আপডেট :

        লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে আরও ৫২৪ ভোটকেন্দ্র চালু, আগাম ভোটগ্রহণ অব্যাহত

        ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর দৌড়ে এগিয়ে তিন প্রার্থী, শীর্ষে বেসেরা

        শিল্পীদের সরে দাঁড়ানোয় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, নিজেই অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার ইঙ্গিত

        ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাসচালকের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত হত্যার মামলা

        সমুদ্রতলের ড্রোন প্রযুক্তি তৈরি করবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া

        ট্রাম্পের স্বাস্থ্য ‘চমৎকার’, তবে ওজন কমানো ও বেশি ব্যায়ামের পরামর্শ

        রেকর্ড ১.২৫ ট্রিলিয়ন ডলার ক্রেডিট কার্ড ঋণে জর্জরিত মার্কিনরা, বাড়ছে বকেয়া বিল

        ইউসিএলএ ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের ওপর ধারাবাহিক হামলা, সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

        ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের বৈঠকেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, অনিশ্চয়তায় যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ

        কেনেডি সেন্টার থেকে ট্রাম্পের নাম সরানোর নির্দেশ মার্কিন আদালতের

        ভার্জিনিয়ায় ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: নিহত ৫, আহত অর্ধশতাধিক; চালকের পরিচয় প্রকাশ

        স্বাধীনতার ২৫০ বছর উদযাপনের মেলা থেকে সরে দাঁড়ালেন একাধিক শিল্পী

        ট্রাম্পের তহবিলে ক্যালিফোর্নিয়ার ১০০% করের হুমকি

        কোভিড ত্রাণ ঋণ জালিয়াতিতে ৪০ লাখ ডলারের বেশি আত্মসাৎ, কারাদণ্ড

        রিভারসাইড কাউন্টিতে স্কাইডাইভিং দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১

        যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি খুব কাছাকাছি, তবে এখনো চূড়ান্ত নয়: জেডি ভ্যান্স

        নিউইয়র্কে ইরানি ভিন্নমতাবলম্বীকে হত্যাচেষ্টার মামলায় মার্কিন নাগরিকের ১০ বছরের সাজা

        ট্রাম্পের ছবি দিয়ে ২৫০ ডলারের নতুন নোট আনার প্রস্তুতি

        বিশ্বকাপ ঘিরে বড় নিরাপত্তা প্রস্তুতিতে লস এঞ্জেলেস পুলিশ

        ক্যালিফোর্নিয়ায় রাসায়নিক ট্যাংক আতঙ্ক কাটল, প্রত্যাহার সব সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ

আ.লীগের কাউন্সিলে যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া ও মির্জা ফখরুল

আ.লীগের কাউন্সিলে যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া ও মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগের আসন্ন কাউন্সিলে বৃহৎ বিরোধি রাজনৈতিক দল হিসাবে বিএনপিকে আমন্ত্রন জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। ওই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে কার্ড পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এই ব্যাপারে খালেদা জিয়া ও মির্জা আলমগীর এখনও মুখ খোলেননি। তবে তাদের ঘনিষ্ট সূত্রে জানা গেছে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে খালেদা জিয়া ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যোগ দিচ্ছেন না। যদিও বিএনপির অফিস থেকে ও খালেদা জিয়ার কার্যালয় থেকে দাওয়াত পত্র প্রাপ্তির কথা গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে স্বীকার করা হয়নি।

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের পার্টি প্রধান ও মহাসচিবকে দাওয়াত করেছেন । তারা দুইজন ব্যক্তিকে দাওয়াত করেছেন। আর এই দাওয়াত হয়েছে আওয়ামী লীগের তরফ থেকে ব্যক্তিগত দাওয়াত। ব্যক্তিগত দাওয়াতে যাওয়ার আগ্রহ এখনও পর্যন্ত বিএনপির নেই।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এই দাওয়াত না দিতে পারলে দিতো না। আসলে লোক দেখানোর জন্য দাওয়াত দিয়েছে। আওয়ামী লীগের মতো পার্টি বিএনপির ২০জনকে দাওয়াত দেওয়ার সামর্থ রাখে না, এটা আমরা মনে করি না। কিন্তু সামর্থ থাকলেও তারা সেই কাজটি করেনি। তিনি বলেন, এটা ইচ্ছে করেই আওয়ামী লীগ করেছে যাতে করে বিএনপি না যায়।

খালেদা জিযার ঘনিষ্ট সূত্র জানায়, বিএনপির কাউন্সিল করার জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়। সরকার নথিপত্র পর্যন্ত অফিস থেকে তল্লাসী করিয়ে নিয়ে যওয়া হয়। এরপর আর কাউন্সিলর করার ভেন্যু দেওয়া নিয়ে সরকার অনেক টালবাহানা করে। যেখানে আমাদের দলের একটি কাউন্সিলর করার জন্য সরকার অনুমতি দেয় না। সেখানে সেই দলের কাউন্সিলে আমাদের নেত্রী ও মহাসচিব কেন যাবেন। সরকারী দলতো তাদের ইচ্ছে মতো ভেন্যু নিয়েছে। তাদের যেমন খুশী তেমনভাবে কাউন্সিল করছে। আমাদেরকেতো করতে দেয়নি। তাহলে এই ধরণের একটি অনুষ্ঠানে আমরা কেন যাবো।

বিএনপির একজন ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, আসলে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা চায় না। সুসম্পর্কও চায় না। বিশেষ করে বিএনপিকে মাইনাস করার ও রাজনীতি থেকে নাম মুছে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। সেখানে কি যাওয়ার সুযোগ আছে? এছাড়াও আমাদের যে দুই নেতাক দাওয়াত দিয়েছেন তাদের নামে কত মিথ্যে মামলা দিয়েছে এই সরকার ও আওয়ামী লীগ। তাদেরকে সুযোগ পেলেই কারাগারে নিয়ে যাবে। কিন্তু পারছে না জনগণের ভয়ে। এই অবস্থায় আমাদের ওই নেতারা যাবেন না এটাই জানি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপিকে দাওয়া দেওয়া হয়েছে এমনটি আমার জানা নেই। আমাদের ম্যাডাম ও মহাসচিবকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে শুনেছি। সেই দাওয়াতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে তারা যাবেন এমন কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনাও হয়নি। তিনি বলেন, আমি যতখানি জানি তারা যাবেন না। এরপর কোন সিদ্ধান্ত হলে সবাইতো দেখবেন। ম্যাডাম প্রয়োজন মনে করলে এটা নিয়ে আলোচনাও করতে পারেন নেতাদের সঙ্গে।
খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ট একজন নেতা বলেন, ম্যাডাম ওই দাওয়াতে যাচ্ছেন না এটা নিশ্চিত। মহাসচিবও যাবেন না বলে জানি। তবে এটা নিয়ে ম্যাডাম চাইলে আলোচনা করতে পারেন। এরপর সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন। এদিকে তারা না গেলেও কোন প্রতিনিধি পাঠানো হবে কিনা জানতে চাইলে ওই নেতা বলেন, সেই সম্ভাবনা কম। তবে এটা শেষ মহুর্তের আগে বলা যাবে না। কারণ আওয়ামী লীগ যে লোক দেখানো দাওয়াত দিয়েছে সেটা তারা বলবে না। কারণ তারা বলতে আমরা দাওয়াত দিয়েছিলাম। বিএনপি আসেনি। আরো বলবে আসলে বিএনপি সমঝোতা চায় না। এছাড়াও আরো অনেক কথা বলবে। সেই সুযোগও দিতে চাইবেন না ম্যাডাম। এই জন্য আরো কিছুটা সময় অতিবাহিত হওয়া দরকার। যদিও বিএনপির কাউন্সিলে আওয়ামী লীগকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিলো তারা কেউ আসেনি। এমনকি এর আগের কাউন্সিলের আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বিএনপির কাউন্সিলে প্রতিনিধি পাঠালেও চলতি বছরে অনুষ্ঠিত হওয়া কাউন্সিলে কোন প্রতিনিধি পাঠাননি। তাই বিএনপি চেয়ারপারসনও কোন প্রতিনিধি নাও পাঠাতে পারেন।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত