গ্রাহকসেবায় ৫ মিনিটের বেশি অপেক্ষা নয়: ক্যালিফোর্নিয়ায় নতুন বিল, মানবিক যোগাযোগ নিশ্চিতের উদ্যোগ
বিদেশে 'নিউক্লিয়ার সিক্রেটস' বিক্রির চেষ্টা: ইউএস নেভির প্রকৌশলী সস্ত্রীক গ্রেফতার
ছবি: এলএবাংলাটাইমস
অন্য দেশের কাছে নিউক্লিয়ার সম্পর্কিত গোপনীয় তথ্য বিক্রি চেষ্টার অভিযোগে ইউএস নেভির এক প্রকৌশলী ও তার স্ত্রীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানায়, জনাথন টয়বে এবং তার স্ত্রী ডিয়ানাকে শনিবার (৯ অক্টোবর) ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া থেকে আটক করা হয়।
ঘটনাসূত্র জানায়, এই দুইজন নিউক্লিয়ার সাবমেরিন এর নকশার গোপন তথ্য বিক্রি করার চেষ্টা করছিল। একটি পিনাট বাটার স্যান্ডউইচের ভিতর ভরে নকশা পাচারের চেষ্টা করে তারা।
তাদের ধারণা ছিল যারা নকশাটি কিনতে চাইছেন তারা ভিন্ন দেশের নাগরিক। তবে প্রকৃতপক্ষে তারা ছদ্মবেশি এফবিআই এজেন্ট ছিল।
বিবৃতিতে জানানো হয়, জনাথন (৪২) ও তার স্ত্রী (৪৫) এই দুইজনের বিরুদ্ধে 'অ্যাটোমিক এনার্জি অ্যাক্ট' এর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জনাথন টয়েবে ইউএস নেভির নিউক্লিয়ার পরিচালনা প্রোগ্রামে কাজ করতেন ও তার ন্যাশনাল সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স ছিল।
দ্য জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট জানায়, ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে 'বিদেশি সরকারের' কাছে সে একটি প্যাকেজ পাঠায় এবং চিরকুটে লিখে দেয় সম্পর্ক আরো নিবিড় করার কথা যেনো পরবর্তীতে আরো তথ্য সে বিক্রি করে দিতে পারে৷
এরপর থেকে তিনি এক ব্যক্তির সাথে গোপনীয় মেইল দিয়ে আলাপ আলোচনা করতে থাকে৷ তার ধারণা ছিল যার সাথে ইমেইলে কথা বলছেন তারা বাইরের দেশের সরকারি লোক। প্রকৃতপক্ষে তারা এফবিআই এজেন্ট ছিল।
এর কয়েক মাস পর এই দুই দম্পতি চুক্তি অনুযায়ী তথ্য বিক্রি করতে সম্মত হোন। ১ লাখ ডলার ক্রিপোকারেন্সি পেয়ে তারা তথ্য বিক্রি করেন।
এই বছরে জুন মাসে জনাথন এবং ডিয়ানা ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ভ্রমণ করতে আসেন ও তথ্য বিক্রি করে চলে যান।
জানা যায়, জনাথন একটি মেমোরি কার্ডের ভিতর তথ্য নিয়ে যেয়ে একটি স্যান্ডউইচের ভিতর দিয়ে তা একটি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে আসেন। সেখান থেকে এফবিআই এর এজেন্টরা কার্ডটি সংগ্রহ করেন এবং এই দম্পতির কাছে অর্থ পাঠিয়ে দেন।
জনাথন এরপর দ্বিতীয়বারের মতো আগস্ট মাসে একটি চুইঙ্গামের প্যাকেটের ভেতর দিয়ে আরো কিছু গোপনীয় তথ্য বিক্রি করেন।
তৃতীয়বার এভাবে বিক্রি করতে চাইলে এফবিআই এর এজেন্টরা তাদের আটক করেন। আগামী ১২ অক্টোবর তাদের ফেডারেল কোর্টে তোলা হবে৷
এলএবাংলাটাইমস/ওএম
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন