বিচারকের পরোয়ানা ছাড়াই বাড়িতে ঢোকার নির্দেশ আইসিইকে—ফাঁস মেমো
প্রথম প্রজন্মের গৃহক্রেতাদের জন্য ক্যালিফোর্নিয়ার ডাউন পেমেন্ট সহায়তা কর্মসূচি আবার চালু
ছবিঃ এলএবাংলাটাইমস
ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রথমবার বাড়ি কেনার স্বপ্ন পূরণে সহায়তাকারী একটি জনপ্রিয় সরকারি কর্মসূচি আবার চালু হতে যাচ্ছে। ড্রিম ফর অল (Dream For All) নামের এই কর্মসূচির মাধ্যমে যোগ্য প্রথম প্রজন্মের গৃহক্রেতারা ডাউন পেমেন্ট সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন আগামী মাস থেকেই।
ক্যালিফোর্নিয়া হাউজিং ফাইন্যান্স এজেন্সি পরিচালিত এই কর্মসূচিটি মূলত তাদের জন্য, যাদের ক্রেডিট স্কোর ভালো, চাকরি স্থিতিশীল, কিন্তু উচ্চ মূল্যের আবাসন বাজারে প্রথম বাড়ি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
রিয়েল এস্টেট ব্রোকার জেক ডি রোসা বলেন, “এই কর্মসূচিটি এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে আবেদন করার সময়টা ছিল ঠিক টেইলর সুইফটের কনসার্টের টিকিট কাটার মতো।”
হাউজিং ফাইন্যান্স এজেন্সির কর্মকর্তা এরিক জনসন জানান, “বর্তমানে বাড়ির দাম অনেক বেশি, সুদের হার স্থির নয়, আর ডাউন পেমেন্টের জন্য ব্যাংকে বড় অঙ্কের টাকা জমানো অনেকের পক্ষেই কঠিন। প্রথমবার বাড়ি কেনা সত্যিই বড় একটি চ্যালেঞ্জ।”
এই কর্মসূচির আওতায় যোগ্য আবেদনকারীরা বাড়ির ক্রয়মূল্যের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত ডাউন পেমেন্ট সহায়তা পেতে পারেন, যার সর্বোচ্চ সীমা ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। ডি রোসা জানান, এই সহায়তা অনেকের জন্য বড় পার্থক্য গড়ে দেয়। তিনি বলেন, “এটি মূলত সেই প্রথম প্রজন্মের মানুষদের জন্য, যারা আগে কখনও বাড়ির মালিক ছিলেন না। সহায়তার অঙ্কটা সত্যিই বিশাল।”
ডাউন পেমেন্টের বড় অংশ কর্মসূচি থেকে পাওয়ায় মাসিক মর্টগেজ কিস্তির চাপ কমে যায়। তবে ভবিষ্যতে বাড়িটি বিক্রি করলে, প্রাপ্ত ডাউন পেমেন্টের অর্থ রাজ্য সরকারকে ফেরত দিতে হবে, সেই সঙ্গে বাড়ির মূল্য বৃদ্ধির একটি অংশও পরিশোধ করতে হবে।
২০২৪ সালে এই কর্মসূচির জন্য প্রায় ১৮ হাজার মানুষ আবেদন করেছিলেন, যার মধ্যে লটারির মাধ্যমে প্রায় ২ হাজার জনকে নির্বাচিত করা হয়।
এরিক জনসন বলেন, “পুরো রাজ্যের মানুষের তুলনায় আমরা খুব অল্পসংখ্যক মানুষকেই সহায়তা করতে পারি। কিন্তু যাদের সহায়তা করা যায়, তাদের প্রত্যেকের জীবনই এতে বদলে যায়।”
রাজ্য কর্মকর্তারা আশা করছেন, আগামী বছরে এই কর্মসূচির জন্য ১৫০ মিলিয়ন থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলার তহবিল থাকবে। আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি, আর শেষ হবে ১৬ মার্চ। হাউজিং কর্মকর্তারা আগ্রহী আবেদনকারীদের এখনই তাদের লোন অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিচ্ছেন, যাতে আবেদন প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়।
এলএবাংলাটাইমস/ওএম
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন