যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 06:33pm

|   লন্ডন - 12:33pm

|   নিউইয়র্ক - 07:33am

  সর্বশেষ :

  জামায়াত বিলুপ্তির প্রস্তাব, যা বললেন ওবায়দুল কাদের   আইএসে যোগ দেওয়া ব্রিটিশ-বাংলাদেশিকে ফিরতে দেওয়া হবে না   পানি চুরি!   কাশ্মিরে যে কোনও পদক্ষেপ নিতে সেনাবাহিনীকে মোদির অনুমতি   আখেরি মোনাজাতে শেষ হল ইজতেমার প্রথম পর্ব   যুক্তরাষ্ট্রে শিকাগোর শিল্পাঞ্চলে বন্দুক হামলায় নিহত ৫   নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের গুলিতে ৬৬ জন নিহত   সোনালী কাবিন’র কবি আল মাহমুদ আর নেই, বাদ জোহর জানাযা   ভাইরাল হতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার   আর প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না: ডয়েচে ভেলেকে শেখ হাসিনা   কাশ্মিরে পুলিশ বাসে হামলায় নিহত ৪২   সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড   তিনদিনের সফরে জার্মানিতে প্রধানমন্ত্রী   নির্বাচন চ্যালেঞ্জ করে ঐক্যফ্রন্টের ৭৪ প্রার্থীর মামলা   বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট আসছে জুনে

>>  নিউইয়র্ক এর সকল সংবাদ

নিউইয়র্কের প্রবীণ আলেম শায়খ আবদুল কাদির (রাহ.) স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা শায়খ আবদুল কাদির রাহ: স্মরণে নিউইয়র্কের ইমাম-উলামার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।গত ৩০শে জানুয়ারি  বুধবার বাদ মাগরিব ওজনপার্কের মসজিদ আল আমানে ম্যানহাটনের আস সাফা ইসলামিক সেন্টারের ইমাম ও খতীব মাওলানা রফিক আহমদ রেফাহীর সাবলীল পরিচালনায় মরহুম আবদুল কাদির রাহিমাহুল্লাহ’র জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা পেশ করেন বায়তুশ শরফ মসজিদ ও  ইসলামিক সেন্টার ব্রুকলীনের ইমাম ও খতীব মাওলানা জাকারিয়া মাহমুদ,জামেয়া ইসলামিয়া উডহ্যাভেনের ইমাম ও খতীব মাওলানা শায়খ আসআদ আহমদ,দারুল কুরআন ও সুন্নাহ'র মুহাদ্দিস মাওলানা হাম্মাদ

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে প্রবাসীদের ভালবাসায় সিক্ত সুবীর নন্দী

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-৩০ ১৩:৩৩:০১

নিউইয়র্কে শ্রদ্ধা-ভালবাসায় আবারো সংবর্ধিত হলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সুবীর নন্দী। গত ২৪ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিটির উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পন্ডিত কিষান মহারাজ তাল-তরঙ্গ ইনস্টিটিউট, নিউইয়র্ক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন ও বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক সংগঠনের তপন মোদক। এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য করেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা শহীদ হাসান, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও আবু তাহের, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি নার্গিস আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী শাহ নেওয়াজ, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেস ইনভেস্টর ও সমাজসেবী মো: আনোয়ার হোসেন, চ্যানেল আই-এর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি রাশেদ আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সুবীর নন্দীকে সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই পন্ডিত কিষান মহারাজ তাল-তরঙ্গ ইনস্টিটিউট, নিউইয়র্কের শিক্ষার্থীরা সমবেতভাবে তবলা বাজিয়ে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। এরপর উপমহাদেশের প্রখ্যাত সেতার বাদক ওস্তাদ খুরশিদ খাঁর দুই সন্তান মুরশিদ খাঁ ও মোশাররফ খাঁ যুগলবন্দী সেতার বাজিয়ে শোনান। অনুষ্ঠানে পিতা-পুত্র যথাক্রমে তপন মোদক ও সজীব মোদক’র তবলা আর দুই ভাই মুরশিদ খাঁ ও মোশাররফ খাঁ’র সেতার পরিবেশনও দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।

কিংবদন্তী শিল্পী সুবীর নন্দী’র গান শুরুর আগে একটি গান পরিবেশন করেন প্রবাসের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী তানভীর শাহীন।

অনুষ্ঠানে সুবীর নন্দী তার বক্তব্যে নিজেকে একজন ‘ক্ষুদ্র শিল্পী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আমি সংবর্ধনা পাওয়ার মতো শিল্প নই। গুরুদের কাছ থেকে যেমন গান শিখেছি, এখন নতুন প্রজন্মের আনেকের কাছ থেকেও গান শিখছি। আমরা গুরুদের কাছ থেকে বকা-ঝকা খেয়ে গান শিখেছি। আর গান জনপ্রিয় করতে শিল্পীদের মতো যন্ত্রীদের অবদানও কম নয়। তিনি ওস্তাদ খুরশীদ খা-কে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বলেন, তার যোগ্য দুই পুত্রও যোগ্য হয়ে উঠেছেন। তিনি তবলা বাদক তপন মোদক ও সজীব মোদকের প্রশংসা করে বলেন, তাদের তবলায় বাংলাদেশের শতকোটি মানুষের কন্ঠ ঝড় তুলেছে। তপন মোদকের বড় গুণ সে শিল্পীদের সম্মানন দিতে জানে।

শিল্পী সুবীর নন্দী ‘পাহাড়ের কান্না দেখে তোমরা তাকে ঝর্ণা বলো’ জনপ্রিয় গান দিয়ে তার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের গান শুরু করেন। এ সময় উপস্থিত দর্শক-শ্রোতা তাকে দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে অভিনন্দিত করেন। পরবর্তীতে উপস্থিত শ্রোতাদের অনুরোধে সুবীর নন্দী একে একে গেয়ে যান ‘বন্ধু হতে চেয়ে তোমার শত্রু বলে গণ্য হলাম’, ‘কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো’, ‘আমি বৃষ্টির কাছ থেকে কাঁদতে শিখেছি’, ‘হাজার মনের কাছে প্রশ্ন রেখে’, ‘কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘কেন ভালোবাসা হারিয়ে যায়, দুঃখ হারায় না’ জনপ্রিয় গানগুলো।

অনুষ্ঠানের মাঝে সুবীর নন্দী মঞ্চে ডেকে নেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের আরেক শিল্পী শহীদ হাসান-কে। তার অনুরোধে শহীদ হাসান একটি গান পরিবেশন করেন। এছাড়া তিনি তার সঙ্গীত জীবনের সাথী নিউইয়র্ক প্রবাসী নাদিম আহমেদ ও নিউজার্সী প্রবাসী নাইস-কে মঞ্চে ডেকে নেন এবং তাদের যন্ত্রী বাজান।

সুবীর নন্দীর গানে যন্ত্রসঙ্গীতে ছিলেন তপন মোদক, পার্থ গুপ্ত, নাদিম আহমেদ, রিচার্ড, সজীব মোদক ও তানভীর শাহীন। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন গোপন সাহা।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে নববর্ষ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের শুভেচ্ছা বিনিময়

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২৩ ১৪:৪৬:৪৮

নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে নতুন বছর ২০১৯ কে স্বাগত জানিয়ে গত ২২ জানুয়ারি মঙ্গলবার স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। সাংবাদিকদের সাথে এই শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে মিশন ও কনস্যুলেটের কর্মকর্তারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেছা, জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের মিনিষ্টার কে এম মনোয়ার হোসেন, ইকোনোমিক মিনিষ্টার ইকবাল আবদুল্লাহ হারুন, কাউন্সেলর সঞ্চিতা হক, কাউন্সেলর নিরূপম দেবনাথ, কাউন্সেলর তৌফিকুর রহমান, কাউন্সেলর নুর ই আলম, কাউন্সেলর হুমায়ুন কবীর, কাউন্সেলর শাহ আসিফ রহমান, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল অফিসের কাউন্সিলর আয়েশা হক ও ফাষ্ট সেক্রেটারি শামীম হোসেন প্রমুখ।

স্থায়ী মিশনের ফাষ্ট সেক্রেটারি নূর এলাহি মিনার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মাসুদ উপস্থিত সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি তার বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং সাফল্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। বহুপাক্ষিক ফোরাম এবং দ্বিপাক্ষিক ফোরামে কাজের ধরণ, ভিন্নতা এবং সাফল্য অর্জনের মাপকাঠির বিষয়েও তিনি বিষদ ব্যাখ্যা দেন। জাতিসংঘের মত আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের অংশগ্রহণের বিষয়গুলো অত্যন্ত সহজভাবে সারাবছর প্রবাসী বাঙালিসহ দেশের জনগণের মাঝে সংবাদের মাধ্যমে উপস্থাপনের জন্য সাংবাদিকবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান স্থায়ী প্রতিনিধি।

তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং বিচক্ষণ কূটনৈতিক প্রজ্ঞায় জাতিসংঘের সাথে বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনিষ্ট সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। এই ঘনিষ্ট সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর আরও সাফল্যের সাথে জাতিসংঘে তুলে ধরতে স্থায়ী মিশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে মর্মেও জানান রাষ্ট্রদূত মাসুদ।
তিনি নতুন বছর ২০১৯-এ জাতিসংঘে বাংলাদেশের যে সকল বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে এবং যেসকল চ্যালেঞ্জ রয়েছে সে সমন্ধে আলোকপাত করেন। এক্ষেত্রে তিনি রোহিঙ্গা ইস্যু, এসডিজি বাস্তবায়ন, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা উল্লেখ করেন।

নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল মিজ্ সাদিয়া ফয়জুন্নেচ্ছা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কনস্যুলেটের সেবার সার্বিক বিষয়গুলো উপস্থাপন করেন। তিনি গত গতবছরে প্রবাসী বাংলাদেশীদের স্বার্থ রক্ষার যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা উল্লেখ করেন। কনস্যুলেটের স্থায়ী ভবনসহ বিভিন্ন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন কনসাল জেনারেল।
বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো: আরিফুল ইসলাম মিশনের ২০১৮ সালের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও অর্জনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন।
অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ এই শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সাংবাদিকগণ বাংলাদেশের নির্বাচন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং কনস্যুলেট সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশিত নতুন বছরের ডায়েরি ও ক্যালেন্ডার এবং স্থায়ী মিশন প্রকাশিত ২০১৮ সালের প্রেস রিলিজ সংকলন প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য এবারের এই অনুষ্ঠান ছাড়াও ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে ইংরেজি বছরের শুরুতে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনের আমন্ত্রণে সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা ও মত বিনিময় এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়ন এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউ ইয়র্কে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, গ্রেপ্তার ৪

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২৩ ১২:৪৪:৫০

যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক রাজ্যে একটি মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তিনজন প্রাপ্ত বয়স্ক ও একজন কিশোর।

ইসলামবার্গ নামের ওই ছোট মুসলিম সম্প্রদায়টি আশির দশকে পাকিস্তানি মৌলভীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। গ্রেপ্তারকৃত চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ইসলামবার্গে হামলার উদ্দেশ্যে বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুদ রেখেছিল।

এক স্কুলছাত্রের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হয়।

ইসলামবার্গ সম্প্রদায় সাম্প্রতিককালে নানা ধর্মীয় ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। তাদের ভাষ্য, এখানে সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষণ শিবির রয়েছে।

আগামী বুধবার গ্রেপ্তারকৃত প্রাপ্তবয়স্ক তিনজনকে আদালতে তোলা হবে। তারা হলেন- অ্যান্ড্রু ক্রিসেল (১৮), ভিনসেন্ট ভেট্রোমাইল (১৯), ও ব্রায়ান কোলানেরি (২০)। তাদের সবার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কাজের উদ্দেশ্যে অস্ত্র মজুদ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদেরকে ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৬ বছর বয়সি ওই কিশোরের বিরুদ্ধেও অভিযোগ গঠন করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, তাদের কাছ থেকে ২৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউ ইয়র্কের গ্রিস শহরের পুলিশ প্রধান প্যাট্রিক ফেলান জানান, ১৬ বছর বয়সি ওই কিশোর স্কুলে তার বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ করার সময় তাদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে স্কুলের আরেক ছাত্র জেনে ফেলে। সে পরে পুলিশকে বিষয়টি জানায়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত চারজনের মধ্যে কমপক্ষে তিনজন স্কাউট সদস্য ছিল।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে কমিউনিটি সংগঠক আলকাসের ইন্তেকাল, প্রবাসী নেতৃবৃন্দের শোক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-২১ ১১:৫৩:৩১

নিউইয়র্ক প্রবাসী কমিউনিটি এক্টিভিটস ও সংগঠক মোঃ আলকাস উদ্দিন আহমেদ (৬৩) ইন্তেকাল করেছেন,ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।সপ্তাহদিন হাসপাতালে চিকিত্সাধীন থাকার পর গত ১৬ই জানুয়ারি বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় এলমাস্ট হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।মত্যুকালে তিনি একমাত্র পুত্র ও ২ কন্যা, স্ত্রীসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান। মরহুম এখলাসের দেশের বাড়ী সিলেট শহরতলীর খাদিমপাড়ায়।আলকাসের একান্ত আত্মীয় সাংবাদিক হাবীবুর রহমান হাবীব জানান,মরহুম মো আলকাস উদ্দিন আহমেদ একজন ভাল সংগঠক ও কমিউনিটি এক্টিভিটস ছিলেন।তিনি বৃহত্তর সিলেটর আম্ব্রেলা সংগঠন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অফ নিউইয়র্ক এর সহ-সভাপতির দায়িত্ব সুচারু রূপে আন্জাম দিয়েছিলেন।

এখলাস দীর্ঘদিন ধরে হাই ডায়াবেটিস, ব্লাড পেশার সহ নানাবিধ জটিল রোগে ভুগছিলেন।তিনি আরো জানান,মরহুম এখলাসের নামাযে জানাযা শুক্রবার বাদ জুমা জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় এবং ঐদিন রাত সাড়ে দশটায় এমিরাত এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশে পাঠানো হয়।২১শে জানুয়ারি সোমবার বাংলাদেশ সময় সকাল এগারোটায় সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাযা শেষে তাঁর মা-বাবার পাশে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন-কাপন সম্পন্ন করা হয়।

এদিকে মরহুম আলকাসের ইন্তেকালে নিউইয়র্কের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, পত্রিকার সম্পাদক সহ কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের  ব্যক্তিবর্গ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
 
শোক প্রকাশ: কমিউনিটির পরিচিতমুখ মরহুম আলকাস ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকের সভাপতি কামাল আহমেদ,সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অফ নিউইয়র্কের সভাপতি বদরুল হোসেন খান,সেক্রেটারি জুয়েল চৌধুরী,বিয়ানীবাজার সামাজিক সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএ ইনকের সাবেক সভাপতি আজিমুর রহমান বুরহান,বর্তমান সভাপতি মোঃ মস্তফা কামাল,সেক্রেটারি মুহিবুর রহমান,প্রচার সম্পাদক জাকির হোসেন,সাংবাদিক হাবীবুর রহমান হাবীব ও ইয়র্ক বাংলা সম্পাদক রশীদ আহমদ,জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি শাহ মোঃ মিজান,সিলেট সদর সমিতি ইউএসএ'র সভাপতি দেওয়ান শাহেদ চৌধুরী ও সাবেক ছাত্রনেতা শাহাবুদ্দিন,ম্যানহাটনের আসসাফা ইসলামিক সেন্টারের ইমাম ও খতীব মাওলানা রফিক আহমদ রেফায়ী প্রমূখ।
নেতৃবৃন্দ, গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে মরহুমের বিদেহী আত্বার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেছেন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে যথাযথ মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৩ ১৩:১৫:১১

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ভাবগাম্ভীর্য ও যথাযথ মর্যাদায় স্বাধীনতার মহান স্থপতি ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ পালন করে। বাঙ্গালীর জাতীয় জীবনে এবং স্বাধীনতার সংগ্রাম পূর্ণতায় ১০ই জানুয়ারী একটি ঐতিহাসিক দিন। তাৎপর্যপূর্ণ এ দিবসটিতে, জাতির পিতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এ উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রেরিত বাণী কনসাল জেনারেল  ্ সাদিয়া ফয়জুননেসা পাঠ করেন এবং এতে বর্ণিত বিষয়গুলো বিশদভাবে আলোচনা করেন। কনসাল জেনারেল বলেন যে, টানা তৃতীয়বারের মত দেশ পরিচালনার দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দেশের আপামর জনসাধারণের গভীর আস্থা ও অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। তিনি আরো বলেন জাতির পিতার সুযোগ্যা কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। উন্নয়নের এই অভিযাত্রায় দেশের কল্যাণে একযোগে কাজ করার জন্য এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ব্রতী হয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় জনকল্যাণমূলক কনস্যুলার সেবা প্রদানের জন্য কনসাল জেনারেল কনস্যুলেটের সকল সদস্যদের আহবান জানান।

জাতির পিতা, তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহীদ সদস্য ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।   


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০১-১৩ ১৩:০৭:০৮

গত ১০ জানুয়ারি জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানটির শুরুতে দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন তাঁর বক্তব্যে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে জাতির পিতার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে সুদীর্ঘ সংগ্রাম, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ, পাকিস্তানী সরকার গ্রেফতার করার আগে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতার স্বাধীনতার ঘোষণা, গ্রেফতার করে বঙ্গবন্ধুকে পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে যাওয়া এবং কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে পুনরায় ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন-স্বার্বভৌম বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করার ইতিহাস তুলে ধরেন।
 রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, “বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর যে বিজয় অর্জন করেছিল, সে বিজয়ের আনন্দ পূর্ণতা পেয়েছিল ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির পিতাকে তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশে ফিরে পেয়ে”।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৪র্থ বারের মতো গঠিত সরকারের সূদূরপ্রসারী রূপকল্পসমূহের কথা উল্লেখ করে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, “সেদিন আর বেশি দূরে নয় যেদিন প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার অদম্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বে আমরা রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করতে পারবো”।
নতুন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে মোমেনের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও কূটনৈতিক প্রজ্ঞার আলোকে সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে আরও নেতৃত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা রেখে পররাষ্ট্র খাতে ‘শেখ হাসিনা সরকার’ এর ইপ্সিত সাফল্য তুলে আনতে পারবে বলে রাষ্ট্রদূত মাসুদ তাঁর প্রত্যাশার কথা জানান।
স্থায়ী প্রতিনিধির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় মিশনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো: আরিফুল ইসলাম, ইকোনমিক মিনিস্টার ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন, ডিফেন্স অ্যাডভাইজর ব্রিগেডিয়ার খান ফিরোজ আহমেদ এফডব্লিউসি, পিএসসি, মিনিষ্টার পলিটিক্যাল মনোয়ার হোসেনসহ সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা অনুষ্ঠানটির সঞ্চালতা করেন মিশনের হেড অফ চ্যান্সারি নিরুপম দেব নাথ।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা: নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের আহ্বান

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-২৬ ১৩:৫০:১৩

আগামী ৩০ ডিসেম্বর রোববার বাংলাদেশের বহুল আলোচিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্বপালনের আহ্বান জানিয়েছে নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব। সেই সাথে একাত্তুরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হলে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আর জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একটি সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির বাংলাদেশ-এর প্রত্যাশায় দেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করাও সময়ের দাবী বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ। গত ২১ ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০১৮’ বিষয়ক ক্লাবের এক মুক্ত আলোচনায় বক্তারা এই দাবী জানান।

সিটির জ্যাকসন হাইটসের নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত নির্বাচন বিষয়ক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর বার্তা সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েসের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও আবু তাহের, ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও হককথা.কম সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক ও সাপ্তাহিক দেশবাংলা’র নির্বাহী সম্পাদক আলমগীর সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ কাজল, ক্লাব সদস্য ও সাপ্তাহিক আজকাল-এর স্বাস্থ বিষয়ক সম্পাদক ডা. সজল আশফাক, ক্লাবের কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও ইয়র্ক বাংলা সম্পাদক রশীদ আহমদ এবং ক্লাব সদস্য এমদাদ হোসেন চৌধুরী। এছাড়াও সভায় ক্লাবের প্রচার সম্পাদক সৈয়দ ইলিয়াস খসরু ও ক্লাব সদস্য আনোয়ার হোসেন বাবু উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশে বিরাজমান সার্বিক পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, যে যাই বলুক বা দাবী করুণ না কেন বাংলাদেশ একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সকল মহলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য যে ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ থাকা দরকার তা এখনো অনুপস্থিত। অপরদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংস ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাতে দেশবাসীসহ প্রবাসী সকল বাংলাদেশীদের মতো নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সদস্যরাও উদ্বিগ্ন। সভায় বক্তারা বলেন, নির্বাচন ঘিরে সরকারের কর্মকান্ডের সমালোচনা এবং নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনেরও দাবী জানান। অন্যথায় আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আর সেনাবাহিনী নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে করলে জনমনে স্বস্তি ফিরে আসবে। বক্তারা বলেন, আমরা কোন দল বা মতের পক্ষে-বিপক্ষে নই, নির্বাচন কোন দল ক্ষমতায় আসলো বা থাকলো তা আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়। আমরা আমাদের প্রিয় জন্মভূমিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যেকোন মূল্যে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই।
সভায় আবু তাহের তার বক্তব্যে ৩০ ডিসেম্বরে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে নতুন দিগন্তের সূচনা ঘটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে, একাত্তুরের স্বপ্ন পূরণ হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় আস্থার জায়গা হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশনকে অন্ধের মতো সংবিধান মোতাবেক কাজ করা উচিৎ। তিনি বলেন, দেশের বর্তমান অবস্থা সরকার, বিরোধীদল, জনগণ কারো জন্য সুখকর নয়। দেশের নতুন প্রজন্ম আর সুন্দর-স্বাস্থকর বাংলাদেশ নিয়ে ভাবতে হবে। তিনি জাতীয় ঐক্যজোট-এর নির্বাচনী ইশতেহারে দুই মেয়াদের বেশী প্রধানমন্ত্রী নয় বলে যে অঙ্গীকার করেছে সে ব্যাপারে জাতীয় ঐক্যমত দরকার বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। 

এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রবাস থেকে যতটুকু দেখছি, যতটুকু জানছি তাতে সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যেটুকু লেবেল প্লেইং ফিল্ড দরকার, তা হয়নি। সরকার আর নির্বাচন কমিমশন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে না। 
আলমগীর সরকার বলেন, বাংলাদেশের ভালো-মন্দের সাথে আমরা প্রবাসীরাও জড়িত। আইন করে সব কিছু করার দরকার নেই, দেশকে ভালোবেসে সবাই মিলে কাজ করলেই তো দেশের উন্নয়ন সম্ভব। আওয়ামী লীগ ঐতিহ্যবাহী দল। এই ঐতিহ্য রক্ষার দায়িত্ব আওয়ামী লীগেরই। তিনি বলেন, আমরা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চাই, স্থিতিশীল বাংলাদেশ চাই।

চৌধুরী মোহাম্মদ কাজল আগামী ৩০ ডিসেম্বর ভালো নির্বাচন প্রত্যাশা করে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য গণতান্ত্রিক পরিবেশ দরকার। সকল প্রার্থীর প্রচারণাও সমানভাবে হওয়ার পরিবেশ দরকার। ইতিহাস বলে বাংলাদেশে তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনের নির্বাচন ছাড়া কোন দলীয় সরকারের অধীনে ক্ষমতাসীন দল পরাজিত হয়নি। 

ডা. সজল আশফাক বলেন, জাতীয় নির্বাচন সহ যেকোন নির্বাচনেই মিডিয়ার বিরাট ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু নির্বাচন প্রসঙ্গে সেসব নিউজ মিডিয়ায় আসার কথা তা আমরা দেখছি না। অথচ এসব খবর সামাজিক গণমাধ্যমগুলোতে আসছে। বাস্তবতা হচ্ছে আমরা প্রবাস থেকে যা বলতে পারছি, দেশ থাকলে তা বলা যেতো না। বর্তমানে দেশে যা ঘটছে তাতে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নেই। দেশে উন্নয়নের নামে দূর্নীতি হয়েছে। মনে হচ্ছে দেশের সরকারী দল এক দিকে আর দেশের সকল দল অন্যদিকে। সার্বিক পরিস্থিতিতে প্রবাসীরা উদ্বিগ্নি। তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে, উন্নয়নও হবে। আমরা স্বজন হারিয়ে উন্নয়ন চাই না। সুস্থ, সাবলীর বাংলাদেশ চাই।    

রশীদ আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করছে না, মিডিয়ার স্বাধীনতা নেই। সরকার নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে সংবিধানের দোহাই দিয়ে আদালত ব্যবহার করছেন, যা কাম্য নয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার আতœীয় বিএনপি সমর্থন করেন বলেই সিলেটে আমাদের বাসায় হামলা হয়েছে। আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। 

এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ-বিএনপি বুঝি না। দল-মত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহনে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। দেশের জনগণ একবার আওয়ামীগ আবার বিএনপিকে চায়। মূলত: জনগণ আওয়ামী লী-বিএনপি-কে ভোট দেয় না, তারা পরিবর্তন চায়। 

সভাপতির বক্তব্যে ডা. ওয়াজেদ এ খান বলেন, বাংলাদেশের সঙ্কটময় মূহুর্তে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হচ্ছে। দেশে প্রতিহিসার রাজনীতি চলছে। এই নির্বাচন ঘিরে দেশবাসীর মতো প্রবাসীরাও উৎসাহিত আবার উদ্বিগ্নও। সেই সাথে যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ সহ আন্তর্জাতিক মহলও উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৭ বছরেও দেশের কোন পরিবর্তন হয়নি। দেশে গণতন্ত্র নেই, আইনের শাসন নেই। তিনি বলেন, স্বাধীনতার চেতনা দেখার বিষয় নয়, অনুভবের বিষয়। আর জনদাবী দেশে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ভূমিকা জরুরী। প্রত্যাশিত নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে মেরুদন্ড শক্ত করে দাঁড়াতে হবে, ভোটধিকার নিশ্চিত করতে হবে। আর পুলিশ-সেনাবাহিনীকে জনগণের জন্য নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র চাই, ন্যায় বিচার চাই, সুশাসন চাই।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সিলেট-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী ফয়সল চৌধুরীর সমর্থনে নিউইয়র্কে সভা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১৯ ১৪:৫৪:২৭

বৃহত্তর সিলেটের সংসদীয় আসন-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার)-এর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট তথা  বিএনপি’র ধানের শীষের প্রার্থী, সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সল আহমেদ চৌধুরীর সমর্থনে নিউইয়র্কে নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ফয়সল আহমদ চৌধুরী আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক-কে বিজয়ী করতে প্রবাসী সকল বাংলাদেশী সহ দলীয় নেতাকর্মীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সিটির ওজনপার্কের রোজ বেঙ্গল রেষ্টুরেন্টে গত ১৬ ডিসেম্বর রোবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু। যুবনেতা আতিকুল হক আহাদ ও ছাত্রনেতা ফাহিম শাকিল অপুর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতৃত্বাধিন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও জোটের আমন্ত্রিত অতিথিরা। যাদের মধ্যে অন্যতম যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু, বাংলাদেশ সোসাইটি ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান সেলিম, সাবেক সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা কিনু চৌধুরী, বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপি’র তথ্য সম্পাদক এম এ হাকিম, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা এম এ বাতেন যুবদল নেতা বুরহান উদ্দিন, বেলাল আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার সায়েম, সাইফুল খান হারুন, উত্তম বনিক, খলকুর রহমার, হাসান আহমদ, শাহাবাজ আহমদ, আলমগীর হোসেন, সেলিম উদ্দিন, নাজিম চৌধুরী রিংকু, সুমন আহমদ, সুজন আহমদ, মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকার রশিদ আহমদ ও আহমেদ ওবায়দা, আব্দুস সামাদ, আলম চৌধুরী।

‘ফয়সল আহমদ চৌধুরী সমর্থক ফোরাম-ইউএসএর’ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ সভায় সিলেট থেকে টেলিফোন কনফারেন্সে অংশ নেন বিএনপি প্রার্থী ফয়সল আহমদ চৌধুরী। এসময় তিনি বলেন, সরকারের শত বাধা-বিপত্তি, হামলা-মামলা স্বত্বেও সিলেট-৬ আসনের (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) মানুষের ভালোবাসায় লড়াই অব্যাহত রাখবেন। নির্বাচনে তিনি সবার সার্বিক সহরেযাগিতা ও দোয়া কামানা করেন।

সভায় বক্তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট তথা বিএনপি দলীয় প্রার্থী ফয়সল আহমদ চৌধুরীকে প্রবাস থেকে সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মোমিন মজুমদারের মাতৃবিয়োগ ও টিএম মামুনের শিশুকন্যার মৃত্যুতে নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবে শোক সভা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১৬ ০৯:৪৮:৩৭

নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের দুই সদস্যের মধ্যে একজনের মাতৃবিয়োগ, অপরজনের শিশুকন্যার অকাল মৃত্যুতে ক্লাবের পক্ষ থেকে শোক সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গত ১৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসে প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে (দেশবাংলা ও বাংলা টাইমস মিলনায়তন) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি ডা. ওয়াজেদ এ খান। উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ মোমিনুল ইসলাম মজুমদারের মা ফাতেমা খাতুন (৯৮) গত ১ ডিসেম্বর শনিবার ও ক্লাব সদস্য টিএম মামুনের শিশুকন্যা মাইমুনা মেহজাবিন (সাড়ে তিন বছর) গত ৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বাংলাদেশে ইন্তেকাল করেন।

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েসের সঞ্চালনায় শোক সভায় সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন ক্লাবের উপদেষ্টা মনজুর আহমদ ও মঈনুদ্দীন নাসের, সাবেক সহ সভাপতি মাহফুজুর রহমান ও আবু তাহের, সহ সভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর সরকার, সাগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ কাজল, ক্লাব সদস্য হাসানুজ্জামান সাকী, এমদাদ হোসেন চৌধুরী দিপু, সোহেল হোসাইন ও আনোয়ার হোসেন বাবু। 

এছাড়াও আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাগর ও সদস্য আবু বকর সিদ্দিক বক্তব্য রাখেন। সাপ্তাহিক জনতার কন্ঠ’র প্রকাশক শামসুল আলম সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মোমিনুল ইসলাম মজুমদার তা মা এবং টিএম মামুন তার কন্যার স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন। আলোচনাকালে সবাই আপনজনদের হারানোয় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং প্রবাসে সকল মিডিয়াকর্মী একে অপরের স্বজন অভিহিত করে নিজেদের মধ্যকার ক্রুটি-বিচ্যুতি ভুলে বৃহত্তর স্বার্থে সৌহার্দ-সম্প্রীতি আরো জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

সবশেষে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন ক্লাবের কার্যকরী পরিষদ সদস্য রশীদ আহমদ। 

শোক সভা শেষে ক্লাবের কার্যকরী পরিষদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে আলোচনা সভার আয়োজন ছাড়াও সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনা সহ কতিপয় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আগামী ২১ ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে ‘নির্বাচন বিষয়ক সভা’ অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ক্লাবের সকল কর্মকর্তা ও সদস্যদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য ক্লাবের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে তিন দিনব্যাপী ফোবানা কনভেনশন ৩০-৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১০ ১৫:১৬:৪১

‘আমাদের শিশু-আমাদের অহংকার’ শ্লোগানে আগামী ৩০-৩১ আগস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর ‘ড্রামা সার্কল’র আয়োজনে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে ফোবানা কনভেনশন ২০১৯। নিউইয়র্ক সিটি সংলগ্ন লং আইল্যান্ডে নাসাউ কলিসিয়ামের বিলাসবহুল অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনব্যাপী এ কনভেনশন। ফোবানা কনভেনশন ২০১৯’র সার্বিক প্রস্তুতির বিষয় জানাতে গত শনিবার দুপুরে নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে পালকি পার্টি সেন্টারে ফেডারেশন অব বাংলাদেশি এসোসিয়েশন্স ইন নর্থ আমেরিকা-ফোবানা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে ৩৩তম ফোবানা কনভেনশন অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের আন্তরিক সহায়তা চেয়েছে ফোবানা নেতৃবৃন্দ।
নিউইয়র্ক:ফোবানার নির্বাহী সচিব জাকারিয়া চৌধুরী বলেছেন, একটা সময় ছিলো যখন ফোবানা সন্মেলন এগিয়ে এলে দেখা যেতো নানান বিভক্তি এবং মতবিভেদ। কিন্তু অত্যন্ত সুখের বিষয় এখন ফোবানা একটিই। ফোবানার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে যারা রয়েছেন তারা সবাই আপনাদের অনেকদিনের চেনা আপনজন। আপনাদের সবার আন্তরিক সাহায্য ও সহযোগিতার কারনে আমরা এখন অনেক এগিয়ে গেছি এবং দিনে দিনে আমাদের এই অগ্রযাত্রা অব্যহত থাকবে। উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের সংগঠন ‘ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন্স ইন নর্থ আমেরিকা ( ফোবানা )’র ৩৩তম সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জাকারিয়া চৌধুরী। শনিবার নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে পালকি পার্টি সেন্টারে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তিনি।। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩২ বছরে ৩২টি ফোবানা সম্মেলন হয়েছে বিভিন্ন সিটিতে। ৩৩তম সম্মেলনকে সাফল্যমন্ডিত করতে ২৫টি স্টান্ডিং কমিটি মাঠে রয়েছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে গণমাধ্যমের সহায়তার ওপর।
লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয় যে, আইনগতভাবে এই কমিটি ব্যতিত অন্য কেউ ‘ফোবানা’ এবং তার লোগো ব্যবহার করতে পারবেন না। সর্বোচ্চ আইনের দেশে বেআইনি কাজটি কেউ করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।
উল্লেখ্য, দু’দিন আগে ফোবানা’র ব্যানারে নিউইয়র্কেই আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করে একই সময়ে নিউইয়র্কে ৩ দিনব্যাপী ফোবানা কনভেনশনের ঘোষণা দেয় হয়।
কমিউনিটির ঐক্যের বৃহত্তর স্বার্থে সকলকে ফোবানা’র পতাকাতলে জড়ো হবার উদাত্ত আহবান জানান আয়োজক কমিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান মীর চৌধুরী এসময় বলেন, ফোবানা হচ্ছে উত্তর আমেরিকায় সব সংগঠনের আমব্রেলা সংগঠন। ফোবানা হচ্ছে মার্কিন আইন অনুযায়ী ৫০১ সি (৩) এর আওতায় একটি অলাভজনক কর্পোরেশন। এছাড়া, ইউএস পেটেন্ট অ্যান্ড ট্রেডমার্ক অফিস কর্তৃক রেজিস্ট্রেশনকৃত একটি অর্গানাইজেশন। তাই আইনগতভাবে এ কমিটি ব্যতিত অন্য কেউ ফোবানা এবং তার লগো ব্যবহার করতে পারবেন না।,নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মীর এইচ চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে ৩৩তম ফোবানা কনভেনশনের হোস্ট কমিটির কনভেনর নার্গিস আহমেদ এবং সদস্য-সচিব আবির আলমগীর জানান, নিউইয়র্ক সিটি সংলগ্ন লং আইল্যান্ডে নাসাউ কলিসিয়ামের বিলাসবহুল অডিটরিয়ামে একইসাথে দুটি মঞ্চে অনুষ্ঠান চলবে। ৯ হাজার আসনবিশিস্ট এ অডিটরিয়ামের দু’দিনের ভাড়া ২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এছাড়াও উদ্বোধনী দিনের পৃথক অডিটরিয়ামে লাগবে আরো অর্ধ লক্ষাধিক ডলার। নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়া, বস্টন, টেক্সাস, ফোরিডা, জর্জিয়া, ভার্জিনিয়া, মিশিগান, ক্যালিফোর্নিয়াসহ বাংলাদেশী অধ্যুষিত রাজ্য থেকে ৮০টিরও অধিক সংগঠনের সদস্য-কর্মকর্তারা পারফর্ম করবেন। সম্মেলন সফল করার লক্ষে সর্বত্র চলছে রিহার্সেল।
‘ড্রামা সার্কল’র প্রতিষ্ঠাতা ও হোস্ট কমিটির কনভেনর নার্গিস আহমেদ এবং ফোবানা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান মীর এইচ চৌধুরী প্রবাসীদের ঐক্য প্রক্রিয়ার বিষয়ে বলেন, ২০০৪ সাল থেকেই তারা নানাভাবে চেষ্টা করেছেন ফোবানাকে একত্রিত করতে। কিন্তু ‘সালিশ মানি তো তালগাছটা চাই’ মনোভাবের কারণে কতিপয় ব্যক্তি ফোবানার মূলধারার বাইরে রয়েছেন। তারাই ঐক্যের বিপরীতে অবস্থান করছেন। উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশীদের ঐক্যের বন্ধন সুসংহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা। তারা আশাবাদ ব্যক্ত কওে আরো বলেন, সচেতন প্রবাসীরা অবশ্যই ফোবানার ৩৩তম কনভেনশনে জড়ো হবেন। সেখানে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণের পাশাপাশি থাকবে মূলধারার রাজনীতিকদের সরব উপস্থিতিও।
সংবাদ সম্মেলনে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কমিউনিটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত হন। এর মধ্যে ছিলেন ফোবানার ভাইস চেয়ারপার্সন (টেক্সাস) শাহ হালিম, সাবেক চার চেয়ার পার্সন মাহাবুব রেজা রহিম (আরিজোনা), আতিকুর রহমান (ফ্লোরিডা), নাহিদ চৌধুরী মামুন (নিউজার্সি) এবং বেদারুল ইসলাম বাবলা (নিউইয়র্ক), আউস্ট্যান্ডিং মেম্বার জসীম উদ্দিন (জর্জিয়া), রবিউল করিম বেলাল (ক্যানসাস), নির্বাহী সদস্য গোলাম ফারুক ভূইয়া (নিউজার্সি), শহিদুল মল্লিক বাঁধন (লং আইল্যান্ড), নাহিদা আলী (টেক্সাস) এবং কবির কীরন (নিউজার্সি)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হোস্ট কমিটির প্রেসিডেন্ট ড. দেলওয়ার হোসেন, চীফ কো-অর্ডিনেটর জহির মাহমুদ প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ফোবানা কনভেনশনকে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নেমেছে হোস্ট সংগঠন ‘ড্রামা সার্কল’ সহ সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশী প্রজন্মকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।আরও উপস্থিত ছিলেন ফোবানার ভাইস চেয়ারপার্সন (টেক্সাস) শাহ হালিম, সাবেক চার চেয়ারপার্সন মাহাবুব রেজা রহিম (আরিজোনা), আতিকুর রহমান (ফ্লোরিডা), নাহিদ চৌধুরী মামুন (নিউজার্সি) ও বেদারুল ইসলাম বাবলা (নিউইয়র্ক), মেম্বার জসীমউদ্দিন (জর্জিয়া), রবিউল করিম বেলাল (ক্যানসাস), নির্বাহী সদস্য গোলাম ফারুক ভূইয়া (নিউ জার্সি), শহিদুল মল্লিক বাঁধন (লং আইল্যান্ড), নাহিদা আলী (টেক্সাস) ও কবির কীরন (নিউজার্সি), আয়োজক কমিটির প্রেসিডেন্ট দেলওয়ার হোসেন ও চিফ কো-অর্ডিনেটর জহির মাহমুদ।
উল্লেখ, একই সময় ‘ফোবানা’ নামে আরো একটি সম্মেলন হবে নিউইয়র্ক এ। ফেডারেশন অব বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ইন নর্ আমেরিকা  ব্যানারে আয়োজিত এ সম্মেলনের ব্যাপারে বৃহস্পতিবার আয়োজন করা হয়েছিল অপর সংবাদ সম্মেলনটি।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে বাংলাদেশী গ্রোসারীতে ডাকাতি ॥ একজন গুলিবিদ্ধ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-২০ ০১:১২:০৭

বাংলাদেশী অধ্যুষিত নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড সিটিতে বাংলাদেশী মালিকানাধীন একটি গ্রোসারী স্টোরে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গত ১৭ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ৩৬ এভিনির বনফুল গ্রোসারীতে এই ডাকাতি হয়। এই ঘটনায় মোহাম্মদ রাসেল নামে একজন বাংলাদেশী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ডাকাতদের ধাওয়া করতে গেলে পলায়রত একজন তার পায়ে গুলি করে। এতে রাসেল আহত হন। তাকে নিউইয়র্কের এলমার্স্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কমিউনিটিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টির পাশাপাশি আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশী কমিউনিটির অতি পরিচিত লং আইল্যান্ড সিটির ৩৬ এভিনিউর উপর (২৯ ও ৩০ স্ট্রীটের মাঝখানে) অবস্থিত বনফুল গ্রোসারী। এটি বাংলাদেশী মালিকানাধীন পুরনো একটি গ্রোসারী প্রতিষ্ঠান। এই গ্রোসারীর সামনেই ৩৬ এভিনিউর উপর সবার পরিচিত আলাদীন ও বৈশাখী রেষ্টুরেন্ট সহ আরো একাধিক বাংলাদেশী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন গত ১৭ নভেম্বর শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ৩ মুখোশধারী ডাকাত হানা দেয় গ্রোসারীতে। তাদের দুজন প্রথমে গ্রোসারীতে প্রবেশ করে একজন নিজেকে পুলিশের লোক বলে পরিচয় দেয় এবং জাল ডলার রয়েছে বলে অভিযোগ তোলে। এরপর একজন ক্যাশ রেজিষ্টারে থাকা জাকারিয়া হোসেন শিবলু নামের একজনকে আঘাত করে রেজিষ্টিারে হানা দেয় এবং অপর দুজন ভিতরে-বাইরে পজিশন নেয়। পরে অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে তারা রেজিষ্টারের ক্যাশে রাখা অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় গ্রোসারীতে আসা ক্রেতারা ভয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। সেই সাথে বাইরেও ছুটাছুটি শুরু হয়। 

ঘটনার কয়েক মিনিটের মধ্যেই নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ছুটে আসে এবং গ্রোসারীটির সামনে লোক চলাচল বন্ধ করে দেয়। এরই মধ্যে ডাকাতরা পালাতে শুরু করলে তাদের ধাওয়া করেন গ্রোসারিটির স্বত্তাধিকারীর ঘনিষ্ট আতœীয় রাসেল আহমদ। এ সময় পলায়নরত অবস্থায় রাসেল আহমদ দূর্বৃত্ততের ঠেকাতে গেলে ডাকাতের দলের একজন তার পায়ে উপর্যুপরী দুইবার গুলি করে। পরে দূর্বৃত্তরা একটি ভ্যানে করে পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় তাকে এলমার্স্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার অবস্থা আশংকামুক্ত বলে জানা গেছে। রাশেদ সিলেটের সন্তান। দূর্বৃত্তরা গ্রোসারীর ক্যাশ থেকে ২০০০ ডলার নিয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ গ্রোসারীর ভিডিও ক্যামেরা ফুটেজ দেখে অপরাধীদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

মাহফুজুর রহমানের দাফন সম্পন্ন, জানাজায় শত শত মানুষ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-৩০ ১৩:৪১:২১

দীর্ঘ প্রায় তিন বছরের মতো মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন কমিউনিটির পরিচিত মুখ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা ও খুলনা সোসাইটি ইউএসএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইবনে মাহফুজুর রহমান মাহফুজ (৫৩)। চলে গেলে না ফেরার দেশে। গত ২৬ অক্টোবর শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার (নিউইয়র্ক সময়) দিকে তিনি ফ্লাশিং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্ন ইলাইহে রাজেউন)। ব্রেন হেমারেজের শিকার হয়ে গুরুতর অসুস্থ্য হন মাহফুজ। সেই থেকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের বেডেই কাটে তার জীবন। মৃত্যুকালে তিনি বৃদ্ধা মা ও একমাত্র পুত্র ছাড়াও ছয় ভাই ও এক বোন সহ অনেক আতœীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব রেখে গেছেন। মাহফুজের মরদেহ শনিবার (২৭ অক্টোবর) ভোর রাতে হাসপাতাল থেকে নিয়ে রিজউডস্থ পাক ফিউনারেল হোমে রাখা হয়। তার বেদনাবিধুর অকাল মৃত্যুতে কমিউনিটির সর্বত্রই শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে মরহুম মাহফুজুর রহমানের জানাজায় সর্বস্তরের শত শত প্রবাসীর অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে তার মরদেহ নিউজার্সীতে দাফন করা হয়। রোববার (২৮ অক্টোবর) বাদ জোহর জ্যামাইকার দারুস উলুম মসজিদ ও মাদ্রাসায় তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, ১৯৬৫ সালে খুলনায় জন্মগ্রহণকারী মাহফুজুর রহমান ২০১৫ সনের ২২ নভেম্বর নিউইয়র্কের বাসায় ব্রেন হেমারেজের শিকার হন। এই ঘটনার পর পরই মাহফুজকে স্থানীয় এলমহার্স্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর পরবর্তীতে তাকে ম্যানহাটানস্থ প্রেস বাইটেরিয়ান হসপিটালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে তাকে ফ্লাশিং হাসপাতাল এবং সেখান থেকে ফ্লাশিং-এর একটি রিহাব সেন্টারে তাকে ভর্তি করা হয়। সর্বশেষ তিনি ফ্লাশিং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ব্রেন হেমারেজের পর থেকেই তিনি সঙ্গাহীন অবস্থান মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা, মিষ্টভাষী ব্যক্তিত্ব খুলনা’র সাবেক ছাত্রনেতা মাহফুজুর রহমান গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পর ইতিমধ্যে তার সংসারে ঘটে যায় অনেক বিয়গান্তক ঘটনা। নানা কারণে গত বছর তার স্ত্রী নাদিয়া আফরোজ সুমি (৩৯) নিউইয়র্কেই আতœহত্যা করেন। বাবার অসুস্থতা আর মায়ের আতœহত্যার পর তাদের একমাত্র পুত্র সামিন ফারুকি থাকেন চাচার কাছে।
গত সপ্তাহে মাহফুজুর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে পুনরায় ফ্লাশিং হাসপাতালের ইন্টেনসিভ কেয়ারে রাখা হয়। সেখানেই তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। গত ১৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু ও যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আহমেদ তাকে দেখতে হাসপাতালে যান।
দাফন: মাহফুজের নামাজে জানাজা শেষে মরহুমের ছোট ভাই ইবনে মাসুদ রহমানের তত্ত্বাবধানে জ্যামাইকা থেকে তার মরদেহ নিউজার্সীতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর রোববার বিকেলে নিউজার্সীর মুসলিম কবর স্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। এসময় তার অন্যান্য নিকটাত্বীয় ছাড়াও ঘনিষ্ট বন্ধুজন উপস্থিত থেকে কবর দেন এবং বিশেষ মুনাজাতে অংশ নেন।  
নামাজে জানাজা: রোববার বাদ জোহর জ্যামাইকার দারুস উলুম মসজিদ ও মাদ্রাসায় তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসা সংলগ্ন পার্কিং লটে অনুষ্ঠিত জানাজা নামাজে ইমামতি করেন ঢাকাস্থ জাতীয় মসজিদ বাতুল মোকাররম-এর সাবেক ইমাম মুফতি রফিক আহমেদ। জানাজায় কমিউমিটির সর্বস্তরের শত শত মানুষ অংশ নেন। এর আগে জোহরের নামাজের আগে মুরহুম শাহফুজুর রহমানের ছোট ভাই ইবনে মাসুদ রহমান সহ অন্যান্যের মধ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, দারুস উলুম মসজিদ-এর ইমাম ও মাদ্রাসার প্রিন্সিপ্যাল মওলানা ইয়ামীন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ স¤্রাট ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু এবং ডা. মাসুদুর রহমান। এসময় তারা মরহুম মাসুদুর রহমানকে একজন ভালো ও সমাজবেসক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ব্যক্তিগত জীবনে মাহফুজ হাসি-খুশী, মিষ্টভাষী আর পরপোকারী মানুষ ছিলেন। বক্তারা তার বিদেহী আতœার শান্তি কামনা করেন। 

জানাজায় কমিউনিটির উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি নেতা গোলাম মওলা মানিক, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ স¤্রাট ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু, বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক’র ট্রাষ্টিবোর্ডের সদস্য কাজী আজহারুল মিলন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম ও আতাউর রহমান সেলিম, ডা. মাসুদুর রহমান, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর আনোয়ার হোসেন, সোসাইটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ‘রব-রহুল’ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী আব্দুর রব মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রুহুল আমীন সিদ্দিকী এবং ‘নয়ন আলী’ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আলী, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট ইসমাইল খান আনসারী, চট্টগ্রাম সমিতি ইউএসএ’র সাবেক সভাপতি কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর এসোসিয়েশন ইউএসএ’র সভাপতি শাহাদৎ হোসেন, বিএনপি নেতা শরীফ আহমেদ লস্কর, আজাদ বাকের, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আহমদ, যুবদল নেতা ও দেবিদ্ধার কলেজের সাবেক ভিপি জহির মোল্লা, আমানত হোসেন আমান, মহিদুল ইসলাম মুহিত, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দরুদ মিয়া রনেল, জেবিবিএ নেতা হারুণ ভূঁইয়া, জে মোল্লা সানী, বাংলাদেশ সোসাইটির ক্রিড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক নওশেদ হোসেন সিদ্দিকী, সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তা সৈয়দ এনায়েত, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সহ সভাপতি মুক্তার হোসেন, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ইয়াকুত হোসেন প্রমুখ। 

শোক প্রকাশ: কমিউনিটির পরিচিত মুখ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা ও খুলনা সোসাইটি ইউএসএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইবনে মাহফুজুর রহমান মাহফুজ-এর ইন্তেকালে কমিউটিটির সর্বস্তরের ব্যক্তিবর্গ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে তার বিদেহী আতœার শান্তি কামনা করেছেন। সাংবাদিকদের মধ্যে শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও আবু তাহের, সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সিরাজুল ইসলাম ও এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, ভোয়া’র নিউইয়র্ক প্রতিনিধি আকবর হায়দার কিরণ, ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী প্রমুখ।

শোক ও সমবেদনা প্রকাশকারীদের মধ্যে আরো রয়েছেন: বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক’র সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি গিয়াস আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান ভূইয়া (মিল্টন ভূইয়া), সাবেক সহ সভাপতি সামসুল ইসলাম মজনু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম, বিএনপি নেতা ফারুক চৌধুরী, ডা. জাহিদুন্নবী দেওয়ান, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আহমদ, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ইউএসএ’র-এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, নিউজার্সী বিএনপি’র সভাপতি সৈয়দ জুবায়ের আলী ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সভাপতি শেখ হায়দার আলী, নিউইয়র্ক ষ্টেট বিএনপি নেতা ইমরান শাহ রন, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট মোহাম্মদ সেলিম (বক্সার), আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি মোহাম্মদ শাহাদৎ হোসেন রাজু, সঙ্গীত শিল্প শাহ হামজা প্রমুখ।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্ক কমিউনিটির পরিচিত মুখ মাহফুজুর রহমান আর নেই

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৮ ১৩:১৫:৪৪

দীর্ঘ প্রায় তিন বছরের মতো মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন কমিউনিটির পরিচিত মুখ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা ও খুলনা সোসাইটি ইউএসএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইবনে মাহফুজুর রহমান মাহফুজ (৫০)। ২৬ অক্টোবর শুক্রবার রাত ১০টার (নিউইয়র্ক সময়) দিকে তিনি ফ্লাশিং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইন্তেকাল করেন (ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্ন ইলাইহে রাজেউন)। ব্রেন হেমারেজের শিকার হয়ে গুরুতর অসুস্থ্য হন মাহফুজ। সেই থেকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের বেড়েই কাটে তার জীবন। মাহফুজের মরদেহ শনিবার ভোর রাতে হাসপাতাল থেকে নিয়ে রিজউডস্থ ফিউনারেল হোমে রাখা হয়েছে।

মরহুম মাহফুজুর রহমানের মরদেহ নিউইয়র্কের ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল অথবা নিউজার্সীতে দাফন করার চিন্তাভাবনা চলছে। মেরিল্যান্ডে বসবাসকারী তার ছোট ভাই ইবনে ফারুক মাসুদুর রহমান নিউইয়র্কের পথে। তিনি নিউইয়র্কে পৌছার পরই মহাফুজের দাফনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। রোববার (২৮ অক্টোবর) তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে, তবে সময় এখনো চুড়ান্ত হয়নি। 

২০১৫ সনের ২২ নভেম্বর নিউইয়র্কের বাসায় ব্রেন হেমারেজের শিকারের পর পরই মাহফুজকে এলমহার্স্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর পরবর্তীতে তাকে ম্যানহাটান এর প্রেস বাইটেরিয়ান হসপিটালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে তাকে ফ্লাশিং হাসপাতাল এবং সেখান থেকে ফ্লাশিং-এর একটি রিহাব সেন্টারে তাকে ভর্তি করা হয়। সর্বশেষ ফ্লাশিং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ব্রেন হেমারেজের পর থেকেই তিনি সঙ্গাহীন অবস্থান মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা, মিষ্টভাষী ব্যক্তিত্ব খুলনা’র সাবেক ছাত্রনেতা মাহফুজুর রহমান গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পর ইতিমধ্যে তার সংসারে ঘটে যায় অনেক বিয়োগান্তক ঘটনা। গত বছর তার স্ত্রী নাদিয়া আফরোজ সুমি (৩৯) নিউইয়র্কেই আত্মহত্যা করেন। বাবার অসুস্থতা আর মায়ের আত্মহত্যার পর তাদের একমাত্র পুত্র সামিন ফারুকি থাকেন চাচার কাছে।

গত সপ্তাহে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে পুনরায় ফ্লাশিং হাসপাতালের ইন্টেনসিভ কেয়ারে রাখা হয়। সেখানেই তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। গত ১৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু ও যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আহমেদ তাকে দেখতে হাসপাতালে যান।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নাঈমা খান জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত মনোনীত

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৪ ১৫:২১:১২

নিউইয়র্কে মানসম্মত শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নের পথ বেয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য’ তথা এসডিজি অর্জনের পথ সুগম করার অভিপ্রায়ে কমিউনিটির পরিচিত প্রতিষ্ঠান খান’স টিউটোরিয়াল-এর চেয়ারপার্সন নাঈমা খানকে ‘জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব মিডিয়ার নির্বাহী পরিচালনা পর্ষদের কো-চেয়ার ড. আমিন ক্রুজ গত ১৫ অক্টোবর এ নিয়োগের আদেশ প্রদান করেন। নাঈমা খান তিন বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন। গত ১৯ অক্টোবর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এ নিযুক্তির সার্টিফিকেট আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে হস্তান্তর করা হয়। এসময় ইউএস সিনেটর বব বেমেন্ডেজ (নিউজার্সি), নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসম্যান আদ্রিয়ানো এসপাইলেট, নিউইয়র্ক সুপ্রিম কোর্টের জজ কারমেন ভেরাজকুয়েজ এবং খানস টিউটোরিয়াল-এর সিইও ডা. ইভান খান উপস্থিত ছিলেন।

‘জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত’ মনোনীত হওয়ার পর নাঈমা খান তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে শিক্ষার উন্নয়নে তার ভূমিকা রাখার রূপরেখা তুলে ধরেন। এদিকে জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত বা গুড উইল এম্বেসেডর-এর মতো বিরল এই সম্মানের খবরে কমিউনিটির অনেকেই নাঈমা খান-কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ২১ অক্টোবর রোববার সকালে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোটবোন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা। লন্ডন থেকে শেখ রেহানা তাকে ফোনে অভিনন্দন জানান বলে নাঈমা খান জানান। এ সময় শেখ রেহানা বলেছেন, এটা আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত খুশীর খবর। প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশে-বিদেশে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আপনার এই খবরটি অন্যতম, আপনাকে অভিনন্দন। শেখ রেহানা নাইমা খানের সাথে প্রায় আধঘন্টা কথা বলেন বলে জানা গেছে।  উল্লেখ্য, শেখ রেহানা এবং নাঈমা খান দু’জনই সহপাঠি এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

জানা গেছে, জাতিসংঘের ‘শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবে নাঈমা খান আগামী ৩ বছর মর্যাদাসম্পন্ন শিক্ষা প্রসারের নানা কর্মসূচি নিয়ে বিভিন্ন দেশে সভা-সিম্পোজিয়াম করবেন। উল্লেখ্য, এসডিজি অর্জনের ১৭টি বিষয়ের মধ্যে চতুর্থতম হচ্ছে শিক্ষা। জাতিসংঘের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সংস্থা কাজ করে থাকে। জাতিসংঘের সাসটেইনেবল গোল অর্থাৎ ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য’ কর্মসূচী বাস্তবায়নের কাজ করছে ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব মিডিয়া এবং হিস্পানিক-আমেরিকান কংগ্রেস অব প্রেস। 

এদিকে সম্মানজনক ‘জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত’ নিযুক্ত হওয়ায় নাঈমা খান তার এই বিশেষ সম্মানের জন্যে প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, স্কুলগামী সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় নিষ্ঠার সাথে দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্যে সকল অভিভাবকের আস্থা তৈরী হবার পরিপ্রেক্ষিতে এমন একটি বিরল দায়িত্ব পাওয়া বড় সম্মানের। এর মধ্য দিয়ে প্রকারান্তরে বাংলাদেশের মুখই উজ্জ্বল হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রসঙ্গত: আরো উল্লেখ্য যে, নিউইয়র্কে স্বল্প আয়ের বাংলাদেশীসহ অভিবাসী সমাজের সন্তানদের নিউইয়র্কের স্পেশালাইজড স্কুলগুলোতে ভর্তির উপযোগী কোর্স প্রদানের মধ্য দিয়ে ‘খান’স টিউটোরিয়াল’ গত দুই দশক ধরে কমিউনিটি সহ নিউইয়র্কের বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মরহুম ড. মনসুর খান। তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত রাষ্ট্রীয় একুশে পদক (শিক্ষা) পেয়েছিলেন। নিউইয়র্কে সিটিতে বর্তমানে ‘খান’স টিউটোরিয়াল’ ১১টি শাখা চালু রয়েছে।
নাঈমা খান ঢাকা ও রাশিয়ায় (অভিভক্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন) লেখাপড়া শেষে করে দেশে ফিরে স্বকালীন সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। ১৯৮৫ সালে স্বামী ড. মনসুর খান এবং একমাত্র পুত্র ইভান খানকে সাথে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী হন এবং নিউইয়র্কে স্থায়ী বসবাস শুরু করেন। ১৯৮৮ সাল থেকে তিনি নিউইয়র্ক সিটির সার্টিফাইড এলিমেন্টারী স্কুল শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং শিক্ষকতার পাশাপাশি নিউ স্কুল ইউনিভার্সিটি থেকে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স ডিগ্রিী সম্পন্ন করেন। ১৯৯৫ সালে ড. মনসুর খান ‘খানস টিউটিরোরিয়াল’ প্রতিষ্ঠার সময় সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন এবং বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করছেন। নাঈমা খান তার নানা কর্মকান্ডের জন্য ব্যক্তিগতভাবে ইউএস কংগ্রেস, নিউইয়র্ক ষ্টেট ও সিটি, নাসাও কাউন্টি, ব্রঙ্কস বরোর একাধিক জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে সম্মাননা ছাড়াও ইউনেস্কো সম্মাননা ও ড্যানি গ্রোভার সম্মাননা লাভ করেছেন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

জাতীয় পার্টি নিউইয়র্ক মহানগর শাখার কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২২ ১৪:১৪:১০

গত ১৫ই অক্টোবর  সোমবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় জ্যাকসন হাইটস্থ  টেষ্ট অব লাহোর রেষ্টুরেন্টে জাতীয় পার্টির নিউইয়র্ক মহানগর শাখা পুনঃ গঠন উপলক্ষে এক কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টি নিউইয়র্ক মহানগর শাখার সভাপতি শুভংকর গাঙ্গুলী, সভা পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক  হেলাল উদ্দিন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপার সিনিয়র উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ শওকত আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা গিয়াস মজুমদার, ডা. সেলিম উদ্দিন, জাপার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য হাজী আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি কেন্দ্রীয় সদস্য হাজী জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট হারিস উদ্দিন আহমেদ, সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সদস্য  লুৎফুর রহমান, যুগ্ম প্রচার সম্পাদক ওয়াহিদ ফেরদৌস। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা আবু তালেব চৌধুরী চান্দু। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভানেত্রী ডাঃ নার্গিস রহমান ও সাধারণ সম্পাদিকা শাহানাজ বেগম, জাতীয় শ্রমিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবিদুর রহমান, জাতীয় যুব সংহতির সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম আলী প্রমুখ।
সভায় আগামী ২ বৎসরের জন্য জাতীয় পার্টি নিউইয়র্ক শাখার সভাপতি শুভংকর গাঙ্গুলী, সাধারণ সম্পাদক  হেলাল উদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মতিন সহ ১১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গটিত হয়। নতুন কমিটি আগামী দিনে জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাথে মিলে মিশে কাজ করবে এবং চেয়ারম্যান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ এর হাতকে শক্তিশালী করবে।
সভায় আগামী ২০ শে অক্টোবর জাতীয় পার্টির মহা সমাবেশ সামনে রেখে বিভিন্ন কর্মসূচীকে সমর্থক জানানো হয়। আমাদের নেতা চেয়ারম্যান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ সাহেব একটি চমক দেখাবেন। বর্তমান সংসদের বিরোধী দল আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩০০ আসনে প্রার্থী দিবেন। বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজ সরকারী কর্মচারীদের হাতে আজ দেশ বন্দি হইয়া আছে। চেয়ারম্যান এরশাদ সাহেব দেশ বিদেশে আগামী দিনে নির্বাচনে জাতীয় পার্টির পক্ষে জোয়ার তুলার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন এবং সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

যুক্তরাষ্ট্র উদীচী’র ২০ বছর পূর্তি ও হেমন্ত উৎসব ২০-২১ অক্টোবর

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-১১ ১৬:৩৫:৪১

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সুবর্ণ-জয়ন্তী পালন এবং যুক্তরাষ্ট্র উদীচী’র ২০ বছর পূর্তি, দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও হেমন্ত উৎসব আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী ২০-২১ অক্টোবর দুদিন ব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে থাকবে নানা আয়োজন। জ্যাকসন হাইটসের উদীচী স্কুলে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উদীচির  নেতৃবৃন্দ এসব কথা জানান।
যুক্তরাষ্ট্র উদীচী’র সভাপতি ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জীবন বিশ্বাস। এসময় সংগঠনের অন্যান্য কর্তকর্তাদের মধ্যে সহ সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস, শরাফ সরকার, শফি চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ সাবিনা হাই উর্বি, সহ সাধারণ সম্পাদক মোহিত আচার্য ও সুদ্রিতা পাল, প্রচার সম্পাদক তুষাল রায়, সদস্য শাহানা আক্কার নুপূর, মহাদেব মল্লিক, সমির মন্ডল, নাজনীন সুলতানা, শুক্লা চক্রবর্তী, রাবেয়া আক্তার, মুক্তা ধর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। খবর ইউএনএ’র। 
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়: ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ভাষা আন্দোলন বাঙালীর চেতনায় যে স্বাধীনতার বীজ বুনেছিল তারই পটভূমিতে ষাটের দশকের শেষ প্রান্তে এসে উপরোক্ত মন্ত্রের দীক্ষায় সতীর্থ বিপ্লবীদের নিয়ে সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত সহ আরো অনেক বিপ্লবী মিলে গণ-সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘উদীচী’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে ক্ষমতা দখল করে প্রবল পরাক্রমে প্রতিক্রিয়াশীল সমরনায়কচক্র বাঙালীর সব অর্জনকে তখন দলিত করার ঘৃণিত অপকর্মে ব্যাপৃত। বাঙালীত্বের মন্ত্র তখন দলিত, রবীন্দ্রনাথ নিষিদ্ধ, নজরুল দ্বিখন্ডিত এবং সর্বক্ষেত্রে শোষণ তার নীল থাবায় দগদগে ঘা তৈরীতে নিরন্তর ব্যস্ত। সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত প্রমুখ তখন গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তির পরিপূরক শক্তি হিসেবে সংস্কৃতির প্রত্যক্ষ ভূমিকা একান্ত প্রয়োজন; সাধারণ জনগনের কাছে গ্রহনযোগ্য সংগঠন হিসেবে সাংস্কৃতিক সংগঠনই সর্বোত্তম পন্থা। জনগনের আশা-আকাংখাকে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডর মাধ্যমে উদ্বেলিত করার ব্রত নিয়ে ১৯৬৮ সালের ২৯ অক্টোবর উদীচীর জয়যাত্রা শুরু আজও তা বেগবান, আজও তা অম্লান। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কাছে ২০১৮ সাল তাই অর্ধশত বছরের সংগ্রামী অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ একটি অর্থবহ বছর।
গণবিরোধী দানব যুগে যুগে, দেশে দেশে প্রথমেই আঘাত হানে সংস্কৃতির ওপর; অসাম্প্রদায়িক শক্তির বিনাশে থাকে সদা সচেষ্ট। এই দানব যতটা না সন্ত্রস্ত থাকে রাজনৈতিক দলগুলোর অধিকার আদায়ের সংগ্রামী কর্মকান্ডে তার চাইতে বেশী সন্ত্রস্ত থাকে প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মকান্ডে; কারণ সংস্কৃতির প্রাণ প্রবাহই একটি জাতির মানসে তার স্বাধিকার বোধের উন্মেষ ঘটায়, নিজের পরিচয়কে নির্দিষ্ট করে। উদীচীও সেরকমই একটি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন যার রক্তাক্ত অভিজ্ঞতায় আছে প্রতিক্রিয়াশীল দানবের ১৯৯৯ এর ৬ মার্চের হত্যাকান্ড এবং ২০০৫ এর ৮ ডিসেম্বরের নেত্রকোণা হত্যাকান্ড। তবুও উদীচীর অগ্রগামী যাত্রাকে রোখা যায়নি। প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পরে আজ (২০১৮) দেশে এবং বিদেশে মোট ৩২১ টি শাখায় উদীচীর নিয়মিত কর্মকান্ড এগিয়ে চলেছে।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়: পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকেই জীবন এবং জীবিকার প্রয়োজনে বাঙালী বিদেশে পাড়ি দিতে থাকে। আজ অর্ধশতাব্দীরও ওপরে এই বহির্গমন যেমন বিদেশে বাঙালীর পরিচয়কে করেছে নির্দিষ্ট তেমনি আবার বাঙালীত্বের গৌরব হারিয়ে যাওয়ার ভীতিকেও করেছে দৃশ্যমান। বিদেশের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতির সরব উপস্থিতি এবং বিদেশে বাঙালী বংশোদ্ভুত নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার মানসে বিদেশেও উদীচীর অভিযাত্রা শুররু হয় নব্বই দশকের শেষভাগে।
১৯৯৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের সূচনা, ভান্ডারে তার ২০ বছরের সুফল। প্রাথমিকভাবে বিদেশের প্রতিকুল পরিবেশে সীমিত কর্মকান্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও ২০০৩ সাল থেকে বৃহত্তর পরিসরে উদীচী নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উদীচী স্কুল অব পারফর্মিং আর্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সরাসরি নতুন প্রজন্মের সঙ্গে যোগসুত্র স্থাপন করে। বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের সঠিক ইতিহাস এবং হাজার বছরের বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উদীচী স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারী, পহেলা বৈশাখসহ সব ধরনের জাতীয় দিবস ও উৎসবকে যাথাযথভাবে পালন করে আসছে।
বিদেশে উদীচীর মূলমন্ত্র হচ্ছেঃ বাংলা সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা ও পরিচয় করিয়ে দেবার পাশাপাশি বিদেশে বাংলা সংস্কৃতির প্রচার, প্রসার ও সংরক্ষণ। এই মূলমন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে উদীচী যুক্তরাষ্ট্র,  উদীচী স্কুল অব পারফর্মিং আর্টস-এর নিয়মিত কার্যক্রমে বাংলা সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় প্রশিক্ষণের বিশেষ ব্যবস্থা চালু করেছে এক যুগেরও বেশী সময় আগে। প্রশিক্ষণে বাংলা, সঙ্গীত, নৃত্য, তবলা, আবৃত্তি ছাড়াও উপস্থাপনার বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সংস্কৃতিপ্রেমী চৌদ্দজনের একটি অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা উদীচী স্কুল অব পারফর্মিং আর্টস-এর নিয়মিত কার্যক্রম চলে। এর বাইরে বিভিন্ন সময়ে রবীন্দ্রনাথের ঋতুভিত্তিক গান ও কবিতা নিয়ে বিশেষ আলেখ্যানুষ্ঠান ‘মোর বীণা ওঠে কোন সুরে বাজি’, কাজী নজরুলের গান ও কবিতা নিয়ে ‘মানুষ নজরুল’, দেশপ্রেম নিয়ে আলেখ্যানুষ্ঠান ‘মা মাটি মানুষ’, কবি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নিয়ে আলেখ্যানুষ্ঠান ‘ধূসর পান্ডুলিপি’ ছাড়াও সবচেয়ে প্রশংসিত পরিবেশনা রবীন্দ্রনাথের গীতিনৃত্যনাট্য ‘চিত্রাঙ্গদা মঞ্চায়ন করে।
লিখিত বক্তব্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী’র একুশে পদক প্রাপ্তির কথা উল্লেখ করে বলা হয়: বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পরে সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি-স্বরূপ ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে প্রতি বছর একুশে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একুশে পদক প্রচলনের পর এ পর্যন্ত শুধুমাত্র ব্যক্তি বিশেষকেই এই পদক প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এই প্রথমবারের মত একটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী একটি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে সর্বপ্রথম সেই একুশে পদক পাওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিলম্বে হলেও ২০১৩ সালের একুশে পদক যথার্থভাবেই উদীচীকে প্রদান করে এর লক্ষ লক্ষ কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী এবং কর্মকর্তাদেরকে সম্মানিত করা হয়েছে। এই সম্মান অবশ্যই বিদেশেও উদীচী সহ সকল প্রগতিশীল সংগঠনকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। সেদিক থেকে বর্তমান সরকারের কাছে উদীচী কৃতজ্ঞ।
এতে উদীচী কানাডা ছাড়াও কয়েকটি ইউরোপীয় শাখার অংশগ্রহনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয়: ২০ অক্টোবর, শনিবারের অনুষ্ঠানমালার মধ্যে থাকবে: বিভিন্ন বিষয়ে শিশু কিশোরদের প্রতিযোগিতা, শোভাযাত্রা, মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র প্রদর্শন, আড্ডা, মধ্যাহ্ন ভোজ এবং স্টল পরিদর্শন,    সেমিনার, কর্মশালা, আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং উদীচীর উদ্বোধনী পরিবেশনা ছাড়াও ‘উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বছর, সাম্প্রদায়িকতা ও সংস্কৃতির সংকট’ শীর্ষক বিষয়ক শুভেচ্ছা বক্তব্য, উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ, উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বছর পূর্তিতে সম্মাননা প্রদান, উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর শিল্পীদের একক সঙ্গীতানুষ্ঠন, পুরস্কার বিতরণী, নাটিকা উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর মা-মাটি-মানুষ পরিবেশনা ও সঙ্গীতানুষ্ঠান।
২১ অক্টোবর,  রোববার-এর অনুষ্ঠানমালার মধ্যে থাকবে: বিভিন্ন বিষয়ে শিশু কিশোরদের পুস্তক পাঠের প্রতিযোগিতা, মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র প্রদর্শন, আড্ডা এবং মধ্যাহ্ন ভোজ এবং স্টল পরিদর্শন, সেমিনার, কর্মশালা, উদীচীর উদ্বোধনী পরিবেশনা, শুভেচ্ছা, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ৫০ বছর (সুবর্ণজয়ন্তী) শীর্ষক প্যানেল আলোচনা, সত্যেন সেন স্মারক পুরস্কার প্রবর্তন, পুরস্কার বিতরণ, মুত্তালিব বিশ্বাসের গ্রন্থনা ও পরিচালনায় উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর পরিবেশনা ‘ঐতিহ্যবাহী বাংলা গান’এর প্রম পর্ব লোকজ সঙ্গীত। সবশেষে থাকবে জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে সমাপ্তি।
সাংবাাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র উদীচী’র ২০ বছর পূর্তি, দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও হেমন্ত উৎসব কমিটি গঠনের কথাও জানানো হয়। প্রস্তুতি কমিটি নি¤œরূপঃ
আহ্বায়ক- বেলাল বেগ, যুগ্ম আহ্বায়ক- সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ ও ড. নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সমন্বয়ক- ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও সুব্রত বিশ্বাস।  সদস্য সচিব- জীবন বিশ্বাস।
প্রস্তুতি কমিটির সদস্য হিসাবে সহযোগিতা করবেন উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের উপদেষ্টা, শুভানুধ্যায়ী, সদস্যবৃন্দ, বাংলা ভাষায় প্রকাশিত পত্রিকার সম্পাদকবৃন্দ, প্রকাশনা সাথে যুক্ত সাংবাদিক এবং উদীচী স্কুলের অভিভাবক-অভিভাবিকা সহ নিউইয়র্কের বাঙালী সমাজের প্রগতিশীল সম্প্রদায়। এ ছাড়া, এই সম্মেলনের এই বিশাল আয়োজন সফল করতে বিভিন্ন সাব-কমিটি গঠিত হয়েছে।
অর্থ উপ পরিষদ: আশীষ রায়, মুক্তা ধর, সাবিনা হাই উর্বি, মোহিত আচার্য্য।
সাংস্কৃতিক উপপরিষদ: মুত্তালিব বিশ্বাস, দুলাল ভৌমিক, শফি চৌধুরী হারুন, জীবন বিশ্বাস, ফজলুল করিম, তপন মোদক, দীপ্ত রায়, উদিতা তন্বী।
আপ্যায়ন ও অভ্যর্থনা উপ পরিষদ: সুব্রত বিশ্বাস, জেবু চৌধুরী, সুদৃতা পাল সুলেখা, মুক্তা ধর, সমীর মন্ডল, শুক্লা চক্রবর্তী, আলীম উদ্দিন, বেবী মন্ডল, শাহানা আক্তার নূপুর।
মঞ্চ উপ পরিষদ: তুষার রায়, জেবু চৌধুরী, সমীর মন্ডল, মহাদেব মল্লিক, হেনা আচার্য্য, শাহানা আক্তার নূপুর, বিশ্বজিৎ কর্মকার, সুকান্ত দাস হরে।
প্রচার, প্রকাশনা ও যোগাযোগ উপ পরিষদ: ফারুক ফয়সল, ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সুব্রত বিশ্বাস, জীবন বিশ্বাস।
প্রকাশনা উপদেষ্টা: কৌশিক আহমেদ ও হাসান ফেরদৌস।
নিরাপত্তা উপ পরিষদ: মোহাম্মদ আলম নিউমুন, অশোক রায়, আবুল কাশেম সরকার, মোহিত আচার্য্য।
সেমিনার উপ পরিষদ: ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, রাশিদা আব্দুল্লাহ, সুব্রত বিশ্বাস, জীবন বিশ্বাস, সাবিনা হাই উর্বি।
সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন উপ পরিষদ: সুব্রত বিশ্বাস, জীবন বিশ্বাস, আশীষ রায়, সাবিনা হাই উর্বি, সুদৃতা পাল সুলেখা, শুক্লা চক্রবর্তী, মুক্তা ধর, দীপ্ত রায়, উদিতা তন্বী, দিব্য রায়, সঙ্গীতা চক্রবর্তী, অমৃতা রায় মিষ্টি।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে বিয়ের গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২০

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০৭ ১৪:৩৫:১৮

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দুটি গাড়ির সংঘর্ষে ২০ জন মারা গেছেন। রোববার পুলিশের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, শনিবার দুপুর দুইটার দিকে স্কোহায়ারের অ্যাপল ব্যারেল কান্ট্রি স্টোরের সামনে একটি বরযাত্রীবাহী লিমোজিনের(চারদিক ঢাকা মোটরগাড়ি যাতে সামনের বা ড্রাইভারের সিট পার্টিশন দিয়ে আলাদা করা থাকে) সঙ্গে আরেকটি গাড়ির সংঘর্ষের ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্টোরটির ম্যানেজার জেসিকা কিরবি এক ফোন সাক্ষাৎকারে বলেন, রুট ৩০এর গাড়ি পার্ক করার স্থানে থাকা অনেক লোক নিহত হয় লিমোজিনটির ধাক্কায়। গাড়িটি মনে হয় ৬০ মাইল বেগে চলছিল। আমি যা দেখেছি, তা বলতে চাই না। দৃশ্যটি ছিল কল্পনাতীত।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস’র(এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের ১৮ জন লিমোজিনের যাত্রী ও দুজন পথচারী।

পুলিশ জানায়, স্টেট রুট ৩০ এবং স্টেট রুট ৩০এ’র সংযোগস্থলে এই দুর্ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই সাড়া দেয় নিউইয়র্ক পুলিশ এবং স্কোহায়ার কাউন্টি শেরিফ’র(কাউন্টির শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তা) দপ্তর।

একটি বিবৃতিতে নিউইয়র্ক পুলিশ জানায়, নিহতদের নাম এই মুহূর্তে প্রকাশ করা যাচ্ছে না। কারণ এখনও অনেককে শনাক্ত করা যায়নি।

ঘটনাটি তদন্ত করতে একটি টিম পাঠিয়েছে জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ড।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

আমরা দিল্লী মুক্ত বাংলাদেশ চাই : নিউইয়র্কে মতবিনিময়ে যুক্তরাজ্য বিএনপি সভাপতি

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০৬ ১৪:৪৩:৪০

যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সভাপতি এম এ মালিক ভোটার বিহীন নির্বাচনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ক্ষতা ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ করে বলেছেন, আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। আমরা দিল্লী মুক্ত বাংলাদেশ চাই। তিনি বলেন, দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে অবশ্যই বিএনপি জয়লাভ করবে। আর নির্বাচনের আগেই তারেক রহমান বীরের বেশে বাংলাদেশ ফিরে যাবেন। তার সাথে আমরাও দেশে যাবো, দেখবো আওয়ামী লীগ সরকার কয়জনকে আটক করে জেলে পুরেন। তিনি বলেন, ৭১-এ প্রবাসীরা বাংলাদেশের আন্দোলন করে জয়ী হয়েছেন। এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করেছেন। প্রবাসীদের আন্দোলন সংগ্রাম অতীতের যেমন বৃথা যায়নি, ভবিষ্যতেও বৃথা যাবে না। তাই আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে। আগামী নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে।

বিএনপি নেতা এম এ মালিকের সম্মানে যুক্তরাষ্ট্রস্থ দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জবাসীদের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় সিটির জ্যাকসন হাইটসের মেজবান রেষ্টুরেন্টের পার্টি হলে এই সভার আয়োজন করা হয়। শরীফ আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন  যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সহ সভাপতি আলহাজ সোলায়মান ভূঁইয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু, বিএনপি নেতা শরীফ আহমেদ লস্কর, বাসেত রহমান, এবাদ চৌধুরী ও সিলেট বিভাগ উনয়ন পরিষদের সভাপতি চৌধুরী সালেহ।

বিশিষ্ট রাজনীতিক ও কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আহবাব চৌধুরী খোকনের সঞ্চালনায় সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ শাহবাজ হোসেন। সভায় আমন্ত্রিত অথিথিবৃন্দ ছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আমানত হোসেন আমান, সৈয়দ এনাম আহমেদ, জুবের আহমেদ, শাহ কামাল আহমেদ, সেবুল খান মাহবুব, রশিদা আহমেদ মুনা, তাহমিনা আক্তার প্রমুখ।

সভায় এম এ মালিক আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যায়-অবিচার, দূর্নীতি, জুলুম-নির্যাতন, গুম-খুন, হামলা-মামলায় আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তাই দেশ ও প্রবাসের জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যর কোন বিকল্প নেই। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-কে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে উল্লেখ করে বলে, তিনি আদর্শের রাজনীতি করে আধুনিক বাংলাদেশ গড়েছেন। তার আদর্শের সৈনিক আমরা। জিয়ার আদর্শ সামনে রেখে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।

এম এ মালিক বলেন, আধুনিক সিলেটের রূপকার হচ্ছেন মরহুম অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। সেই সিলেট আজ বড়– অবহেলিত। বিএনপি ক্ষতায় আসলে সবাই মিলে সিলেটকে নতুন করে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, আশা করছি সিলেট-৩ আসন (দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জের একাংশ) থেকে আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পাবো। এই আসন কোন অবস্থাতেই ছেড়ে দেয়া হবে না। আর যদি দলের মনোনয়ন না পাই, তারপরও এই এলাকার জন্য কাজ করে দেখিয়ে দেবো উন্নয়ন কাহাকে বলে।

সভায় অন্যান্য বক্তা আগামী জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-৩ আসন থেকে এম এ মালিক-কে মনোনয়ন দেয়ার জন্য বিএনপি’র প্রতি আহ্বান এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটি দেয়ার জন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অনুরোধ করার দাবী জানিয়ে বলেন, তিনি (তারেক রহমান) যাকেই যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র দায়িত্ব দেবেন তার নেতৃত্বেই আমরা কাজ করবো। বক্তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, সব জায়গায় কমিটি থাকলে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটি হবে না কেন? কমিটি না থাকলে প্রবাসের দলীয় নেতা-কর্মীরা উৎসাহ-উদ্দীপনা হারিয়ে ফেলবেন বলেও তারা মন্তব্য করেন। 

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘ সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ঘোষিত ‘যেখানে হাসিনা, সেখানেই প্রতিরোধ’ কর্মসূচীতে অংশ নিতে যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সভাপতি এম এ মালিক নিউইয়র্ক আসেন এবং জাতিসংঘ ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত দলীয় কর্মসূচীতে অংশ নেন। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে হুমায়ূন মেলা ৭-৮ অক্টোবর

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০৬ ১৪:৪০:২৯

নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে দুদিনব্যাপী হুমায়ূন মেলা হচ্ছে আগামী ৭-৮ অক্টোবর যথাক্রমে রোববার ও সোমবার। শো-টাইম মিউজিকের আয়োজনে দ্বিতীয়বারের মতো এ মেলার উদ্বোধন করবেন মরহুম হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী, অভিনয় ও সঙ্গীত শিল্পী মেহের আফরোজ শাওন। ‘হুমায়ুন মেলা’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মেলার প্রস্তুতি সহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এছাড়াও আগামী বছর থেকে নিউইয়র্কে ‘হুমায়ুন মেলা’ নয় ‘হুমায়ুন সম্মেলন’ আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়।

নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে গত বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আয়োজিত এ সাংবাদিক সম্মেলনে মেলার আয়োজক ও শো-টাইম মিউজিকের কর্ণধার আলমগীর খান আলম ছাড়াও মেহের আফরোজ শাওন, জেবিবিএ’র সভাপতি শাহ নেওয়াজ, আজকাল-এর প্রধান সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ জিকো ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হারুন ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে আলমগীর খান আলম বলেন, ৭ ও ৮ অক্টোবর রোববার ও সোমবার নিউইয়র্কের উডসাইডে কুইন্স প্যালেসে এবারের ‘হুমায়ুন মেলা’ অনুষ্ঠিত হবে। মেলা চলবে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। এতে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা ছাড়াও কথাসাহিত্যিক জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, পূরবী বসু, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান, প্রকাশক ওসমান গণি অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। মেলায় হুমায়ূন আহমেদের বইসহ বিভিন্ন পণ্যের স্টল থাকবে। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন শিল্পী মেহের আফরোজ শাওন, এসআই টুটুল ও সায়েরা রেজা সহ প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পী কৃষ্ণা তিথি, চন্দন চৌধুরী,  শাহ মাহবুব, কামরুজ্জামান বকুল, রানো নেওয়াজ, সেলিম ইব্রাহীম প্রমুখ।
সাংবাদিক সম্মেলনে মেহের আফরোজ শাওন বলেন, হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্য ছাড়াও টিভি ও চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন। বাংলাদেশের দর্শকদের বই, নাটক, সিনেমা মুখী করেছেন। তিনি দেশের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনকে অনেক কিছু দিয়ে গেছেন। আমাদের এখন দায়িত্ব হুমায়ূন আহমেদকে দেয়ার পালা।

শাওন বলেন, মানুষের জীবনে জন্ম ও মৃত্যু দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সেই হিসেবে এই নিউইয়র্ক হুমায়ূন আহমেদের জীবনে উল্লেখযোগ্য স্থান। নিউইয়র্ক ঘিরে হুমায়ুন আহমেদের অনেক স্মৃতি। জীবনের শেষ দিনগুলো তিনি নিউইয়র্কে কাটিয়েছেন। নিউইয়র্ক শহরে যারা ‘হুমায়ূন মেলা’র আয়োজন করছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এবার ভার্জিনিয়ায় অনুষ্ঠিত নজরুল সম্মেলনের অনুষ্ঠান দেখলাম। আশা করি আগামীতে নিউইয়র্কে হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে শুধু মেলা নয়, ‘হুমায়ূন আহমেদ’ সম্মেলন হবে। তাঁকে আমরা মেলায় সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। সবাইকে নিয়ে আরো বড় পরিসরে হুমায়ূন মেলাকে ‘হুমায়ূন সম্মেলন’ করা হবে। এ ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতার জন্য তিনি প্রবাসের সকল স্পন্সর, মিডিয়া এবং শো টাইম মিউজিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউইয়র্কে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠিত

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০৫ ১৫:৪৫:৪৪

উত্তর আমেরিকা অফিস: ‘বাংলাদেশ যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তার জন্য শেখ হাসিনাকেই কৃতিত্ব দিতে হয়।’ ‘তিনিই বাংলাদেশের জননী, আবার তিনিই বাংলার কন্যা।’ ‘বাংলাদেশের জন্য আরো অন্তত পনের বছর শেখ হাসিনার নেতৃত্ব দরকার।’ মুক্তধারা, নিউইয়র্কের আয়োজনে রাজনীতি বিশ্লেষক সুভাষ সিংহ রায়ের লেখা ও অনন্যা প্রকাশনী প্রকাশিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসস্থ ইত্যাদি পার্টি হলের দোতলায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশের সংবাদভিত্তিক চ্যানেল একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন বাবু,বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত,একাত্তর টিভির  সাংবাদিক ফারজানা রূপা ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম। গ্রন্থটির লেখক সুভাষ সিংহ রায় এবং মুক্তধারা নিউ ইয়র্কের কর্ণধার বিশ্বজিত সাহাও বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফাহিম রেজা নূর।
সুভাষ সিংহ রায়কে ধন্যবাদ জানিয়ে ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু বলেন, ‘সুভাষ সিংহ রায় পরবর্তী প্রজন্মের জন্য অনেকগুলো দলিল একত্র করেছেন।’ বক্তৃতায় শেখ হাসিনাকে তিনি বাংলার মুখ বলে অভিহিত করেন। বইটির নামকরণের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, ‘সুভাষ যে কথাটি বোঝাতে চেয়েছেন বইটির মধ্য দিয়ে তা এই নামকরণে ঠিক ভাবে আসেনি। বইটির নামকরণ হওয়া উচিত ছিল ‘বাংলাদেশের শেখ হাসিনাকে ফিরে পাওয়া।’ প্রসঙ্গটি ব্যখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা না এলে বাংলাদেশ ভেন্টিলেশনে থাকে। জিডিপি কম থাকে। তিনিই বাংলাদেশের ডিফল্ট নেতা। তিনিই বাংলাদেশের জননী, আবার তিনিই বাংলার কন্যা। বাংলাদেশের ভবিষ্যতের রাজনীতিবিদরা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে একত্রে সামনে রেখেই রাজনীতি করবে। আরো পনের বছর বাংলাদেশের তাঁকে প্রয়োজন। তিনি বাংলাদেশ প্রসঙ্গে সবচেয়ে ওয়াকিবহাল। সে কারণে তাঁকে আমি কখনো জ্ঞান দিতে যাই না। কারণ কে কী করছেন তার খোঁজ তিনি রাখেন। তাঁর বাংলাদেশ সম্পর্কে তাঁর কাছেই আছে সবচেয়ে বেশি তথ্য। তাঁর হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা তাঁর হতেই তৈরি হবে। তিনিই হবেন বাংলাদেশের জাতীয় ঐকমত্যের মধ্যমণি।  

শ্যামল দত্ত তাঁর দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতার সূত্র উল্লেখ করে বলেন, বড় ল্যান্ডস্কেপে যদি দেখা হয় তাতে আজকের বাংলাদেশ যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সেখানে যদি এক পক্ষকেই বেছে নিতে হয় তাহলে শেখ হাসিনাকেই বেছে নিতে হবে আমাদের। জাতিসংঘের অধিবেশনে আমরা দেখলাম শেখ হাসিনা যখন প্রবেশ করছেন তখন সভাকক্ষে যেন একটা চঞ্চলতার সৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে। অন্যান্য নেতৃবৃন্দকেও তো আমরা দেখলাম, কই তাঁদের কাউকে নিয়ে তো চাঞ্চল্য সৃষ্টি হচ্ছে না। অর্থাৎ তিনি বিশ্বে এতটাই গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন।’ তিনি সুভাষ সিংহ রায়ের ‘শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ বইটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার দুটি প্রত্যাবর্তনের কথা এই বইয়ে বলা হয়েছে।  দুটি প্রত্যাবর্তনই মে মাসে। একটি ৭ই মে, অন্যটি ১৭ই মে। আমি এই দুটো প্রত্যাবর্তনেরই সাক্ষী। প্রথম প্রত্যাবর্তনের সময় এয়ারপোর্টের রানওয়েতে মানুষ চলে আসায় বিমান নামতে পারছিল না। তিনি যেদিন ফিরলেন সেদিন প্রবল বৃষ্টি হয়েছিল। মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ কাঁদছে! বাংলাদেশের রাজনীতি সংশ্লিষ্ট অনেক মানুষের চরিত্র এই বইয়ে উন্মোচিত হয়েছে। এ ধরনের রাজনৈতিক বিশ্লেষণাত্মক বই খুব দরকার।’  ১৯৮৮ সালের ২৪শে জানুয়ারি চট্টগ্রামের গণহত্যার স্মৃতি উল্লেখ করে শ্যামল দত্ত বলেন, ‘সেই ঘটনাটি বেশি আলোচিত হয় না। সেদিন তাঁকে লক্ষ করেই গুলি ছোড়া হয়েছিল। সেখানে কাসেম নামে শ্রমিক লীগের এক কর্মী নেত্রীকে আগলে রেখে নিজে মারা যায়, একই জায়গায় পাথরঘাটার স্বপন নামে একটি ছেলে বুকে গুলি নিয়ে নেত্রীকে রক্ষা করেছিল।’ তিনি আরো বলেন, ‘পশ্চিমা ধাঁচের রাজনীতির বিবেচনা দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিকে দেখলে চলবে না। বাংলাদেশের রাজনীতি অনেক ক্রুয়েল। এর মধ্যেই শেখ হাসিনাকে রাজনীতি করতে হয়। তাঁকেই তাই সমর্থন করতে হয় আমাদের। বাংলাদেশ যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তার জন্য শেখ হাসিনাকেই কৃতিত্ব দিতে হয়। বাংলাদেশেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য জন্য শেখ হাসিনাকেই দরকার।’
বইটি নিয়ে আলোচনার সূত্রে একাত্তর টিভির সাংবাদিক ফারজানা রূপা বলেন, ‘বইটা পুরো পড়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে বুঝতে পেরেছি বইটার মধ্যে এমন অনেক দলিল আছে যা সাংবাদিকদের বার বার কাজে লাগবে। আমরা একাত্তর দেখিনি, পঁচাত্তর দেখিনি। কিন্তু ২০০১ বা ২০০২, ২০০৬ বা ২০০৭-এর রাজনৈতিক ঘটনাবলি সাংবাদিকতা করতে গিয়ে কাছে থেকে দেখেছি। শেখ হাসিনার মধ্যে রয়েছে নিজের বিশ্বাসের সঙ্গে কর্মের যোগ।’ তিনি আরো বলেন, ‘কারো মায়ার টানে না, কারো সঙ্গে স্বার্থ সংশ্লিষ্টতার কারণে না, একেবারে দেশের জন্য কাকে দরকার সেই দিক থেকেই মনে হয়েছে বাংলাদেশের জন্যই শেখ হাসিনার নেতৃত্ব দরকার।’ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের রিপোর্ট কভার করতে এসে ফারজানা রূপা তাঁর উপলব্ধির কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতা নন। তিনি বিশ্ব নেতার স্বীকৃতি পেয়েছেন।’ তিনি আরো যোগ করেন, ‘যে কোনো ষড়যন্ত্রের খবর গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে আগাম প্রকাশ করা আমাদের দায়িত্ব।’
শেখ হাসিনার জন্মদিনের কথা স্মরণ করে ও তাঁকে শুভকামনা জানিয়ে সুভাষ সিংহ রায় বলেন, বইটিতে তিনি এমন অনেক প্রামাণ্য দলিল উপস্থাপন করেছেন যাতে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের ঘটনাবলির পর তৎকালীন সরকারের বঙ্গবন্ধু বিরোধিতায় নিয়োজিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম আছে যাঁদের অনেকেই এখন বঙ্গবন্ধু প্রেমিক।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম বলেন, ‘জাতিসংঘ থেকে তাঁকে আজ শেখ হাসিনাকে লীডার অব হোপ বা লীডার অব পীস’ নামে অভিহিত করছে। আমরা বাঙালিরা এই গৌরববোধের অংশীদার।’


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা পত্রিকা-টাইম টেলিভিশনের বর্ষপূর্তি উদযাপন

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-০১ ১৪:১২:১০

নিউইয়র্কের বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন-এর বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী আর মূলধারার জনপ্রতিনিধিদের ফুলেল শুভেচ্ছায় রঙীন হয়ে উঠে ‘বাংলা পত্রিকা-টাইম টেলিভিশন’ হাউজ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন-এর সাফল্য কামনা করে মিডিয়া দু’টির আগ্রযাত্রা এবং কমিউনিটি সেবা সহ মূলধারায় বাংলাদেশীদের মধ্যকার সেতুবন্ধনকে আরো জোরদার করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সেই সাথে তারা প্রতিষ্ঠান দুটির এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আরো সহযোগিতার আশ্বাস দেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠানটির বার্তা কক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মিডিয়া দু’টির বর্ষপূর্তীর অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা নানা পেশার মানুষের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠে বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন প্রাঙ্গণ। রাত ৯টার দিকে যৌথভাবে কেক কেটে বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য সেলিম উদ্দিন এবং বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও আবু তাহের। এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠান দুটির প্রধান আবু তাহের। এসময় যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিবীদদের পাশাপাশি সর্বস্তরের কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্বাগত বক্তব্যে আবু তাহের বলেন, বাংলা পত্রিকা আর টাইম টেলিভিশন তার অগ্রযাত্রায় কোন অনৈতিক বাধার কাছে কখনো আতœসমর্পন করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। বিস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে মিডিয়া দুটি’র যাত্রা অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মূলধারার সাথে কমিউনিটির সেতু বন্ধন রচনায় মিডিয়া দুটি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে। মিডিয়া দুটি প্রকাশ ও প্রচারে পৃষ্ঠােপষক  ও বিজ্ঞাপনদাতা সহ কমিউনিটির সংশ্লিষ্টদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
সেলিম উদ্দিন এমপি বলেন, আমি নিজেও একজন প্রবাসী ছিলাম। তাই প্রবাসীদের সুখ-দু:খ ভালো করেই জানি। বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন প্রবাসীদের সেবায় দীর্ঘ ২২ ও ৪ বছর ধরে যে আবদান রেখ চলেছে এজন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমি বিশ্বাস করি যে, প্রতিষ্ঠান দুটি শুধু প্রবাসীদের সেবা নয় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে আরো ভূমিকা রাখবে। তিনি মিডিয়া দুটির উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করেন।
এছাড়াও অন্যান্য অথিথি তাদের বক্তব্যে তাদের অন্তরের অন্তস্থল থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিডিয়া দুটির উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং সকল সময়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। 
এদিকে বাংলা পত্রিকা টাইম টেলিভিশন-এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ সঙ্গীত অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। ১৯৯৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলা পত্রিকা আর ২০১৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর টাইম টেলিভিশন যাত্রা শুরু করে। সেই হিসেবে বাংলা পত্রিকা ২৩ বর্ষে আর টাইম টেলিভিশন ৫ বর্ষে পদার্পণ করলো।
মিডিয়া দুটি’র বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মিডিয়ার সম্পাদকদের মধ্যে শুভেচ্ছা জানান সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, সাপ্তাহিক আজকাল-এর সম্পাদক মনজুর আহমদ, সিনিয়র সাংবাদিক মঈনুদ্দীন নাসের, জাস্ট নিউজ বিডি সম্পাদক মুশফিকুল ফজল আনসারী, সাপ্তাহিক দেশবাংলা ও বাংলা টাইমস সম্পাদক ডা. চৌধুরী সারোয়ারুল হাসান, সাপ্তাহিক বর্ণমালা’র প্রধান সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, প্রথম আলো’র (উত্তর আমেরিকা) আবাসিক সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক তাসের মাহমুদ, সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক সোহাম্মদ সাঈদ, সাপ্তাহিক দেশকন্ঠ সম্পাদক দর্পণ কবীর, সাপ্তাহিক রানার সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলী, সাপ্তাহিক জনতার কন্ঠ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, বাংলার খবর.নেট-এর সম্পাদক শওকত ওসমান রচি, ঢাকা থেকে আগত একাত্তুর টিভির সিনিয়র রিপোর্টর শামীমা দোলা ও গাজী টিভি’র বিশেষ প্রতিনিধি সাজু রহমান, সাংবাদিক সোহেল মাহমুদ, সাংবাদিক শামীম আল আমীন, ইয়র্ক বাংলা সম্পাদক রশীদ আহমদ। মূলধারার জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটির সাবেক কম্পট্রোলার ও আগামী ষ্টেট সিনেটের প্রাইমারীতে বিজয়ী জন ল্যু, অপর ষ্টেট সিনেটর প্রাইমারীতে বিজয়ী রবার্ট চ্যাকসন, সিটি কাউন্সিলম্যান কস্টা ডি কনসটাডিস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বিশিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে শুভেচ্ছা জানান বিশিষ্ট অভিনেত্রী রেখা আহমদ, বাংলাদেশের জনপ্রিয় নজরুল সঙ্গীত শিল্পী ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতী খিলখিল কাজী, সঙ্গীত শিল্পী সালাউদ্দিন আহমেদ, এটর্নী ব্রুশ ফিসার। এছাড়াও কমিউনিটির উল্লেখ্যযোগ্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে শুভেচ্ছা জানান সোনালী এক্সচেঞ্জ ইনক’র ভাপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ও সিইও জহিরুল ইসলাম, প্রবীণ প্রবাসী নাসির আলী খান পল, এটর্নী মঈন চৌধুরী, মূলধারার রাজনীতিক আব্দুস শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা ও কলামিস্ট আবু জাফর মাহমুদ, অধ্যাপক নুবেন্দ দত্ত, কমিউনিটি বোর্ডের ভাইস চেয়ার এন মজুমদার, বাফা সভাপতি ফরিদা ইয়াসমীন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি নার্গিস রহমান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক রানা ফেরদৌস চৌধুরী, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র সভাপতি বদরুল হোসেন খান, বিশিষ্ট মর্টগেজ ব্যাংকার জন ফাহিম, বিশিষ্ট ফার্মাসিস্ট মোস্তাক আহমেদ, সাবেক ছাত্রনেতা শাহাবউদ্দীন, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট এডভোকেট মজিবুর রহমান, জামান তপন, বাগ-এর সেক্রেটারী জয়নাল আবেদীন ও পরিচালক মিজবা মোহাম্মদ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সামসুদ্দীন আজাদ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সহ সভাপতি সামসুল ইসলাম মজনু, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির সভাপতি হাজী আব্দুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, জেবিবিএ’র সভাপতি শাহ নেওয়াজ, ফোবানার সাবেক কনভেনর বেদারুল ইসলাম বাবলা, সিপিএ ইয়াকুব এ খান, লীগ অব আমেরিকার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের চৌধুরী শাহীন, মৌলভীবাজার ডিষ্ট্রিক্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি হাজী ফজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, ক্রিসেন্ট ইন্স্যুরেন্স-এর স্বত্তাধিকারী কবীর চৌধুরী, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মইনুল ইসলাম, কমিউনিটি বোর্ড মেম্বার ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, বৃহত্তর, নোয়াখালী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিলাল আহমেদ চৌধুরী, রিপন মিয়া, মামুন টিউটোরিয়াল-এর প্রিন্সিপ্যাল শেখ আল মামুন, খলিল বিরিয়ানীর স্বত্তাধিকারী খলিলুর রহমান, এশিয়া ড্রাইভিং স্কুলের স্বত্তাধিকারী সিদ্দিক আর লিংকন, মার্ক হোমস কেয়ারের কামাল হোসেন ও মি. জিমি, টিডিএস ইন্স্যুরেন্স-এর পরিচালক মামুন আহমেদ, যুবদল নেতা আতিকুল হক আহাদ, যুবলীগ নেতা ইফজাল আহমেদ চৌধুরী, ফ্যাশন ডিজাইনার রুনী, বিশিষ্ট মেকআপ মৃধা মোহাম্মদ আর্টিস জসিম, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট রোকসানা মজুমদার, মোহাম্মদ তুষার, হোসনে আরা, ভায়েলা সালিনা, লিউনারা ম্যান্ডেজ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে আরো শুভেচ্ছা জানান, বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসএম জামাল ইউ আহমেদ, নির্বাচন কমিশনার এ হাকিম মিয়া, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, কাওসারুজ্জামান কয়েস, খোকন মোশাররফ ছাড়াও আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ‘রব-রুহুল’ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী আব্দুর রব মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রুহুল আমীন সিদ্দিকীর নেতৃত্বে প্যালের পক্ষে শুভেচ্ছা জানান আব্দুর রব মিয়া। অপরদিকে ‘নয়ন-আলী’ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী কাজী আশরাফ নয়ন, সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুর রহীম হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আলী শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। এসময় এই প্যানেলের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।  
এছাড়াও কবি-লেখকদের মধ্যে তমিজ উদদীন লোদী, মনিজা রহমান, ফারজানা ফারজু, সোনিয়া কাদের, পলি শাহিনা, কাজী আরজু, মোশাররফ হোসেন শুভেচ্ছা জানান। যৌথভাবে সমগ্র অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন টাইম টেলিভিশন-এর বার্তা সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস ও নিউজ প্রেজেন্টার সাদিয়া খন্দকার।
অনুষ্ঠানে বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন পরিবারের বর্তমান সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেহেরুন্নেসা জোবায়দা, হাবিবুর রহমান, সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, শেখ সিরাজুল ইসলাম, সালাহউদ্দিন আহমেদ, আবিদুর রহীম, সাজিদ হক, ড. বিলকিস রহমান দোলা, ডা. নাহিদ খান, নাজিম উদ্দিন, সামিউল ইসলাম, মোহাম্মদ সোলায়মান, আনোয়ার হোসেন বাবু, সালাউদ্দিন রাসেল, আশরাফুল এইচ চৌধুরী মিহির, আনিকা চৌধুরী ও নিপা রইস।
এছাড়াও বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন পরিবারের সাবেক সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাহেদ আলম, সুলতানা রহমান, আবু শাহেদ করীম, মোনালিসা, বিউটি দাস, সোহেল হোসাইন, এএফ মিসবাহউজ্জামান, এন্থনী গাঞ্জলভেজ, শাহরিয়ার বাঁধন প্রমুখ।
বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠানের বিশেষ সাংস্কৃতিক পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শাহ মাহবুব, বিউটি দাস, রোক্সানা মির্জা, স্বম্পা জামান। মনোজ্ঞ এই অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলো বিউটি দাস ও সজিব রহমান। রাত ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠান টাইম টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য, নানা প্রতিকূলতার মাঝেও বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন নিউইয়র্ক ছাড়িয়ে উত্তর আমেরিকা সহ দেশ ও প্রবাসের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়া মিডিয়া। বিশেষ করে টাইম টেলিভিশন তার আনুষ্ঠানিক যাত্রার দু’মাস আগ থেকে সরাসরি সংবাদ বুলেটিনের শুরু করে। দল মতের উর্ধ্বে উঠে, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে টাইম টেলিভিশন এখন কমিউনিটির মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, চ্যানেলটির নাম-খ্যাতি এখন আমেরিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে বাংলাদেশেও পড়েছে। এ অগ্রযাত্রায়- কমিউনিটি নেতা, মূলধারার রাজনীতিবিদ’সহ টাইম টিভির অগনতি দর্শক, শুভ্যানুধ্যায়ী ও পৃষ্ঠপোষকদের ভালোবাসা ছিল নিরন্তর।
নিউইয়র্ক তথা উত্তর আমেরিকার বাংলা সংবাদপত্র আর সাংবাদিকতার ইতিহাসে ‘বাংলা পত্রিকা একটি মাইল ফলক। বাংলা পত্রিকা কমিনিউটি সাংবাদিকতার অন্যতম অগ্র পথিক। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পত্রিকাটি সপ্তাহের প্রতি সোমবার নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে। দীর্ঘ ২১ বছর পর পাঠকদের সুবিধার্থে বাংলা পত্রিকা ফ্রি করা হয়েছে।
অপরদিকে ‘ভয়েস অব টাইম’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখেই এগিয়ে চলছে টাইম টেলিভিশন। শুরু থেকেই প্রতিদিনের সরাসরি সংবাদ বুলেটিন ‘টাইম নিউজের’ পাশাপাশি, নিয়মিত সম্প্রচার হওয়া বিভিন্ন অনুষ্ঠান ইতোমধ্যেই দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। খবরের পেছনের খবর আর সবার আগে সবশেষ সংবাদ পরিবেশনেই বস্তুনিষ্ঠতার স্বাক্ষর রেখে চলেছে চ্যানেলটি। আবার শুধু সংবাদই নয়, সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ মূলধারা ও কমিউনিটির খবরা-খবরের মিলে সম্প্রচারিত হয় ‘উইকলি নিউজ রাউন্ড-আপ’। বার্তা বিভাগের তত্ত্বাবধানে সংবাদ পর্যালোচনা মূলক অনুষ্ঠান প্রেসভিউ, টাইম টক, সমসাময়িক রাজনৈতিক বিষয়ক টক’শো ‘টাইম পলিটিক্স’ অন্যতম। কমিউনিটি নির্ভর বিভিন্ন অনুষ্ঠানকে গুরুত্ব দিয়ে সর্বাধিক লাইভ সম্প্রচার, নিত্যনতুন প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়াও, বিনোদন মূলক অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে ‘মিউজিক-আনলিমিটেড’ জনপ্রিয়তার শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে। অনুষ্ঠান বিভাগের পাশাপাশি সম্প্রচার বিভাগে কর্মরতদের নিরলস প্রচেষ্টায়ই আজকের এ অবস্থানে ‘টাইম টেলিভিশন।
অপরদিকে বাংলাদেশের শীর্ষ গণমাধ্যমের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে স্বপ্নের দেশ ‘যুক্তরাষ্ট্রে’ পাড়ি জমানো পেশাদার সাংবাদিকদের কাছে টাইম টেলিভিশন এক অনুপ্রেরণার নাম। পেশাদার এসব সাংবাদিক ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি বাংলাদেশী-আমেরিকান প্রজন্মের স্বপ্ন রচনার অন্যতম প্লার্টফর্ম হচ্ছে টাইম টেলিভিশন। সবার প্রত্যাশা দেশ ও প্রবাসের লাখো কোটি দর্শকদের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির মাঝে সমন্বয় রেখেই এগিয়ে যাবে ‘টাইম টেলিভিশন’। শত প্রতিকূলতায় এ ধারা অব্যাহতে চ্যানেলটির পৃষ্ঠপোষক, দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের এমন প্রতিশ্রুতিই দিচ্ছে টাইম নিউজ পরিবার। 
কমিউনিটির গুরুত্বপূর্ণ খবরা-খবর ছাড়াও বর্ণাঢ্য আয়োজনে ইংরেজী ও বাংলা বর্ষবরণ, বিভিন্ন ফেস্টিভ্যাল-পথমেলা, বাসন্তি উৎসব এবং দেশীয় সংস্কৃতিক আয়োজন গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরছে টাইম টেলিভিশন। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ‘নর্থ-আমেরিকার প্রথম বাইল্যাঙ্গুয়াল টিভি চ্যানেল’ হিসেবে ‘টাইম টেলিভিশন’ পঞ্চমবর্ষে পদার্পন করেছে। এর স্বপ্নদ্রষ্টার প্রত্যাশা শত প্রতিকুলতা মোকেবলা করেই এগিয়ে যেতে চান তিনি। 
মূলধারায় বাংলাদেশী প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী টাইম টেলিভিশন অগ্রযাত্রায়, শুভানুধ্যায়ী, বিজ্ঞাপন দাতা ও কমিউনিটি নেতাদের অবদানও কম নয়। নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছেও টাইম টেলিভিশন একটি সম্ভাবনার নাম। দলমতের উর্ধ্বে উঠে সংবাদ পরিবেশন, মূলধারায় কমিউনিটির সেতুবন্ধনে টাইম টেলিভিশনের এগিয়ে চলাকে এভাবেই মূল্যায়ন করলেন; দেশের বিশিষ্টজনেরা। ভ্রমণ পিপাসু বাংলাদেশী লেখক, সাংবাদিক ও বিনোদন জগতের বাসিন্দাদের কাছে টাইম টেলিভিশন একটি সম্ভাবনার নাম।
আরো উল্লেখ্য, বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন-এর বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠান সফল করতে বিশেষ সহযোগিতায় ছিলেন খলিল বিরিয়ানী হাউজ, এটর্নী মঈন চৌধুরী, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মইনুল ইসলাম, চৌধুরী এন্ড ফ্রানজোনী ল’ ফার্ম, এটর্নী ব্রুশ ফিসার, সিলেট মটরস, ড. বিলকিস রহমান দোলা ও ডেভিড সরকার।





বিস্তারিত খবর

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: নিউইয়র্কে আ.লীগ-বিএনপির পাল্টাপাল্টি সমাবেশ

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৯-২৮ ১৩:০৭:৫২

জাতিসংঘের ৭৩ তম সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি জাতিসংঘ ভবনের সামনে বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করেছে। আওয়ামী লীগ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ-কে স্বাগত জানিয়ে ‘স্বাগত সমাবেশ’ করে এবং সরকারের পক্ষে নানা শ্লোগান দেয়। অপরদিকে বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘে আগমনের প্রতিবাদ জানিয়ে ‘বিক্ষোভ সমাবেশ’ করে এবং দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দাবী করে সরকার বিরোধী নানা শ্লোগান দেয়। কড়া পুলিশী নিরাপত্তায় অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র সমাবেশ থেকে পাল্টপাল্টি শ্লোগানে জাতিসংঘ ভবনের সামনে ফাস্ট এভিনিউ ও ৪৭ স্ট্রীট-এর কর্ণার মুখরিত হয়ে উঠে। বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত উভয় দলের সমাবেশ চলে। আওয়ামী লীগ আর বিএনপি’র সমাবেশ ছিলো স্মরণকালে বৃহৎ সমাবেশ।

জাতিসংঘ ভবনের সামনে স্বাগত আর প্রতিবাদ জানাতে আসা আওয়ামী লীগ-বিএনপির সমাবেশ চলাকালীন সময় মাঝে উভয় দলের কোন কোন নেতা-কর্মীর মধ্যে কিছু সময় উতপ্ত বাক্য বিনিময়ও হয়। তারা একদল অপর দলকে আক্রমণ করে ‘গালাগালি’ করেও নানা শ্লোগান দেয়। তবে, কোন দলই পুলিশ বেস্টনীর বাইরে যেতে পারেনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ উপলক্ষে দুপুর থেকেইে ভবনটির সামনে (ফাস্ট এভিনিউ ও ৪৭ স্ট্রীট-এর কর্ণার) সমানে জড়ো হতে থাকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী স্বাগত সমাবেশে অংশ নেন। বাংলাদেশ থেকে আগত প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হয়ে আসা দলীয় লোকজনও সমাবেশে অংশ নেয়। সমাবেশে দলীয় নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকা- তুলে ধরে ‘শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার’ সহ নানা শ্লোগান দিতে থাকে এবং পুলিশ বেষ্টনির মধ্যে থেকেই তারা খন্ড খন্ড মিছিলও বের করে। সমাবেশে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বলেন, সংগঠনের স্বার্থে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে ঐক্যের বিকল্প নেই। 

অপরদিকে আওয়ামী লীগের সামাবেশের ঠিক বিপরীত দিকেই কয়েক গজ দূরে অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ‘বিক্ষোভ সমাবেশ’। এসময় তারাও পুলিশের নিরাপত্তা ব্যারিকেডের মধ্যে মিছিল বের করে এবং মুহু মুহু শ্লোগান দিতে থাকে। বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ছাড়াও সংগঠনটির যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফিনল্যান্ড ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের একাধিক নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি ও নিউইয়র্ক ছাড়াও নিউজার্সী, ম্যাচাসুয়েটস, পেনসিলনেনিয়া, কানেকটিকাট, ভার্জেনিয়া সহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বিএনপির নেতা-কর্মীরা যোগ দেন।

তবে দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র কমিটি না থাকায় একাধিক ভাগে বিভক্ত দলীয় নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা একই স্থানে সমাবেশ করে। সমাবেশের একদিকে নেতৃত্ব দেন সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ স¤্রাট, সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি গিয়াস আহমেদ, সাবেক সহ সভাপতি আলহাজ সোলায়মান ভূইয়া, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা প্রমুখ। অপরদিকে নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মজিবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু, সাবেক সহ সভাপতি সামসুল ইসলাম মজনু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ অহমদ প্রমুখ। অপরাংশের নেতৃত্বে দেন সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুক্তরাষ্ট্র জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।

এছাড়াও সমাবেশের নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসিম ভূইয়া, বিএনপি নেতা নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, আনোয়ারুল ইসলাম, ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ।

বিএনপির সমাবেশে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সিনিয়র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. এহসানুল হক মিলন, অপর আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাহিদুল ইসলাম, সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, অপর সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী বেবী নাজনীন, যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সভাপতি এম এ মালিক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে: এবিবিএ’র ১০ম বিজনেস সামিটে বক্তারা

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৯-২৭ ১৫:১৭:০২

‘প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা আর বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার করার’ মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো আমেরিকান বাংলাদেশী বিজনেস অ্যালায়েন্স (এবিবিএ)-এর ১০তম ‘বিজনেস সামিট’। সামিটের আলোচনায় দেশ ও প্রবাসে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সমস্যা ও সম্ভানা এবং অর্থ লেন-দেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, সরকারী উদ্যোগ এবং সমাধানের পথ প্রভৃতি বিষয় আলোচনায় উঠে আসে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ আমাদের সবার। ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে আরো শক্তিশালী করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন বিনিয়োগের পাশাপাশি সকল ক্ষেত্রেই সততা আর দূর্নীতিমুক্ত প্রশাসন। 

নিউইয়র্ক সিটির লাগোর্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলে গত ২৪ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের সদস্য সেলিম উদ্দিন, এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মহিউদ্দিন, এসবিএসি ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন ও সেন্টার ফর এনআরবি’র চেয়ারম্যান শেকিল চৌধুরী। এছাড়াও গেষ্ট অব অনার ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পপতি, এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসির। প্রবাসের শীর্ষ স্থানীয় বাংলাদেশী ব্যবসায়ীসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ‘বিজনেস সামিট’-এ অংশ নেন।

এবিবিএ’র ১০তম ‘বিজনেস সামিট’ আয়োজক কমিটির কনভেনর মইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠান মঞ্চে ছিলেন বিজনেস সামিট-এর এবিবিএ’র চেয়ারম্যান ও এবিএইচ ফার্মাসিউটিক্যাল-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মেম্বার সেক্রেটারী ইয়াকুব এ খান সিপিএ, এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান ও জেবিবিএ’র সভাপতি শাহ নেওয়াজ, চিফ কো-অর্ডিনেটর ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, কো-কনভেনর এজে বাবুল, ফোবানা-২০১৯ এর আহবায়ক ও বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক’র সাবেক সভাপতি নার্গিস আহমেদ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট নাসির আলী খান পল, কমিউনিটি বোর্ডের ভাইস চেয়ার এন মজুমদার, রেজাউল করিম চৌধুরী, জেবিবিএ’র সাবেক সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ জিকো ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারেক হাসান খান ও এটর্নী হাসানুজ্জামান মালিক।  

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইমাম কাজী কাইয়্যুম, গীতা থেকে পাঠ করেন তারেক গায়েন এবং বাইবেল থেকে পাঠ করেন টমাস দুলু রায়। এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন এক্সিকিউটিভ কো-কনভেনর মোহাম্মদ বিলাল চৌধুরী।

এবিবিএ’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মরহুম সাঈদ রহমান মান্নানের বিদেহী আতœার শান্তি কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য কমিউনিটির অনুষ্ঠানে এবিবিএ’র পক্ষ থেকে ৫জনকে ক্রেস্ট প্রদান এবং এবিবিএ’র ১০ বছর উপলক্ষে কেক কাটা হয়। ক্রেস্টপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন, নাঈমা খান, এস এম আমজাদ হোসেন, মাহতাবুর রহমান নাসিম বসির খান প্রমুখ।   

অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এলিজাবেথ ক্রাউলী, যৌথভাবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন টাইম টেলিভিশন-এর সাবেক নিউজ প্রেজান্টার শামসুন্নাহার নিম্মি ও বিজনেস সামিট-এর জয়েন্ট মেম্বার সেক্রেটারী এ এফ মিসবাউজ্জামান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পদ্ধতিগত সমস্যা রয়েছে। তারপর অনেকে ব্যবসা করছেন। তিনি বলেন, ভালো আর সৎ ব্যবসায়ীদের কোন সমস্যা নেই। একথা সত্য যে, বিশ্বব্যাপী মানি লন্ডারিং-এর কারণে দেশ থেকে অর্থ লেনদেনে কড়াকড়ি চলছে। তবে বৈধ পথে অর্থ লেন-দেনে কোন সমস্যা নেই। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানিয়ে অনেক কিছুই করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, দেশে ক্যাপিটাল কন্ট্রোল না হওয়া পর্যন্ত সহজে দেশ থেকে অর্ত প্রবাসে আনা সহজ হবে না। প্রবাস থেকে দেশে প্রপার্টি নিয়ন্ত্রণ করাও সহজ নয়। তিনি বলেন, সরকার দেশে ১০০ ইকোনমিক জোন গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এসব জোনে প্রবাসীরা তাদের মতো জোন তৈরী করতে পারেন। তবে এজন্য প্রবাসীদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব থাকতে হবে। তবে এসব জোন প্রতিষ্ঠায় সুবিধা-অসুবিধাও আছে। এজন্য জেনেশুনেই বিনিয়োগ করতে হবে। সরকার বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি (বিডিআইএ)-কে ঢেলে সাজিয়েছে। তিনি বলেন, শাহজালাল বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা অতীতের ১০/২০ বছরের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে।

কোটা প্রসঙ্গে ড. মশিউর রহমান বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য ব্যক্তিগতভাবে আমার দূর্বলতা রয়েছে তবে দেশ ও প্রবাসের জন্য কোটা থাকবে না প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতি থাকবে তা নতুন প্রজন্মের কাছে জানতে হবে, বিষয়টি ভেবে দেখার অবকাশ রয়েছে। 

ড. মশিউর রহমান বলেন, প্রবাসীদের কথা প্রধানমন্ত্রীরই কথা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবাসীদের ব্যাপারে অবগত বলেই অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপ কমিটির সদস্যদের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানের পথ খুজতে বলেছেন। তিনি দেশে অর্থনীতিকে আরো সমৃদ্ধ করতে দেশে-প্রবাসে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

জাতীয় সংসদের সদস্য সেলিম উদ্দিন বলেন, আমি নিজেও এক সময় প্রবাসী ছিলাম। তাই প্রবাসীদের ভালো-মন্দ সম্পর্কে আমি অবহিত। তিনি বলেন, দেশকে ভালোবেসে রাজনীতি শুরু করেছি। আমার বিশ্বান এবিবিএ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ব্যবসায়ীক সুসম্পর্ক জোরদারে সেতু হিসেবে কাজ করবে। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে প্রবাসীদের স্বার্থে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি কমিটি গঠনের চেষ্টা করছি। আমরা ইতিমধ্যেই ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালু করেছি এবং এই সার্ভিসের মাধ্যমে প্রবাসীরা উপকৃত হবে, দেশে ফিরে বিনিয়োগ করবেন। 

এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, বাঙলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলছে। কথা বলে ‘মিরাকল কামস ফ্রম হ্যাভেন’, আমি বলি মিরাকল স্ট্যান্ড অন বাংলাদেশ’। দরকার সবার ঐক্য আর আন্তরিকতা। তিনি বলেন, দেশের সিভিল অ্যাভিয়েশন, কাস্টমস আর বিমান এই তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় থাকলে মার্চেন্ডাই আদমদানী-রপ্তানী সহজ হবে, এতে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের পরে শাক-সবজী ব্যবসায় বাংলাদেশ ভালো করছে। তিনি প্রবাস ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সাহসী হয়ে সততার সাথে ব্যবসা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদেরকে ২০৪১ সালে উন্নত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন সফল করতে হবে।  

এসবিএসি ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের মধ্যে এবিবিএ যোগসূত্র হিসেবে কাজ উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবশে সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায় বিনিয়োগের নানা সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের উদ্যোগের ফলে বিভিন্ন জট খুলে যাচ্ছে। তারপরও প্রবাসীদের বিনিয়োগের ব্যাপারে নানা সমস্যা রয়েছে। এজন্য তিনি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করে বলেন, মূলত: দূর্নীতি আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতার জন্যই প্রবাসীরা দেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে উৎসাহিত হচ্ছেন না। তিনি প্রবাসীদের পক্ষ থেকে বলেন, আমরা সরকারকে ট্যাক্স দিয়েই ব্যবসা করতে চাই। তবে ব্যবসা করা বা বিনিয়োগের কর্মকান্ড সহজকরণ করতে হবে। ব্যবসায়ীরা যাতে সহজেই দেশ-বিদেশে অর্থ লেনদেন করতে পারেন তার ব্যবস্থা করতে হবে। সৎ ব্যবসায়ীদের প্রতি সরকারের সুনজর রাখতে হবে।

সেন্টার ফর এনআরবি’র চেয়ারম্যান শেকিল চৌধুরী বলেন, প্রবাসীরা দেশের জন্য অনেক কিছুই করছেন, যা প্রশংসার দাবী রাখে। তিনি বলেন, সেন্টার ফর এনআরবি’র প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে কাজ করছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রবাসীদের সমস্যা আর সৌদি আরবে বসবাসকারী প্রবাসীদের সমস্যা এক নয়। কিন্তু সবার রুট হচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, ঢাকায় বিমানবন্দর এখন অনেক সহজ হলেও অনেক সমস্যা রয়েছে। তিনি প্রবাসীদের সমস্যা আর উদ্যেগের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব সরকারের কাছে পেশ করার অহ্বান জানিয়ে বলেন, ব্যাংক প্রতিষ্ঠা, ইকোমিক জোন প্রতিষ্ঠা, অনলাইনে ভোটার হওয়া, জাতীয় আইডি কার্ড প্রভৃতি প্রবাসীদের অন্যতম দাবী।  

শিল্পপতি মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসির তার বক্তব্যে প্রবাসীদেরকে বৈধ পথে দেশে অর্থ প্রেরণ করে সরকারের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশে ব্যাংক ইন্টারেস্ট সিঙ্গেল ডিজিডে চলে এসেছে। ওয়েজওর্নার বন্ড ক্রয়ে লাভবান হওয়া সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ‘রেমিটেন্স অ্যাওয়ার্ড’ ঘোষণা করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ৩৩ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ ফান্ড রয়েছ, এরমধ্যে ১৪ বিলিয়ন ডরার প্রবাসীদের। তাই প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা দরকার। তিনি বলেন, ৪০ বছর ধরে প্রবাসী। প্রবাসীদের স্বার্থে সরকারের সাথে কাজ করছি। প্রবাসীতের জন্য পৃথক ইকোনমিক জোন দরকার, বিনিয়োগের জন্য পৃথক স্কীম দরকারের পাশাপাশি প্রবাসী নতুন প্রজন্মের জন্য চাকুরীতে কোটার দাবী করেন।

মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ স্বর্ণের দেশ। বিশ্বের কোন দেশের চেয়ে বাংলাদেশ কোন অংশেই কম নয়। তবে বাংলাদেশের অপরার সৌন্দর্য আর সম্ভাবনা প্রস্ফুটিত করতে প্রয়োজন সবার সহযোগিতা। তিনি প্রবাসীদের বিনিয়োগের জন্য ‘ইপিজেড’ এর মতো পৃথক জোন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি যোগাযাগ ব্যবস্থা আরো বৃদ্ধি ও উন্নত এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করার দাবী জানান।

ইয়াকুব এ খান সিপিএ তার বক্তব্যে এবিবিএ’র সাফল্য কামনা করে বলেন, সংগঠনটি বাংলাদেশী আর আমেরিকান ব্যবসায়ীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরী করতে অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে। তিনি দেশ ও প্রবাসের মধ্যে ব্যবসা প্রবাসের লক্ষ্যে আইনী বিষয়গুলো জানা এবং বৈধভাবে সবকিছু করার জন্য সংশ্লিস্টদের প্রতি আহ্বান জানান। 

শাহ নেওয়াজ তার বক্তব্যে এবিবিএ’র সফলতা কামনা করেন।

ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার উপস্থিত অতিথি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন, আমরা সবাই মিলে এবিবিএ’র মাধ্যমে প্রবাসের ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ করে দেশ ও প্রবাসে ব্যবসায়ীক সমস্যা সমাধানের পথ পাবো বলে বিশ্বাস করি। 
এজে বাবুল বলেন, চীন সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা সহজেই আমেরিকায় অর্থ এনে বিনিয়োগ করতে পারেন, ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারেন। তারা তাদের সম্পদের বিনিময়ে ঋণ নিতে পারেন। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ হিসেবে আমরা পারি না। এজন্য তিনি সরকারের দৃষ্টি কামনা করেন। 

নার্গিস আহমেদ এবিবিএ’র অনুষ্ঠানের প্রশংসা করে বলেন, এমন অনুষ্ঠান দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যকার সম্পর্ককে আরো জোরদার করবে, সেতুবন্ধন তৈরী করবে। তবে এজন্য পারষ্পারিক সহযোগিতা আর সহমর্মিতা থাকতে হবে। প্রসংগত তিনি আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্রের লেবার ডে উকেন্ডে নিউইয়র্কের নাসাউ কলিসিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফোবানা সম্মেলন-২০১৯ এ সকল প্রবাসীর সহযোগিতা কামানা এবং সবাইকে থাকার আহ্বান জানান। 

নাসির আলী খান পল তার বক্তব্যে দীর্ঘ প্রবাস জীবনে দেশ ও প্রবাসের নানা অভিজ্ঞতার কথা সংক্ষেপে তুলে ধরে বলেন, প্রবাসীদের নানা অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত হয়ে বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু দেশে গিয়ে তারা সব ভুলে যান। তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশে যাওয়ার পর নানা সমস্যায় পড়েন। ঢাকা বিমানবন্দর থেকেই শুরু প্রবাসীদের নানা জুলুম-যন্ত্রনা। আর দূর্নীতির কারণে প্রবাসীরা দেশে বিনিয়োগ করতে চান না। তিনি এসব সমস্যার সমাধান কামনা করে বলেন, প্রবাসীরা সম্মানের সাথে দেশে ফিরতে চান, দেশকে দিতে চান।

এন মজুমদার তার বক্তব্যে প্রবাসে বিনিয়োগের প্রথম বাধা হিসেবে দেশ থেকে সহজে অর্থ না আনার কথা উল্লেখ করে বলেন,  সুযোগ আর পরিবেশ পেলে আমরা প্রবাসীরা অর্থে বাংলাদেশ ছয়লাব করে দিতে পারি। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বেশী বেশী শিক্ষামূলক সেমিনার আয়োজন দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশমুখী করার উদ্যোগ নেয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

রেজাউল করিম চৌধুরী তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানের নানা প্রশংসা এবং তাকে সরকারের একজন দায়িত্ত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। 

জাকারিয়া মাসুদ জিকো  বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। গার্মেন্টস, ফার্মাসিউটিক্যাল প্রভৃতি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। যাতে দেশের চেয়ে বাংলাদেশেই অনেক ভালো করা যাবে।
তারেক হাসান খান বলেন, এবিবিএ প্রবাসের সকল ব্যবসায়ীদের প্লাটফর্ম। এবিবিএ সকল ব্যবসায়ীদের মধ্যে সেতু বন্ধুন তৈরী করবে। বিগত ৯ বছর ধরে এবিবিএ ব্যবসায়ীদের স্বার্থে বিশেষ করে বাংলাদেশ ও সরকারের সাথে যোগাযোগ রেখে দেশে বিনিয়োগের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে। যার ফলে অনেক ব্যবসায়ী এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছেন।

এটর্নী হাসানুজ্জামান মালিক বলেন, ১৯৮৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র আসার পর নানা বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে এগিয়ে চলছি। তিনি বলেন, এগিয়ে যেতে হলে বাধা আসবেই। প্রসঙ্গত তিনি বলেন, পেশাগতভাবে আন্তরিকতার সাথেই সবাইকে সেবা দিতে চাই।  

কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এলিজাবেথ ক্রাউলী বলেন, নিউইয়র্ক সিটির মধ্যে কুইন্স অন্যতম। কুইন্সে বাংলাদেশীর সংখ্যা বাড়ছে আর সকল কমিউনিটির কারণে কুইন্স শক্তিশালী হচ্ছে। সবাই মিলে কুইন্স-কে আরো শক্তিশালী করতে হবে। তিনি বলেন, সিটি প্রশাসন মাইনরিটি বিজনেসম্যানদের শক্তিশালী করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

এবিবিএ’র ১০তম ‘বিজনেস সামিট’ আয়োজক কমিটির কনভেনর মইনুল ইসলামের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা সমাপ্ত হয়। এর আগে ‘বিজনেস সামিট’ এর প্রথম পর্বে ছিলো সেমিনার। এতে বক্তব্য রাখেন এটর্নী ব্রুশ ফিসার, ফামাক্যাশ-এর চেয়ারম্যান ড. সাইফুল খন্দকার, এন মজুমদারর, ইয়াকুব এ খান সিপিও প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে ছিলো সঙ্গীতানুষ্ঠান। এতে শিল্পী রানো নেওয়াজ সহ প্রবাসের শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাঝেই অতিথিদের সাথে নিয়ে এবিবিএ’র নেতৃবৃন্দ কেক কাটেন।

উল্লেখ্য, সন্ধ্যা ৬টার অনুষ্ঠান শুরু হয় রাত সাড়ে ৮টার দিকে। শেষ হয় রাত ১১টার দিকে। সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যাক প্রবাসী বাংলাদেশী অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।



এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিউ ইয়র্কে শেখ হাসিনা বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৯-২৫ ১৬:০১:১১

জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিউইয়র্ক সফরকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এবং দলের সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবৈধ প্রধানমন্ত্রী’ আখ্যায়িত করে ‘যেখানে হাসিনা সেখানেই প্রতিরোধ’ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নিউজার্সীর লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের সময় এই বিক্ষোভ-সমাবেশ করা হয়। যারা এই বিক্ষোভ-সমাবেশে নেতৃত্ব দেন তাদের মধ্যে অন্যতম যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ্য জসিম ভূঁইয়া। বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে দলীয় নেতা-কর্মীরা ব্যানার-পোস্টার সহ শেখ হাসিনার সরকার বিরোধী নানা শ্লোগান দেয়। তারা বিএনপি চেয়ারাপার্সন খালেদা জিয়া সহ দলের আটককৃত সকল নেতা-কর্মীর মুক্তিও দাবী করেন।

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ্য জসিম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল মওলা, নিউইয়র্ক ষ্টেট বিএনপি’র সভাপতি মাওলানা অলি উল্লাহ আতিকুর রহসমান ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ এবং নিউইয়র্ক মহানগর বিএনপি’র সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা সহ দলীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন, রুহুল আমিন নাসির, জাহাঙ্গীর এম. আলম, রিয়াজ চৌধুরী, আলহাজ শহীদুল ইসলাম শিকদার, রফিকুল ইসলাম ডলার, রফিকুল ইসলাম, ভিপি জসিম উদ্দিন, খন্দকার রেজওয়ান, পরান চৌধুরী, ওয়াহেদ আলী মন্ডল, আলমগীর হোসেন মৃধা, সোহেল হায়দার, এডভোকেট রেজবুল কবির, মোহাম্মদ বাবুল, সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, সাইফুল ইসলাম লিটন, আমিনুর রহমান খোকন, আরিফুল হক, মোস্তাক হোসেন, দেওয়ান কাউসার, সালেহ আহমেদ মানিক, মশিউর রহমান, শাহাদৎ হোসেন রাজু, মাইনুল করিম টিপু, আরিফুর ইসলাম তুহিন, খন্দকার রেজাউল হক, মনিরুল ইসলাম, রসিদা আহমেদ, জোহরা বেগম, তাহমিনা আক্তার, কামাল উদ্দিন দিপু, হুমায়ুন কবীর, হুমায়ুন কবির, অর্নব রুবেল, মিজানুর রহমান, আমিনুর রহমান খোকন, মান্নাফ চৌধুরী, মোহাম্মদ রইচ উদ্দিন, রফিক উদ্দিন বাহার, আরিফুল ইসলাম তুহিন,  মোহাম্মদ বাবুল, আবুল হোসেন মেম্বার, মোহাম্মদ মহসিন, শরিফ চৌধুরী পাপ্পু, রফিক উদ্দিন বাহার, এনামুল কবির অপু, এ দিপু, মারুফ আহমেদ, এ ইসলাম, নূরুল আমীন, হাফিজুর রহমান চৌধুরী রবিনস, ওয়াহিদুজ্জামান রিয়াদ, আনিসুর রহমান খোকন, হোসাইন রানা, মাসুম, হোসেন শিপন, মোহাম্মদ জাফর ফরাজী, সুমন হক, টম আরাফাত, সাহিদ রহমান, মিরাজ ভূইয়া, জাকির হাসান, মোহাম্মদ সুমন, আবু আহমেদ, নূর আলম, হাবিবুর রহমান, হাবিব, হাফজুর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ  জহিরুল  ইসলাম, আইয়ুব আলী, মোহাম্মদ  এনামুল কবির, খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ  আব্দুল রহিম, মোহাম্মদ  আরিফুর রহমান, আব্দুল বারী তিতাস, মোহাম্মদ রেজাউল করিম, অহিদুজ্জামান প্রিন্স, মোহাম্মদ রুহুল আমিন,  মোহাম্মদ নুরুল আমিন, গাজী নূরুল আলম, অপু চৌধুরী, মারুফ আহমেদ, জালাল আহমেদ, মোহাম্মদ পাবেল মিয়া, মোহাম্মদ হাসান আলী, সুলতান মিয়া, মোহাম্মদ হাসান, ইকবাল আনসারী, আব্দুর রহিম, নূর ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম নেতা-কর্মী যোগ দেন বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে। 

এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত