আপডেট :

        যুক্তরাষ্ট্রে নবজাতকদের দেওয়া হবে ‘ফ্রিডম ২৫০’ বিশেষ সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড

        লস এঞ্জেলেস বিমানবন্দরে ২০ লাখের বেশি যাত্রীর চাপ

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় যৌনপাচারবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১০

        গাছের ডাল ভেঙে ৮ বছরের শিশুর মৃত্যু, পরিবার পাচ্ছে ১ কোটি ৪৬ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ

        বিমানের দরজা খোলার চেষ্টা, জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হলো ফ্লাইট

        ওহাইওর একটি বাড়ি থেকে অমানবিক পরিবেশে ১৬ শিশু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ প্রাপ্তবয়স্ক

        এম্পায়ার স্টেটে উঠে প্রেমের প্রস্তাব, আটক দুইজন

        যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদে নবায়ন করল না উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

        ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ছে গ্যাস কর, ৪ জুলাইয়ের ছুটির আগে বাড়বে জ্বালানির খরচ

        ক্যালিফোর্নিয়ার আগ্নেয়গিরিতে ১,৫০০ ফুট নিচে পড়েও প্রাণে বাঁচলেন নারী পর্বতারোহী

        দোহায় মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মার্কিন দূতরা, ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নয়

        যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপপ্রবাহ, জারি জরুরি সতর্কতা

        ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে এক বছরে ট্রাম্পের আয় ১০০ কোটি ডলারের বেশি

        জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট, ট্রাম্পের উদ্যোগে বড় ধাক্কা

        ৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড পচা খাবারে নাকাল লস এঞ্জেলেস

        ক্যালিফোর্নিয়ার শেল্টারে ১১৭ কুকুরের কবর, ৬০০টির খোঁজ নেই

        ক্যালিফোর্নিয়ায় টেসলার ধাক্কায় শপিং সেন্টারে নিহত ৭৯ বছর বয়সী নারী

        যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা প্রশমনের পথে, আপাতত হামলা বন্ধে সম্মতি

        অবতরণের সময় ড্রোনের ধাক্কার দাবি জেটব্লু পাইলটের

        দেরিতে পৌঁছানো ডাকযোগে ভোট গণনার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রায়, ট্রাম্পের বড় ধাক্কা

রিপাবলিকানদের নাটকীয় জয়: ট্রাম্পের বাজেট বিলের ফ্রেমওয়ার্ক অনুমোদন

রিপাবলিকানদের নাটকীয় জয়: ট্রাম্পের বাজেট বিলের ফ্রেমওয়ার্ক অনুমোদন

ছবিঃ এলএবাংলাটাইমস

প্রবল টানাপোড়েনের পর মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে রিপাবলিকানরা বৃহস্পতিবার ২১৬-২১৪ ভোটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহু আলোচিত বাজেট ফ্রেমওয়ার্ক অনুমোদন করেছে। স্পিকার মাইক জনসনের নেতৃত্বে রিপাবলিকানরা রাতভর আলোচনার মাধ্যমে দলীয় বিদ্রোহীদের রাজি করাতে সক্ষম হন।

বিলটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘বিগ, বিউটিফুল বিল’ নামে পরিচিত, যার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সুরক্ষা সহ বহু ফেডারেল খাতে প্রায় ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় ছাঁটাইয়ের প্রস্তাব রয়েছে। একইসঙ্গে এতে রয়েছে নতুন কর ছাড় এবং সামরিক খাতে বড় অংকের বরাদ্দ।

স্পিকার জনসন জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর পাঁচ মিনিটের ফোনালাপে ট্রাম্প বিলটি দ্রুত পাসের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ট্রাম্প পরে সামাজিক মাধ্যমে লিখেন, "সবকিছুই দারুণভাবে এগোচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কর ছাড় আসছে!"

এই বিলটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এতে রয়েছে কর ছাড়, ব্যাপক অবৈধ অভিবাসী বিতাড়ন, এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় সংকোচনের পরিকল্পনা। যদিও চূড়ান্ত বিল পাসে এখনো কয়েক সপ্তাহ বা মাস সময় লাগতে পারে।

তবে বুধবার পর্যন্ত অন্তত ডজনখানেক কনজারভেটিভ রিপাবলিকান এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে আসছিলেন। অনেকে সরাসরি সিনেট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন আরও গভীর কাটছাঁটের দাবি জানিয়ে। শেষে রাতভর আলোচনার মাধ্যমে স্পিকার জনসন ও তার টিম বিদ্রোহীদের রাজি করাতে সক্ষম হন।

তবে বিলটির বিরোধিতা করছেন ডেমোক্র্যাটরা। হাউস ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিস বলেন, “এই বাজেট পরিকল্পনা বেপরোয়া ও নিষ্ঠুর। এটি ধনীদের কর ছাড় দিতে গিয়ে সাধারণ আমেরিকানদের অধিকার কেটে দিচ্ছে।”

বিলটির মূল লক্ষ্য ২০১৭ সালের কর ছাড় অক্ষুন্ন রাখা এবং নতুন কিছু কর ছাড় যুক্ত করা, যার মধ্যে রয়েছে টিপসহ আয়, সামাজিক নিরাপত্তার আয়— এসবের উপর কর বাতিল। এসব পরিবর্তনের ফলে পরবর্তী দশকে ব্যয় বেড়ে প্রায় ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

ডিফেন্স খাতে বাড়তি ১৭৫ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে, পাশাপাশি ট্রাম্পের প্রস্তাবিত অভিবাসী বিতাড়ন কর্মসূচির জন্যও সমপরিমাণ বাজেট রাখা হয়েছে। তবে এসব খরচ মেটাতে স্বাস্থ্যসহ ঘরোয়া অনেক খাতে কাটছাঁট প্রস্তাব করা হয়েছে, যা নিয়ে রিপাবলিকান দলের মধ্যেও মতবিরোধ রয়েছে।

সিনেটের রক্ষণশীল সদস্যদের কেউ কেউ যেমন কেন্টাকির সেনেটর র‍্যান্ড পল, এই প্রস্তাবের অঙ্ক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। অপরদিকে মেইনের সেনেটর সুসান কলিন্স মেডিকেইড কাটছাঁট নিয়ে আপত্তি তুলেছেন।

এই বিলটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে দেশের ঋণসীমা বাড়ানোর প্রস্তাবও। হাউসের প্রস্তাবে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার এবং সিনেটের প্রস্তাবে ৫ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণসীমা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে, যাতে করে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বিষয়টি নিয়ে আর ভোটাভুটি করতে না হয়।

এই বাজেট ফ্রেমওয়ার্ক এখন হাউস ও সিনেটের চূড়ান্ত আলোচনার দিকে যাচ্ছে, যেখানে পার্থক্যগুলো মেটাতে হবে। চূড়ান্ত ভোট হতে পারে গ্রীষ্মের মধ্যভাগে। তবে ট্রাম্প ও জনসনের নেতৃত্বে রিপাবলিকানরা এই বিলটিকে পাস করাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

এলএবাংলাটাইমস/ওএম

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত