আপডেট :

        লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য নতুন সহায়তা কর্মসূচি

        কলোরাডো নদীর পানি কমে যাওয়ায় তিন অঙ্গরাজ্যে বড় ধরনের পানি কাটছাঁট

        ক্যালিফোর্নিয়ায় সামরিক স্মৃতিসৌধ থেকে ব্রোঞ্জের সৈনিকের ভাস্কর্য চুরি

        মার্কিন ফ্লাইটে ল্যাপটপে আগুন, হাসপাতালে চিকিৎসা পেলেন এক যাত্রী

        ট্রাম্প বললেন, যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হওয়ার সুবিধা চায় কানাডা

        জুরি ডিউটি নিয়ে প্রতারণা, লস এঞ্জেলেসে সতর্কতা জারি

        ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিতের নীতি বাতিল করলেন মার্কিন বিচারক

        যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের বৈধ অভিবাসনে কড়াকড়ি বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন

        ফেডারেল অর্থ বন্ধের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ, লস এঞ্জেলেসের ১৪০ আবাসন প্রকল্প সুরক্ষিত

        নভেম্বরে ১১ বিলিয়ন ডলারের আবাসন বন্ড নিয়ে ভোট দেবেন ক্যালিফোর্নিয়ার ভোটাররা

        হত্যার কয়েক মিনিট আগে টুপাক শাকুরের শেষ ছবি, আদালতে সাক্ষ্য দেবেন আলোকচিত্রী

        নাটালি হার্প কে, ট্রাম্পের এত ঘনিষ্ঠ সহকারী কেন?

        বাণিজ্য চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র

        ইরানকে সহায়তা করলে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

        ক্যালিফোর্নিয়ায় কিছু টায়ার বিক্রিতে নতুন নিয়ম, বাড়তে পারে দাম

        খেলনা পিস্তল হাতে দাঁড়ানো ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে পুলিশের গুলি, অল্পের জন্য বাঁচলেন

        ভয়ংকর পুতুলের মুখোশ পরে ফিলাডেলফিয়ায় বাসিন্দাদের ধাওয়া, আতঙ্ক

        মর্গের ব্যবস্থাপক দেহের অঙ্গ বিক্রি করায় ৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার দেবে হার্ভার্ড

        কানাডার ওপর নতুন শুল্ক তিন দিন পিছিয়ে দিলেন ট্রাম্প, চুক্তির কাছাকাছি দুই দেশ

        যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া ছয় দিন কমল

‘হ্যাবিয়াস করপাস’ সাময়িক স্থগিতের উদ্যোগ বিবেচনায় রাখছে ট্রাম্প প্রশাসন

‘হ্যাবিয়াস করপাস’ সাময়িক স্থগিতের উদ্যোগ বিবেচনায় রাখছে ট্রাম্প প্রশাসন

ছবিঃ এলএবাংলাটাইমস

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ‘হ্যাবিয়াস করপাস’সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিষয়ে সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের একজন শীর্ষ সহকারী।

হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার শুক্রবার সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিদ্রোহ বা আক্রমণের সময় এই আইনি অধিকার সাময়িকভাবে স্থগিত করার সুযোগ রাখে।

‘হ্যাবিয়াস করপাস’ এমন একটি সাংবিধানিক অধিকার যা কাউকে গ্রেফতার বা আটক করার পর, সেই আটক কতটা আইনসম্মত তা আদালতে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ দেয়। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন বিরোধী বিভিন্ন উদ্যোগ এবং বিদেশি ছাত্রদের বিতাড়নের ঘটনায় সম্প্রতি এই অধিকারের ব্যবহার বেড়েছে।

স্টিফেন মিলার বলেন, “আদালত সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে কি না, তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।”

বিচার বিভাগের সঙ্গে সংঘাত

ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু গ্রেফতার নিয়ে ইতোমধ্যেই একাধিক হ্যাবিয়াস করপাস ভিত্তিক দেওয়ানি মামলাবিচারাধীন রয়েছে।

সম্প্রতি, একটি ফেডারেল আদালত ইসরায়েলের সমালোচনামূলক একটি প্রবন্ধ লেখার কারণে ছয় সপ্তাহ ধরে আটক থাকা এক তুর্কি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

আরেকটি ঘটনায়, ফিলিস্তিনপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকেও আদালত হ্যাবিয়াস করপাস আইনের মাধ্যমে মুক্তির আদেশ দেয়।

তবে কিছু বিচারক আবার এই ধরনের মামলায় ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষেই রায় দিয়েছেন।

রাজনৈতিক ও আইনগত বিতর্ক

স্টিফেন মিলার বলেন, “হ্যাবিয়াস করপাস একটি সুবিধা, অধিকার নয়।” তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস ইতোমধ্যেই অভিবাসন সংক্রান্ত মামলায় আদালতের এখতিয়ার সীমিত করেছে।

তবে অনেক আইনজ্ঞ ও রাজনৈতিক সমালোচক এই ব্যাখ্যার সমালোচনা করেছেন।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির আইনজীবী মার্ক এলিয়াস এমএসএনবিসিকে বলেন, “হ্যাবিয়াস করপাস স্থগিত করার ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের আছে – প্রেসিডেন্ট বা স্টিফেন মিলারের নয়।”

ট্রাম্প নিজের নির্বাচনী প্রচারে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোটি অভিবাসীকে বহিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেনএবং হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকে সেই লক্ষ্যেই নানা উপায়ে কাজ করে চলেছেন।

তবে বিচার বিভাগ কিছু উদ্যোগ আটকে দিয়েছে। মার্চ মাসে একটি আদালত ১৮ শতকের যুদ্ধকালীন আইনের ব্যবহার করে ২০০ জন ভেনেজুয়েলান অভিবাসীকে বহিষ্কারের পরিকল্পনা অবৈধ ঘোষণা করে।

হ্যাবিয়াস করপাস: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

‘হ্যাবিয়াস করপাস’ শব্দটির অর্থ “তোমার শরীর উপস্থিত করো” – যার মাধ্যমে বিচারক নির্ধারণ করেন আটককারী কর্তৃপক্ষ আইনি সীমা লঙ্ঘন করেছে কি না।

এই অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে মাত্র চারবার স্থগিত হয়েছে –

১. গৃহযুদ্ধের সময় আব্রাহাম লিংকনের অধীনে,

২. পার্ল হারবারে জাপানের হামলার পর হাওয়াইয়ে,

৩. ১৯০৫ সালে ফিলিপাইনে,

৪. ১৯শ শতকে কু ক্লাক্স ক্ল্যান বিরোধী কর্মকাণ্ডে।

এই ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের হাতেরয়েছে, প্রেসিডেন্টের হাতে নয় – এমনটাই স্পষ্টভাবে বলা আছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে।

এলএবাংলাটাইমস/ওএম

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত