যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 06:33am

|   লন্ডন - 12:33am

|   নিউইয়র্ক - 07:33pm

  সর্বশেষ :

  ভারত সীমান্তে ২৩ দিনে ১০ বাংলাদেশি নিহত   খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ‘বিশেষ আবেদন’   বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংঘাতে ছয় বছরে নিহত ৬৩৫   ‘আইসিজের রায়ে শুধু রোহিঙ্গা নয়, বাংলাদেশেরও বিজয় হয়েছে’   দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছি: প্রধানমন্ত্রী   করোনা নিয়ন্ত্রণে চীনের দশ শহরে গণপরিবহন ও মন্দির বন্ধ   আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ প্রত্যাখ্যান করলো মিয়ানমার   জার্মানিতে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৬   হারাম উপার্জন সন্তানের ওপর প্রভাব ফেলে   ইরানি ব্যবসায়ীদের ভিসা দেয়া বন্ধ করল আমেরিকা   ডাক্তারদের রোগী দেখার ফি নির্ধারণ করবে সরকার   রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যা করা হয়েছে তা গণহত্যার শামিল: আইসিজে   বাংলাদেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা উদ্বেগজনক : টিআইবি   ছড়াকার সুফিয়ান চৌধুরী স্বদেশ যাত্রা করবেন ৩০ জানুয়ারি   শাশুড়ির জ্বালায় পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা!

মূল পাতা   >>   ইসলামী জীবন

স্বামীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ ঈমানদার স্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-০৯ ০৩:২২:৪৩

নিউজ ডেস্ক: যে কারণে স্বামীর জন্য ঈমানদার স্ত্রী শ্রেষ্ঠ সম্পদ; হাদিসে সে বিষয়গুলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুস্পষ্ট ভাষায় বর্ণনা করেছেন। তিনি পুরুষের জন্য চারটি বিষয়কে শুভলক্ষণ বলেছেন। আর তা হলো- নেককার নারী, প্রশস্ত ঘর, সৎ প্রতিবেশী এবং সহজ প্রকৃতির আনুগত্যশীল-পোষ্য বাহন। পক্ষান্তরে চারটি জিনিসকে কুলক্ষণা বলেছেন। তার মধ্যে একটি হলো বদকার নারী। (হাকেম, সহিহ আল জামে)

অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন ঈমানদার স্ত্রীকে তার স্বামীর জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। হাদিসটি তুলে ধরা হলো-

হজরত ছাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘যখন এ আয়াত নাজিল হলো- ‘আর যারা সোনা-রূপা সঞ্চয় করে (আয়াতের শেষ পর্যন্ত); তখন আমরা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে কোনো এক সফরে ছিলাম।

তখন তাঁর এক সাহাবি বললেন, ‘এটাতো (আয়াত) সোনা-রূপা সর্ম্পকে নাজিল হলো। আমরা যদি জানতে পারতাম কোন সম্পদ উত্তম, তবে তা সঞ্চয় করতাম।

তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘তোমাদের কারো শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো-
>> আল্লাহর জিকিরকারী রসনা (জিহ্বা);
>> কৃতজ্ঞ অন্তর; এবং
>> ঈমানদার স্ত্রী, যে তার ঈমানের (দ্বীনের) ব্যাপারে তাকে (স্বামীকে) সহযোগিতা করে। (মুসনাদে আহমদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মিশকাত)

হাদিসের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘মাজাহেরে হক’ এ হাদিসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা বর্ণনা করেছেন। এ হাদিসে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈমানদার স্ত্রীর ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়েছেন। একজন ঈমানদার স্ত্রী তার স্বামীর জন্য সর্বোত্তম সম্পদও বটে।

দ্বীনের ব্যাপারে স্বামীকে সহযোগিতার মর্মার্থ হলো- ঈমানদার স্ত্রী ধর্মীয় কার্যক্রম ও দ্বীনি দায়িত্বসমূহ পালনের ক্ষেত্রে তার স্বামীকে সহযোগিতা করবে। যেমন-

নামাজের সময় হলে তার স্বামীকে নামাজের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে; রমজান মাসের রোজা রাখার ব্যাপারে স্বামীকে সহযোগিতা করবে।

অনুরূপভাবে একজন ঈমানদার স্ত্রী তার স্বামীকে ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি, পরিবারের আনুসাঙ্গিক কাজকর্মসহ অন্যান্য সব ইবাদত-বন্দেগিতেও স্বামীকে বুদ্ধি পরামর্শ ও উপদেশ দিয়ে যথাসাধ্য সহযোগিতা করবে।

ঈমানদার স্ত্রী বাড়িতে এমন পরিবেশ এবং আবহ সৃষ্টি করবে, যাতে স্বামী সারাক্ষণ পূণ্যকর্মে লিপ্ত থাকেন। অপকর্ম, অবৈধ উপার্জন এবং হারাম পেশা থেকে বিরত থাকেন।

এমনকি স্বামী যদি কোনো মন্দ কাজে লিপ্ত হন তবে ঈমানদার স্ত্রী তাকে সেই মন্দ কাজ থেকে ফিরিয়ে আনবে। অবাধ্য স্বামীকে মন্দ কাজ থেকে ফিরিয়ে আনতে তার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এ কারণেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈমানদার নেক্কার স্ত্রীকে স্বামীর জন্য সর্বোত্তম সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহ সব নারীকে দ্বীনদার ও ঈমানদার হিসেবে কবুল করুন। পৃথিবীর সব মুমিন নারীকে নেককার সন্তান, নেককার স্ত্রী ও নেককার মা হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৩৬৭ বার

আপনার মন্তব্য