যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ০৬ Jun, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 11:20am

|   লন্ডন - 06:20am

|   নিউইয়র্ক - 01:20am

  সর্বশেষ :

  বর্ণবাদের তীব্র নিন্দা জানালেন পোপ   বর্ণবাদ কি ট্রাম্পের নতুন রাজনৈতিক কৌশল   সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হতে চেয়েছিলেন জর্জ ফ্লয়েড   বিক্ষোভে বৃদ্ধকে পুলিশের ধাক্কা, উত্তপ্ত নিউ ইয়র্ক   দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩০, আক্রান্ত ২৮২৮   চার হাসপাতালে ঘুরে বিনা চিকিৎসায় সিলেটে বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর মৃত্যু   বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত ৬৭ লাখ, মৃত তিন লাখ ৯৩ হাজার   লস এঞ্জেলেসে বন্দুক হামলায় নিহত ১   বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশিরা   কৃষ্ণাঙ্গরা কি মানুষ না!   বর্ণবাদ দূরীকরণে সহায়তা দিচ্ছে ব্যাংক অব আমেরিকা   টেক্সাসের সান অ্যান্তিনিওতে পরিবারের ৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার   রক্তবর্ণ নদী, রাশিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি   করোনায় একদিনে গেল আরও ৪৪ প্রাণ, আক্রান্ত ৫৯ হাজার ৬৫০   দেশে ১০ জেলায় বজ্রপাতে ২২ জনের মৃত্যু

মূল পাতা   >>   করোনা কর্ণার

করোনা আতঙ্কে এলো না কেউ, বাবার লাশ কাঁধে নিয়ে শ্মশানে চার মেয়ে!

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৪-০৫ ১৯:৩৮:৩০

নিউজ ডেস্ক: করোনা ঠেকাতে ভারতজুড়ে চলছে লকডাউন। প্রতি মুহূর্তে বলা হচ্ছে, বাঁচতে হলে একমাত্র অস্ত্র সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। আর সেই সামাজিক দূরত্বের কারণে এবার মৃত্যুর পর এক ব্যক্তির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিল না কেউ।

উল্লেখ্য, ওই ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি। পরিস্থিতি দেখে তার শেষকৃত্যে এগিয়ে আসে তার চার মেয়ে। তারাই বাবার মরদেহ কাঁধে করে নিয়ে গেল শ্মশানে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের আলিগড়ে। মৃত ব্যক্তির নাম সঞ্জয় কুমার।

স্থানীয় সূত্রে খবর, আলিগড়ের নুমাইশ ময়দানের চা-হেলিংয়ের বাসিন্দা ছিলেন বছর ৪৫ এর সঞ্জয় কুমার। পেশা চা বিক্রেতা হলেও বেশ কিছুদিন ধরে যক্ষ্মা রোগে ভুগছিলেন তিনি। অভাবের সংসারে সরকারি হাসপাতাল থেকে ওষুধ এনেই কোনও রকমে নিজের রোগের মোকাবিলা করছিলেন সঞ্জয়। এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে, আর চার মেয়ে অভাবের কারণেই পড়াশোনা ছেড়ে ঘরের কাজ করে।

তবে চরম দারিদ্রতার মধ্যেও কারও সাহায্য নেননি সঞ্জয় কুমার। সম্প্রতি তার শরীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু ভারতজুড়ে চলছে লকডাউন। সরকারি হাসপাতালেও ওষুধের সঙ্কট। এই পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে ওষুধ কিনে খাওয়া সম্ভব ছিল না তার পক্ষে। শেষরক্ষা হয়নি আর। অবশেষে মারা গেলেন তিনি।

কিন্তু আতঙ্ক আর সামাজিক দূরত্ব কারণে তার মৃত্যুর পর সৎকারের কাজেও এগিয়ে আসেনি কেউ। শেষে চার মেয়েই কাঁধে করে বাবার মরদেহ নিয়ে যায় শ্মশানে। সেখানেই হয় শেষকৃত্য।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/সিসি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৪৮৬ বার

আপনার মন্তব্য