লস এঞ্জেলেসে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯০ মৃত্যুর প্রতিবাদে সিটি হলের সামনে ব্যতিক্রমী ‘ডাই-ইন’ বিক্ষোভ
কোভিড তহবিলে কোটি টাকার জালিয়াতি, ক্যালিফোর্নিয়ার এক ব্যক্তির দোষ স্বীকার
ছবিঃ এলএবাংলাটাইমস
ক্যালিফোর্নিয়ার ক্যানিয়ন লেকের বাসিন্দা ইমানুয়েল টাকার (৪৫) করোনাভাইরাস মহামারির সময় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসার জন্য দেওয়া সরকারি সহায়তার টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। ফেডারেল প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, টাকার ও তার সহযোগীরা ভুয়া কাগজপত্র জমা দিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনের পেচেক প্রটেকশন প্রোগ্রাম (PPP) এবং ইকোনমিক ইনজুরি ডিজাস্টার লোন (EIDL) প্রকল্প থেকে প্রায় ১৫.৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৭০ কোটি টাকা) হাতিয়ে নেন।
সরকারি নথি অনুযায়ী, এই অর্থ ব্যবসা বাঁচাতে ব্যয় না করে টাকার বিলাসবহুল গাড়ি, বাড়ি ও দামি গহনা কেনেন। তিনি একটি ক্যাডিলাক এসক্যালেড, বেন্টলি কন্টিনেন্টাল ও ফেরারি এফ৮ ট্রিবিউটোসহ একাধিক গাড়ি কেনেন। এছাড়া কয়েকটি কোটি টাকার বাড়ি এবং ৬৩ হাজার ডলারের হীরার আংটি ও ৪ লাখ ডলারের হীরার নেকলেস কিনেন।
এই সপ্তাহে টাকার ‘ওয়্যার ফ্রড’ ও ব্যাংক জালিয়াতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেছেন বলে মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে। প্রসিকিউটররা বলেন, টাকার ভুয়া বেতন তালিকা, আয়ের হিসাব ও ব্যবসার কাগজপত্র ব্যবহার করে সরকারি ঋণ নিয়েছিলেন।
মার্কিন বিচার বিভাগের ক্রিমিনাল ডিভিশনের ভারপ্রাপ্ত সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ম্যাথিউ আর. গ্যালিওট্টি বলেন, “টাকার সাধারণ মানুষের করের টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করে বিলাসবহুল জীবনযাপন করেছেন। এটি জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।”
আইআরএস ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশনের লস অ্যাঞ্জেলেস অফিসের স্পেশাল এজেন্ট টাইলার হ্যাচার বলেন, “এই অর্থ আসলে ছিলো সেইসব ব্যবসার জন্য, যারা মহামারিতে সত্যিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। টাকার সেই সহায়তা কেড়ে নিয়েছেন।”
এফবিআই সহকারী পরিচালক হোসে এ. পেরেজ বলেন, “মহামারির সময় ক্ষতিগ্রস্ত আমেরিকানদের জন্য দেওয়া সহায়তা লুট করা শুধু অনৈতিক নয়, এটি জনগণের আস্থার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা।”
আগামী ৪ ডিসেম্বর টাকারের সাজা ঘোষণা হবে। তিনি সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড পেতে পারেন।
এলএবাংলাটাইমস/ওএম
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন