যুক্তরাষ্ট্রে আজ রবিবার, ০৭ Jun, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 11:26am

|   লন্ডন - 06:26am

|   নিউইয়র্ক - 01:26am

  সর্বশেষ :

  ঢাকায় করোনা আক্রান্ত সাড়ে ৭ লাখের বেশি: ইকোনমিস্ট   নাসিমের অবস্থা সংকটাপন্ন, ৫ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন   সিলেট সিটির সাবেক মেয়র কামরান করোনায় আক্রান্ত   দেশে প্রতি পাঁচজনের নমুনা পরীক্ষায় একজনের করোনা   ত্বক ফর্সা ক্রিমের বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি বর্ণবাদ বিরোধী পোস্ট, সমালোচনায় প্রিয়াঙ্কা   চট্টগ্রামে বিএসআরএম কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১, দগ্ধ ৪   বাংলাদেশের করোনা শনাক্ত নিয়ে সন্দেহ বিশেষজ্ঞদের   তাহলে কি ট্রাম্পকে ডুবাচ্ছে করোনা আর বর্ণবাদ   বিক্ষোভের মুখেই জার্মানি থেকে সেনা প্রত্যাহার করল ট্রাম্প   এবার বন্ধ হল পুলিশের হাঁটু দিয়ে গলা চেপে ধরা   ট্রাম্পের পেশীশক্তির জবাব দিলেন ওয়াশিংটন মেয়র   লস এঞ্জেলেস পুলিশ প্রধান মাইকেল মুরের পদত্যাগ দাবি   অনলাইন ক্লাশ করতে পারেন যেভাবে   যুক্তরাষ্ট্রে ১৫৪টিসহ মোট ২৬৯টি দোকান বন্ধ করবে ওয়ালমার্ট   করোনায় একদিনে গেল আরও ৩৬ প্রাণ, আক্রান্ত ৬১ হাজার ৪৫

মূল পাতা   >>   লস এঞ্জেলেস

মহামারিতে অর্ধেকেরও বেশি খুচরা ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৫-১৬ ১৫:১০:৫১

সংগৃহীত ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মহামারি করোনায় সারাবিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা টালমাটাল। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে খুচরা ব্যবসাগুলো। এমন অবস্থা আরও বেশ কিছুদিন চলতে থাকলে অর্ধেকেরও বেশি খুচরা ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমনটাই  জানা গেছে ন্যাশনাল ফেডারেশন অব ইন্ডিপেনডেন্ট বিজনেস এর এক জরিপে।

কার্লোস ম্যারিকুইন বিগত পনের বছর ধরে নিউহল সকার শপ চালাচ্ছেন। এবং এটাই তার সব সম্বল। তিনি বলেন, আমি এতটা আতঙ্কে কখনো থাকিনি। আমি টিকে থাকার জন্য চেষ্টা করছি। জানি না তা পারব কি না।

ম্যারিকুইন আরও বলেন, কেউ এখন সকার খেলছে না। কেউ প্র্যাক্টিসও করছে না। দোকানটি ২০০৫ সাল থেকে চলছে। আমরা শুধু ব্যবসার জন্য ব্যবসা করছি না। এমনটা নয় যে আমরা এখানে সেখানে দোকান খুললাম ও গুটিয়ে গেলাম।

সান্তা ক্লেরিটায় ম্যারিকুইন এর এই সকার শপ বন্ধ  হলে তা এখানকার কমিউনিটির জন্যই বড় ক্ষতি।

লস এঞ্জেলেসের মধ্যভাগে চিয়ারা আরোয়া অ্যান্ড সেলেনে নাভারাট্টা একই রকম উদ্বিগ্নতায় আছেন। তারা স্প্যানিশ ভাষা শিক্ষার বই বিক্রি করেন বাচ্চাদের জন্য। দোকান ভাড়া পরিশোধের জন্য তাদের ঋণ করতে হয়েছে। তারা বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত কীভাবে ব্যবসা চালাব জানি না। 

কানেকটিকাটের ইউনিভার্সিটি অব নিউ হেভেনের বিজনেস অব কলেজের ডিন ব্রায়ান টি কেনেচ বলেন, মহামারির সময় যত বাড়বে তত আমরা দ্রুত ক্ষতি কাটিয়ে উঠার পরিকল্পনা  ‘ভি’ শেপ  থেকে দূরে সরে যাব। আমাদের ‘ইউ’ অথবা ‘এল’ শেপে মনোযোগী হতে হবে।

ছোট ছোট ব্যবসাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অন্য একটি কারণ হচ্ছে অনলাইন কেনাকাটায় জনপ্রিয় ওয়েবসাইটগুলোর তৎপরতা। এতে বিধিনিষেধ মেনে কিছু ব্যবসা চালানোর অনুমতি দিলেও তারা ভালো করতে পারছে না। কারণ সাধারণ মানুষ অনলাইনেই প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হওয়ায় তারা বাইরে যেতে ঝুঁকি নিচ্ছে না।


/এলএ বাংলা টাইমস/এন/এইচ



এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ২৫৬ বার

আপনার মন্তব্য