যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 04:29pm

|   লন্ডন - 11:29am

|   নিউইয়র্ক - 06:29am

  সর্বশেষ :

  চাকরি করেন স্ত্রী, ৩ বছর ধরে অফিস করেন স্বামী   দারিদ্র্য বিমোচনের গবেষণায় অর্থনীতির নোবেল   রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ৫ গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ   জেরুসালেমের গভর্নরকে ধরে নিয়ে গেছে ইসরাইলি পুলিশ   সীমান্তে স্থলমাইন স্থাপনের তথ্য অস্বীকার করেছে মিয়ানমার   দেশ থেকে ৯ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে : মেনন   ভারতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ১২ জন নিহত   প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করল আবরারের পরিবার   ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে পরোয়ানা হাইকোর্টে স্থগিত   রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড পেল ন্যাশনাল ও নেক মানি এক্সচেঞ্জ   র‍্যাব পরিচয় দেয়ার পরও নির্যাতন চালায় ভারতীয় বিএসএফ!   আল-আকসায় ইহুদিদের প্রার্থনার অনুমতি দিতে যাচ্ছে ইসরাইল   ভাইরাল আবরারের সেই ফেসবুক স্ট্যাটাস   কারাগারে অনিককে পেঠালো কয়েদিরা   সৌদি-ইরান মধ্যস্থতায় ছুটছেন ইমরান খান

>>  নিউইয়র্ক এর সকল সংবাদ

নিউইয়র্কে বিয়ানীবাজার এডুকেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট ইউএস-এর দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার কিছু সংখ্যক মেধাবী  তরুণ দ্বারা গঠিত দাতব্য সংগঠন "বিয়ানীবাজার এডুকেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট ইউএসএ"র উদ্যোগে তিন গুণীজন যথাক্রমে মরহুম হেলাল উদ্দিন, রফিকুল মুরসালিন ও হাজী তাহির আলীর মাগফিরাত কামনায় এক দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

গত ৭ই অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যায় ওজনপার্কের ফুলকলি রেস্টুরেন্টে সংগঠনের সভাপতি সুমন আহমদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ফাহিম সাকিল অপুর সাবলীল উপস্থাপনায় দোয়া মাহফিলে অতিথি হিসেবে বক্তব্য  বিশিষ্ট সংগঠক আনোয়ার হোসাইন, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফা উদ্দিন, বিয়ানীবাজার উপজেলার

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে হেইট ক্রাইমের শিকার বাংলাদেশী

 প্রকাশিত: ২০১৯-১০-০৩ ১১:২০:১৭

নিউইয়র্কের বাংলাদেশী অধুষ্যিত ওজনপার্কের ৭৭স্ট্রিটের লিবার্টি আর গ্ল্যানমোরের মধ্যে খানে গত ২রা অক্টোবর বুধবার স্থানীয় সময় রাত ২টা ৫০মিনিটের সময় হেইট ক্রাইমের শিকার হন প্রবাসী বাংলাদেশী নোয়াখালী চাটখিলের তারেক আজিজ নামের এক প্রবাসী।
তারেক আজিজ তার ডিউটি পালন করতে ৭৭স্ট্রিট আর লিবার্টির কর্ণারের ইয়ামনী গ্রোসারী থেকে মাল ক্যারি করে যখন ডেলিভারি দিতে যাচ্ছিলেন,ঠিক তখনই দুই কৃষ্ণাঙ্গ দুর্বৃত্ত পথে বাধা সৃষ্টি করে তার উপর উপর্যুপরি হামলাচালায়।দুর্বৃত্তদের আকস্মিক হামলায় মারাত্মক ভাবে আহত তিনি।তার হাউমাউ আর কান্নাকাটির শব্দ  শুনে পাশ্ববর্তী বাসার লোকজন এগিয়ে আসলে মূহুর্তের মধ্যেই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় এবং তারা তারেক আজিজের কাছ থেকে নগদ ডলার সহ তার ব্যবহৃত বাইসাইকেলটি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে পুলিশ আর ইমার্জেন্সি বিভাগের এম্বুলেন্স আসলে তাকে প্রাইমারি চিকিৎকসা শেষে হাসপাতালে নিয়ে যায়।বর্তমানে তিনি জ্যামাইকা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।তবে তার মাথায় চরমভাবে আঘাত করা হয়েছে,যার দরুন প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্থানীয় পুলিশ দুর্বৃত্তদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
উল্লেখ্য যে গত ২রা সেপ্টেম্বর ওজনপার্কের
প্বার্শবর্তী এলাকা রিচমন্ড হিল নামক স্থানে দুর্বৃত্তদের হামলায়   নিহত হন (সন্দীপের) যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি আলহাজ্ব বাবর উদ্দিনের ছেলে শাহেদ উদ্দিন (২৭)।
এছাড়াও গেল এক মাসের ব্যবধানে একই স্থানে চার চারটি হেইট ক্রাইমের ঘটনা ঘটেছে।তাতে নিরীহ চারজন প্রবাসী বাংলাদেশী  হামলার শিকার হয়েছেন।

তাই ওজনপার্কে দুর্বৃত্তদের দৌরাত্ব বেড়ে যাওয়ায় কমিউনিটিতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় কমিউনিটি চরম ভাবে শঙ্কিত। এহেন পরিস্থিতিতে অবিলম্বে দুর্বৃত্তদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন কমিউনিটি শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন যদি যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়,তাহলে বাংলাদেশী কমিউনিটির সকল জনগণকে সাথে নিয়ে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে দুর্বার গতিতে আন্দোলন গড়ে তোলারও হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেন কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ।

বিস্তারিত খবর

বিশ্বনবীর উম্মাতদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে চলার সময় এসেছে: নিউইয়র্কে ইন্টারন্যাশনাল সীরাত কনভেনশনে বক্তারা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-২৪ ০২:০০:৩৭

নিউইয়র্কে উৎসবমুখর পরিবেশে আমেরিকান মুসলিম সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত ১২তম  সীরাত কনভেনশন  সম্পন্ন হয়েছে।এবারের সীরাত কনভেনশনের প্রতিপাদ্য বিষয়  ছিল: মুহাম্মদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশ্ব শান্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতীক।পাশাপাশি মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি যৌথ প্রচেষ্টা।

গত ২১শে সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় জ্যামাইকার সুসান বি.এন্থোনী একাডেমীতে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি দু'টি পর্বে অনুষ্ঠিত হয়।প্রথম পর্বে তাসনুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও মুফতি মুহাম্মদ  আবদুল মালেক,হাফেজ রফিকুল ইসলাম ও মাওলানা মুহাম্মদ মানজুরুল করীম এর যৌথ পরিচালনায় শুরুতে কালামে হাকীম থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ মুহাম্মদ আদনান ও ক্বারী সামিদ হোসাইন।নাশিদ পেশ করেন ডাক্তার আতাউল ওসমানী ও আমজাদ কোরেশী।স্বাগত বক্তব্য রাখেন সীরাত কনভেনশনের কনভেনর ও  এমএমসির প্রেসিডেন্ট সাব্বীর আহমদ। 
 বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাউথ কুইন্স প্রিসেন্ট পুলিশের এসিসটেন্ট চীপ ডেভিড ব্যারিয়ার,স্টেট সিনেটর জন ল্যু, কমিউনিটি এপ্যেয়ার্সের ডিটেকটিভ মার্ক কুস্তা,কাউন্সিলম্যান ডোনাভান জে রিসার্ড,হাফেজ জুনাইদ আহমদ আল মাদানী, আবু সাঈদ মাহফুজ,ইমাম হাফেজ আকীব আল মাদানী, ইমাম সার্জাদ ও আখতার রহমান টিপু। প্রথম পর্বটি বিকেল পাঁচটায় থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত চলে।যা ছিল নতুন প্রজন্মের জন্য ইংলিশ পর্ব।আর বাদ মাগরিব হতে ২য় (বাংলা) পর্ব শুরু হয় চলে রাত এগারোটা পর্যন্ত।উভয় পর্বে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য সু-ব্যবস্থা ছিল।

২য় পর্বটি রাইয়ান এহসানের তেলাওয়াতের মাধ্যমে ও আলহাজ ফারুক উদ্দিনের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক ও হাফেজ রফিকুল ইসলাম।এই পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুফতি মুহাম্মদ ফারহান,জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ইমাম ও খতীব মাওলানা আবু জাফর বেগ ও আমেরিকান মুসলিম সেন্টারের উপদেষ্টা,মাওলানা শাহজাহান সিরাজী।সীরাত কনভেনশনে প্রধান আলোচকের গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন লন্ডন থেকে আগত,বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক ড.আবুল কালাম আজাদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এখন সময় পত্রিকার সম্পাদক কাজী সামছুল হক,রাইট কেয়ার মেডিকেল অফিসের সিইও ডাঃ মুহাম্মদ হোসাইন ইমরান এমডি, মুহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, নজরুল ইসলাম,শাহাদত হোসাইন,খালেদ মাসুদ,নুরুল হক, আজিজুল হক, ইবরাহীম ভুঁইয়া,বিএমএমসিসি ইসলামিক স্কুলের প্রিন্সিপাল মাওলানা রশীদ আহমদ,বায়তুল গাফফার মসজিদের ইমাম মাওলানা মাসুক আহমদ,ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ আলী,আবু তাহের মিয়া ও আবু তাহের ভুঁইয়া  প্রমূখ।

কনভেনশনে প্রধান আলোচক ড.আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিশ্ব নবীর বিশ্ব উম্মাত,ঐক্যবদ্ধ মুসলিম মিল্লাতের বিশ্ব শান্তিময় বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় মহা আয়োজন এই কনভেনশন।বর্তমান বিশ্বে রাসুল সাঃ প্রেমিক সকল উম্মাতকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একযোগে কাজ করার সময় এসেছে। কনভেনশন থেকে শিক্ষা নিয়ে বিশ্ব মানবতার নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) সহ অন্যান্য নবীদের আদর্শ অনুস্মরণ করে আগে নিজেকে সত্যিকার মুসলমান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। নবী-রাসুলগণ তাঁদের আচার-আচরণ আর ব্যবহারের গুণেই ভিন্ন ধর্মীদের মন জয় করেছিলেন। তাঁদের সেই পথ অনুস্মরণ, অনুকরণ করেই বিশ্ববাসীর কাছে ইসলামের দাওয়াতী কাজ করতে হবে।

প্রধান অতিথি বিশিষ্ট সমাজ সেবক আমীর খান বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মাঝে শান্তির ধর্ম ইসলামের দাওয়াত পৌছে দেয়াই মূলত: এই কনভেনশনের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তাই ইসলামের আদর্শ সবার কাছে পৌছে দেয়া আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। বক্তারা আরো বলেন, "বিশ্বনবীর বিশ্ব উম্মাত,ঐক্যবদ্ধ মুসলিম মিল্লাত" এই শ্লোগানকে সামনে রেখে চলার সময় এসেছে।তাই ইসলামকে মুসলমানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। ইসলামের শান্তির বার্তা সবার মাঝে পৌঁছৈ দিতে হবে।তিনি আরো বলেন, ইন্টারন্যাশানাল সীরাত কনভেনশন হচ্ছে জ্যামাইকার এএমসির দীর্ঘদিনের সোনালী স্বপ।পাশাপাশি উম্মাতের ঐক্যের সার্বজনীন প্লাটফর্ম। ঐক্যের ঠিকানায় পথহারা-দিশাহারা উম্মাতের সামনে সীরাত কনভেনশন উন্মোচন করবে ঐক্যের নতুন দিগন্ত।মহানবী সাঃ এর সীরাত আমব্রেলার নীচে মত পথ ভুলে সকল উম্মাত একাকার।

আমেরিকান মুসলিম সেন্টার কর্তৃক ১২তম ইউনাইটেড সীরাত কনভেনশন ২০১৯ সফল ভাবে সম্পন্ন করতে পারায় মহান রবের দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন।পাশাপাশি কর্তৃপক্ষ কনভেনশনে আগত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সহায়তায় ছিলেন এএমসির ইমাম মাওলানা আতাউর রহমান জালালাবাদী ও ডাইরেক্টর মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সল নওয়াজ।অনুষ্ঠান শেষে দেশ,জাতি ও বিশ্ব মুসলিমের জন্য মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও গবেষক মাওলানা ফয়সল আহমদ জালালী

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে ইন্টারন্যাশনাল সীরাত কনভেনশন শনিবার

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-১৮ ০৮:৫৭:৩৫

আমেরিকান মুসলিম সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত আসন্ন ১২তম ইন্টারন্যাশনাল সীরাত কনভেনশন ২০১৯ উপলক্ষে নিউইয়র্কের ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য,বিশিষ্ট সংগঠক হাফেজ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও ইয়র্ক বাংলা সম্পাদক মাওলানা রশীদ আহমদ পরিচালনায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য মাওলানা মানজুরুল কারীম,মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল নওয়াজ ও মাওলানা আবুল খায়ের।

ইউনাইটেড সীরাত কনভেনশনের উদ্যোক্তা হাফেজ রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, আগামী ২১শে সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেল ৫টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত সুসান বি.এন্থোনী একাডেমী আই এস-২৩৮ ( ৮৮-১৫ ১৮২স্ট্রিট,জ্যামাইকা,এনওয়াই-১১৪৩২)তে অনুষ্ঠিতব্য সীরাত কনভেনশন সার্বিক ভাবে সফলতার জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে কমিউনিটি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।এবারের সীরাত কনভেনশনের প্রতিপাদ্য হল: মুহাম্মদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশ্ব শান্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতীক।পাশাপাশি মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি যৌথ প্রচেষ্টা। আসন্ন সীরাত কনভেনশন দু'টি পর্বে অনুষ্ঠিত হবে।প্রথম পর্ব বিকেল পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত চলবে আর সেটি হবেে নতুন প্রজন্মের জন্য ইংলিশ পর্ব।আর বাদ মাগরিব হতে রাত দশটা পর্যন্ত চলবে (সাধারণ) বাংলা পর্ব।উভয় পর্বে পুরুষ ও মহিলাদের আলাদা ব্যবস্থা থাকবে।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হাফেজ রফিক বলেন, বিশ্ব নবীর বিশ্ব উম্মাত,ঐক্যবদ্ধ মুসলিম মিল্লাতের বিশ্ব শান্তি ঘোষণার মহা আয়োজনে এবার তিন হাজারের বেশী ডেলিগেটদের সুব্যবস্থা রয়েছে।কনভেনশনে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি আমীর খান।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডঃ মুফতি মুহাম্মদ ফারহান,শায়েখ তারেক মুনাওয়ার,ডঃ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ (লন্ডন),মির্জা আবু জাফর বেগ,মুফতি আবদুল মালেক আল মাদানী ও মাওলানা ইউসুফ আবদুল মাজিদ সহ আরো অনেক উলামায়ে কেরাম।একে অন্যকে দাওয়াত দিয়ে সাথে নিয়ে স্বপরিবারে দলে দলে রাসুলের মুহাব্বাতে সীরাত মাহফিলে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

মাওলানা মানজুরুল কারীম  অনুষ্ঠিতব্য সীরাত কনভেনশন সফল করার জন্য সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ইসলামের দাওয়াতে আমেরিকান মুসলিম সেন্টার কর্তৃক  ইউনাইটেড সীরাত কনভেনশন একদিন মাইল ফলক হিসেবে কাজ করবে।তাই সে ক্ষেত্রে আপনারা যারা মিডিয়াতে আছেন বা কাজ করছেন, আপনাদের সকলের সহযোগিতা সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।তাই আমরা আশা করছি সর্বদা আপনাদের কে সাথে পাবো।আপনার যারা শতব্যস্থতার মাঝেও আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আজকের সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছেন,সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।মহান আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সবাইকে দেশ,জাতি ও কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করার তাওফিক দান করুক।   

সংবাদ সম্মেলনে নিউইয়র্কের বেশ ক'টি ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে ২৭ -২৯ সেপ্টেম্বর ‘বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে’ বাণিজ্যমেলা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-১৬ ১৪:৩৫:১৭

আগামী ২৭, ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের পিএস ৬৯ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশি  ইমিগ্র্যান্ট ডে  ও বাংলাদেশ বাণিজ্য মেলা’ অনুষ্ঠিত হবে। মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রস্তাবনায় ২৫ সেপ্টেম্বরকে নিইইয়র্ক স্টেট কর্তৃক  ‘বাংলাদেশি  ইমিগ্র্যান্ট ডে’  রেজ্যুলেশন পাশ করার পর মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটকে ধন্যবাদ জানিয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর  জাতির জনক  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে এনআরবি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড । ‘বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতা ও বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য রাখবেন  প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এছাড়া বাংলাদেশ ও আমেরিকার মূলধারার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন ব্যক্তিত্ব অংশগ্রহণ করবেন।  খবর বাপসনিঊজ ।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই দিনটিকে বাংলাদেশি  ইমিগ্র্যান্ট ডে হিসেবে ঘোষণা করার জন্য এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসে নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে সিনেটর টবি এ্যান স্ট্যাভেস্কি রেজ্যুলেশন আকারে উত্থাপন করেন। উল্লেখ্য, মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের তিন বছরের প্রচেষ্টার পর এ বছর ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রস্তাবটি সিনেটে রেজ্যুলেশন আকারে পাশ হয়। রেজুলেশন নম্বর ৩২২।

গত বছরের মত এবছরও এনআরবি তিনদিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ বাণিজ্য মেলা’র আয়োজন করছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সী ২৭ সেপ্টেম্বর এই মেলা উদ্বোধন করবেন। ইতিমধ্যে এফবিসিসাই-এর সভাপতি শেখ ফাহিম, গ্রেটার নিউইয়র্ক চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মার্ক জ্যাফি, বিজিএমই এর সহ-সভাপতি আরশাদ জামাল দীপু, ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ওসামা তাসির  অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। একাত্তর টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু, দৈনিক ভোরের কাগজ এর সম্পাদক শ্যামল দত্ত, সাংবাদিক ও লেখক সুভাষ সিংহ রায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
তিনদিনব্যাপী এই মেলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্যসমাগ্রীর স্টল ছাড়াও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ও তাঁর ওপর লিখিত শ্রেষ্ঠ গ্রন্থগুলোর প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে প্রকাশিত বই ছাড়াও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে প্রকাশিত কিছু সযতœনির্বাচিত ও দুর্লভ অনেক গ্রন্থ দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
তিনদিনের অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পর্বে অংশগ্রহণ করবেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিল্পী রফিকুল ইসলাম, শমী কায়সার, মাহফুজ আহমেদ, মীর সাব্বির, তনিমা হাদী ও উদীপ্ত সাহা।  অনুষ্ঠানের কোন প্রবেশ মূল নেই। সময় ২৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা। ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বাণিজ্যমেলা সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে।

বিস্তারিত খবর

সিলেটে নদীর তীরের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে তিন বৃটিশ এমপি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-১৬ ১৪:২৯:০৭

সিলেট শহরের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদী দূষণের হাত থেকে রক্ষায় চলমান ‘ক্লিন সুরমা গ্রীন সিলেট’ প্রজেক্টে অংশ হিসেবে আবর্জনা পরিস্কার করেছেন তিন বৃটিশ সাংসদসহ কনজারভেটিব ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের ২২ সদস্যদের প্রতিনিধি দল।

সোমবার নগরীর ক্বিনব্রীজের নিচে সুরমার দক্ষিণ তীর পরিস্কার করেন তারা। এ তিন এমপি হচ্ছেন- ইংল্যান্ডের কনজারভেটিভ পার্টির পল স্কালি এমপি, কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এনি মারগারেট মেইন এমপি এবং বব ব্যাকম্যান এমপি।

প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী চলা এ অভিযানে তারা দল বেঁধে সুরমা নদী তীরের ময়লার স্তুপগুলোতে নেমে ময়লা পরিষ্কার করেন।

এসময় তারা বলেন-‘সিলেট তথা বাংলাদেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ। এখানকার তরুণ সমাজ যেভাবে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে এসেছে, তা আসলেই দৃষ্টান্তস্বরূপ। আমরাও তাদের সাথে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে এখানে অংশগ্রহণ করতে পেরে গর্বিত।’

বৃটিশ এমপিরা ভবিষ্যতেও এই প্রজেক্টের সাথে সর্বাত্মক থাকার আশ্বাস প্রদান করেন এবং তরুণদেরকে উৎসাহ প্রদান করেন। এর আগে বৃটিশ এমপিদের ক্বিনব্রীজ এলাকায় গার্ড অব অনার দিয়ে বরণ করে নেন স্কাউট সদস্যরা।

এ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ স্কাউটস রেলওয়ে ডিস্ট্রিক্ট, ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ, সাইকেল ট্রাভেলার্স অফ সিলেট, সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অফ সিলেট, রুরাল টু আরবান, অণুবীক্ষণ সহ আরো অনেক সামাজিক সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা।

“ক্লিন সুরমা গ্রিন সিলেট” প্রজেক্টের মুখপাত্রদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, গত ২১শে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর উদ্বোধনের মাধ্যমে এই দীর্ঘমেয়াদী প্রজেক্টের পথচলা শুরু হয়। প্রজেক্ট শুরুকালীন সময় থেকেই সিলেট সিটি কর্পোরেশন তরুণদেরকে সবধরনের সহায়তা করে আসছেন। এই প্রজেক্টে বৃটিশ এমপিদের অংশগ্রহণ নতুন মাইলফলক হিসেবে রচিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তারা।

বিস্তারিত খবর

সাইফুর রহমান তাঁর কর্মের জন্য গণমানুষের অন্তরে বেঁচে থাকবেন: নিউইয়র্কে স্মরণ সভায় বক্তারা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-১৬ ১৪:২৬:১৫

নিউইয়র্কে মরহুম এম সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক স্মরণ সভায় বক্তাগন বলেছেন,মরহুম এম সাইফুর রহমান তাঁর ভালো কর্মের জন্য গণমানুষের অন্তরে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল।বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী,বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম,জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য, মরহুম এম সাইফুর রহমানের দশম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে এই স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ।

 গত ১৫ই সেপ্টেম্বর রোববার রাত নয়টায় সংগঠনের সহ সভাপতি চৌধুরী সালেহ আহমদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আহবাব চৌধুরী খোকনের সাবলীল পরিচালনায় অনুষ্টিত উক্ত অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদিকা  বেবী নাজনিন, বিএনপি নেত্রী ফাতেমা সালাম,টাইম টিভির সিইও আবু তাহের,  যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ সম্রাট,সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জিল্লুর রহমান জিল্লু, কমিউনিটি নেতা মনজুর আহমদ চৌধুরী,জালালাবাদ এসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি বদরুন নাহার খান মিতা,যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আহমদ,এবাদ চৌধুরী,বাসেত রহমান,আমানত হোসেন আমান,জাবেদ উদ্দীন, সাংবাদিক এমদাদ চৌধুরী দিপু, এমদাদ রহমান তরফদার ও হাফিজ শাহবাজ প্রমুখ।এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি গিয়াস আহমদ,বিএনপি নেতা এম আর চৌধুরী, সিলেট মহানগর ছাত্রদল নেতা বুরহান উদ্দিন ও ইফতেখার আহমেদ হেলালসহ প্রমূখ।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুস সালাম বলেন,এম সাইফুর রহমান দেশের এক দূর্যোগময় মুহুর্তে দেশের অর্থনীতির হাল ধরেছিলেন এবং তাঁর দক্ষ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ তলা বিহীন জুড়ির অপবাদ গুছিয়ে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত হয়েছিলো।সাইফুর রহমান অসম্ভব দেশপ্রেমিক ও বুদ্ধিমত্তার সম্পূর্ণ একজন সাহসী মানুষ ছিলেন।তাঁর বিচক্ষণতার দরুন তাঁর সময় ব্যাংক ডাকাতি,রাহাজানি ও লুটপাট হয়নি।
তিনি আরো বলেন,দেশের কোটি কোটি টাকা আজ বিদেশে পাচার হচ্ছে,লুটপাট হচ্ছে। বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডের প্রতিটি সেক্টরে আজ দুর্নীতির সয়লাব।যদি এম.সাইফুর রহমান আজ বেঁচে থাকতেন,তাহলে দেশের এই চরম অবস্থা হতো না।সভায় সাইফুর রহমানের বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন নিউইয়র্কের বিএমএমসিসি ইসলামিক স্কুলের প্রিন্সিপাল মাওলানা রশীদ আহমদ।

বিস্তারিত খবর

নিউইর্য়কে বিএমএমসিসি ইসলামিক স্কুলের সামার সেশনের গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-০৩ ০২:২৭:৪২

নিউইর্য়কের ব্রুকলীনের বায়তুল মা'মুর মসজিদ এন্ড কমাউনিটি সেন্টারের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান "বিএমএমসিসি ইসলামিক স্কুল এর সামার প্রোগ্রাম"এর  সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী গত ৩১শে আগস্ট শনিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।সকাল দশটায় সেন্টারের হল রুমে অনুষ্ঠিত উক্ত গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএমএমসিসি ইসলামিক স্কুলের প্রিন্সিপাল মাওলানা রশীদ আহমদ।ইসলামিক স্কুলের হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ আলী আকবর এর কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা  মমতাজুল করীম ও মাওলানা ফয়জুল্লাহ মাসুম এর যৌথ উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি হিসেবে গুরুত্ব পূর্ণ বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও শিক্ষাবিদ আবু আহমদ নুরুজ্জামান।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএমএমসিসির প্রেসিডেন্ট শিক্ষাবিদ আহমদ আবু উবায়দা।স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএমএমসিসি ইসলামিক স্কুলের হিফজ বিভাগের পরিচালক হাফেজ মোশাররাফ হোসাইন।
 
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএমএমসিসির সেক্রেটারী জেনারেল মোশাররাফুল মাওলা সুজন,পিআইসি কুরআন একাডেমীর পরিচালক ইমাম শরীফ ফয়জুল্লাহ। অভিভাবকদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা হাবীবুর রহমান ও সিস্টার হিরা বেগম।শিক্ষক- শিক্ষিকাদের পক্ষ থেকে মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও হাফেজা কারীমা হাশেম। স্কুলের শিক্ষক মাওলানা আমিনুর রহমান,মাওলানা আবদুল মন্নান,হাফেজ আমানত উল্লাহ, হাফেজ রাসেল আহমদ, নাজমুস সাকিব কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আবদুস সাত্তার, স্কুলের মহিলা শিক্ষকা আলেয়া বেগম সুমি, জেসমীন আক্তার,সুফিয়া খানম সুমি,সানজিদা তাইয়্যিবা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিএমএমসিসির সাবেক প্রেসিডেন্ট আবুল ফজল ফয়সল,কুরআন একাডেমীর শিক্ষক শায়খ ইবরাহীম কামারা ও হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ মাওলানা বুরহান উদ্দীন এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও শতাধিক অভিভাবক সহ কমিউনিটির বিপুলসংখ্যক লোকজন উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে ক্লাস ভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রতিযোগীতাও অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠান সফলতার সাথে সামার সেশন শেষ করায় ক্লাস ভিত্তিক ১ম থেকে ১০ম গ্রেড পর্যন্ত এবং হিফজ শাখার দু'টি গ্রুপের মধ্যে প্রথম,দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী ৩৬জন ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সনদও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি সহ অন্যান্য  অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র ও স্কুল ব্যাগ তুলে দেন। এবারে ৩০০ জন ছাত্র-ছাত্রী উক্ত সামার সেশনে অংশ গ্রহণ করেন।পাঠ দান করেছেন অভিজ্ঞ ১৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা।সহযোগিতায় ছিলেন ৫জন স্চ্ছোসেবক।

প্রধান অতিথি  আবু আহমদ নুরুজ্জামান  বলেন, প্রবাসে ইসলামকে বুঝা বা শেখার জন্য আমাদের সন্তানদের জন্য ইসলামিক স্কুলের বিকল্প নেই। একইসঙ্গে পারিবারিকভাবেও কোরআন ও হাদিসের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিতে হবে। সামার স্কুল থেকে শিক্ষা নেয়ার পর ইসলামের মৌলিক বিষয়ের চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। শিক্ষার্থীদের খাওয়ারের ব্যপারে হালাল হারাম শিখানো হয়েছে তা তাদের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। মা-বাবাদেরও হারাম হালালের জ্ঞান থাকতে হবে, সে অনুযায়ী বাচ্চাদের খাবার পরিবেশন হবে।তিনি আরো বলেন,নতুন প্রজন্মকে আরো বেশী বেশী কুরআন-সুন্নাহর জ্ঞান অর্জনে মনোনিবেশ করতে হবে।কেননা ঐ কুরআনিক জ্ঞানই পারে মানুষকে সঠিক ও সত্য পথের পথ দেখাতে।

বিশেষ অতিথি বিএমএমসিসির প্রেসিডেন্ট শিক্ষাবিদ আহমদ আবু উবায়দা উপস্থিত অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের সকলের আরো সহযোগিতা অব্যাহত বিএমএমসিসি একদিন নিউইয়র্কের নামকরা  বিদ্যাপীঠে পরিণত হবে ইনশা আল্লাহ।তিনি বিএমএমসিসি ইসলামিক স্কুল ও কুরআন একাডেমী ফর ইয়াং স্কলার প্রতিষ্ঠান সমূহের কামিয়াবী কামনা করেন।   

প্রিন্সিপাল রশীদ আহমদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রতি বছরই ভুর্তুকী দিয়ে  ইসলামিক  স্কুল পরিচালনা করতে হয়। আমাদের একটাই উদ্দেশ্য, যেন আগামী প্রজন্ম আমেরিকায় বসেও ইসলামের আলোকে জীবন গঠন করতে পারে।তিনি অভিবাকদের উদ্দেশ্য বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে নিয়ে আসা এবং ক্লাস শেষে সঠিক সময়ে বাসায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন এবং বাচ্চাদের হোমওয়ার্কে ঠিকমতো দেখভাল করা তাতে স্কুলের শৃংখলা রক্ষা হয় সাথে সাথে মানোন্নয়ন বৃদ্ধি পায়।
তিনি বলেন, আগামী ৭ই সেপ্টেম্বর শনিবার থেকে স্কুলের অপর প্রোগ্রাম উইকেন্ড স্কুলের ক্লাস শুরু হচ্ছে। ইসলামের মৌলিক শিক্ষার জন্য উইকেন্ড স্কুলে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

অভিভাবকরা তাদের বক্তৃতায় বলেন, আমাদের সন্তানদের শিশু বয়স থেকে ইসলাম শিক্ষা দেওয়া  জরুরী। বাসার পাশে ইসলামিক স্কুল হওয়ায় আমাদের জন্য তা অনেক সহজ হয়েছে।সামার স্কুল নিয়ে তারা আরো বেশী প্রচারের উপর গুরুত্তারোপ করেন, যাতে করে সামার সেশনে মুসলিম কমিউনিটির সকল শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে সক্ষম হয়।অনুষ্ঠান শেষে স্কুল কতর্পক্ষের পক্ষ থেকে গ্র্যাজুয়েশনে আগত  সবাইকে দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হয়।

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে দুর্বৃত্তের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত, আহত ২

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-০৩ ০২:১৮:৫৭

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত। আরো দুই জন আহত হয়েছে।

আহত একজনের বাড়ি সিলেটে। তবে তার নাম জানা যায় নি।

স্থানীয় সময় সোমবার ভোররাত সাড়ে ৪টায় শাহেদ উদ্দিন নিহত হন। আরো দু’জন আহত হয়েছেন।

নিহত মো. শাহেদ উদ্দিন (২৭) যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বাবর উদ্দিনের ছেলে। আহতদের একজনের বয়স ২৮ তার বাড়ি সিলেট। অপরজন ২৭ বছর বয়েসী কৃষ্ণাঙ্গ।

নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের একজন মূখপাত্র জানিয়েছেন, রিচমন্ড হিল এলাকার ১৩০ স্ট্রিট এবং ৯২ এভিনিউতে অবস্থিত একটি নাইট ক্লাবের সামনে ভোররাত সাড়ে ৪টায় বিবাদমান দু’গ্রুপের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় শাহেদ বুকে গুলিবিদ্ধ হয় বলে পুলিশ উল্লেখ করেছে।

ঘটনার সাড়ে ৭ ঘণ্টা পর পর্যন্ত (এ রিপোর্ট লেখার সময়) কোনও দুর্বৃত্ত গ্রেফতার হয়নি। তবে পুলিশ এলাকাবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে দুর্বৃত্তদের ব্যাপারে।

এ ব্যাপারে কমিউনিটি লিডার বাশার ভূঁইয়া জানান, ঘটনায় হতভম্ব গোটা কমিউনিটি। কয়েক ঘণ্টা আগে নিহত যুবকসহ আরও অনেকে একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন। সেখান থেকেই মো. শাহেদসহ কয়েকজন বাসায় ফেরার আগে ওই ক্লাবে গিয়েছিলেন।

জানা গেছে, বাবা বাবর উদ্দিনের কন্সট্রাকশন ব্যবসা দেখাশোনা করতেন শাহেদ। তিনি ছিলেন ৫ ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয়। তার মৃত্যুতে প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৫ বছর আগে একই এলাকার একটি নাইট ক্লাবের সামনে পিটিয়ে হত্যা করা হয় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা নজমুল ইসলামকে। ঘাতকদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি হয়েছে। তবে এবারের ঘটনায় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। সকলেই আশা করছেন অবিলম্বে দুর্বৃত্তরা গ্রেফতার হবে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মো. শাহেদের ময়না তদন্ত শেষে ৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে। এরপর নিউজার্সিতে সন্দ্বীপ সোসাইটির কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

এদিকে, আহতরা জ্যামাইকা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের দুজনেরই পায়ে ও পিঠে গুলি লেগেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ আরও উল্লেখ করেছে যে, শাহেদকে হাসপাতালে নেয়ার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানান ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা এম এ বাতিন, নিউইয়র্ক বিএনপির নেতা মাহফুজুল মাওলা নান্নু এবং যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সভাপতি আবু তাহের। 

বিস্তারিত খবর

প্রবাসে কমিউনিটির চিন্তায় ও মননে সকল বাংলাদেশিরা এক এবং অভিন্ন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৮-২৩ ১৪:২৩:২৫

বাংলাদেশী আমেরিকান কালচারাল এসোসিয়েশন গত ১৮ই আগষ্ট নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের বাংলাগার্ডেন রেষ্টুরেন্টে কানাডা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক  ও প্রথম বাংলা টিভি চ্যানেল দেশে বিদেশে এর সম্পাদক ও সিইও নজরুল ইসলাম মিন্টোকে সংবর্ধিত করেছে ।মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মিন্টো ফোবানা বাংলাদেশ সম্মেলন উপলক্ষে নিউইয়র্ক এলে তাঁকে এই সম্মান জানানো হয়।

   সংগঠনের সভাপতি আব্দুল হাসিম হাসনুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আহবাব চৌধুরী খোকনের সঞ্চালনায় আয়োজিত উক্ত অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশী আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের সভাপতি মুলধারার রাজনীতিবিদ  মোহাম্মদ এন মজুমদার।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন এর সিইও আবু তাহের, আমেরিকান বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুস শহিদ, পি পি এম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন সহকারী প্রধান শিক্ষক শামসুল ইসলাম, বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশনার কাওছারুজ্জামান কয়েছ, জালালাবাদ এসোসিয়েশন এর প্রাক্তন সহ সভাপতি আব্দুল বাসির খান, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ নুরে আলম জিকু, নুরুল ইসলাম খোকন, বাংলাদেশী আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক নজরুল হক, হুদয়ে বাংলাদেশের সহ সভাপতি মোহতাসিন বিল্লাহ তোষার, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এ বি এম সালাউদ্দিন,সাপ্তাহিক জনতার কন্ঠের সম্পাদক শাখওয়াত হোসেন সেলিম, ব্রঙ্কস বাংলাদেশী এসোসিয়েশন সভাপতি এ ইসলাম মামুন, বিশিষ্ট বাউল শিল্পি কালা মিয়া, প্রাক্তন নন্দিন ফুটবলার কবির আহমদ খান,ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হাকিম, বিশিষ্ট সমাজসেবী সালেহ আহমদ চৌধুরী ও আব্দুল কালাম মনু।স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক সারওয়ার চৌধুরী।অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক এম ডি আলাউদ্দীন , প্রচার ও গণ সংযোগ সম্পাদক সোহেল আহমদ, কোষাধ্যক্ষ কবি শাহ বদরুজ্জামান রুহেল ও কার্যকরী কমিটির সিনিয়ার সদস্য আহমদ ফয়ছল ও হেলাল আহমদ, সাবেক ছাত্রনেতা আবুল কালাম, শাহ মামুন আহমদ ও আব্দুল কাইয়ুম  ।

সভায় সংবর্ধিত অতিথি নজরুল ইসলাম মিন্টো বলেন, প্রবাসে কমিউনিটির উন্নয়নে ও মননে সকল বাংলাদেশীরা এক এবং অভিন্ন। তাকে নিউইয়র্কে সম্মান জানানোর জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান কালচারাল  এসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তিনি অতি সাধারণ মানুষ ।নিজে এভাবে লোকিকতায় বিশ্বাস করেন না । প্রবাসে এসে বাংলাদেশকে ভুলে যাননি বরং নিজের মাটি ও দেশের গর্বিত  ইতিহাসকে সব সময় সবার উর্ধে তোলে ধরার চেষ্টা করেছেন ।তিনি বলেন আশির দশকের প্রারম্ভে এমন এক সময় কানাড়ায় এসেছিলেন যখন সেখানে বাংলাদেশী কমিউনিটি বলতে কিছুই ছিলো না তবে লোকজন এতোটা খারাপ অবস্থায় ছিলো কখন শবে বরাত পালন করবে কখন রোজা রাখা শুরু করবে এই নিযে মানুষের মধ্যে বেশ বিভ্রান্তি ছিলো ।এই জন্যই তিনি দেশে বিদেশে শুরু করেছিলেন ।তিনি বলেন আমি কানাডায় এসে প্রথমে ঠাকার পেছনে না দৌড়ে নিজেকে গড়ার পেছনে মনোনিবেশ করেছিলাম।তিনি দেশে বিদেশে বের করার শুরুর কথা বর্ণনা দিতে গি যে বলেন তিনি এই পত্রিকা বের করার আগে এই পত্রিকা বের করার সকল কৌশল আগে আয়ত্ব করেছিলেন ।
সভায় প্রধান অতিথি মোহাম্মদ এন মজুমদার নজরুল ইসলাম মিন্টোকে বাংলাদেশের গর্ব আখ্যায়িত করে উনার প্রবাস জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে টাইম টিভির সিইও  আবু তাহের বলেন, নজরুল ইসলাম মিন্টোর কৈশোর থেকেই তাঁর ঝোঁক ছিল সাহিত্য ও সাংবাদিকতার প্রতি।বর্ণমালা নামের সংঙ্কলন প্রকাশ থেকে সাহিত্য ও দেশ বার্তা পত্রিকার মাধ্যমে যার সাংবাদিকতা শুরু হয়েছিল।আশির দশকে আরব আমিরাতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যার ছিল বলিষ্ঠ ভূমিকা।সাহিত্য ও সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি একজন সফল প্রযোজকও।ইন্টারেক্টিভ ডিজিটাল মিডিয়ায় যার উচ্চতর ডিগ্রি রয়েছে।কানাডায় এসে যিনি দেশের সাথে টরন্টোর বাঙালি কমিউনিটির গভীর সেতু বন্ধন নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রবাসী বাংলাদেশীদের আইকন আখ্যায়িত করে বলেন, তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। নজরুল ইসলাম এবং দেশে বিদেশে প্রবাসী বাংলাদেশীর গৌরবের ইতিহাসের অংশ। তাদের বাদ দিয়ে বর্হিবিশ্বে  প্রবাসীদের গর্বের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয় ।
সভায় অন্যান্য বক্তাগণ সংবর্ধিত অতিথি মিন্টোর ভূঁয়সী প্রশংসা করে বলেন, তাঁর মতো কিছু গুনীজন ও ক্ষনজন্মা মানুষের জন্যই বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান আজ উজ্বল থেকে উজ্বলতর হচ্ছে ।অনুষ্টানে নজরুল ইসলাম মিন্টোকে সংগঠনের মনোগ্রাম সম্বলিত একটি প্লেক উপহার প্রদান করা হয়।সভায় দলমত নির্বিশেষে বিপুল মানুষের উপস্থিতি ছিলো লক্ষনীয় ।

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবক নিহত

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৮-০৬ ০৫:২৯:০৭

নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে ওজনপার্ক এলাকায় ৪ অগাস্ট ভোরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি সাদমান সাকিবের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

উডহ্যাভেন এলাকার বাসিন্দা সাকিব আমাজন ডটকমের পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার সময় ভোর রাত ৩টা ৫৭ মিনিটে সাউথ কন্ডুইট এভিনিউতে দুর্ঘটনার শিকার হন। দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়েই টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন যে, সাকিবের হুন্ডা এ্যাকোর্ড-২০০৮ গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে গেছে।
 
রাস্তায় পড়ে রয়েছে সাকিবের নিথর দেহ। পুলিশের সঙ্গে আসা এ্যাম্বুলেন্সের প্যারামেডিক্সরা প্রাথমিক পর্যবেক্ষণেই পুলিশকে জানায় যে, সাকিব বেঁচে নেই। ১০৬ প্রেসিঙ্কটের পুলিশ অফিসার এবং নিউইয়র্ক পুলিশের দুর্ঘটনা-তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, সাকিবের গাড়িটি এতটাই দ্রুতগামী ছিল যে, নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর রাস্তার পার্শ্ববর্তী একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মুহূর্তেই তা দ্বিখণ্ডিত হয়েছে।

ছিন্নভিন্ন হয়েছে গাড়ির পার্টসগুলো। লিন্ডেন বুলেভার্ডের এক্সিটে সংঘটিত এই দুর্ঘটনার পর সাকিবের লাশ নিকটস্থ ফিউনারেল হোমে নেওয়ার পর তার স্বজনকে সংবাদটি জানানো হয়েছে। তার বাবার নাম ডা. মঈনউদ্দিন।

ঢাকায় জন্ম সাকিবের গ্রামের বাড়ি ছিল ফেনীতে। সাকিব ছিলেন নিউইয়র্ক সিটিতে লাগোয়ার্ডিয়া কমিউনিটি কলেজের কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র এবং ইতিমধ্যেই এসোসিয়েটস করেছিলেন। ফুলটাইম স্টুডেন্ট হলেও পার্টটাইম কাজ করছিলেন আমাজন ডটকমে। পুলিশ জানায়, এ দুর্ঘটনায় আর কেউ হতাহত হয়নি।

বিস্তারিত খবর

বর্তমানে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে সাংবাদিকতা: নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভায় রিয়াজউদ্দিন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৭-১৭ ১২:০২:০৮

বিশিষ্ট সাংবাদিক, ঢাকাস্থ জাতীয় প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ ফেডালের সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর সাবেক সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সাংবাদিকতা কখনোই মসৃণ পথে এগুয়নি, এখনো না, ভবিষ্যতেও এগুবে না।
বর্তমানে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে সাংবাদিকতা।নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যদিয়েই সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালন করতে হবে, এগিয়ে যেতে হবে এবং সাংবাদিকতায় জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফল ঘটাতে হবে।
নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব আয়োজিত এক সভায় প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে রিয়াজউদ্দিন আহমেদ উপরোক্ত কথা বলেন।গত ১৩ জুলাই শনিবার  সন্ধ্যায় সিটির জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজা মিলনায়তনে এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সদ্য প্রয়াত বাংলাদেশের চারজন সাংবাদিক যথাক্রমে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মুক্তিযোদ্ধা ও ক্রীড়া সাংবাদিক অজয় বড়ুয়া, ক্রাইম রিপোর্টাস এসোসিয়েশন (ক্র্যাব)-এর সাবেক সভাপতি সৈয়দ আখতারুজ্জামান সিদ্দিকী লাবলু এবং হাসান আরেফিন-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।
প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং প্রায়ত চারজন সাংবাদিকদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মুনাজাত করেন ক্লাবের কার্যকরী সদস্য ও ইয়র্ক বাংলা সম্পাদক মাওলানা রশীদ আহমদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস।

পরবর্তীতে আলোচনায় অংশ নেন প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ, প্রেসক্লাবের অন্যতম উপদেষ্টা ও আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমদ, উপদেষ্টা নিনি ওয়াহেদ, মঈনুদ্দীন নাসের,টাইম টিভির সিইও এবং বাংলা পত্রিকা সম্পাদক আবু তাহের,বিশিষ্ট অভিনেত্রী রেখা আহমদ,রানার সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, ভয়েস অব আমেরিকা’র নিউইয়র্ক প্রতিনিধি আকবর হায়দার কিরণ,লেখক-সাংবাদিক এবিএম সালেহ উদ্দীন, ক্লাবের সহ সভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সিরাজুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ কাজল, বিএফইউজে’র সাবেক দপ্তর সম্পাদক ইমরান আনসারী, আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দীন সাগর, সাপ্তাহিক ঠিকানা’র বার্তা সম্পাদক মিজানুর রহমান, সাংবাদিক মঈন উদ্দিন আহমেদ ও মুজাহিদ আনসারী।

অনুষ্ঠানে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মরহুম সাংবাদিক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তিনি আপাদমস্তক সাংবাদিক ছিলেন। ছিলেন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার অ্যাঙ্করের পথিকৃত। তিনি অন্যান্য সাংবাদিকদেরও বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ৬০-এর দশক ছিলো সাংবাদিকতার স্বর্ণযুগ। ৮০’র দশকের পর সাংবাদিকতা আর সত্যিকারের সাংবাদিকতা নেই। তিনি বলেন, এখন দেশের সাংবাদিকতার অবস্থা সবাই অবগত। আমরা দেশে থেকে যা জানি না, প্রবাসীরা বিদেশে থেকে তা জানেন। আর বিভক্তি কোথায় নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ডাক্তাররাও তো আজ বিভক্ত। এই বিভক্তির জন্য দেশের রাজনৈতিক দৈন্যতাই দায়ী। দেশের রাজনীতি সহ সমাজে আজ নীতি, নৈতিকতা, মূলবোধ নেই। ফলে যা হবার তাই হচ্ছে। এর মধ্যেও এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, সকল অনৈতিকতার বিরুদ্ধে দেশের মানুষের মনে বিপ্লবের আকাঙ্খা রয়েছে। কিন্তু বিপ্লব হতে নেতা লাগে, সঠিক নেতৃত্ব লাগে। সেই নীতিবান নেতা কোথায়....?

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আইয়্যুব খানের সময় থেকেই ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনের মতো আইন বলবৎ ছিলো। ৯০-এ সেই আইনের নিবর্তনমূলক কালাকানুন বাতিল হলেও আবার বর্তমানে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে সাংবাদিকতা। সকল মহলের চাপ আর কালাকানুন চ্যালেঞ্জ করেই সাংবাদিকদের সাহসিকতার সাথে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, দুষ্টু চক্রের রাজনীতির কারণে বাংলাদেশের সাংবাদিকতা সহ সকল ক্ষেত্রেই ধ্বস নেমেছে।

মনজুর আহমদ বলেন, বাংলাদেশে বাকশাল কায়েমের সময়-ই সাংবাদিকদের মধ্যে বিভেদ-বিভক্তির সূত্রপাত হয়। যে বিভেদ-বিভক্তি আজ চরম আকার ধারণ করেছে। আর এই বিভক্তির জন্য সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনী হত্যার বিচার হচ্ছে না। 
নিনি ওয়াহেদ বলেন, আমাদের সময়ে সাংবাদিকদের মধ্যে মত-পার্থক্য ছিলো কিন্তু বিরোধ-বিভক্তি বা অসম্মান ছিলো না। সেই সাথে সাংবাদিকতায় ছিলো সততা আর সৎ সাহস। যা এখন চিন্তাও করা যায় না।  
মঈনুদ্দীর নাসের বলেন, সাংবাদিকদের বিভেদ-বিভক্তি আর লেজুরবৃত্তির কারণে সাংবাদিকরা আজ মর্যাদা পাচ্ছে না। দাবী-দাওয়ার জন্য আন্দোলন হয় না, আন্দোলনের প্রয়োজন পড়ে না। সাগর-রুনীর বিচার এখনও হয়নি।
আবু তাহের বলেন, আমাদের কাছে যারা সাংবাদিকতার আইকন তাদের মধ্যে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ একজন। রিয়াজ উদ্দিন, গিয়াস কামালদের অনুস্মরণ করেই আমরা সাংবাদিকতা শিখেছি।
মাহফুজুর রহমান বলেন, দেশের সাংবাদিকতায় আজ সম্মান নেই, সততা নেই। সাংবাদিকদের বিভক্তি পেশার মর্যাদা ক্ষুন্ন করছে। 
অনুষ্ঠানে বক্তাদের আলোচনায় বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক তোফজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, এবিএম মুসা, নির্মল সেন, আনোয়ার জাহিদ, আতাউস সামাদ, গিয়াস কামাল চৌধুরী, কামাল লোহানী প্রমুখের পেশাদারিত্বপূর্ণ কর্মকান্ডের কথাও উঠে আসে এবং তাদের আদর্শ অনুস্মরণের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা সদস্য প্রয়াত সাংবাদিকদের স্মৃতি চারণ করে তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. ওয়াজেদ এ খান তার বক্তব্যে দেশে স্বাধীন সাংবাকিতার পাশাপাশি ন্যায় বিচার, আইনের শাসন, মানবাধিকার আর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবী জানান। 
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ হোসেন খান, কমিউনিটি অ্যক্টিভিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার ফরহাদ, সাপ্তাহিক জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ সহ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর সরকার, বাংলা ভিশন-এর নিউইয়র্ক প্রতিনিধি নিহার সিদ্দিকী, ফটো সাংবাদিক এ হাই স্বপন ও শাহ জে চৌধুরী এবং কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট হুমরান আনসারী ও ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

বিস্তারিত খবর

শুক্রবার থেকে নিউইয়র্কে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী বাংলা বইমেলা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৬-১১ ১৪:৪১:০৭

আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হবে চারদিন ব্যাপী ২৮তম নিউইয়র্ক বইমেলা। নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের পিএস ৬৯ স্কুলে মেলা চলবে ১৪ থেকে ১৬জুন। চতুর্থ দিন মেলা আয়োজন করা হয়েছে স্কুলের পাশে অবস্থিত জুইশ সেন্টারে । এবারের মেলায় চিকিৎসক ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব ওয়ালেদ চৌধুরী এবং  লেখক ও গণমাধ্যম ব্যাক্তিত্ব ফরিদুর রেজা সাগরকে আজীবন সম্মাননা জানানো হবে। মেলায় গান গাইবেন রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। মুক্তধারা ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই মেলা সবার জন্য বিনা প্রবেশ মূল্যে খোলা থাকবে সকাল ১১টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত।

নিউইয়র্ক বইমেলার আহ্বায়ক ড. নজরুল ইসলাম বলেন, মেলায় ভারত-বাংলাদেশের লেখক ও প্রকাশনী সংস্থা যেমন থাকবে তেমনী থাকবে  ¯^রচিত কবিতা, কবিতা আবৃত্তি, সাহিত্য আলোচনা ও নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনসহ, লেখক-প্রকাশ-পাঠকদেও নিয়ে নানান আয়োজন।  সৈয়দ আবদুল হাদীর কন্যা তনিমা হাদী ছাড়াও প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা গান গাইবেন। থাকবে শাড়ি-গহনার স্টল। সব কিছু দিয়ে আমরা চেষ্ঠা করেছি বই কেন্দ্রীক প্রবাসী বাঙালিদের একটি উৎসবায়োজন করতে।

মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, জীবনে বই মননে বই হলো আমাদের ২৮তম বই মেলায় ¯েøাগান। আমরা চাই বাংলা বইয়ের প্রসার হোক সারা বিশ্বব্যাপী। মানুষের জীবনে ও মননে ভালো বইয়ের প্রভাব পড়–ক। আমরা বছর ধরে সবাই মিলে চেষ্ঠা করি ভালো সব বইয়ের প্রকাশনী যেনো এই মেলায় উপস্থিত থাকে। মানুষ যে সকল লেখকদেও ভালোবাসে আমরা চেষ্ঠা করি তাদের মেলায় উপস্থিত করতে। আমেরিকার বিভিন্ন স্টেটসহ অন্যান্য দেশে  আমাদেও অনুকরনে বই মেলার আয়োজন করছেন। আমাদেও সহযোগীতা চেয়েছেন, আমরা বইয়ের প্রসারের জন্য তাদেও সহযোগিতা করতে পারছি। আমি মনে করি এটা আমাদের একটি বড় অর্জন।

মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও বিশ্বজিত সাহা বলেন, লেখক ও সম্পাদক আবুল হাসনাত, সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির, লেখক ও কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব, লেখক ও সাংবাদিক আনিসুল হকসহ আরো অনেকে ইতো মধ্যে নিউইয়র্ক এসে পৌঁছে গেছেন। লেখক সেলিনা হোসেন, কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী, সাজ্জাদ শরীফ, বিমল গুহ, জাফর আহমদ রাশেদসহ আরো লেখন মেলায় আসবেন বলে  আমাদের নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতকি উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, ভারপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক সচিব ড.মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন , নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেসা মেলায় অথিতি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

বিস্তারিত খবর

হতাশা কমাতে নিউইয়র্কে ‘পানচিং ব্যাগ’ স্থাপন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৫-৩১ ১৪:৩০:৪৯

প্রতিদিনের কাজ ও নানা ধরনের চাপে হতাশ হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আর এই হতাশা থেকে অনেকেই বিচিত্র আচরণ করেন। বিশেষ করে হতাশা থেকে বন্ধু বা প্রতিবেশীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন অনেকেই।

আর এই সমস্যা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ম্যানহাটনজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে ‘পানচিং ব্যাগ’ (ঘুষি দেয়ার ব্যাগ)। দেশটির একটি ডিজাইন স্টুডিও হলুদ রঙয়ের এসব ব্যাগ স্থাপন করেছে যেন নিউইয়র্কবাসী স্বাস্থ্যকর উপায়ে তাদের হতাশা দূর করতে পারে।

ডোন্ট-টেক-দিস-দ্য-রং-ওয়ে নামের ওই স্টুডিওটি জানিয়েছে, নিউইয়র্কবাসীরা তাদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। এরই মধ্যে অনেকেই নাকি পানচিং ব্যাগে নিয়মিত কিল-ঘুষি মারছেন যেন তাদের হতাশা দূর হয়।

গত মাসে ‘গ্যালাপ পোল’ নামের একটি সমীক্ষায় দেখানো হয়েছে, বিশ্বের সব মানুষের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষরা সবচেয়ে বেশি হতাশায় থাকে। ওই সমীক্ষায় দেখানো হয়েছে, গত এক দশকে আমেরিকার নাগরিকদের রাগ, চাপ ও উদ্বেগ সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৫৫ শতাংশ প্রাপ্ত বয়স্ক দিনের বেশিরভাগ সময়ে চাপ অনুভব করেন যেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ৩৫ শতাংশ প্রাপ্ত বয়স্ক এই অবস্থার মধ্যে থাকেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ শতাংশ নাগরিক প্রতিদিন উদ্বেগ অনুভব করেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ হলো ৩৯ শতাংশ।

অর্থাৎ সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে বেশ হতাশা বিরাজ করছে বলেই উল্লেখ করা যায়। আর এজন্য পানচিং ব্যাগ স্থাপনকেও সময়োপযোগী বলছেন অনেকেই।

বিস্তারিত খবর

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৪-১৯ ১২:১৮:৫৩

গত ১৭ এপ্রিল যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক ‘মুজিবনগর দিবস’ উদযাপন করা হয়। দিবসটির সূচনা করা হয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এরপর মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদসহ এ সরকারের সকল নেতৃবৃন্দের স্মৃতির উদ্দেশ্যে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অত:পর দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শুনানো হয়।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ প্রদত্ত বক্তব্যে মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য ও ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্্রকাননে ১৭ই এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে, আর সেদিন থেকে এই স্থানটি পরিচিতি পায় মুজিবনগর নামে। মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও আইনগত ভিত্তি স্থাপনে এই সরকারের কোন বিকল্প ছিল না মর্মে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ।

রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, “মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছে, এবং সরকার ব্যবস্থাপনাও সূচারুরূপে পরিচালনা করেছে। এমনকি আয়-ব্যায়ের হিসাব পর্যন্ত রেখেছে। মুজিবনগর সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলা করে বিশ্ব জনমতকে পক্ষে আনা যা তারা অত্যন্ত সফলতার সাথে করতে পেরেছে”।
 তিনি নতুন প্রজন্মের মাঝে মুজিবনগর সরকারের ইতিহাস, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও তাৎপর্য তুলে ধরার আহ্বান জানান। প্রবাসী বাংলাদেশীগণ এবং মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারি বাংলাদেশে গমনকালে যেন তাদের সন্তানদের এই ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করান সে মর্মে অনুরোধ জানান স্থায়ী প্রতিনিধি।
তিনি বলেন, “জাতির পিতা এবং জাতীয় চার নেতা যে শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তবায়নে আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে যাবো এবং জাতিসংঘের প্রতিটি স্তরে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করব, মুজিবনগর দিবসে এই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা”।
মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারিগণও আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। আলোচনা পর্ব শেষে মুজিবনগর সরকারের প্রয়াত সকল সদস্য, জাতীয় চার নেতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদ এর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

কবি আল মাহমুদ কর্মগুণে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন: স্মরণ সভায় অধ্যাপক মতিউর রহমান

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৩-১৬ ১৫:২৯:৪৮

বিশিষ্ট শিক্ষাবীদ, গবেষক ও লেখক এবং অধ্যাপক মুহাম্মদ মতিউর রহমান বলেছেন, বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য, স্বাধীনতা, বাংলাদেশ আর দেশের মা-মাটির সাথে মিশে রয়েছেন কবি আল মাহমুদ। তাঁর কর্মগুণেই তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন। তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর সাহিত্য রচনার জন্যই তিনি অমরতœ লাভ করবেন। তাঁকে উপেক্ষা করার কোন সুযোগ নেই। আর কেউ তাঁর সাহিত্যকে ছুঁতে পারবে না। কবি আল মাহমুদ, আল মাহমুদই। 
সম্প্রতি প্রয়াত কবি আল মাহমুদ স্মরণে রাইটার্স ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মুহাম্মদ মতিউর রহমান উপরোক্ত কথা বলেন। উল্লেখ্য, তিনি ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন, ঢাকা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং এশিয়া ইউনিভার্সিটি’র বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান। খবর ইউএনএ’র। 
সিটির জ্যাকসন হাইটসের কাবাব কিংরেষ্টুরেন্টের পার্টি হলে গত ১৪ মার্চ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত কবি আল মাহমুদ স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ফোরামের সভাপতি হাফেজ আব্দুল্লাহ আল আরিফ। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন এখন সময় সম্পাদক কাজী সামসুল হক, সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও অবু তাহের, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ও নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি ডা. ওয়াজেদ এ খান এবং ইমাম মওলানা মাহমুদ জাকারিয়া। অতিথিবৃন্দ ছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক নূরুল ইসলাম, ড. ওমর ফারুক, সিনিয়র সাংবাদিক মইন উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার ফরহাদ, লীগ্যাল নেটওয়ার্ক-এর প্রেসিডেন্ট জ্যাকব মিলটন, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম ও সাবেক সাধার সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
রাইটার্স ফোরাম অব নর্থ আমেরিক’র সাধারণ সম্পাদক রশীদ আহমদের সঞ্চালনায় স্মরণ সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ আলী আকবর এবং নাশীদ পরিবেশন করেন মোহাম্মদ ইয়াসীন। এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফোরামের সহ সভাপতি নইমুদ্দীন।
সভায় কবি আল মাহমুদ স্মরণে কবিতা আবৃত্তি করেন অধ্যাপক নূরুল মোস্তফা রইসী, নিলুফার রেজা, ওবায়দুল্লাহ মনসুর, নীরু নীরা, এম সারোয়ার প্রমুখ।
সভায় বক্তারা কবি আল মাহমুদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তিনি বাংলা সাহিত্যের উজ্জল নক্ষত্র, আধুনিক কবিদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, সাহসী সম্পাদক, ঈমানদার মানুষ। ছিলেন দেশপ্রেমকি মানুষ। তার তুলনা তিনি নিজেই। তিনি শুধু বাংলাদেশেই নন, ভারতের কলকাতাতেও শ্রদ্ধার মানুষ। তাঁর মতো করে ‘সোনালী কাবিন’ আর কেউ রচনা করতে পারবেন না। বাংলা ভাষা আর সাহিত্য যতদিন থাকবে, কবি আল মাহমুদ ততদিন বেঁচে থাকবেন। তাঁর সাহিত্য সৃষ্টি অনাদিকাল জাগ্রত থাকবে। বক্তারা বলেন, কবি আল মাহমুদ একমাত্র কবি-মুক্তিযোদ্ধা যিনি রণাঙ্গনে সরাসরি অংশ নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ সম্মাণ না পাওয়ারও সমালোচনা করেন কোন কোন বক্তা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, ইসলামী জাগণের কবি ফররুখ আহমদ আর কবি আল মাহমুদরা একই সূত্রে গাঁথা। তাঁদেরকে দাবিয়ে রাখতে নানাভাবে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে, কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হননি। কবিরা তাদের কর্মগুণে জয়ী হয়েছেন, জনগণের মনে স্থান করে নিয়েছেন। রবি-নজরুলের সাথে আল মাহমুদের নামও বাংলা সাহিত্যে উজ্জল থাকবে।   
সভায় বক্তারা বলেন, দলমত-নির্বিশেষে দেশের সকল গুনীজনকে শ্রদ্ধার সাথেই স্মরণ করতে হবে। কে কোন দল বা মতের সেটা বড় কথা নয়, যোগ্য লোককে যোগ্য সম্মান দেয়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। আর সকল ক্ষেত্রেই রাজনীতি টেনে আনার সংস্কৃতি ভুলে যেতে হবে। সকল নিয়ম, অন্যায়, অবিচার আর অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কবি আল মাহমুদের মতো কবিদের চেতনায় বাংলাদেশ আর দেশের মানুষ আবার জেগে উঠবে বলেও বক্তারা প্রত্যাশা করেন।
সভায় অধ্যাপক মুহাম্মদ মতিউর রহমান কবি আল মাহমুদের সাথে পরিচয়-সম্পর্ক আর থাকা-খাওয়ার স্মৃতি চারণ করে বলেন, আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কবি। দেশের সকল পর্যায়েই তাঁর বিচরণ ছিলো। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতদৈনতা থাকবে। তারপরও সবাইকে সঠিক পথে চলতে হবে, সত্যটাকে মেনে নিতে হবে। তিনি বলেন, কোরআন ছাড়া সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি হতে পারে না। মতবেধ নয়, যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য সম্মান দিয়ে ঐক্যের ভিত্তিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কেননা, ঐক্যর মধ্যেই সমৃদ্ধি।
প্রসঙ্গত তিনি প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃত বিকাশে প্রবাসীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চা অব্যাহত রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দুবাইতে ২০ বছর তার চাকুরী জীবনে বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি ১৯৯০ সাল থেকে বাংলা সাহিত সম্মেলন ও বাংলা পুস্তক প্রদর্শণী আয়োজনের কথা তুলে ধরে বলেন, দুবাইতে আয়োজিত প্রবাসের প্রথম সাহিত্য সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন কবি আল মাহমুদ।
সভায় রাইটার্স ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র পক্ষ থেকে অধ্যাপক মুহাম্মদ মতিউর রহমান-কে প্ল্যাাক প্রদান করা হয়। এর আগে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। সবশেষে বিশেষ দোয়ার মধ্য দিয়ে কবি আল মাহমুদের বিদেহী আতœার মাগফেরাত কামনা করা হয়।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আর্থিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি নিউইয়র্ক সিটি

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৩-১০ ১৫:০৫:০২

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর ঋণ পরিশোধে অক্ষম হয়ে উঠছে বলে খবর দিয়েছে দেশটির নিউইয়র্ক পোস্ট পত্রিকা। এর অর্থ সম্পূর্ণ দেউলিয়া হতে চলেছে শহরটি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রায় ৪০ বছর আগে আব্রাহাম বিম মেয়র থাকাকালীন নিউইয়র্ক এমন অবস্থায় পড়েছিল।

খবরে বলা হয়, ঋণের চাপে জর্জরিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ নাগরিকরা দলে দলে শহর ছেড়ে পালাচ্ছেন। শহরটির সরকারি ব্যয় হয়ে উঠছে আকাশচুম্বী।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সর্বাত্মক আর্থিক বিপর্যয়ের খুব কাছেই রয়েছে নিউইয়র্ক।

গড়ে শহরটির প্রতিটি বাড়ির দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ ৮১ হাজার ডলারেরও বেশি। মেয়র ডি ব্লাসিও নতুন বাজেটে বর্তমান বাজেটের (৮৯.২ বিলিয়ন) তিন বিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করতে চাইছেন।

অর্থনৈতিক যোগাযোগ সংস্থা ভেস্টেড’র প্রধান অর্থনীতিবিদ মিল্টন এজরাটি বলেন, ‘শহরটা বাজেট ঘাটতিতে আছে এবং অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিলে এটা খুবই কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে। কর সমন্বয় করার কারণে আরও বেশি মানুষ শহর ছেড়ে চলে গেলেও একই অবস্থা হবে।’

‘নিউইয়র্ক ইতোমধ্যেই খুব কঠিন অর্থ সঙ্কটে আছে। কিন্তু, কোনো ধরনের বিরূপ পরিস্থিতি দেখা দিলে একেবারে অসম্ভব অবস্থা তৈরি হবে,’ সতর্ক করেন তিনি।

নিউইয়র্ক পোস্ট জানায়, ডি ব্লাসিও ২০২০ সালের প্রাথমিক বাজেটে অর্থ বাঁচানোর বিভিন্ন পদ্ধতি অন্তর্ভূক্ত করেছেন। কিন্তু, অর্থ ব্যবস্থায় মন্দার মতো কোনো ধাক্কা লাগলে রক্তক্ষরণ কেউ ঠেকাতে পারবে না বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা অর্থনৈতিক মন্দাও আসন্ন বলে মনে করছেন।

আরও যেসব চমকপ্রদ সূচক নিউইয়র্কের দেউলিয়া হওয়ার শঙ্কা নির্দেশ করছে, সেগুলো হলো—

— নিউইয়র্ক রাজ্য ও শহর ঋণের বোঝার দিক থেকে পুরো দেশের মধ্যে এক নম্বর।

— প্রপার্টি ট্যাক্স শহরটির মোট আয়ের প্রায় অর্ধেক। শহরটির অন্যান্য আয়ের উৎসের তুলনায় এই ট্যাক্স দ্রুততর গতিতে বাড়তে থাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ির মালিকরা কম ট্যাক্স লাগে এমন রাজ্যগুলোতে চলে যাচ্ছেন।

— নিউইয়র্কে সবচেয়ে বেশি আয় করেন এমন ১ শতাংশ মানুষ ট্যাক্স থেকে শহরটির যা আয় হয়, তার অর্ধেক দিয়ে থাকেন।

আমেরিকান ইন্সটিটিউট ফর ইকোনমিক রিসার্চের অর্থনীতিবিদ পিটার সি আর্ল মনে করছেন, নিউইয়র্ক পুরোপুরি দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে।

‘এমন অবস্থায় ঋণদাতারা শহরটিকে সাময়িকভাবে রক্ষা করলেও, নতুন ঋণ নেয়া এর জন্য কঠিন হয়ে পড়বে,’ যোগ করেন তিনি।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ওবায়দুল কাদেরের রোগমুক্তি কামনায় যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের দোয়া

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৩-০৭ ১২:৫৫:৪৯

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু বিষয়ক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি’র আশু রোগমুক্তি কামনায় যুক্তরাস্ট্র আওয়আমী লীগ এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন দোয়া মাহফিল করেছেন। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য আওয়ামী লীগের উদ্যোগেও অসুস্থ ওবায়দুল কাদেরের সুস্থতা কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।  উল্লেখ্য, মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত ১ মার্চ শনিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা নেওয়ার পর ডাক্তারের পরামর্শে আরো উন্নতি চিকিৎসার জন্য ৪ মার্চ সোমবার সিঙ্গাপুরের মাউথ এলিজাবেথ হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে বলে সর্বশেষ খবরে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র আ. লীগ: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের রোগমুক্তি কামনায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। গত ৪ মার্চ সোমবার জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে এই মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আকতার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিল পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ। এসময় দোয়া পরিচালনা করেন মওলানা ছয়ফুর আলম সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে সৈয়দ বসারত আলী, মাহবুুরর রহমান, সামসুদ্দিন আজাদ, লুৎপূল করীম, ডা. মাসুদুর রহমান, আইরীন পারভীন, আব্দুল হাসিব মামুন, মহিউদ্দিন দেওয়ান, হাজী এনাম, আবুল কাশেম, সরাফ সরকার, সোলায়মান আলী, জাহাঙ্গীর আলম, রফিকুল ইসলাম, হাজী মফিজুর রহমান, শেখ আতিকুল ইসলাম, শাহাদৎ হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোহাম্মদ সাখাওয়াত বিশ্বাস, যুবলীগ নেতা তরিকুল হায়দার চৌধুরী, শ্রমিক লীগ নেতা আজিজুল হক খোকন ও জুয়েল আহমদ সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী অংশ নেন।
এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবার: যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী পরিবারের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের আশু রোগ মুক্তি কামনা করে মহান আল্লাহতালার নিকট  দোয়া মহফিল ও বিশেষ প্রার্থনা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই নিজ নিজ ধর্মানুসারে তার খুব তাড়াতাড়ী তার সুস্থতা চেয়ে জনগনের মাঝে ফিরে পাওয়ার আশা ব্যক্ত করেন।

গত ৪ মার্চ সোমবার জ্যাকসন হাইটসের ইত্যাদি রেষ্টুরেন্টের পার্টি হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ড. প্রদীপ কর, তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী ও সাইফুল ইসলাম রহিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহিম বাদশাহ সহ আওয়ামী লীগ নেতা শরীফ কামরুল হীরা, কায়কোবাদ খান, আশুক মাসুক, ইলিয়ার রহমান, আহমদ মোস্তফা পারভেজ, সাদত হোসেন, ওয়ালী হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের  দরুদ মিঞা রনেল, নাফিসুর রহমান তোরান, যুবলীগের সেবুল মিয়া, রিন্টু লাল দাস এবং শ্রমিকলীগের মনজুর চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের জনসংযোগ সম্পাদক কাজী কয়েছ আহমদ এবং দোয়া পরিচালনা করেন তোফায়েল চৌধুরী ও বিশেষ প্রার্থনা করেন ড. প্রদীপ কর।

নিউইয়র্ক মহানগর আ. লীগ: মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দ্রুত আরোগ্য কামনায় নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩ মার্চ রোববার জ্যাকসন হাইটসের তিতাস রেষ্টুরেন্টের পার্টি হলে এই দোয়ার আয়োজন করা হয়। এতে দোয় পরিচালনা করেন ইমাম কাজী কাইয়্যুম। এসময় দলীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে জাকারিয়া চৌধুরী, মাসুদ হোসেন সিরাজী, হাজী আব্দুল কাদের মিয়া, আওয়ামী নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন, নুরল আমিন বাবু, মোহাম্মদ আলমগীর উদ্দীন, সুব্রত তালুকদার, মাহফুজুল হক হায়দার, সুমন মাহমুদ, এটিএম মাসুদ উপস্থিত ছিলেন।
আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ: এছাড়াও পৃথক এক বিবৃততে ওবায়দুল কাদেরের আশু রোগ মুক্তি কামনা করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ সম্পাদক মোহাম্মদ সাখাওয়াত বিশ্বাস। বিবৃতিতে তিনি ওবায়দুল কাদেরের জন্য স্ব স্ব অবস্থান থেকে দলীয় সকল নেতা-কর্মীদের দোয়ার ব্যবস্থা করার জন্যও বিশেষভাবে অনুরোধ জানান। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাংবাদিক মশিউরের মায়ের মাগফেরাত কামনায় দোয়া

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-২৮ ১৩:৫৯:২৩

বৃহত্তর লাকসাম ফাউন্ডেশন ইউএসএ ইনকের সিনিয়র সহ সভাপতি মো: মশিউর রহমান মজুমদারের মাতা প্রয়াত মাসুমা আক্তারের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় গত শনিবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস্ এ খাবার বাড়ি পালকি সেন্টারে বৃহত্তর লাকসাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আব্দুল জলিল তিতুমীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে মরহুমার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ফখরুল ইসলাম মাছুম। এতে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আক্তরুজ্জামান, বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো: রুহুল আমিন সিদ্দিকী, সংগঠনের অন্যতম কার্যকরী সদস্য এবিএম হুমায়ন কবির। দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি সদস্য সাদি মিন্টু ও আজাদ বাকির, ফাউন্ডেশনের সাবেক সেক্রেটারি নূরে আলম, ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা , বিশিষ্টজন এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি ।

দোয়ার পূর্বে মাওলনা মাছুম বলেন, প্রত্যেক মানুষ মরণশীল। জন্ম গ্রহন করলেই মরতে হবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে পৃথিবীতে প্রেরণ করছেন তাঁর বন্দিগি করার জন্য। দুনিয়াতে সকল কাজের হিসাব আল্লাহর দরবারে দিতে হবে। তিনি বেশী বেশী আল্লাহ বির্ধিবিধান পালন করার গুরুত্বোরাপ করেন বলেন, দুনিয়ার স্বল্প সময়ে আল্লাহর ইবাদত করতে পারলেই আখেরাতের অনন্ত জীবন সুন্দর ও সুখী হবে। তিনি মশিউরের মায়ের রুহের মাগফেরাত ও জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান প্রদানসহ বিশ্বশান্তি কামনা করে।

দোয়া মাহফিলের ঢাকায় অগ্নিকান্ডে নিহতদের জন্য ও দোয়া করা হয় ।

উল্লেখ্য, প্রয়াত মাসুমা আক্তার নিউইয়র্কে খবর ডট কম এর সহযোগী সম্পাদক এবং USBD Group এর প্রতিষ্ঠাতা মো: মশিউর রহমান মজুমদারের মাতা। তিনি গত ২২ জানুয়ারি ৮২ বছর বয়সে কুমিল্লার লাকসাম থানার শানিচোঁ গ্রামে  বার্ধক্যজনিত রোগে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহির....রাজিউন) ।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জামাইকায় দূর্বৃত্তের গুলিতে নিজ বাসায় বাংলাদেশী খুন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-২৮ ১৩:৪৬:০৬

নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের সাইথ জামাইকায় রেজওয়ান কিবরিয়া নামের এক বাংলাদেশী নিজ বাসায় হত্যার শিকার হয়েছেন। ২৬ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। তার হত্যার সঠিক কারণ জানা না গেলেও আর্থিক লেনদেনে বা দেনা-পাওনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। সিটি পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। নিজ বাসায় রেজওয়ান কিবরিয়া খুনের ঘটনায় বাংলাদেশী কমিউনিটি শোকাহত।

জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার আনুমানিক সন্ধ্যা ছয়টার দিকে দুর্বৃত্তরা সাউথ জ্যামাইকার ১০৩-২৯ ১৭১ স্ট্রীট ঠিকানার প্রাইভেট বাড়ীতে বসবাস করছিলেন বাংলাদেশী রেজওয়াদ কিবরিয়া। তার বয়স আনমানিক ৬০/৬২। ঘটনার সময় দূর্বৃত্তরা তার বাসায় কলিং বেল টিপতে থাকে। তিনি দরজা খোলা মাত্র তাকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। রেজওয়ানকে জ্যামাইকা হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে এখন পর্যন্ত হত্যার কোনো কারণ জানা যায়নি। উল্লেখ্য, যে মরহুমের দেশের বাড়ী চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের গাছুয়া ইউনিয়নে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্বপরিবারে নিউইয়র্কে বসবাস করছিলেন।

নিহত রেজওয়ান কিবরিয়ার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মেডিক্যাল পরীক্ষাগারে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর হওয়ার কথা বলে জানিয়েছেন তার পুত্র ফারদিন।

এদিকে বুধবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ীটিতে কোন লোকজন নেই। সিটি পুলিশ এলাকায় টহল দিচ্ছে। তবে বাড়ীটির আশপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, ৫/৬ বছর ধরে রেজওয়ান কিবরিয়া বাড়ীতে বসবাস করছেন। তার স্ত্রী ও পুত্র-কন্যা রয়েছে। তিনি বাড়ীই বেশী থাকতেন এবং বাড়ীতে রাত-দিন নানা লোকের আসা-যাওয়া ছিলো। যা অনেকের কাছে ছিলো অস্বাভাবিক। এনিয়ে প্রতিবেশীরা উদ্বিগ্ন থাকলেও কোন উচ্চ-বাচ্য করেননি।

অপর এটি সূত্রে জানা গেছে, নিহত রেওজওয়ান কিবরিয়ার সাথে অনেকের আর্থিক লেন-দেন ছিলো। তিনি অনেকের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থও নিয়েছেন, যা পরিশোধ করেননি। সূত্র মতে, আর্থিক লেন-দেন নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকান্ড ঘটতে পারে।

নিজ বাসায় রেজওয়ান কিবরিয়া খুনের ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দু:খজনক। আমরা প্রবাসী বাংলাদেশীরা এই হত্যার বিচার চাই। এজন্য পুরো কমিউনিটিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কের প্রবীণ আলেম শায়খ আবদুল কাদির (রাহ.) স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০১ ১২:০২:৩৩

বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা শায়খ আবদুল কাদির রাহ: স্মরণে নিউইয়র্কের ইমাম-উলামার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।গত ৩০শে জানুয়ারি  বুধবার বাদ মাগরিব ওজনপার্কের মসজিদ আল আমানে ম্যানহাটনের আস সাফা ইসলামিক সেন্টারের ইমাম ও খতীব মাওলানা রফিক আহমদ রেফাহীর সাবলীল পরিচালনায় মরহুম আবদুল কাদির রাহিমাহুল্লাহ’র জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা পেশ করেন বায়তুশ শরফ মসজিদ ও  ইসলামিক সেন্টার ব্রুকলীনের ইমাম ও খতীব মাওলানা জাকারিয়া মাহমুদ,জামেয়া ইসলামিয়া উডহ্যাভেনের ইমাম ও খতীব মাওলানা শায়খ আসআদ আহমদ,দারুল কুরআন ও সুন্নাহ'র মুহাদ্দিস মাওলানা হাম্মাদ আহমদ গাজীনগরী, মিশিগানের মসজিদ নূরের ইমাম ও খতীব মাওলানা আবু সিদ্দিক ও বায়তুল গাফফার মসজিদ জ্যামাইকার ইমাম ও খতীব মাওলানা মাসুক আহমদ প্রমুখ।

দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বায়তুল আমান মসজিদ ব্রঙ্কসের ইমাম ও খতীব মাওলানা আজির উদ্দীন,মরহুম শায়খ আবদুল কাদির রাহঃ এর বড় ছাহেবজাদা দারুল উলূম নিউইয়র্ক এর সিনিয়র উস্তাদ মাওলানা আবুল খায়ের,জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের জামেয়া কুরআনিয়া মাদরাসার উস্তাদ হাফেজ মাওলানা আহমদ আবু সুফিয়ান,আই টিভির সিইও মাওলানা মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ,ইয়র্ক বাংলা সম্পাদক মাওলানা রশীদ আহমদ,রিহলাতুল ইলম ফাউন্ডেশন,পেনসিলভ্যানিয়ার সিনিয়র উস্তাদ মাওলানা আবু সাঈদ,মাওলানা আবু জাহিদ, মরহুমের জামাতা ও রিহলাতুল ইলম ফাউন্ডেশন,পেনসিলভ্যানিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল মুফতি মোহাম্মদ কাওসার,মসজিদ আল আমানের সভাপতি কবীর আহমদ চৌধুরী, সেক্রেটারি খলীল আহমদ, দারুল উলূম নিউইয়র্ক এর উস্তাদ মুফতী মুজিবুর রহমান,মসজিদ আল আমানের ইমাম ও খতীব মাওলানা মোহাম্মদ আলী,সানী ইমাম মাওলানা আহমাদুল হাসান খান,পিআইসির হিফজ বিভাগের উস্তাদ হাফেজ মাওলানা কামীল আহমদ,হাফেজ জুনাইদ আহমদ ও হাফেজ তাজুল ইসলামসহ অনেক উলামায়ে কেরাম ও সাধারণ মুসল্লিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আলোচকরা বলেন,সিলেটের ঐ প্রবীণ আলেম ছিলেন একজন সত্যিকারের দ্বীনের এক খাঁটি মরদে মুজাহিদ। তিনি তাঁর পুরো জীবন  দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে ব্যয় করেছেন এবং বিভিন্ন মসজিদ মাদরাসায় নিরলস এবং সুনামের সাথে খেদমত করে অবদান রেখে গেছেন, যা দেশ ও প্রবাসের মানুষের কাছে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যুতে কমিউনিটির সৃষ্ট শূন্যতা কোনভাবে পূরণ হবার নয়।তিনি তাঁর কর্মজীবন সুনামগঞ্জের জাউয়ার একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা দিয়ে শুরু করে সর্বশেষ বিশ্বের রাজধানী হিসেবে খ্যাত নিউইয়র্কের সানিসাইড মসজিদে ইমামতির মাধ্যমে খেদমতের ইতি টানেন।

শায়খ আবদুল কাদির রাহ: এর কর্মময় জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে আলোচকরা আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন,একজন আলেমের মৃত্যু মানে একটা আলমের মৃত্যুর সমান। আলোচনায় ফুটে উঠে মরহুম আবদুল কাদির রাহঃ প্রবাসের জন্য কতবড় নেয়ামত ছিলেন।
তিনি নিউইয়র্কে আলেম উলামায়ে কেরামদের যে কোন মজলিসে উপস্থিত হতেন এবং সভাপতির আসন অলংকৃত করতেন। তিনি ছিলেন নিউইয়র্কের সকল উলামায়ে কেরামের কাছে সর্বজন শ্রদ্ধেয় একজন আলেমে দ্বীন।বিশেষ করে তিনি যে প্রবাসে থেকেও তাঁর সকল(৮জন ছেলে ও ৩জন মেয়েকে) সন্তান-সন্ততিদের আলেম-আলেমাহ বানিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন তা কিন্তু যুগ যুগ ধরে দেশ ও প্রবাসী কমিউনিটির কাছে ইতিহাস হয়ে  থাকবে।আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে মরহুম শায়খ আবদুল কাদির রাহঃ  এর মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন নেদাউল ইসলাম মাদরাসা নিউজার্সীর সাবেক উস্তাদ হাফেজ তাইয়্যিব আলী।


উল্লেখ্য যে,যুক্তরাষ্ট্রের বাঙালি কমিউনিটির অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব, হাজারো আলিমদের উস্তাদ,প্রবীণ আলেমে দ্বীন মাওলানা শায়খ  আব্দুল ক্বাদির গত ১৮ই জানুয়ারি শুক্রবার  সকাল আটটায় মিশিগানে ইন্তেকাল করেন। উনার নামাজে জানাযা ১৯শে জানুয়ারি  শনিবার মিশিগানের ডেট্রয়েট সিটিতে অবস্থিত মসজিদ আন-নূরে সম্পন্ন করে সেখানেই দাফন কাফন শেষ হয়।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

উল্লেখ্য, উনার দেশের বাড়ি সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলায়। দেশে থাকাকালীন তিনি কানাইঘাট মনসুরিয়া কামিল মাদরাসা এবং বিয়ানীবাজার সিনিয়র মাদরাসার প্রিন্সিপালের দ্বায়িত পালন করেছেন।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে প্রবাসীদের ভালবাসায় সিক্ত সুবীর নন্দী

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-৩০ ১৩:৩৩:০১

নিউইয়র্কে শ্রদ্ধা-ভালবাসায় আবারো সংবর্ধিত হলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সুবীর নন্দী। গত ২৪ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিটির উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পন্ডিত কিষান মহারাজ তাল-তরঙ্গ ইনস্টিটিউট, নিউইয়র্ক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন ও বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক সংগঠনের তপন মোদক। এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য করেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা শহীদ হাসান, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও আবু তাহের, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি নার্গিস আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী শাহ নেওয়াজ, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেস ইনভেস্টর ও সমাজসেবী মো: আনোয়ার হোসেন, চ্যানেল আই-এর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি রাশেদ আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সুবীর নন্দীকে সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই পন্ডিত কিষান মহারাজ তাল-তরঙ্গ ইনস্টিটিউট, নিউইয়র্কের শিক্ষার্থীরা সমবেতভাবে তবলা বাজিয়ে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। এরপর উপমহাদেশের প্রখ্যাত সেতার বাদক ওস্তাদ খুরশিদ খাঁর দুই সন্তান মুরশিদ খাঁ ও মোশাররফ খাঁ যুগলবন্দী সেতার বাজিয়ে শোনান। অনুষ্ঠানে পিতা-পুত্র যথাক্রমে তপন মোদক ও সজীব মোদক’র তবলা আর দুই ভাই মুরশিদ খাঁ ও মোশাররফ খাঁ’র সেতার পরিবেশনও দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।

কিংবদন্তী শিল্পী সুবীর নন্দী’র গান শুরুর আগে একটি গান পরিবেশন করেন প্রবাসের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী তানভীর শাহীন।

অনুষ্ঠানে সুবীর নন্দী তার বক্তব্যে নিজেকে একজন ‘ক্ষুদ্র শিল্পী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আমি সংবর্ধনা পাওয়ার মতো শিল্প নই। গুরুদের কাছ থেকে যেমন গান শিখেছি, এখন নতুন প্রজন্মের আনেকের কাছ থেকেও গান শিখছি। আমরা গুরুদের কাছ থেকে বকা-ঝকা খেয়ে গান শিখেছি। আর গান জনপ্রিয় করতে শিল্পীদের মতো যন্ত্রীদের অবদানও কম নয়। তিনি ওস্তাদ খুরশীদ খা-কে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বলেন, তার যোগ্য দুই পুত্রও যোগ্য হয়ে উঠেছেন। তিনি তবলা বাদক তপন মোদক ও সজীব মোদকের প্রশংসা করে বলেন, তাদের তবলায় বাংলাদেশের শতকোটি মানুষের কন্ঠ ঝড় তুলেছে। তপন মোদকের বড় গুণ সে শিল্পীদের সম্মানন দিতে জানে।

শিল্পী সুবীর নন্দী ‘পাহাড়ের কান্না দেখে তোমরা তাকে ঝর্ণা বলো’ জনপ্রিয় গান দিয়ে তার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের গান শুরু করেন। এ সময় উপস্থিত দর্শক-শ্রোতা তাকে দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে অভিনন্দিত করেন। পরবর্তীতে উপস্থিত শ্রোতাদের অনুরোধে সুবীর নন্দী একে একে গেয়ে যান ‘বন্ধু হতে চেয়ে তোমার শত্রু বলে গণ্য হলাম’, ‘কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো’, ‘আমি বৃষ্টির কাছ থেকে কাঁদতে শিখেছি’, ‘হাজার মনের কাছে প্রশ্ন রেখে’, ‘কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘কেন ভালোবাসা হারিয়ে যায়, দুঃখ হারায় না’ জনপ্রিয় গানগুলো।

অনুষ্ঠানের মাঝে সুবীর নন্দী মঞ্চে ডেকে নেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের আরেক শিল্পী শহীদ হাসান-কে। তার অনুরোধে শহীদ হাসান একটি গান পরিবেশন করেন। এছাড়া তিনি তার সঙ্গীত জীবনের সাথী নিউইয়র্ক প্রবাসী নাদিম আহমেদ ও নিউজার্সী প্রবাসী নাইস-কে মঞ্চে ডেকে নেন এবং তাদের যন্ত্রী বাজান।

সুবীর নন্দীর গানে যন্ত্রসঙ্গীতে ছিলেন তপন মোদক, পার্থ গুপ্ত, নাদিম আহমেদ, রিচার্ড, সজীব মোদক ও তানভীর শাহীন। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন গোপন সাহা।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে নববর্ষ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের শুভেচ্ছা বিনিময়

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২৩ ১৪:৪৬:৪৮

নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে নতুন বছর ২০১৯ কে স্বাগত জানিয়ে গত ২২ জানুয়ারি মঙ্গলবার স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। সাংবাদিকদের সাথে এই শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে মিশন ও কনস্যুলেটের কর্মকর্তারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেছা, জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের মিনিষ্টার কে এম মনোয়ার হোসেন, ইকোনোমিক মিনিষ্টার ইকবাল আবদুল্লাহ হারুন, কাউন্সেলর সঞ্চিতা হক, কাউন্সেলর নিরূপম দেবনাথ, কাউন্সেলর তৌফিকুর রহমান, কাউন্সেলর নুর ই আলম, কাউন্সেলর হুমায়ুন কবীর, কাউন্সেলর শাহ আসিফ রহমান, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল অফিসের কাউন্সিলর আয়েশা হক ও ফাষ্ট সেক্রেটারি শামীম হোসেন প্রমুখ।

স্থায়ী মিশনের ফাষ্ট সেক্রেটারি নূর এলাহি মিনার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মাসুদ উপস্থিত সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি তার বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং সাফল্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। বহুপাক্ষিক ফোরাম এবং দ্বিপাক্ষিক ফোরামে কাজের ধরণ, ভিন্নতা এবং সাফল্য অর্জনের মাপকাঠির বিষয়েও তিনি বিষদ ব্যাখ্যা দেন। জাতিসংঘের মত আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের অংশগ্রহণের বিষয়গুলো অত্যন্ত সহজভাবে সারাবছর প্রবাসী বাঙালিসহ দেশের জনগণের মাঝে সংবাদের মাধ্যমে উপস্থাপনের জন্য সাংবাদিকবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান স্থায়ী প্রতিনিধি।

তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং বিচক্ষণ কূটনৈতিক প্রজ্ঞায় জাতিসংঘের সাথে বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনিষ্ট সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। এই ঘনিষ্ট সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর আরও সাফল্যের সাথে জাতিসংঘে তুলে ধরতে স্থায়ী মিশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে মর্মেও জানান রাষ্ট্রদূত মাসুদ।
তিনি নতুন বছর ২০১৯-এ জাতিসংঘে বাংলাদেশের যে সকল বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে এবং যেসকল চ্যালেঞ্জ রয়েছে সে সমন্ধে আলোকপাত করেন। এক্ষেত্রে তিনি রোহিঙ্গা ইস্যু, এসডিজি বাস্তবায়ন, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা উল্লেখ করেন।

নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল মিজ্ সাদিয়া ফয়জুন্নেচ্ছা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কনস্যুলেটের সেবার সার্বিক বিষয়গুলো উপস্থাপন করেন। তিনি গত গতবছরে প্রবাসী বাংলাদেশীদের স্বার্থ রক্ষার যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা উল্লেখ করেন। কনস্যুলেটের স্থায়ী ভবনসহ বিভিন্ন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন কনসাল জেনারেল।
বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো: আরিফুল ইসলাম মিশনের ২০১৮ সালের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও অর্জনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন।
অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ এই শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সাংবাদিকগণ বাংলাদেশের নির্বাচন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং কনস্যুলেট সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশিত নতুন বছরের ডায়েরি ও ক্যালেন্ডার এবং স্থায়ী মিশন প্রকাশিত ২০১৮ সালের প্রেস রিলিজ সংকলন প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য এবারের এই অনুষ্ঠান ছাড়াও ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে ইংরেজি বছরের শুরুতে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনের আমন্ত্রণে সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা ও মত বিনিময় এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়ন এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউ ইয়র্কে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, গ্রেপ্তার ৪

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২৩ ১২:৪৪:৫০

যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক রাজ্যে একটি মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তিনজন প্রাপ্ত বয়স্ক ও একজন কিশোর।

ইসলামবার্গ নামের ওই ছোট মুসলিম সম্প্রদায়টি আশির দশকে পাকিস্তানি মৌলভীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। গ্রেপ্তারকৃত চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ইসলামবার্গে হামলার উদ্দেশ্যে বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুদ রেখেছিল।

এক স্কুলছাত্রের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হয়।

ইসলামবার্গ সম্প্রদায় সাম্প্রতিককালে নানা ধর্মীয় ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। তাদের ভাষ্য, এখানে সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষণ শিবির রয়েছে।

আগামী বুধবার গ্রেপ্তারকৃত প্রাপ্তবয়স্ক তিনজনকে আদালতে তোলা হবে। তারা হলেন- অ্যান্ড্রু ক্রিসেল (১৮), ভিনসেন্ট ভেট্রোমাইল (১৯), ও ব্রায়ান কোলানেরি (২০)। তাদের সবার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কাজের উদ্দেশ্যে অস্ত্র মজুদ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদেরকে ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৬ বছর বয়সি ওই কিশোরের বিরুদ্ধেও অভিযোগ গঠন করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, তাদের কাছ থেকে ২৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউ ইয়র্কের গ্রিস শহরের পুলিশ প্রধান প্যাট্রিক ফেলান জানান, ১৬ বছর বয়সি ওই কিশোর স্কুলে তার বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ করার সময় তাদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে স্কুলের আরেক ছাত্র জেনে ফেলে। সে পরে পুলিশকে বিষয়টি জানায়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত চারজনের মধ্যে কমপক্ষে তিনজন স্কাউট সদস্য ছিল।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে কমিউনিটি সংগঠক আলকাসের ইন্তেকাল, প্রবাসী নেতৃবৃন্দের শোক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২১ ১১:৫৩:৩১

নিউইয়র্ক প্রবাসী কমিউনিটি এক্টিভিটস ও সংগঠক মোঃ আলকাস উদ্দিন আহমেদ (৬৩) ইন্তেকাল করেছেন,ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।সপ্তাহদিন হাসপাতালে চিকিত্সাধীন থাকার পর গত ১৬ই জানুয়ারি বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় এলমাস্ট হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।মত্যুকালে তিনি একমাত্র পুত্র ও ২ কন্যা, স্ত্রীসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান। মরহুম এখলাসের দেশের বাড়ী সিলেট শহরতলীর খাদিমপাড়ায়।আলকাসের একান্ত আত্মীয় সাংবাদিক হাবীবুর রহমান হাবীব জানান,মরহুম মো আলকাস উদ্দিন আহমেদ একজন ভাল সংগঠক ও কমিউনিটি এক্টিভিটস ছিলেন।তিনি বৃহত্তর সিলেটর আম্ব্রেলা সংগঠন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অফ নিউইয়র্ক এর সহ-সভাপতির দায়িত্ব সুচারু রূপে আন্জাম দিয়েছিলেন।

এখলাস দীর্ঘদিন ধরে হাই ডায়াবেটিস, ব্লাড পেশার সহ নানাবিধ জটিল রোগে ভুগছিলেন।তিনি আরো জানান,মরহুম এখলাসের নামাযে জানাযা শুক্রবার বাদ জুমা জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় এবং ঐদিন রাত সাড়ে দশটায় এমিরাত এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশে পাঠানো হয়।২১শে জানুয়ারি সোমবার বাংলাদেশ সময় সকাল এগারোটায় সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাযা শেষে তাঁর মা-বাবার পাশে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন-কাপন সম্পন্ন করা হয়।

এদিকে মরহুম আলকাসের ইন্তেকালে নিউইয়র্কের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, পত্রিকার সম্পাদক সহ কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের  ব্যক্তিবর্গ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
 
শোক প্রকাশ: কমিউনিটির পরিচিতমুখ মরহুম আলকাস ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকের সভাপতি কামাল আহমেদ,সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অফ নিউইয়র্কের সভাপতি বদরুল হোসেন খান,সেক্রেটারি জুয়েল চৌধুরী,বিয়ানীবাজার সামাজিক সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএ ইনকের সাবেক সভাপতি আজিমুর রহমান বুরহান,বর্তমান সভাপতি মোঃ মস্তফা কামাল,সেক্রেটারি মুহিবুর রহমান,প্রচার সম্পাদক জাকির হোসেন,সাংবাদিক হাবীবুর রহমান হাবীব ও ইয়র্ক বাংলা সম্পাদক রশীদ আহমদ,জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি শাহ মোঃ মিজান,সিলেট সদর সমিতি ইউএসএ'র সভাপতি দেওয়ান শাহেদ চৌধুরী ও সাবেক ছাত্রনেতা শাহাবুদ্দিন,ম্যানহাটনের আসসাফা ইসলামিক সেন্টারের ইমাম ও খতীব মাওলানা রফিক আহমদ রেফায়ী প্রমূখ।
নেতৃবৃন্দ, গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে মরহুমের বিদেহী আত্বার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেছেন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত