মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগের মুখে বিষয় ঘোরাতে চাইছে ক্যালিফোর্নিয়া
লস এঞ্জেলেসে কঠোর লকডাউন দাবি করলো 'ইউনিয়ন'
ছবি: এলএবাংলাটাইমস
লস এঞ্জেলেসে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কাউন্টিজুড়ে কঠোর নীতিমালা জারি রেখেছে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে কারফিউ চলছে লস এঞ্জেলেসে। বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সীমিত রয়েছে অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
তবু পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। এই অবস্থা থেকে দ্রুত উত্তরণ ঘটাতে তাই লস এঞ্জেলেস কাউন্টি সুপারভাইজারের কাছে জানুয়ারি মাসে কঠোর লকডাউন জারি করার দাবি জানিয়েছে শিক্ষক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, গ্রোসারি স্টোর মালিক ও হোটেল স্টাফদের সম্মিলিত ইউনিয়ন।
সম্মিলিত ইউনিয়ন দাবি করেন, এখন পরিস্থিতি যেভাবে চলছে, এতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসছে না। বরং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সীমিত করে দেওয়ায় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর চাপ পড়ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার ক্ষতি হচ্ছে।
কাউন্টি বোর্ড অব সুপারভাইজারের কাছে সম্মিলিত ইউনিয়ন দাবি করে, জানুয়ারি মাসের চার সপ্তাহ কঠোর লকডাউন জারি করা হোক। এতে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসবে আর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দ্রুত খোলা সম্ভব হবে। লকডাউনের ফলে অনেকের প্রাণ বাঁচবে বলেও দাবি করেন সম্মিলিত ইউনিয়ন ।
বোর্ড অব সুপারভাইজার বরাবর সম্মিলিত ইউনিয়ন ইতোমধ্যে লিখিত বার্তা প্রেরণ করেছে। সেই বার্তায় কঠোর লকডাউন জারি করতে ও সংক্রমণ রোধে যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
প্রস্তাবিত লকডাউন এই বছরের মার্চে আরোপিত হওয়া লকডাউনের মতোই কঠোর করার আবেদন জানান সম্মিলিত ইউনিয়ন। প্রায় ৭০০টি বিভিন্ন ধরণের সংগঠন একত্রিত হয়ে এই লকডাউন জারির ব্যাপারে মত দেন।
সাম্প্রতিক সময়ে লস এঞ্জেলেসে করোনার সংক্রমণ ভয়াবহ আকার নিয়েছে। লস এঞ্জেলেসে প্রতি ৮০ জন বাসিন্দার মধ্যে একজন করোনায় আক্রান্ত রয়েছে। প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ২ জন বাসিন্দা গড়ে মারা যাচ্ছে প্রানঘাতি এই ভাইরাসে।
বুধবার লস এঞ্জেলেসে মোট আক্রান্ত হয়েছে ২২ হাজার ৪২২ জন। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে হাসপাতালের সক্ষমতা কমছে দ্রুত। জরুরি বিভাগে মাত্র ১ দশমিক ৭ শতাংশ আসন খালি রয়েছে।
এলএবাংলাটাইমস/ওএম
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন