওয়া অবশ্যই দরকার। না হলে মানুষের সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঠেকানো স্বাস্থ্যকর্মীদের পক্ষে সম্ভব হবে না।

আমেরিকার সংক্রামক রোগ সোসাইটির ডা. অ্যাঞ্জেলা হিউলেট বলেছেন, স্কার্ফ বা মুখ ঢাকা কিছু পরে গেলে তা অন্যকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। তিনি আরও বলেন, এটি লোকদের মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত রাখতে পারে। এর জন্য একটি স্কার্ফ রুমাল বা টিস্যু–জাতীয় জিনিস এ ধরনের সংক্রমণ রোধে কাজ করবে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এনওয়াই

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে করোনায় নিহত এক হাজার ছাড়ালো

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-৩০ ১৩:৩৬:৫৪

ইতালি-স্পেনে পর বর্তমানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও নিহতের সংখ্যা বিবেচনায় সংক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট নিহতের সংখ্যা ২৪৪৩। শুধু নিউইয়র্কে নিহতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে জানায় সিএনএন। দেশটিতে মোট করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা চীনকে ছাপিয়ে বর্তমানে ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৭০জন।

নিউইয়র্কের মেয়র বিল দে ব্লেসিও সংবাদ সম্মেলনে জানান, আগামী মে মাসের মধ্যে হাসপাতাল বেডের সংখ্যা বর্তমান সময়ের তিনগুণ করতে হবে। এ সময় নিউইয়র্কের উপকূলে পাঠানো জাহাজ হাসপাতালের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অবশেষে আমাদের দেশ নিউইয়র্কবাসীদের আবেদন শুনতে পেয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রাথমিক অবস্থা করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতাকে পাত্তা না দিলেও সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, এই ভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে নিহতের সংখ্যা ১ লাখের কম হলে সেটাই হবে এক বড় সফলতা।

সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সকলকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার আহ্বান জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । যদিও এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, খ্রিস্টানদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান ইস্টার সানডের ( ১২ এপ্রিল) আগেই যুক্তরাষ্ট্রের করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৭২২৪৩৫, মারা গেছেন ৩৩৯৯৭জন।


এলএবাংলাটামইস/এলআরটি/এনওয়াই

বিস্তারিত খবর

করোনাভাইরাসে নিউইয়র্কে কমপক্ষে ১৫ বাংলাদেশীর মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-৩০ ১০:৫৯:৪৪

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নিউইয়র্ক স্টেট এবং বিশেষ করে নিউইয়র্ক শহর।

সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এক নিউইয়র্ক সিটিতেই মারা গেছে ৭৮০ জন, আক্রান্তের সংখ্যা কমপক্ষে ৩৪ হাজার।

সেফেস্ট নামে একটি সামাজিক সংগঠন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের নানা সংগঠনের বরাত দিয়ে নিউইয়র্কের সাংবাদিক লাভলু আনসার বিবিসি বাংলাকে বলেন, গত ১০ দিনে নিউইয়র্ক সিটিতে কমপক্ষে ১৫ জন প্রবাসী বাংলাদেশী মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন নারী।

এছাড়া, এক শ'রও বেশি বাংলাদেশী বিভিন্ন হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটস এলাকার কাছে এম্‌হার্স্ট নামে একটি হাসপাতালে গত সপ্তাহে এক দিনে ২৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে চারজন ছিলেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।

"হাসপাতালে বেড এবং ভেন্টিলেটর মেশিন না থাকায় অনেক রোগী অপেক্ষারত অবস্থাতে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন।"

ঐ মৃত্যুর ঘটনায় গভীর ক্ষোভ এবং শোক প্রকাশ করেছেন নিউইয়র্ক রাজ্যের গভর্নর অ্যান্ড্রু ক্যুমো।

লাভলু আনসার বলছেন, এত মৃত্যুর ঘটনায় নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কম্যুনিটিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

কেন এত বাংলাদেশী মারা গেল?

লাভলু অনসার বলছেন, নিউইয়র্কের পরিস্থিতি ভয়াবহ এবং শুধু বাংলাদেশি নয় নিউইয়র্কে অন্যান্য সব কম্যুনিটির লোকই মারা যাচ্ছে। তবে, তিনি বলেন, ১৯ মার্চ রাজ্যে লক-ডাউন ঘোষণার পর প্রথম দিকে বহু বাংলাদেশী তাকে তেমন গুরুত্ব দেননি।

"অনেক বাংলাদেশী তেমন গায়ে মাখেনি। জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকার বাংলাদেশী গ্রোসারিগুলোর বাইরে তাদের আড্ডা মারতে দেখা গেছে। একসাথে অনেক মানুষ দোকানে ঢুকে কেনাকাটা করেছেন। অনেকেই মাঝেই সচেতনতা কম ছিল অথবা বিপদ বুঝতে পারেননি।"

তিনি বলেন, "এখন দোকানগুলো একজনের বেশি লোক ঢোকাচ্ছে না। ডাক্তাররাও জানালা দিয়ে রোগীর সাথে কথা বলছেন।"

নিউইয়র্ক সিটি এবং আশপাশে কমবেশি তিনলক্ষ বাংলাদেশীর বসবাস। নিউইয়র্ক এবং নিউজার্সি - এই দুই রাজ্যে করোনাভাইরাসের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। নিউইয়র্ক রাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা রোববার ১,০০০ ছাড়িয়ে গেছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৬০হাজার।

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের এক হাজারেরও বেশি সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

সূত্র : বিবিসি

এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

করানোয় আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্কে ২৪ ঘন্টায় ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-৩০ ০১:০৪:২৯

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় নিউইয়র্কে আটজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্কে ২১ বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। দেশটিতে সর্বমোট ২৩ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৮ মার্চ মৃত্যু হয়েছে কায়কোবাদ, শফিকুর রহমান মজুমদার, আজিজুর রহমান, মির্জা হুদা, বিজিত কুমার সাহা, মো. শিপন হোসাইন, জায়েদ আলম ও মুতাব্বির চৌধুরী ইসমত। এ ছাড়া মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ড্রেটয়েট সিটি ও নিউজার্সির প্যাটারসনে দুই বাংলাদেশি নারীর মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। তাঁদের দুজনের দেশের বাড়ি বৃহত্তর সিলেটে বলে জানা গেছে।

এক দিনে করোনাভাইরাসে এত প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকে স্তব্ধ কমিউনিটিতে অনেক প্রবাসীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বাংলা সংবাদমাধ্যমের ইলিয়াস খসরু, ফরিদ আলম, স্বপন হাই ছাড়াও চিকিৎসক আতাউল ওসমানী, সাবেক ছাত্রনেতা শাহাব উদ্দিন, কমিউনিটি নেতা ফরহাদ আহমেদ চৌধুরীসহ অনেকের জন্য স্বজনেরা দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

আমেরিকায় সর্বশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২ হাজার ৪৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৪ জন। নিউইয়র্ক রাজ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত করোনায় নিউইয়র্কে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৫৯ হাজার ৬৪৮। এতে মৃত্যু হয়েছে ৯৬৫ জনের।

বিস্তারিত খবর

কভিড-১৯; মারা গেলে গ্র্যামি এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী জো ডিফি

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৯ ২৩:৫৯:১৩


প্রাণঘাতী কভিড-১৯ (করোনাভাইরাসে) আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন গ্র্যামি এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত মার্কিন সঙ্গীত শিল্পী জো ডিফি। আজ রবিবার মরণব্যাধী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ডিফির মারা যাওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন তার জনসংযোগ কর্মকর্তা। 


গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতে এমন তথ্য জানানো হয়। সেইসাথে এই বিবৃতিতে গুণী এই শিল্পীর পারিবারিক নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার বিষয়ে গুরুত্ব প্রদানের অনুরোধ করা হয়। 

এর আগে, গত শুক্রবার প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কথা জানান এই শিল্পী। একইসাথে তিনি তার সকল ফ্যানদের এই ভাইরাসটি বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। 

১৯৯৮ সালে মেরেল হ্যাগার্ড, ক্লিন্ট ব্ল্যাক এবং এমিলিও হ্যারিসের সাথে যৌথভাবে ‘সেইম ওল্ড ট্রেন’ শিরোনামের একটি সঙ্গীতের ভোকালের জন্য গ্র্যামি জিতেছিলেন এই মার্কিন শিল্পী।

তুলসার এলাকায় বসবাসকারী এই নিজের নামে 20 টিরও বেশি গান রচনা করেছিলেন। এর মধ্যে ১০টি সঙ্গীত খুবই জনপ্রিয় ছিল। সেইসাথে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে  মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ১৩ টি অ্যালবাম প্রকাশ করেন। 

/এলএ বাংলা টাইমস/

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশি অধ্যুষিত অরেঞ্জ কাউন্টিতে করোনায় আক্রান্ত ৪৩২, মারা যায় ৪ জন

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৯ ২১:০৬:৩৬



ক্যালিফোর্নিয়ার বাংলাদেশি বাঙালি অধ্যুষিত অরেঞ্জ কাউন্টিতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে  আক্রান্ত হয় মোট ৪৩২ জন। আর মরণব্যাধী এই ভাইরাসে মারা যায় মোট ৪ জন। কাউন্টির স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে এমন সংবাদ প্রকাশ করে অনলাইন পোর্টাল এবিসি৭। 


কিন্তু অরেঞ্জ কাউন্টির স্বাস্থ্য বিভাগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আজকে এই বিষয়ে কোন আপডেট দেখা যায়নি। আজ রবিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় হয়তো এমনটি ঘটেছে। 

এর আগে গত শুক্রবার অরেঞ্জ কাউন্টিতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়। এর আগ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত করা যায় নি এই কাউন্টিতে।

তাছাড়া, স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রাণঘাতী কভিড-১৯ (করোনা ভাইরাসে) লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে মারা যায় ৩৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মরণব্যাধী এই ভাইরাসে নতুন করে প্রাণ হারায় ৫ জন।

এলএ কাউন্টিতে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটিতে এখনো পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ১৩৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হন ৩৩২ জন। লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন জ্যামিতিক হারে বেড়ে চলছে।

/এলএ বাংলা টাইমস/    

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কের হাসপাতালে ঠাঁই নেই

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৯ ১৩:৩০:৫৭

আমেরিকার নিউইয়র্ক, নিউজার্সি ও কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যে আবার ভ্রমণে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ১৪ দিনের জন্য নতুন করে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

করোনাভাইরাস তীব্রভাবে ছড়িয়ে পড়ায় আগে থেকেই লকডাউনে থাকা নিউইয়র্ক ও নিউজার্সিতে ফেডারেল অবরোধের প্রস্তাব করেছিলেন প্রেসিডেন্ট। এতে রাজ্য গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৮ মার্চ সকালে তিনটি রাজ্যে ফেডারেল অবরোধ দেওয়ার কথা জানালে তিন রাজ্যের গভর্নর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। গভর্নর কুমো বলেছেন, এর মানে কী? প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন আইনগত অধিকারই নেই। এমন ঘোষণা আসলে এ তিন রাজ্যের লোকজন নিজেদের রাজ্যে আটকা পড়বে। দেশের অন্য কোথাও যেতে পারবে না।

পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর আগের অবস্থান থেকে সরে এসে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনকে (সিডিসি) এই তিন রাজ্যের ওপর করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস, ফ্লোরিডা, রোড আইল্যান্ডসহ বেশ কিছু রাজ্য গভর্নর এরই মধ্যে নিজেদের রাজ্যে বাইরে থেকে আসা লোকজনকে ১৪ দিনের স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। রোড আইল্যান্ডে নিউইয়র্কের গাড়ির নম্বর প্লেট দেখলেই আটকানো হচ্ছে। লোকজনকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

এ নিয়ে নিউইয়র্কের গভর্নর বলেছেন, আইন অনুযায়ী নিউইয়র্কের লোকজনের যাতায়াত বাধাগ্রস্ত করার এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ফেডারেল আদালতে তিনি মামলা করবেন।

বিপর্যস্ত নিউইয়র্কের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর ভাসমান হাসপাতাল পাঠিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিউইয়র্কবাসীর উদ্দেশ্যে বলেছেন, আমরা সঙ্গে আছি এবং শেষ পর্যন্ত পাশে থাকব। যুদ্ধ জাহাজটি ৩০ মার্চ ম্যানহাটনের পিআর ৯০ জলাধারে এসে পৌঁছাবে। ৩১ মার্চ থেকে করোনাভাইরাস নয়, এমন রোগীদেরও চিকিৎসা দেওয়া হবে।

জ্যাভিট সেন্টারসহ নিউইয়র্কের হোটেল, নার্সিং হোম এবং এক্সপো সেন্টারে নির্মিত অস্থায়ী হাসপাতালগুলোতে অন্যান্য রোগীদের স্থানান্তর করা হচ্ছে। নিয়মিত হাসপাতালে করোনা আক্রান্তদের স্থান সংকুলানের কারণেই তা করা হচ্ছে। সব হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স ও ফ্রিজার ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে। নিউইয়র্কের হাসপাতালে সাইরেন আর লালবাতি জ্বালিয়ে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স আসছে। মর্গের কাছে থাকা ট্রাকে ওঠানো হচ্ছে মৃতদেহ। ভীতিকর এ পরিস্থিতি দেখে হাসপাতাল কর্মীরাও স্থির থাকতে পারছেন না।

নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ২৮ মার্চ রাত পর্যন্ত ৭২৮ অতিক্রম করেছে। যা একদিন আগে ছিল ৫২৮ জনে। আগামী ২৩ জুন অনুষ্ঠিতব্য প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের প্রাইমারি নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। ওহাইও, জর্জিয়া, কানেকটিকাট, মেরিল্যান্ড, রোড আইল্যান্ড, ইন্ডিয়ানা ও কেনটাকি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাইমারি স্থগিত ঘোষণা করেছে।

আইসিইউতে থাকা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার হৃদয়বিদারক বর্ণনা দিয়েছেন নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি ল্যাংগন মেডিকেল সেন্টার অ্যান্ড বেলভিউর চিকিৎসক কামিনী দ্যুবে। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীরা খুব কঠিন সময় পার করছে। তারা বেঁচে থাকার লড়াই করছে প্রতি মুহূর্তে। কিন্তু প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে পরিবারের কারও সঙ্গে তাদের দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না।

দ্যুবে বলেন, প্রায়ই এমন দেখতে পাচ্ছি যে, একজন করোনা আক্রান্ত রোগী মৃত্যুশয্যায়, তিনি মারা যাচ্ছেন কিন্তু তার পাশে কেউ নেই। যাদের আইসিইউতে রাখা হচ্ছে, তাদের স্বজনদের ভোগান্তি দেখে খুব কষ্ট হচ্ছে। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রোগীরা তাদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে ফোনে কান্নাকাটি করছে। তাদের চোখের পানি দেখা খুবই বেদনাদায়ক। আবার এমন অনেকেই আছে যারা মৃত্যুর সময় পরিবারের কাউকেই পাশে পাচ্ছে না। এটা খুবই মর্মান্তিক।

নিউইয়র্কে গত তিন দিনে ৭৯০টি ভেন্টিলেটর শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সিটি মেয়র ও ফেডারেল সরকারের দেওয়া দুই হাজার ভেন্টিলেটরের মধ্যে প্রায় অর্ধেক বিতরণ করা হয়েছে। শহরে আরও ৬০০টি ভেন্টিলেটর সরবরাহ করা হবে। গত সপ্তাহে মেয়র বিল ডি ব্লাজিও ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে মোট ১৫ হাজার ভেন্টিলেটর চাওয়ার পর এসব আসে।

করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত আমেরিকায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৫০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আর মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২২৭ জনের। নিউইয়র্কে ৫৩ হাজার ৪৫৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আর মৃত্যু হয়েছে ৮৮৩ জনের। মৃত্যুর মিছিলের দীর্ঘ এই লাইনে বাংলাদেশিরাও আছেন। নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় ১১ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন নিউইয়র্কের অনেক সংবাদকর্মীসহ কমিউনিটির পরিচিতজনেরা। সর্বশেষ সাংবাদিক ফরিদ আলম ও আলোকচিত্রী স্বপন হাই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। স্বপন হাই কিডনি জটিলতা রোগে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন।

ফিলাডেলফিয়ার টেম্পল ইউনিভার্সিটির মেডিসিনের অধ্যাপক জিয়াউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলো উত্তর আমেরিকাকে বলেন, করোনাভাইরাস সাধারণ ফ্লু জাতীয় ভাইরাস। এই ভাইরাস ফুসফুসের অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করতে পারে।

জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, মানুষ ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার সাত থেকে ১৪ দিনের মধ্যে এই (কোভিড-১৯) রোগে আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত হলে ৮০ শতাংশের অস্বস্তিকর অনুভূতি, হালকা মাথা ব্যথা ও কাশি থাকতে পারে। তারপর ভালো হয়ে যায়। পুরো ভালো হতে ৫ থেকে ৭ অথবা ১৫ দিনও লাগতে পারে। যাদের অবস্থা গুরুতর অবস্থায় পৌঁছায় তাদের শ্বাসকষ্ট হয়। তাদের হাসপাতালে যেতে হয় অক্সিজেন নেওয়ার জন্য। পরিস্থিত আরও হলে ভেন্টিলেটর সাহায্য লাগে। তবে ১০ থেকে ১২ দিনে অনেকেই ভেন্টিলেটর থেকে ভালো হয়ে যায়। আর ১ থেকে ২ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এনওয়াই

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে প্রাইমারি নির্বাচন স্থগিত

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৯ ০৫:৪৩:৩৬

করোনাভাইরাসের কারণে নিউইয়র্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাইমারি নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

নিউইয়র্ক গভর্নর এন্ড্রু কোওমো শনিবার বলেছেন, করোনার কারণে প্রাইমারি নির্বাচন প্রায় দুই মাসের জন্যে স্থগিত করা হলো।

তিনি বলেন, আগামী ২৮ এপ্রিল প্রাইমারি নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও তা এখন পিছিয়ে ২৩ জুন করা হয়েছে।

করোনার কারণে অন্যান্য রাজ্যেও ভোট স্থগিত করা হয়েছে। তবে নিউইয়র্কে সবচেয়ে বেশিদিন ভোট পেছানো হয়েছে। অন্যান্য রাজ্যের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে করোনার ছোবলও সবচেয়ে মারাত্মক।

ভাইরাস নিয়ে প্রতিদিনের ব্রিফিংকালে কওমো আরো বলেন, আমি মনে করি না ভোটের জন্যে অনেক লোককে এক জায়গায় জড়ো করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

নিউইয়র্কে এ পর্যন্ত ৫২,৩১৮ জন করোনায় আক্রান্ত এবং এতে ৭২৮ জন মারা গেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অন্য আরো ১০টি রাজ্যে প্রাইমারির ভোট আয়োজন পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। মার্কিন অঞ্চল পুয়ের্তোরিকোতেও প্রাইমারি নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে ৫ শতাধিক পুলিশ করোনাক্রান্ত

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৮ ০৯:৫২:৩৫

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে ৫ শতাধিক পুলিশ সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। অপরদিকে আরও তিন হাজার পুলিশ সদস্যের শরীরে ফ্লুর মতো লক্ষণ দেখা দিয়েছে।
পুলিশ অধিদফতর জানিয়েছেন, এনওয়াইপিডির সদস্যদের মধ্যে ১৭৭ জন ইউনিফর্ম অফিসার। বাকিরা আছেন সাদা পোশাকে। তারা ইতোমধ্যেই পার্ক এবং রাস্তায় টহল শুরু করেছে। বাসিন্দারা উপযুক্ত সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন কিনা তা নজরদারি করার জন্য। অন্যথায় জরিমানা করা হবে।
শুক্রবার নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, তাদের ৫ শতাধিক সদস্যের শরীরে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়েছে অপরদিকে, তিন হাজারের বেশি সদস্য ফ্লুর মতো উপসর্গে ভুগছেন বলে জানানো হয়েছে।
নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মোট ৫১২ জন সদস্যের করোনার ফলাফল পজেটিভ এসেছে। এর মধ্যে ৪৪২ জন পোশাকধারী কর্মকর্তা এবং বাকি ৭০ জন বেসামরিক সদস্য।
অপরদিকে, শুক্রবার ৪ হাজার ১১১ পুলিশ সদস্যের অসুস্থতার খবর পাওয়া গেছে। অর্থাৎ ৩৬ হাজার পুলিশ সদস্যের মধ্যে ১১ শতাংশই অসুস্থ। এদের মধ্যে ৩ হাজার ১৬ জন জানিয়েছেন যে, তাদের শরীরে ফ্লুর মতো বেশ কিছু উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
এসব সদস্য জ্বর, কাশি, সর্দি এবং মাথাব্যথার মতো সমস্যায় ভুগছেন। এই একই ধরনের উপসর্গ কোভিড-১৯য়ে রয়েছে। কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও তার একই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
একটি পুলিশ সূত্র বলছে, সদস্যদের এমন উপসর্গে আক্রান্তের লক্ষণ ভালো নয়। হয়তো এদের মধ্যে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এটা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। করোনার কোনো লক্ষণ দেখা দিলে সদস্যদের বাড়িতেই অবস্থানের জন্য বলছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট। একই সঙ্গে তাদের সেলফ কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে, যেন তাদের মাধ্যমে অন্য কারো শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে না পারে।

এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে করোনায় বাংলাদেশি মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৭ ১৯:৩৪:৪৯

নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারালেন আরো একজন বাংলাদেশী। আজ ২৭ মার্চ (শুক্রবার) কুইন্সের এলমহার্স্ট হাসপাতালে বাবুল আহমেদ নামের ওই ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।(ইন্না লিল্লাহে… রাজিউন)।

জানা যায়, করোনায় মৃত্যুবরণকারী বাবুল আহমেদ জ্যাকসন হাইটসের খাবার বাড়ির মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। তিনি বাবুল ভাই নামেই কমিউনিটিতে বেশি পরিচিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৩ মার্চ (শুক্রবার) জ্যাকসন হাইটস মসজিদে শেষ জুম্মার আজান ও বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের অনেক ভাই করোনায় আক্রান্ত, সবার জন্য দোয়া করি। এই মহামারি থেকে রক্ষা পেতে সবাই নিজ নিজ গৃহে থেকে ইবাদত করবো।’আর সেই ভয়ঙ্কর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নিজেই মারা গেলেন বাঙালি কমিউনিটির সবার প্রিয় ‘বাবুল ভাই’।

এ নিয়ে নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত ১০ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে৷ সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে ৯৩ হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১ হাজার ৩৮৫ জন৷ শুধু নিউইয়র্কেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৩৫ জন এবং মারা গেছেন ৫১৯জন৷

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এনওয়াই

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কের পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৭ ০৯:৫৬:১৯

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ লাখ ছুঁই ছুঁই। মৃতের সংখ্যা এরই মধ্যে ২১ হাজার ছাড়িয়েছে। আমেরিকার অবস্থাও ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আমেরিকায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে। আমেরিকায় সবচেয়ে বাজে পরিস্থিতি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে। অঙ্গরাজ্যটিতে এরই মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ হাজার ছাড়িয়েছে। আর ২৬ মার্চ সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৩৮৫।
আমেরিকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৯ হাজার ছাড়িয়েছে। সবচেয়ে ভয়ের কথা হলো, এর প্রায় অর্ধেকই শনাক্ত হয়েছে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে, যেখানে এরই মধ্যে মৃতের সংখ্যা ৩৮৫ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬ বাংলাদেশিও।
আমেরিকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি। এর পর বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও শহরের কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের ঘরে থাকার নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে লকডাউনের ঘোষণা দেয়। নিউইয়র্ক কর্তৃপক্ষও দ্রুত এমন পদক্ষেপ নিয়েছিল। কিন্তু তাতেও ভাইরাসটির সংক্রমণ থামানো যায়নি। বর্তমানে আমেরিকায় আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছে।

এরই মধ্যে বৈশ্বিকভাবে ছড়িয়ে পড়া এ মহামারিতে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা বিচারে আমেরিকা তৃতীয় অবস্থানে চলে এসেছে। চীন ও ইতালির পরই তার অবস্থান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২৪ মার্চই সতর্ক করেছিল এই বলে যে, মহামারির পরবর্তী কেন্দ্র হতে পারে আমেরিকা। আক্রান্তের সংখ্যা বিচারে এই সতর্কবার্তা সত্য হতে চলেছে বলেই মনে হয়। মৃতের সংখ্যা বিচারে আমেরিকার বর্তমান অবস্থান ষষ্ঠ। আমেরিকার চেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ইতালি, স্পেন, ইরান, চীন ও ফ্রান্সে।
ইতালিতে মৃতের সংখ্যা এরই মধ্যে সাড়ে সাত হাজার ছাড়িয়েছে। স্পেনের অবস্থাও ক্রমে খারাপের দিকে যাচ্ছে। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৬০০ ছাড়িয়েছে। আমেরিকায় মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়ানোর কারণে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গঠিত হোয়াইট হাউসের টাস্কফোর্সের সদস্য ও মহামারি সম্পর্কিত আমেরিকার সবচেয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসক অ্যান্থনি ফাওচি ২৬ মার্চ ট্রাম্প প্রশাসনকে সতর্ক করেছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত অর্থনীতিকে সচল করার পদক্ষেপ গ্রহণের ইচ্ছা পোষণ করায় তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
অর্থনীতি সচল করা বা আমেরিকানদের দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা হচ্ছে। অঙ্গরাজ্যগুলো নিজেদের মতো করে প্রতিরোধ পরিকল্পনা তেলি করছে। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি) যেমন মানুষকে সচেতন করতে নানা কার্যক্রম চালাচ্ছে। সর্বশেষ ২৬ মার্চ দেওয়া এক বিবৃতিতে এনওয়াইপিডি জানায়, নিউইয়র্ক নগরীতে মানুষকে সচেতন করতে ৬৬০ জন পুলিশ সদস্যকে নামানো হচ্ছে। তাঁরা মানুষকে পরস্পর থেকে অন্তত ছয় ফুট দূরত্ব রেখে চলাচল করতে প্রচার চালাবেন। না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে একই সঙ্গে তাঁরা আশা প্রকাশ করে বলেন, মানুষ বুঝবে এবং কাউকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন পড়বে না বলে তাঁরা আশাবাদী। কঠোরভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা শুরু হবে ৩০ মার্চ থেকে।
এদিকে করোনাভাইরাসের আতঙ্কের কারণে নিউইয়র্ক নগরীর বাসিন্দারা জরুরি নম্বরে (৯১১) অনেক বেশি ফোন করছেন বলে জানা গেছে। এই প্রেক্ষাপটে নগরীর দমকল কর্তৃপক্ষ ‘শুধু জরুরি প্রয়োজনেই’ জরুরি সেবা নম্বর ব্যবহারের জন্য মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন। এ সম্পর্কিত বিবৃতিতে এফডিএনওয়াই বলেছে, ‘যদি শ্বাসকষ্ট, উচ্চ মাত্রার জ্বরসহ গুরুতর লক্ষণ দেখা দেয়, তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন। ৯১১-এ ফোন করবেন তখনই, যখন আপনার পক্ষে হাসপাতালে পোঁছানোটাও সম্ভব হচ্ছে না।


এম/এইচ/টি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে ৩২২ পুলিশ আক্রান্ত: প্রথম অফিসারের মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৭ ০২:০৮:৩৩

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের (এনওয়াইপিডি) ৩২২ সদস্য নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ডেনিস ডিকসন নামের এক পুলিশ অফিসার মারা গেছেন। নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের তিনিই প্রথম কোনো পুলিশ অফিসার করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন। ডিকসন দীর্ঘ ১৪ বছর সুনামের সাথে এনওয়াইপিডি ডিপার্টমেন্টে কাজ করেছেন। নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ কমিশনার ডেরমট শিয়া ফক্স-৫ কে এ তথ্য জানান।

কমিশনার আরও উল্লেখ করেছেন যে , বুধবার রাত অবধি ৩২৩৭ কর্মকর্তা অসুস্থ হয়েছেন যা স্বাভাবিকের চেয়ে তিনগুণ বেশি।
 
এদিকে, করোনায় অনেক বাংলাদেশি-আমেরিকান  বংশোদ্ভূত পুলিশ অফিসার আক্রান্ত হয়েছেন। ইতোমধ্যে মাহবুবুর রহমান জুয়েল নামের এক পুলিশ অফিসার সুস্থ হয়েও উঠছেন। হাসপাতালে সিট সঙ্কটের কারণে নিজ বাসায় জুয়েল কোয়ারেন্টাইনে আছেন। জুয়েল গণামাধ্যমকে জানান, সবকিছু মেনে চললে ৯দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবো এমনটাই চিকিৎসক বলেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা চীনকে ছাড়িয়ে গেছে।দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫ হাজারেরও বেশি এবং মারা গেছেন ১ হাজার ৩০০ জন। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন দেশটির নিউইয়র্কে। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮ হাজারেরও বেশি এবং মারা গেছেন ৪৬৬ জন।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এনওয়াই

বিস্তারিত খবর

টাইম টিভির পরিচালক ইলিয়াস খসরু অসুস্থ, দু'আ কামনা

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৬ ১৯:২৪:৩৭

নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের দফতর সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশনের পরিচালক এবং কমিউনিটির অতি পরিচিতমুখ সৈয়দ ইলিয়াস খসরু গুরুতর অসুস্থ।তিনি গত ৯ই মার্চ সোমবার থেকে নিউইয়র্কের কর্নেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর আশু রোগ মুক্তির জন্য নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি ডা.ওয়াজেদ এ খান, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম  ও সাংগঠনিক সম্পাদক রশীদ আহমদ দেশ ও প্রবাসের সবার কাছে দু'আ চেয়েছেন।

মহান আল্লাহ তা'আলা যেন সৈয়দ ইলিয়াস খসরুকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করেন।তিনি যেন কমিউনিটির মাঝে আবার ফিরে আসেন। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলের সহায় হোন।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এনওয়াই

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে করোনার ভয়াবহতা: এলমহার্স্ট হাসপাতালে ২৪ ঘন্টায় ১৩ জনের মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৬ ০১:৩০:১৬

যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার, মারা গেছেন ১৩০ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬ হাজার ৪৮, মৃত্যু ৯৪৪ জনের।

যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত ৩৯৪ জন রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬৩ হাজার ৪৭২ জন। এদের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ৪১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

দেশটির সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা নিউইয়র্কে। গত ২৪ ঘন্টায় কুইন্সের এলমহার্স্ট হাসপাতালে ১৩জন করোনায় মারা গেছেন। এনিয়ে নিউইয়র্কে সর্বশেষ ২৮৫ জনের মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, আমরা আক্রান্ত রোগী দেখে নিজেরাই আতঙ্কিত। ইমার্জেন্সি রুম, এমনকি ফ্লোরেও জায়গা নেই। নিউইয়র্কের কুইন্সে ৬ হাজার রোগী করোনায় আক্রান্ত। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সংকট দেখা দিয়েছে।

সিটি মেয়র ব্লাজিও বুধবার বিকেলে বলেছেন, শহরের অর্ধেক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফেডারেল থেকে ইতোমধ্যে সাহায্য এসেছে তবে ১ হাজার ভেন্টিলেটর এখনো প্রয়োজন।

এদিকে করোনাভাইরাস সঙ্কটে মার্কিন অর্থনীতি ও জনগণের জন্য দুই ট্রিলিয়ন ডলার প্রণোদনা প্যাকেজের একটি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে হোয়াইট হাউস এবং সিনেট। টানা পাঁচদিন উত্তেজনাপূর্ণ আলোচনার পর বুধবার এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় তারা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের আগে বিলটি এখন দেশটির প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে পাস হতে হবে।

দেশটিতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, বৈশ্বিক মহামারির পরবর্তী কেন্দ্র হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথমবার ধরা পড়ে নভেল করোনাভাইরাস। ইতোমধ্যেই বিশ্বের অন্তত ১৯৬টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। বিশ্বজুড়ে এতে আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪১৮ জন, মারা গেছেন ২০ হাজার ৯১২ জন। এছাড়া, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন মোট ১ লাখ ১৩ হাজার ৮০২ জন।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এনওয়াই

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কের ২৩৬ পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৫ ২০:০২:১৫


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ২৩৬ জন সদস্য করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়েছেন। বুধবার সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এদের মধ্যে ১৯৭ জন পুলিশ অফিসার এবং বাকি ৩৯ জন সিভিল সদস্য রয়েছেন।

পাশাপাশি দেশটির ৩ হাজার ২০০ পুলিশ অফিসার অসুস্থ যা নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের প্রায় ৯ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য দপ্তরের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী সেদেশে নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে ৪২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

বিশ্বের ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে মহামারি করোনাভাইরাস। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়েছে (২১১৭৪ জন)। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৫২০ জন। তার মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৮০৮ জন।

বিস্তারিত খবর

করোনাভাইরাসে নিউইয়র্কে একদিনে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৫ ০৩:১৮:৪৪


নিউইয়র্কে নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশি দুজন নারী ও দুজন পুরুষ মারা গেছেন। এলমাস্ট হাসপাতালে মারা গেছেন একজন পুরুষ (৬০) এবং দুজন নারী, তাদের বয়স যথাক্রমে (৭০) ও (৪২)। প্লেইনভিউ হাসপাতালে আরও একজন পুরুষ (৫৭) মারা যান। নিউইয়র্কে এ নিয়ে সাত বাংলাদেশি মারা গেলেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিউম্যান রিসোর্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বোর্ড অব ইলেকশনের সদস্য মাজেদা আক্তার বলেন, মেয়র অফিস থেকে আমাদের জানানো হয়েছে আক্রান্তদের বেশিরভাগই ট্যাক্সিচালক এবং ডেলিভারি কাজে নিয়োজিত। তাদের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হন।

তিনি আরও বলেন, আমরা যারা বাংলাদেশি কমিউনিটর উন্নয়নের জন্য কাজ করি- তাদের মেয়র অফিসে থেকে জানানো হয়েছে বাংলাদেশি মানুষের মৃত্যু সংবাদগুলো। আরও বলা হয়েছে, যেনো আমরা বাংলাদেশিদের এই ভাইরাস সম্পর্কে সতর্ক করি। বাইরে অযথা ঘোরাফেরা না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে সবাইকে।

গত ২৩ মার্চ মারা যান ৩৮ বছরের এক নারী। আগের সাপ্তাহে মারা গেছেন আরও দুই বাংলাদেশি।

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে করোনায় আক্রান্ত বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৪ ০২:৩৪:৫৫

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশি এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৪৫ জন এবং প্রাণ হারিয়েছেন ৫৮২ জন।

বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৩৩ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন তিনজন।

বিশ্বব্যাপী ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮৫৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ হাজার ৫১৪ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ২ হাজার ৬৯ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৭৬ জন চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে ২ লাখ ৪৮ হাজার ২১৪ জনের অবস্থা স্থিতিশীল এবং ১২ হাজার ৬২ জন রয়েছেন আশঙ্কাজনক অবস্থায়।

করোনা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ হাজার ১৭১ জনে। নতুন করে সাত জন মারা যাওয়ায় দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ২৭৭ জন।

ইতালিতে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৬৩ হাজার ৯২৭ জনের শরীরে। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৭৭ জনে।


বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে করোনায় আক্রান্ত ২০ হাজার, মারা গেছেন ১৫৭ জন

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২৪ ০২:৩১:৪৯

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ২০ হাজার ৯৪০ জন মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৫৭ জন মুত্যু শয্যায় আছেন।

সোমবার রাজ্যের গভর্নর এন্ড্রু কুমো এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৪১ হাজার ৫১১জন। মারা গেছেন ৪৯৯ জন।

বিস্তারিত খবর

করোনাভাইরাস: নিউইয়র্কে প্রতি ঘন্টায় একজনের বেশি রোগীর মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২২ ০৭:৪৪:৩৫

চীন থেকে ইতালি , সেই ইতালি থেকে করোনাভাইরাস যেন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভর করেছে।বিশ্বের এক দেশ থেকে আরেক দেশ প্রাণঘাতী করোনা দিন দিন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। চীনের পর ইতালিকে এই ভাইরাসটি মৃত্যুপুরী বানিয়ে ফেলছে। রোগীর সংখ্যা প্রতি মিনিটে কয়েকশত গুণ  হারে বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন অন্তত ৭ হাজার ৩০১ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ৯০০ জন। ফলে বিশ্বের মধ্যে করোনায় সর্বোচ্চ আক্রান্তের তালিকায় এখন তিন নম্বরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ।
 
গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৮৪ জন কোভিড-১৯ রোগী। এনিয়ে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪৮ জন।

দেশটির সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য নিউইয়র্কের অবস্থা আরো বেশি নাজুক। শনিবার পর্যন্ত নিউয়র্কের আক্রান্তের সংখ্যা এক লাফে বাড়িয়ে ৪৫০০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়ে সেখানে নিউইয়র্কে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে।

নিউইয়র্ক রাজ্যের গভর্নর এন্ড্রু ক্যুমো ৪০ থেকে ৮০ শতাংশের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

মরণব্যাধি এই ভাইরাসে শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত ১৪ জন রোগী মারা গেছেন এবং শনিবার ১৫জন প্রাণ হারিয়েছেন। নিউইয়র্ক পোস্ট-এর শুক্রবারের প্রতিবেদনে জানানো হয় মৃত্যুর হার ঘন্টায় ১ জনের চেয়েও বেশি। সর্বশেষ তথ্যমতে রাজ্য ৬০ জন করোনায় মারা গেছেন।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ইতোমধ্যেই নিউইয়র্কসহ বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্য অবরুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

করোনা সংকটের কারণে আগেই লকডাউন করা হয়েছিল ইলিনয়েস ও ক্যালিফোর্নিয়া। গত শুক্রবার এ তালিকায় যোগ হয়েছে কানেক্টিকাট, নিউজার্সিও। এসব এলাকার বাসিন্দাদের অতিজরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসার বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অপ্রয়োজনীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে নিউইয়র্ক। করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে শুক্রবার রাত থেকে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা সীমান্তে।

এদিন হোয়াইট হাউসে এক বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দেশটির সব গভর্নর, মেয়র ও জনগণ একসঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছেন।

আরেক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স জানিয়েছে, এক সহকর্মীর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় তিনি ও তার স্ত্রীরও শারীরিক পরীক্ষা করানো হবে। পরীক্ষার পর পেন্স দম্পতির নেগেটিভ ধরা পড়েছে।

বিস্তারিত খবর

করোনাভাইরাস: নিউইয়র্ক সিটিতে রোববার থেকে লকডাউন

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২১ ০৪:৪০:৫৭

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ককে ‘লকডাউন’ করা হয়েছে। ওষুধের দোকান, মুদির দোকানের মতো জরুরি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। কর্মচারীদের প্রয়োজনে ঘর থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিউইয়র্কে করোনাভাইরাস আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৭ হাজার ১০০ ছাড়িয়েছে। প্রতিমুহূর্তে এ সংখ্যা বাড়ছে। ২০ মার্চ (শুক্রবার) সকাল পর্যন্ত নিউইয়র্কে মৃত মানুষের সংখ্যা ৩৫।

শুক্রবার সকালে নিউইয়র্কের রাজ্য গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো লকডাউনের নির্দেশ ঘোষণা দেন। এ নির্দেশনা স্থানীয় সময় রোববার রাত ৮টা থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আদেশ লঙ্ঘনকারীদের জরিমানা গুনতে হবে।

রাজ্য গভর্নর তাঁর ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘সাধ্যের সবকিছু আমরা করেছি। একটা জীবনও যদি বাঁচাতে পারি, তাহলে খুশি হব। রাজ্যজুড়ে গ্রোসারি স্টোর, ফার্মেসি ছাড়া একান্ত জরুরি ব্যবসা-বাণিজ্য খোলা থাকবে। সব ধরনের আউটডোর কার্যক্রম, স্পোর্টস বন্ধ থাকবে। সরকারি, বেসরকারি কর্মচারীদের মধ্যে যারা জরুরি কাজে নিয়োজিত নয়, তাদের ঘর থেকে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। লন্ড্রেমেট, রেস্টুরেন্টে শুধু ডেলিভারি, পেট্রল পাম্প এবং সীমিত গণপরিবহন চালু থকবে।’

গভর্নর কুমো আশপাশের রাজ্যেও এমন ঘোষণা প্রত্যাশা করছেন। বলেন, ‘আমি সব দায়িত্ব নিজে গ্রহণ করছি। কেউ আমাকে দোষারোপ করলে করুক।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নাজুক পরিস্থিতির আশঙ্কা করছি, তবে প্রত্যাশা করছি ভালো কিছুর।’ এসব উদ্যোগ কেবলই জীবন রক্ষার জন্য বলে উল্লেখ করেন উদ্বিগ্ন রাজ্য গভর্নর।

নিউইয়র্ক নগরীতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের রাসায়নিক নিরাপত্তায় কর্মরত এক বাংলাদেশি প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, তাঁদের বিশেষ পাস ইস্যু করে রাখা হয়েছে। নগরীতে যেকোনো সময় কারফিউ জারি হতে পারে। নিউইয়র্কের মেয়র ডি ব্লাজিও ‘শেল্টার ইন প্লেস’ ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এর মধ্যে নিউইয়র্কে বার মালিকদের তিন মাসের মর্টগেজ মওকুফ ঘোষণায় কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। মর্টগেজ পরিশোধ আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। ভাড়াটে ও কর্মজীবীরা তাঁদের প্রণোদনা সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন। রাজ্য ও ফেডারেল সরকার মিলে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই প্রণোদনার আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন বলে মার্কিন গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে।

বিস্তারিত খবর

করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-২১ ০৪:০৭:১০

প্রাণঘাতি করোনা-ভাইরাসে  নিউ ইয়র্কে দুই  ও ভার্জিনিয়া এক বাংলাদেশির মারা গেছেন। শুক্রবার দিনভর এ নিয়ে নানা আলোচনা শেষে বিষয়টি সত্যতা পাওয়া যায়। অভিবাসীদের স্বর্গরাজ্য খ্যাত নিউ ইয়র্ক সিটিতে করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর প্রথমে ছড়িয়ে সামাজিক মাধ্যমে। খবরের সত্যতা যাছাইয়ে চ্যানেল টিটির সাথে অনেকে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন। কিন্তু পুরোপুরি সত্যতা নিশ্চিত না হয়ে খবরটি প্রকাশ করা যায়নি।

অবশেষে নিউ ইয়র্ক সিটিতে দু'জন বাংলাদেশি করোনায় ভাইরাস আক্রান্ত হয়েই মারা গেছেন। এমন তথ্য পাওয়া গেছে। যদিও একজনের পরিবার বলছেন হার্টের রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তাদের প্রিয়জন। কিন্তু চিকিৎসকরা তার শরীরে করোনার পজেটিভ আলামত পায়।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে ফেসবুকে। এ নিয়ে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেটেও কোন তথ্য ভান্ডার নেই। কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফায়জুন্নেসাকে ফোন করেও পাওয়া যাচ্ছে না। চ্যানেল টিটি বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত রাখে।

চিরন্তন সত্য এই যে, নিউ ইয়র্ক কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিরা আক্রান্ত হচ্ছেন প্রতিদিনই। কিন্তু খবরটি পরিবারের তরফেই গোপন রাখা হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে ভয় আর উদ্বেগ। সামাজিক ভাবে নিজেরা একঘরে হয়ে পড়ার আশঙ্কা।

অনেকে মনে করছেন, করোনা না হলেও এই সময়ে কেউ মারা গেলে তাকে ধর্মীয় প্রথানুসারে দাফন নিয়েও দেখা দিচ্ছে জটিলতা। তাই কোন কিছুই অন্যের সাথে শেয়ার করতে চাইছেন না কেউ। যদিও একেবারে পরিবারের লোকজন বিষয়গুলো জানতে পারেন।

প্রাণঘাতি কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা নিয়ে বিশ্বের সব দেশের সরকারই গোপন রাখছে বলে অভিযোগ অনেকের। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্য, সিটি ও ফেডারেল সরকার প্রতিদিনই নির্ধারিত ব্রিফিং করেন। যাতে তারা একটা পরিসংখ্যান দেন। তুলে ধরেন কতজন আক্রান্ত হলেন কিংবা কতজন মারা গেছেন অথবা সুস্থ হয়ে ফিরেছেন। যদিও সরকারি আর গণমাধ্যমের হিসেবে অনেক ব্যবধান থাকে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে খোদ আক্রান্ত ব্যাক্তি ও তার পরিবার চাইছে- বিষয়টি গোপন থাকুক।

শুক্রবার সবশেষ খবরে নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশিদের মধ্যে নতুন করে ৮ জন'সহ  আক্রান্ত ২২ গিয়ে পৌঁছেছে।  যদিও অসমর্থিত সূত্রে করোনায় আক্রান্ত হওয়া নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশির সংখ্যা আরো বেশী। এছাড়া সিটির ব্রঙ্কসের জ্যাকোবি এবং কুইেন্সর এলমার্স্ট'র মতো হাসপাতালগুলোতে বাংলাদেশিদের বাড়তি চাপও লক্ষ্য করা গেছে।

বিশ্বে মনে হয় এই প্রথম কোন রোগ, যা মানুষ প্রকাশ করতে চাইছে না। প্রকৃতির এই নির্মম বিচার কতদিন পৃথিবীতে বয়ে যাবে..... তা বলা মুশকিল! যেখানে মানুষ অসুস্থ হয়ে অন্যের কাছে দোয়া চাইতেন; সেখানে ভয়াবহ ও মহামারির আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনার ভয়াল থাবাকে লুকিয়ে রাখতে হচ্ছে। এ বাস্তব নির্মমতাকে মেন নেয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। বলা চলে- উদ্ভত পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

এদিকে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নিউ ইয়র্কে যে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে; তারা দু'জনই পুরুষ। এমনটি আমরা জানতে পেরেছি। কুইন্সের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এস্টোরিয়া বাসিন্দা একজন। প্রায় বাষট্টি বছরের ওই ব্যাক্তি বৃহস্পতিবার রাতে মারা যান বলে খবর পাওয়া গেছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ তথা হার্টের সমস্যা'সহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। তবে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।

অপরদিকে, বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্বিতীয় ব্যাক্তি মারা গেলেও তার হাসপাতাল কিংবা এলাকার কথা বলতে রাজি হননি তথ্য প্রদানকারি। কেউ কেউ বলছেন- তিনি উডসাইডের বাসিন্দা। বয়স ৪৮ বছর। তথ্য প্রদানকারি ওই ব্যাক্তি জানান, মৃতের পরিবারের তরফে বারণ আছে। তবে, তিনি করোনায় মারা গেছেন এটা সত্য। বলা হচ্ছে- রোগটির কথা বললে তাতে উক্ত ব্যাক্তির স্বাভাবিক জানাজা ব্যাহত হবে। এই আশঙ্কা থেকেই পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি প্রকাশে অনীহা।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে এক বাংলাদেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি একজন নারী বলে খবর পাওয়া গেছে।

মূলত সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এমনিতেই এখন ফ্লু সিজন। এপ্রিল (চেরি ফুল ফোটার সময়) মাস, ফলেন মাস। প্রতি বছর মার্চ-এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে 'ন্যাশনাল চেরি-ফেস্টিভ্যাল' অনুষ্ঠিত হয়। এবছরও ২০ মার্চ শুক্রবার থেকে ১২ এপ্রিল রোববার পর্যন্ত 'চেরি-ফেস্টিভ্যাল' হওয়ার কথা ছিল।

চ্যানেল টিটির সাথে আলাপকালে এক বাংলাদেশি বলেন, এসময়ে সচরাচর সকলের সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। কিন্তু বর্তমানে এমন সময় এসেছে; সাধারণ হাঁচি-কাশি আসলেও তা দেয়া যাচ্ছে না। সবাই মনে করে "করোনা ভাইরাস"! সেখানে সত্যিকারে আক্রান্ত ব্যাক্তির পরিবার তার তথ্য লুকিয়ে রাখবে- এটাই স্বাভাবিক।-চ্যানেল টিটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত