মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগের মুখে বিষয় ঘোরাতে চাইছে ক্যালিফোর্নিয়া
লস এঞ্জেলেসে গাঁজার জন্য গ্রেফতারের অধিকাংশ কৃষ্ণাঙ্গ
এলএ বাংলা টাইমস
যদিও ক্যালিফোর্নিয়া দুই বছর আগে গাঁজা বৈধ করেছে। তবুও লস এঞ্জেলেস সিটিতে মাদকের জন্য গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বর্ণগত বৈষম্য দেখা যাচ্ছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে গাঁজা সম্পর্কিত আইনটি কার্যকর হওয়ার পরও লস এঞ্জেলেস পুলিশ গাঁজা-আইন লঙ্ঘনের জন্য কৃষ্ণাঙ্গ বাসিন্দা গ্রেপ্তার করছে। প্রতি বছর শহরে গাজাঁ সংক্রান্ত বিষয়ে গ্রেফতার হওয়ার একটি বড় অংশই কৃষ্ণাঙ্গ।
ক্রসটাউনে সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে লস এঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগের গ্রেপ্তারের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৭ সালে গাজাঁ বৈধকরণ কার্যকর হওয়ার আগে পুলিশ ৫৮৮ জনকে গাঁজার জন্য গ্রেপ্তার করেছিল। ২০১৮ সালে তা বেড়ে ৬২০ এবং ২০১৯ সালে তা হয় ৬১৭। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৭ সালে গ্রেফতারের মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ ছিলো ২৯ শতাংশ। ২০১৮ সালে ৩৯ শতাংশ; এবং ২০১৯ সালে ৪২ শতাংশ। যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আইন পাসের এক বছর পরে হিস্পানিক বাসিন্দাদের গ্রেপ্তার খুব দ্রুত হ্রাস পেয়েছে। বৈধকরণের পরে অন্যান্য বর্ণের ব্যক্তির গ্রেপ্তারও কিছুটা বেড়েছে। তবে শ্বেতাঙ্গ লোক গ্রেফতারের হার ২০১৭ সাল থেকে প্রতি বছর হ্রাস পেয়েছে। ২০১৭ সালে গ্রেফতারের হার ছিলো ২৩ শতাংশ। যা ২০১৯ সালে ১২ শতাংশে পৌঁছেছে।
সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে গাঁজার ক্ষেত্রে শহরের কয়েকটি বর্ণগত বৈষম্যও তুলে ধরা হয়েছে। শহরের উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে ধনী ও হোয়াইট পাড়ায় কয়েক ডজন লাইসেন্সকৃত গাঁজা ডিসপেনসারি রয়েছে। কিন্তু শহরের কৃষ্ণাঙ্গ বাসিন্দাদের এলাকায় এবং ল্যাটিনেক্সের দক্ষিণে ১০ টিরও কম স্টোর রয়েছে। এই সম্প্রদায়ের তাই গাঁজা গ্রহণের জন্য আইনী উপায় কম। ফলে তারা অবৈধভাবে গাঁজা সংগ্রহ করে। যার ফলে গ্রেফতারের পরিমাণ বেশি। এছাড়া গাঁজা শিল্প শ্বেতাঙ্গ ব্যবসায়ীদের প্রভাধীন। কৃষ্ণাঙ্গ ও ল্যাটিন লোকেরা গাঁজার ব্যবসা পরিচালনা করতে বিভিন্ন ভাবে বাঁধার শিকার হন। যার ফলে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের বৈধভাবে ব্যাবসা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অবৈধ ব্যবসা ও সংগ্রহের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রেফতারের সংখ্যা বাড়ছে।
এলএ বাংলা টাইমস/এ/আই
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন