আপডেট :

        ওয়ার্ল্ড কাপ দেখার অনুষ্ঠানে পানিতে ডুবে ৮ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু

        লস এঞ্জেলেসে হিট-অ্যান্ড-রান তাণ্ডব, পুলিশ কর্মকর্তাসহ আহত ৫

        আদালতের কক্ষে যৌন সম্পর্ক ও মিথ্যা বলার অভিযোগে অভিযুক্ত বিচারকের ক্ষমা প্রার্থনা

        কানাডার নাগরিকত্ব সনদ ফেরত দিতে বলা হলো কিছু ‘লস্ট কানাডিয়ান’কে

        হোয়াইট হাউসের ইউএফসি ইভেন্টে হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ, গ্রেপ্তার ৫

        নিউইয়র্কে খামারে আগুনে পুড়ে ১৭টি ঘোড়ার মৃত্যু

        ১,৫০০ একর এলাকায় দাবানল, রিভারসাইডে জারি জরুরি উচ্ছেদ নির্দেশ

        প্রেমিকাকে হত্যার পর মেয়েকে নিয়ে পালানো লস এঞ্জেলেসের বাবা মেক্সিকোতে গ্রেপ্তার

        ক্যালিফোর্নিয়ায় বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কা, এক হাজার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ চাপে সান আন্দ্রেয়াস ফল্ট

        স্ট্যানফোর্ড সমাবর্তনে সুন্দর পিচাইয়ের বক্তব্য চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওয়াকআউট

        ট্রাম্পের সমালোচক হওয়ায় তদন্তের অভিযোগ নিউসমের, নজরে স্ত্রী ও সাবেক সহযোগীরা

        ক্যালিফোর্নিয়ায় মার্কিন বিমান বাহিনীর বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৮

        অরেঞ্জ কাউন্টিতে সপ্তাহজুড়ে উচ্চ ঢেউ ও বিপজ্জনক সাগরস্রোতের সতর্কতা

        ক্যালিফোর্নিয়ার সৈকতে ঘুমিয়ে থাকা দুই নারী সাগরে ভেসে গেলেন, একজনের মৃত্যু

        নিকসের ঐতিহাসিক শিরোপা জয়ের উল্লাসে নিউইয়র্কে বিশৃঙ্খলা, গুলিতে কিশোর আহত

        যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ ১২ জন নিহত

        যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে স্বস্তি মিলবে কি লেবাননের? রয়ে গেছে অনিশ্চয়তা

        হোয়াইট হাউসের লনে ইউএফসি লড়াই আয়োজন করলেন ট্রাম্প

        যৌন নির্যাতন মামলার ক্ষতিপূরণ বিতরণ স্থগিতের আবেদন লস এঞ্জেলেস কাউন্টি ডিএর

        ওয়েস্ট হলিউডের জনপ্রিয় বারে আকস্মিক উপস্থিতি কমলা হ্যারিসের

অবৈধ অভিবাসন দমনে হন্ডুরাস ও উগান্ডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফেরত চুক্তি

অবৈধ অভিবাসন দমনে হন্ডুরাস ও উগান্ডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফেরত চুক্তি

ছবিঃ এলএবাংলাটাইমস

অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায় হন্ডুরাস ও উগান্ডার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ডিপোর্টেশন (ফেরত পাঠানো) চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিবিসির অংশীদার মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস (CBS)।

সিবিএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, উগান্ডা সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করা আফ্রিকা ও এশিয়ার এক অনির্দিষ্ট সংখ্যক অভিবাসীকে গ্রহণ করতে। অন্যদিকে হন্ডুরাস আগামী দুই বছরে স্প্যানিশভাষী দেশগুলো থেকে ফেরত পাঠানো কয়েকশ’ অভিবাসী নেবে।

এ পদক্ষেপকে ট্রাম্প প্রশাসনের এমন একটি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে যেখানে যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসীদের নিজ দেশের বাইরে অন্য দেশে ফেরত পাঠাতে চায়। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই নীতি কঠোরভাবে সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এতে অভিবাসীরা এমন দেশে পাঠানো হতে পারে যেখানে তারা ঝুঁকির মুখে পড়বেন।

চুক্তির শর্ত

চুক্তি অনুযায়ী, উগান্ডা কেবল সেই অভিবাসীদের নেবে যাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক ইতিহাস নেই। তবে কতজনকে দেশটিতে পাঠানো হবে তা এখনো পরিষ্কার নয়।
হন্ডুরাস প্রথমে কয়েকশ অভিবাসী নিলেও পরবর্তীতে আরও নিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শিশু-পরিবারসহ অভিবাসীরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বিস্তৃত পরিকল্পনা

এ দুটি দেশ ছাড়াও ট্রাম্প প্রশাসন এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ফেরত পাঠানোর চুক্তি করছে। এখন পর্যন্ত অন্তত এক ডজন দেশ এই ধরনের চুক্তিতে সম্মতি দিয়েছে।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, প্যারাগুয়ের সঙ্গে “সেইফ থার্ড কান্ট্রি” (তৃতীয় নিরাপদ দেশ) চুক্তি করা হয়েছে। এর আওতায় অবৈধ অভিবাসনের বোঝা ভাগাভাগি করবে দুই দেশ।

এ ছাড়া আফ্রিকার আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি রুয়ান্ডা জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বোচ্চ ২৫০ জন অভিবাসী নেবে। তবে প্রতিটি অভিবাসীকে গ্রহণের আগে রুয়ান্ডার অনুমোদন নিতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে রুয়ান্ডার নাম অতীতে সমালোচনায় এসেছে, বিশেষত সেখানে পাঠানো অভিবাসীদের পুনরায় অন্য দেশে ফেরত পাঠানোর ঝুঁকির কারণে।

এর আগে পানামা ও কোস্টারিকা কয়েকশ আফ্রিকান ও এশিয়ান অভিবাসী নিতে সম্মত হয়েছে। সিবিএস জানিয়েছে, ইকুয়েডর ও স্পেনের সঙ্গেও এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ করেছে।

আইনি বিতর্ক

দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। জুন মাসে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, অভিবাসীদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো ছাড়াও অন্য দেশে পাঠানো যেতে পারে।

তবে আদালতের বিচারপতি সোনিয়া সোটোমাইয়র, এলেনা কাগান ও কেটানজি ব্রাউন জ্যাকসন এ রায়ের বিরোধিতা করে এটিকে “গুরুতর অপব্যবহার” বলে অভিহিত করেছেন।

জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোও বলছে, এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হতে পারে, কারণ এতে অভিবাসীরা নিজেদের মাতৃভূমির বাইরের এমন দেশে পাঠানো হচ্ছেন যেখানে তারা নিরাপদ নাও থাকতে পারেন।


এলএবাংলাটাইমস/ওএম

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত